ভাটির পুরুষকথা: সঞ্জীবদার গাড়ী চলে নারে

শাকুর মজিদ | ১৯ নভেম্বর ২০১৩ ১১:২৪ অপরাহ্ন

সঞ্জীবদাকে আমি চিনি ১৯৯০ থেকে, যখন তিনি ‘আজকের কাগজ’ এর ফিচার বিভাগে কাজ করতেন। সে পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন ফরিদ কবির। তাঁর দু’জন সহকারী ছিলেন, একজন তাঁর ছোটভাই সাজ্জাদ শরীফ, আরেকজন সঞ্জীব চৌধুরী। আমি সে দৈনিকের বুয়েট প্রতিনিধি। বুয়েটের সংবাদ ছাড়াও আমার তোলা ছবি ও কখনো কখনো উপসম্পাদকীয় পাতায় আমার লেখা ছাপা হতো। আমি সঞ্জীবদার কাছে লেখা, ছবি পৌঁছে নির্ভার থাকতাম।

এর মধ্যে অনেক সময় চলেও যায়। ‘আজকের কাগজ’ ‘ভোরের কাগজ’ হয়। ঝিকাতলা থেকে শাহবাগ যায়, আমিও শাহবাগ যাই, সেখান থেকে ১৯৯২ সালে আমি চলে যাই ‘বাংলাবাজার’-এ স্টাফ রাইটার হয়ে, ভোরের কাগজ চলে আসে বাংলামটরে। আমাদের অনেক পরিবর্তন হতে থাকে। সঞ্জীবদা বাংলামটরের ‘ভোরের কাগজ’ এর ফিচার পাতা ‘মেলা’র দায়িত্ব নিয়ে বসেন। ১৯৯৩ থেকে আমি সাংবাদিকতায় ইস্তফা দেই। ১৯৯৯ সালে ‘লন্ডনী কইন্যা’ নামক একটা নাটক লিখে কিছু সিলেটিদের রোষানলে পড়ে যাই। ঢাকার যে সকল সাংবাদিক আর পত্রিকা আমাকে আশ্রয় দেয়, সঞ্জীবদা তার মধ্যে একজন। তিনি ঢাকাবাসী অনেক সিলেটি লেখককে দিয়ে আমার পক্ষে লেখান ভোরের কাগজ এর ‘উপসম্পাদকী’য় পাতায়, ‘মেলা’য়, নিজেও লেখেন। আমাদের সম্পর্ক আরো গাঢ় হয়। এর মধ্যে মাঝে মাঝে আমাদের দেখা হয়, আড্ডায়। কখনো বাংলামটরে তাঁদের ভোরের কাগজ অফিস, কখনো বা লালমাটিয়ায় আমাদের ‘ট্রায়াঙ্গেঁল কনসালট্যান্টস’এ।

আড্ডার কোনো কোনো পর্যায়ে সঞ্জীবদা কিছু গান গেয়ে শোনান আমাকে। বেশীরভাগই সিলেটী গান। আমার কাছে প্রায় সবগানই নতুন মনে হয়। বলেন, এগুলো এবার নবীগঞ্জ থেকে নিয়ে আসছি, এটা সিলেট থেকে। একবার বেশ উত্তেজিত হয়ে বলেন, শাকুর, কিছুদিন আগে সিলেট গিয়েছিলাম, একটা গান শুনলাম করিম ভাইর লেখা-শোনেন আমাদের সম্পর্ক এমন ছিলো যে, তিনি আমাকে ডাকতেন নাম ধরে, সম্বোধন করতেন ‘আপনি’ বলে। তিনি গাইছেন, আর টেবিলের উপর আঙ্গুল টুকিয়ে তবলা বাজাচ্ছেন। গানের কথা, ‘গাড়ি চলে না, চলে না রে/ চড়িয়া মানব গাড়ি যাইতেছিলাম বন্ধুর বাড়ি/মধ্যপথে ঠেকলো গাড়ি উপায় বুদ্ধি মিলে না।’ গানের পর গান চলতে থাকে। কিছু তার লেখা, তার সুর করা গান। তাঁর জীবনের কিছু প্রেম-ভালোবাসার ঘটনা। কখন কক্সবাজার গিয়েছিলেন, কাকে নিয়ে এই গান লিখেছেন, এমন কথা। আমি তার গান শুনি। আমার কাছে কেমন যেন লাগে। মনে হয়, এমন সুরের গান আমি আগে শুনিনি।
sanjeeb.gif
কথায় কথায় বলেন, একটা গানের দল করছেন। নাম দলছুট। তার সঙ্গে থাকবে বাপ্পা মজুমদার, বারীন মজুমদারের পুত্র। আমি অবাক হই! পত্রিকার সাংবাদিক ব্যান্ডের দলে গান করবে- এ কেমন?

