স্মরণ, স্মৃতি

কার্লোস মনসিবাইস: রসের অতুল ভাণ্ডারী

রাজু আলাউদ্দিন | 19 Jun , 2019  


ছবি: লেখকের সাথে কার্লোস মনসিবাইস ২০০৪ সালে

অক্তাবিও পাস, হুয়ান রুলফো কিংবা কার্লোস ফুয়েন্তেস-এর মতো তিনি ইংরেজি ভাষায় খুব একটা অনূদিত হননি, কিন্তু গোটা লাতিন আমেরিকায় তিনি খুবই ব্যতিক্রমধর্মী এক প্রাবন্ধিক হিসেবে সুপরিচিত। বাম-বলয়ের এক শীর্ষ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেm লেখক ও সক্রিয় লড়াকু সমাজকর্মী রূপে উত্থানের শুরু থেকেই পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। সমকামীদের অধিকার সংরক্ষণের কারণেও তার অন্য আরেক পরিচিতি তৈরি হয়েছিল। লৈঙ্গিকবৈচিত্রের পক্ষে থাকলেও নিজেকে কখনোই সমকামী বলে ঘোষণা দেননি মনসিবাইস।
৯৯ সালে মেক্সিকো যাওয়ার আগে তার কথা আমার একদমই জানা ছিল না। কিন্তু ওখানে যাওয়ার পর তার বইপত্র ও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত লেখার মাধ্যমে তাকে চিনতে শুরু করি। রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির এক ভাষ্যকার ও বিশ্লেষক হিসেবে তিনি যে-ভাষায় ও ভঙ্গিতে নিজের শৈলী নির্মাণ করেছেন তার নজির স্প্যানিশ ভাষায় আগে কখনোই ছিল না। কৌতুকরস, তির্যকতা আর পপুলার কালচারের অনুষঙ্গকে বক্রাদলে উপস্থাপনের ওস্তাদিতে তার জুড়ি মেলা ভার। অগভীর ও অজ্ঞ পাঠকও তার কৌতুকরসে না হেসে পারেন না—এমনকি তা গভীর বিষয়ে হওয়া সত্ত্বেও। মেক্সিকোর প্রথম সারির ঔপন্যাসিকদের একজন এলেনা পনিয়াতৌস্কা বলেছিলেন মনসিবাইস ছিলেন “ একমাত্র লেখক যাকে লোকজন রাস্তায় দেখা মাত্র চিনতে পারতো,” উপন্যাস, নাটক কিংবা সিনেমানির্মাতা হিসেবে নয়, এই জনপ্রিয়তা বা পরিচিতি তিনি অর্জন করেছিলেন তার প্রবন্ধের মাধ্যমে। প্রবন্ধে তিনি কী ভূমিকা পালন করেছেন তার এক সংক্ষিপ্ত পরিচয় মিলবে ফুয়েন্তেসের এই স্বীকারোক্তিতে: “great writer who renewed the essay genre in Mexico.” প্রবন্ধ নামক সাহিত্যের এই শাখায় পরিচিত গতের বাইরে তিনি হাটতে শুরু করেছিলেন একেবারে প্রথম থেকেই। এবং শুধুই প্রবন্ধের জন্য এতটা খ্যাতি এর আগে খুব একটা দেখা যায়নি স্প্যানিশ ভাষায়। একমাত্র এদুয়ার্দো গালেয়ানো হতে পারেন তার সাথে তুলনীয়। কিন্তু দুজনের পার্থক্যও প্রচুর। একজন অতীত ইতিহাসের ঘটনাকে আখ্যানের আকর্ষণীয় চমৎকারিত্বের সাথে পরিবেশন করেছেন আর অন্যজন চলমান ইতিহাসকে অনন্য তির্যকতায় কৌতুকাবহ ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন। কার্লোস মনসিবাইস প্রবন্ধের কাঠামোকে প্রতিবেদনধর্মী করলেও তাতে ঠেসে দেন প্রচ্ছন্ন শ্লেষ। তার ওই ভঙ্গিতে থাকে বাজিকরের দক্ষতা। স্প্যানিশ গদ্যে এমনটা আগে আর কখনো দেখা যায়নি।

