আশরাফ স্যার, আমরা অপেক্ষায় আছি

দ্রাবিড়া আঞ্জুমান হুদা | ১৯ জুন ২০১৩ ২:০৭ অপরাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পরপরই আমার বাবা আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন খোন্দকার আশরাফ হোসেন স্যারের সঙ্গে। কলাভবনে টিচার্স লাউঞ্জে বসে থাকা বাবরি চুলের দীর্ঘকায় মানুষটির আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গির কথা ততদিনে আমি বহুবার শুনে ফেলেছি একই বিভাগ থেকে পাশ করে যাওয়া আমার বড় আপুদের কাছ থেকে। সেদিন স্যারের সামনে বসে মুগ্ধ হয়ে স্যারের কথা শুনেছিলাম আর ভেবেছিলাম, কবে তার ক্লাস পাব! পেলাম ২য় বর্ষে উঠে। সেমিস্টারের যাঁতাকল সত্ত্বেও romantic poetry কোর্সটি স্যার পড়ালেন চমৎকার! ক্লাসে মনে হয় এমন কেউ ছিল না যে স্যারের লেকচার মুগ্ধ হয়ে শোনেনি। তবে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী যখন স্যারের কাছে কিটস পড়ে মুগ্ধ হয়েছিল, আমার কেন জানি না, স্যারের পড়ানো কবিতাগুলোর মধ্যে Coleridge-এর “The Rime of the Ancient Mariner”-ই বেশি ভালো লাগত। পড়াবার সময় স্যারের কথাগুলো জাদুকরের মতো শোনাত! স্যারের ভরাট কণ্ঠে শোনা কবিতাটির কয়েকটি পঙক্তি “Water, water, everywhere, And all the boards did shrink;/Water, water, everywhere, Nor any drop to drink.” এখনও যেন কানে বাজে। কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক পড়াশোনায় যে স্যার বিশ্বাসী ছিলেন না, তার প্রমাণ আমরা বারবার পেয়েছি।

স্যার ইংরেজি সাহিত্যের যা-ই পড়াতেন, তার সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের কোনো না কোনো সামঞ্জস্য দেখিয়ে আমাদের পড়বার ও জানবার আগ্রহ বহুগুণ বাড়িয়ে দিতেন। ঠিক এ রকম সময়ে যখন স্যারের ক্লাস পেয়ে আমরা নতুনরা মুগ্ধ, তখনই স্যারের আগ্রহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তাঁর অসংখ্য অনুগামী ছাত্রছাত্রীর চেষ্টায় স্যারেরই দেওয়া “আকাশে মেলি ডানা, মাটিতে শেকড়” মূলমন্ত্র সঙ্গে নিয়ে গোড়াপত্তন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের সংস্কৃতি সংসদ ‘কৃষ্ণচূড়া’র। কিছুদিনের মধ্যেই সংগঠনটির প্রথম অনুষ্ঠান হল। সে অনুষ্ঠান নিয়ে স্যারের আগ্রহ আমাদের সম্মিলিত আগ্রহকে যেন ছাপিয়ে গিয়েছিল! আস্তে আস্তে সেই ছোট্ট সংগঠন ডালপালা ছড়াল, একটু একটু করে এগিয়ে যেতে লাগল, স্যার সবসময় সংগঠনটির সঙ্গে ছিলেন ছায়া হয়ে। প্রতিটি অনুষ্ঠানেরই অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্যারের কণ্ঠে আবৃত্তি।

