বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত

নির্মলেন্দু গুণ | ১৫ জুলাই ২০১৪ ১০:৪৫ অপরাহ্ন

বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ৩১টি দেশের মানুষ ও তাদের সমর্থকদের চোখের জলের বিনিময়ে ১টি দেশের মানুষ ও সমর্থকদের মুখে হাসি ও উল্লাস প্রকাশের এই বিশ্ব-আয়োজন বড়ই নির্মম ও নিষ্ঠুর। বন্ধ করো এই মানুষ কাঁদানোর খেলা।

১৯৩০-১৯৫৪ এই বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বকে কাঁপাতে পারতো না। টেলিভিশন বিশ্বকাপকে দুনিয়াময় ছড়িয়ে দিয়েছে এবং টিভিজালে বিশ্ববাসীকে জড়িয়ে নিয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বের কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের এমন এক নেশায় পরিণত করেছে, যাকে আপাতদৃষ্টিতে নির্দোষ বলে মনে হলেও, এটা একটা ড্রাগ। ফুটবল-ড্রাগ।

ক্রিকেট চেষ্টা করছে, কিন্তু পেরে উঠছে না। ভালো যে অন্য কোন খেলা বিশ্বের মানুষকে এভাবে জালবন্দি করতে পারেনি।

গত ১ মাসে বিশ্বের উৎপাদন কমেছে। অনিদ্রাহেতু স্বাস্থহানি হয়েছে। এখনও চলছে ফুটবল নামক নতুন নেশার হ্যাঙওভার। আমি ফুটবলের বিরুদ্ধে নই। বিশ্বকাপ ফুটবলের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীকে নতুন করে ভাবতে বলছি।

অন্যান্য কাপগুলো যে হয় সেগুলোতে মানুষকে এইভাবে সম্পৃক্ত করে না। এটা একটা ড্রাগের মতো হয়ে গেছে। এই যে বিশ্বকাপ হকি হচ্ছে, বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা হচ্ছে, চারভাগের একভাগ লোকও জড়িত হয় না। বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে এই যে উত্তেজনাটা তৈরি করছে, এটাতো ড্রাগেরই অ্যাফেক্ট। রাত জেগে খেলা দেখছে। তৃতীয় বিশ্বের মানুষগুলোর বিনোদনের কোনো সুযোগ নাই। ফুটবলের মাধ্যমে তাদেরকে সেই বিনোদনটা দিচ্ছে। কিন্তু যারা খেলছে, এই যে ইংল্যান্ড, আমেরিকা বা ইউরোপের ধনী দেশগুলো আছে, তারা কিন্তু এভাবে আসক্ত হয়ে পড়েনি। আমরা নিজেরা অংশগ্রহণ না করলেও অন্যের মাধ্যমে জয়ী হতে চাচ্ছি। পরাজয়ের বা বঞ্চনার বেদনা যাদের বেশি অন্যের মাধ্যমে জয়ী হওয়ার আকাঙক্ষা তাদের মধ্যে তীব্র হয়ে ওঠে। তৃতীয় বিশ্বের লোকগুলো হচ্ছে ভোক্তা। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এই খেলা দেখাচ্ছে, এটাতো আসলে ফিফার কাছ থেকে প্রচারস্বত্ব কিনে নিয়ে তারা দেখাচ্ছে আমাদেরকে। এবং যে মূল্য দিয়ে কেনা হচ্ছে সেটা কিন্তু আমরা শোধ করছি। আমাদের কাছে প্রচারস্বত্ব বিক্রি করে যা উপার্জন করে তা বিরাট অংক এবং আমাদের ফুটবল উন্নয়নের জন্য তারা যা দান করে তা অতি সামান্য। খেলা দেখতে আমাদের আসক্তি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে মনে হয় এটা ছাড়া আমরা বাঁচবো না। আশির দশকের আগ পর্যন্ততো আমরা বিশ্বকাপ দেখি নাই, তখন কি আমাদের চলে নাই?