ছবি: আলোকচিত্রীর সৃজনী দৃষ্টিতে কার্লোস মনসিবাইস

আজীবন অকৃতদার, কারো কারো মতে সমকামী এই লেখক তার লেখার জন্য পরিচিত তো ছিলেনই, বহু পুরস্কারেও সম্মানিত হয়েছিলেন। ৩৩টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারে তিনি ছিলেন অনন্য এক ব্যক্তিত্ব।
ছিলেন কথাসাহিত্যিক হোসে এমিলিও পাচেকো, এলেনা পনিয়াসৌস্কা ও কার্লোস ফুয়েন্তেস-এর প্রজন্মের লেখক।
ফুয়েন্তেস ও পাচেকো ছিলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হুয়ান রুলফোর উপন্যাস অবলম্বনে রচিত সিনেমায় তিনি ফুয়েন্তেসের সাথে কাজও করেছেন সেই সত্তুরের দশকে।

ছবি: বা দিক থেকে কার্লোস ফুয়েন্তেস, গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, হোসে সারামাগো ও অন্যান্যরা

ফুয়েন্তেস তার স্মৃতিশক্তির তারিফ করে বলেছিলেন যে মার্কেসের সাথে যখন আড্ডা হতো তখন দুজনই উনিশ শতকের বহু স্প্যানিশ কবিতার পংক্তি স্মৃতি থেকে অনর্গল বলে যেতে পারতেন। দুজনের মধ্যে স্মৃতি থেকে পাঠ করার এক প্রতিযোগিতা চলতো।
তুখোর স্মৃতিসম্পন্ন এই বন্ধুর প্রয়াণের পরপরই তার বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে তুলে ধরতে গিয়ে বলেছিলেন “উপস্থিত রসবোধ, গভীর সাংস্কৃতিকবোধ, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, যথাসময়ে যথার্থ উক্তি স্মরণ করার সক্ষমতা, বিষন্নতা, সর্বদাই আনন্দসঞ্চারী” –এসবই ছিল মনসিবাইসের ব্যক্তিত্বের স্বরূপ।

