অনুবাদ, উপন্যাস, বিশ্বসাহিত্য

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

anis_uzzaman | 24 Aug , 2014  

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.

অনুবাদ: আনিসুজ্জামান

———————————————————————————
ধারাবাহিক উপন্যাস । কিস্তি ২

অবশেষে ডিসেম্বরের এক মঙ্গলবার নাস্তার সময় আচমকা বের করে দিল ওর ভিতরের সমস্ত চিন্তার ঘূর্ণিপাক। বাচ্চারা বাকি জীবন মনে রাখবে কী মহান গাম্ভীর্য নিয়ে ওদের বাবা টেবিলের মাথায় বসে, জ্বরে কাঁপতে কাঁপতে ঘোষণা করে তার দীর্ঘ রাত জাগা আর কল্পনায় আবিষ্কারের কথা: পৃথিবীটা কমলালেবুর মতো গোল।

উরসুলা ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। “যদি তুমি পাগল হয়ে থাক, তাহলে একাই হও” চিৎকার করল,” কিন্তু তোমার জিপসী চিন্তার সঙ্গে বাচ্চাদের জড়ানোর চেষ্টা করো না।” ক্রোধের বশে এ্যাস্ট্রোল্যাবটা মেঝেতে ছুঁড়ে ভেঙে ফেলার পরও নির্বিকার হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়া স্ত্রীর ধৈর্যহীনতায় মোটেই ভড়কে যায় না। সে আরেকটি তৈরি করে নিজের ছোট্ট কামরায় গ্রামের লোকদের জড়ো করে আর তাদের চোখের সামনে তুলে ধরে অবোধ্য এই সম্ভাবনা যে পুব দিক বরাবর একটানা জাহাজ চালিয়ে গেলে তা আবার উৎসেই ফিরে আসবে। গায়ের লোকজন যখন হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়ার পাগল হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত, তখনই সবকিছু স্বাভাবিক করার জন্য ফিরে আসে মেলকিয়াদেস। বিশুদ্ধ জ্যোতির্বিদ্যক অনুমান দ্বারা যে এমন এক তত্ত্ব দাঁড় করিয়েছে যা বাস্তবে প্রমাণিত, যদিও মাকন্দোতে তা ছিল অজানা। তিনি সবার সামনে তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন। আর তার মুগ্ধতার নজির হিসেবে উপহার দেয় তাকে এক আলকিমিয়ার পরীক্ষাগার যা ভবিষ্যতে এ গ্রামের উপর বিশাল প্রভাব ফেলেছিল।