১৯৫৪ সালের আগে টেলিভিশনের মাধ্যমে এই খেলা প্রচারের ধারণাটাই আসে নাই। ৩০ থেকে ৫৪- এই চব্বিশ বছর টেলিভিশনে খেলা প্রচারিত হয় নাই।

ফুটবল নিয়ে যে উন্মদনা তৈরি হয়েছে তা আসলে আসক্তির পর্যায়ে চলে গেছে। খেলা দেখার পর সারাদিন চলতে থাকে হ্যাঙওভার। সারাদিন কোথাও বেরুতে ইচ্ছা করে না। এমনকি মেয়ের টেলিফোন কলও ধরতে ইচ্ছা করে না। এটা কি এক ধরনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফল নয়? আমার শক্তি ক্ষয় হচ্ছে, উদ্যম হারিয়ে যাচ্ছে, হতাশা গ্রাস করছে এবং এই হতাশা থেকে কাটিয়ে উঠতে সময়ও লাগে।

ফুটবল প্রসঙ্গে ফুটবলেরই সেরা দেশগুলোর একটি আর্হেন্তিনার বিশ্ববিখ্যাত লেখক হোর্হে লুইস বোর্হেসের একটা খাঁটি কথা মনে পড়ছে আমার। এই জনপ্রিয় খেলা সম্পর্কে আমার মন্তব্য দেখে যারা আহত হবেন, এবং আমি জানি আহতদের সংখ্যা বিপুলই হবে, কারণ ফুটবলের মতো জনপ্রিয় খেলা আর একটাও নাই। এবং এটা কেন জনপ্রিয় সে সম্পর্কেও আমাদের ধারণা থাকা উচিত। বোর্হেস বলেছিলেন ‘ফুটবল জনপ্রিয়, কারণ বোকামি জনপ্রিয়।’ (Football is popular because stupidity is popular) আসলেই কিন্তু তাই।

আমি একবার নির্মাল্য আচার্যের ‘এক্ষণ’ পত্রিকায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর সেখানে লেখক কমলকুমার মজুমদার এসে ঢুকলেন। তাঁর সাথে ঐ প্রথম দেখা কোলকাতায় ১৯৭১ সালে। তিনি বসলেন। আমার সাথে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হলো। তিনি তেমন কোনো কথা বললেন না, করমর্দন করে মুচকি হাসলেন। তিনি বসে বসে দুঃশ্চিন্তার অভিনয় করতে লাগলেন বলে মনে হলো আমার। মাথাটা ন্যাড়া ছিলো। তার মা মারা গিয়েছিলেন, ফলে শ্রাদ্ধ করে বের হয়েছেন। নির্মাল্যদাকে লক্ষ করে তিনি বললেন, ‘জানিস, আজকে আমার মনটা খুব খারাপ।’ আমার দিকেও তাকিয়ে বললেন, ‘কবি, কিছু মনে করবেন না, আজকে আমার মনটা খুব খারাপ। বেশি কথা বলতে পারবো না। নির্মাল্যদা, জিজ্ঞেস করলেন, ‘কেন, মন খারাপ কেন?’ ‘আর বলো না, আজকে আমার স্কুলে ক্লাস এইটের এক মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললো, স্যার, আপনার লেখা আমার খুব ভালো লাগে। এই কথা শোনার পরে আমি ভাবলাম, আমি তাহলে এতদিন কী লিখলাম। ক্লাস এইটের একটি মেয়ে যদি বলে আমার লেখা তার ভালো লাগে, তাহলে এর চেয়ে অপমানজনক আর কী হতে পারে। সবচেয়ে কম আয়াসে যা বুঝা যায় সেটার প্রতিই বেশিরভাগ মানুষ ঝুঁকবে। সুতরাং বোর্হেসের ভাষায় একে গেম অব দ্য স্টুপিড বলা যেতেই পারে। তৃতীয় বিশ্বের যে দেশগুলো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করার সুযোগই পায় না, তাদের মধ্যেই ফুটবল নিয়ে উত্তেজনা ও উন্মদনা বেশি দেখা যায়। আজ মনে হয় রবীন্দ্রনাথ যে এই খেলাটা সম্পর্কে বিদ্রূপ করেছিলেন তাতে করে তাঁর দূরদৃষ্টিরই পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘ফুটবল খেলা হচ্ছে সাগর পাড়ের লম্ফঝম্ফ।’
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (19) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন samina choudhury — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১:২৮ পূর্বাহ্ন

