বিশ্বসাহিত্য

নোবেল সাহিত্য পুরস্কার ২০১১

কবি টোমাজ ট্রান্সট্রোমার

মৌসুমী জাহান | 9 Oct , 2011  

tt.jpg
টোমাজ ট্রান্সট্রোমার (জন্ম: ১৯৩১)

সুইডিশ কবি, মনস্তত্ববিদ, অনুবাদক টোমাজ ট্রান্সট্রোমার সাহিত্যে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫০ সাল থেকে ট্রান্সট্রোমার সুইডিশ সাহিত্যে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। ইংরেজি ভাষাভাষীদের কাছে সম্ভবত তিনিই সবচেয়ে পরিচিত স্ক্যান্ডিনেভিয় কবি। তার কবিতার টিপিক্যাল বৈশিষ্ট্য–পরাবাস্তবাদী ইমেজ, যেখানে ডাকটিকেটকে দেখা যায় জাদুর কার্পেট হিসেবে, গাছের ছায়া হলো কালো সংখ্যা, লোকের ভিড় হয়ে যায় অমসৃণ আয়না।

টোমাজ ট্রান্সট্রোমার স্টকহোমে জন্মগ্রহণ করেন, ১৫ এপ্রিল ১৯৩১ সালে। তার বাবা সাংবাদিক ছিলেন, কিন্তু বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি হবার পর বাবার সাথে তার খুব কম দেখা হয়েছে। মা ছিলেন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। ট্রান্সট্রোমার দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়টাতে রানমারো দ্বীপে তার শৈশবের অনেকগুলো গ্রীষ্ম কাটিয়েছেন। সুইডেন যুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকলেও এক সাক্ষাতকারে বলেছেন তিনি ছিলেন “ মিত্রপক্ষের সবচেয়ে বড় মিলিট্যান্ট সমর্থক”। পরর্বতীতে তার কবিতার বই অস্তেরসজোয়ার (১৯৭৪,বাল্টিক) এবং স্মৃতিকথা “মিন্নেনা সের মিগ” (১৯৯৩) ট্রান্সট্রোমার আরকিপেলাগোর দৃশ্যভূমিতে ফিরে গেছেন।

সংগীত ও ছবি আঁকায় আগ্রহী হয়ে ওঠার আগে ট্রান্সট্রোমার প্রত্নতত্ত্ব ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের প্রতি খুব আকৃষ্ট ছিলেন এবং একজন অনুসন্ধানী পর্যটক হবেন বলে ভাবতেন তিনি । তখন লিভিংস্টোন ও স্টানলি ছিল তার নায়ক। ১৯৫১ সালে স্কুলের এক বন্ধুর সাথে তিনি আইসল্যান্ড ঘুরতে যান। তার প্রথম কবিতার বই থেকে আসা অর্থ দিয়ে তিনি গ্রীস ও তুরস্ক ভ্রমণ করেন।

সোডরা ল্যাটিন স্কুলে পড়ার সময়, ট্রান্সট্রোমার কবিতা পড়তে ও লিখতে শুরু করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি স্টকহোম ইউনিভার্সিটি থেকে মনোবিজ্ঞানে ডিগ্রী লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোটেকনোলজিক্যাল ইনস্টিটিউটে কাজ করতেন তিনি। ১৯৬০ সালে ট্রান্সট্রোমার কিশোর অপরাধীদের জন্য ইনস্টিটিউট রক্সটানায় মনোস্তত্ববিদ হিসেবে নিয়াগ পান।

১৯৬০ এর মাঝামাঝি থেকে ট্রান্সট্রোমার তার সময়কে লেখা ও কাজ-এ ভাগ করে ফেলেন। ১৯৬৫ সালে পরিবারের সাথে তিনি স্টকহোম থেকে ৬০ মাইল পশ্চিমের শহর ভাস্তেরাসে চলে যান। ১৯৮০ সাল থেকে তিনি ‘আরবেটসমারর্কনাডসইন্সটিটুটেট’ নামে শ্রমিক সংগঠনের একটা ইনস্টিটিউটে মনোস্তত্ববিদ হিসাবে কাজ করেন।

