আলোকচিত্র, গদ্য, প্রবন্ধ, ব্যক্তিত্ব

মামুন ও তাঁর মুখের পৃথিবী

saikat_habib | 30 Jun , 2013  

নাসির আলী মামুন বাংলাদেশের সৃষ্টিশীল আলোকচিত্রায়নে এক অগ্রবর্তী শিল্পী । আজ পহেলা জুলাই তার ৬০ তম জন্মদিন। তার প্রতি আমাদের সপুষ্পক শুভেচ্ছা বি. স.

দৈবের বশেই হোক বা দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই হোক, যা কিছু আধুনিক, বিজ্ঞানময় এবং প্রগতির– বাঙালি মুসলমানকে এগুলো পেতে বড় বেশি নিষেধাজ্ঞা আর ধর্মের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করতে হয়েছে। তাই ইংরেজি শিক্ষাই বলি, পশ্চিমা বিশ্বের মুক্ত হাওয়াই বলি কিংবা বলি বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-প্রগতির কথা, সবকিছুতেই আমাদের শুরু অনেক বেশি দেরিতে। তার উপর পূর্ববঙ্গের দুর্ভাগ্য হল, পশ্চিম পাকিস্তানের জোয়াল, যা ধর্মের ছদ্মাবরণে অধর্মের চর্চা করেছে আর তাদের শোষণক্ষমতাকে অব্যাহত রাখতে ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে বাঙালি মুসলমানকে আরও শত বছরের ফেরে ফেলে দিয়েছে। তাই দেখা যায় আরজ আলী মাতুব্বরের মৃত মায়ের ছবি তোলার ‘দোষে’ তাকে নিগৃহীত হতে হয়, কেবল তা-ই নয়, ফতোয়ার কারণে মাকে কবরস্থ করতেও অনেক বেগ পেতে হয়।

কিন্তু তাই বলে কি সবই অন্ধকারাচ্ছন্ন আর প্রশ্নহীন ছিল? ছিল না বলেই বিশ শতকের শুরুতেই সওগাত-এ প্রকাশ হতে দেখি নারীর ছবি। প্রাণীর ছবি তোলা যে ‘হারাম’, তাকেও তাতে আত্মীকৃত হতে দেখি অনেক বাধা পেরিয়ে। তাই বাধা যেমন প্রাচীন, তেমনি তাকে অতিক্রমের চেষ্টাও নতুন নয়। যদি আমরা পেশাদার মুসলমান আলোকচিত্রিও দেখি সেখানে আছেন পাকিস্তান আমলেই বিখ্যাত আবুল কাশেম ড্যাডি, নাইবউদ্দিন আহমেদ-নওয়াজেশ আহমেদ সহোদর, মনজুর আলম বেগ, আমানুল হক ও রশীদ তালুকদারের মতো ব্যক্তিত্বরা। তাঁদের এই খ্যাতি কেবল দেশেই নয়, পশ্চিমেও ছড়িয়েছিল।

এই নিষেধের জাল হয়তো আজও কমবেশি আছে, যখন প্রতিটি মানুষই একেকজন ‘আলোকচিত্রি’। কেননা ডিজিটাল ক্যামেরা খুব সহজলভ্য বলেই নয়, এমনকি হাজার তিনেক টাকার একটি সেলুলার ফোনেও একটি চলনসই ক্যামেরা পুরে দেওয়া থাকে।

তবে তাঁদের জন্য প্রায়-আবদ্ধ ও ধর্মান্ধ সমাজে এ বড় সহজ কাজ ছিল না। আজ বিস্মিত হয়ে ভাবি, কেমন ছিল আমাদের পথিকৃৎ আলোকচিত্রশিল্পীদের সাধন-সময়টি, আজ থেকে আশি-সত্তর-ষাট বছর আগে, যখন কেবল সামাজিক-ধর্মীয় বাধানিষেধই ছিল না, একটি মোটামুটি মানের ক্যামেরাও ছিল বড় মহার্ঘ্য বস্তু?