      I do not agree with the remark about the class eight girl. Firstly because talents can not be measured by in age secondly a good literary work might be appreciated by people of different age and intelligence in different ways. For example a piece of Rabindra Sangeet may be a love song to teen age girl for her first love whereas to an adult it might be a song of devotion to God. But does Tagore care for that?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শুভ — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

      শুভ সকাল,
      কবি তাঁর মতামত দিয়েছেন, তাঁর দৃষ্টিকোন থেকে। এবার আমরা যাচাই করে দেখতে চাই আসলে কবির মন যা বলছে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল নির্মলেন্দু বাবু আধুনিকতার দিক দিয়ে কাজী নজরুল বা রবী ঠাকুরের ধারে কাছেও নেই। আর ক্লাস এইটে পড়া মেয়ের উদাহরণ দেয়াটা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।
      বেচেঁ থাক, ফুটবল-ক্রিকেট আর যত রকমের খেলাধুলা আছে, কারন এসব ড্রাগ না, বরং ডুাগ দূর করার হাতিয়ার।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন synthia — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৯:৫১ পূর্বাহ্ন

      জেনে খুব ভাল লাগল নির্মলেন্দু গুণ নিজেই একজন ফুটবলের পোকা, খেলা দেখতে গিয়ে মেয়ের ফোনটা পর্যন্ত উনি উপেক্ষা করেছেন। কিন্তু বুঝতে পারলাম না কেন উনি সবাইকে পরামর্শ দিচ্ছেন খেলা না দেখার জন্য। বরং উনি যদি বলতেন খেলা নিয়ে পাগলামি না করতে সেটা বোধহয় ঠিক ছিল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন CTN — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১০:০০ পূর্বাহ্ন

      আপনার উচিত লিখালিখি বন্ধ করে দেয়া। আপনি ক্লাস ৮-এর মেয়েটির যে দৃষ্টান্ত দিয়েছেন তা আপনার ‘ছাগলামী’রই বহিঃপ্রকাশ বই আর কিছু নয়। আপনার উচিত ‘পরপার’-এর চিন্তা করা আর ‘ফুটবল’ খেলা নিয়ে আপনার অতুলনীয় ‘নিষেধাজ্ঞা’ বন্ধ করে দেয়া।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mustarin — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

      If you say that no other tournament makes so many people cry then you really have no idea about Football. EPL or La Liga are watched throughout the world as well and the club followings are pretty intense.
      And even we burn posters when our cricket team loses a match in a one day series. The fan reactions are applicable for just any popular sport anywhere in the world.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রশিদা আফরোজ — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১২:০৮ অপরাহ্ন

      সামিনা চৌধুরীর মতামতের সঙ্গে আমি একমত। বয়স দিয়ে মেধা, প্রতিভা বা বোধকে মূল্যায়ন করা যায় না।
      বিশ্বকাপ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি একেবারেই অমূলক। চার বছর পর সারাবিশ্বের মানুষ এক হয়ে যায় এ উপলক্ষটাকে কেন্দ্র করে। আর এদেশের মানুষের তো ফুটবল নিয়ে বিশেষ আবেগ রয়েছে। বর্ষার কাঁদায় ফুটবল নিয়ে গড়াগড়ি খায়নি এরকম মানুষের সংখ্যা খুবই কম। অনিদ্রাহেতু স্বাস্থ্যহানির কথা বলছেন। চার বছর পর ৩১ দিনে ৯০ মিনিটের একটা খেলায় কি এমন হানি হয় যেখানে ফেসবুক, মোবাইল ফোন মানুষকে ৩৬৫ রাতই জাগিয়ে রাখে?
      সবশেষে বলি, লেখক বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দিতে বলছেন কিন্তু আপনি নিজেই তো ফেসবুকের মাধ্যমে এ নিয়ে আবেগী স্ট্যাটাস দিয়েছেন যা বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনলাইনসহ আরও কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১০ সালের প্রথম আলোতেও একই দলকে নিয়ে আপনি কলাম লিখেছেন। আপনি নিজেই কি পারবেন বিশ্বকাপ ফুটবল বয়কট করতে?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mehedi Hasan — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১২:৪২ অপরাহ্ন

