অবারিত ইচ্ছের আকাশ

স্বদেশ রায় | ২৮ নভেম্বর ২০১৭ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

বন্ধুটি বললো হুইস্কি বাদদে রেড ওয়াইন ধর স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো।
ছোটবেলায় ফুল বাগান করার সময় পুরুত ঠাকুর বলেছিলেন,
শাদা জবার থেকে লাল জবা বেশি লাগাও, মায়ের পুজায় লাল
জবা লাগে বেশি। ইদানিং ডাক্তারও বলেন, অত রাত জাগবেন না
আর্লি ঘুমিয়ে যাবেন, হার্টের জন্যে ভালো।
পুরুত ঠাকুরের কথামতো লাল জবাতে বাগান ভরে ফেলেনি, সাত পুরুষের
লাগানো গাছ থেকে একটিই শুধু শ্বেত জবার ডাল এনে লাগিয়েছিলাম
শাদা মল্লিকার সঙ্গে মেলানোর জন্যে। মল্লিকা ফুলের চেয়ে মল্লিকা নামটি
তখন আমার অনেক প্রিয় ছিলো। তা্ই বলে মল্লিকার জন্যে দেবদাস হয়নি।
মল্লিকা চলে গেছে মল্লিকার মত, আমিও চলেছি নিজের মত- প্রেমের দীর্ঘশ্বাসে
ফুটো করেনি জীবনের কোন প্রান্ত, বরং এখনও খুশি হই মল্লিকার সেই মুখটি
যখন হঠ্যাৎ কোন স্মৃতি ঠেলে ওপরে উঠে এসে জীবনকে দেয় এক টুকরো আনন্দ।
হুইস্কিকে এখনও রেখেছি গভীর রাতে কাজের সঙ্গী হিসেবে, প্রিয় বন্ধুদের আড্ডার টেবিলে।
তা্ই বলে কখনও মনে করি না এ আমার স্বর্গের সোমরস পানীয়, দু চারদিন
এমনি ভুলে থাকি হুইস্কিকে। তাতেও কিছু এসে যায় না। স্বাস্থ্যকে ছেড়ে দিয়েছি
খোলা আকাশের নিচে সুইমিং পুলের এক ঘন্টায়, জানিনা কী আসে সেখান থেকে
স্বাস্থ্যে, তবে মনটা থাকে তখন আকাশে ফুটে ওঠা তারাদের গায়ে। (সম্পূর্ণ…)

বাড়ির কাছে আরশি নগর: পাওলো কোয়েলো, ফরিদ উদ্দিন আত্তার এবং পিটার ব্রুক

হোসেন আলমগীর | ২৬ নভেম্বর ২০১৭ ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

koheloব্রাজিলের ঔপন্যাসিক পাওলো কোয়েলো তাঁর ‘দি অ্যালকেমিস্ট’ উপন্যাসে পরমাত্মার অন্বেষণে মানুষের অভিযাত্রাকে রূপকের আশ্রয়ে বর্ণনা করেছেন। এ উপন্যাসের সাথে পারস্যের সুফি দর্শনের ঘনিষ্ট মিল লক্ষ্য করা যায়। এক্ষেত্রে খোরসানের (বর্তমান ইরান) নিশাপুরের দার্শনিক ও কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তারের Manteq-At-Tair (Conference of the Birds)’ বা ‘পক্ষী সম্মেলন’র ব্যাপক সাদৃশ্য রয়েছে। খ্রীস্টিয় বারো শতকে আত্তার কবিতার মাধ্যমে পাঠকের কাছে যে দর্শন সহজবোধ্য করেছিলেন, বিশ শতকের অন্তে পাওলো কোয়েলো ‘দি অ্যালকেমিস্ট’ উপন্যাসে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন। দু-জনের বিষয় মূলত অভিন্ন- পরমাত্মার সন্ধান লাভ। বিশ্বখ্যাত নাট্য নির্দেশক পিটার ব্রুক এবং জ্যঁ ক্লদ কাহিয়ে মিলে আত্তারের কাহিনীর নাট্যরূপ দিয়েছিলেন। পিটার ব্রুক ছিলেন এ নাটকের নির্দেশক। নাটকটি প্রযোজনার আগে তিনি এবং তাঁর দল সাহারা মরুভূমিতে একটি দীর্ঘ সফরে অংশ নিয়েছিলেন । যেমন করেছিল ‘দি অ্যালকেমিস্ট’র সান্তিয়াগো, কিম্বা আত্তারের ত্রিশটি পাখি। এ সফরের মূল লক্ষ্য-সত্যানুসন্ধান। (সম্পূর্ণ…)

