প্রবন্ধ, ব্যক্তিত্ব, স্মৃতি

কাছে ছিলে, দূরে গেলে : আলী আনোয়ার

sonotkumar_saha | 11 Jan , 2015  

hasan-ali-anwar.gif
সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘স্বনন’ কর্তৃক ১৩৯১ বাংলা সনে আয়োজিত বৈশাখি কবিতা উৎসবে কবিতা পাঠ করে শোনাচ্ছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক এবং প্রাবন্ধিক আলী আনোয়ার

পাঁচ-ছ বছর একটানা দূর বিদেশেই তিনি ছিলেন― আমেরিকায়। স্বেচ্ছায় নয়। ঘাতক রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছিল। যকৃতে ক্ষয়। আগে জানা ছিল না। ওখানে ডাক্তাররা দেখে বলেন, শতকরা পঁচাত্তর ভাগই অকেজো। তখন থেকেই বাকি পঁচিশ ভাগ টিকিয়ে রাখার লড়াই। ওখানকার ব্যবস্থা তার জন্যে অনুকূল। এখানে থাকলে ঝুঁকি বেশি। তাই বাধ্য হয়ে নিউইয়র্কে। ছেলে-মেয়ে ওই দেশে। যথেষ্ট যোগ্য তাঁরাও। আমাদের নাগরিক সমাজে এটা এক স্বপ্নপূরণ। ছেলে-মেয়ে কৃতী হবে। উন্নত বিদেশে থাকবে। বাবা-মা বেশি বয়সে তাঁদের কাছে ছুটি কাটাতে যাবেন।। চাইলে থেকে যাবেন সেখানেই। দেশেও কদর বাড়বে। কিন্তু তিনি, অধ্যাপক আলী আনোয়ার, তেমন ধাতের ছিলেন না। বছর পনের আগে যখন অবসর নেন, তখন তাঁর মনে হয়েছিল, এবার ইচ্ছামতো পড়বেন, ভাববেন, লিখবেন। একটু নিরিবিলি বাসা, আর অনেক পড়ার সুযোগ। অবশ্য ভাবীকে নিয়ে একটা চিন্তা ছিল। কর্কটরোগ তাঁর ধরা পড়ে এর বছর কয়েক আগেই। তবে তা ছড়ায়নি। গভীরে যায়নি। তখন চটজলদি আমেরিকা নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান, সেরে ওঠেন। তিনি আলী আনোয়ারের পাশে ছিলেন সবসময় রক্ষয়িত্রীর মতো। ক্লান্তিহীন অতন্দ্র প্রহরা, এমনকি ওই আমেরিকাতেও।

কিন্তু অধ্যাপক আলী আনোয়ারের স্বপ্ন-কল্পনা ছিল অন্যরকম। দেশেই থাকবেন। এখানকার জল-হাওয়া-মাটি-মানুষ তাঁর চিন্তাকে উস্কে দেবে। তাদের পেছনে তিনি ছুটবেন। একা নিজের ঘরে বসেই। মাঝে মাঝে হয়তো বাইরে যেতে চাইবেন। কত কী পড়ার আছে, দেখার আছে। বাইরে কারা কী ভাবছেন, কত কী করছেন, এসব তাঁদের পরিমণ্ডলে থেকে বোঝার চেষ্টা করবেন। তারপর সে-সব মাথায় নিয়ে ফিরে আসবেন। নিবিষ্ট হবেন আপননিভৃত রচনায়। কত কী লেখার আছে। কত দিক থেকে দেখার আছে। যা লেখেন, তাতে অতৃপ্তি যায় না। মনে হয়, ঠিক ঠিক বুঝি বলা হলো না। চিন্তা বোধহয় পূর্ণতা পেল না! তার যৌক্তিক কাঠামো ও ভাষার সৌকর্য যেন ঠিক যেমনটি চান, তেমনভাবে ফুটলো না। এ সবের তিনি সমন্বয় ঘটাবেন, নিজের ঘরে বসে। অসাধারণ লেখা তিনি যে এতদিন লেখেননি, তা মোটেও নয়। তবুও অতৃপ্তি তাঁর ঘোচে না। এ অতৃপ্তি যেকোনো মহৎ প্রতিভার নিত্যসঙ্গী। তা তাঁকে তাড়িয়ে বেড়ায় আরো সৃষ্টিশীল হবার পথে, আরো অনিরুদ্ধ চিন্তার পথে। কিন্তু স্থির হতে চান ‘তপের আসনে’ চেনা ঘরোয়া পরিবেশে।

