অনুবাদ গল্প

যুগলের বিয়োগাত্মক সমাপ্তি

reshmi_nandi | 30 May , 2016  

witold.jpgপোলিশ লেখক Witold Gombrowicz-এর লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে পোল্যান্ডের দৈনিক Kurier Poranny (The Morning Courier) এ। Tul’si Bhambry করা ইংরেজী অনুবাদে পরে এটি প্যারিস রিভিউ পত্রিকার Spring 2016 No. 216 সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। ইংরেজি অনুবাদের ভিত্তিতে এটি বাংলায় তর্জমা করেছেন রেশমী নন্দী। বি. স

অপূর্ব সুন্দরী ছিলেন তিনি। একজন ভদ্রলোক সম্ভ্রান্ত পরিবারের এই নারীকে বিয়ে করেন। স্ত্রীকে অবিশ্বাস করার তেমন কোন কারণ ওই ভদ্রলোকের ছিল না, কেবল বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া নিজের শরীর আর লাবন্যময়ী স্ত্রীর উদ্বেগজনক সৌন্দর্য ছাড়া। এ ধরনের পরিস্থিতি ভদ্রলোকদের জন্য আসলেই জটিল ( বিশেষ করে এ ক্ষেত্রে স্বামীটি যেহেতু অত্যন্ত নীতিপরায়ণ)। সুখে শান্তিতে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হবার কয়েক বছর পর একদিন স্বামীর গলা জড়িয়ে ধরে ভদ্রমহিলা বলেন,” আমার মনে হয়, একটা কথা তোমায় জানানো উচিত। হেনরিক আমার প্রেমে পড়েছে। গতকাল ও এমন হঠাৎ করে কথাটা আমাকে বললো যে তাকে থামানোর সুযোগই আমি পায়নি।”
“তুমিও কি তার প্রেমে পড়েছো?”
” না, আমার প্রেম কেবল তোমারই জন্য।”
” তাহলে বেশ। যদি তোমার ওকে ভালো লাগে অথচ তুমি ওকে ভালোবাসছো না কেবল আমার প্রতি তোমার কর্তব্যের কথা মাথায় রেখে, তাহলে আজ থেকে তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা, শ্রদ্ধা দ্বিগুণ হয়ে গেলো। আর চরিত্রহীনের মতো একজন বিবাহিত মহিলার প্রেমে পড়ে যাওয়ার উপযুক্ত শাস্তিই পেয়েছে সে ছোকরা।” ভদ্রলোক বলে চললেন, ” ওগো, ন্যায় অন্যায় বোধই তো সব। এরপর কখনো যদি সে ছোকরা তোমাকে প্রেম নিবেদন করতে আসে, তাহলে তাকে তুমি কর্তব্যজ্ঞান সম্পর্কে কিছু শুনিয়ে দিয়ো। নীতির প্রতি অটল মানুষই কেবল মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে। “
কিন্তু কিছুদিন পার না হতেই স্বামীটির কানে অস্বস্তিকর কিছু খবর আসতে শুরু করলো। আর যাই থাক, হেনরিকের মনের জোর বলতে কিছুই নেই। প্রত্যাখানের জ্বালায় এখন সে মদ খেয়ে হুল্লোর করে বেড়াচ্ছে, এমন বিষন্নতায় ডুবে গেছে যেন আর কিছুতেই কিছু যায় আসে না, যেন পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে মৃত্যুর আশ্রয় খুঁজে বেড়াচ্ছে সে। কানাঘুষা চলছে যে, ব্যর্থ প্রেম তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
