কবিতা

রওশন আরা মুক্তার তিনটি কবিতা

rowsanara_mukta | 17 Apr , 2012  

চাঁদ-চকোরা
চাঁদের হেঁয়ালিতে চাঁদের রহস্যে পেয়েছি যে রতন, চাঁদ জানে
সাক্ষী হয়েছে সে দু’জোড়া কাঁপা কাঁপা চোখের মিলনের, চাঁদ জানে
এভাবে তুমি আমি আপন হতে পারি, আসতে পারি কাছে, চাঁদ জানে
আমার মত আজ নদিয়া ভেসে যায়, আজকে ভিজে যায় পুড়ে যায়
নদিয়া, চাঁদ জানে! চমকে ওঠে প্রাণ ঝলসে যায় এই তির তির
হৃদয় ঝিরি ঝিরি বাতাসে; তুমি জানো জ্যোৎস্না জানে— মাখে তারে কেউ
শরীরে, মাখে তারে— চাঁদের গায়ে— মাখে হৃদয়ে, মাখে যারে সেই চাঁদ
খানিক পরে তুমি স্নিগ্ধ জাদু মাখা জোছনা বর্ষণ অবিরাম।
দেখছ চাঁদ তুমি দেখছি চাঁদ আমি… বার্তা আসে ভেসে আলো হয়ে,
বার্তা ভেসে আসে পাতার ফাঁক গলে— মাতাল চকোরিনী বসন্তে
আমি তো জানি এই মনের কোনো এক আলোকময় কোণে তুমি শুধু
আমার! চাঁদ তুমি আমার আঁধারের শব্দ, তুমি এক দাঁড়িহীন
বাক্য, তুমি কেন লুকিয়ে ছিলে ছায়াপথের চকমকে ধূলিকণা?
লুকিয়ে না তো! তুমি এ নক্ষত্রের শরীরে মিশে ছিলে বাঁধ ভাঙা
আবেগ! তুমি এক ভোরের উদ্ভাস, একটা ঝড় তুমি! এসো তবে
জোছনা পান করো চকোরা তৃষার্ত! হৃদয়ে এসো ওগো চাঁদ-চকোরা!
০৭/০৩/১২

