স্মরণ, স্মৃতি

সৎ সাহসী মানবিক সাংবাদিক বেবী মওদুদ

দিল মনোয়ারা মনু | 29 Jul , 2019  


সব মানুষের ভেতরেই স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষায়, প্রত্যাশা থাকে। জীবনের শুরুতেই যখন মানুষের মনন, চিন্তা, বোধ, বোধির বিকাশ ঘটতে থাকে তখন থেকেই সেই স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষায় বৈচিত্র্য দেখা দেয়, স্বপ্ন ক্রমশ: পরিপুষ্ট ও বিকশিত হতে থাকে। কিন্তু একজন নারী অধিকার ও সমাজ উন্নয়নকর্মী, নিরহংকারী বেবী মওদুদের স্বপ্ন এবং বোধ ছিল একেবারেই ভিন্ন রকম। তাঁর জীবনাচারণ ছিল সাদাসিধে, সাধারণ। অঙ্গীকার ছিল মানুষের মধ্যেই নিজেকে নিবেদন করে চারপাশের মানুষের সুখ দুঃখকে নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে চলা। সারা জীবন সেই অঙ্গীকার, সেই লক্ষ্য থেকে তিনি এতটুকু বিচ্যুত হননি, আপস করেননি কখনও কোন অবস্থাতেই। মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাই তাকে দিনে দিনে সমৃদ্ধ করেছে, দৃপ্ত পদভারে মাথা উঁচু করে এগিয়ে চলার সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছে। তাই বেবী মওদুদ একটি সাহস ও প্রত্যয়ের নাম। জীবন যুদ্ধে অসম্ভব আত্মপ্রত্যয়ী এই মানুষটির লড়াই ছিল সমাজে হাজার বছরের বিদ্যমান বৈষম্যের বিরুদ্ধে। জন্মেছিলেন এক উদার, প্রগতিশীল, আধুনিক, অসাম্প্রদায়িক পরিবারে। তাই মানুষ হওয়ার শিক্ষাটা পেয়েছিলেন সেখান থেকেই।
বেবী আপার সাথে আমার পরিচয় দীর্ঘদিনের। মনে পড়ে কতদিন একসাথে পথ হেটেছি। জোর করে ধরে নিয়ে গেছেন তার সেগুনবাগিচার বাসায়। তার জন্য বেড়ে রাখা খাবার দু’জনে ভাগ করে খেয়েছি। কোন আপত্তি কোনদিন শোনেননি। নিজ হাতে খাওয়াতে তিনি খুবই ভালবাসতেন, সেখানে বাহুল্য না থাকলেও আন্তরিকতার অভাব থাকতো না। পান্তা, লাল চালের ভাত সাথে নানা রকমের ভর্তা তিনি নিজে এবং কাছের মানুষদের খাওয়াতে পছন্দ করতেন। তাঁর বাড়ীতে বিশেষ খাওয়া মানে পোলাও, কোর্মা, রোষ্ট নয়, খিচুড়ী এবং ইলিশ ভাজা। সহজ সরল এই মানুষটির পোশাক, প্রসাধন বা ঘরের আসবাব পত্রের ক্ষেত্রেও কোন বাহুল্য ছিলনা।
অবসরে আড্ডা দেয়া তার প্রিয় শখ। কতদিন বেগম পত্রিকা, ইত্তেফাক ভবন এবং কচিকাঁচার মেলার অফিসে ঘন্টার পর ঘন্টা আমরা আড্ডা দিয়েছি। মনে পড়ছে ভীষণভাবে কবি সুফিয়া কামাল আমাদের প্রিয় খালাম্মার এক জন্মদিনের কথা, খালাম্মা তখন সিলেটে। তাঁকে কাছে পেয়ে সিলেটবাসী তাঁর জন্মদিনের আয়োজন করেছিল খালাম্মার অগোচরে আমাদের রঞ্জুদা ও লুলু আপার বাসায়। আমি তখন অনন্যা অফিসে কাজ করছি। বেবী আপা ফোন করে বল্লেন- চল, আমরা এখন রওনা দিয়ে সিলেট চলে যাই। আমাদের সাথে খুশী কবীরও যাবেন। আগে থেকে কোন খবর না দিয়ে ফুপুকে (সুফিয়া কামাল) আমরা অবাক করে দেব। আমরা তিনজন বেলা তিনটায় রওনা দিয়ে রাত একটায় সিলেট পৌঁছে গেলাম। খালাম্মা তখনও জেগে। লুলু আপাই শুধু আমাদের আসার খবর জানতেন। তিনি বাড়ীর সামনের রাস্তায়ই দাঁড়িয়ে ছিলেন। আপা জানালেন তোমরা অবাক করতে পারলেনা কারণ মা সন্ধ্যা থেকেই বলছেন, আমার মন বলছে আজ ঢাকা থেকে কেউ না কেউ আসবেই। আমরা দেখলাম পরদিন সিলেটবাসী কি আনন্দ ও শ্রদ্ধার সাথে সারাদিনব্যাপী আমাদের প্রিয় খালাম্মার জন্মদিন পালন করলেন। কচিকাঁচার মেলার জেলা সম্মেলনে আমাদের সাথে কখনও কখনও বেবী আপা যেতেন। মহিলা পরিষদের পত্রিকা ‘সমাচার’ ছাপা হতো পুরনো ঢাকার একটি প্রেসে, মনে আছে বেবী আপার সাথে কতদিন সেই প্রেসে ঘন্টার পর ঘন্টা থেকেছি, বেবী আপাকে কাজে সহযোগিতা করেছি। বেবী আপা যখন যেখানেই যেতেন চারপাশের সকলকে আপন করে নেয়ার একটা দুর্লভ গুন তাঁর ছিল। আপার বাসার কাজের সহযোগী বুয়া বেবী আপার কাছে সাইত্রিশ বছর ধরে আছেন। বুয়ার দুই ছেলে বেবী আপার কাছেই বড় হয়েছে। তাদের লেখাপড়া, কর্মসংস্থান এবং একটি ছেলে আনোয়ার যে কিডনী রোগের রোগী তার চিকিৎসা, যত্ন-তদারকী তিনি গুরুত্বের সাথেই করে গেছেন। সাংসদ হবার পর ন্যাম ভবনে তার কোয়ার্টারে বুয়া ৩৭ বছর একটানা সুখে দুঃখে তাঁর সঙ্গে থাকার জন্য তিনি বন্ধুদের নিয়ে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। মানুষ হিসেবে তিনি যে কত বড় সে ধরণের অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যা এই স্বল্প পরিসরে লিখে শেষ করা যাবে না। ধানমন্ডির ঈদগাহ মসজিদে বেবী আপার জানাযা যেদিন হলো সেদিন আমি সেখানে ছিলাম। তাঁর শবদেহের সামনে আমি দাড়িয়ে। বেবী আপাদের বিল্ডিং এর হাবীব নামের এক তরুণ কর্মী কাঁদতে কাঁদতে তখন বলছিলো- আপা জানেন, আমি মনে মনে একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলাম এবং সেই উত্তর এখন আমি পেয়ে গেছি। আমি ভাবছিলাম আপাতো সেইভাবে নামাজ, রোজা করতেন না, কিন্তু জুমাতুল বিদা ও শবে কদরএর এই পবিত্র দিনে তাঁর মৃত্যু হল কেন? কারণ একটাই তিনি মানুষকে ভীষণ ভালবাসতেন। এই আমাদের মত অসহায়, দরিদ্র, নিগৃহীত মানুষদের।