আজ যখন বাংলাদেশের একজন বরেণ্য আলোকচিত্রশিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে উদ্যোগী হয়েছি, তখন সেই সব মানুষের পাহাড় ডিঙানো নানা বাধা অতিক্রম করে আমাদের প্রগতি ও শিল্পের অভিযাত্রাকে অব্যাহত রাখার সংগ্রামকে সকৃতজ্ঞভাবে স্মরণ করে নিতে চাইছি। তাঁদের স্বপ্নের শস্য আজ বিরাট বৃক্ষ হয়েছে বলেই আলোকচিত্রের এত বিষয়-শাখা-প্রশাখা, পেশাদারি মর্যাদা, প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠার এত বৈভব।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম যেমন অনেক মহত্তম ত্যাগের, আবার অনেক কিছু অর্জনেরও। হয়তো আমাদের লুটেরা রাজনীতি আর স্বৈরশাসন অনেক কিছু বেহাত করেছে। কিন্তু কিছু স্থায়ী সুযোগ সৃষ্টি আর সৃষ্টিশীলতার বন্যা আমাদের জাতিগতভাবে অনেক কিছু পাইয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে আছে অনেক প্রতিভার বিকাশ।

আলোকচিত্রের কথাই ধরা যাক। স্বাধীনতার পরপরই বেশকিছু নতুন মুখ সৃষ্টিশীলতার তুমুল পিপাসা নিয়ে এই মাধ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এই মুহূর্তেই তিনটি নাম মনে পড়ছে : আনোয়ার হোসেন, নাসির আলী মামুন এবং ড. শহীদুল আলম। স্বাধীনতার পরপরই এই তিনজন মানুষ একে কেজো জায়গা থেকে মুক্তি দিয়ে খুব দ্রুত আলোকচিত্রকে একটি শিল্পের স্তরে নিয়ে গেছেন। বিশেষায়িত প্যাশনময় আলোকচিত্র চর্চায় নিজ নিজ জায়গায় পৃথক ঘরানা তৈরি করেছেন।
mamun-pic.gif
এটা ভেবেই খুব আনন্দিত বোধ করছি যে, নাসির আলী মামুনের আলোকচিত্রচর্চা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমান বয়সী। নানাভাবেই ১৯৭২ সাল বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যময় বছর। সেই বছরই কিশোর মামুন তাঁর ক্যামেরাভ্রমণ শুরু করেন, যা আজ চল্লিশ বছরের একটি মাইলফলক।

তবে আর দশটা কিশোর-তরুণ যেভাবে অতি উৎসাহে শুরু করে খুব দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলে বা এটাকে খেয়েপরে বাঁচার অবলম্বন করে অচিরেই জীবনানন্দকথিত ‘মিহি কেরানি’ এবং রোজগেরে প্রাণীতে পরিণত হয়, মামুন ওই পথ মাড়াননি। তিনি শীঘ্রই নিজের জন্য পথ রচনা করে তাতে হাঁটতে শুরু করেন এবং চল্লিশ বছরে একে একটি বৈশ্বিক মহাসড়কে পরিণত করেছেন।

১৯৭২-এ বিশ বছর বয়সী মামুন একটি রুগ্ণ ক্যামেরা নিয়ে নিজের জন্য সবচে স্বাস্থ্যকর লক্ষ্যটি নির্ধারণ করেছিলেন। তিনি ক্যামেরাকে করে তুললেন ক্যানভাস। এর আলো-আঁধারিতে আঁকতে থাকলেন মানুষের মুখ। কেবলই মানুষ আর বিশেষভাবেই তার মুখ। তবে যে সে নয়, কেবল বিখ্যাত মানুষের মুখ! তখন তাঁর খ্যাতিপিপাসা অন্যতম প্রেরণা হলেও খ্যাতিমানরা তো আর সহজ বস্তু নন, কাজেই যে কোনো পথিকৃতের মতো তাঁকেও প্রথমে অবহেলা, তাচ্ছিল্য, ব্যঙ্গ ইত্যাদি ‘সুখকর’ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পথ রচনা করতে হল আর প্যাশন-পূরণের প্রধান উপায় যে কোনো মূল্যে লেগে থাকাকেই নিজের করণীয় বলে স্থির করলেন তিনি।