একদিন আমার অফিসের আড্ডা থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেলেন। বলেন, হানিফ সংকেতের সঙ্গে তার মিটিং আছে, তাঁকে গান শোনাবেন। হানিফ সংকেতের পছন্দ হলে তাঁর ‘ইত্যাদি’তে এ গান প্রচারও হতে পারে। আমাদের সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরী টেলিভিশনে গান গাইবে! এটা আমার ভাবতেই কেমন যেনো লাগে।

কিন্তু একদিন সত্যি সত্যি আমার ভাবনাকে ছাড়িয়ে দিলেন তিনি। ‘ইত্যাদি’ দেখতে বসেছি, এক পর্যায়ে মানিক জোড় সংক্রান্ত একটা স্কিড দেখালেন হানিফ সংকেত এবং তার পর পরই বলেন, ‘আচ্ছা মানিকজোড় যদি এমন হয়-যেমন বাপ্পা ও সঞ্জীব’। এটুকু বলেই শুরু হলো, দুই বন্ধু মিলে যৌথ কন্ঠে গান। সেই গান-‘গাড়ি চলে না চলে না চলে না রে।’

আমি অবাক বিস্ময়ের সাথে দেখি তাদের গাওয়া গান এবং অভিভূত হয়ে যাই। মজার ব্যাপার, গানটি প্রচারের কিছু দিনের মধ্যে তাদের অডিও ক্যাসেট বেরোয়। সেখানেও এই গান, ‘ইত্যাদি’র একটা বাণিজ্যিক সুবিধার বিষয় ছিলো। যে গানটি ইত্যাদিতে প্রচার হতো, তার পরের দিনই ক্যাসেটের দোকানে এই গান বাজতে শোনা যেতো। রাতারাতি বিক্রিও বেড়ে যেতো গানের। সঞ্জীব চৌধুরীর কপাল খুলে যায় এবং তাদের ব্যান্ডের দলটিও রাতারাতি নাম করে ফেললো। এখানে সেখানে অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেতে থাকলো তারা। সঞ্জীব চৌধুরীর ব্যক্তিগত পরিচয় থেকে গল্পকার বা ফিচার সম্পাদক পদবীগুলো ধীরে ধীরে খসে যেতে থাকে এবং একজন গায়ক হিসেবেই তার নামডাক ছড়াতে থাকে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারের পর এর সঙ্গে করিমের নামটিও এসে যায়। ‘ইত্যাদি’র কল্যাণে খ্যাতি পাওয়া সঞ্জীব চৌধুরীর কৃতজ্ঞতার শেষ নাই করিমের প্রতিও। আমি এক সময় মনে করি যে, আমার ‘ভাটির পুরুষ’ প্রামান্যচিত্রের জন্য সঞ্জীব চৌধুরীর একটা সাক্ষাৎকারও ধারণ করে রাখা দরকার।