শুধু বিশেষ উপলক্ষেই নয়, বিভাগের করিডরে আশরাফ স্যারের নিত্যদিনের উপস্থিতিও যেন একটা অন্যরকম কিছু ছিল! প্রায় ছয়ফুট লম্বা প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটি করিডোর দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে যখন সহাস্যে প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতেন তখন তাঁকে খুব আপন মনে হত। যে কোনো উপলক্ষে স্যারের উৎসাহ আমাদের উৎসাহে নতুন প্রাণ পেত। অনেক সমস্যাতে স্যার সাহায্য করতেন অকুণ্ঠচিত্তে। মনে আছে, একটি অনুষ্ঠানের জন্য আমরা যখন রিহার্সেল করার জায়গা খুঁজছিলাম, স্যার আমাদের তার বাংলোতে জায়গা করে দিলেন, টানা দুদিন সেখানে আমরা রিহার্সেল করলাম। ছোটখাটো ব্যাপারেও স্যার আমাদের মতামতকে গুরুত্ব দিতেন। সেবার রিহার্সেল করার সময় স্যারের বাসার একটি হারমোনিয়াম দিয়ে বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন যে সেটি ঠিক আছে কি না! সবসময় আমাদের মনে একটা বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে যে কোনো সমস্যা নিয়ে স্যারের কাছে গেলে স্যার কোনো না কোনোভাবে হাত বাড়িয়ে দেবেন।
asraf-by-masud-anondo.jpg
আশরাফ স্যারের প্রতি আমাদের আরেকটি অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করত। যখন আমরা অনুভব করতাম বাংলা ভাষার একজন অসামান্য প্রতিভাবান কবি আমাদের শিক্ষক। স্যারের কণ্ঠে তাঁরই রচিত অসাধারণ কিছু কবিতার আবৃত্তি শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছে, কখনও ক্লাসে, কখনও কোনো অনুষ্ঠানে, প্রায়ই ইচ্ছে হত স্যারের কণ্ঠেই স্যারের কবিতা শোনার। তৃতীয় বর্ষের মাঝামাঝিতে এসে যখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, কবে চতুর্থ বর্ষে উঠে স্যারের ক্লাস পাব; ঠিক সে সময় স্যারের ত্রিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার খবর পেলাম। কেন জানি না স্বার্থপরের মতো মনে হয়েছিল, এটা হতে পারে না; স্যার আমাদের ক্লাস নেবেন না, ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে নিজের কোনো কবিতা আবৃত্তি করে নিজেই হেসে ‘আত্মবিজ্ঞাপন করছি, কিছু মনে করো না’ বলে ক্লাসগুলোকে হাসির ফোয়ারায় প্রাণবন্ত করে তুলবেন না, হাসিমুখে আমাদের যে কোনো উদ্যোগে উৎসাহ দেবেন না, তা তো হতে পারে না। স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে তিনি মাঝেমধ্যে আমাদের কাছে আসবেন। স্যার কি সেই কথা ভুলে গিয়েছিলেন? ত্রিশাল যাওয়ার কথা ছিল তাঁর, কোথায় গেলেন তিনি! না, হাসিখুশি প্রাণবন্ত সজ্জন মানুষটি হঠাৎ এভাবে চলে যেতে পারেন না।

স্যারকে নিয়ে লেখা একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে স্যার আমার আব্বুকে হাসতে হাসতে বলেছিলেন যে আমি তারও মেয়ে, সেই আশরাফ স্যার বাবা দিবসে এভাবে চলে গেলেন না ফেরার দেশে! কিছুতেই বিশ্বাস হতে চায় না। স্যারের আকস্মিক মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিভাগের দেয়ালে টাঙানো কালো ব্যানারটি দেখলে হঠাৎ কেমন থমকে যেতে হয়, স্যারের রুমের বন্ধ দরজার সামনে রাখা পুষ্পস্তবকটি বড্ড বেমানান লাগে। এই তো সেদিনও যিনি খুব করে ছিলেন, আজ একটুও নেই! মৃত্যুর পর তাঁর নিষ্প্রাণ শরীর, কীভাবে সে দৃশ্য চোখ মেলে দেখি! স্যার শয্যাশায়ী– এই দৃশটিও যে ভাবা যায় না! আশরাফ স্যার বললেই সদাপ্রফুল্ল মানুষটির চেহারাই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। শুনছি স্যারের চিকিৎসা সুষ্ঠুভাবে হয়নি। যারা দায়ী তারা আসলে কিছু হারায়নি, যতটা আমরা হারিয়েছি। আমরা আর ফিরে পাব না একজন অসামান্য শিক্ষককে, একজন অসাধারণ আশরাফ স্যারকে।

