প্রবন্ধ, ব্যক্তিত্ব, স্মরণ, স্মৃতি

কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে আমার কয়েক টুকরো স্মৃতি

রাজু আলাউদ্দিন | 17 Aug , 2013  

বাংলা কবিতায় আগে বা পরে আর কোনো কবিই জীবনানন্দের মতো এতটা প্রভাবসঞ্চারী হয়ে ওঠেননি। রবীন্দ্রনাথের কথা হয়তো অনেকেই বলবেন। সত্য বটে, রবীন্দ্রনাথ এককভাবে বাঙালির সংস্কৃতিকে যতটা প্রভাবিত করেছেন আর কোনো লেখকই তা করতে পারেননি। কিন্তু যদি কেবল কবিতার কথা ওঠে, তাহলে রবীন্দ্রনাথ নন; বরং জীবনানন্দ দাশই সেই প্রবল ব্যক্তিত্ব, যিনি কাব্যরুচির সম্মোহনী শক্তি দিয়ে আজকের প্রজন্মকেও মুগ্ধ করে রেখেছেন। রবীন্দ্রনাথ এখন আর আমাদের কাব্যরুচির ঘনিষ্ঠ সহযোগী নন, তিনি বৃহত্তর পরিসরে, আমাদের গোটা সাংস্কৃতিক চেতনার প্রধান স্থপতি।

রবীন্দ্রনাথের কোনো কোনো কবিতার অংশবিশেষ আমাদের আজও আন্দোলিত করলেও সামগ্রিক কাব্যিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে জীবনানন্দ অনেক বেশি আগ্রাসী, অনেক বেশি চৈতন্যের নিকটাত্মীয়। এই আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা সম্ভব ছিল না বাংলা ভাষার, তথা বাংলাদেশের প্রধান কবি শামসুর রাহমানের পক্ষেও। যদিও দশকের ব্যবধানে তারা দুই দশকের দূরত্বে অবস্থান করেছেন। জীবনানন্দ দাশের নিসর্গ-চেতনা বা ইতিহাস-চেতনার অনুগামী ছিলেন না শামসুর রাহমান, তারপরেও জীবনানন্দের শিল্পচৈতন্য ও বিষয়বস্তুর ছায়া তার প্রথম দিককার দুটো কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে এবং রৌদ্র করোটিতে স্পষ্ট।

কিন্তু এর মানে এই নয় যে শামসুর রাহমানের নিজস্বতা তাতে ক্ষুণ্ন হয়েছে। শিল্পীর জন্য কোনো প্রভাবই নিজস্বতা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়; বরং উন্মীলক। নতুন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সে অর্জন করে এক নতুন বৈশিষ্ট্য।

প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক-এ নজরুল, মোহিতলাল ও সত্যেন দত্তের প্রভাব গ্রহণ করা সত্ত্বেও তাতে জীবনানন্দের নিজস্ব কণ্ঠস্বর যেমন পুরোপুরি চাপা পড়ে যায়নি, তেমনি শামসুর রাহমানের প্রথম দুই কাব্যগ্রন্থেও জীবনানন্দের প্রভাব থাকলেও তাতে শামসুর রাহমানের বাকবৈশিষ্ট্য আমরা ঠিকই চিনে নিতে পারি। এর কারণ সব শিল্পীই– তা গৌণ বা মুখ্য যাই হোন না কেন– প্রভাব ও মৌলিকতাকে পাশাপাশি বহন করেন। একই সঙ্গে প্রভাবিত হওয়া এবং মৌলিক হয়ে ওঠাটা প্রত্যেক শিল্পী ও লেখকের অনিবার্য নিয়তি।

rahman.jpg
সুতরাং শামসুর রাহমানও এই নিয়তির বাইরে ছিলেন না। তবে অচিরেই তিনি এই প্রভাব কাটিয়েও উঠেছিলেন। সামাজিক প্রেক্ষাপট, আহরিত বিষয় আর অবলোকনের ভিন্নতা তাকে জীবনানন্দ থেকে ক্রমশই দূরে সরিয়ে নিয়ে গেছে। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির রুচি ও আকাঙ্ক্ষার যে ভাষিক রূপ তিনি দিয়েছেন, তা জীবনানন্দ দাশের কাব্যভাষা থেকে আলাদা।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর প্রতি তিনি যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, তা আমাদের আর কোনো কবিই এতটা দিতে পারেননি বা দেননি। শামসুর রাহমান বলেছিলেন, “শুধু দুই টুকরো শুকনো রুটির নিরিবিলি ভোজ আজলা ভরা এ পানীয়ের খোঁজ করিনি তো আমি।”
সেই তিনিই ধীরে ধীরে ‘আসাদের শার্ট, ‘স্বাধীনতা তুমি’, ইত্যাদি কবিতা লিখে গণচৈতন্যের ধারক হয়ে উঠেছিলেন।