“বেশ হয়েছে” ভদ্রলোক স্ত্রীকে বললেন, ” এখানে আমরা ভালো মন্দ খাচ্ছি, আর ওদিকে ছোকরা না খেয়ে পরে আছে। ভাবতে পারছো, কেবল তোমার কথা ভেবে ভেবেই এই অবস্থা। কি যে দেখলো ও তোমার মধ্যে। আমি এতদিন তোমার সাথে আছি, আমি তো তোমার কোন মধ্যে যাকে বলে উন্মাদ হয়ে যাওয়ার মতো তেমন কিছু দেখিনি। যাই হোক, ব্যাপারটা জটিল হয়ে উঠছে। তোমাকে এখনো এত সতেজ দেখে আমার অবাক লাগছে যখন তুমি জানো যে কেউ একজন তোমার জন্য কষ্ট পাচ্ছে।”
এক সপ্তাহের মধ্যে ভদ্রলোকের মেজাজ আরো খিটখিটে হয়ে উঠলো। “চমৎকার” ব্যঙ্গ ঝরে পড়লো তার কন্ঠে ” নিজেকে নিয়ে তোমার গর্ব হওয়া উচিৎ! তোমার রূপের বানে ঘায়েল হেনরিকের এক পা তো কবরে চলে গেছে।”
টলটলে চোখ তুলে ভদ্রমহিলা বললো ” আমি কি করতে পারি? আমি তো তাকে এ পথে টেনে আনিনি। নিজেকে দায়ী করার মতো কিছু তো আমি করিনি। ”
“কি বলছো? তোমার রূপের ছটাতেই তো ছেলেটার এই অবস্থা। তোমার নর্তকীর মতো ভঙ্গি, শরীরের প্রতিটা ভাঁজ, তোমার ছলাকলা এসবই তো ছেলেটাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।”
” আমি কি করতে পারি? ও পাগল হয়ে গেছে। জানো, যেদিন ও আমাকে প্রেম নিবেদন করেছিল, কি বলেছিল ও? বলেছিল, তোমাকে ছেড়ে যেতে।”
” কি? বিচ্ছেদ? বেশ্যা হতে আরও বাকি আছে তো তোমার, নাকি? ঠিক আছে, এ বিয়ে থেকে তুমি মুক্তি পাবে, কিন্তু কখন জানো? আমার মৃত্যুর পর। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি আমার অনমনীয় নীতি থেকে বিচ্যুত হবো না এতটুকু।”
” আর যদি হেনরিক মরে যায়?”
” মরবে!” উন্মাদের মতো চেঁচিয়ে উঠলেন স্বামী, ” সেটাই তো ফাঁদ। আর সে জন্যই আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে একচুলও নড়বো না।”
ভয়ংকর যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলেন ভদ্রমহিলা। কোনভাবেই অনৈতিক কিছুতে জড়াতে চান না তিনি , কিন্তু হেনরিকের কষ্ট তাকে ক্ষতবিক্ষত করে তুললো। অন্যদিকে, ভদ্রলোক, সমাজের যার একটা অবস্থান রয়েছে, তিনি স্ত্রীর প্রতি একধরনের বিতৃষ্ণা বোধ করতে শুরু করলেন। স্ত্রীর সৌন্দর্য তিনি যেন আর সহ্য করতে পারছেন না। স্ত্রীর স্বাভাবিক হাঁটাচলাও তার কাছে অসহ্য লাগতে শুরু করেছে।
একদিন তিনি খেতে বসে স্ত্রীকে বললেন, ” রুটি খাবে?” তারপর না বলতে শুনেই হিংস্রের মতো হাসতে শুরু করলেন ” ওদিকে একজন মারা যাচ্ছে, হা হা, আর এখানে একজনের মুখে খাবার উঠছে না।”
স্ত্রীর ঘরময় ঘুরে বেড়ানো, লীলাময়ী হাঁটার ছন্দ, অস্পষ্ট হাসি, ঘুমানো, চুল আঁচড়ানো- সবকিছুতেই ভদ্রলোক একটা বেহায়াপনা, নিষ্ঠুরতা আর কামুক ভাবভঙ্গি দেখতে পান।