ঠিক এই মুহূর্তে এক বছর আগেকার সেদিনের কথা মনে পড়ছে, যেদিন স্যারের বাসায় আমরা কয়েকজন একটি অনুষ্ঠানের জন্য রিহার্সেল করছিলাম। বাইরে তুমুল বৃষ্টি, আমরা স্যারের ড্রয়িংরুমে বসে গাইছি ‘আজি ঝরঝর মুখর বাদর দিনে’, স্যার বাইরে বারান্দায় তার ইজিচেয়ারে বসে বৃষ্টি দেখছেন। হঠাৎ একবার কিছুক্ষণের জন্য তাকিয়ে রইলেন দেয়ালে ঝোলানো তাঁর সদ্য পরলোকগতা স্ত্রীর ছবির দিকে। কেমন যেন মায়া লেগেছিল স্যারের জন্য সেদিন, মনে হয়েছিল মানুষটা খুব একা। জানি না কোথায় চলে গেলেন আমাদের সবার ভীষণ প্রিয় স্যার। যিনি এত প্রবলভাবে ছিলেন, তিনি কখনও পুরোপুরি চলে যেতে পারেন না। আমরা স্যারের অভাব ভীষণভাবে বোধ করব। যারা স্যারের সঙ্গে কিটস-শেলি-কোলরিজ পড়তে পারবে না, তারা যেমন অনেককিছু থেকে বঞ্চিত হবে, তেমনি আমরা যারা কিছুটা হলেও স্যারের সান্নিধ্যে আসতে পেরেছিলাম, তারা তাঁর না থাকাটাকে মানতে পারব না; বরং স্যারের ফেরার পথ খুঁজে বেড়াব তীব্র প্রতীক্ষায়। আমরা জানি, স্যার কখনও আমাদের ছেড়ে থাকতে পারবেন না। আমাদের স্যারের নেওয়া প্রতিটি ক্লাসের স্মৃতিতে, ‘কৃষ্ণচূড়া’র প্রতিটি উদ্যোগে, ইংরেজি বিভাগের প্রতিটি পরতে পরতে এই অসামান্য প্রতিভাবান উজ্জ্বল মানুষটি বেঁচে থাকবেন চিরকাল। স্যার বলে গেছেন “আবার আসতে পেলে আটঘাট বেঁধে আসব।”

স্যার, আপনি অবশ্যই আসবেন। আপনার কথামতো আমরা প্রার্থনায় নম্র হয়ে আপনাকে খুঁজব, আপনিই তো বলেছেন, তাহলে আপনাকে পাওয়া যাবে। তবে কেন নয়? আপনার কবিতাই বলে দেয়, আপনি যেভাবে ছিলেন, সেভাবেই আছেন, আজীবন থাকবেন। স্যার, আমরা অপেক্ষায় আছি।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (12) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দুঃখ বিলাস — জুন ১৯, ২০১৩ @ ৪:২৬ অপরাহ্ন

      অসাধারণ, খুব ভাল লেগেছে লেখাটা পড়ে, হৃদয় ছুঁয়ে যায় এমন একটা লেখা, যদিও যেই মানুষটি সম্পর্কে লেখা তাকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিনি না, তার সম্পর্কে আমার কোন ধারনাই নাই, তারপরও একজন সাধারন পাঠক হিসেবে এটুকু বলতে পারি, লেখিকা তাঁর নিজের আবেগ, মেধা ও শ্রম মিশিয়ে একটা চমৎকার লেখা আমাদের উপহার দিয়েছেন, আমি তাকে এই লেখার জন্য সাধুবাদ জানাই, সেইসাথে এমন আরও অনেক লেখা তাঁর কাছ থেকে চাই, অপেক্ষায় রইলাম…

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আহমাদ মাযহার — জুন ১৯, ২০১৩ @ ১১:৫৫ অপরাহ্ন

      ছোট্ট এই লেখাটিতে একজন কবি ও শিক্ষককে অন্তরঙ্গভাবে পাওয়া গেল! শিক্ষকের প্রতি ছাত্রের মুগ্ধতা ছাড়িয়ে রচনাটি পাঠকের সহৃদয়হৃদয়সংবেদ্য হয়ে উঠেছে! রচনাটিতে অনুপ্রাণিতের যে উচ্ছ্বাস ফুটে উঠতে দেখছি তা যেন এর অলংকার হয়ে উঠেছে। দ্রাবিড়া যে ভালো গদ্য লিখতে পারবে তার চিহ্ন এই রচনাটি থেকেই পাওয়া যাচ্ছে!
      ওকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফয়েজ সাগর — জুন ২০, ২০১৩ @ ১:০৪ পূর্বাহ্ন

      দিশা তোমার লিখা পড়ে মনে হচ্ছে স্যার আমাদের পরিবারের কেউ। তোমার লিখার হাত খুব ভাল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইকরাম — জুন ২০, ২০১৩ @ ১:০৯ পূর্বাহ্ন

