বইমেলা

অমর একুশে বইমেলা : অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

জালাল ফিরোজ | 5 Feb , 2019  

পঞ্চম পর্ব : নতুন নতুন নিয়ম প্রবর্তন


গ্রন্থমেলা ১৯৮৫ : পরিচালনা কমিটি গঠন
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ১৯৮৫-র মেয়াদ ছিল ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলা পরিচালনার জন্য ১২ সদস্যের পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক মনজুরে মওলা এবং আহবায়ক ছিলেন একাডেমির বিক্রয় ও বিপণন উপবিভাগের উপপরিচালক হাবীব-উল-আলম। পরিচালনা কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সানাউল হক (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), আশরাফ আলী (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমতির (বাপুপ্রবিস) প্রতিনিধি চিত্তরঞ্জন সাহা, মোশারাফউদ্দিন ভূঁইয়া, মহিউদ্দিন আহমেদ, ইফতেখার রসুল জর্জ, মঈনুল হাসান (একাডেমির সচিব), গোলাম মঈনউদ্দিন (একাডেমির পরিচালক) ও তপন চক্রবর্তী (একাডেমির উপপরিচালক)।

৭ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন হাবীব-উল-আলম। সভাপতিত্ব করেন মনজুরে মওলা। প্রধান অতিথি ছিলেন একাডেমির সভাপতি আ ফ ম আবদুল হক ফরিদী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাসিক দিলরুবা পত্রিকার সম্পাদক এ এইচ এম আবদুল কাদের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে গ্রন্থোন্নয়ন ও গ্রন্থ বিপণনের সমস্যা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম হাবিবুল্লাহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এই বছরের মেলায় ৮২টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। ৮ থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একাডেমি ‘বাংলা একাডেমী প্রকাশিত গ্রন্থের আলোচনা’, লেখকদের নিজস্ব রচনা থেকে পাঠ, আবৃত্তি ও পাঠ এবং সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। একাডেমির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় : ‘এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় লোক সমাগম যেমন বেড়েছে, তেমনি বই বিক্রির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই গতবারের চাইতে বেশি টাকার বই বিক্রি করেছে। এ বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর নগদ বই বিক্রির পরিমাণ ২,৮০,৭৩৯.৭৮ (দুই লক্ষ আশি হাজার সাতশত উনচল্লিশ টাকা আটাত্তর পয়সা) টাকা যেখানে গত বছর এই সময়ে নগদ বিক্রির পরিমাণ ছিল ১,৭০,৩০৪.২৪ টাকা (এক লক্ষ সত্তর হাজার তিন শত চুরানব্বই টাকা চব্বিশ পয়সা)।’

গ্রন্থমেলা ১৯৮৬ : নতুন নতুন নিয়ম প্রবর্তন
১৯৮৬ সালের গ্রন্থমেলা শুরু হয় ৭ই ফেব্রুয়ারি, চলে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ৭ই ফেব্রুয়ারি গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আলী আহমদ। স্বাগত ভাষণ দেন একাডেমির মহাপরিচালক মনজুরে মওলা। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ ফজলুল হক। এই অনুষ্ঠানে প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমদকে একাডেমি ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

১৯৮৬ সালে ৬৪টি প্রতিষ্ঠান ১০২টি স্টল নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে। এই বছর নিয়ম করা হয় যে, ‘এ-গ্রন্থমেলায় শুধুমাত্র বাংলাদেশে প্রকাশিত বই প্রচার বা বিক্রি করা যাবে। বাইরের কোন দেশের বই প্রচার বা বিক্রি করা যাবে না।’ যেসব প্রকাশক আগের বছরে কমপক্ষে তিনটি গবেষণামূলক কিংবা সাহিত্যের বই প্রকাশ করেছেন, গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথম লটারির মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই বছরের মেলায় পূর্বের মতো চিকিৎসা কেন্দ্র ও তথ্যকেন্দ্র ছিল।

গ্রন্থমেলা উপলক্ষে বাংলা একাডেমি ‘ভাষা-শহীদ গ্রন্থমেলা’ সিরিজের অধীনে ১০১টি বই প্রকাশ করে। এসব গ্রন্থ তখন পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