এ থেকে এমন ধারণা যেন আমাদের না হয় যে তিনি তার আগে নিস্ফল ছিলেন। তবে উচ্চকণ্ঠ তিনি কখনোই ছিলেন না। মসৃণ জনপ্রিয়তা তাঁর কাম্যও ছিল না। ভালো লেখা, ভালো ছবি, ভালো গানের আলোচনায় সুযোগ পেলেই তিনি ছিলেন সরব, এবং বৈদগ্ধ্যে অসামান্য। বিভিন্ন আসরে যাঁরা তাঁকে বলতে শুনেছেন, তাঁরাই এ কথা মানবেন। কিন্তু নিজের লেখা নিয়ে কথা বলায় তিনি ছিলেন একই রকম নিরুৎসুক। কত মূল্যবান রচনা যে তাঁর এখানে-ওখানে ছাপা হয়েছে, ছড়িয়ে আছে, নিজে থেকে সে বিষয়ে তিনি কখনও কাউকে কিছু বলেননি। হঠাৎ কারো চোখে পড়লে তাঁর সামনে গিয়ে এ নিয়ে কোনো উচ্ছ্বাসপ্রকাশ করতে গেলে যেন বিব্রতই হয়েছেন। পরে অন্য কথার কখনও-কখনও কুণ্ঠিত মন্তব্য জুড়ে দিয়েছেন, তাঁর আরো কিছু বলার ছিল। আমরা কিন্তু যা পড়েছি, তাতেই মুগ্ধ হয়েছি। এমনকি যেখানে মনে হয়েছে একমত নই, সেখানেও। কী অসাধারণ ঋজু গদ্য, চিন্তায় গভীরতা ও ব্যাপ্তি― দুুইয়ের সামঞ্জস্য অটুট। প্রতিটি প্রসঙ্গে বিপুল পড়াশোনার ছাপ, অথচ নির্মেদ-নিরহংকার উচ্চারণ। নিজেকে জাহির করা নয়, নিরাসক্ত বিচারে বিষয়কে তার সমগ্রতায় ফুটিয়ে তোলাই যেন তাঁর লক্ষ্য।

গত শতকের ষাটের দশকেই তিনি বোদ্ধামহলে নজর কেড়েছেন। তাঁর করা চিরায়ত নাটক ইউরিপিদিস-এর অনুবাদ আমরা পড়ছি ‘পূর্বমেঘ’ পত্রিকায়। তাঁর রুচি ও চিন্তার মান, দুটোই তাতে ধরা পড়ে। হ্যারল্ড পিন্টারের নাটকও পরে তিনি অনুবাদ করেন। মনে হতো নাটকই বুঝি তাঁর অনুরাগের বিষয়। সত্তরের দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রঙ্গমঞ্চে নাটক পরিচালনা করেন। কোনো-কোনোটায় অভিনয়ও। মোটেই মেঠো নয়। অতিনাটকীয়তার দুবর্লতাকে সচেতন পরিচর্যায় এড়িয়ে গেছেন। ঝোঁকটা বরাবর রয়ে গেছে মননের দিকে। আমরা আকৃষ্ট হয়েছি। পরে জেনেছি, শুধু নাটক নিয়ে নয়, শিক্ষা-সাহিত্য-সভ্যতা-সংস্কৃতির নানা বিষয় নিয়েও তাঁর ভাবনার কমতি নেই। যদিও আত্মপ্রচারে তিনি বিমুখ থেকেছেন সবসময়। এমনও হয়েছে, কোথাও তাঁর লেখা ছেপে বেরিয়েছে অনেক আগে, আমরা জেনেছি বহু পরে। কোনোটির হদিশ এখনও জানি না। তিনি নিজে থেকে কাউকে কিছু বলতে চাননি। অতি সম্প্রতি ‘কালি ও কলম’ সাহিত্যপত্রের সম্পাদক আবুল হাসনাত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে তাঁর প্রবন্ধের একটি সংকলন সাহিত্য-সংস্কৃতি নানা ভাবনা বের করেছেন বেঙ্গল পাবলিকেশন্স থেকে। আমরা কৃতজ্ঞ তাঁর কাছে। কারণ এ লেখাগুলো আর হারিয়ে যাবে না। সান্তনা একটা যোগ হয়― আলী আনোয়ার ক’ মাস আগে দেশে এসে নিউইয়র্কে ফিরে যাবার আগ মুহূর্তে হাসনাতের কাছ থেকে বইটি পেয়ে তা হাতে করে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন। প্রকাশনার মানের দিক থেকেও এ অপূর্ব। একটা আক্ষেপ আমাদের ঘোচে। তবে তাঁর অনেক লেখাই এখনও অগ্রন্থিত। জেনেছি প্রায় প্রস্তুত রয়ে গেছে রবীন্দ্রনাথের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি। আরো আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নানা প্রবন্ধ : তলস্তোয়কে নিয়ে, র‌্যাডিক্যাল হিউম্যানিজম নিয়ে, বঙ্কিমের উপন্যাস নিয়ে, আরব মহিলাদের নারীভাবনা নিয়ে, জীবনানন্দের মাল্যবান নিয়ে, ভাষা-সাহিত্যের কিছু মৌলিক প্রশ্ন নিয়ে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়েও। আশা করি, এগুলো একত্র করেও বই হবে। তাতে উপকার আমাদেরই। বহুদিক থেকে ভাবনাস্রোত এক মোহনায় মেশে। সেখানে অবগাহনে আমাদের পরমার্থিক তৃপ্তি। ভাবতে ভালো লাগছে, এই সব বই-এর সম্ভাব্য পরিকল্পনার আগেই আমাদের বাংলা একাডেমি তাঁকে প্রবন্ধসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্যে পুরস্কারে ভূষিত করে। তার নির্বাচকমণ্ডলী প্রকৃত জহুরির কাজই করেছেন। আমাদের ধন্যবাদ তাঁরা অবশ্যই পেতে পারেন।