কবি হিসেবে ট্রান্সট্রোমারের পরিচিতি শুরু হয় ২৩ বছর বয়সে, ‘১৭ ডিকটের (১৯৫৪)’ এর মাধ্যমে। এই কবিতাগুলি ছিল অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা। পরবর্তীতে তিনি মাত্রা-ছন্দ নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন, যদিও তার বেশিরভাগ কবিতা মুক্ত ছন্দে লিখিত। হেমলাইয়েতার পা ভ্যাগেন(১৯৫৮) এবং ক্লাংগের ওক স্পার(১৯৬৬)-এর থিম ট্রান্সট্রোমার নিয়েছেন বল্কান, স্পেন, আফ্রিকা, এবং আমেরিকায় তার ভ্রমণ থেকে। তার পরবর্তী কাজেও কম্পোজার এডয়ার্ড গ্রেইগ-এর পোর্ট্রেট-এর উপস্থিতি ছিল। ‘ইজমির ক্লকান ত্রে’ (হেমলাইয়েতার পা ভ্যাগেন থেকে)-এ একজন ভিক্ষুক আরেকজন ভিক্ষুককে পিঠে করে বহন করছে–যার পা নেই, ওকলাহোমা’(ক্লাংগের ওক স্পার)-এ ‘অন্ধকারে চলমান গাড়ি, বাতিগুলি জ্বলছে, ফ্লাইং সসার হয়ে যায়।’ ‘এ ম্যান ফ্রম বেনিন’-এ একটা ছবির রেফারেন্স আছে যেটা ট্রান্সট্রোমার ভিয়েনার যাদুঘর ফুর ভাল্কেরকুন্দে-তে দেখেছিলেন।

ট্রান্সট্রোমার-এর কবিতা প্রায়ই তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, একক, ছদ্মবেশী সরল ইমেজকে ঘিরে নির্মিত হয় যেটা মনস্তত্বের গভীরে আর অধিবাস্তব (metaphysical) অনুভবের দুয়ার খুলে ধরে । মরকসেন্ডি (১৯৭০) বইতে কবির ব্যক্তিগত জীবন প্রকাশিত; এছাড়া আত্নীয়ের মৃত্যু ও অসুখ এবং একটি মারাত্মক বিপর্যয়কে ঘিরে আবর্তিত। স্টিগার (১৯৭৩) বইতে ট্রান্সট্রোমার-এর নিজের কবিতা ছাড়াও তার অনুবাদে রবার্ট ব্লাই ও জ্যানস পিলিনস্কির কবিতা ছিল। ট্রান্সট্রোমার-এর প্রচুর কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ব্লাই। ২০০১ সালে পাবলিশিং কোম্পানী বনীয়েরস ট্রান্সট্রোমার-এর ৭০-তম জন্মদিন উদযাপন করে এয়ার মেইল প্রকাশ করার মাধ্যমে। এয়ার মেইল একটা চিঠিপত্রের সংকলন–১৯৬৪ থেকে ১৯৯০-এর মধ্যে ট্রান্সট্রোমার ও ব্লাই—দুই লেখক এই চিঠিগুলি লিখেছিলেন একজন অন্যজনকে।

তার বেশ কিছু কবিতায় প্রকৃতি এবং এর বৈপরীত্যপূর্ণ উপাদানগুলির দ্বন্দ্ব, যেমন সমুদ্র ও তার সৈকতের লড়াইয়ের রূপকে হাজির করেছেন স্বাধীনতা ও বাক-নিয়ন্ত্রণ, প্রকৃতি এবং এর উপর মানুষের কর্তৃত্ব-এর মতো বৈপরীত্যমূলক শক্তিকে। বিশেষত ‘অসটারজোয়ার’-এ বাল্টিক দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে লেখা তার কবিতাগুলোতে এই এলাকার রাজনৈতিক অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে–১৯৭০ সালে বাল্টিক দেশগুলো তখনো সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৭০ সালে লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়া পরিদর্শন করতে গিয়ে নিজেকে গ্রাহাম গ্রীনের গল্পের একজন বলে মনে হয়েছিল ট্রান্সট্রোমার-এর। ট্রান্সট্রোমার একবার বলেছিলেন, “বাল্টিক ছিল তার গান লেখার সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রচেষ্টা।”

