প্রবন্ধ

হতাহত সৈন্যদের ভিড়ে সূর্য-জল-করোজ্জ্বল নারী

omor_sams | 22 Oct , 2013  

বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থে যুদ্ধজনিত বোধ থেকে দুটো প্রধান কবিতা : ১. ‘উত্তর সামরিকী’ ২. ‘সময়ের তীরে’। অন্য একটি কবিতা, ‘মৃত্যু স্বপ্ন সংকল্প’-তে যুদ্ধের প্রকোপের অল্প অবতারণা আছে। প্রথম দুটো কবিতায় প্রত্যক্ষভাবে জীনবানন্দের যুদ্ধোত্তর ভাবনা লোকায়ত বা প্রাদেশিক নয়। সমগ্র মানবসমাজ ও ইতিহাসকে নিয়ে তাঁর আশংকা, হতাশা এবং তবুও সৎ আশায় উদ্দীপিত হবার বাসনা। এখানে আলোচ্য : ‘সময়ের তীরে’। আমরা বুঝতে চেষ্টা করবো, এই নীরস প্রথাগতভাবে অকাব্যিক বিষয়কে জীবনানন্দ কিভাবে কবিতা করে তুললেন। কবিতা উদ্ধৃত করি :

সময়ের তীরে

নিচে হতাহত সৈন্যদের ভিড় পেরিয়ে
মাথার ওপর অগণন নক্ষত্রের আকাশের দিকে তাকিয়ে,
কোনো দূর সমুদ্রের বাতাসের স্পর্শ মুখে রেখে,
আমার শরীরের ভিতর অনাদি সৃষ্টির রক্তের গুঞ্জরণ শুনে,
কোথায় শিবিরে গিয়ে পৌঁছলাম আমি।
সেখানে মাতাল সেনানায়কেরা
মদকে নারীর মতো ব্যবহার করছে,
নারীকে জলের মতো;
তাদের হৃদয়ের থেকে উত্থিত সৃষ্টিবিসারী গানে
নতুন সমুদ্রের পারে নক্ষত্রের নগ্নলোক সৃষ্টি হচ্ছে যেন;
কোথাও কোনো মানবিক নগর বন্দর মিনার খিলান নেই আর;
একদিকে বালিপ্রলেপী মরুভূমি হু হু করছে;
আর একদিকে ঘাসের প্রান্তর ছড়িয়ে আছে–
আন্তঃনাক্ষত্রিক শূন্যের মতো অপার অন্ধকারে মাইলের পর মাইল।

শুধু বাতাস উড়ে আসছে :
স্খলিত নিহত মনুষ্যত্বের শেষ সীমানাকে
সময়সেতুলোকে বিলীন করে দেবার জন্যে,
উচ্ছ্রিত শববাহকের মূর্তিতে।
শুধু বাতাসের প্রেতচারণ
অমৃতলোকের অপস্রিয়মাণ নক্ষত্রযান – আলোর সন্ধানে।
পাখি নেই,–সেই পাখির কঙ্কালের গুঞ্জরণ;
কোনো গাছ নেই,–সেই তুঁতের পল্লবের ভিতর থেকে
অন্ধ অন্ধকার তুষারপিচ্ছিল এক শোণ নদীর নির্দেশে।

সেখানে তোমার সঙ্গে আমার দেখা হল, নারী,
অবাক হলাম না।
হতবাক হবার কী আছে?
তুমি যে মর্তনারকী ধাতুর সংঘর্ষ থেকে জেগে উঠেছো নীল
স্বর্গীয় শিখার মতো;
সকল সময় স্থান অনুভবলোক অধিকার করে সে তো থাকবে
এইখানেই,
আজ আমাদের এই কঠিন পৃথিবীতে।