তবে তাঁর প্রকাশিত বই যে কিছুই ছিল না এর আগে, তা নয়। ‘সাহিত্য প্রকাশ’ ছেপে বের করে তাঁর পাবলো নেরুদা : প্রেমে ও সংগ্রামে (২০০৭)। নেরুদাকে নিয়ে আমাদের কৌতূহল সেই বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশক থেকেই। তাঁর কবিতার সঙ্গে তাঁর জীবননাট্যও জড়িয়ে যায়। জড়িয়ে যায় মানব-মানবীর সামষ্টিক উত্থানের অনিঃশেষ সংগ্রামও। এ সব আমাদের অনুপ্রাণিত ও উদ্বোধিত করে। বাংলায় তাঁর ওপর বই লেখা হয়েছে বেশ ক’টা। তারপরেও, এতটুকু দ্বিধা না রেখে বলতে পারি, আলী আনোয়ারের এই বই যেকোনো বিচারে আর সবাইকে ছাড়িয়ে যায়। কী ভাষার পরিশীলনে, কী ভাবের প্রকাশমানতায় দার্ঢ্য ও কোমলতার সংশ্লেষণে, কী আবেগ-ঋদ্ধ নিরাবেগ উচ্চারণে এ ধরে রাখে এক আশ্চর্য সংহতি। নেরুদাকে নিয়ে আর কোনো বই-এ এমনটি পাই না।

আরো বাড়তি পাওনা এখানে আলোচনার সূত্রেই নেরুদার বহু কবিতার পুরো, বা আংশিক অনুবাদ। জীবনের সঙ্গে কবিতার সাযুজ্য ও কবিতার অন্তর্গত বোধ আমাদের কাছে পুরোপুরিই ধরা দেয়। বিচ্ছিন্নভাবেও কবিতার স্বাদ অক্ষুণ্ন থাকে। জীবনীগ্রন্থ স্বয়ং অসাধারণ সাহিত্যকর্ম হয়ে ওঠে।

তাঁর তন্নিষ্ঠ পরিশ্রমের ফল আর একটা বই, ইবসেন(২০০১)। বোধহয় নাট্যসাহিত্যের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে লেখা। তা এগোয় কালক্রম অনুযায়ী ইবসেনের প্রতিটি নাটক ধরে ধরে। তার নির্মাণকলা, কাহিনির গতি-প্রকৃতি, সংশয় ও সংঘাত, সততার সঙ্গে জীবন-ভাবনার উন্মোচন, নাট্যকারের জীবন-যাপনের ঘাত-প্রতিঘাতকে তার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া― এ সবই তিনি মেলে ধরেন আত্যন্তিক নিষ্ঠায়। আয়তনে বইটি বেশ বড়। তবে একটি বাক্যও অনর্থক মনে হয় না। বরং এইটিই ধরা পড়ে, লেখক আশ্চর্য মিতবাক। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তা আমাদের স্রোতস্বিনী নদীর মতো টেনে নিয়ে যায়। আর যেতে যেতে বাঁকে বাঁকে মানব জীবনের বিপন্নতার নিরুপায় মহিমাও ফুটিয়ে তোলে। একটা আক্ষেপ, এই অসাধারণ বইটি আজ কোথাও চোখে পড়ে না। এমনকি চৌদ্দ বছর আগে তা যখন ছেপে বেরোয়, তখনও বই-এর বাজারে খোঁজ করে তার দেখা মেলেনি।