শঙ্খ-লাগা প্রলয়

পড়ার টেবিলে এই চার পাঁচ সপ্তাহ পুরাতন বাজারের ব্যাগ
উদ্ধার করা হল, নজরের সামনেই ছিল, তবু কেউ দেখেনি।
সে ব্যাগ থেকে বের হল এক সাপ, আমাদের টানা বারান্দা
ঘর ভর্তি মানুষ, পাকঘর,ঝেড়ে দৌড় দিল। সে সাপ কেমন
কির কির একটা শব্দ তুলে… সাপেরা কথা বলে? ছোটকালে
দাদিকে প্রশ্ন করেছিলাম, সাপেরা ডিম দেয় কী করে? গূঢ়
অর্থ, সঙ্গমটা হয় কী করে? সাপটা বারান্দা পার হতে হতে
আস্ত এক ছাগল হয়ে গেল, চোখগুলো শুধু অচেনা প্রাণীর,
খুব ক্রূর। সাপটা, মানে ছাগলটা, ঘাস খেতে শুরু করল, আমি
জানালা দিয়ে তাই দেখলাম বার বার, আমার পুরাতন অসুখ
জেগে উঠল। এরই মাঝে ফেশিয়াল প্যরালিসিস, ঘরবাড়ির
মানুষ ভাই বেরাদার সবাইকে ডাকা হল, মধুর শয্যা ছেড়ে
কেউ কেউ করুণা করল। দূর থেকে একজন দাঁত কেলিয়ে
মেসাওয়াক করল, পিচ করে থুথু ফেলল। আজ আমরা বেড়াতে
যাব কোথায় যেন সাহিত্য উৎসব, তবে তার আগেই এক জঙ্গলে,
বাগানে সাপের সঙ্গম কেমন তা আমরা জানব আমি জেনেছিলাম,
কারা যেন একের পর এক নারকেল গাছ কেটে ফেলছে, বাগানটা
অনাবৃত হয়ে পড়ছে, কিন্তু আমরা তো এখনও সাপ, তুমি কিছু
নারকেল পাতা আনলে, আব্রু ঢাকি যেন,কিছু কালো কালো লোক
আমাদের বকতে থাকে, এই কর্মের আর জায়গা পেল না!ওহ
তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি সাহিত্য উৎসবে যেতে হবে, নারকেল পাতার
নিচে ঘাসের উপর শুয়ে আমি ফিতা বাঁধি, এক ছোকরা আবার
কবিতা চায়, ছাপবে। ওরাও, ওই ছেলেটার দলটাও, অদ্ভুত হাসে
এই কর্মের আর জায়গা পেল না!আমরা পৌঁছে গেছি আমার
সন্তান নাকি কোতাবাতুর এক কুটিরে, ভালোই আছে, আমি প্রায়
একশ ফুট উঁচুতে ট্রেনে তোমার হাত ধরে যেন টাইটানিক জাহাজ।
আজ এখানে অনেক মানুষ এসেছে, এটাকে কি সাহিত্য উৎসব
বলে? মেয়েরা শাড়ি গয়না পরে ঘুরছে আর ছেলেরা পকেটে যত্ন
করে কেনা কনডম নিয়ে। ওদিকে আকাশ দেখে বিস্ময় আমার
কাটে না, আমার বিস্ময়ে তোমার গালে ঝিলিক লাগে, সঙ্গমের
পূর্ণতা আমার বিস্ময়ে খুঁজে পাও বোধহয়, আমিও চোখ ভরে
দেখি তোমার পুলক, কিন্তু আজ তো মহাপ্রলয়। বলাবলি করছে
কৃষ্ণগহ্বর সব নাকি টেনে নেবে মেঘগুলো একের পর এক,
অমানুষিক যন্ত্রণা নিয়ে একদিকে কীসের টানে যেন ভেঙে
ভেঙে যেতে থাকে। আমি তোমার ট্রেন থেকে নেমে আকাশ
দেখছিলাম, আমি হাত বাড়ালাম আমাকে ধরো,ধরো আমাকে
আমাদের নিচে সমুদ্র, আমরা আজ মরবই, তবু হাতটা ধরো
এক সঙ্গে মরি, ধরো, আমি চিৎকার করে কেঁদে উঠি তুমি হাত
দিয়েছ আমি ধরতে পারছি না, না না আমি একা মরব না কিছুতেই
না,আমি পানিতে পরে যাই, কিছুক্ষণ পর তুমিও পরবে, তোমার
হাজার বগির ট্রেনের ভাঙন আমি নিচ থেকেই শুনতে পাই, একবগির
আধখানা ভাঙে, তুমি ভাঙা ট্রেনে করে নামছ, আমি সাঁতরে সরে যাই,
যদি বেঁচে যাও? একসাথে বাঁচতে আমি তোমাকে জায়গা দিলাম যদি
বেঁচে যাও!সন্তানের কথা মনে পড়ে, এত মানুষ শাড়ি গয়না মেয়ে
কনডম পুরুষ সবাই বাঁচতে চায়। এক মেয়ে খুব কাঁদছে তার সন্তান
ট্রেনে আটকা পড়েছে, এত ভিড়ে কাছে যেতে পারছে না, এই তার
কান্না, আমার পিছন ফেরার সময় নেই, আমি তোমায় খুঁজি না, এক
ছোটো কুটিরে আমার সন্তান, আমি দৌড়াই, তোমার কি মৃত্যু হচ্ছে?
আমার কিচ্ছু মনে থাকে না আমি সন্তানের তরে দৌড়াই, তাকে
জড়িয়ে ধরি, কে যেন কানে কানে বলে তুমি নেই,তুমি নেই?
ক্ষণস্থায়ী প্রলয় তোমায় নিয়ে গেছে, সব আগের মতই, শুধু
তোমার চিরশিশু সন্তান কী করে যেন বড় হয়ে গেছে, তার
কোলে ছোট্ট বালক সর্পরাজ তুমি আঠারো বছর স্তন দিয়েছ,
সেও দেবে, এই আমাদের সন্তানও যে এক চিরশিশু। জানো,
এখনও আকাশে তোমায় জ্বলতে দেখি, ছুঁতে পারি না, এখনও
ঘুম ভাঙলে দেখি মাথায় কোন বোধ নাই, বুকটা শুধু ব্যথা।
২১/১১/১১