অনেকেই মনে করেন শামসুর রাহমান রাজনৈতিক কবিতা লিখতে গিয়ে কবিতাকে তরলতার দিকে নিয়ে গেছেন। এমন নয় যে রাজনৈতিক বিষয় হলেই কবিতা তরল হয়ে যাবে। অরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখলেও কবিতা তরল হতে পারে যদি কবি সেটাকে কবিতা করে তুলতে না পারেন।

আমার নিজের ধারণা– অল্প দু-চারটি কবিতা বাদে শামসুর রাহমানের বেশিরভাগ রাজনৈতিক কবিতাই সাময়িক প্রয়োজনের সীমাকে লঙ্ঘন করে চিরায়ুর অভিসারী হতে পারেনি।
সমকালের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজনের বাইরে শামসুর রাহমানের সাফল্য বরং ইর্ষণীয়। তার সফল কবিতাগুলোতে যে সৌন্দর্যানুভূতির স্ফূরণ ঘটেছে তা-ই বরং আমাদের দশকের বেশির ভাগ তরুণ কবিদের আকৃষ্ট করেছিল বেশি। যদিও তাঁর ক্যাটালগিং ধরনের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর প্রভাবে একদল তরুণ কবি অসংখ্য কবিতা রচনা করেছেন। তাদের জন্য তিনি যে ধারার সূচনা করেছিলেন তা সেসব কবিদের জন্য হয়ে উঠেছিল প্রবলভাবে আত্মঘাতী।

আমার নিজের পছন্দ তাঁর অজনপ্রিয় কবিতাগুলো, যেগুলো আমাদের কাব্যরুচি বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করি।
মনে পড়ে, সেই আটের দশকের মাঝামাঝি কী মুগ্ধতা নিয়ে পড়েছিলাম তার কবিতা। তাঁর কবিতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে প্রথমবার তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি আর কবি রিফাত চৌধুরী তার পুরনো ঢাকার আওলাদ হোসেন লেনের বাসায়। সেদিন বিকেলে তাঁর ড্রয়িংরুমে আমরা অপেক্ষা করছি। কিছুক্ষণ পরেই তিনি লুঙ্গিপরা, হাফহাতা শার্ট গায়ে ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করলেন। প্রবেশ করেই দক্ষিণ দিকের জানালা দিয়ে আসা দেয়ালে আলোর প্রতিফলনের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ রবীন্দ্রনাথের সেই অবিস্মরণীয় পংক্তিগুলো উচ্চারণ করলেন তিনি–
আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের পর
– – – – – – – – – – – – –
রাহমান ভাই এই পংক্তিগুলো উচ্চারণ করামাত্রই আমরা দুজনই সচকিত হয়ে লক্ষ করলাম সত্যি সত্যি সেই বিকেলের আলো অদ্ভুত এক রহস্যঘেরা ভিন্ন বেলার আলো হয়ে তাকে শিহরিত এবং সচকিত করে তুলেছিল। আমরা আসলে প্রথমে ব্যাপারটা লক্ষই করিনি। কিন্তু উনি উচ্চারণ করামাত্রই তা মনে হল, আর মনে হল এমনভাবে যেন এই প্রবল রকমের দ্রষ্টব্য জিনিসটি আমাদের অগোচর থাকায় কুণ্ঠিত হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। কবিতাটির অংশ বিশেষ উচ্চারণ করার পর তিনি বললেন, “রিফাত, আলোটা বেশ অন্য রকম লাগছে না?”

রিফাত এবং আমি দুজনই সায় দিয়েছিলাম তাঁর এই অনুভূতির প্রতি। এমন তো প্রায়ই ঘটে যে, একই বস্তু আপনার কাছে এক রকমভাবে আর্বিভূত হচ্ছে তো আমার কাছে অন্যভাবে। কিন্তু সেদিন আলোটাই অন্যরকম ছিল নাকি– তিনি উচ্চারণ করামাত্রই তা অন্য রকম হয়েছিল–এই রহস্য আমার কাছে আজও অভেদ্য ও অজেয় হয়ে আছে।