কোথাও মিনারে তুমি নেই আজ আর
জানালার সোনালি নীল কমলা সবুজ কাচের দিগন্তে;
কোথাও বনচ্ছবির ভিতরে নেই;
শাদা সাধারণ নিঃসঙ্কোচ রৌদ্রের ভিতরে তুমি নেই আজ;
অথবা ঝর্নার জলে
মিশরী শঙ্খরেখাসর্পিল গাগরীর সমুৎসকতায়
তুমি আজ সূর্যজলস্ফুলিঙ্গের আত্মা-মুখরিত নও আর।

তোমাকে আমেরিকার কংগ্রেস-ভবনে দেখতে চেয়েছিলাম,
কিংবা ভারতের;
অথবা ক্রেমলিনে কি বেতসতন্বী সূর্যশিখার কোনো স্থান আছে
যার মনে পবিত্রতা শান্তি শক্তি শুভ্রতা–সকলের জন্যে!
নিঃসীম শূন্যে শূন্যের সংঘর্ষে স্বতরুৎসারা নীলিমার মতো
কোনো রাষ্ট্র কি নেই আজ আর
কোনো নগরী নেই
সৃষ্টির মরালীকে বা বাহন করে চলেছে মধু বাতাসে
নক্ষত্রে– লোক থেকে সূর্যলোকান্তরে!

ডানে বাঁয়ে উপরে নিচে সময়ের
জ্বলন্ত তিমিরের ভিতর তোমাকে পেয়েছি।
শুনেছি বিরাট শ্বেতপক্ষীসূর্যের
ডানার উড্ডীন কলরোল;
আগুনের মহান পরিধি গান করে উঠছে।

গদ্য কবিতাটি ৫ স্তবকের। প্রথম স্তবক, ১৪ লাইন এবং দ্বিতীয় স্তবকের অর্ধেক, ৮ লাইন-এ জীবনানন্দ কোন যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যান। নিচে হতাহত সৈন্যদের ভিড় পেরিয়ে মাথার ওপর অগণন নক্ষত্রের আকাশের দিকে তাকিয়ে, কোনো দূর সমুদ্রের বাতাসের স্পর্শ মুখে রেখে, “আমার” শরীরের ভিতর অনাদি সৃষ্টির রক্তের গুঞ্জরণ শুনে – ৪টি অসমাপিকা ক্রিয়ার পরে “কোথায় শিবিরে গিয়ে পৌঁছলাম আমি”। মাত্র ১৮ লাইনের চিত্রস্তনিত, স্পন্দমান গদ্যে জীবনানন্দ এক অদ্ভুত সুররিয়ালিস্টিক রণক্ষেত্র উন্মোচিত করেন যা হয়তো বার্গম্যান, ফেলিনি কিংবা কুরোশাওয়ার সিনেমা ও ক্যামেরায় চিত্রায়ন সম্ভব, ভাবা যেতে পারে। জীবনানন্দের কবিতাকে গদ্যে সাজাই : “সেখানে মাতাল সেনানায়কেরা মদকে নারীর মতো ব্যবহার করছে, নারীকে জলের মতো; তাদের হৃদয়ের খেকে উত্থিত সৃষ্টিবিসারী গানে নতুন সমুদ্রের পারে নক্ষত্রের নগ্নলোক সৃষ্টি হচ্ছে যেন; কোথাও কোন মানবিক নগর, বন্দর মিনার খিলান নেই আর; আর একদিকে প্রান্তর ছড়িয়ে আছেÑ আন্ত:নাক্ষত্রিক শূন্যের মতো অপার অন্ধকারে মাইলের পর মাইল। শুধু বাতাস উড়ে আসছে স্খলিত নিহত মনুষ্যত্বের শেষ সীমানাকে সময়সেতুলোকে বিলীন করে দেবার জন্য – উচ্ছ্রিত শববাহকের মূর্তিতে। শুধু বাতাসের প্রেতচারণ অমৃতলোকের অপস্রিয়মাণ নক্ষত্রযান– আলোর সন্ধানে। পাখি নেই,– সেই পাখির কঙ্কালের গুঞ্জরণ; কোন গাছ নেই, — সেই তুঁতের পল্লবের ভিতর থেকে অন্ধ অন্ধকার তুষারপিচ্ছিল এক শোণ নদীর নির্দেশে।’ এই ছবি যেন হিরোসিমা– নাগাসাকির আণবিক বিধ্বংসের পরেকার। শুধু কিছু মাতাল জয়ী সেনানায়কেরা এসে তাঁবুর নিচ জুটেছে যুদ্ধের ধ্বংসের পিশাচোল্লাসে– তুঁতের পাতার ভিতর থেকে এক রক্তাক্ত নদীর নির্দেশে।