শাড়িতে ফ্রিদা কাহলো! পাশে নয়নতারা

মুহিত হাসান | ২৪ নভেম্বর ২০১৭ ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

Fridaভারতীয় মার্ক্সবাদী লেখক ও ইতিহাসবিদ বিজয় প্রসাদ একদিন ইন্সটাগ্রামে একটি ছবি খুঁজে পান, যা তিনি আগে কখনোই দেখেননি। ‘বর্ডারস অ্যান্ড ফল’ নামের ভারতীয় শিল্প ও ফ্যাশন নিয়ে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট থেকে পোস্ট করা সেই ছবিতে দেখা যায়, একটি চমৎকার শাড়ি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন প্রখ্যাত মেক্সিকান চিত্রকর ফিদ্রা কাহলো, আর তাঁর দু পাশে আরো দ্জুন নারী– চেহারার দিকে খেয়াল করলে যাঁদের ভারতীয় বলেই মনে হয়। শাড়িতে ফিদ্রাকে দেখে তাঁর রীতিমতো চমকে যাওয়ার দশা হলো স্বভাবতই। ওই ইন্সটাগ্রাম পোস্টের শিরোনামে বা কোনো মন্তব্যেও সংশ্লিষ্ট জরুরি তথ্যাদি ছিল না।
পরক্ষণেই তাঁর খেয়াল হলো, ছবিটিতে থাকা ভারতীয় দুই নারীর মধ্যে অন্তত একজনকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। পরে নিশ্চিত হলেন, ফিদ্রার বাঁ পাশে যিনি বসে আছেন তিনি প্রখ্যাত লেখিকা নয়নতারা সেহগল। রনজিৎ সীতারাম পণ্ডিত বিজয়লক্ষী পণ্ডিতের কন্যা ও জওহরলাল নেহেরুর ভাগ্নি এই কথাশিল্পী এখন থাকেন ভারতের দেরাদুনে। আর ডান পাশে যাঁকে দেখা যাচ্ছে, তিনি নয়নতারার কনিষ্ঠ বোন রিতা ধর। তাঁদের মা বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত ভারত স্বাধীন হবার পর সোভিয়েত ইউনিয়নে রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর তিনি মেক্সিকোয় ভারতের রাষ্ট্রদূত হয়ে আসেন। তিনি আমেরিকাতেও রাষ্ট্রদূত হিসেবে ছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

ঢাকা লিট ফেস্ট : বাংলাদেশের জনবিচ্ছিন্ন এলিটদের উৎসব

আনিসুর রহমান | ২২ নভেম্বর ২০১৭ ৯:২৫ অপরাহ্ন

লেখকরা সঙ্ঘ সমিতি করবেন, উৎসব করবেন, দোষের কিছু না| বরং তা প্রয়োজন এবং প্রাসঙ্গিক| তা নতুন কিছু নয়| ১৯২১ সালে বিলেতে আন্তর্জাতিক পেন প্রতিষ্ঠার আগেই আমাদের এখানে ১৮৯৩ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের জন্ম হয়ছিল| এমনকি ১৮৯৪ সালে আমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ছিলেন; রমেশচন্দ্র দত্ত ছিলেন সভাপতি|

এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলা সাহিত্যের উন্নতি সাধন ছিল পরিষদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রথমদিকে এর প্রায় সব কাজই ইংরেজিতে সম্পন্ন হতো। এমনকি সভার মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা ‘দি বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার’-এর অধিকাংশই লিপিবদ্ধ হতো ইংরেজিতে। এই অসঙ্গতি দূর করার উদ্দেশে ১৮৯৪ সালে পরিষদের নামটি ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ হিসেবে সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়। এরপর থেকে পরিষদের মুখপত্রটি ‘সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা’ নামে ত্রৈমাসিক পত্রিকা হিসেবে বাংলায় প্রকাশিত হতে থাকে।