ছবি: নিজের লেখার টেবিলে কার্লোস মনসিবাইস
এই বন্ধুটির রসবোধের সীমা কত দূর যেতে পারে একটা উদাহরণ তিনি দিয়েছিলেন মনসিবাইসকে নিয়ে এক ছোট্ট লেখায়। ১৯৭০ সালের দিকে মনসিবাইস প্যারিসে উঠেছিলেন ফুয়েন্তেসের বাসায়। সেই সময় নেরুদা উপস্থিত ছিলেন প্যারিসে। তার বন্ধু লুই আরাগোর স্ত্রী এলসা ত্রিয়োলের শেষ কৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে ক্লান্ত হয়ে হোটেলের বিছানায় পাজামা পড়ে কাত হয়ে আছেন নেরুদা। ফুয়েন্তেস মনসিবাইসকে নিয়ে কক্ষে ঢুকলেন। এরপর শুরু হলো নেরুদা-মনসিবাইসের কুশল বিনিময়:
“কেমন আছ? – নেরুদা জিজ্ঞেস করলেন মনসিবাইসকে।
ঘটনা হলো মানুষ হওয়ায় আমি ক্লান্ত হয়ে পরি1 —মনসিবাইসের উত্তর।
প্রথমদিকে, নেরুদা ওই উক্তিটা খেয়াল করেননি।
প্যারিসে কী করছ?—পাবলো নেরুদা জানতে চাইলেন।
পৃথিবীর সমুদ্রের সাথে আমি খেলি প্রতিদিন2—মনসিবাইসের উত্তর। নেরুদা এই লেখার ফাঁদে ধরা খেয়ে হাসলেন, কিন্তু কৌতুহল অব্যাহত রাখার জন্য তিনি আবার প্রশ্ন করলেন:
এখন কী লিখছ?
দুখিঃততম কবিতা।3
কখন?
আজ রাতে।”4
এই হলো স্মৃতি আর রসবোধের সমন্বয়ের এক মজার উদাহরণ। নেরুদার কবিতা যারা জানেন তারা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন যে এই কথোপকথনে মনসিবাইস প্রতিটি উত্তর দিচ্ছিলেন আসলে নেরুদারই কবিতার অংশগুলো উদ্ধৃতির মাধ্যমে।
২.
রসিক এই মানুষটির সাথে আমার একবারই দেখা হয়েছিল, মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহরে ২০০৪ সালে। ততদিনে তিনি যথেষ্ট বয়োবৃদ্ধ। কিন্তু শারীরিক সামর্থে্য অটুট। কী একটা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন। সেখানকার পত্রিকা মারফত আগেই জেনে ছিলাম তার আসার বার্তা। তিহুয়ানার সংস্কৃতি কেন্দ্র CECUT-এ এসেছিলেন। অনুষ্ঠানটি শুরুর আগেই আমি হাজির হয়েছিলাম। বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব যখন হলে প্রবেশ করলেন বিপুল করতালি দিয়ে বরণ করা হলো তাকে। এই মুহূর্তে মনে নেই তিনি কী বলেছিলেন। খুব সম্ভবত বিষয় ছিল সীমান্তের সংস্কৃতি, অর্থাৎ তিহুয়ানায় মার্কিন ও মেক্সিকান সংস্কৃতির মিশ্র রূপ। তার স্বভাবসুলভ রসিকতাপূর্ণ বক্তৃতা ছিল গোটা অডিয়েন্সকে তরঙ্গায়িত করার মতো। কিছুক্ষণ পরপরই হাসিতে কুটিকুটি শ্রোতৃবৃন্দ।
উচ্চতায় তিনি আমাকে ছাড়িয়ে যান, কেশবর্ণ শুভ্রতায় গরীয়ান, যেন শান্তির পতাকা তার মাথায় প্রোথিত। অথচ প্রথাবিরোধিতার লাল রক্তের প্রচ্ছন্ন নিশান সর্বদাই উড্ডীন। এও যেন এক বৈপরীত্য, কিন্তু তা কৌতুকে মোড়ানো। এই মানুষটি যেন গাম্ভীর্য্যকে খানখান করে দিতে পারেন বরফশীতল কৌতুককর রঙিন আঘাতে। অদ্ভুত বিপুল রঙ্গরসের ভাণ্ডারী তিনি। তার পুরু লেন্সের চশমা দিয়ে দেখা দৃশ্যাবলীকে তিনি যেন শুষে নিয়ে আবার তা নিজের রসায়নে জারিত করে ফিরিয়ে দিচ্ছেন পাঠকদেরকে। আমি তার সামনে দাড়াবার আগে ভেতরে ভেতরে বেশ কয়েকবার মহড়া দিলাম পরিচয়দানের সম্ভাব্য পর্বটির। মহড়া দেয়ার কারণ তার মতো এত বড় একজন লেখক আমাকে আদৌ সময় দেবেন কিনা, দিলেও কৌতুকের মাধ্যমে তাচ্ছিল্যের শিকার হওয়ারও সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে। অবশেষে সাহস পুঞ্জীভূত করে অনুষ্ঠান শেষে আমি ভিড় ঠেলে তার সামনে গিয়ে পরিচয় দিয়ে বললাম,
আমার নাম রাজু আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ থেকে এসেছি। আপনার লেখার সাথে আমি পরিচিতি।
বলেন কি! এত দূর দেশের কেউ আমার লেখা পড়ছেন, তাও স্প্যানিশে, রীতিমত অকল্পনীয়।
বললাম, শুধু পড়িই না, পড়তে গিয়ে হাসতে হাসতে মরে যাওয়ার দশা। এত রসবোধ আপনি কোত্থেকে পান!
খুব মজার একটা উত্তর দিলেন আমার পাঠপ্রতিক্রিয়া জেনে:
এখানে মরে গেলে তো একজন নির্দোষ পাঠককে মেরে ফেলার দোষে চির-অপরাধী হয়ে থাকবো। শেষে না আপনার মৃত্যু আমাকেও মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