      Football itself is not a bad way of enjoyment & exercise and disadvantageous to the society, at least, compared to other cultural program which we often watch and see through our media.But the main facts are the process and system by which the so called first country always try to divert our attention into the unproductive activities.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mir Mamun Hossain — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ১:৫৪ অপরাহ্ন

      আমার প্রিয় কবি নির্মলেন্দ গুণ, যাকে আমি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করি। বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত, শিরোনামে বিডিনিউজ টয়েন্টি ফোর ডট কম আর্টস এ ১৫ জুলাই ২০১৪ ১০.৪৫ অপরাহ্নে প্রকাশিত লেখাটির ব্যাপারে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে দ্বিমত পোষন করছি। গত ১৩.০৬.১০৪ ইং তারিখে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়ে ১৪.০৭.২০১৪ তারিখে ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। যদিও বাংলাদেশ তাতে অংশগ্রহণ করতে পারেনি তবুও ফুটবল উম্মাদনায় দুলছিল পুরো জাতি। ফুটবল বাংলাদেশের মানুষের একটি প্রিয় খেলা, এ খেলাতে এক এক জন এক এক দলের সর্মথক হয়ে খেলা উপভোগ করেছে। নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ যাদের আনন্দের খোরক নেই, তারাও গত এক মাস বিশ্ব কাপ নিয়ে মেতেছিল। এ সময়ে পত্র-পত্রিকা এবং টেলিভিশনের সংবাদ শিরোনামগুলো লক্ষ্য করলে আমরা দেথতে পাই অন্যান্য মাসের চেয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালীন মাসটিতে সংঘটিত অপরাধের সংখ্যা অনেক অনেক কম ছিল।
      ১। কমেছিল কিশোর অপরাধ!
      ২। স্তিমিত ছিল রাজনীতির নামে অরাজনৈতিক কর্মকান্ড!
      ৩। কমেছিল গুম, খুন, ধর্ষনের মত জঘন্যতম অপরাধ!
      ৪। অনেকাংশেই কম ছিল সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম !
      একমাত্র সংস্কৃতিই পারে মানুষকে সকল রকম অপরাধপ্রবণতা থেকে রক্ষা করতে। আর খেলাধুলা তো সংস্কৃতির অঙ্গ।
      হ্যাঁ আমরা জানি নেশা ক্ষতিকর, কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবলকে কি নেশা বলা যায়?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন R. Masud — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ২:৫৫ অপরাহ্ন

      দাদা
      তোমার বলা কথাটা বুঝি না তা নয়।
      তারপরও তোমার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি নিজের পয়েন্টগুলোর দিকে:
      ১) দুনিয়া জুড়ে এই আয়োজনের অর্থনৈতিক প্রভাব।
      ২) দুনিয়ার ২০০ কোটিরও বেশী মানুষ এই খেলাটা উপভোগ করে, কম করে হলেও টোটাল ১০০ ঘণ্টারও বেশী। তার অর্থ এই ২০০ কোটি মানুষ এই ১০০ ঘন্টা সব ধরনের খারাপ কাজ করা এবং খারাপ চিন্তা করা থেকে দূরে থাকে। দুনিয়াতে আর একটা আয়োজন দেখাও (ধর্মীয়সহ) যার এত বড় গুন আছে!
      ৩) কেউ হারে কেউ জিতে এই নিয়েই তো জীবন। যে হারে সে জিতার জন্য আবারও চেষ্টা করে, তাতেই তো তার উন্নতি হয়—
      এর পরও কি বলবে এই আয়োজন বন্দ হোক?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন rahul — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন

      Nirmalda, you have pointed out the right ideas in your write-up. I fully support what you mean: ‘ফুটবল জনপ্রিয়, কারণ বোকামি জনপ্রিয়।’ (Football is popular because stupidity is popular).
      I did not watch a single match this year because I think it’s wastage of time and nothing else.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Shams Hoque — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৩:২৪ অপরাহ্ন

      I agree with each and every word poet Nirmalendu Goon has said in this article. Thank you Goonda for being honest and bold. Yes, we, the poor Bangladeshis should give this football mania a second thought as we do not have ave any team of our own to participate in that contest.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাব্বির — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৬:১৫ অপরাহ্ন

      প্রিয় কবির লেখার প্রতিক্রিয়াগুলো দেখে মনে হচ্ছে বাঙ্গালি দিন দিন নীরস হয়ে যাচ্ছে। একটা শিবরাম বা সুকুমার-এর জন্ম হওয়া দরকার
      sarcasm জিনিসটা বোঝানোর জন্য ….

