শামীম আজাদ

সত্তুর ও আশির দশকে বাংলাদেশে পেশাজীবি সময় কেটেছে তাঁর – সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’য় সাংবাদিকতা, বাংলাভাষা ও সাহিত্যে শিক্ষকতা, রেডিও ও টেলিভিশনে উপস্হাপনা এবং সেই সঙ্গে কবি ও লেখক হিসেবে নিরন্তর সাহিত সাধনায়। প্রায় তিন দশক বিলেতে আছেন। কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ, শিশুগ্রন্থ মিলিয়ে বিলেত ও বাংলাদেশে তাঁর বইয়ের সংখ্যা ত্রিশের বেশী।

২০১১ সালে বিশ্বখ্যাত এডিনবরা ফ্রিঞ্জ ফেস্টিভ্যালে প্রথম বাংলাদেশী কবি হিসেবে পরিবেশন করেছেন কবিতা ও গল্প। ১৯৯৭ সালে আমেরিকার বিখ্যাত সাময়িকী ‘দি নিউইয়র্কার’ এর বিশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতার অনুবাদ। এদিকে তাঁর স্বপ্নলালিত ও উদ্ভাবিত ‘বিজয়ফুল’ এখন সারাবিশ্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অমর করে রাখার জন্যে উঠেছে এক অনন্য কর্মসূচী।

উল্লখযোগ্য গ্রন্হ: হে যুবক তোমার ভবিষ্যত, মধ্যবিত্ত বদলে যাচ্ছে, দুই রমনীর মধ্য সময়, ওম, স্মৃতিকাব্য, বিলেতের স্ন্যাপশট, পকেট ভরা পাঁপড়ি, ১০০ প্রেম অপ্রেমের কবিতা, বুগ্লী দ্যা বার্গেন্ডী চিতা, এ্যা ভক্সাল কোরাস ও ব্রিটিশ বাংলাদেশী পোয়েট্রি

বাংলাদেশের সম্মাননা: ১৯৯৫ দেশী ফ্যাশন ও লাইফ স্টাইলে অন্যতম অবদানের জন্য বিচিত্রা এ্যাওয়ার্ড ফর ফ্যাশন জার্নালিজম, ২০১৬ বিদেশে বসবাস করে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সামগ্রিক অবদানের বাংলা একাডেমীর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার।
বিলেতের সম্মাননা: ২০০৯ বাংলাদেশী হুজ হু এ্যাওয়ার্ড, ২০০১ সিভিক এওয়ার্ড সম্মাননা।