সেই সময় আশ্চর্য দ্রুততায় বুড়ো হয়ে গিয়েছিল মেলকিয়াদেস। ওর প্রথম দিককার সফরের সময় মনে হতো সে হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়ারই বয়সী। দুই কান ধরে একটা ঘোড়াকে ধরাশায়ী করার মতো প্রবল শক্তিকে হোসে আর্কাদিও নিজের শরীরে ধরে রাখলেও জিপসীটাকে দেখে মনে হতো নাছোড় রোগে সে কাবু হয়ে গেছে। এ ছিল আসলে পৃথিবীর চারদিকে তার অগণিত ভ্রমণের সময় বিরল সব রোগ বাধানোর ফল। পরীক্ষাগারটা গড়ে তুলতে সাহায্য করার সময় নিজেই হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিরয়াকে সে বলছিল যে মৃত্যু ওকে তাড়া করছিল সর্বত্র, শেষ থাবা বসাবার সিদ্ধান্ত না নিলেও সে তার গন্ধ শুঁকে বেড়িয়েছে ঠিকই। মানবজাতিকে তাড়িয়ে বেড়ানো যতসব মহামারী আর বিপদ আপদের হাত থেকে ফেরারীর মতো ছিলো সে। পারস্যে পেলাগ্রা রোগ থেকে, মালয় দ্বীপপুঞ্জের স্কার্ভি, আলেকজান্দ্রিয়ার কুষ্ঠ, জাপানের বেরিবেরি, মাদাগাস্কারের বুবনিক প্লেগ, সিসিলির ভূমিকম্প আর ম্যাগিলান প্রণালীর জাহাজডুবী থেকে বেঁচে গিয়েছিলো সে। নস্ত্রাদামুর মূল রহস্যগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বলে কথিত এই অদ্ভুত লোকটি বিষাদগ্রস্ত, বিষন্নতার বলয়ে ঢাকা, আর চেহারা-সুরত ছিল এশীয় ধরনের, যাকে দেখলে মনে হতো যেন ঘটনার অজানা দিকগুলোও তার জানা। কাকের ডানার মতো বিস্তৃত কালো রংয়ের এক বিশাল টুপি পড়তো সে, আর গায়ে চড়ানো থাকতো শতাব্দীর সবুজ, উজ্জল এক মখমলের কুর্তা। বিপুল জ্ঞান আর রহস্যময় ব্যাপ্তি সত্ত্বেও তার মধ্যে এক মানবিক দায়ভার ছিলো, এক পার্থিব দশার কারণে দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো সমস্যাগুলো তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে রাখতো। অনুযোগ করত বয়সজনিত ব্যথা নিয়ে, ভুগত একেবারেই গুরুত্বহীন আর্থিক নানান ঝামেলায়, স্কার্ভির কারণে দাঁতগুলো পড়ে যাওয়ায় হাসা বন্ধ করে দিয়েছিল সে অনেক আগেই। সেই রুদ্ধশ্বাস দুপুরে যখন সমস্ত গোপন কথা ফাঁস করছিল সে, হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়া তখন নিশ্চিত হলো যে, সেই সময়টাই ছিলো মহান বন্ধুত্বের সূচনা। শিশুরা চমৎকৃত হতো তার উদ্ভট গল্প শুনে। আউরেলিয়ানোর বয়স তখন পাঁচের বেশী হবে না। সেই আউরেলিয়ানো পরবর্তী জীবনে সেই বিকেলে লোকটাকে যেভাবে দেখেছে তার সবকিছু মনে রাখবে। জানালা থেকে আসা ধাতব শব্দ আর মৃদু আলোর বিপরীতে বসে তার গলা থেকে উঠে আসা প্রগাঢ় শব্দ দিয়ে উজ্জল করছে কল্পনার সবচেয়ে কালো অঞ্চলগুলোকে; ততক্ষণে তার কপালের দুই রগ বেয়ে পড়ছে গরমে গলে-পড়া চর্বি। ওর বড় ভাই হোসে আর্কাদিও, সেই বিস্ময়কর প্রতিমাকে এক বংশানুক্রমিক স্মৃতি হিসেবে তুলে দিয়ে যাবে তার সমস্ত উত্তরপুরুষের হাতে। অন্যদিকে, উরসুলা সেবারের সফরের মন্দ স্মৃতিটাই মনে রেখেছে; কারণ, সে ঘরে ঢোকার সময় মেলকিয়াদেস বেখেয়ালে পারদের একটা গ্লাস ভেঙে ফেলে।
——————————-

আর্হেন্তিনার বুয়েনোস আইরেস-এর
এদিতোরিয়াল সুদামেরিকানা প্রকাশনী থেকে
প্রকাশিত ‘নিঃসঙ্গতার একশ বছর’ উপন্যাসের
প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ

——————————-
border=0
এতো শয়তানের গন্ধ, বলল উরসুলা।
একদমই নয়, শুধরে দিয়ে মেলকিয়াদেস বলে, সবাই জানে শয়তানের মধ্যে রয়েছে গন্ধকের গুণ আর এটাতো সামান্য এক ক্ষয়কারী পদার্থ ছাড়া বেশি কিছু নয়।

সার্বক্ষনণক নীতিবাগীশ মেলকিয়াদেস সিঁদুর বর্ণের পদার্থের নারকীয় গুণ সম্পর্কে জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা দিয়ে বসে, কিন্তু উরসুলা তাতে কান দিল না, বরঞ্চ বাচ্চাদের নিয়ে গেল প্রার্থনায়। ঐ কামড় বসানো গন্ধ মেলকিয়াদেসের স্মৃতির সঙ্গে এক হয়ে সবসময় তার মনে বসে থাকবে।

