গদ্য, প্রবন্ধ, ব্যক্তিত্ব

কেন হুমায়ূন আহমেদ

biswajit_ghosh | 30 Jul , 2012  

জনপ্রিয় একজন লেখকের প্রয়াণে গোটা জাতি যে আবেগসিক্ত হবে, নিমজ্জিত হবে শোকসাগরে- এটা খুবই স্বাভাবিক। নন্দিত লেখক এবং চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু আমাদের সেকথা আরেক বার স্মরণ করিয়ে দিল। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর কীভাবে ভেঙে পড়েছিল কলকাতা শহর তা আমরা দেখিনি। তবে বুদ্ধদেব বসুর ‘তিথিডোর’ উপন্যাসে তার এক নিপুণ ছবি পাওয়া যায়। হুমায়ূনের শবযাত্রা দেখে, শহীদ মিনারে লক্ষ জনতার শোক-বিহ্বলতা দেখে আমার বারবার মনে পড়েছিল বুদ্ধদেবের সেই বর্ণনা। এত মানুষ, এত অশ্রু, এত ভালোবাসা- আমি কখনো দেখিনি। হুমায়ূন আহমেদ তা আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন।

কেন হুমায়ূন আহমেদ? কী কারণে মানুষের বাঁধ-ভাঙা এই উচ্ছ্বাস, কী কারণে এত শোক অশ্রু ভালোবাসা? একজন লেখকের জন্য এত ভালোবাসার বন্যা তো আগে আমরা কখনো দেখিনি। হুমায়ূন তা দেখাতে পারলেন কোন গুণে? কোন কারণে তার উপন্যাস কিনতে, ছবি দেখতে, নাটক উপভোগ করতে ক্রেতা ও দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়তো? আর কেনই-বা তাকে বলা হতো যাদুকর? এত অশ্রু এত মাতমের মুখেও এসব প্রশ্ন আমাকে ভাবিয়ে তোলে।

হুমায়ূনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব, তিনি এদেশের মানুষকে এদেশের তরুণ-তরুণীকে গ্রন্থমুখী করতে পালন করেছেন ঐতিহাসিক ভূমিকা। যারা পাঠ করতেন দস্যু বনহুর কিংবা মোহন সিরিজের বই, রোমেনা আফাজ ছাড়া যাদের গত্যন্তর ছিল না, তারা হঠাৎ হাতে পেল নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, জোছনা ও জননীর গল্প– তাদের কাছে এসে দাঁড়ালো হিমু শুভ্র মিসির আলীরা- আর মুহূর্তেই সবার মন জয় করে নিল হুমায়ূন। তরুণ সমাজকে হুমায়ূন অলৌকিক শক্তি দিয়ে টেনে নিলেন তার গ্রন্থভুবনে- যারা ডাংগুলি খেলত আর আড্ডা দিত গলির মোড়ে- তারা হুমায়ূনের বই পেয়ে অভ্যস্ত হলো পাঠে। বোঝা যায়, একজন লেখকের শক্তির খেলাটা কোথায়?

অন্য একটা দিক থেকেও বিষয়টাকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা যায়। হুমায়ূন তার লেখনীর মাধ্যমে একটা জাতীয় রুচি তৈরি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন জাতীয়- সম্পদ। কীভাবে? যদি না থাকতো তার উপন্যাস, তাহলে উৎসাহী পাঠক অন্যের লেখা উপন্যাসের দিকে হাত বাড়াতেন। বিদেশি উপন্যাস বিক্রি হতো- লাগতো আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা সেসব বই আমদানির জন্য। অতএব, এভাবে হুমায়ূন যে অলক্ষ্যে কী কাজটা করে গেছেন, একবার ভেবে দেখা যায় তো। তার বই মুদ্রন-বাঁধাই সে-ও তো এক অর্থনৈতিক কাজ। কত মানুষ জড়িত ছিলেন এই কাজে। কেবল হুমায়ূনের বই মুদ্রন বাঁধাই বিপণন করেই অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি টিকে ছিলেন এই বাংলাদেশে। আজকের এই পণ্যপূজাশাসিত পৃথিবীতে, পণ্যায়নের চোখ দিয়ে বিবেচনা করলে লেখক হুমায়ূন আহমেদের রচনা- সম্ভারের দিকে চোখ বুলালে এভাবে তো একটা মাত্রার কথা বলা যায়।
humayun-p.jpeg
হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্মের একটা বড় জায়গা মুক্তিযুদ্ধ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে তিনি নানাভাবে নানামাত্রায় তার উপন্যাস-নাটক-চলচ্চিত্রে উপস্থাপন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন তার পিতা। ওই অভিজ্ঞতাই ওই স্মৃতিই ধারণা করি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে শিল্পকর্মে তাকে নিয়ত তাড়া দিতো।

