শ্রদ্ধাঞ্জলি

অ্যানার্কির রকস্টার- ‘চমস্কি’ গ্যাংনাম স্টাইল

অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায় | 8 Dec , 2018  


গম্ভীর, কানায় কানায় ভরা সভাগৃহ। পিন-পতনের সমানই নিস্তব্ধতা। ঠিকই। বক্তা এসেছেন ট্রাম্পের পরিবেশ নীতির কড়া সমালোচনা করতে। এই সভাই হঠাৎ হর্ষ ও তালিতে উল্লসিত হয়ে উঠল যখন তিনি তার স্বভাবসিদ্ধ সারকাজম্‌ এ বলে উঠলেন- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা রিফিউজি সমস্যা নিয়ে বলেছেন যে, যেই দেশ বা দেশগুলি এই গ্রীন-হাউস গ্যাসের প্রোডিউসার, যাদের কারণে এই লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে চলেছেন, রিফিউজি হিসেবে তাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত- সেই ধনিক পরিবেশ দেশ আমেরিকার দিকে ধাওয়া করে যাত্রা করা। আমেরিকা এবার এই বাস্তুচ্যুত হতে যাওয়া মানুষগুলিকে বাসস্থান দিক।
ইদানীং বারবার তাকে পরিবেশ নিয়ে সরব হতে দেখা যাচ্ছে। তিনি বাংলাদেশ ও ভারত বদ্বীপ অঞ্চলের নীচুজমিতে বাস করা মানুষদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। অ্যান্টার্ক্টিকার বরফ গলছে। চমস্কি উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন যে-বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়েও বাস্তবে তা আরও দ্রুত গতিতে গলছে, এবং খুব তাড়াতাড়িই লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত ও সর্বহারা হয়ে পড়বেন। গত জুলাই মাসে এক ভাষণে উষ্ণায়ন সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে বাংলাদেশের আসন্ন পরিবেশ পরিস্থিতিকে উল্লেখ করেছেন- ‘এ ফুটনোট অফ ট্রাজেডি’ বলে।

তিনি নোম চমস্কি। আকাডেমিয়ার রকস্টার । অ্যানার্কির মুখপাত্র। সারা পৃথিবী জুড়ে ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে যত মানবিক আন্দোলন, গাজা থেকে বাংলাদেশ, ভারত থেকে লাতিন আমেরিকা সব কিছুর গতিবিধি তার নখর-আয়নায়। বিশ্ব ক্রাইসিসের চলন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া।

পশ্চিমবঙ্গে তখন সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম ও লালগড় আন্দোলন চলছে। সারা রাজ্য, শহর জুড়ে বিক্ষোভ। মুনাফার নামে কৃষক, অরণ্যবাসীদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। মাল্টিন্যাশনালদের মুনাফার লোভে শাসক শ্রেণীর হাতে এমনকি ঘটে গেলো জিনোসাইড। ডিসেম্বরের ভয়ানক এক সকালে অশীতিপর মহাশ্বেতা দেবী টিভি ক্যামেরার সামনে এই ভয়াবহ ঘটনার বেদনায় নতশির হয়ে পড়লেন। আবেদন করলেন শুভবুদ্ধির মানুষের কাছে।
সারা রাজ্যে আগুণ জ্বলে উঠল। লাভার মত বইছে মানুষের জমানো দ্বেষ, রাগ। প্রস্তুত হল লক্ষ মানুষের মিছিল। মেধা পাটেকর থেকে শুরু করে সারা ভারত থেকে সমাজকর্মীরা এসে যোগ দিলেন ঐতিহাসিক সেই মহামিছিলে। মিছিল তখন চলতে শুরু করেছে। সামনের সারিতে মহাশ্বেতা থেকে শুরু করে শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মীরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সারা কলকাতা স্তব্ধ। হঠাৎই কার হাতে ছাপা হয়ে এসে গেলো কিছু হলুদ লিফলেট – আমেরিকা থেকে নোম চমস্কি এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। মিছিলের গতি বেড়ে গেলো। আমরা লাফিয়ে উঠলাম উল্লাসে। আমারা যারা ভিড় ও ব্যানার সামলানোর জন্য মিছিলের আগায়, তারা হাওয়ায় ওড়াতে লাগলাম হলুদ কাগজ। উচ্ছল হয়ে উঠল নেতা থেকে থেকে ছাত্র, জনতা। মিছিল তখন কলেজ স্ট্রীট ছাড়িয়ে লোহাপট্টি দিয়ে যাচ্ছে। দু’পাশে সারি সারি উপনিবেশ আমলের দোতলা ও তেতলা বাড়ি। কোনটিতে লোহার জাফরি রেলিং। রঙ্গিন কাঁচের জানলা। ব্রিটিশ সময়ের ক্ষয়ে যাওয়া ভাঙ্গাচোরা সবুজ রঙ করা থাম। এমন সময় সেখান থেকে কে বা কারা জানি দমকা মেরে উড়িয়ে দিলো ফুল। ঝুরো ঝুরো ফুল এসে পড়ছে মিছিলে আমাদের গায়ে পায়ে। মানুষ বিহ্বল। কারুর কারুর চোখে সত্যিই জল। অভাবনীয় এ দৃশ্যের মাঝে উড়ে যাচ্ছে তার বার্তা লেখা হলুদ লিফলেট। বেঁচে থাকতে সাধ হল।