আন্দোলন ও পরিবর্তন ট্রান্সট্রোমার-এর কাব্যিক পটভূমির অংশ , যদিও তার ‘মহাজাগতিক শান্তি’র ধারনা র‍্যাডিক্যাল লেখকদের কাছে সমালোচিত হয়েছে। এক সাক্ষাতকারে ট্রান্সট্রোমার বলেছেন যে তিনি রাজনীতিতে আগ্রহী, তবে সেটা যতটা না আদর্শের জন্য তারও চেয়ে বেশি মানবিকতার জন্য। (‘টোমাজ ট্রান্সট্রোমারের সাক্ষাৎকার’–ট্যাম লিন নেভিল ও লিন্ডা হোরভ্যাথ, পেইন্টেড ব্রিজ কোয়ার্টারলি, নম্বর: ৪০-৪১, অনুবাদ সংখ্যা, ১৯৯০।)

১৯৯০ সালে ট্রান্সট্রোমার-এর একটা স্ট্রোক হয়, ফলে তিনি বাকশক্তি হারান। তার আগের বছর তিনি তার দশম কবিতা সংকলন ‘ফর লেভান্দে ওখ ডোডা (ফর দি লিভিং এন্ড দি ডেড)’ বের করেন। লেখক হিসেবে কিছুদিন নৈঃশব্দযাপনের পর তিনি ফিরে আসেন সর্জেগন্ডোলেন (১৯৯৬,গ্রিফ গোন্ডলা) নিয়ে, যার টাইটেল নিয়েছেন ফ্রাঞ্জ লিজ-এর দুইটা পিয়ানো কম্পোজিশন থেকে। লিজ এ সব কম্পোজিশন করেন যখন তার মেয়ে জামাই রিচার্ড ভাগনার মারা যান। ‘গ্রিফ গোন্ডলা’ বইয়ের ৩০০০০ কপি বিক্রি হয় সুইডেনে। সংগীত বিষয়ক আগ্রহ ট্রান্সট্রোমার-এর অনেকগুলো সংকলনে প্রকাশ পেয়েছে – তিনি একজন নিপুণ অপেশাদার সংঙ্গীতক, পিয়ানো এবং অর্গান বাজান।

‘সর্জেগন্ডোলেন’-এ কবি স্বীকার করেছেন তার অভিব্যক্তির সীমাবদ্ধতা, যেখানে শব্দেরা এবং যা তিনি বলতে চান তা—‘নাগালের বাইরে ক্ষীণ এক আলো, মহাজনের কাছে বন্ধকী রুপার মতো।’ তার দেন স্টোরা গাটান (২০০৪) এর অনেকগুলো হাইকু মৃত্যুকে নিয়ে রচিত। তিনি লিখেছেন “মৃত্যু আমার উপর ঝুঁকে আছে” ।

নোবেল পুরস্কার পাবার আগে ট্রান্সট্রোমার ১৯৯০ সালে পেয়েছেন নস্টাড ইন্টারন্যাশনাল সাহিত্য আওয়ার্ড, কবিতার জন্য বোনার অ্যাওয়ার্ড, জার্মানির পেত্রার্ক পুরস্কার, বেলম্যান পুরস্কার, সুইডিশ একাডেমীর নর্ডিক পুরস্কার, এবং অগাস্ট প্রাইজ। ১৯৯৭ সালে ভাস্তেরাস শহর বিশেষ ট্রান্সট্রোমার পুরস্কার প্রবর্তন করে। ট্রান্সট্রোমারের কবিতা ডাচ, ফিনিশীয়, হাঙ্গেরিয় এবং ইংরেজিসহ ৬০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার কবিতার চাইনীজ অনুবাদক বেই ডাও, তার প্রবন্ধ ‘ ব্লু হাউজ’-এর নামকরণ করেছেন ট্রান্সট্রোমার-এর এর বাড়ির নামানুসারে। স্ট্রোক থেকে সেরে উঠবার সময়ে ট্রান্সট্রোমার ও ডাও একসথে গ্লেন গোল্ডে-এর বাজানো বাখ সংঙ্গীত শুনেছিলেন।