এবার আসা যাক আমাদের দেশের হাল আমলের বাস্তবতায় | বাংলাদেশে প্রায় ৪৫ রকম ক্ষুদ্র জাতি এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রায় ৩৮টি আলাদা ভাষা রয়েছে। তবে মাত্র দুটি ভাষার পূর্ণাঙ্গ এবং কয়েকটি ভাষার আংশিক বর্ণমালা বিদ্যমান| রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও চর্চার সুযোগ না থাকায় এসব ভাষার বিকাশ যখন নানা ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত, ঠিক তখন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের টাকায় এলিটতোষণ তথা কর্পোরেট পোষণ করার মাধ্যমে ঢাকা লিট ফেস্ট নামের এক বিতর্কিত উৎসব অনুষ্ঠিত হলো | (সম্পূর্ণ…)

রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা: অন্তিম আহার

রেজাউদ্দিন স্টালিন | ২২ নভেম্বর ২০১৭ ১:৩৯ অপরাহ্ন

জন্ম কেন হয় ?
এই প্রশ্নে ত্রিভুবনময়
দক্ষ যজ্ঞ কান্ড করে গৌতম
তথাগত। মৃত্যু কেন হয় ?
এ প্রশ্নে আপোসহীন বুদ্ধ নির্ভয়।

মৌলিক কথার কোনো সদুত্তর নেই,
বর্তমানই শ্রেষ্ঠ সময়-
ভেবে-অতীতকে ভেঙে ফেলে অনেক বর্বর,
যে দেশের স্মৃতি নেই, ইতিহাসও থাকে নিরুত্তর।

সিদ্ধার্থের পায়ে-পায়ে দ- রাহুল,
সুজাতার পায়েসান্ন সেও ছিলো ভুল ? (সম্পূর্ণ…)

অদৃশ্য আয়নার ছায়া

আশরাফ জুয়েল | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২০ অপরাহ্ন

Murtaja Baseerসদ্যপ্রসূত আরেকটি শুক্রবার অতিক্রমের প্রাক্কালে ঠিক এর বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমার চেহারা জড়িয়ে রেখেছে বিছানা লেপটে থাকা আলস্য। বর্তমান থেকে ঘুমের কুঁড়েমিকে মুছে ফেলতে ব্যস্ত আমি। আমার খুলির ভেতরে বাস করা প্রায় সাড়ে বারশ গ্রামের ঘিলু আলোড়িত হবার প্রবণতার দিকে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করছে, অরক্ষিত ভাবনা-জগতে প্রবেশ করার জন্য সমস্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে তারা।
‘গুড মর্নিং স্যার।’
‘গুড মর্নিং, হাউ আর ইউ?’ কৃত্রিম হাসির মুখোশটা চেহারায় ঠিকমতো সেঁটেছে কিনা তা যাচাই করতে করতে বললাম আমি।
‘স্যার, খুব সুন্দর দেখাচ্ছে আপনাকে।’ পুতুলের চেয়েও নিখুঁত সেজেছে মায়মুনা।
‘তাই নাকি মাইমুনা, থাঙ্ক ইউ।’ মায়মুনাও ইতোমধ্যে মুখোশ পরা শিখে নিয়েছে।
আঁধার ভাঙা ভোরের মুখে লেগে আছে সৈকত ধোয়া সূর্যরশ্মি। কাঁচের স্বচ্ছ বাধা উপেক্ষা করে অবজ্ঞা ভরে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে সন্তর্পণে প্রবেশ করছে লবিতে। সেই আগুনভাষী সূর্যরশ্মি চোখের রেটিনাতে টোকা মারা মাত্র আমার দৃষ্টির সক্ষমতা সতর্ক কুকুরের মত আনাচকানাচে ঘুরে বেড়াতে থাকল।
‘নাজিব কোথায়? ইটস এইট থারটি…’ (সম্পূর্ণ…)

দেবাশীষ ধরের কবিতা: নভেম্বরের চিঠি

দেবাশীষ ধর | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ৬:১৮ অপরাহ্ন

Monirul Islam১.
হেমন্তের ঠান্ডা বাতাস শরীরী মেজাজে মনতাজ
তৈরি করলে রাত বারটা বাজে, বাঁশিতে সুর ওঠে।
ইতিহাস এস্রাজে প্রগলভ হচ্ছে জলপাই আচারের
মতো। শ্যামু, জন্মমাসে আরেকবার জন্ম নাও
এবার প্রসব করো শুক্রবারের একটি শীতের
সকাল, ধানখেতের ভেতর লুকিয়ে লুকিয়ে বেদনার ফুল ফোঁটাও। (সম্পূর্ণ…)