এই বছর একাডেমি একুশে উদযাপন ও অমর একুশে গ্রন্থমেলা সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানমালাকে তিনটি পর্বে বিভক্ত করে। ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানমালার নাম দেওয়া হয় ‘সূচনা পর্ব’। এই পর্বে প্রতিদিন বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত এক বা একাধিক বই নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। ১৫ থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিয় হয় ‘মূল পর্ব’। এই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীরা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং এসব প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করা হয়। ১৬ই ফেব্রুয়ারি শিল্পী শাহাবুদ্দীনের ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। উদ্বোধন করেন শিল্পী কামরুল হাসান। ২৩ থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ‘একুশোত্তর পর্ব’। এই পর্বে ২৩শে ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে ‘ভাষা আন্দোলনের আর্থ-সামাজিক পটভূমি’ বিষয়ে সেমিনার হয়। এর পরের পাঁচদিন দেশের ১১ জন লেখক ‘আমার লেখা’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। লেখকদের মধ্যে ছিলেন : আবুল হোসেন, রাবেয়া খাতুন, নির্মলেন্দু গুণ, বেগম লায়লা সামাদ, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, আবু রুশদ মতীন উদ্দিন, শওকত ওসমান, ফজল শাহাবুদ্দীন, আলাউদ্দিন আল আজাদ, সানাউল হক এবং সাঈদ আহমদ।

১৯৮৬ সালের গ্রন্থমেলা ছিল মহাপরিচালক মনজুরে মওলার অধীনে সর্বশেষ বইমেলা। লক্ষ করা গেছে যে, তাঁর আমলে গ্রন্থমেলা পূর্বের চেয়ে বেশি সংগঠিত রূপ পায়। মেলার নাম পরিবর্তিত হয়। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে এমন অনেক নতুন মাত্রা যুক্ত হয় যেগুলো পরে স্থায়ীভাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলার অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়। সর্বোপরি এই সময় থেকে একুশের প্রবন্ধ, একুশের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদি, গ্রন্থমেলা ও বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য, ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ সংরক্ষণ ও সাধারণের পাঠভুক্ত করার জন্য নিয়মিতভাবে প্রতি বছর একুশের স্মারকগ্রন্থ ও একুশের প্রবন্ধ-এর প্রকাশনা শুরু হয়। বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্প, একাডেমির কার্যক্রম, অমর একুশে গ্রন্থমেলা এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের ইতিহাস জানা ও বিশ্লেষণের জন্য এসব প্রকাশনা মূল্যবান আকর গ্রন্থ বিবেচিত হতে পারে।

গ্রন্থমেলা ১৯৮৭ : জীবনী গ্রন্থ, মনীষীর প্রতিকৃতি
অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৮৬ সালের ১১ই মার্চ বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। তাঁর অধীনে তিনটি গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়। ১৯৮৭ সালে তাঁর নেতৃত্ব প্রথম গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়। লক্ষ করা যাবে, এই সময়ে পূর্বের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে গ্রন্থমেলা আয়োজনে নতুন কিছু দিক যুক্ত করা হয়। এই বছরের মেলা চলে ৭-২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ৭ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে আয়োজিত মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন একাডেমির মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল। সভাপতিত্ব করেন অধাপক সিরাজুল হক। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল হক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ফজলে রাব্বী এবং গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হাবীব-উল-আলম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া নিজের স্বাগত ভাষণে একাডেমির মহাপরিচালক পূর্ববর্তী গ্রন্থমেলাসমূহ সম্পর্কে কিছু তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন :

১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত মেলায় মাত্র ত্রিশটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮২ সালে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫৪। ১৯৮৪ সালের গ্রন্থমেলায় স্টলের সংখ্যা ছিল ৮০; ১৯৮৫ সালে স্টলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৮২ এবং মোট ৫৫টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৬ সালে স্টল ও অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা-বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিলো যথাক্রমে ১০২ ও ৬৪। বর্তমান গ্রন্থমেলায় ১৫৩টি স্টলে মোট ১০৩টি প্রতিষ্ঠান তাঁদের গ্রন্থসম্ভার সাজিয়েছেন।