ততোদিনে সঞ্জীবদা বিয়ে করে ফেলেছেন এক মুসলমান তরুণীকে। মোহাম্মদপুরের ‘কাটাসুর’-এর ছোট, দুই কামরার ঘরটি ছেড়ে উঠেছেন মিরপুর কবরস্থানের পাশের এক বাড়িতে। বাড়িটি সম্ভবত তাঁর স্ত্রী ‘শিল্পী’র পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া।

২০০৩ সালের ২৪ অক্টোবর। আমার ক্যামেরা নিয়ে হাজির হই তার বাড়িতে। ঘরে তখন তার বছর খানেক বয়েসী এক পুত্র। ‘শিল্পী’ও আমার চেনা। তারা ঘরে আমাকে আপ্যায়ন করতে চায়, কিন্তু ঘরের ভেতর শুটিং ঠিক জমবে না। আমি বলি, আপনার গীটার নিয়ে চলুন। সামনে নতুন বেড়ি বাধের ওখানে একটা বেশ পুরনো বটগাছ আছে। এর তলায় বসিয়ে আপনার কথা নেবো, গান শুনবো।

সঞ্জীবদা রাজি হয়ে যান। এবং মিনিট পাঁচেক ড্রাইভ করে আমরা চমৎকার একটা লোকেশনে এসে পৌঁছি। বেড়িবাধের এক পাশে রাস্তা, অপরপাশে থৈ থৈ পানির হাওড়। মাঝখানে শতবর্ষী কতগুলো গাছ। তাদের একটির গুড়ির উপর বসিয়ে দেই তাকে। তিনি গীটারে নাড়া দেন। কিন্তু সংকট হয়ে যায় শুরুতেই। দু’ তিন’টা টোকা দেয়ার পর দেখা গেলো গীটারের তার ছিড়ে গেছে। তার জোড়া দেয়ার মতো সঙ্গতি তার ঐ মুহুর্তে নাই। এখন গীটার ছাড়া গান হবে কেমনে?

ঠিক হলো গিটারটাকে উল্টিয়ে তাকে তবলার মতো ব্যবহার করা হবে। তিনি টোকা দিতে দিতে যেমন করে আমার অফিসের টেবিলে তাল দিয়ে গান শোনাতেন, তেমন করেই শুরু হলো গান-গাড়ি চলে না চলে না, চলে না রে।

পিকনিক টাইপের একটা আউটিং এ এসেছে কতগুলো তরুণ। দেখি তারা এসে জড়ো হয় আমাদের মাঝে। সঞ্জীব চৌধুরী তাদের সবার চেনা এবং এই গানটিও দেখি প্রায় সবার মুখস্ত। কখনো একা, কখনো কোরাসে তারা সবাই মিলে গান ধরলো-গাড়ি চলে না চলে না রে।

শেষ বিকেলের আলোয় চমৎকার দৃশ্যায়ন হলো গানটির। সামনের বিলের উপর দিয়ে শেষ বিকেলের আলোয় নৌকা, মাঝির চলাচল, সঞ্জীবদার মুখে বিকেলের সোনালী রোদের ছোঁয়া, সব মিলিয়ে এক ধরনের মোহময়ী একটা পরিবেশ হয়ে গেলো আমাদের।

যদিও অনেক প্রশ্নের উত্তরই আমার জানা, তারপরও প্রামাণ্যচিত্রে ধারণ করার জন্য আমি তাকে নানা রকমের প্রশ্ন করি। তিনি সে সবের জবাব দেন। জবাব পছন্দ না হলে আমাকে ‘কাট’তে বলেন। আবার শুরু করেন তার কথা।
সঞ্জীবদা যা বলেন, তার সারাংশটা অনেকটা এই:
আমি তখন ভোরের কাগজে কাজ করি। পত্রিকার পক্ষ থেকে শাহ আবদুল করিমকে সংবর্ধনা দেওয়া হলো, তো ভাগ্যক্রমে সেই অনুষ্ঠানে আমি ছিলাম। ঐ দিন কাছে থেকে শাহ আবদুল করিমের গান আমি শুনলাম…তিনি গাইছেন ‘গাড়ি চলে না’….ঐ গানটি ঐ আমার প্রথম শোনা….সমস্ত হলঘরে পিনপতন নিরবতা….একসময় দেখা গেলো সবাই একসাথে তালে তাল মিলিয়ে গাইছে…আমার ঠিক ঐ মুহূর্তে মনে হলো এই গানটি যদি আমরা গাইতে না পারি তাহলে আমাদের অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাবে….তখনই গানটি সংগ্রহ করি….সুরটি সংগ্রহ করি এবং দলছুট গানটি পরিবেশন করে….