অধ্যাপক আলী আনোয়ার ১৯৭১-এ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। এই মুক্তির আদর্শ তাঁর কাছে শুধুই আপ্তবাক্য ছিল না। ছিল জীবন বিকাশের লক্ষ্যে ব্যক্তি ও সমষ্টির আচরণে অপরিহার্য বোধের মিশ্রণ। এদের সচেতন সঠিক সমন্বয়ই আমাদের এগিয়ে যাবার পথ দেখায়। তাই স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই যখন ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু হয়― এবং সবটাই প্রথাশাসিত ধার্মিকতার অপব্যাখ্যা ও প্রদর্শনীর আবরণে, তখন তিনি বিচলিত বোধ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে এক মুক্ত আলোচনার উদ্যোগে নেতৃত্ব দেন তিনি। পরে তাঁরই সম্পাদনায় ওই আলোচনার যথাযথ ধারাবাহিক বিবরণ ছেপে বের করে বাংলা একাডেমি। কিন্তু, পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টের পর থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা নামের ওই বইটি আর চোখে পড়ে না। প্রফেসর খান সারওয়ার মুরশিদ, প্রফেসর সালাহ্উদ্দীন আহমদ, প্রফেসর জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী― এঁরাও ওই আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। এই উদ্যোগের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে আলী আনোয়ার মুক্তিসংগ্রামের আদর্শের প্রতি যে নিষ্ঠা ও শান্ত সাহস অবিচলভাবে দেখিয়েছিলেন, তা ভোলার নয়। তবে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ প্রচারবিমুখতা পাদপ্রদীপের আলো থেকে তাঁকে প্রায়ই দূরে সরিয়ে রাখে। রুচির আভিজাত্যও এতে ধরা পড়ে।

অবসর নেবার পর তিনি ঢাকা যান। নিজের বাড়ি, গুণী বন্ধুমহল সবই আছে সেখানে। দ্বিজেন শর্মা, ওয়াহিদুল হক, সম্পাদক মীজানুর রহমান, হায়াৎ মামুদ― এঁদের সঙ্গে তাঁর নিত্য ভাবের আদান-প্রদান। তিনিও সক্রিয় হতে চান। কিন্তু বিধি বাম। শরীর বিদ্রোহ করে। চিকিৎসার জন্য আমেরিকাতেই যেতে হয়। যখন তখন ওখানকার নিরাময়কেন্দ্রে ছোটা। ফিরে আসতে চেয়েও সংগত কারণেই বার বার মত পাল্টাতে হয়। তবু এর মাঝেও দেশে এসেছেন বার দু-তিন। ক্ষীণ আশা, শরীর মানিয়ে নেবে। তা হলে আর প্রবাস জীবন টানতে হবে না। তা আর হয়ে ওঠে না। প্রতিবারই তড়িঘড়ি ফিরতে হয়। তাঁর অসহায়তা সবই বুঝতে পারি। নিজেরাও কষ্ট পাই। এদিকে ওয়াহিদুল হক, মীজানুর রহমান― তাঁরাও আর নেই। শূন্যতার আগ্রাসন এখানেও।

তবু তিনি লড়াই করে চলেন বীরের মতো। কটা অসাধারণ প্রবন্ধ এর ভেতরে লেখেন। কিছু ছাপা হয় কালি ও কলম-এ। আমরা অভিভূত। কী করে পারেন? লেখায় মরণ-ব্যধি দাঁত বসাতে পারে না। পড়াশোনার ছাপ আগের মতোই। বোধহয়, আরো বেশি। বাস্তবের ভাবনা-দুর্ভাবনায় তিনি সাড়া দেন ক্লান্তিহীন। যুক্তির তারের ওপর দিয়ে তাঁর হেঁটে যাওয়া অনায়াস। এই বা কম কী?

২০১৩-তে যখন ফিরে যান― বলা যায়, ফিরে যেতে বাধ্য হন― তখন ভেবেছিলেন, একটু সুস্থ হলেই আবার আসবেন। এখানেই থিতু হবেন। এবার এলেন ঠিকই। দূর হতে কাছে। নীরব, নিথর হয়ে। এই বাঙলায়। মিশে গেলেন তার মৃত্তিকায়। জীবনের পালা শেষ হয় ২০১৪-র তেসরা মার্চে, আমেরিকায়। কাকতালীয়ভাবে, জন্মেছিলেন আরেক মার্চেরই ১০ তারিখে, ১৯৩৫-এ।
Flag Counter


1 Response

  1. সাহানা মৌসুমী says:

    অসাধারণ লেখা। খুব ভালো লাগল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.