১৯৮৭ সালে গ্রন্থমেলা পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের একটি পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ও আহ্বায়ক ছিলেন যথাক্রমে একাডেমির মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও উপপরিচালক হাবীব-উল-আলম। কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সানাউল হক (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), আলাউদ্দিন আল আজাদ (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), এ বি চৌধুরী (একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য), চিত্তরঞ্জন সাহা (বাপুপ্রবিস প্রতিনিধি), ইফতেখার রসুল জর্জ (বাপুপ্রবিস প্রতিনিধি), ওসমান গণি (বাপুপ্রবিস প্রতিনিধি), রুহুল আমীন (বাপুপ্রবিস প্রতিনিধি), মঈনুল হাসান (সচিব, বাংলা একাডেমি), গোলাম মঈনুদ্দিন (পরিচালক, বাংলা একাডেমি), সুব্রত বিকাশ বড়ুয়া (উপপরিচালক, বাংলা একাডেমি) ও আশফাক-উল আলম (উপপরিচালক, বাংলা একাডেমি)।

১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি গ্রন্থমেলাকে সামনে রেখে ‘জীবনীগ্রন্থমালা’ সিরিজের বই প্রকাশনা শুরু করে। এবার সিরিজের ৩০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। অমর একুশে ও গ্রন্থমেলা উপলক্ষে একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানমালাকে তিন পর্বে বিভক্ত করা হয়। ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ‘সূচনা পর্ব’। এই পর্বে শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বাংলা প্রকাশিত বই নিয়ে আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়। ১৫ থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল ‘মূল পর্ব’। এই পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সেমিনার আয়জিত হয়। প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও ছিল। ২২ থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ‘একুশোত্তর পর্ব’। ১৯৮৬ সালের মতো এই বছরেও একাডেমি বিশিষ্ট লেখকদের ‘আমার লেখা’ নিয়ে কথা বলার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই বছর একাডেমি গ্রন্থমেলা উপলক্ষে ভাষা শহীদ-সহ প্রয়াত ৪৭ জন মনীষীর প্রতিকৃতি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে। এছাড়া ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি, স্মরণীয় স্থান, আন্দোলনের বিশেষ দৃশ্য প্রভৃতির আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজিত হয়। একাডেমির বর্ধমান ভবনের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফিক সোসাইটি ও ফটোগ্রাফি একাডেমীর উদ্যোগে বাংলাদেশ বিষয়ক ২৫০টি আলোকচিত্র প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৮৭ সালের গ্রন্থমেলায় সবমিলে কিংবা কেবল বাংলা একাডেমির স্টলে কত টাকার বই হয়েছিল এই তথ্য পাওয়া যায়নি। এই বছরই প্রথম মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে পাঁচটিকে অঙ্গ-সৌষ্ঠব ও অভ্যন্তরীণ অলংকরণের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। ১ম, ২য় ও ৩য় স্থানের জন্য যথাক্রমে ৫০০০.০০, ৩০০০.০০ ও ২০০০.০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া সকল বিজয়ী, ৪র্থ ও ৫ম স্থান অধিকারকারী-সহ, প্রতিষ্ঠানকে সনদ দেওয়া হয়। পুরস্কৃত প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল : জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী (১ম), টোনাটুনি (২য়), সব্যসাচী (৩য়), ডানা প্রকাশনী (৪র্থ) ও মুক্তধারা (৫ম)। বিচারকমণ্ডলিতে ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক, শিল্পী কাজী আব্দুল বাসেত ও স্থপতি শামসুল ওয়ারেস। ২৭শে ফেব্রুয়ারি একাডেমি বাপুপ্রবিস প্রতিনিধিদের এক চা-চক্রে আমন্ত্রিত করে এবং এখানে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
টীকা:
১.একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘৮৬, বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৮৬, পৃ. ১৮১
২.একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘৮৬, বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৮৬, পৃ. ১৮২
৩.একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘সাতাশি, বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৮৭, পৃ. ১২৭
৪. পূর্বোক্ত, পৃ. ১২৬-১২৭
৫.একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘সাতাশি, বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৮৭, পৃ. ১৫৫-১৫৬
৬.একুশের স্মারকগ্রন্থ ‘সাতাশি, বাংলা একাডেমী, ঢাকা ১৯৮৭, পৃ. ২৭৩

(ষষ্ঠ পর্বে দেখুন : স্থান সংকুলান হচ্ছে না, গ্রন্থমেলা একাডেমি প্রাঙ্গণের বাইরে নেয়ার দাবি)

Flag Counter


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.