সেই আলোয় প্রথম এই সুদর্শন কবিকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। তাঁর কবিতা সম্পর্কে যে মুগ্ধতা নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম, সেই একই রকমের মুগ্ধতা তৈরি হয়েছিল তাঁর আচরণ ও শারীরিক সৌন্দর্যের প্রতিও। তাঁর পরবর্তী কবিতার প্রতি আকর্ষণের তীব্রতা আমার কমে গেলেও তাকে দেখতে যাওয়া বা তাঁর সঙ্গে আলাপ করার আকর্ষণ আমার কমেনি কখনও। সেই প্রথম দেখার পরেও কতবার সেই বিচিত্রার অফিসে, তল্লাবাগের বাসায় এবং সর্বশেষ শ্যামলীর বাসায় দেখা করতে গিয়েছি। ৯৬ বা ৯৭ সালে একবার কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবের ভাইয়ের বাসায় পানাহারের এক দীর্ষ আড্ডায় জমে উঠেছিল তার উপস্থিতি। সাবের ভাই তখন ভিকারুন্নেসা নুন স্কুলের পেছনে ইস্টার্ন-এর এপার্টমেন্টে থাকতেন। কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, মশিউল আলম, আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনসহ এক দীপিত আড্ডা জমে উঠেছিল সেদিন। ব্রাত্য রাইসু এবং আহমাদ মোস্তফা কামাল কি সেই আড্ডায় ছিল? এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে মনে পড়ছে না। যাই হোক, সেই আড্ডায় রাহমান ভাই ছিলেন আমাদের মধ্যমণি। বয়সে তিনি আমাদের সবার বড় হলেও হাসিঠাট্টায় আমরা সেদিন পৌঁছে গিয়েছিলাম সমসাময়িকতার স্তরে। মনে আছে রাহমান ভাই ঐ আড্ডাটা খুব উপভোগ করেছিলেন। আড্ডা শেষে সবাই যে যার ঢেঁড়ায় ফিরব। ‘মাতোয়ালা’ রাহমান ভাইকে বোধহয় সাবের ভাই পৌঁছে দিয়েছিলেন। মিলন ভাইয়ের তখন একটা কী গাড়ি যেন ছিল। সবশেষে আমি আর মিলন ভাই বেরুচ্ছি। হঠাৎ মিলন ভাই জিজ্ঞেস করলেন, রাজু কোথায় থাক?
আমি তো অনেক দূরে থাকি, সেই কুড়িলে, মিলন ভাই।
এত রাতে তুমি ফিরবা কীভাবে?
রিকসা, বেবিটেক্সি কিছু একটা পেয়ে যাব। আপনি চলে যান, মিলন ভাই।
না, না , তোমাকে এভাবে ছাড়া যায় না। গাড়িতে ওঠ, তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আমি বাসায় ফিরব।

মিলন ভাই থাকেন তখন গেন্ডারিয়াতে (এখন কোথায় থাকেন জানি না)। আমার বাসা খেকে তার বাসার দূরত্বটা আমি ভালো করেই জানি। ঢাকার একেবারে উত্তর প্রান্তে আমাকে রেখে তারপরে তিনি যাবেন ঢাকার প্রায় দক্ষিন প্রান্তে। রাত যে তখন খুব বেশি হয়েছিল তা নয়, আর আমিও এতটা মাতাল ছিলাম না যে ‘দেয়ালে দেয়াল কার্নিশে কার্নিশ’ হয়ে যাবে। আমার মৃদু আপত্তি উপেক্ষা করে তিনি ঠিকই আমাকে তার গাড়িতে করে বাসায় নামিয়ে দিলেন। আমি সেদিন মানুষ মিলন ভাইয়ের এই সৌজন্যবোধের পরিচয়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। এ ধরনের সৌজন্যবোধ আমাদের মধ্যে খুব কম লেখকের মধ্যেই আমি দেখেছি।

যাইহোক, সেদিনের আড্ডার পরে রাহমান ভাইয়ের সঙ্গে আরও বহুবার দেখা হয়েছে। আমি লক্ষ করেছি তাঁর দশকের লেখকদের মধ্যে সম্ভবত তার কাছেই তরুণদের যাতায়াত ছিল সবচেয়ে অবাধ। তাঁর চিত্তের উদারতা, আচরণে স্নিগ্ধতা ও ব্যক্তিত্বের মাধুর্য্য আমাদের তীব্রভাবে আকর্ষণ করত।

বহু তরুণের জন্য নানাভাবে তিনি ছিলেন সহায়ক। আমি সেই সময় বোর্হেসের রচনার একটি সংকলন করছি শুনে তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন। আমি তাঁকে অনুরোধ করায় বোর্হেসের তিনটি কবিতা অনুবাদ করে দিয়েছিলেন।