বেবী আপা কখনও নিজের দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণার কথা কারো সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করতেন না। আমি বহু অন্তরঙ্গ মূহুর্তে তার রোগ, যন্ত্রণার খবর জানতে চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি, হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। মৃত্যুর মাস ছয়েক আগে আমি বেবী আপা এবং লেখক আফরোজা পারভীন প্রখ্যাত কথাশিল্পী রিজিয়া রহমানের বাসায় সারাদিন রিজিয়া আপার হাতের বিভিন্ন রকমের রান্না খেয়ে হাসি আনন্দে পুরো দিন কাটিয়েছিলাম। সেই প্রাণবন্ত আড্ডায় এতটা সময় একসঙ্গে থাকার পরও তার ভেতরে গেড়ে বসা সেই মারাত্মক রোগটির বিস্তার সম্পর্কে বিন্দু বিসর্গও জানতে পারিনি। তাই তার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবার খবর আমাকে শুধু ব্যাকুল নয় রীতিমত হতবাকও করেছিলো। আমাদের অভাব, অভিযোগ, ভালমন্দের খবর নিয়মিত রাখতেন কিন্তু নিজের কথা, কষ্টের ভাগ আমাদের দেননি।
বেবী মওদুদের পুরোনাম আনা মাহফুজা খাতুন। তবে বেবী মওদুদ নামেই তিনি সর্বত্র পরিচিত। এ নাম তাকে ব্যাপক পরিচিতি দিয়েছে সাহিত্য, সাংবাদিকতার জগতে নিরলস, সাহসী, প্রতিবাদী ইতিবাচক উদ্যোমের জন্য। ’৬৭ সাল থেকে তিনি লেখালেখি শুরু করেন। এই একই সময়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথেও সম্পৃক্ত হন। ’৬৯ এ আসাদ হত্যার পর রাজপথের মিছিলে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। ঠিক সেই সময়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদের তিনি ছিলেন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। ’৬৭ থেকে ’৭০ পর্যন্ত তিনি রোকেয়া হলের সাহিত্য সম্পাদক এবং বাংলা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। লিফলেট তৈরী, ম্যাগাজিন প্রকাশ, রচনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনে তার দারুণ উৎসাহ ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অনেক কাজ করেছেন। যুদ্ধ নির্যাতিত নারীদের আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঔষধপত্র জোগার, ঢাকার এবং বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে তিনি জীবন বাজী রেখে কাজ করেছেন। দেশদ্রোহীদের বিচারের দাবীতে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৭ সালে তিনি যখন সংবাদদাতা হিসেবে সংবাদপত্রে কাজ শুরু করেন তখন এ পেশায় নারীদের সম্পৃক্ত হওয়ার কথা কেউ ভাবতেও পারতোনা। এক্ষেত্রে তাকে পাইওনিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা ভুল হবেনা। ১৯৬৭ সালে তিনি সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হন। তিনি সংবাদ, ইত্তেফাক ও চিত্রালীর সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন। তারপর তিনি সাপ্তাহিক ললনায় প্রথমে রিপোর্টার এবং পরে সহযোগী সম্পাদক, সাপ্তাহিক রানার পত্রিকার সম্পাদক, স্বাধীন বাংলাদেশে দৈনিক আজাদ পত্রিকার ফিচার রিপোর্টার, সংবাদের ষ্টাফ রিপোর্টার এবং ইত্তেফাকের মহিলা অঙ্গন এর পরিচালক, বিবিসি বাংলা বিভাগের সংবাদদাতা, বিচিত্রার নির্বাহী সম্পাদক এবং বাসস এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অনলাইন বেইজড ম্যাগাজিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সামাজিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। নবম জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং লাইব্রেবী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তথ্য অধিদপ্তরে গবেষণা সহকারী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ নারী সাংবাদিক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। বিশ্বব্যাংক এবং ইউনিসেফের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশে গেছেন। বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, মানবতার আন্দোলনে হল্যান্ড এবং সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোও ভ্রমন করেছেন।