এইভাবে মামুন গড়ে তুললেন, ধীরে ধীরে, এক আশ্চর্য মুখবিশ্ব, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রান্তের বহু মানুষ এসে মিলিত হয়েছে। এখনকার সময়ে একে অত্যন্ত স্বাভাবিক মনে হলেও, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ভঙ্গুরতার সময়ে এটা যে কত কঠিন ছিল, সেটি বোঝার জন্য হয়তো ইতিহাস-পাঠেরও প্রয়োজন হয় না।

গত ৪০ বছরে মামুন কেবল ক্যামেরাভ্রমণই করেননি; বরং মানুষের মুখের সন্ধানে বিশ্বভ্রমণও করেছেন। বিখ্যাত মুখের সন্ধানে যেমন বিশ্বের অনেক দেশে গেছেন, তেমনি বিশ্বের যেখানেই পেয়েছেন বিশিষ্ট মুখ, তাকে ক্যামেরায় চিরকালের জন্য এঁকে নিয়েছেন। আর এই তালিকায় নেই কারা? কবি-শিল্পী-লেখক-চিন্তাবিদ-দার্শনিক-সংগীতজ্ঞ-চলচ্চিত্রকার-নাট্যকার-বিপ্লবী-মুক্তিযোদ্ধা-রাজনীতিক-রাষ্ট্রনায়ক-গায়ক-নায়ক-নোবেলজয়ী এবং বিশ্বসংসারে প্রতিষ্ঠিত দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রায় সাড়ে চার হাজার মুখ। আমরা বোধহয় এমনটা বলতেই পারি যে, তাঁর ক্যামেরা হাতে নেওয়ার পর থেকে এমন কোনো খ্যাতিমান মুখ নেই, যাকে তিনি পেয়েছেন, অথচ ছবি তোলেননি। এ তালিকায় তরুণরাও সসম্মানে জায়গা করে নিয়েছেন।

কিন্তু কেবলই কি ছবি তোলা? সে তো শখের আলোকচিত্রি বা সংগ্রাহকের কাজ। কিন্তু নাসির আলী মামুন তো শিল্পী, আলোকচিত্রশিল্পী। তাই তাঁকে ক্যামেরার অন্ধকার ক্যানভাসে আলোর মুদ্রণ করতে হয় নিজের শিল্পভাষায়। এই রংয়ের দুনিয়ায় তাঁর সেই ভাষাটি প্রধানত শাদা আর কালোর। রং যে তিনি ব্যবহার করেননি বা করছেন না তা নয়, কিন্তু শাদাকালোই তাঁর মৌলভাষা। কিন্তু শাদাকালোয় তাঁর মৌলিকত্ব ও বৈচিত্র্যের জায়গাটি কোথায়? তাঁর প্রিয় মুখের রেখায়। তিনি যে মুখ ছবি তোলার জন্য নির্বাচন করছেন, সেখানে তাঁর প্রধান অবলম্বন সেই সব মুখের নিবিড় রেখা, ভঙ্গি আর চরিত্রস্বভাব, যা ওই ব্যক্তিত্বকে তাঁর স্বরূপে ফুটিয়ে তোলে। খুব মোটা দাগেই উল্লেখ করা যায় তাঁর বেড়ালকোলে এস এম সুলতান কিংবা পাইপহাতে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ছবি, যেগুলোতে আমাদের এই সত্য সৃষ্টি হয় যে, আমরা ব্যক্তিটিকে সবচে নিবিড়ভাবে পেয়েছি। আরও স্পষ্টভাবে বললে, এমন অজস্র মুখ রয়েছে, যাদের সঙ্গে আমাদের প্রত্যক্ষনিবিড় দেখাসাক্ষাৎ নেই, তাদের চিরকালের মুখমূর্তিটি নাসির আলী মামুনই আমাদের মগজে গেঁথে দিয়েছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেইসব মানুষ আর তার মুখের ইমেজ একাকার হয়ে গেছে।

