বেঙ্গল গ্যালারি অব্‌ ফাইন আর্টস্‌

খালিদ মাহমুদ মিঠুর ‘রঙের নিনাদ’

admin | 22 Nov , 2007  

32.jpg

ধানমণ্ডির ‌’বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে শিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর একক চিত্রপ্রদর্শনী। ‘রঙের নিনাদ’ (Sound of Colour) নামের এ প্রদর্শনী চলবে নভেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত।

১৯৬০ সালে জন্ম শিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৬ সালে এমএফএ করেন তিনি। এটি তাঁর ১১ তম একক প্রদর্শনী। ২০০৭ সালে তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আয়োজিত ১৬ তম জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে ‌’আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার’ লাভ করেন । এবারকার প্রদর্শনীতে শিল্পীর ৬১টি পেইন্টিং প্রদর্শিত হচ্ছে। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে সমুদয় চিত্র উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে।
khalid.jpg

নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ছবি তুলেছেন সিউতি সবুর।

বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য
খালিদ মাহমুদ মিঠু বস্তুর অন্তর্র্নিহিত সৌন্দর্যকে অষ্কন করেন ফর্ম ও আলোর অনুভূতির তীব্রতাকে সত্তায় ধারণ করে। বস্তুর পরবর্তনশীল রূপান্তরও তাঁর দৃষ্টি এড়িয়ে যায় না। বিমূর্তধারায় ছবি অষ্কন করলেও বিষয়কে তিনি নানা ধরনের নিরীক্ষায় যতœ ও অভিনিবেশ সহকারে তুলে ধরেন। শুধু রঙের প্রলেপ দিয়ে তিনি তাঁর বিমূর্ত শিল্পের ভুবন সৃষ্টি করেননি। পরিচিত ও চেনা জগৎ তাঁর হাতে মর্যাদার এক আবহ সৃষ্টি করে। সেজন্য বিষয়ের সৌন্দর্য গম্ভীর ও প্রশান্ত হয়ে ওঠে। চেনা-অচেনা জগৎ, স্বপ্ন, জীবনের বহুমুখীন অনুষঙ্গ, আশাÑনিরাশা, চন্দ্রালোকিত রাত্রি, স্মৃতি, রিকশা এই বিষয়ভিত্তিক চিত্রে আবেগের যে-প্রকাশ রয়েছে তাতে খালিদ মাহমুদ মিঠুর বিশিষ্টতা ধরা পড়েছে।

তাঁর বহু ভাবনার এই বৃত্তে বিষয় হয়ে উঠছে জীবনলগ্ন, অন্যদিকে মনন এবং নান্দনিকতা ভিন্ন মাত্রা সৃষ্টি করেছে। বর্ণের গতি, আলোর উদ্ভাস ও সাধারণ কোনোকিছুর প্রতীকী উপস্থাপনায় তাঁর ছবি নতুন অর্থযোজনা করেছে।

তাঁর সৃষ্টির মধ্যে ফর্মের খেলা আছে। অভিব্যক্তির নতুনত্বে, রেখা ও অবয়ব গঠনের শৃঙ্খলায় কখোনো নানা নিরীক্ষায় তিনি যে-চিত্রভাষা সৃষ্টি করেছেন, তা এই শিল্পীর পথচলাকে আনন্দময় ও বেগবান করে তুলবে।
– বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্

free counters


2 Responses

  1. nazla says:

    এই সব বর্ণময় আর সুরময় ছবির শিল্পীকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা বা সাহস কোনোটাই আমার নেই। আমি জেনেছিলাম সুরের রং আছে। কিন্ত রং-এর যে সুর আছে তা এই চিত্রকর্ম থেকে জানলাম। ধন্যবাদ বরং bdnews-কে আর সিউতি সবুরকে দিচ্ছি। দেশে থাকলে হয়তো সামনে থেকে দেখতে পারতাম। আজ সিউতি আর বিডি নিউজ-এর কল্যণে দেখলাম।
    জয়তু মিঠু।
    নাজলা

  2. liton says:

    মানুষ বাচেঁ তার কমেঁ আর কিছুতে নয় তাই যারা তাদের চিত্র কর্মে ফুটিয়ে তুলেন দেশের জীবন্ত ছবি আমার পক্ষ থেকে তাদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক ভালবাসা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.