প্রবন্ধ

রবীন্দ্রজন্ম

মুহম্মদ নূরুল হুদা | 8 May , 2019  


কূটাভাসের মতো শোনালেও স্বীকার্য যে, একালের স্বাধীন বাঙালির আর্থসামাজিক তথা বস্তুবাদী অগ্রগতি তথা ভৌত ও পরিমেয় প্রগতির যে বহুলপ্রচারিত মানদণ্ড, তার এক পরাক্রান্ত বৈপরীত্যের নাম রবীন্দ্রজন্ম। ‘দেবেন্দ্রেনাথের পনেরোটি সন্তানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ চতুর্দশ।’ (রবীন্দ্রজীবনকথা, প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, পঞ্চম মুদ্রণ, আনন্দ পাবলিশার্স, মার্চ ১৯৯৭, পৃ. ৫)। বৈধ বিবাহিত যুগলের জন্যে একালের বাংলাদেশে যে আপ্তবাণী আজ বহুলমান্য : ‘ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট’ : তা সেকালে যদি বাধ্যতামূলক, নিদেনপক্ষে নৈতিকভাবে গ্রহণীয় থাকতো, আর তা মান্য করতেন দেবেন্দ্র-দম্পতি, তা হলে সমগ্র বাঙালিজাতির ভাগ্যে যে কী বিপর্যয় ঘটতো তা ভাবাই যায় না। প্রকৃতির স্বাভাবিক বিকাশের পথ মান্য করেই রবীন্দ্রজন্ম সংঘটিত হয়েছে এই দেশে এই সমাজে, আর আমরা তার গর্বিত উত্তরাধিকারী হয়েছি, এটিই আমাদের পরম সৌভাগ্য।

আসলে যে কোনো জন্ম, কোনো ঘটনা, কোনো স্বয়ম্ভূ সৃষ্টি বা নির্মাণ প্রকৃতির সদাচার-চালিত, মানুষের তাতে কোনো হাত নেই। মানুষের হাত সক্রিয় হতে থাকে ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর। মানবজন্মের ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত তার কোনো ব্যতিক্রম নেই। পৃথিবীতে এমন কেনো মহামানব আসেননি, আমাদের মতো ক্ষুদ্রমানব তো নয়ই, যিনি নিজের ইচ্ছায় জন্মগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। মানুষ কেন, অন্য কোনো প্রাণি বা অপ্রাণির জন্মের ক্ষেত্রেও এমনটি হয় না। সব জন্মই আসলের প্রকৃতির খেয়াল বা বাসনা তথা দৈবযোগের ফসল। আর এই নিয়মটিকে নিজের মতো করে বিকশিত করতে হলে প্রকৃতির প্রাকৃতিকতায় বাধা দেয়া সঙ্গত কিনা বিচার্য। রবীন্দ্রনাথও পরিপূর্ণভাবে এই নিয়মের ভেতরে থেকেই ধূলির ধরণীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, আর তা ঘটেছিলো একটি বিকাশমান মানবগোষ্ঠির স্বাভাবিক বিকাশের সঙ্গত প্রয়োজনে। তারপর প্রয়োজন ছিল সেই নবজাতকের সামগ্রিক বিকাশের জন্যে তার পারিবারিক পরিচর্যা।