‘কিন্তু সঞ্জীবদা, আবদুল শাহ করিমের গান অনেক শিল্পীই তো গাইছেন, কিন্তু সবাই কি তার নামটি বলছেন?’

‘অনেকে শাহ আবদুল করিমের গান করছে….তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে সামান্য কৃতজ্ঞতা বোধটা কেউ কেউ প্রকাশ করতে চাই না….যেমন গ্রামের নওজোয়ান…এই গানটা অনেকে গাচ্ছে কিন্তু লিখে দিচ্ছে সংগ্রহ…’

আমি সঞ্জীবদাকে আবার বলি, আচ্ছা, শহুরে শিল্পী আর গ্রামগুলোর শিল্পীদের গাওয়া ঐ বাউলগানগুলোর মধ্যে তফাতটা ঠিক কোন জায়গায়?

‘তফাতটা বেশ বড়। আমরা যারা শহরে বসে গান করি, আমাদের গলাটা অনেক পলিশড। গ্রামের শিল্পীদের ওটা নেই। ওদের যা আছে, তাই নিয়েই গায়, আর আমরা কন্ঠের মধ্যে মেকি কিছু যোগ করি। আমাদের গলায় মাটির গন্ধ নাই, ওদের গলায় আছে।
karim.gif
সেদিনের এই ফর্মাল সাক্ষাৎকার পর্ব শেষ হয়ে যায়। আমি ক্যামেরা বন্ধ করে তাকে নিয়ে অফিসে আসি। সেখানেও আড্ডা হয় অনেক। আরো অনেক গান শুনি আমি।
এরপর সঞ্জীবদার সঙ্গে আমার আর খুব বেশী দেখা হয় না। ২০০৫ সালের দিকে একবার করিম খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঞ্জীবদার সঙ্গে দেখা হলেই তিনি আমাকে বলেন, ‘চলেন, আমরা একটা ফান্ড রাইজিং প্রোগ্রাম করি। কিছু টাকা উঠিয়ে তাঁকে দেই।’ কিন্তু কী করে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো আমি ঠিক বুঝতে পারি না। বিষয়টি কে কিভাবে নেবে সেটাও আমি চিন্তা করি। টাকা পয়সা উঠানোর অনুষ্ঠান নিয়ে নানা কথা হয়, আমি ঝুঁকি নিতে চাই না। নানা অজুহাত খাড়া করে আমি সময় ক্ষেপন করি। ২০০৭ সালের আগষ্ট মাসে আমি তখন চীনের কুনমিং-এ। ফেসবুকে খবর পেলাম, সঞ্জীব চৌধুরী মারা গেছেন। বড় দুঃসহ ছিলো তার এই মৃত্যু সংবাদ।

২০০৮ সালে ‘ভাটির পুরুষ’ প্রামাণ্যচিত্রের সম্পাদনার কাজ শুরু হয়। এখানে সঞ্জীব চৌধুরীর সেদিনের কথাগুলো যুক্ত হয়। তার গাওয়া গান ‘গাড়ি চলে না’ আমি ব্যবহার করি যুগল কন্ঠে। এক কলি গাইছেন সঞ্জীব চৌধুরী, অপর কলি গাইছেন স্বয়ং শাহ করিম। সঞ্জীবদা এই কোলাজটি দেখে যেতে পারলে খুশী হতেন, তার দেখা হয়ে ওঠেনি। অগত্যা, এস্টোনে সঞ্জীব চৌধুরী’র নাম ব্যাবহারের আগে আমাকে যুক্ত করতে হলো ‘প্রয়াত’ শব্দটি।