সিলেট জেলার কমলগঞ্জের নূরজাহান যখন ফতোয়াবাজদের পাথরের আঘাতে জর্জরিত হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেন তখন সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন সাংবাদিক বেবী মওদুদ। থানায় মামলা দেয়া, আন্দোলন গড়ে তোলা এবং পত্রপত্রিকায় সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করার ব্যবস্থা করেছেন। ১৯৯০-৯২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি শিশু ধর্ষিত হলে তাকে মহিলা পরিষদের রোকেয়া সদনে আশ্রয় দেয়া এবং তার মামলা পরিচালনা উদ্যোগ মহিলা পরিষদের মাধ্যমে তিনিই গ্রহণ করেছিলেন। জানা গেছে পরবর্তী সময়ে এই মেয়েটি উচ্চশিক্ষা নিয়ে স্বনির্ভর হয়েছে।
মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পর প্রকাশনা, প্রচার ও আন্দোলন সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। মহিলা সমাচার প্রকাশ করার দায়িত্বও ছিলো এক সময়ে তাঁর। আমরা যারা মহিলা পরিষদ করি তারা খুব গর্ব অনুভব করি এই ভেবে যে আজকের মহিলা পরিষদের নিজস্ব ভবনটির জমি সংগ্রহ ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে বেবী আপার অনন্য ভূমিকা ছিল। যুদ্ধ বিরোধীদের বিচারের দাবীতে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাথে যুক্ত হয়ে আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন।
বেবী আপার দুই পুত্র। অভি এবং পুটু। পুটু কিছুটা প্রতিবন্ধীতায় আক্রান্ত। তাই বেবী আপা প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সবসময় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখালেখিতেও ছিলেন সিদ্ধাহস্ত। ছোটবেলা থেকেই দৈনিক পত্রিকায় তার ছোটদের জন্য লেখালেখির হাতেখড়ি, অনেক বইও লিখেছেন তিনি তাদের জন্য। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি লিখে গেছেন জীবনী গ্রন্থ ‘স্মৃতিচারণ’, গল্প উপন্যাস, প্রবন্ধ ও অনুবাদ প্রবন্ধ। তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ২০। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার অনেক গ্রন্থ এবং বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশের পেছনেও তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। আমি যখন পাক্ষিক অনন্যা পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলাম তখন বেবী আপার অনেক লেখা ছেপেছি। বছর দুয়েক আগে তার একটি ধারাবাহিক লেখাও অনন্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পাক্ষিক অনন্যা পত্রিকার পক্ষ থেকে ‘অনন্যা বিশেষ সম্মাননা’ পদক তাঁকে দেয়া হয়েছিলো।
বেবী মওদুদ নতুন প্রজন্মের আপনজন ছিলেন। সহজ, সরল, পরোপকারী এই মুক্তচিন্তার এই মানুষটি প্রাতিষ্ঠানিক পুরস্কারের চেয়ে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন বেশী। তাই তিনি বেঁচে থাকবেন মানুষেরই মাঝে তাঁর জীবনের অসংখ্য মহৎ উদ্যোগ ও কাজের মধ্যে। গত ২৬ জুলাই তার মৃত্যু দিন। এ বছর তার চলে যাওয়ার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো। শ্রদ্ধা ভালোবাসায় তাকে স্মরণ করছি।


3 Responses

  1. GOLAM MUSTAFA says:

    অনেক অনেক ধন্যবাদ বেবি আপার সম্বন্ধে লেখার জন্য। ভবিষ্যতে আরও কিছু জানতে চাই এই মহিয়সী সম্বন্ধে।

  2. M. Maksud Ali says:

    লেখাটি পড়ে অভিভূত হলাম

  3. অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা বেবি আপা সম্বন্ধে লেখার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.