চিত্রার্পিত ভ্রূণ


চোখ খুললে যা থাকে, মুদলে তা কেন থাকে না! সূর্যের নিচে সব বোধ গলে যায়। কালো হয়ে আসে রোদের কণারা। ব্ল্যাকআউট।
দপদপ করে জ্বলে উঠেই যে-নক্ষত্র নিভে যায়, উজ্জ্বল এক আগুন মুহূর্ত বুকে ছুরি চালিয়ে, যে-পাপের বা যে-পুণ্যের লালফিতা কাটে,
সেই সুপারনোভার ধূলি-কুহেলিকায় কী হারায়? কোন ভ্রূণ আত্মহত্যার কথা ভাবে,— বিকলাঙ্গ জন্ম চায় না। কোন জরায়ু জরাগ্রস্থ হয়,
জেনিথের নিচে?


দুটো মানুষের হৃদয়-নিংড়ানো আর্তনাদ গুলে যায় ব্রহ্মপুত্রের টলটলে জলে। তীরের গোড়ালি-সমান জলে চিকচিকে বালুর প্রতিটি
কণায় কার প্রতিবিম্ব ফুটে থাকে? মৃদু ঢেউয়ে জল সরে যায়, নতুন জল আসে, কার ছবি ভাসে সেই জলে? রোদের ছায়া পড়ে মুখে,
চুলে বাতাস লাগে, ব্রহ্মপুত্রে আবার জল ভাসে, আরো জল ভাসে, ভ্রূণের হাসি মুছে যায়, আশঙ্কায় দুরুদুরু বুকে ভ্রূণ স্বপ্নে আসে, মা
ডাকে, কাঁদে। আমাকে মেরো না!


ভ্রূণ তোমাকে আর ডাকব না, ভ্রূণ, আমার নাভি থেকে খুলে নাও তোমার নল; আমার রক্তস্বল্পতা। তোমাকে শরীরে রাখব না আর।
গর্ভে, ওমে, প্রেমে রাখব না। ভ্রূণের নল খুলে যায় নাভি হতে। লাল হয়ে যায়, লাল হয়ে যায়, ব্রহ্মপুত্র লাল হয়ে যায়! জলে
ভেজানো পায়ে আলতা-পরা হয়ে যায়, ব্রহ্মপুত্র আমার লাল হয়ে যায়— গর্ভপাতের রক্তে। পারমাণবিক বিস্ফোরণের অক্সিজেনহীনতা
গ্রাস করে নারী শরীরকে। চিৎকার চাপে দাঁতে ঠোঁট চেপে।


মহাজাগতিক পোকারা লালফিতা খায়, লাল লাল, লাল লাল, লাল ফিতা। মাকড়সার মতো জাল বুনে লালসুতা দ্বারা— লালসালু।
ভ্রূণের সমাধি ঢাকে লালসালু। দুপুরবেলার ব্রহ্মপুত্র লাল হয়ে যায়, লাল হয়ে যায়। রক্তজমা বুকে সাদা দুধ জমে না, ব্রহ্মপুত্র লাল
হয়ে যায়! ব্রহ্মপুত্র হিমশীতল বরফের আস্তরণে ঢাকা পড়ে। রক্তলাল— লাল লাল— বরফে ঢাকা পড়ে যায়। বরফ-চরে লালসালুতে
ঢাকা ভ্রূণের সমাধিতে স্বরগ্রাম রেওয়াজ করে, অরোরা আলোর নিচে। বেহালা বাজে, রাতের আঁধারে ফোটে সুন্দর সব ফুল।


শেষ বিন্দুটুকু মুছে ফেলে, জরায়ু ব্যবচ্ছেদ শেষ করে। লাশকাটা পোকারা দাঁত ঘষে, ক্রূর হাসি হাসতে গিয়ে মিইয়ে যায়। ভ্রূণ হত্যা
মহাপাপ। লাশকাটা পোকারা ভ্রূণকে আগলে রাখে। কীটেরা জানে, ভ্রূণহত্যা মহাপাপ। সামাজিক জরায়ু জানে না— ভ্রূণহত্যা মহাপাপ।