০৬ অক্টোবর ২০১১ সুইডিশ একাডেমীর স্থায়ী সচিব পিটার ইঙলান্ড এ বছরের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে টোমাজ ট্রান্সট্রোমার-এর নাম ঘোষণা করেন। ইঙলান্ড ৩৫ সেকেন্ডের ঘোষণায় ট্রান্সট্রোমারকে পুরস্কার দেবার কারণ হিসেবে বলেন ‘ঘন, আবছা চিত্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবতায় আমাদের প্রবেশ তরতাজা করে দেন তিনি।’

 

টোমাজ ট্রান্সট্রোমার-এর নির্বাচিত রচনাবলী:

  • ১৭ ডিকটের, ১৯৫৪
  • সর্জেগন্ডোলেন, ১৯৯৬
  • ১৭ ডিকটের, ১৯৫৬
  • হেমলাইয়েতার পা ভ্যাগেন, ১৯৫৮
  • দেন হালভফারডিগা হিমলেন, ১৯৬২
  • ফিফটিন পোয়েমস, ১৯৬৬
  • ক্লাংগের ওক স্পার, ১৯৬৬
  • কাভারটেট, ১৯৬৭
  • মোরকেরসেন্দে, ১৯৭০- নাইট ভার্সন(রবার্ট ব্লাই অনূদিত, ১৯৭২)
  • টুয়েন্টি পোয়েমস অফ টমাস ট্রান্সট্রমের, ১৯৭০ ভার্সন(রবার্ট ব্লাই অনূদিত)
  • উইন্ডোজ এণ্ড স্টোন: সিলেক্টেড পোয়েমস, ১৯৭২ (মে সোয়েনসন এবং লেইফ সজোবেরগ অনূদিত)
  • স্টিগার, ১৯৭৩
  • অস্তেরসজোয়ার, ১৯৭৪-বাল্টিকস( স্যামুয়েল কার্টারস অনূদিত, ১৯৯৫)
  • সিলেকটেড পোয়েমস: পাভো হাভিকো, টোমাজ ট্রান্সট্রোমার, ১৯৭৪( অ্যানসেল্ম হোলো এবং রবিন ফাল্টন)
  • ফ্রেন্ডস, ইউ ড্রাঙ্ক সাম ডার্কনেস: থ্রি সুইডিশ পোয়েটসঃ হ্যারি মারটিনসন, গুনার একেলফ, টোমাজ ট্রান্সট্রোমার, ১৯৯৫ (রবার্ট ব্লাই অনূদিত)।
  • সানিংসবারিয়ারেন, ১৯৭৮ ( ট্রুথ ব্যারিয়ারস)-টটুডেন কেনিস; সুরউগোনডোলী (সুম।ক্যাজ ওয়েস্টারবার্গ, ১৯৯৭)
  • ডিকটের ১৯৫৪-১৯৭৮ ( সেরিয়েন ডেন সেভেনস্কা লারিকেন) ১৯৭৯
  • মডার্ন সুইডিশ পোয়েট্রি ইন ট্রান্সলেশন, ১৯৭৯ ( অ্যানসেল্ম হোলো এবং জ. হার্ডিং)
  • পিএস, ১৯৮০
  • হাউ দা লেট অটাম নাইট নভেল বিগিনস, ১৯৮০ ( রবিন ফুল্টন অনূদিত)
  • সিলেক্টেড পোয়েমস, ১৯৮১ (রবিন ফুল্টন আনূদিত)
  • ডেট ভিল্ডা টরগেট, ১৯৮৩- দা ওয়াইল্ড মার্কেটপ্লেস ( জন এফ ডেনে অনূদিত)
  • কালেক্টেড পোয়েমস, ১৯৮৭ ( রবিন ফুল্টন অনূদিত)
  • টমাস ট্রান্সট্রোমেরঃ সিলেক্টেড পোয়েন্স, ১৯৫৪-১৮৮৬( রবার্ট হাস সম্পাদিত, রবার্ট ব্লাই অনূদিত)
  • দ্য ব্লু হাউস: ডেট ব্লা হুসেট, ১৯৮৭ ( গোরান মালমাকভিস্ট অনূদিত)