ছবি: কার্লোস মনসিবাইস-এর দিয়াস যে গোয়ার্দার-এর প্রচ্ছদ
কী আর বলবো তার এই উত্তরে! এমনই রসিক তিনি। কিন্তু আশেপাশের লোকজনগুলো তার ও আমার কথোপকথন উপভোগ করলেও বেরসিক আয়োজকরা তাড়া দিতে থাকলো তাকে প্রস্থানের জন্য। বুঝলাম, বেশি সময় তাকে আটকে রাখা যাবে না। আমি তাড়াতাড়ি তার বিখ্যাত বই Dias de Guardar বইটি এগিয়ে দিয়ে বললাম, অনুগ্রহ করে আপনার একটা অটোগ্রাফ দিন। বইয়ের উৎসর্গ পৃষ্ঠায় তিনি লিখলেন:
আমার বাংলাদেশের বন্ধু, রাজু আলাউদ্দিনকে

A Razu Alauddin
amigo de Bangladesh
estas notas locales
con el aprecio de
Carlos Monsivais
2004

ছবি: লেখককে দেয়া কার্লোস মনসিবাইস-এর অটোগ্রাফ
বইটি হাতে নেয়ার পর তার সাথে ছবি তোলার অনুমতি চাইতেই তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলেন। আমার ক্যামেরাটি অচেনা এক শ্রোতা-দর্শকের হাতে দিয়ে তাকে অনুরোধ করলাম একটা ছবি তোলার জন্য। তিনি আমার পাশে এসে দাড়ালেন পোজ দেয়ার জন্য।
মেক্সিকোর বিখ্যাত দুই কার্লোসকেই আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল, একজন ফুয়েন্তেস, অন্যজন মনসিবাইস, ফুয়েন্তেস ছিলেন এক অগ্নিকুণ্ড, অনেকটা সাবধানে তার সামনে যেতে হয়। তার ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিল এগ্রেসিভ একটা ধরন। তার চেহারার অভিব্যক্তি যেন বলে দিত নিরাপদ দূরত্বে থাক, নয় তো ঝলসে যাবে। অন্যদিকে মনসিবাইস ছিলেন স্নিগ্ধ ও প্রশ্রয়প্রতুল। তার অভিব্যক্তির মধ্যে কর্তৃত্বপূর্ণ কিছু নেই। তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলেন।
মনসিবাইস জন্মেছিলেন ১৯৩৮ সালের ৪ মে, আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২০১০ সালের ১৯ জুন। ন’বছর হলো তিনি প্রয়াত হয়েছেন। মনসিবাইসের শূণ্যতাকে পূরণ করার মতো আজও কেউ আসেন নি, আসবে বলেও মনে হয় না। কারণ ওই শৈলী অনুকরণ বা অনুশীলন করে অর্জন করার ব্যাপার নয়। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

উৎসের দিকে

1. “ঘটনা হলো মানুষ হওয়ায় আমি ক্লান্ত হয়ে পরি”(Sucede que me canso de ser hombre)–এটি নেরুদার Recidencia en la tierra কাব্যগ্রন্থ’র Walking around নামক কবিতার প্রথম পংক্তি।
2.“পৃথিবীর আলো নিয়ে খেলা কর তুমি প্রতিদিন” (Juegas todos los días con la luz del universo.)
মনসিবাইন নেরুদার এই পংক্তিটাকে খানিকটা বদলে নিয়েছেন (poema 14, Veinte poemas de amor y una canción desesperada
3 & 4. “আজ রাতে আমি লিখে যেতে পারি দুঃখিততম কবিতা।” (Puedo escribir los versos más tristes esta noche.)– এটি নেরুদার Veinte poemas de amor y una canción desesperada নামক কাব্যগ্রন্থের ২০ তম কবিতার প্রথম পংক্তি।

আর্টস-এ প্রকাশিত রাজু আলাউদ্দিনের অন্যান্য প্রবন্ধ:
বোর্হেস সাহেব

অনুবাদ, আদর্শ ও অবহেলা

“একজন তৃতীয় সারির কবি”: রবীন্দ্রকবিতার বোর্হেসকৃত মূল্যায়ন

রক্তমাংসের রবীন্দ্রনাথ

কার্লোস ফুয়েন্তেসের মৃত্যু:
সমাহিত দর্পন?

