১৯৭১, প্রবন্ধ

গর্জে উঠুক আরেকবার

hamimkamrul_hoque | 16 Dec , 2014  

hasan.jpgএকাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হতে পারতো একটা বোধিদ্রুম বা বোধের বৃক্ষ, যারা শেকড় থেকে, কাণ্ড থেকে, শাখা-প্রশাখা থেকে, পাতা, ফুল, ফল– সবকিছু থেকে আমরা নিতে পারতাম আমাদের আগামীদিনের পথ চলার রসদ। যেকোনো রকমের অন্ধকার সময়ে একাত্তরের চেতনার টর্চলাইট আমাদের সঙ্গী হতে পারতো। কি ব্যক্তিগত কি রাষ্ট্রীয় সমস্ত সংকটে আমরা সতেজ থাকতে পারতাম একাত্তরের কল্যাণে। কিন্তু সেই বোধ একটু একটু করে যেন ক্ষয়ে গেছে, সেই আলোকবর্তিকা দিনে দিনে অনুজ্জ্বল হয়েছে। এবং সেটা ঘটেছে ভেতরে ভেতরে, বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। কারণ চোখের সামনে মুুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক উদ্যোগ-আয়োজন চলছে। কথার ফুলঝুরিরও কোনো অভাব নেই। বড়বড় শোভাযাত্রা নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়া– সবই চলছে, সবই ঠিক আছে, কিন্তু নেই কেবল একাত্তরের চেতনা। একটি উদার মানবিক শোষণমুক্ত দেশ গড়ার সত্যিকারে অঙ্গীকার একাত্তরের পর পর বাড়ির পেছনের অগভীর ডোবায় সেই যে ডুবিয়ে দেওয়া হলো আর সেটি তুলে আনার ইচ্ছা হয়নি। ইচ্ছা হয়নি, কারণ পরিবর্তিত পরিস্থিতি এমন করে আমাদের বোধকে নির্মাণ করেছে, তাতে আর সেখানে ফিরে যাওয়ার দরকার পড়েনি। তারপরও একাত্তর নিয়ে কিছু কথা, কিছু গান ফিরে ফিরে আসে। কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধ, কেমন ছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা, তারা কী চেয়েছিলেন, কী পেলেন– সেই প্রশ্নগুলি বার বার নানান সময়ে হানা দিয়েই যায়। বর্তমানে দাঁড়িয়ে চল্লিশ বছরের আগের মানুষটা, যিনি কিনা একজন মুক্তিযোদ্ধা– তার সেই সময় এবং বর্তমান অবস্থান– আমাদের কিছু প্রশ্নে জবাব হয়তো দিতে পারে। তার উত্তর আমাদের মধ্যে যারা এখনো ‘‘একটি উদার মানবিক শোষণমুক্ত দেশে গড়ার’’ কথা ভাবেন তাদের আকুল করতেই পারে।

হাসান আজিজুল হকের নামহীন গোত্রহীন গল্পগ্রন্থের ‘ফেরা’ নামের গল্পের প্রধান চরিত্র আলেফ, যিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা, তার অঙ্গীকারের দিকটা দেখে নিলে, একাত্তরের চেতনার একটা দিক পরিষ্কার হতে পারে। সবচেয়ে বড় যেটি পরষ্কিার হবে– সেটি হল মানুষ যেকোনো যুদ্ধ অস্ত্র দিয়েই করে, কিন্তু তার সেই যুদ্ধের জন্য তার ‘চেতনা’ যদি মস্তিস্কের কোষে কোষে সজীব না থাকে, তাহলে সেই যুদ্ধ একটা যান্ত্রিকতা ছাড়া আর কোনো কিছুই দেয় না। একাত্তরের পর ঘরে ফিরে আলেফ অস্পষ্ট হলেও টের পেয়েছিল, যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেন না, কেবল দৃশ্যপট বদলে যায়। তাই অস্ত্র ফেরত দেওয়া যাবে না। বরং লুকিয়ে রাখতে হবে, যাতে চাইলেই নতুন যুদ্ধের সময় সেটি তুলে আনা যায়।
‘‘একাত্তরের হাতিয়ার/গর্জে উঠুক আরেকবার’’– এই যে স্লোগানটা এখনো দেওয়া হয়, তার মানে কি আবার আমরা, যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সত্যে ও বাস্তবতায় বিশ্বাস করি, তারা হাতে হাতে অস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে পড়বো? নিশ্চয়ই তা নয়, সেই হাতিয়ার হলো ‘চেতনার হাতিয়ার’। সেই চেতনার হাতিয়ার এখন আর গর্জে উঠছে না বলেই আমরা এই স্লোগান ধরছি। যা আছে তা নিয়ে কেউ কখনো হৈ চৈ করে না। আমরা ফেব্রুয়ারি এলে বাংলাভাষা নিয়ে মায়াকান্না শুরু করি, এই করতে হবে, সেই করতে হবে কারণ বাংলাটা এদেশের ক্ষমতাকাঠামোর কোথাও এখনো শক্ত করে উপযোগী হতে পারেনি, উপযোগী করাও হয়নি। যেকোনো চাকরির জন্য একটা সাধারণ জীবনবৃত্তান্ত থেকে শুরু করে জাতীয় নিরাপত্তা ও আমদানি-রপ্তানির বিরাট বিরাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এদেশীয় কাগজপত্র সবই বাংলা ভাষার আওতামুক্ত। সেই অর্থে বাংলা ভাষাকে সমস্ত জটিলতা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাংলা সেই আলাউদ্দিন হুসেন শাহদের শাসন আমল কি চর্যাপদের আমল থেকে যে সাধারণ মানুষের ভাষা হিসেবে ছিল, তাই করে রাখা হয়েছে। বাংলা ভাষাকে ‘অসাধারণ’ কোনো কিছু করার প্রচণ্ড কষ্ট করা হয়নি। সত্যিই এভাষা আমাদের কতটা প্রাণের তাই এতে বোঝা যায়! এ ভাষা ধনীর আদুরের দুলাল নয়, গরিবের প্রাণের ধন। তাদেরই গানের ভাষা, প্রাণের ভাষা। এই ভাষা দিয়ে কঠিন জটিল কাজ কেন করতে হবে বা করানো হবে?

