ই-লাইব্রেরি

আর্টস ই-বুক

রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের ‘মানময়ী গার্লস্ স্কুল (১৯৩২)’

admin | 31 Aug , 2011  

মানময়ী গার্লস্ স্কুল

প্রথম প্রকাশ: ১৯৩২

রবীন্দ্রনাথ মৈত্র

(১৮৯৬ ১৯৩৩)

post-im-mgs.jpg
মানময়ী গার্লস্ স্কুল সফল বাংলা নাটকগুলির একটি। রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের লেখা এ নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে, তাঁর মৃত্যুর এক বছর আগে। প্রকাশের পরেই কোলকাতা ও কোলকাতার বাইরে মানময়ী গার্লস্ স্কুল মঞ্চস্থ হয় বহুবার। এ নাটকের সাফল্যের আরেকটি ক্ষেত্র একাধিক ভাষায় সিনেমা হওয়া। হিন্দি ও তামিল ভাষায় সিনেমা তৈরি হয়, বাংলায়—কোলকাতায় সিনেমা হয় দুইবার। বলা হয় অভিনেত্রী কানন বালা বা কানন দেবী ১৯৩৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমা মানময়ী গার্লস্ স্কুল–এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হন। পরে ১৯৫৮ সালে উত্তমকুমারের অভিনয়ে আবার সিনেমা তৈরি হয়। এর বাইরে নাটকটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়।

পরবর্তীতে নাটকটি ক্রমশঃ অপরিচিত হয়ে উঠতে থাকে, বিশেষতঃ বাংলাদেশে। বাংলা একাডেমী’র লেখক অভিধানে রবীন্দ্রনাথ মৈত্র-এর নাম নেই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি পাঠ্য বইয়ে দেখা গেল, নাটক অধ্যায়ে এই নাটক বা নাট্যকারের উল্লেখ নেই। স্পষ্ট করে এগুলির কারণ নির্দেশ করা কঠিন।

এখন ই-বুক হিসেবে প্রকাশিত হলো মানময়ী গার্লস্ স্কুল-এর প্রথম আর্টস সংস্করণ।

অনলাইনে পড়ুন অথবা/এবং ডাউনলোড করুন:
রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের ‘মানময়ী গার্লস্ স্কুল (১৯৩২)’

রবীন্দ্রনাথ
অনলাইনে পড়তে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন

অনলাইন পাঠের জন্য মাউজ ক্লিকে বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টানোর মতো করে ফ্লিপ করা যাবে। ই-বুক উইন্ডো প্যানেলের নিচের দিকে ‘save pages’ বাটনে ক্লিক করে ই-বুকটির পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জুম করার জন্য ক্লিক করতে হবে, আর ফুলস্ক্রিন করার জন্য ই-বুক প্যানেলে নির্দিষ্ট বাটন আছে।

ডাউনলোড করুন: রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের ‘মানময়ী গার্লস্ স্কুল (১৯৩২)’

—————
logo-both.jpg

ফেসবুক লিংক । আর্টস :: Arts

free counters


10 Responses

  1. মিজান says:

    অসাধারন গল্প, Ending টা সবচেয়ে বেশি ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ।

  2. মেহেদী, বরুরা, কুমিল্লা। says:

    অসাধারণ, অনেক ধন্যবাদ।

  3. মোঃনাসির says:

    বইটি আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে।

  4. নাসির উদ্দিন says:

    এই রকম আরও ই-বুক চাই।

  5. mostafiz dollar says:

    very good website

  6. Vubon says:

    ডাউলোড করলাম ………।।সব বই

  7. ইমতিয়াজ says:

    ধন্যবাদ।

  8. কেতকী says:

    thanks…..

  9. ডাঃ আসিফ মাহমুদ says:

    ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করব না। বিবেক জাগরণের জন্য এবং ‘সু’শিক্ষার জন্য এর অনেক প্রয়োজন। চালিয়ে যান। ভালো থাকুন সকলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.