বলা বাহুল্য, তাঁর জন্মের পরপরই তাঁর সংস্কারমুক্ত পিতা মানুষ হিসেবে তাঁর সর্ববিধ শিক্ষাদীক্ষা ও মনোদৈহিক প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ ও সম্পন্ন করেছিলেন। কাজেই শৈশব অতিক্রম করে কেশোর-পর্বেই রবীন্দ্রনাথ একজন সুশিক্ষিত, স্বশিক্ষিত ও স্বেচ্ছাপ্রশিক্ষিত সৃষ্টিসত্তা হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে তার সদ্ব্যবহার করছিলেন। জোড়াসাঁকোর বসতবাড়িতেই তাঁর জন্ম, এখানেই তাঁর শৈশব ও কৈশোরের পরিকল্পিত বেড়ে-ওঠা, এখানেই তাঁর সর্ববিদ্যার আদি হাতেখড়ি। সময়কে, তথা দিনের অষ্টপ্রহরকে কিভাবে পৃথকভাবে ও অন্তর্নিহিত বয়নে ফলপ্রসূভাবে অব্যাহত রাখতে হয়, তারই এক বাস্তব প্রণোদনা তাঁর জন্মবাড়ি জোড়াসাঁকো ও তার পরিব্যাপ্ত জ্ঞানকাঠামো। বিষয়ভিত্তিক পাঠ-শিক্ষা, চারুশিক্ষা, কারুশিক্ষা তথা নৈয়ায়িক মানুষের বিকাশের জন্য আবশ্যকীয় তাবৎ মানবশিক্ষার এক নন্দনকাঠামো যেন এই জোড়াসাঁকো। এ যেন বাড়ি নয়, এক বৈদিক পাঠশালা, কিংবা গ্রিক আরস্তুলের মুক্ত আকাদেমি, কিংবা কনফুসিয়সের সমাজ-পাঠশালা কিংবা তপোবন-মুনির গুরুগৃহ। রবীন্দ্রনাথের এই নৈয়ায়িক দৈবজন্ম এভাবেই এই বাঙালি সমাজে ও বাঙালির ভূগোলের পরিধিতে সঙ্ঘটিত হয়েছিলো। তাই আমরা তাঁর অনন্তজন্মের আগে তাঁর হাত দিয়ে গড়া তারই সৃষ্টিশীলতার বিশ্বরূপ প্রত্যক্ষ করেছি তাঁরই বিমূর্ত সৃষ্টিসমগ্রে ও তৎসৃষ্ট মূর্ত জ্ঞানবাড়ি শান্তিনিকেতনে। ভাবতে অবাক লাগে, রবীনাথ এই মহাপৃথিবীর ইতিহাসে দৃষ্টান্তবিরল তেমন এক লোকমনীষা যিনি জন্ম থেকে শুরু করে পরবর্তী জন্মান্তরকেও এভাবে মূর্ত ও বিমূর্ত নন্দনসূত্রে সংগ্রথিত করেছেন ও অটুট রেখেছেন। এই বিমূর্ত সংগ্রথনের প্রয়োজনেই আসে ব্যক্তির খণ্ডজন্ম ও অখণ্ড জন্মের সূত্র; যার স্বাভাবিক অনুষঙ্গ হিসেবে আসতে পারে খণ্ড খেকে অখণ্ডে উত্তরণের প্রক্রিয়ার কথা।

সম্ভবত এই কারণেই তাঁর জন্মচিন্তার সঙ্গে ‘মুত্যু’ চিন্তাও জীবনের সঙ্গে ইতিবাচক ঐক্যে বরণীয়। ফলে কবিজীবনের শুরুতেই রবীন্দ্রনাথের প্রথম গ্রাহ্য কবিতায় তাঁর উচ্চারণ:

‘মরণ রে,

তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।।

………………………………………..

মৃত্যু অমৃত কর দান।

তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।।

…………………………………………..

তুঁহুঁ মম মাধব, তুঁহুঁ মম দোসর,

তুঁহুঁ মম তাপ ঘোচাও।

তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।।

মরণ যদি তার বন্ধু হয়, তাহলে জীবন কি শত্রু? এই প্রশ্নের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অন্বেষার মধ্যেই রবীন্দ্রজন্মের নানাকৌণিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যাগ্রাহ্য। ‘মরণ’ শীর্ষক এই কবিতাটি ঐতিহ্যবাহী প্রকরণে এক অনুপম রচনা, যেখানে ভানুসিংহের জবানিতে তিনি ‘মৃত্যু’কে অখণ্ড ও প্রেমময় চিরজন্মের এক রূপান্তর প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। ‘একলাই তার অভিসারে যাবো, সব ভয়বাধা অভয়মূর্তি ধরে আমাকে পথ দেখাবে।’ চিরজীবন ও চিরজন্মের এই অভয়মূর্তির সঙ্গে কেশৈারেই রবীন্দ্রনাথের দেখা মিলেছিলো, এ-ও এক অভাবনীয় সত্য।