ভাষার কথা এজন্য বলা হচ্ছে, কারণ একাত্তরের পেছনে আছে এই ভাষা ও ভাষার জন্য আত্মত্যাগের ইতিহাস। সেই ইতিহাস সবারই জানা। এই ভাষার কারণে বাঙালি মুসলমানের নিজ বাসভূমে ফেরা হয়েছিল। এই বাসভূমও কিন্তু চেতনারই বাসভূমি, চেতনার জন্মভূমি। সেই গণচেতনাই কাজ করেছে একাত্তরের যারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের মানসপটে। তারা নিজেরা হয়তো পরিষ্কার ছিলেন না, কিন্তু তখন বাংলাদেশের (গুটি কয়েক রাজাকার ও পাকিস্তানপন্থী বাঙালি মুসলমান) মুক্তিকামী মানুষের প্রত্যেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোনো না কোনোভাবে কাজ করেছেন। কাজ করেছিলেন বলেই আলেফের মতো মুক্তিযোদ্ধরা যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে প্রশ্নের কোনো উত্তর পায় না, যদিও প্রশ্নটাকে বোধ না করেও পারে না। ‘‘আমি যুদ্ধে গিইলাম ক্যানো?’’–এই প্রশ্নে আলেফের সেই সময় ও যুদ্ধের সময়টা মাত্র কয়েকটি বাক্যে হাসান লেখেন,‘‘কঠিন কথা ভেবে দেখার সময় লোকের যেমন ভুরু কুঁচকে ওঠে, চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, আলেফের ভুরুতে তেমনিই গিঁট পড়ে, আর তেমনিই শক্ত হয়ে যায় তার চোয়াল। ‘দেশের জন্যি যুদ্ধে গিইলাম’– আলেফ ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়েছিল, এইটুকু মাত্র বিদ্যা সম্বল করে সে দেশ, যুদ্ধ, জনগণ এইসব কঠিন প্রশ্নের মীমাংসার জন্য তৈরি হয়।’’

এখানে সবচেয়ে যেটি লক্ষণীয়, সেটি হল ‘আমি’, ‘আমরা’ নয়। একাত্তরে যে প্রশ্ন ছিল ‘আমরা কেন যুদ্ধ করছি?’ যেমনটা জহির রায়হানের গল্পে, সেটি যুদ্ধের পরে ‘আমি’তে এসে ঠেকেছে। সমষ্টি ভেঙে ব্যক্তির লাভক্ষতির হিসাবও দেখা দিয়েছে যুদ্ধের পর পরই। আর যুদ্ধের পর এক একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য যে ধাঁধার জগৎ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতি, সেখানে অস্ত্রটা সে জমা দেবে, নাকি সেটি কাঁধে নিয়ে নিজের এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে ঠাট দেখাবে– সেটিও বুঝতে পারেনি। যদিও ‘‘কয়েকদিনের মধ্যেই আলেফ বুঝতে পারে রাইফেল নিয়ে গ্রামের মধ্যে ঘুরে বেড়ানোর কোনো মানে নেই। ইতিমধ্যে তার মতো অনেকেই ঝাঁকে ঝাঁকে রাইফেল ঘাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা দলে দলে এসে যুদ্ধে জিতে যাওয়ার খবর দিয়ে যায় আর বুকে থাপড় মেরে জানিয়ে দেয় দেশ স্বাধীন হয়ে গিয়েছে। এই বুক থাপড়ানো আর স্বাধীন হবার খবর জানানো ছাড়া আর তাদের কিছুই করার ছিল না। কাজেই, দুদিনে রাইফেলের মতোই যুদ্ধে জিতে যাবার খবর, স্বাধীন হবার খবর ইত্যাদি পুরোনো হয়ে যায়। গাঁয়ের লোকদের অন্য ধান্দা আছে।’’