প্রকৃতি, ভূগোল এবং মনুষ্যত্বের এই অবলোপমান পরিদৃশ্যে জীবনানন্দের দেখা হলো নারীর। “মর্তনারকী ধাতুর সংঘর্ষ থেকে জেগে উঠেছো নীল স্বর্গীয় শিখার মতো” নারী। এই নারী একটি প্রতীক, শুধু শিখাÑ কোন মাংস নয়। এই নারী বনলতা সেন, শ্যামলী, সবিতা, শঙ্খমালা, অরুণিমা, সুরঞ্জনা নয় – জীবনানন্দের কবিতার প্রথমার্ধে যাকে স্পর্শ করা যায়। মিনার, সোনালী নীল কমলা সবুজ কাচের, ‘নি:সঙ্কোচ রৌদ্রের’ নারী এ নয়। এই নারীশিখা মানুষের সঞ্চিত ইতিহাসের সূর্যজলস্ফুলিঙ্গের আত্মা- আলো, যাকে জীবনানন্দ এই ধ্বংস-হত্যা-বিলুপ্তির বিরুদ্ধে–Discontents of Civilization -এর মুখোমুখি দাঁড় করান।

এইবার তিনি সুররিয়ালিস্টিক সমরক্ষেত্র থেকে বাস্তবিক বিশ শতকের পর-রাষ্টনীতি, বৈশ্বিক কূটনীতি, সমর-কুশলতা-চক্রের মুখোমুখি দাঁড়ান। এবং এই ‘বেতসতন্বী সূর্যশিখা নারী’, ‘যার মনে পবিত্রতা শান্তি শক্তি শুভ্রতাÑসকলের জন্যে ’ — তাকে দেখতে চান দুই নিয়ন্ত্রক নেশনের শক্তি-কক্ষে : ‘আমেরিকার কংগ্রেস ভবনে’ এবং ‘ক্রেমলিনে’ :

কোন রাষ্ট্র কি নেই আজ আর
কোন নগরী নেই
সৃষ্টির মরালীকে বা বাহন করে চলেছে মধু বাতাসে
নক্ষত্রে– লোক থেকে সূর্যলোকান্তরে!

জীবনানন্দ কবিতাটি গড়ে তুলেছেন দুটি চিত্রে :

১. প্রথম অর্ধে যুদ্ধের পরেকার বিধ্বংসমান একটি ভূখন্ডের চিত্র।

২. একটি প্রতীকী অগ্নিনারীশিখার উপস্থিতি ও আহ্বানে– তিনি আশা করেন যা এই জ্বলন্ত তিমিরের অবসান ঘটাতে সক্ষম হবে; ইতিহাস সুস্থির মানুষকে নিয়ে আবার এগোবে।