শাহ করিম সঞ্জীব চৌধুরীকে চেনেন নি ঠিক, কিন্তু করিমের গান নাগরিক মানুষের কাছ পৌছানোর যে কাজটি সঞ্জীব চৌধুরী করে গেছেন, সেটা তার অনেক বড় দায় শোধের মতো ঘটনা।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩। শাহ আবদুল করিমের সাথে আমার প্রথম দেখা। উজান ধল গ্রামের পাশে হাওড়ের উপর একটা নৌকাতে করে আমি করিম সাহেবের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছি, গান শুনছি। ঠিক সন্ধ্যাবেলা আরেকটা ছোট নৌকার গলুইয়ের উপর করিমকে বসাই। জিজ্ঞেস করি, দিনের এই অস্তমিত সূর্যের দিকে চেয়ে আপনার কোন গানটির কথা মনে পড়ে।
করিম বলেন, দিন গত হইছে, এইভাবে একদিন মাইনষের জীবনটাও গত হবে। আমারও সময় হয়ে গেছে। পীর কও, ওলী কও, চোর কও, ডাকাইত কও, কেউইতো আর চিরদিন থাকবো না। আমার চেয়ে বয়সে ছোট যারা ছিলো তারাও গেছে, আমারও যাইতে অইবো। মানবদেহকে গাড়ির সাথে তুলনা করে আমি একটা গান লিখেছি, গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে, গাড়ি চলে না। আমার ইঞ্জিনে এখন অনেক ময়লা জমে গেছে, কী করবো, আসা-যাওয়া সার হয়েছে নিয়তির বিধানে, ওরে জন্ম জরা যম যাতনা, সবই তার কারণে।
‘বন্ধুর বাড়িটা আসলে কোন বাড়ি?’

‘ভালো পথে যাইতে চাইছিলাম, এটা আর কি। কোরানের একটা আয়াত আছে – কুল্লু নাফছি জায়জাতুল মউত’ অর্থাৎ সবাইকেই মরণের স্বাদ নিতে হবে। এটা থেকে কারোই রেহাই নাই।
করিম সাহেবকে বলি, আপনার এই গানটি গেয়েছেন সঞ্জীব চৌধুরীও বাপ্পা মজুমদার বিটিভিতে ইত্যাদি অনুষ্ঠানে, আপনি কি জানেন?
‘না’
‘সঞ্জীব চৌধুরীকে চেনেন?’
‘না ’
করিম সাহেবের চেনার সুযোগ হয়নি সঞ্জীব চৌধুরীকে। কিন্তু সঞ্জীব চৌধুরী ঠিকই চিনেছেন করিমকে। আমার প্রামাণ্যচিত্রে আমি এ গানটি করিম ও সঞ্জীব চৌধুরীর সমন্বয়ে ব্যবহার করি।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (15) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Ifte — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

      ‘২০০৭ সালের আগষ্ট মাসে আমি তখন চীনের কুনমিং-এ। ফেসবুকে খবর পেলাম, সঞ্জীব চৌধুরী মারা গেছেন”

      Please correct the information.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Ananya Das — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৭:০৮ পূর্বাহ্ন

      এই লেখাটি খুব আবেগহীন আর অপ্রয়োজনীও বলে মনে হল। লেখাতে অনেক ভূল তথ্য আছে। মেয়ে সন্তানের জায়্গায় পুত্র সন্তানের কথা লেখা হয়েছে। শাহ্ আব্দুল করিম ওনাকে চিনতেন না–এই তথ্যটিও ভূল বলে আমি জানি । আর মুসলমান না কোন জাতের কাকে বিয়ে করেছেন এটাতেও অত্যন্ত ছোট মনের প্রমাণ দিলেন লেখক। এই দিনে এরকম একটা লেখা দেখে খুব খারাপ লাগল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন mahmudhafiz — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন

      ভাল লাগল। এই লেখাটি যখন পাঠানো হয়…তখন শাকুর মজিদ এর সামনে ছিলাম। এ বিষয়ে আরো অনেক কথা হলো। সঞ্জিব চৌধুরী ভোরের কাগজে থাকতে…তার সঙ্গে দেখা হতো…হাতিরপুলের একটা রেস্তোরা-বারে। প্রায়ই কথা হতো…তিনি যে অকালে চলে যাবেন…কে জানতো তা??

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন mahmudhafiz — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১১:১২ পূর্বাহ্ন

      লেখায় ব্যবহৃত পবিত্র কোরআন শরীফের আয়াত “কুল্লু নাফসিন জায়কাতুল মাউত’ হবে…অনবধানতাবশত এই ভুল হতে পারে….

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন najmul — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

      সঞ্জিব দা মারা গেসেন নভেম্বর মাসে।
      ভুল তত্থ দেয়া উচিত না।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরিফ জেবতিক — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১২:২২ অপরাহ্ন

      করিম ভাই সঞ্জীবদাকে চিনেন না বলার কারণ হয়তো তাঁর বয়েসকালীন স্মৃতি জটিলতা। এমনিতে সঞ্জীবদাকে করিম ভাই চিনতেন এই গানের সূত্রেই। সিলেটে করিম ভাইকে সংবর্ধনা দেয়ার উদ্যোগ ছিল সিলেট অফিসের ইখতিয়ার ভাই এবং তাঁর একদল পাঠক ফোরামের সদস্যদের। সেখানে সঞ্জীবদা প্রথম এই গানটি খুব সম্ভবত করিম ভাইয়ের কোনো শিষ্যের মুখে শুনে খুব পছন্দ করেন।
      পরবর্তীতে এই গানটি রেকর্ড করার ব্যাপারে যখন সঞ্জীব দা সিদ্ধান্ত নেন, তখন বাউল আব্দুল করিমের অনুমতি নেয়া হয়। আমার মনে আছে আব্দুল করিম খুব অবাক হয়েছিলেন এবং অনুমতি নেয়ায় খুশি হয়েছিলেন, কারণ অধিকাংশ লোকজনই করিম ভাইকে তোয়াক্কা না করেই তাঁর গানগুলো গেয়ে বেড়াতো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহাবুদ্দীন নাগরী — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ১:৩৩ অপরাহ্ন

      লেখাটা ভালো লাগলো শাকুর মজিদ। ধন্যবাদ। আমি ঠিক মনে করতে পারছি না, ২০০৭ সালে ফেসবুকের প্রচলন ছিলো কি না। থাকলেও চীনে ফেসবুক অবারিত ছিলো কি না। চীনে ফেসবুক এখন blocked। এটা বোধহয় ই-মেইল হবে শাকুর মজিদ?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফেরদৌসী হ্যাপি — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৩:২৮ অপরাহ্ন

      “‘লন্ডনী কইন্যা’ নামক একটা নাটক লিখে কিছু সিলেটিদের রোষানলে পড়ে যান এবং কয়েকজন আশ্রয়দাতার একজন ছিলেন সঞ্জীব চৌধুরী ।” মানুষের মানুষকে মনে রাখার, প্রশংসা করার পদ্ধতিটি খুব অদ্ভুত!! সঞ্জীব চৌধুরী আপানার কোন উপকার না করলে আপনি উনাকে নিয়ে লিখতেন না! তাই না । বহুদিন যোগাযোগ না থাকার কারণে কন্যা সন্তান পুত্র সন্তান হিসেবে এসেছে। কিছুটা আপডেট হয়ে লিখলে ভাল হতো । লেখা পড়ে কষ্ট পেলাম, সঞ্জীব চৌধুরীকে একজন শাকুর মাজিদ মনে রেখেছে উপকারী বন্ধু হিসাবে, সঞ্জীব চৌধুরীকে সঞ্জীব চৌধুরীর উচ্চতায় আপনি নিয়ে যেতে পারেননি ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Akrama — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৬:৪৩ অপরাহ্ন