উপন্যাসে, ছোটগল্পে, নাটকে, চলচ্চিত্রে তিনি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একটি অখণ্ড ইতিহাস আমাদের সামনে দাঁড় করিয়েছেন। তার এসব শিল্পকর্ম দেখে ও পাঠ করে এদেশের তরুণ সমাজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পেরেছে, জানতে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার কথা। সে হিসেবে, কালান্তরে হুমায়ূনের এসব শিল্পকর্ম কেবল শিল্পই থাকবে না, হয়ে উঠবে ইতিহাসের অপরিহার্য উপাদান।

হুমায়ূন আহমেদ খুব সরল ভাষায় উপন্যাস রচনা করতেন। মানুষের হৃদয়ে পৌঁছবার অভূতপূর্ব এক শক্তি ছিল তার। বোধ করি শরৎচন্দ্রও এখানে হার মানবেন তার কাছে। হাস্য-কৌতুক রঙ্গ-ব্যঙ্গের মাধ্যমে পাঠক ও দর্শকের হৃদয়ে অবলীলায় ঢুকে যেতেন হুমায়ুন আহমেদ। তার নাটক দেখতে বুঁদ হয়ে বসে যেত গোটা জাতি, তার চলচ্চিত্র দেখতে গোটা পরিবার ঢুকতো সিনেমা হলে। মধ্যস্তরের মানুষের মনস্তত্ত্বকে হুমায়ুন আহমেদ তার করতলে নিয়ে খেলতে জানতেন, খেলাতে পারতেন। তার কৌতুক নির্মল, তার হাস্যরস অমল মধুর। এই নির্মল অমল- মধুর হাস্যরসজ্ঞানই, আমার বিবেচনায়, তার সৃষ্টিকে এতটা জনপ্রিয় করেছে। পাঠকচিত্তে তিনি সঞ্চার করেন মঙ্গলচেতনা, তাদের করে তোলেন মানবতামুখী। পাঠকের সামনে মঙ্গলের বার্তাবহ কল্যাণের প্রতীক হয়ে হাজির হয় হুমায়ূনের হিমু শুভ্র মিসির আলীরা। তার পাঠকেরাই হয়ে ওঠে একজন হিমু, একজন শুভ্র, কিংবা অনেক জন মিসির আলী। সৃষ্টিকর্মে কল্যাণ মঙ্গল আর মানবতার কথা বলেন বলে হুমায়ূনের রচনা, তার নির্মাণ পাঠক-দর্শকের কাছে লাভ করে এত সহানুভূতি, এত ভালোবাসা!

আখ্যান বর্ণনায় হুমায়ূন তৈরি করে নিয়েছিলেন নিজস্ব একটা ঢং, বৃত্তান্ত বয়ানে তিনি আবিষ্কার করে নিয়েছিলেন স্বতন্ত্র একটা কৌশল। ঢং আর কৌশলটা এতটাই সম্মোহনী ছিল যে, দুই শতাধিক উপন্যাস লিখেও সেখান থেকে তিনি বের হতে পারেননি, কিংবা বের হতে চাননি। একবার, মাত্র একবার, প্রবল পরাক্রম নিয়ে স্বরচিত ওই ঢং আর কৌশল ভেঙে বেরিয়ে গিয়েছিলেন স্রষ্টা হুমায়ুন আহমেদ জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসে। আবেগের এই মুহূর্তে বেদনার এই সন্ধিলগ্নে দাঁড়িয়েও আমি বলবো, জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসের জন্যই, অন্য কিছুর জন্য নয়, হুমায়ূন আহমেদ টিকে যাবেন বাংলাভাষী পাঠকের কাছে। এ উপন্যাসে হুমায়ূন ইতিহাসকে দান করেছেন উপন্যাস- অবয়ব। জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসে হুমায়ূন ইতিহাস ও কল্পনার আনুপাতিক সম্পর্ক রক্ষা করে শিল্প সৃজনে ঈর্ষণীয় সিদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন। ইতিহাসের সত্যের সঙ্গে কল্পনার সত্যের জৈব ঐক্য মিলনই আলোচ্য উপন্যাসের শৈল্পিক সার্থকতার প্রধান শক্তি-উৎস। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত মহাকাব্যিক এই উপন্যাসটিই হুমায়ূন আহমেদকে অনাগতকাল ধরে পাঠকের কাছে বাঁচিয়ে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