‘ফেরা’ গল্পের ভেতরে হাসান অতি সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন কারা যুদ্ধে গিয়েছিল, তাদের বয়স কত ছিল, তারা বিবাহিত হলে বৌয়ের সঙ্গে তাদের আচরণ কি ছিল যুদ্ধের আগে ও পরে, কতটা অভাব ও ক্ষুধার ভেতরে তাদের দিন কাটতো, যুদ্ধের পরে তারা যখন ফিরে আসে তখন বোঝা যায়, তারা তাদের বেঁচে থাকা মায়ের কাছে কতটা আদরের সোনামানিক ছিল, সেই দিকগুলির কোনোটাই বাদ পড়ে না। বাদ পড়ে না গ্রামে আগুন দেওয়া ঘটনা, আলেফের খোঁজে কারা এসেছিল, যুদ্ধের সময় কারা তাকে কোন কারণে খুঁজে বেড়াচ্ছিল।

আর স্বাধীনতার ফল? আলেফের যে পায়ে গুলি লেগেছিল, তাতে তার মনে হয়,‘‘ঠ্যাংটা এট্টু খাটো হয়ে গিছে।’’–এই ‘একটু খাটো’ হয়ে যাওয়ার বিষয়টাকে কেবল একটা সংলাপ হিসেবে দেখার এখন আর কোনো সুযোগ নেই। সেসময় আলেফ আধো ঘুমের থেকে জেগে উঠে একবার মনে হয়, এবং সে বলে,‘আমরা রাজা বাদশা হবো নাকি বলতো? রাজা বাদশা হবানে মনে হয়। লক্ষণীয়, এখানে ‘আমরা’ শব্দটা ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ এখানে স্বপ্নটা প্রধান, কিন্তু যখন বাস্তবতা এসে দাঁড়ায় তখন সেটি ফের ‘আমি’ হয়ে ওঠে। তার বউ কেবল চায় নিজেদের ভাত-কাপড়ের অভাব পূরণ। আর কিছু না। কিন্তু আফেল বিশ্বাস করতে দ্বিধা করে,‘‘ঠিক কচ্ছিস? প্রশ্নে সঙ্গে সঙ্গে আলেফ চোখ খুলে টক টক করে চেয়ে রইল বউয়ের দিকে।” তারপরও স্বাধীনতার মানে বুঝতে পারে ‘সমৃদ্ধি’, যে সমৃদ্ধি সে ললিতনগরের খালে চিংড়ি ধরে অর্জন করবে।
কিন্তু তার মনে ওসমান ডাক্তারে মৃত্যু, আমিনের মৃত্যু ও তার লাশের গন্ধও এসে লেগে থাকে। আলেফের মা মনে করে ছেলে যুদ্ধে গিয়েছিল, এর পর সরকার তাকে ডাকবে– এর মানে সামনে অনেক সুযোগ আসবে ইত্যাদি, ‘‘তোরে একা না ডাকুক, তোরা যারা লড়াইয়ে ছিলি তাদের ডাকপে না? আমি আমার এই ভিটের চেহারা ফেরাবো আলেফ কয়ে দেলাম, আর জমি নিবি এট্টু। এট্টা গাই গরু আর দুটো বদল কিনবি। আর
হইছে তুমি থোও দেহি– আমিনের পচা দুর্গন্ধ লাশটার গন্ধ এসে হঠাৎ ভক করে আলেফের নাকে লাগে।”