নানান ব্যস্ততা সত্ত্বেও তিনি আমার অনুরোধ রক্ষা করেছিলেন ঠিকই। এমনকি চাওয়া মাত্র তাঁর সংগ্রহ থেকে তিনি বোর্হেসের ইন প্রেইজ অব ডার্কনেস বইটি ধারও দিয়েছিলেন আমাকে। বইটি এখনও আছে আমার কাছে। ফেরত দেওয়া হয়নি কোনোদিন। তাঁর স্বাক্ষরসহ বইটি আমার সংগ্রহে এখন অমূল্য উপস্থিতি হিসেবে আছে।

shamsur-rahmaer-shonge-ahmed-sofa-shonge-sm-sultan.jpg
তাঁর সঙ্গে বহুবার দেখা হলেও মাত্র দুবারই তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। একবার আমি আর ব্রাত্য রাইসু একসঙ্গে। আরেকবার আমি একা। কেলেংকারী হয়েছিল আমি আর রাইসু যে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলাম সেটাকে ঘিরে। ঐ সাক্ষাৎকারে আহমদ ছফা সম্পর্কে তিনি এমন কিছু বলেছিলেন, যা এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সাক্ষাৎকারটি বাংলাবাজার পত্রিকায় প্রকাশের পরপরই আহমদ ছফা মিছরির ছুরি দিয়ে শামসুর রাহমানকে বেশ কাটাছেঁড়া করেছিলেন। বিতর্কের সূত্রে এতে জড়িয়ে পড়েছিলেন সেদিন অসীম সাহাও। রাহমান ভাই নাজেহাল অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আহমদ ছফার উদ্দেশ্যে এমন এক প্রতিক্রিয়া জানালেন যাকে তিনি ভুল বুঝাবুঝি বলে অভিহিত করলেন। আর এই ভুল বুঝাবুঝির পেছনে আমাদের অর্থাৎ আমার ও রাইসুর উস্কানি রয়েছে বলে ইঙ্গিতও করলেন। তবে সেটা ইঙ্গিতেই ছিল; আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আকারে ছিল না। তিনি এতটাই সরল ছিলেন যে কথা বলার সময় কোনো চতুর সতর্কতার প্রয়োজন বোধ করতেন না। আর সেটা না করতে গিয়েই কিছু বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা সম্পর্কে। আমরা সেই সুযোগটা নিয়েছিলাম সাহিত্যের নিস্তরঙ্গ জলে একটু ঢেউ তোলার লোভে। এই অপরাধে তিনি চিরকালের জন্য বিমুখ হতে পারতেন আমাদের প্রতি, কিন্তু তা হননি। পারতেন ভর্ৎসনা করতে, তাও করেননি। এমনই ছিলেন তিনি। এই সাক্ষাতকার নিয়ে এমন কেলেংকারি হ্ওয়ার পরও তিনি আমাকে আবার আলাদাভাবে সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। ওই সাক্ষাতকারে তিনি তাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন কিছু বিতর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন কোনো রকম বিরক্তি ছাড়াই। সেখানে তার অনেক সৎ স্বীকারোক্তি ছিল যা তিনি আগে কখনও বলেননি বা লেখেননি। আমাদের প্রবীন লেখকদের মধ্যে তার মতো এত স্নিগ্ধ, সজ্জন আর উদার মনের মানুষ আর কাউকে দেখিনি।

Flag Counter


5 Responses

  1. শোয়াইব জিবরান says:

    তাঁর ব্যক্তি সারল্য কবিতায়ও ছড়িয়ে পড়েছিল। আর কে না জানি সারল্যই সৌন্দর্য।

  2. matin bairagi says:

    লেখাটি পড়লাম, এক টানে পড়ে নিলাম। ভালো লেগেছে, স্মৃতি আছে, বেদনা আছে, কবি শামসুর রাহমানের জীবনবাদীতা নিয়ে কথন আছে, আছে তাঁর চেতনার অনুভব, যা তিনি কাব্যে রেখেগেছেন। অনেক কবিতার উল্লেখ করেছেন, আমার কিন্তু প্রিয় এ লাশ রাখব কোথায়। তাঁর সংগে সরাসরি সংযোগ আমার কম হয়েছে, মাত্র দু’একবার, সে টুকুতে যত্ন ছিলো। সুন্দর..
    রাজু আপনাকে ধন্যবাদ।

  3. Manik Mohammad Razzak says:

    লেখাটি পড়লাম। ভালো লাগলো। এ স্মৃতিকথামূলক লেখনীর মাধ্যমে সঙক্ষিপ্ত পরিসরে অনেক কিছু জানাও হলো। কবি শামসুর রাহমানকে এভাবে স্মরণ করবার জন্য কবি রাজু আলাউদ্দিনকে অভিনন্দন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

    মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

  4. আতাউর রহমান says:

    রাজু আলাউদ্দিন ভাই’র লেখা `কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে আমার কয়েক টুকরো স্মৃতি’ পড়ে প্রিয় কবি শামসুর রাহমান সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য জানলাম। রাজু ভাই’র কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

  5. mridul dasgupta says:

    bhalo lekha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.