এর নেপথ্যে কি কেবলই ক্যামেরার কারসাজি? বরং মামুনের নিজস্ব নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও দেখার চোখ এবং তাকে প্রকৃষ্ট সময়ে ক্যামেরায় গেঁথে ফেলার মধ্যেই আছে তাঁর শিল্পসূত্র। এখানেই কেবল আলোকচিত্রের মাত্রা ছাড়িয়ে তা হয়ে ওঠে শিল্পসৃজন। মনে হয়, যেসব প্রকাশিত ছবি এই মুহূর্তে মনে পড়ছে, তাঁর তোলা বেশির ভাগ ছবিই আবক্ষের (বুক পর্যন্ত) চেয়েও বরং আমুখ (গলা পর্যন্ত)। কারণ, তাঁর প্রধান লক্ষ্য মুখ, পুরো শরীর কেবল জরুরি হলেই তিনি গ্রহণ করেন। অধিকাংশ ছবির সঙ্গেই তেমন কোনো প্রেক্ষাপটবা উপকরণ নেই, যদি না ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজনবোধ না করেন। তবে ব্যতিক্রমও আছে অনেক, যখন তিনি কাউকে ঘিরে পূর্ণাঙ্গ-অ্যালবাম ধরনের কাজ করেছেন, যেমন : শিল্পী এস এম সুলতান, কবি শামসুর রাহমান, লেখক-চিন্তক আহমদ ছফা, নোবেলজয়ী জার্মান লেখক গুন্টার গ্রাস, কবি অ্যালেন গিনসবার্গ। তাঁদের ব্যক্তিগত ও শৈল্পিক জীবনের নানা মুহূর্তকে ঘিরে একেকটি বিশাল-বিপুল চিত্রকোষ রচনা করেছেন মামুন, যা আমাদের ইতিহাসের এক জরুরি ডকুমেন্টেশন। কয়েকটি অ্যালবাম ও ক্যাটালগে এর সরব স্বাক্ষর রয়েছে।

এভাবে একই সঙ্গে সংযম ও সংহতি, আলো ও আঁধার, দেখা ও বোঝার মধ্য দিয়ে তাঁর ক্যামেরা তৈরি করে চলে এমন এক মুখবিশ্ব, যা একই সঙ্গে একের রচিত অনেক, অনেকের রচিত এক ছবি-পৃথিবী।

কেবল আলোকচিত্রশিল্পী হিসেবেই নাসির আলী মামুন একজন বৈশ্বিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হলেও তাঁর জীবন ও কাজের ক্যানভাস সুবৃহৎ। খ্যাতিমানদের মুখ ধরে রাখতে গিয়ে তিনি নিজেও পৌঁছেছেন খ্যাতির চূড়ায়। তবে তিনি ততটা খ্যাতিবিলাসী নন, যতটা একজন শ্রমশীল কর্মী। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের খ্যাতিমানরা, তা তাঁরা যেখান থেকেই উঠে আসুন না কেন, ধীরে ধীরে শেকড়চ্যুত এক গজদন্তমিনারবাসী হয়ে উঠেন। কিন্তু মামুন তাঁর তাবৎ খ্যাতির মহিমা নিয়েও ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন মাটিবর্তী। তাই তাঁকে দেখি এমন সব মানুষকে নিয়ে কাজ করতে যারা আমাদের ‘ভদ্রপল্লি’র বাসিন্দা তো ননই, বরং ঘরহীন-নিরন্ন এবং জীবনযুদ্ধে পর্যদুস্ত। তিনি ক্যামেরা ও টেপরেকর্ডার নিয়ে মাঠে-ঘাটে-বস্তিতে ছুটলেন, তাঁদের মুখ তুলে আনলেন মূলধারার সংবাদপত্রে, ‘ঘর নাই’ শিরোনামে তাদের ছবি ও নিজেদের মুখের ভাষাকে তুলে ধরলেন ভদ্রলোকদের মিডিয়ায়, যা পরে বই আকারেও প্রকাশিত হয়।