তোমাকে পথ দেখাবার কালে, একজোড়া ফিরোজারঙা ফড়িং আমাকে জানিয়েছিল, ভ্রূণহত্যা মহাপাপ। ওরা মিলিত হতে হতে
উড়ছিল, জোড়া-লাগা দুই শরীরকে এক শরীর বলে ভ্রম হয়। ফিরোজারঙা ফড়িং আমি আগে দেখি নাই, সঙ্গমরত ফড়িং আমি আগে
দেখি নাই। তারা উড়ে এসে কেন তোমার হাতে বসল! কেন আমি দেখলাম? মিলনে একাকার ঘাসফড়িং; আমি কেন দেখলাম?

০৩/০৪/১২

free counters


54 Responses

  1. কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর says:

    কবিতাগুলো পড়লাম, ভালো লাগল।

  2. Prithibi says:

    কবিতাগুলো সুন্দর।

  3. Subrata Augustine Gomes says:

    অপূর্ব! মুক্তার কবিতা যত পড়ছি অভিভূত হচ্ছি এবং আরও আরও পড়বার ইচ্ছা জেগে উঠে চলেছে…

  4. Taposh Gayen says:

    These poems came into being out of chaos of dream, unconscious, and personal experience of the poet– a good blend of poetic elements. Bravo to poet Mukta.

  5. রওশন আরা মুক্তা says:

    সবাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা:)

  6. আলতাফ হোসেন says:

    মুগ্ধ হচ্ছি তো! আগেও যেমন হয়েছি। কবিতায় যেমনটা হয়, যেমনটা চেয়ে এসেছি, দেখা, না-দেখায় মেশা ভাবনারা, স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নেরা লাইনে-লাইনে কীভাবেই না চলেছে ধেয়ে…সবটা মিলিয়ে দারুণ!

  7. LOTIKA says:

    খুব সুন্দর, ভাল লাগলো,
    অনেক উপভোগ করলাম ।

  8. গৌতম চৌধুরী says:

    অভ্যস্ত পাঠের ক্লান্তিকে চূর্ণ ক’রে, বাংলাভাষায় একজন নতুন কবি আবির্ভূত হলেন বলা যায়। অভিবাদন রওশন আরা মুক্তা!

  9. jewel mazhar says:

    মনে একটা ঘোর তৈরি করলো দ্বিতীয় কবিতাটা। বেশ সিডাকটিভ তো! বেশ বেশ ভালো লাগলো

  10. Novera Hossain says:

    ভালো লাগল মুক্তা!

  11. shamset tabrejee says:

    I am moved! Bravo!!!

  12. আমি দুঃখিত, আপনার কবিতা আমার কাছে ততটা ভালো লাগেনি। আরো ভালো লিখবেন এই আশা করি।

  13. sahab uddin says:

    বেশ ভালো লাগলো।

  14. শিমুল সালাহ্উদ্দিন says:

    বাহ্! দুর্দান্ত..এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। অভিনন্দন কবিকে। অভিনন্দন। হ্যাটস অফ…ধন্যবাদ আর্টসকেও।

  15. রওশন আরা মুক্তা says:

    সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। নোতুন লিখিয়ে হিসেবে যেমন সাড়া পাচ্ছি এ আমার জন্য অনেক! অভিবাদন আর শুভ কামনাগুলো আমার জন্য প্রেরণা হয়ে উঠবে। সবাইকে শুভেচ্ছা।

  16. গোলাম হোসেন says:

    তরুন কবি ইনি। প্রথম কবিতাটি দেখলাম ছন্দে লেখা। হ্যা, এই কবি মাত্রাবৃত্ত ছন্দ জানেন তবে আরেকটু গভীর ধারণা থাকলে ভালো। এ বিষয়ে তাকে বড় বড় কবিরা বলে দেবেন আশা করেছিলাম।

    এই কবি হয়তো ভেবে নিতে পারেন, এই-ই বুঝি কবিতা। বিভ্রান্ত হতে পারেন। আমার আশংকা এখানেই।

  17. কামরুজ্জামান কামু says:

    ‘তোমার হাজার বগির ট্রেনের ভাঙন আমি নিচ থেকেই শুনতে পাই, একবগির আধখানা ভাঙে, তুমি ভাঙা ট্রেনে করে নামছ,’
    -এই কবির কল্পনাশক্তিতে আমি মুগ্ধ! নব নব আনন্দে ভরে উঠুক তার কবিতা!