একদিন ভদ্রমহিলা একটু কাছে ঘেষতে চেষ্টা করতেই ভদ্রলোক চেঁচিয়ে উঠলেন,” দয়া করে আমাকে ছোঁবে না। পিশাচিনি, ভালো এক পাঁকে আমাকে তুমি টেনে নামিয়েছ। একটা কথাও আমি শুনতে চাইনা তোমার মুখ থেকে। এখন আমি বুঝেছি যে কেন একজন নীতিবান দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন মানুষ কোনো অবস্থাতেই অন্যের লাম্পট্যের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে না।” ভদ্রলোক বলে চললেন, ” এভাবে আর চলতে পারে না। সকালে শুনলাম ছেলেটা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। তুমি কি এটাও বুঝতে পারছো না যে কাউকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া তাকে গলা টিপে মেরে ফেলার চেয়েও ভয়ংকর? ঐ ভুঁইফোঁড় অনাচারী ছেলেটা নিজের সাথে সাথে আমাদেরও সর্বনাশ করে ছাড়ছে। আমি মনঃস্থির করে ফেলেছি। বিবেককে আমি দায়িত্বের দোহাই দিতে পারবো না। আর যদি কোন পথই খোলা না থাকে, তবে, তোমার প্রতি আমার শুভকামনা থাকলো। আমি হাসিমুখে সব মেনে নেবো। এবার তোমার মতো জঘন্য মেয়েমানুষের যা করতে ইচ্ছে করে, তাই করো।”
“ওগো!”
” জঘন্য ব্যাপার! তোমাকে বিয়ে করার আগে কেন আমি বুঝতে পারলাম না যে একদিন তোমার কারণে আমাকে খুন কিংবা ব্যাভিচারে সায় দিতে হবে?
” যদি আর কোন পথ খোলা না থাকে, আর তুমি যদি মনে করো যে এটাই ঠিক পথ” স্ত্রী বললেন, ” তবে, তাই হোক। আমার জন্য এ কাজ কঠিন কিন্তু উপরে যিনি আছেন, তিনি জানেন, আমি নির্দোষ।”
“থুঃ” ভদ্রলোকের প্রতিউত্তর এলো।
একদিকে, হেনরিক ধীরে ধীরে সুস্থ হতে শুরু করে। অন্যদিকে, ভদ্রমহিলা ধীরে ধীরে নিঃস্ব হতে থাকেন। নরকবাসে পরিণত হয়েছে তার সংসার। তার জন্য বরাদ্দ হয় আলাদা খাওয়ার জায়গা, আলাদা হয়ে যায় তার খাওয়ার বাসনও। একদিন একটু ছোঁয়া লাগতেই ভদ্রলোক ঠান্ডা গলায় বললেন, ” তুমি আমাকে নোংরা করে দিলে। এখন পড়া ছেড়ে উঠে গিয়ে নিজেকে পরিষ্কার করতে হবে আমার।” প্রায়ই তিনি এ ধরনের অপমানজনক কথা উগরে দিতে থাকেন।
চারটা বাজতেই ঘড়ির দিকে তাকিয়ে তার স্বামী তাকে বলেন, ” যাও তাহলে। তোমার যাবার সময় হলো। তোমার প্রেম বিতরণে যেন দেরী না হয়ে যায়।”
ভদ্রমহিলা বারবার নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। বিনিময়ে শুনতে পান, ” তোমার কাছে আমার একটাই অনুরোধ, দয়া করে এই ঘরে পাপের লালন পালন করার চেষ্টা তুমি কোরো না। নয়তো রাস্তা থেকে লোকজন ধরে আনতে হবে খাওয়াতে- হাজার হোক, ঈশ্বরের দুনিয়ায় তারা তো নিস্পাপ।” বিধ্বস্ত এই নারী বেশ কয়েকবার অনিচ্ছুক এ প্রেম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করে, কিন্তু প্রতিবারই তার পাগল প্রেমিক আত্মহত্যার হুমকি দেয় এবং সেটা যে কেবল ভয় দেখানোর জন্য নয়, তা বোঝাই যায়।
” নাহ, আমি আর পারছি না। এ জীবন যাপন একটা শাস্তি হয়ে উঠেছে। আমি জঘন্য এক পাপে ডুবে গেছি, কিন্তু কেন? কারণ আমার রূপ। কেউ যদি এ পরিস্থিতিতে না পরে তাহলে সে বুঝবে না যে রূপবতী হওয়ার কি জ্বালা। যথেষ্ট হয়েছে। নিজের এই রূপ আমি ধ্বংস করে ফেলবো, যদিও আমি জানি না, হেনরিক এটা সহ্য করতে পারবে কিনা।
“এই তো চাই” ভদ্রলোক উৎসাহিত হয়ে উঠলেন “যদিও হেনরিক এতে পাগল হয়ে যেতে পারে, কিন্তু এ দূর্দশা থেকে নিজেদের বাঁচাতে ঝুঁকি তো নিতেই হবে। তাছাড়া, আমরা ওকে এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করবো। এবং একজন অনুগত স্বামী যে সবসময় তার স্ত্রীর পাশে থাকে, তেমনভাবেই আমি নিজেও নিজের চেহারা বিকৃত করে ফেলবো।”
“তোমাকে অত কিছু করতে হবে না” বললেন স্ত্রী। তারা নিজেদের ঘরে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর সেখানে দেখা মিললো বিভৎস দুই মূর্তির। স্বামীটি স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে বললেন, ” এবার তবে হেনরিককে এ আঘাতের জন্য প্রস্তুত করা যাক।” এই বলে ভদ্রলোক একটা চিঠি লিখলেন:

জনাব,
দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমার স্ত্রী এক ভয়াবহ দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে। তার এক প্রেমিক যে ইদানিং নিজেকে আর নিষ্কাম বন্ধুত্বের আবরণে ঢেকে রাখতে পারেনি সম্প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তার দিকে এসিড ছুঁড়ে মেরেছে। নিজের যে সৌন্দর্যের আবেশ সে চারদিকে ছড়াতো, সে সৌন্দর্যের সবটুকুই সে হারিয়েছে। দয়া করে এসে নিজেই দেখে যান তার অবস্থা।
পুনশ্চ: ওকে বাঁচাতে গিয়ে আমি নিজেও সাংঘাতিকভাবে আহত হয়েছি।

ভদ্রলোক ঘোষণা করলেন ” যাক, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করলাম।” মনে হয়েছিল, হেনরিক হয়তো পাগল হয়ে যাবে, কিন্তু কোনো এক প্রেমিকের বিশ্বাসঘাতকতার কথা তাকে একধরনের শক্তি দিল। যে ভালোবাসা এই ভয়ংকর পরিণতি সহ্য করতে পারতো না, তা কাটিয়ে উঠলো হেনরিক। তবে, ভদ্রমহিলার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শিঘ্রী এটা পরিষ্কার হলো যে তার সর্বনাশা রক্তশূণ্যতার কারণ হেনরিকের প্রতি তার ভালবাসা, প্রেমিকের প্রেম শূণ্যতার কালে যার অস্তিত্ব প্রবল বেগে জানান দিয়েছে।
“আমার ঘর কি অভিশপ্ত?” কেঁদে উঠলো ভদ্রলোক। ” আবার শুরু করলো ও”।
মৃত্যুপথযাত্রী নারীর ইচ্ছা হেনরিককে একবার দেখা, ডাক্তারও তাতে সমর্থন দিলেন। ” হা ঈশ্বর” হেনরিকের কানে কানে ভদ্রলোক বলে উঠলেন ” মুখে অনৈতিক ভালবাসার বুলি নিয়ে ও মৃত্যুর জন্য তৈরি হচ্ছে।”
চিৎকার করে স্ত্রীকে বললেন, ” তুমি কি পাগল হয়ে গেলে? তোমার জায়গায় আমি হলে ধর্মে মতি স্থির রাখতাম। আর যে প্রেমিক তোমার শরীরের কামনায় দগ্ধ হতো, যার জন্য তুমি তোমার নিজের রূপ শেষ করে দিয়েছ, সে তোমার ভয়ংকর চেহারা দেখে তোমাকে ঘৃণা করছে। নিজেকে সংযত করে ন্যায়ের পথে ফিরে এসো।”
” এবার আর তুমি আমায় বোকা বানাতে পারবে না” বলতে বলতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলো ভদ্রলোকের স্ত্রী।
দাঁড়িয়ে রইলো লাশের পাশে দুজন পুরুষ।
স্বামীটি বললেন, ” কর্তব্যের বলি হয়েছে ও। তুমিই এর জন্য দায়ী।”
তরুণ প্রেমিকের উত্তর ” তোমার স্ত্রী ছিল ও, লাশটাও তাই তোমার।”

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত রেশমী নন্দীর আরও লেখা:
নাদিন গার্ডিমার: ম্যান্ডেলা, আমার দেশের মানুষ

ইউসুফ ইদ্রিসের গল্প: এক কামরার ঘর

উম্বের্তো একোর সাক্ষাৎকার: আমরাই একমাত্র জানি যে আমাদের মরতেই হবে
Flag Counter


8 Responses

  1. গল্পটি পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। তবে অনুবাদ দুর্দান্ত হয়েছে।

  2. S.B.Tupshi says:

    অবিশ্বাসের গল্প। অবিশ্বাস কিভাবে সম্পর্কগুলোর সর্বনাশ করে। বর্তমান যুগে ভঙ্গুর সম্পর্কগুলোর জন্য পাঠ্য।

  3. mahmuda says:

    বেশ সাবলীল লেখা। আরও লেখা পড়তে পারলে ভাল লাগত। লেখক এবং অনুবাদকের জন্য শুভ কামনা।

  4. menuka sultana says:

    একটানে পড়ে ফেললাম।ভালো অনুবাদ হয়েছে। ছোট গল্প যে ভূমিকা পালন করে তাই পেলাম এতে।

  5. shams hoque says:

    Translating from one language to another is a difficult job itself. It’s even more so when one tries to translate literary works. Reshmi Nondi has done a fantastic job: remained true to the original work of Witold Gombrowicz and kept the original flavour that the weiter Witold Gombrowicz tried to give to his readers. Well done and congratulations! Reshmi Nondi.

  6. লাবনী says:

    খুবই ভালো হয়েছে অনুবাদ।গল্পটাও অনেক হৃদয়স্পর্শী।

  7. arifur sabuj says:

    গল্পটাও দারুণ। অনুবাদও অনেক সাবলীল।

  8. Dr.Open says:

    অনুবাদ ভালো হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.