মামুন আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, খ্যাতিবানের সামাজিক দায়িত্ব আর খ্যাতিকে কীভাবে প্রান্তজনের কল্যাণেও কাজে লাগানো যায়। অন্যদিকে এটি ব্যক্তি-মামুনের মানবিকতারও এক বিশেষ প্রকাশ, যিনি চিরবিনয়ী ও সজ্জন একজন মানুষ।

এর বাইরে মামুন একজন অনুভূতিশীল সুলেখক, যার চিহ্ন ছড়িয়ে আছে তাঁর বিভিন্ন বই ও অ্যালবামে। ষাট বছরের জীবনের এই সব বরেণ্য-বিখ্যাত-অখ্যাতের নির্বাক মুখবিশ্বই রচনা করেননি তিনি, বরং তাঁদের সঙ্গে তাঁর গড়ে উঠেছে এক নিবিড় সম্পর্ক, যার চিহ্ন তিনি ধরে রেখেছেন কাগজে, রেকর্ডারে। এগুলোর বেশ কিছু আর পত্রপত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের মৌখিক ইতিহাসকেও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

আমরা যদি তাঁর কর্ম ও কীর্তিকে সযতেœ ধরে রাখতে পারি, তাহলে তা হবে আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ তিনি চার দশক ধরে ধীরে ধীরে সঞ্চয় করেছেন তাঁর আনন্দ ও বেদনায়, শ্রমে ও ঘামে।

নাসির আলী মামুন ৬০ বছরে পা দিয়েছেন এবারের ১ জুলাই। এত অসাধ্য যিনি সাধন করলেন, তাঁর কাছে আমাদের পাওয়া এখনো অনেক বাকি। তাই তাঁর সক্ষম ও সক্রিয় শতায়ু জীবনের প্রার্থনা, প্রকৃতির কাছে আমাদের সামান্যই দাবি।

Flag Counter


5 Responses

  1. arif nazrul says:

    lekhati khub e valo legese. lekhok k dhannobad

  2. Manik Mohammad Razzak says:

    প্রিয় ণেখক, কবি সৈকত হাবিবের ‌’মামুন ও তাঁর মুখের পৃথিবী’ পড়ে মুগ্ধ গোলাম। এ ধরনের একটি সারগর্ভ লেখনির জন্য লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ। সে সাথে মামুন ভাইয়ের প্রতি রইলো জন্ম দিনের শুভেচ্ছা।
    মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

  3. কৃষিবিদ হারুন রশীদ রুবেল says:

    সৈকত ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ একজন নিবেদিত আলোকচিত্রীকে সম্মানিত করার জন্য। শুভ কামনা রইল নাসির আলী মামুন স্যারের জন্য।

  4. বন্ধুবর সৈকত হাবিব লিখেন যেমন বলেনও তেমন।লিখার শিরোনামটি অসাধারণ।একজন আলোকচিত্রের জীবনকথা তুলে আনার জন্য তাকে ধন্যবাদ। শুধু কথা নয় সৈকত হাবিব কলম চালাবেন এমনটাই প্রত্যাশা করি।

  5. saikat habib says:

    আমার লেখাটিতে মূল্যবান মতামত জ্ঞাপন এবং বরেণ্য আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুনকে শুভেচ্ছা জানাবার জন্য জনাব আরিফ নজরুল, কবি মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, কৃষিবিদ হারুন রশীদ রুবেল এবং বন্ধু ও সুলেখক সালেক খোকনকে সবিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.