প্রশ্ন করা যেতে পারে, এটি কিশোরবয়সের অত্যুক্তি বা অতিকথন, নাকি এক স্বজ্ঞাপ্রসূত ধ্যানোক্তি? নাকি রবীন্দ্রনাথ সেই কৈশোরেই কবিত্বের পাশাপাশি ঋষিত্ব অর্জনেও সিদ্ধি লাভ করেছিলেন? উত্তর পাওয়া যেতে পারে তাঁর অন্যান্য গদ্যপদ্যময় অভিব্যক্তিতে, যেখানে তিনি সমরূপ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছেন। আসলে এটি এক বিশদ অন্বেষা হতে পারে, কেননা এই ভাবনা তাঁর ‘শেষলেখা’সহ সারাজীবনের সর্ববিধ রচনায় কোনো-না-কোনোভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ তাঁর অপরিমেয় চিন্তা অতি সরলীকৃত বিচারেও সীমা-অসীমের মধ্যে এক সেতু-উপলব্ধি সংসাধন করে, যা উৎসগত অভিধায় বৈদিক ও উপনিষদীয়। এই উপলব্ধির রবীন্দ্রপ্রদত্ত পরিভাষা ‘জ্যোতি’, যার লয় নেই, ক্ষয় নেই, আছে শুধু জয়: “প্রভাতসূর্য এসেছো রুদ্রসাজে,/ দুঃখের পথে তোমার তূর্য বাজে,/ অরুণবহ্নি জ্বালাও চিত্ত-মাঝে – / মৃত্যুর হোক লয়।/ তোমারি হোক জয়।।” জ্যোতি ও জন্ম এই বিচারে রবীন্দ্রমনীষার এক অদ্বৈত অন্বেষণ-রীতি। কতকটা এই কারণেই তিনি তথাকথিত বস্তুবাদী ‘সুসভ্যতার আলোক’ না হয়ে পরজন্মে ‘ব্রজের রাখাল-বালক’ হতে চেয়েছিলেন। “আমি নাই-বা গেলাম বিলাত,/ নাই-বা পেলাম রাজার খিলাত – / যদি পরজন্মে পাইরে হতে ব্রজের রাখাল-বালক।/ আমি নিবিয়ে দেব নিজের ঘরে সুসভ্যতার আলোক।” চিরবঙ্গের চির রাখাল-বালক যথার্থই দেখেছেন কালো তমাল-মূলে শাঙন-মেঘের ছায়া পড়ে, আর কুঞ্জবনে ময়ূর কলাপ খুলে নাচে। তাই ব্রজের গোপবালক হতে পারলে তিনি এমনকি ‘নববঙ্গে নবযুগের চালক’ হতেও অনীহা প্রকাশ প্রকাশ করেছিলেন।

সেই চিন্তারই পরিমেয় প্রতিফলন তার শান্তিনিকেতন, যা নববঙ্গ নয়, বরং বলা যেতে পারে রবীন্দ্রবঙ্গ, যেখানে সুসভ্যতার আলোক ও ব্রজের রাখাল-বালকের চিন্তার মধ্যে এক বিমূর্ত সংশ্লেষ সংসাধিত হয়েছে বিবর্তমান রবীন্দ্রদর্শনের অনুষঙ্গী হয়ে। উদার আলোক ও উন্মুক্ত বাতাসের যে চিরনীলিম পরিবেশ রবীন্দ্রনাথের জন্মসাধ ছিল, যেখানে তিনি মঙ্গলপ্রভাতে অনন্ত আকাশে মস্তক তুলতে চেয়েছিলেন, সেটি তেমনি এক মর্ত্যস্বর্গ, যেখানে মানুষ চিরজন্মের বদলপ্রবণ যাত্রী। সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন নিজেকে, আর যে কোনো অনন্তজন্মপিয়াসী পরিব্রাজককেও।

কোনটি তাঁর আসল জন্ম মুহূর্ত? না, সেটি কবির জানা নেই। জীবন, বিশেষত এই মানবজীবন একটি অভিনব জগৎ। এখানে প্রবেশের জন্যে একটি সিংহদ্বার আছে। প্রবেশের পর এই জীবনের মধ্যেই শুরু হয় এক আশ্চর্য সংসার। এই সংসারী জীবনও এক মহানিকেতন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘জন্ম’ কবিতার শুরুতে এভাবেই অনন্য এক রূপক চিত্র এঁকেছেন এই মর্ত্যজীবনের। তারপর তার সহজ স্বীকারোক্তি, “সে ক্ষণ অজ্ঞাত মোর। কোন্ শক্তি মোরে ফুটাইল এ বিপুল রহস্যের ক্রোড়ে অর্ধরাত্রে মহারণ্যে মুকুলের মতো।” তারপর ভোরে মুখ তুলে যখন ‘কনককিরণ-গাঁথা নীলাম্বরপরা’ সুখ-দুঃখ খচিত এই সংসারলোক তার চেখে উদ্ভাসিত হলো, তখনি সেই চিরশিশু তাকে চিরপরিচিত মাতৃবক্ষ হিসেবে ধরে নিলো। এখানে আরেকটি ইশারা। ‘মাতৃবক্ষসম নিতান্তই পরিচিত, একান্তই মম”। তাহলে বারংবার এক জন্ম থেকে অন্য জন্মে তিনি এই মাতৃবক্ষ দেখেছেন; তাই এই বুকখানি তার এতো পরিচিত। তাহলে তিনি কি শুধু এক পরিমেয় বা মূর্ত মর্ত্যজননী, এক মহিয়সী জন্মযাত্রী?