মিলটন রহমানের পাঁচটি কবিতা

মিলটন রহমান | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

Monirul Islam
নতুন

ঘুঙুর বাজছে কোথাও, এই সোনালী সকালে বাজছে
ঘূর্ণির মত উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে জং-ধরা হলুদাভ দিন
জলসার রূপোলী আলোয় আমি জেগে উঠছি মাতাল,
মন্দাকিনী তুমি নিজেকে আরো জলজ বিকর্ষিত করো
দেহের ভাঁজ থেকে উত্থিত আলোয় তুলে নাও অমসৃন
তোমার সম্মুখে সহস্র বছর বসে রইবো হে মথুরাদেবি।

ঘুঙুর আর মন্দাকিনী দুই মিলে এই সকালে হাসছে
ভাসছে তুমুল কুঞ্জাভিভূত টঙ্কাপতির দেরাজে
কোথায় কোন কালে জেগেছিলো নতুন নগর
সেই বার্তা এতোদিন জানানো হয়নি কোথাও
এই ভোরে নতুন নগর পত্তন করো হে মন্দাকিনী
মুছে দাও সকল পাপ ও পঙ্কিল রাষ্ট্রের নাম
নতুন নগর তোলো, মন্দাকিনী নগর
যেখানে শুধুই প্রেম রইবে, জেগে রইবে সোনালী ঘুঙুর। (সম্পূর্ণ…)

এক বিস্ময়ের নাম ‘লাভিং ভিনসেন্ট’

আঞ্জুমান রোজী | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ৮:৫৫ অপরাহ্ন

Goghদু’ঘণ্টার এক অপার বিস্ময়ের মধ্যে ডুবে ছিলাম। যার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল ঘোরলাগা আবেশ! ‘লাভিং ভিনসেন্ট’ ওয়েল পেইন্টিং এনিমেশন মুভিটি আমাদের অন্যজগতে নিয়ে গেলো যেন। যেখানে ভ্যান গঘের তৈলচিত্রগুলো বাস্তবের ছোঁয়া পেলো। বিমূর্ত অনুভূতি; মূর্ত হয়ে কথা বলে উঠলো যা নতুন আঙ্গিকের এক এনিমেশন মুভি বটে । শুধুমাত্র ভ্যান গঘের পেইন্টিংয়ের ওপর বিশাল ক্যানভাস তৈরি করে মুভিটি হয়। তাঁর সমস্ত তৈলচিত্র এক ক্যানভাসে দেখার সৌভাগ্য হলো। ভ্যান গঘ এমনিতেই এক বিস্ময়; আর এই বিস্ময়কে মূর্ত করে তোলে ‘লাভিং ভিনসেন্ট’ নামের এনিমেশন মুভিতে, যা শিল্পবোদ্ধাদের কাছে এক অত্যাশ্চর্য হয়ে ধরা দেয়। আমি আর কবি ফেরদৌস নাহার টরেন্টোর সিনেপ্লেক্সে প্রথম প্রদর্শিত ঐতিহাসিক এই মুভি দর্শনের মধ্যদিয়ে কালের সাক্ষী হয়ে যাই।

ভিনসেন্ট ভ্যান গঘের শিল্প ও জীবন ১২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একটি দল বিশ্বব্যাপী একশরও বেশি শিল্পীর সাহায্যে ভ্যান গঘের পেইন্টিং দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রথম পদক্ষেপ নেন। বলতে গেলে, “লাভিং ভিনসেন্ট” চলচ্চিত্র জগতে প্রথম চিত্রকলাভিত্তিক এনিমেশন মুভি। ভ্যান গঘের লেখা চিঠি ব্যবহার করে তার সৃজনশীল প্রতিভা ও হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পেইন্টিংগুলো সাজানো হয় এবং সেই দৃশ্যের সাথে অভিনয় শিল্পীদের কথোপকথন ও অভিনয় সঞ্চালিত হয়। তাও প্রথমে চলচ্চিত্রে ধারণ করে, পরে তা এনিমেশনের সঙ্গে আর্ট ফর্মে যুক্ত করে দেওয়া হয়। (সম্পূর্ণ…)