হুমায়ূন আহমেদ নিবেদিত প্রাণ লেখক। লেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার চাকরিও তিনি অবলীলায় ছেড়ে দিয়েছেন, সৎ থাকতে চেয়েছেন নিজের কাছে সমাজের কাছে। মাঙ্গলিকচেতনা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা হুমায়ূনের সৃষ্টিকর্মের বিশিষ্ট লক্ষণ। এমন সৎ ও দায়বদ্ধ লেখকের মৃত্যু সব সময়ই অকাল মৃত্যু। গোটা একটি প্রজন্ম তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ, গোটা জাতি মাতমবিহ্বল, একজন লেখকের এ প্রাপ্তি সচরাচর চোখে পড়ে না। পাঠকের হৃদয়েই যে বেঁচে থাকেন জেগে থাকেন লেখক, হুমায়ূনের মৃত্যু সে- কথাই আমাদের পুনর্বার জানান দিয়ে গেল।

free counters


18 Responses

  1. saiful islam says:

    স্যার, আপনার লেখাটা দারুন লাগল।আসলেই হুমায়ুন স্যার একজন বহুমুখী প্রতিভার মানুষ ছিলেন।স্যার, গবেষণাধর্মী এরকম আরো লেখা চাই।

  2. জিয়া হাশান says:

    `যারা পাঠ করতেন দস্যু বনহুর কিংবা মোহন সিরিজের বই, তারা হঠাৎ হাতে পেল নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, জোছনা ও জননীর গল্প- তাদের কাছে এসে দাঁড়ালো হিমু শুভ্র মিসির আলীরা- আর মুহূর্তেই সবার মন জয় করে নিল হুমায়ূন।’ তাহলে হুমায়ূনের ভবিষ্যত পরিণতি রোমেনা আফাজ?

    লেখক‌‌ আবার লিখেছেন ‌‌‌‌‌‌‌‌”বাংলাদেশের ‌মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত মহাকাব্যিক এই উপন্যাসটিই হুমায়ূন আহমেদকে অনাগতকাল ধরে পাঠকের কাছে বাঁচিয়ে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।” তাহলে রোমেনা আফাজ কি অনাগত পাঠকের কাছে বেচে আছেন?

  3. Sheikh M Shoaib Nazir says:

    হুমায়ুন আহমেদ-কে নিয়ে একটি নির্মোহ লেখার জন্য ধন্যবাদ। ইদানিং বিভিন্র মন্তব্যমূলক এবং আবেগ নির্ভর লেখায় তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ের প্রাধান্য তাঁর সাহিত্য কর্মের ইতিবাচক দিকগুলোকে কুয়াশাচ্ছন্ন করে তুলছিল।

    তাঁর পরিবারের সকল সদস্য নিজেরা পরস্পরকে ছাড় দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান গড়ে তুললে তাতে হুমায়ুনকেই বড় করে রাখা হবে। তবে এক্ষেত্রে হুমায়ুন আহমেদ-এর রত্নগর্ভা ‘মা’-কে নির্ভার মনে সকল বিরোধপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্তকারী হিসেবে মেনে নেয়াই দেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে বেশী গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হবে।

    আমরা পাঠক ও ভক্তরা কোনো পক্ষভুক্ত না হলেই মনে হয় পরিবারটির প্রতি সহৃদয়তা দেখানো হবে।

    লেখককে ধন্যবাদ।

    শেখ মোহাম্মদ শোয়েব নাজির
    উপ-মহাব্যবস্থাপক
    টাকশাল, গাজীপুর।

  4. শাহ মো. আরিফুল আবেদ says:

    বিশ্বজিৎ ঘোষ স্যারের সাথে সহমত। বাংলাদেশের সাহিত্য নব গতি লাভ করেছিল হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে। বাঙালী পাঠক সমাজে তিনি সম্মোহন সৃষ্টি করেছিলেন। এই মহানায়ককে আমরা মনে রাখব চিরকাল।

  5. Md. Mustain Imtiaz says:

    হুমায়ুন আহমেদ এর বই যে কোন পাঠ্যসূচীতে অন্তভূক্ত করা হোক। এতে পরবর্তী প্রজন্ম তার সম্পর্কে জানতে পারবে।

  6. ফাহমিদ জায়িদ says:

    হুমায়ুনের সাহিত্য কর্ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের (বিশেষ করে বাংলা সাহিত্যের)একটা নাক সিটকানো ভাব আছে। কিছুদিনে আগে আমার এক সহকর্মী বন্ধু (তিনি নিজে একজন বাংলা সাহিত্যের শিক্ষক) বললেন “হুমায়ুনকে ১০ বছর পর কেউ মনে রাখবে না।” আমি বলেছি “সবাই মনে রাখবে, শুধু তোমাদের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মনে রাখবে না।” স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে তিনি সাহস করে এরকম একটি লিখা লিখেছেন। আমি স্যারের সাথে একমত। তবে আমি একটি কথা বলতে চাই। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অধ্যাপকরা লেখুক, তাতে আমার কোন সম্যসা নাই। কিন্তু পাঠকের মতামত/জরিপকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা তাদের নাই। তবে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে হুমায়ূনের জন্য আলাদা একটি অধ্যায় দরকার না কিছু পৃষ্ঠা দরকার, তা সময়ই বলে দিবে। তবে আমি পাঠকদের অনুরোধ করি যে হুমায়ূনের লিখা সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে যেন তারা হুমায়ূনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলিকে একবার ভালো করে পড়ে দেখবেন। স্যারকে আবার আন্তরিক ধন্যবাদ লিখাটির জন্য।

  7. আনসার হোসেন says:

    ” একবার, মাত্র একবার, প্রবল পরাক্রম নিয়ে স্বরচিত ওই ঢং আর কৌশল ভেঙে বেরিয়ে গিয়েছিলেন স্রষ্টা হুমায়ুন আহমেদ জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসে। আবেগের এই মুহূর্তে বেদনার এই সন্ধিলগ্নে দাঁড়িয়েও আমি বলবো, জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসের জন্যই, অন্য কিছুর জন্য নয়, হুমায়ূন আহমেদ টিকে যাবেন বাংলাভাষী পাঠকের কাছে। ” দারুন মুলায়ন…

  8. sushanta ghosh says:

    Thank you sir

  9. খুব সুন্দর লাগলো স্যার। অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম।

  10. তরিক আহমেদ says:

    শুধু জস্না ও জননী না, মধ্যাণ্হও তার অসাধারন সৃষ্টি।

  11. shuvashis says:

    excellent writing!!! also thanks to sheikh Md Shoeb Najir for his nice comment and proposal….

  12. nozmul says:

    হুমায়ূন আহমেদ, এক বিরল প্রতিভা।পৃথিবীর যে প্রান্তে যেখানেই যতদিন বাংলা ভাষা-ভাষী মানুষের অস্তিত্ব থাকবে সেখানেই তিনি স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল হয়ে বেঁচে থাকবেন। আমার অনুরোধ সবার নিকট, দয়া করে তার ব্যক্তি জীবন নিয়ে অনর্থক ঘাটাঘাটি না করে বেশী বেশী তার সাহিত্য কর্ম পড়ি এবং সে অনুযায়ী নিজের জীবন পরিশিলীত ও সমৃদ্ধ করি। তাতেই তার আত্মা শান্তি পাবে। সুন্দর গঠনমূলক আলোচনার জন্য বিশ্বজিৎ স্যারকে অনেক ধন্যবাদ। সবার উচিত হুমায়ুন স্যারকে নিয়ে কোন ধরনের আলোচনার পূর্বে অন্ততপক্ষে তার জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি পড়ে দেখা উচিত। ধন্যবাদ বিশ্বজিৎ স্যারকে।

  13. খুবই সুন্দর লেখা…

  14. aro beshi kichu asha korachelam. valo thakun.

  15. “এত মানুষ, এত অশ্রু, এত ভালোবাসা- আমি কখনো দেখিনি। হুমায়ূন আহমেদ তা আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন।”
    ঘোষ স্যারকে এই সুযোগ করে দেয়ার জন্য হুমায়ূন আহমেদকে তিনি ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গ্যাছেন মনে হচ্ছে। :(

  16. এ কথা সত্যি যে, হুমায়ূন আহমেদ অতি সাধারণ ভাষায় অনেক গভীর কথা বলার শক্তির অধিকারী ছিলেন। এ মুহূর্তে শুধু এটুকুই বলব যে, বিশ্বজিৎ স্যারের লেখাটি অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ মনে হল। তাকে অনেক ধন্যবাদ এ লেখার জন্য।

  17. fahim foisal says:

    sir, .ekhata darun hoyese, amon r o lekha asa korbo.

  18. ত্রিনয়ন says:

    হুমায়ুন স্যারকে নিয়ে বিশ্লেষনধর্মী লেখাটা অনেক ভালো লাগল…আমরাও চাই হুমায়ুন আহমেদ তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে চির অমরত্ব লাভ করুক বাঙ্গালীর হৃদয়ে…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.