অসম্পূর্ণ পরীক্ষাগারে বাসন কোসন, ফানেল. বকযন্ত্র, ফিল্টার ও ছাঁকনির কথা বাদ দিলেও তাতে ছিলো সরু গলাওয়ালা এক লম্বা কাচের টেস্টটিউব, এক নকল পরশ পাথর, আর মারিয়া দে হুদিয়ার সর্বাধুনিক সূত্রানুযায়ী জিপসীদের নিজ হাতে বানানো এক তে-হাতা পাতন যন্ত্র। এছাড়াও মেলকিয়াদেস রেখে গেল সাত গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত সাতটি ধাতুর নমুনা, আর সোনা দ্বিগুণ করার জন্য মুসা ও জোসিমার সূত্রাবলী। আর পরশ পাথর বানাতে আগ্রহী কেউ যাতে এ-সবের অর্থোদ্ধার করতে পারে সেজন্য মহতী শিক্ষার পদ্ধতি বিষয়ে একগুচ্ছ টীকাটিপ্পনী ও নকশা।
border=0
সোনার পরিমান দ্বিগুণ করার প্রক্রিয়ার সহজতায় প্রলুব্ধ হয়ে হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়া কয়েক সপ্তাহ যাবত ধরনা দেয় উরসুলার কাছে ঔপনিবেশিক আমলের স্বর্ণ মুদ্রাগুলো মাটি খুঁড়ে তোলার জন্য, যাতে করে সে সোনার পরিমাণ ইচ্ছেমতো বাড়াতে পারে। সবসময়ের মতো এবারও উরসুলা হার মানল স্বামীর ক্রমাগত তাগাদার কাছে। হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়া তিরিশটি স্বর্ণমুদ্রা, তামার গুড়ো, হরিতাল, গন্ধক আর সীশে এক কড়াইতে রেখে গলিয়ে ফেলে। ওগুলোকে এরপর এক পাত্র রেড়ির তেলে গনগনে আগুনে জ্বাল দিতে থাকে, যতক্ষণ না সেটা এক ঘন তরল পদার্থে পরিণত হয়, যা দেখতে সোনার উজ্জ্বলতার চেয়ে বরং কদর্য মিষ্টি গাদের মত। এই ঝুঁকিবহুল আর অসহিষ্ণু পাতনের পদ্ধতির কারণে নির্বিকার পারদ, গ্রহযুক্ত সপ্ত ধাতু, সাইপ্রাসের কাঁচ মূলোর তেলের অভাবে আর একবার শুয়োরের তেলে রন্ধনের ফলে উরসুলার মূল্যবান উত্তরাধিকার পরিণত হয় কয়লা হয়ে-যাওয়া শুয়োরের চামড়ার মত এক পদার্থে, যা নাকি পাত্রের তলা থেকে আর আলাদা করা যায় না।

যখন জিপসীরা ফিরে আসে, তখন উরসুলা গ্রামের সমস্ত লোকজনকে ওদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে রাখে । কিন্তু ভয়ের চেয়ে কৌতূহলই জয়ী হলো। কারণ সেবার যখন জিপসীরা সব রকম বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কানের পর্দা-ফাটানো আওয়াজ তুলে সারা গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন ঘোষক এসে জিপসীদের আবিষ্কৃত সবচেয়ে চমৎকার বস্তু প্রদর্শনের ঘোষণা দিয়েছিলো।
(চলবে)

কিস্তি-১ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

Flag Counter


11 Responses

  1. আশেক ইব্রাহীম says:

    অসাধারণ। পড়ে মুগ্ধ হলাম।

    অনেক ধন্যবাদ আনিস ভাইকে। আর সেই সাথে আর্টস সম্পাদকের প্রতিও রইল কৃতজ্ঞতা।

  2. Prodip says:

    প্রথম কিস্তির একই অনুযোগ রইল । পাঠককে স্বস্তি দিয়ে পড়বার মতো সুযোগ অনুবাদে খুঁজে পাচ্ছি না । যদিও, অনেক আশা ছিল যে, মূল থেকে অনুবাদ নিশ্চয় আগের ইংরেজি থেকে অনুবাদ-এর চেয়ে অনেক সহজ বাঙ্গালিয়ানায় জন্ম নেবে । মূল বাক্যের দীর্ঘ প্রলম্বিত বর্ণনাকে অবিকল রাখার চেষ্টাটা হয়তো লেখকের কাছে মূলের প্রতি একনিষ্ঠ থাকার প্রয়াস হিসেবে কেউ কেউ বিবেচনা করতে পারেন। কিন্তু সাধারণ পাঠকের কথা ভেবেই ত এই মহৎ সাহিত্যের কঠিন অনুবাদ কর্ম । তাই নয় কী ?
    দেখা যাক, ক্রমাগত পড়তে থাকি । ও আর একটা কথা, কিছু ইংরেজি যেমন astrolabe, এসবের কী বাংলা হয় না ???

  3. তারিক says:

    খুব আনন্দ নিয়ে পড়ছি।”মালয় আর্কিপেলাগো দ্বীপপুঞ্জের” যায়গায় মালয় দ্বীপপুঞ্জের হবে। পরের কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম।

  4. Ononno Rahman says:

    পড়ে অনেক ভালো লাগছে, এর চেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে অনুবাদটা অনেক সহজে বোধগম্য ও নতুন ফ্লেভার পাওয়া যাচ্ছে… ধন্যবাদ আনিস ভাইকে, পরের কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম।

  5. anisuz zaman says:

    Prodip,
    আপনি কষ্ট করে আমার অনুবাদটি পড়ছেন বলে কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনার অস্বস্তির জন্য নিজেকে অপরাধী মনে করছি খুব। তবে দু’একটি কথা বলতে চাই এই সুযোগে: এক, মূল ভাষার জটিল বাক্যগঠন, লেককের নিজস্ব বাচনভঙ্গি এড়িয়ে যদি মিষ্টি চড়িয়ে ‘সাধারণ পাঠকের কথা’ ভেবে তাদের ভাষায় অনুবাদ করতে যাই–সেটা অসম্ভব নয়–তখন মূলভাষা জানা কেউ কেউ এই অনুবাদকে মূল-ছুট বলে নিন্দা জানাবার অধিকার কি অর্জন করবেন না? দুই, ‘বাঙ্গালিয়ানা’র জন্ম দিতে গেলে অন্য সংস্কৃতির প্রতি অসহিঞ্চুতার অভিযোগ্ও কি উঠতে পারে না? অন্যকে নিজের মতো করে চা্ওয়াটার পেছনে এক ধরনের মনস্ততাত্ত্বিক ফ্যাসিবাদের প্রকাশ বলে মনে করলে তার জবাবটা কী হবে? প্রলম্বিত বর্ণনাকে খানিকটা মূলের মতো রাখার পেছনে এসব ভয় আমাকে উদ্বুদ্ধ করে। সাধারণ পাঠকেরও কি নিজেকে আরেকটু শিক্ষিত ও উদার করে তোলার দায় নেই একেবারেই? সবাই যদি সাধারণ পাঠকের জন্য পুরোপুরি বোধগম্য ভাষায় লিখতে যেতেন তাহলে সাহিত্যে এত বিচিত্র ধরনের লেখক পা্ওয়া যেত কি? সাধারণের দোহাই দিলে একজন কমলকুমার মজুমদার কিংবা সতীনাথ ভাদুরীকেই কেবল অসম্মান করা হয় না, অসম্মান করা হয় সাধারণকেই, কারণ সাধারণের বেড়ে ওঠার শক্তির প্রতি অবজ্ঞারই এক প্রকাশ হয়ে ওঠে তা।
    astrolabe? ছোট্টবেলা থেকেই এ্যাস্ট্রোল্যাব শুনে এসেছি, বাংলায় কি আসলেই শ্রুতিমধুর কোনো শব্দ আছে?
    তারপরেও আপনার ‘অভিযোগ’ এবং ‘অস্বস্তি’ আমার জন্য উপকারী হবে এই কারণে যে আমি আরও সতর্ক হ্ওয়ার চেষ্টা করবো। আপনার প্রতিক্রিয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

  6. Khaleda Khan Bithi says:

    ভাল লাগল পড়ে! কিন্তু দ্রুত শেষ হয়ে গেল, কিস্তিগুলো একটু বড় করা যায় নায়? ধন্যবাদ লেখককে, শুভেচ্ছা বিষয় সম্পাদককে। আপনাদের শুভ চেষ্টা সফল হোক।

  7. একটি ছবির পরিচিতিতে লেখা “আর্হেন্তিনার বুয়েনোস আইরেস-এর
    এদিতোরিয়াল সুদামেরিকানা প্রকাশনী থেকে
    প্রকাশিত ‘নিঃসঙ্গতার একশ বছর’ উপন্যাসের
    প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ”

    এটা কি আর্হেন্তিনা হবে নাকি আর্জেন্টিনা হবে। আর্হেন্তিনা নামক কোনো দেশে বুয়েনোস আইরেস নামক কোনো শহর নেই তো। যদ্দুর জানি, আর্জেন্টিনার রাজধানীর নাম বুয়েনোস আইরেস।

  8. MRL says:

    @ আনোয়ার হোসেন সাগর, সম্ভবত স্প্যানিশ এ জ (G) বর্ণটি `হ’-এর মত উচ্চারিত হয় তাই এটা আর্হেন্তিনা হবে, আর্জেন্টিনা নয়G। সুপ্রিয় আনিস ভাই একটু যদি লিখতেন এ বিষয়ে।

  9. MRL says:

    অসাধারণ সুন্দর অনুবাদের জন্য আনিস ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পরেরবার আর একটু বড় কিস্তি আশা করছি। বি.স- যদি মতামত দিতেন ভাল হত। – মিজানুর রহমান লিপু

  10. ভারতী রায় says:

    ভীষণ ভালো লাগছে, কিস্তিগুলো খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
    অন্যান্য পাঠকদের মতো আমিও চাই আরেকটু বড় কিস্তি। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়ে খুব আনন্দ পাচ্ছি। অনুবাদককে অনেক ধন্যবাদ।

  11. Kishore mamun says:

    Lekha ta vallagche . R o vallagche kisti gulur sheshe pathok motamot gulu. Shundor .

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.