প্রথমাংশ পুরোটাই একটা চিত্রকল্পস্তনিত দৃশ্যচিত্র : আমার শরীরের ভিতর অনাদি সৃষ্টির রক্তের গুঞ্জরণ, ‘মদকে নারীর মতো, … নারীকে জলের মতো,’ ‘নক্ষত্রের নগ্নলোক সৃষ্টি’, ‘আন্ত:নাক্ষত্রিক শূন্যের মতো’,‘উচ্ছ্রিত সরবাহকের মূর্তি’ ‘পাখির কঙ্কলালের গুঞ্জরণ’, ‘তুঁতের পল্লবের ভিতর থেকে…এক শোণ নদীর নির্দেশ’। ওই কবিতার বিষয়কে এই ধরনের রূপক চিত্রকল্পের বর্ণনায় জীবনানন্দ অসাধ্য সাধন করেন : রুক্ষ গদ্যস্থিত অস্থিকে কবিতায় রূপান্তরিত করেন। তাঁর দ্বিতীয় উপাদান প্রতীক : ‘মর্তনারকী ধাতুর সংঘর্ষ থেকে জেগে’ ওঠা নারীশিখা। তাঁর এই নতুন নারী — যা তাঁর সাতটি তারার তিমির পর্যন্ত গ্রন্থে নেই, তাকে দিয়েই কবিতার টেনশন তৈরি করেন। সবচেয়ে আশ্চর্য, জীবনানন্দ চিত্রশ্রুতিকল্পে suspension of disbelief-এর ভূগোল থেকে, হঠাৎ প্রত্যক্ষ গ্লোবাল পলিটিক্সের অগ্নিপরিধির সম্মুখীন হন : ‘আমেরিকার কংগ্রেস ভবন’ বা ক্রেমলিন-এর বিপ্রতীপে। যা চান, তা সম্ভাব্য বিলোপ থেকে মানুষের রেহাই এবং মানুষের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার ও প্রগতির অব্যাহতি। এ কবিতা কি ৬০ বছরের পরের পৃথিবীতে, যেখানে এখন বহু দেশে যুদ্ধ এবং গণবিপ্লব, প্রচন্ডভাবে সঙ্গতিশীল নয়?

Flag Counter


5 Responses

  1. রওশন জামিল says:

    শামসভাই, লেখাটা খুব ভাল লাগল। আপনার কাছে এমন আরও ভাল লেখা চাই।

  2. matin bairagi says:

    কবি ওমর শামস-এর লেখাটি পড়লাম। তিনি ‘সময়ের তীরে’ কবিতাটির উপরে তার বলবার বিষয়কে স্থির করে দেখাতে চেয়েছেন কবি জীবনান্দ দাশ কতো সাধারণ বিষয় নিয়ে উত্তীর্ণ কবিতা লিখে গেছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন কাব্য-শক্তি কতো ভাবে বিস্তৃত হলে সাধারণকে অসাধারণ এবং নূন্যকে অনন্য করে তুলতে পারে। যদিও ‘সময়ের তীরে’ কবিতাটির বিষয় সাধারণ নয়, উপস্থাপনাও সাধারণ আঙ্গিকে হয়নি। আপাতদৃষ্টে সাধারণ মনে হলেও সময়, সময়ের প্রেক্ষাপট, রাজ্য-রাষ্ট্র, ব্যাবস্থায় নানা দূর্যোগ, নাগরিক জীবনের বিপন্নতা আশা ও নিরাশার দোলাচাল ইত্যাদির বিস্তারে মানুষ এবং মানুষের মনে সন্দেহ,সংশয়,বিপন্নতা এবং তার ভেতর সুন্দর আর অসুন্দরের উড়াল–এসবই চলমান জীবন থেকে নেয়া । তিনি এই কবিতায় ভাব থেকে বিষয়ে যান নি, গিয়েছেন বিষয় থেকে ভাবে। ওমর শামস কিছু কিছু আলোচনা করতে চেয়ে সরে এসেছেন শ্রেণি চেতনার কারণেই । তিনি পুঁজিবাদী সমাজে বসবাসে অভ্যস্ত এক মানুষ, আবার কবিও, শ্রেণি চেতনাই মানুষের মুল চেতনা তাই যুদ্ধ এবং গণবিপ্লবকে গুলিয়ে ফেলেছেন । যুদ্ধ করে সাম্রাজ‌্যবাদ নানাভাবে, অর্থনৈতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে, শাসনযন্ত্রে তাবেদার বসিয়ে. না হ’লে সরাসরি যুদ্ধ বাঁধিয়ে করে। পদানত করে দেশ জাতি, আর লুন্ঠিত বিত্ত নিয়ে গড়ে তোলে ভোগের প্রাসাদ, যার পাদ-পদে অগণিত মানুষ, ক্ষুধার্ত মানুষ, শিক্ষা-দীক্ষাহীন মানুষ, আভ্রু-সম্ভ্রম হারাণো মানুষ তাঁদের বিষয়টি হয়ে থাকে সাধারণ, কারণ ওই সব দেশে প্রবাসী হয়ে যারা থাকে তারা আর কিছু না হোক সামাজিক, ছিটে ফোটা সুবিধা যা কিছু ভোগ করেন তা আমাদের মতো নতুন উপনিবেশের মানুষদের পক্ষে কল্পনারই মতো । অন্যদিকে গণবিপ্লব আনে সমাজ রাষ্ট্রে অচিন্তনীয় পরিবর্তন যা মানুষকে স্বাধীনতা দেয়, স্বাধীনতা সংহত করতে প্রতিমূহুর্তে প্রেরণা জোগায় । সুতরাং যুদ্ধ আর গণবিপ্লব সঙ্গতিশীল হবে কী করে ? তবু কবি ওমর শামস জীবনানন্দের বিষয়ে অনেক আলোচনা করেছেন, তার আলোচনায় পান্ডিত্য আছে, জানবারও আছে অনেক যা আমরা মিলিয়ে খুব একটা পড়ি না, সে দিক থেকে-তো এসব আলোচনা আমাদের মতো আমপাঠকদের অনেক কাজের বিষয় হয়ে থাকে । কিন্তু বিষয় হলো কবিতার আলোচনায় যে কাব্যিকতার দাবী থাকে তার অনেক খানি অনুপস্থিতির কারণে সুখ পাঠ্য হয়ে ওঠে না । আশা করি ওমর ভাই এ দিকে যত্ন নেবেন । আর জীবনানন্দ-এর সৃষ্টিকৌশল নিয়ে আলেচনা করলে জীবনানন্দই থেকে যাবে, ভেতরের জীবনানন্দ কখনই বের হয়ে আসবে না । যদিও তিনি কখনই কোন সভা-সমিতি করতে যান নি, বা যুক্ত হন নি, এমন কী প্রগতি আন্দোলনের সময়েও তিনি থেকে গেছেন একাকী তাই বলে শ্রেণি,সমাজ,মানুষ,রাষ্ট্র এসব নিয়ে, মানুষের কল্যাণ নিয়ে, মানুষের বৈপরিত্য নিয়ে, এক মানুষের মধ্যে তার দ্বৈত্যতা নিয়ে সাদৃশ্য-বৈশাদৃশ্যের তিনি যে চিত্র এঁকে গেছেন অনেক শ্রেণি-সচেতন লেখক-কবি সে কাজটি এতো ভালোভাবে করতে পারেন নি। সে কারণে তিনি থেকে গেছেন সকল সময়ের জন্য প্রাসংগিক।ওমর ভাইয়ের লেখাটিও আজ প্রাসংগিক। ধন্যবাদ তাঁকে।

  3. omar shams says:

    মতিন ভাইকে ধন্যবাদ। না বলে উপায় নেই, আমার ভাইয়ের একটু ধান ভানতে শীবের গীত গাওয়ার অভ্যাস আছে। কবিতায় যা নেই, কবিতার আলোচনায় তা আমি বলি না।

    তাঁর জীবদ্দশায়, বামপন্থীরা অকথ্য এবং অমূলকভাবে জীবনানন্দকে ব্যাঙ্গ এবং তিরস্কার করে গিয়েছিলো – সুভাষ মুখোপাধ্যায়সহ।

  4. matin bairagi says:

    ওমর ভাইকে এইটুকু বলার জন্যও ধন্যবাদ।

  5. Tajminur Rahman says:

    জীবনান্দ যদি বরিশাল থেকে নাটোর না যেতেন তাহলে “বনলতা সেন” আবিস্কৃত হত না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.