      স্যার এর সাথে পরিচয় সেই বহু বছর আগে, আইবি এ তে ছাত্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর। পড়াতেন ইংরেজি ভাষা, দুই কি তিন মাসের স্বল্প সময়ের কোর্স। ইংরেজি ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব আরো কিছু প্রাসংগিক ব্যাপার যাতে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে ভাষার সাবলীলতা থাকে। ঐ পর্যন্তই। আর কখনোই সরাসরি যোগাযোগ ছিলনা। অদ্ভুত রকমের মিতাচারী এবং ভদ্রলোক হিসেবে পেয়েছিলাম স্যারকে। দেশে বিদেশে চলার সময় তার শিক্ষা আর গুণ দুটোকেই ব্যাবহার করার চেষ্টা করেছি। জীবন ধর্মের নিয়মে হয়তো কখনো তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতাম না… কিন্তু আজ তার অনুপস্থিতিতে একটা অনুশোচনাবোধ হচ্ছে।
      না ফেরার জগতে পরম করুনাময় তাকে যোগ্য মর্যাদা দিন এই কামনান্তে …।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাশেদ — জুন ২০, ২০১৩ @ ১০:০২ পূর্বাহ্ন

      দ্রাবিড়া,
      তুমি সত্যিই ভালো মানুষ বলে আমার মনে হচ্ছে। শিক্ষকের প্রতি এত শ্রদ্ধা এত ভালবাসা এখন আর দেখা যায় না। আমরা এমন একটি দেশে আছি শিক্ষকদের এখানে এখন লাঞ্চিত করা হয়। শ্রেনী কক্ষে পড়ার জন্য এখন আর কাউকে শাস্তি দেয়া যায় না। তুমি সত্যিই একদিন অনেক বড় হবে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুধা — জুন ২০, ২০১৩ @ ১:৫৯ অপরাহ্ন

      তোমার লিখা পড়ে কেমন যেন নিজের ছেলে বেলায় চলে গেলাম ! ভালো লিখেছ ! লেখালেখিটা চালিয়ে যেও !

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mohammed Saifuddin — জুন ২০, ২০১৩ @ ৩:৫৬ অপরাহ্ন

      Excellent, your simple write-up has given a brilliant account of your illustrious teacher Khondakar Ashraf Hossain who is also widely acclaimed for his creative works including poetry, essays and translations. At the same time I also remember and pay respect to my favourite English teacher Ranjit Sir (at Chittagong college) whose whereabouts are no more known to me. Please go on writing on similar issues.
      Saifuddin
      Dubai

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাহেদুল কবির — জুন ২০, ২০১৩ @ ৫:২০ অপরাহ্ন

      খুবই ভালো স্মৃতিচারণ…অসাধারণ একজন শিক্ষক হারালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দ্রাবিড়া আঞ্জুমান হুদা — জুন ২০, ২০১৩ @ ৯:৩৩ অপরাহ্ন

      সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবার আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াসকে গ্রহণ করে আমাকে উৎসাহ দেবার জন্য। ভালো থাকবেন। দোয়া করবেন আমি যেন সত্যি একজন ভালো মানুষ এবং আমার প্রিয় স্যারের একজন যোগ্য ছাত্রী হয়ে উঠতে পারি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Quamrul Islam — জুন ২০, ২০১৩ @ ১০:১০ অপরাহ্ন

      A very touchy and genuine tribute from a student to a teacher hardly seen now-a-days. Makes me nostalgic about few of my teachers in St. Joseph’s High School and Govt. B. L. College of Khulna of `60s n `70s. Where will we get these rare breed of guides, philosophers and nation-builders? I don’t know if and how many so-called today’s Coaching Center Teachers read this piece and also if they are bothered or ashamed at all for what they are doing day in day out. May Almighty grant Prof Ashraf jannat. Thanks n all the best to Anjuman Huda.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহি্র দায়ান — জুন ২২, ২০১৩ @ ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

      লেখাটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো । ধন্যবাদ দ্রাবিড়াকে ।

      বিশেষ একটা জায়গার সাথে প্রবলভাবে একমত । আশারাফ স্যার খুব নিঃসঙ্গ একজন মানুষ ছিলেন । সম্ভবত পত্নীপ্রয়াণের অনেক আগ থেকেই। পত্নীপ্রয়ানের ঘটনাটা সেটায় একটা তীব্রতা যোগ করেছিলো ।

      ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকে যতবার ঈষৎ আনত স্যারকে তার রুম থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছি, বা রুমে ঢুকতে দেখেছি , এই নিঃসঙ্গতার ব্যাপারটাই আমার চোখে অনেক অনেক বেশি ধরা পড়েছে। ঠিক কেনো তা জানি না। আসলে প্রতিটা মানুষই নিঃসঙ্গ । তবে চিন্তকেরা তার নিঃসঙ্গতা বুঝতে পারে। বাকিরা পারে না।

      দ্রাবিড়া স্যারকে অনেক কাছ থেকে দেখেছেন । আশা করি তিনি বলতে পারবেন ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com