  18. Salauddim Mahmud Meem says:

    Valo laglo…but onek kichui bujhinai…hoyto amar bojhar baire..
    tobe valo laglo porte

  19. চিত্রার্পিত ভ্রূণ/6 osadharon. Onkedin mone thakbe. Jabotiyo sob valolagake chapiye geche ei koyekti line. osadharon. Thanx to bdnews24.com ke.

  20. Manik Mohammad Razzak says:

    এত সহজ সরল ভাষায় কবিতালো লিখেছেন কেমন করে? পড়ে খুবই ভাল লাগলো, ভবিষ্যতে আরও ভাল ভাল কবিতার প্রত্যাশায় রইলাম। ভাল থাকবেন।

    শুভেচ্ছাসহ
    মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক

  21. Shifat Uddin says:

    Mukta, r u very good writer.
    All the best!

  22. মুজিব মেহদী says:

    রওশন আরা মুক্তা প্রথম পড়লাম। কেবল কবিকেই নয়, কবিতাকেও নতুন করে আবিষ্কার করা গেল।

    ‘চিত্রার্পিত ভ্রূণ’ষষ্টকের সৌন্দর্য বেশ টানটান লাগল।

    ‘শঙ্খ-লাগা প্রলয়’-এ পাতা গল্পায়তন, গল্পের ভিতরে পোরা গল্প চিত্রনাট্যের সম্মান দাবি করে বসে। ফিরে ফিরে তাই এটির চিত্রিত হবার সম্ভাবনার দিকে চোখ চলে যায়। অসংলগ্নতার ভিতরে কেমন এক লগ্নতা যেন দোদুল্যমান, আনন্দ ও বিষাদে।

    এসব ভাবতে ভাবতে চাঁদের গায়ে চাঁদ লাগার মতো গূঢ়ানন্দের আভাস জাগে মনে; আর আমার নদীয়া ভিজে যায়, ভেসে যায়, লালন জানে!

  23. Bishad Abdullah says:

    Chomotkar, onek onek priti eto sundor kobita upohar deor jonno.

  24. Shahdath Hossen says:

    েতামার লেখা আমাকে মুগ্ধ করেছে, ধন্যবাদ- আরো ভালো লেখা পাবার আশায় থাকলাম-শুভকামনায়- শাহাদাত হোসেন, আইটি বিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ, ঢাকা।

  25. aysa jhorna says:

    বেশ ঘোর লাগা কবিতা। মিউজিক আর ইমেজের ব্যবহার..এক কথায় অপূর্ব।
    নতুন বলে মনে হোল না। খুব ভাল লাগল কবিতাগুলো পড়ে।

  26. Showmik sen says:

    u r a very good writer.
    All the best!
    Showmik.

  27. ইব্রাহিম আহমেদ সুমন says:

    অসাধারণ !

  28. rinku says:

    কবিতা মানুষের নিভৃতের প্রিয়জন। এই কবিতা পড়ে আমি একজন আপনজন পেলাম।‍‍‌‌‌

  29. মায়া says:

    নতুন কবির কবিতা মোহমুগ্ধ হয়ে যাবার মত। কবিকে ধন্যবাদ এবং বাংলা সাহিত্যের বন্ধুর পথে স্বাগতম। বিডিনিউজ যেভাবে কবিতাগুলো উপস্থাপন করেছে, তা ভাল লাগেনি। টাইটেল যেভাবে দেয়া হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে মুক্তা যেন পরিচিত কবি। যা হোক, তার পরিচিতি প্রকাশের প্রস্তাব করছি।

  30. মুস্তাফিজ রহমান says:

    কবিতাগুলো পড়ে ভেসে যাই ব্রম্মপুত্র জলে… ভেসে যাই ব্রম্মপুত্র জলে…

  31. রনিতা says:

    কবিতা এমনি । ক্ষণে ক্ষণে ভাব পাল্টায় । ভাল লাগলো । কবি ও কবিতাগুলো প্রথম পরলাম । ‘চিত্রার্পিত ভ্রূণ’ কবিতাটি চমৎকার । সুভেচ্ছা আগামী দিনের ……

  32. Liton says:

    Dus-prappo kobita ( rarely find kobita).