ইকতিজা আহসানের কবিতা

ইকতিজা আহসান | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

Fakirতোমার সঙ্গে তোমার

তোমার সঙ্গে তোমার থাকা নিয়া আলাপ
থাকা না থাকার মাঝখানে শূন্য জায়গাটারে
দেখি খুব ফাল মারে…
মাঝেসাজে তোমারে গায়েব কইরা দেয়।
গায়েবিগঞ্জের আদ্য কানা তুমি
বোবধরা ঘুমে ডিগবাজি খেতে থাক
তোমার মতো দেখতে এক আকৃতি কুয়াশাকে
আলিঙ্গন করে
ঢেকুর তোলো তোমাকে পাওয়ার
তুমি আসলে নাই
বহুদিন তুমি তোমার সঙ্গে থাক না। (সম্পূর্ণ…)

নির্মলেন্দু গুণ: তিনি এতই অকৃতজ্ঞ যে সেই বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে কোনো কবিতা লেখেননি

রাজু আলাউদ্দিন | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২৭ অপরাহ্ন

Goon
আলোকচিত্র: রাজু আলাউদ্দিন
২৩ অক্টোবর ২০১৭ সালে কবি নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে কবি-প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিনের সাথে যে-ফোনালাপ হয় তার লিখিত রূপ তৈরি করেছেন গল্পকার সাব্বির জাদিদ। বি.স.

রাজু আলাউদ্দিন: গুণদা কেমন আছেন?
নির্মলেন্দু গুণ: আছি মোটামুটি।
রাজু আলাউদ্দিন: কোনো একটা চিত্রপ্রদর্শনীতে গেছিলেন দেখলাম!
নির্মলেন্দু গুণ: হ্যাঁ, গেছিলাম।
রাজু আলাউদ্দিন: আপনি ছবি আঁকতেছেন না নতুন করে?
নির্মলেন্দু গুণ: না না। আঁকা হচ্ছে না। সামনে আঁকার ইচ্ছা আছে। সময় সুযোগ হলে আঁকব।
রাজু আলাউদ্দিন: গুণদা, আপনি এ্খন কী নিয়ে ব্যস্ত?
নির্মলেন্দু গুণ: আমার রচনাবলী বের হচ্ছে, সেজন্য চর্যাপদ থেকে শুরু করে অদ্যাবধি যেসব কবি সাহিত্যিকরা কন্ট্রিবিউট করেছে ইন ডেভেলপমেন্ট অব বাংলা লিটারেচার, তাদের মধ্যে যারা গুরুত্বপূর্ণ, তাদেরকে আমার নয় দশ খণ্ডের রচনাবলী উৎসর্গ করব। সেজন্য আমাকে ব্যাপক পড়াশোনা করতে হচ্ছে, সেই চর্যাপদ থেকে শুরু করে একেবারে আধুনিক কাল পর্যন্ত। রিসার্চ করতে হচ্ছে আর কি। আচ্ছা, ডক্টর শহীদুল্লাহর জন্মসাল এবং মৃত্যুসাল কি মনে আছে? (সম্পূর্ণ…)

রবিরশ্মিতে আলোকিত পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়

শান্তা মারিয়া | ১২ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২৪ অপরাহ্ন

Tagoreসুদূর বেইজিং শহরে যখন একদল চীনা তরুণ তরুণীর কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত ‘মায়াবন বিহারিণী হরিণী’ তখন মনটা ভরে ওঠে প্রিয় মাতৃভাষার জন্য ভালোবাসার আবেগে। এরা চীনের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ‘পিকিং বিশ্বদ্যিালয়ে’র শিক্ষার্থী। তারা এখানে পড়ছেন বাংলাভাষা। চর্চা করছেন রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে। বাংলাদেশে অবস্থিত চীন দূতাবাস আয়োজিত গণমাধ্যম কর্মীদের চীনসফর কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি কয়েকজন সাংবাদিকের চীন সফর। সেই সুযোগেই বেইজিং ভ্রমণ। সফরসূচিতে ছিল পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাবিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত অনুষ্ঠান দেখার আমন্ত্রণ। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় আমরা ক’জন সাংবাদিক গেলাম সেই ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রচর্চার ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৯২১ সাল থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্মের চীনা ভাষায় অনুবাদ, প্রচার ও গবেষণার কাজ চলছে। আলাপ হলো বিখ্যাত রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. দং ইউচেন-এর সঙ্গে। তিনি সরাসরি বাংলা থেকে চীনা ভাষায় রবীন্দ্রনাথের রচনার একটি বিশাল অংশ অনুবাদ করেছেন। বললেন, রবীন্দ্রসাহিত্য ও বাংলাভাষার একজন অনুরাগী তিনি। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com