মান্নান সৈয়দ: আমি যার কাননের পাখি

বাংলাদেশ ও শেখ মুজিব প্রসঙ্গে আঁদ্রে মালরো

স্পানঞল জগতে রবীন্দ্র প্রসারে হোসে বাসকোনসেলোস

অক্তাবিও পাসের চোখে বু্দ্ধ ও বুদ্ধবাদ:
‘তিনি হলেন সেই লোক যিনি নিজেকে দেবতা বলে দাবি করেননি ’

কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে আমার কয়েক টুকরো স্মৃতি

বনলতা সেনের ‘চোখ’-এ নজরুলের ‘আঁখি’

ন্যানো সাহিত্যতত্ত্ব: একটি ইশতেহার

যোগ্য সম্পাদনা ও প্রকাশনা সৌষ্ঠবে পূর্ণ বুদ্ধাবতার

দিয়েগো রিবেরার রবীন্দ্রনাথ: প্রতিপক্ষের প্রতিকৃতি

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: তাহলে গানের কথাই বলি

অজ্ঞতার একাকীত্ব ও আমাদের মার্কেস-পাঠ

আবেল আলার্কন: স্পানঞল ভাষায় গীতাঞ্জলির প্রথম অনুবাদক

জামান ভাই, আমাদের ব্যস্ততা, উপেক্ষা ও কদরহীনতাকে ক্ষমা করবেন

এদুয়ার্দো গালেয়ানোর ‘দর্পন’-এ বাংলাদেশ ও অন্যান্য

প্রথমার প্রতারণা ও অনুবাদকের জালিয়াতি

আবুল ফজলের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

আবু ইসহাকের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

কুদরত-উল ইসলামের ‘গন্ধলেবুর বাগানে’

মহীউদ্দীনের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

বোর্হেস নিয়ে মান্নান সৈয়দের একটি অপ্রকাশিত লেখা

অকথিত বোর্হেস: একটি তারার তিমির

ধর্মাশ্রয়ী কোপ

রবীন্দ্রনাথের চিত্রকলা সম্পর্কে অক্তাবিও পাস

লাতিন আমেরিকার সাথে বাংলার বন্ধন

উপেক্ষিত কাভাফির অর্জুন ও আমরা

পাবলো নেরুদার প্রাচ্যবাসের অভিজ্ঞতা ও দুটি কবিতা

রবি ঠাকুরের নিখিল জগৎ

শিল্পী মুর্তজা বশীরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

ফুকোর হাসি, একটি গ্রন্থের জন্ম এবং বোর্হেস

নিরবতার দোভাষী সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ

গার্সিয়া মার্কেসের প্রবন্ধ: এন্থনি কুইনের বোকামি

‘কুইজদাতা’ শওকত ওসমানের দুটি উপহার

নগ্নপদ ইলিয়াড ও আসুয়েলার বিপ্লব

ভাষার বিকৃতি: হীনম্মন্যতায় ভোগা এক মানসিক ব্যাধি?

সাহিত্য মানুষকে পোকা হওয়া থেকে রক্ষা করতে চায়

রবীন্দ্রনাথ যে-কথা দিয়েও রাখেন নি

ভাষার প্রতিভা ও সৃষ্টির ডালপালা

চর্যাপদের সর্বজনীনতা, ড. শহীদুল্লাহ ও অক্তাবিও পাস

মারিয়ার নজরুল-অনুবাদ ও মূল্যায়ন

ব্রডওয়েতে যেভাবে অপেরার ভূত দেখতে পেলাম

শামসুর রাহমানের অনুবাদে হোর্হে লুইস বোর্হেসের দুটি কবিতা ও একটি বই হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা

চিঠি ও স্মৃতিচারণায় বোর্হেস-অনুবাদক নরম্যান টমাস ডি জিওভান্নি

স্বাধীনতাযুদ্ধ সম্পর্কে অক্তাবিও পাস: ‘আমারও সহানুভূতি বাঙালিদের প্রতি’

আল মাহমুদ: লোক থেকে লোকান্তরে প্রস্থান

প্রমিত ভাষার প্রয়োজন ও আঞ্চলিক ভাষার ভূমিকা

আউগুস্তো রদ্রিগেস-এর কবিতা: মৃত্যু আমার জননী


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.