না, কেবল তাতেই সীমাবদ্ধ নয় এই মাতৃশক্তি। রবীন্দ্রনাথ কাব্যিক সংশয়কে পরিহার করে দার্শনিকের বিমূর্ত মীমাংসার আশ্রয়ে উচ্চারণ করছেন, “রূপহীন জ্ঞানাতীত ভীষণ শকতি/ ধরেছে আমার কাছে জননীমুরতি।” এই জননীসত্তা এমন এক উপলব্ধি, যা মুহূর্তে মুহূর্তে রূপান্তরিত হতে পারে; রূপ থেকে অরূপে বা অরূপ থেকে রূপে ফিরতে পারে। কিন্তু কখন ঘটবে সেই রূপবদল? না, জানা নেই। কেননা পার্থিব জন্মের মতো পার্থিব মৃত্যুর মুহূর্তও মানুষের অজানা। “মৃত্যুও অজ্ঞাত মোর।/ আজি তার তরে ক্ষণে ক্ষণে শিহরিয়া কাঁপিতেছি ডরে।/ … স্তন হতে তুলে নিলে কাঁদে শিশু ডরে,/ মুহূর্তে আশ্বাস পায় গিয়ে স্তনান্তরে”।

এভাবেই জন্ম থেকে জন্মান্তর, স্তন থেকে স্তনান্তরে তাঁর যাত্রা। তিনি মানে রবীন্দ্রনাথ, এই বঙ্গভূমিতে মানবজন্মে সমর্পিত হওয়া এক রূপান্তরপ্রবণ প্রাণসত্তা। মানবজন্মের পর অন্য জন্মে প্রস্থানের মুহূর্ত পযন্ত বাঙালির সামনে তিনি রেখে গেছেন এক অনন্য জীবনাচার, এক প্রাকৃত জীবনদীক্ষা, যা তার উত্তরপ্রজন্মের সামনে নানা সংকটের এক সহজ উদ্ধার হিসেবে বিবেচিত ও গৃহীত হতে পারে। প্রতি রবীন্দ্রজন্মক্ষণে গুরু রবীন্দ্রনাথের চেয়ে এই মানবমুক্তির প্রণোদনাদাতা রবীন্দ্রনাথের কাম্যতা উত্তরকালের কাছে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক। উল্লেখ্য, মানবজন্মের আশিবছর পূর্ণ হওয়ার মুহূর্তে তিনি ভাবিত হয়েছিলেন সভ্যতার সংকট নিয়ে।

‘সভ্যতা’ কি? পাশ্চাত্য দর্শন তাকে বলে ‘সিভিলিজেশন’। রবীন্দ্রনাথ বলছেন, “সিভিলিজেশন, যাকে আমরা সভ্যতা নাম দিয়ে তর্জমা করেছি, তার যথার্থ প্রতিশব্দ আমাদের ভাষায় পাওয়া সহজ নয়। এই সভ্যতার যে রূপ আমাদের দেশে প্রচলিত ছিল মনু তাকে বলেছেন সদাচার।… সদাচারের যে আদর্শ একদা মনু ব্রহ্মাবর্তে প্রতিষ্ঠিত দেখেছিলেন সেই আদর্শ ক্রমশ লোকাচারকে আশ্রয় করলে।”

এই সদাচার এই লোকাচারই রবীন্দ্রাচারের নামান্তর। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র তথা নানা মানব-ভিন্নতার ঊর্ধে এই অভিন্ন মানবাচারই মানুষে মানুষে বন্ধনের মিত্র-রজ্জু। এই সদাচারী মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ। প্রতি রবীন্দ্রজন্মের প্রতীকী মুহূর্তে এই হোক আমাদের নৈয়ায়িক মানবাচার। এটিকে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন সভ্যতার বিশুদ্ধ আত্মপ্রকাশ। মহপ্রলয় কি সত্যি ঘটবে? হয়তো ঘটবে। তবে সত্য হোক রবীন্দ্রবাণী, “মহপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূযোদয়ের দিগন্ত থেকে।”

তার জন্যে দরকার মনু-বর্ণিত সদাচার তথা লোকাচার তথা রবীন্দ্রাচারে স্বশিক্ষিত মানুষবাঙালির শক্তিরূপ রবীন্দ্রজন্ম।


1 Response

  1. ইকবাল করিম হাসনু says:

    সংহত বাক্যে, ঠাসবুননে এমন প্রোজ্জ্বল এষণায় রবীন্দ্রনাথকে অনুভব ও বোঝার পাঠ যেন কবি নূরুল হুদার কাছে থেকে আরও বেশি বেশি করে পাই সেই আশায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.