      “এখানে সঞ্জীব চৌধুরীর সেদিনের কথাগুলো যুক্ত হয়। তার গাওয়া গান ‘গাড়ি চলে না’ আমি ব্যবহার করি যুগল কন্ঠে। এক কলি গাইছেন সঞ্জীব চৌধুরী, অপর কলি গাইছেন স্বয়ং শাহ করিম।”

      এই ডুয়েল কন্ঠের গানটির কোন ভিডিও আছে কি?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Tareq Ahmed — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৭:২১ অপরাহ্ন

      এ জাতীয় ভুল ও বিকৃত তথ্য সমৃদ্ধ একটি স্মৃতিচারনের মধ্য দিয়ে লেখক শাহ আব্দুল করিম ও সঞ্জীব চৌধূরী – দুজন মানুষকেই অপমান করলেন।এই ভুল ও বিকৃতির ভাগীদার তো বলতে হবে বিডিনিউজ ২৪.কম কেও।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Farah Diba Tasnim — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৮:২৪ অপরাহ্ন

      বাউল শাহ আবদুল করিম সজ্ঞীব চৌধুরী কে চিনতেন না,এই তথ্য আমার জানামতে সম্পূর্ণ ভুল।…আর এই লেখায় দেয়া অনেক তথ্যই ঠিক নয়।যেমন,”ইত্যাদি”র কল্যণে সজ্ঞীব নাম কামিয়েছেন বা পরিচিত পেয়েছেন??? কি হাস্যকর !
      আরেকটু জেনে বুঝে লিখলে ভালো হতো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Purabi Basu — নভেম্বর ২০, ২০১৩ @ ৮:৪৭ অপরাহ্ন

      Shakoor, I was deeply touched by your tribute to Sanjeeb. I knew him a little as I also used to write columns in Aajker Kagoj and then Bhorer Kagoj on a regular basis in those days. I used to work for Beximco Pharmaceuticals at that time. I was very impressed by one of Sanjeeb’s write-ups “tokhon bishu ase nai, choliyao zay nai” based on an allegory using Sharatchandra’s Chandranath. That article was published around December 1992/January 1993. I went to his office to meet him personally to show my appreciation to him for his write-up (that wonderful article was later included in our book “Ekhono Gelo na Andhar: edited by Purabi Basu and Shafi Ahmed, February 1993). I could not see him in his office as he was not there at the time. He came to our flat later that day, and we met for the first and last time. After reading your article, all those days together with the memories of all those known and dear faces, Sagar, Naimul, Sajjad, Farid, Masud……, many more…are all flashing back to my mind. Thank you.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মামুন রশিদ — নভেম্বর ২১, ২০১৩ @ ৬:৩৪ অপরাহ্ন

      সঞ্জীব’দা কে নিয়ে চমৎকার এই লেখাটির জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ পাবেন প্রিয় শাকুর মজিদ ভাই । তবে লেখাটিতে তাড়াহুড়ার ছাপ আছে, দ্রুত লিখতে গিয়ে তথ্যগত কিছু ভুল থেকে গিয়েছে ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন saifullah dulal — নভেম্বর ২১, ২০১৩ @ ৭:০৮ অপরাহ্ন

      লেখাটি খুব ভালো লাগলো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন santosh — নভেম্বর ২৭, ২০১৩ @ ১:২৯ অপরাহ্ন

      lot of wrong information ,pls do correct

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com