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহ মতিন টিপু — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৬:২২ অপরাহ্ন

      নির্মলেন্দু গুণ আমার ভালবাসার মানুষগুলোর মধ্যে উচ্চতম। তার লেখা আমাকে ভীষণ প্রভাবিত করে। ‘বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত’ তাঁর এমন চিন্তাটি আমায় খুব আহত করেছে। যদিও তাঁর যুক্তি অত্যন্ত ন্যায়সঙ্গত এবং সঠিক।
      আমাকে আহত করেছে এজন্য যে, আমরা বোধহয় সকলেই প্রেম-ভালবাসা বিজড়িত। প্রেম-ভালবাসায় তো হাসি-আনন্দ দুঃখ-বেদনা থাকবেই। আর এসবকে ঘিরেই কিন্তু বেঁচে থাকি আমরা। অন্তত বাঙালিরা। ফুটবলও আমাদের তেমন ভালবাসার অন্যতম একটি। এখানে জেতার আনন্দ ও হারার বেদনা বরণের প্রস্তুতি নিয়েই এর মধ্যে আমরা শামিল হই।
      আমার অন্য ব্যাখাটি হচ্ছে, উপভোগ করার মত ফুটবলের মত সহজ বিষয় আর পাবো কোথায়? তাই দাদার ন্যায়ত যুক্তির পরেও আমি ফুটবল দেখতে চাই। জয় দেখে আনন্দ পেতে চাই এবং পরাজয় দেখে কষ্ট পেতে চাই। আর দাদাকেও আজীবন ভালবেসে যেতে চাই।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপ্রতীপ — জুলাই ১৬, ২০১৪ @ ৬:৩৮ অপরাহ্ন

      স্যারের দল কি ৭ গোলে হারছে ? নাকি কোয়ালিফাইই করে নাই?
      বুঝি বুঝি, প্রিয় দল মাঠে রামছ্যাচা খাইলে ফ্যানের এই অবস্থাই হয়, ঠিক হয়ে যাবে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন yusuf reza — জুলাই ১৭, ২০১৪ @ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ন

      কবির কলাম।কবিতার মতই ভাবায় আমাদেরকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Nur — জুলাই ১৭, ২০১৪ @ ১২:১২ অপরাহ্ন

      নিজের সমর্থিত দল হেরেছে বলে এখন ফুটবলই ভাল না?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এম এম রহমান — জুলাই ১৭, ২০১৪ @ ১২:৪৫ অপরাহ্ন

      let everybody to land on politics rather than sports as I feel from the school of my thought because of Poet’s mark of writing….. please leave all by their own individuality of taste.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন KAILASH TEWARI — জুলাই ১৭, ২০১৪ @ ৮:০১ অপরাহ্ন

      দাদা, যারা ফুটবল পছন্দ করে না এমন কয়েকজনের নাম বলেন। কবিদের কাজ সাহিত্য চর্চা করে মনের খোড়াক জোগাড় করা এবং জোগান দেওয়া আর খেলোয়াড়দের কাজ তার খেলার মাধ্যমে, আমাদেরকে মনের খোড়াক জোগান দেয়া আর আমরা তাহা গ্রহণ করি। অতএব যারা সাহিত্যপ্রেমী, তাঁরা সাহিত্য এবং যারা খেলঅপ্রেমী তাঁরা খেলার মাধ্যমে জীবনশক্তি তৈরি করছেন, তাই যদি হয় তাতে সমস্যা কোথায়? আমাদের মত ৩য় বিশ্বের লোকদের জীবনের চালিকাশক্তি অনেক আগেই তারা কেড়ে নিয়েছে, এখন পড়ে আছে শুধু নির্যাস– কী আর নেবার মত আছে আমাদের কাছ থেকে?

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com