  • ফর লেভান্তে ওখ ডোডা, ১৯৮৯- ফর দা লিভিং এন্ড দা ডেড ( জন এফ ডেনে অনূদিত, ১৯৯৪)
  • টিককুজা স্টিককোর স্টিকস, ১৯৯২ ( ব্রিটা পলটিলা; রবিন ফুলটন অনূদিত)
  • মিনেনা সের মিগ, ১৯৯৩
  • সর্জেগন্ডোলেন, ১৯৯৬–সোরো গোনডোলা ( রবিন ফুল্টন অনূদিত)
  • ডিকটের ১৯৫৪-১৯৮৯,১৯৯৭
  • নিউ কালেক্টেড পোয়েমস, ১৯৯৭ ( রবিন ফুল্টন অনূদিত)
  • ডিকটের: ফ্রান ১৭ ডিকটের টিল ফর লেভেণ্ডে ওখ ডোডা, ১৯৯৭
  • সামলেড ডিকটের, ১৯৫৪-১৯৯৬, ২০০০–কোটুট রুনট ১৯৫৪-২০০০ (সুমা ক্যাজ অয়েস্টারবার্গ, ২০০১)
  • ফানগেলসে: নিও হাইকু ডিকটের ফ্রান হালবে আন্ডমসফানগেলসে (১৯৫৯), ২০০১
  • এয়ার মেইল: ১৯৬৪-১৯৯০,২০০১
  • দা হাফ- ফিনিশড হেভেন: দা বেস্ট পোয়েমস অফ টোমাজ ট্রান্সট্রোমার, ২০০১(রবার্ট ব্লাই অনূদিত ও নির্বাচিত)
  • ডেন স্টোরা গাটান, ২০০৪- দা গ্রেট এনিগমা–অপার রহস্য ( বাংলা অনুবাদ: জ্ঞানেন্দ্র কুমার ঘোষ; ইংরেজি অনুবাদ: রবিন ফুল্টন,২০০৬)
  • দ্য ডিলিটেড ওয়ার্ল্ড,২০০৬( নিউ ভার্সন, রবিন রবার্টসন অনূদিত)
  • ক্লানগেন সাগের আট ফ্রিহেটেন ফিনস, ২০১০
  • ডিকটের ওখ প্রসা ১৯৫৪-২০০৪, ২০১০
  • টোমাজ ট্রান্সট্রোমারস আনগডোমসডিকটের, ২০১১ (দ্বিতীয় সংস্করণ, জোনাস এলারসত্ররম সম্পাদিত)

—————-
লেখকের নোট: ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদির অনুবাদ ভিত্তিতে লিখিত।

লেখকের আর্টস প্রোফাইল: মৌসুমী জাহান
ইমেইল: mousumi.jahan@facebook.com


ফেসবুক লিংক । আর্টস :: Arts

free counters


4 Responses

  1. saifullah dulal says:

    বাহ, অনেক কথা জানা গেলো। ধন্যবাদ, মৌসুমী জাহান।

  2. Kazi Raj says:

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  3. Subrata Augustine Gomes says:

    তথ্যবহুল, তবু ঝরঝরে লেখা… খুব ভালো লাগল।

    সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ।

  4. Vivek Roy says:

    সাহিত্য ব্যাপারে আমার অত জ্ঞান নেই , তাই জিজ্ঞেস করছি কবি টমাস কি নির্দিষ্ট কোন কবিতার বা কোন রচনার জন্য নোবেল পেয়েছেন? যেমনটা বিজ্ঞান শাখার ক্ষেত্রে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.