  33. Kazi Abu YOUSUF says:

    আপনার লেখার ধরণের ভিন্নতায় বিমুগ্ধ হলাম, পড়ে খুবই ভাল লাগলো, ভবিষ্যতে আরও ভাল ভাল কবিতার প্রত্যাশায় রইলাম।

  34. ziaul Hoque says:

    Excellent.

  35. Md Murad Hossain says:

    Madam pls write easy language

  36. abdul kaium says:

    good

  37. Sayedul Arefin says:

    লা-জবাব। লেগে থাকুন।

  38. Aminul says:

    আপনার কবিতায় ছন্দের বড়ই অভাব মনে হলো, আশা করি এর পর ছন্দ পাবো ….পরবর্তিতে ছন্দের দিকে বিশেষ নজর রাখবেন…

  39. Aminul says:

    আপনার এই তিনটি কবিতার মধ্যে, শঙ্খ-লাগা প্রলয় –এটি কবিতা না গল্প ঠিক বুঝতে পারলাম না। যদি এটিকে কবিতা না বলে গল্প বলা হত তাহলে এটি একটি চমৎকার লেখা হত।

  40. russel says:

    বেশি ভাল লাগলো না আপনার কবিতাগুলা।

  41. Mahboob Ul Alam says:

    মুক্তামাখা চিত্রকল্প মুক্তা হয়ে ঝরে ।

  42. mehedi hasan says:

    very nice poem.

  43. saifullah dulal says:

    bhalo laglo bdNews-er kobita 3ti-o valo.

  44. moin ul islam says:

    খুব সুন্দর, অনেক সুন্দর। নতুন লেখিকা হিসেবে অনেক সুন্দর। তবে আরও একটু খেয়াল রাখতে হবে লেখার মানের জন্য।

  45. সুন্দর কবিতা তবে খানিকটা কঠিন এবং ফ্যান্টাসীধর্মী।

  46. মুক্তা,

    আপনার কবিতাগুলা ভাল লাগল। সুস্বাদু, কল্পনা মিশ্রিত, যন্ত্রনাকাতর আর সব চেয়ে গুরুত্ব্পূর্ণ, শৈল্পিক মানসম্পন্ন।

    —বান্না

  47. মিঠেল রোদ says:

    একদম ভিন্ন রকম ভাল লাগা।ভাষায় অপ্রকাশ্য।
    ভাল থাকুন কবি।

  48. Naeem Mahmud says:

    হাজার বগির ট্রেনের ভাঙন আমি নিচ থেকেই শুনতে পাই, একবগির
    আধখানা ভাঙে, তুমি ভাঙা ট্রেনে করে নামছ, আমি সাঁতরে সরে যাই,
    যদি বেঁচে যাও? একসাথে বাঁচতে আমি তোমাকে জায়গা দিলাম যদি
    বেঁচে যাও!সন্তানের কথা মনে পড়ে, এত মানুষ শাড়ি গয়না মেয়ে
    কনডম পুরুষ সবাই বাঁচতে চায়।

    খুব ভাল্লাগলো , মুক্তার কবিতা পড়তে কখনো ক্লান্তি লাগে নাই। আরো পড়তে চাই..

  49. শাহাদাৎ তৈয়ব says:

    এ কবি অনেক দূর এগিয়ে যাক।

    কবির জন্য শুভ কামনা।

  50. sonkho subhro says:

    ভাল লাগলো। কাহিনী আছে সব কবিতায় । আর ভাল লিখুন এই কামনা করি ।

  51. আশরাফুল আলম says:

    অনেক দিন পর কিছু তপ্ত অনুভুতির স্বাদ পেলাম । আমরা কবির কাছ থেকে এই রকম আরও ভাল ভাল লিখা পেতে চাই । তবে অবশ্যই ভিন্ন আমেজের । শুভ কামনা থাকলো সব সময় ।

  52. জহির হাসান says:

    ভীষণ ভাল লাগলো। ব্যাখা আছে। এখানে দিচ্ছি না।

  53. mahboob says:

    ভীষণ ভাল। অভিনন্দন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.