এই যে একদিকে স্বপ্ন-সমৃদ্ধির কথা অন্যদিকে বাস্তবতার দগদগে ঘা, লাশের গন্ধ (অর্থাৎ লাশের গন্ধ তখনও নাকে লেগে আছে, কিন্তু মানুষ ব্যস্ত হয়ে উঠেছে স্বার্থ চিন্তায়)। ‘ফেরা’ গল্পে একটার পর একটা এভাবে হাজির হতে থাকে মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী বাস্তবতা। কারণ জীবন তো এমনই। সেখানে ঠাট্টাও আছে। আলেফ যখন রাইফেল মিছেমিছি মা আর বউয়ের দিকে তাক করে ‘টারারারা’ শব্দ করে আধবৃত্তাকারে ঘুরিয়ে আনে, ভয়ে বউয়ের মুখ শুকিয়ে যায়। মায়ের মুখের ভাব সে বুঝতে পারে না। কারণ মায়ের তো বিশ্বাস হয় না সে গুলি করতে পারে মাকে। কিন্তু বউ তো জানে না আলেফ তাকে আসলে আর বিশ্বাস করে কিনা। কারণ অভাবের জন্য না খেতে পেয়ে বউ চলে গিয়েছিল, এখন ফিরে এসেছে, কিন্তু এখানে থাকলে সে সত্যিই খেতে পাবে কিনা– এ প্রশ্ন তো থেকেই যায়, সেই প্রশ্নই আলেফ বউকে শেষ পর্যন্ত করে বসে। বউ আর তাকে ছেড়ে যাবে না, অনেক কষ্ট হলেও তার কাছে থাকবে, বলতে বলতে যে ঝর ঝর করে কাঁদে, কিন্তু আমরা তার প্রত্যয় টের পাই। হয়তো টের পায় আলেফ নিজেও। তাই সরকার থেকে যখন জারি করা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে যেখানে যত অস্ত্র যার আছে জমা দিতে, আলেফ মনের ভেতরে টের পায় লড়াই এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তাই মাকে সে বলে,‘অমা, এইটা দিয়ে লড়াই করতি হয় জানো?’ কথা যেন সে মাকে নয়, নিজেকেই শোনায়। আর জেনে নেয় বউ তার পাশে থাকবে কিনা। তারপর সে বাড়ির পেছনের ডোবায় রাইফেলটা ছুঁড়ে দেয়। ‘‘ ডোবাটা ছোটো, রাইফেলটা খুঁজে পেতে তেমন কষ্ট হবে না।’’– এই কথায় শেষ হয় ‘ফেরা’ গল্প। যদিও আমরা জানি আলেফের মনে হয় তার ‘ঠ্যাংটা এট্টু খাটো হয়ে গিছে।’– এই ঠ্যাং কেবল ব্যক্তির নয়, সামনে এগিয়ে যাওয়ার পা-টা গোটা জাতির যেন খাটো হয়ে গেছে। আসলে তো খাটো হয়ে গেছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেতনা, এখন কেবল যে যার জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের স্বার্থ বুঝে নেওয়াটাই কাজ। ‘ ফেরা’ গল্পটি পড়লে মনে হয়, আলেফ আর কোনোদিন ওই ডোবা থেকে রাইফেলটা তুলে আনতে পারেনি, হয়তো আনার দরকার পড়েনি, তার আগেই সে ক্ষুধায় অভাবে হীনবল হয়ে গেছে। ললিতনগরে আধ সের ওজনের চিংড়িও সে হয়তো আর কোনোদিন ধরতে পারেনি। বা উল্টো দিকে তার সবই হয়েছে। এতই সমৃদ্ধ হয়েছে যে আর কোনোদিন পুরোনো রাইফেল ডোবা থেকে তুলে এনে ব্যবহারের বদলে নতুন অস্ত্র কিনেছে সে। নতুন নতুন লোক জোগাড় করেছে, রাজাকারদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। হয় সে নাই হয়ে গেছে, নয়তো প্রবলভাবে জাগতিক সুখে বেঁচে আছে আলেফরা। মোদ্দা কথা হল ‘চেতনা’ নামের সেই শানিত অস্ত্রের আর কোনো দরকার পড়েনি। গ্রামের মানুষের অনেক ধান্দার সঙ্গে সেও নিজের ধান্দা যোগ করে দিয়েছে। সে ফিরেছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর ফিরে আসেনি।

বর্তমানে হাসান আজিজুল হকের এই গল্প পড়ে এখন এটাই মনে হয়। আসলে গণমানুষের যতদিন মুক্তি না হবে, যতদিন একটি লোকও ফুটপাতে পড়ে থাকবে, পার্কে বস্তিতে পলিথিনের তলায় মানবেতর জীবন কাটাবে, ততদিন বুঝে নিতে হবে সেই বাংলাদেশ আমরা নির্মাণ করতে পারিনি, মুক্তিযুদ্ধ এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

Flag Counter


2 Responses

  1. গর্জে উঠুক আরেকবার অসাধারণ লিখেছেন

  2. prokash says:

    ফেরা গল্পটি আমার প্রিয় গল্পের একটি। আর তা নিয়ে এই মূহূর্তে খুব প্রাসঙ্গিক আলোচনা এটি। পড়লাম। ভালো লাগলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.