এ কথাই জানিয়েছি তাকে এ জন্মদিনে। বেঁচে থেকে লাভ হল। কথা ছিল তার নব্বইয়ের জন্মদিনে লিখে জানানোর, কোন বিশেষ স্মৃতি, তার প্রভাব কারুর জীবনে কিছু পাল্টেছে কিনা। তার এখনকার স্ত্রী ভালেরী এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তাকে সামনাসামনি দেখবার স্মৃতি বেশীদিনের নয়। কিন্তু মাথায় চারিয়ে যাবার স্মৃতি দীর্ঘ। কোন এক কৈশোর শেষের বইমেলা থেকে হাতে এসে পরেছিল- একটি অনুবাদ বই, যার নাম ছিল- পৃথিবী কোন দিকে চলছে?

কাজ করার সুযোগ পেলাম পরে। আমার ছবির কারণে। এ প্রসঙ্গে অভিজ্ঞতা নেহাতই বেদনার ও মজাদার। তখন আমার ছবি ‘দ্য থার্ড ব্রেস্ট’-এর শ্যুটিং চলছে। ভারতের আদিবাসী গ্রাম থেকে শুরু করে ইউ কে, ইওরোপ থেকে আমেরিকা ইন্টার্ভিউ আর শ্যুটিং এর কাজে এ প্রান্ত-ও প্রান্ত করছি। মানুষের মূল্যবান ভাষ্যগুলি ধরে রাখার জন্য। এরকম সময় উপনিবেশবাদ তত্ত্বের একজন কিংবদন্তী, অন্যতম জীবিত দাপুটে স্কলার, আমায় হঠাৎ মেইল করলেন- “তুমি ইন্টার্ভিউ নিতে চেয়েছিলে, ১৫ দিন বাদে একটা ডেট আছে? পারবে?” অসুস্থ ছেলেকে রেখে, তার ইন্সিওরেন্স না কিনে সে টাকায় উড়ে গেলাম নিউইয়র্ক। সারা জীবন তার সামনাসামনি বসে তার ভাষণ শোনারও অভিজ্ঞতা হয়নি। তিনি নিজে মনে করে এই ইন্টার্ভিউ-এর সময় দিচ্ছেন। ফিরে তাকাইনি। আমি তখনও ছাত্র। স্কলারশিপের টাকায় ছেলেকে নিয়ে খেয়ে-পড়ে থাকি। নিউইয়র্ক পৌঁছে সারারাত প্রশ্নগুলো কাটাছেঁড়া করলাম। ট্যাক্সি চড়বার পয়সা নেই, এদিকে আমি ওয়ান-উওম্যান-ব্যান্ড। ক্যামেরা, শব্দযন্ত্র সব কিছু আমিই রেকর্ড করি। পারি বলে নয়- অর্থাভাবে। আর এখন নিজে করাটাই অভ্যাস হয়ে গেছে। সে যাক। কথা হচ্ছে- অত যন্ত্রপাতি নিয়ে একা পৌঁছনো, তাও সকালের সাবওয়ের ট্র্যাফিক ঠেলে। ভিড় এড়াতে খুব ভোর ভোর বের হয়ে বাস ধরলাম। যাতে ফাঁকা থাকে। তার বাড়ির দরজায় অপেক্ষা করতে লাগলাম সময় না হওয়া পর্যন্ত। দারোয়ান এসে দুবার খেদিয়ে গেলো। তারপর তিনি ডাকলেন। শিহরিত হতে হতে, ঘামতে ঘামতে ওপরে গেলাম। তিনি এলেন। তার স্বাভাবিক দম্ভে কথা শুরু করলেন। কিন্তু অপুর্ব আন্তরিকও। আমি ক্যামেরা, সাউন্ড সেট করছি। আর তিনি আমায় নানা প্রশ্ন করছেন – স্নেহ করেই ফেলছিলেন প্রায়। হঠাৎ জানতে চেয়ে বসলেন- আর কে কে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। বল্লাম। প্রফেসর চমস্কির নামও বল্লাম। তার সাথে বনিবনা নেই জেনেও বল্লাম। তিনি অগ্নিবর্ণা হয়ে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালেন, আমায় অভিযোগ করলেন- কেন তাকে আমি এ অপমান করলাম, এর কোন অভিসন্ধি আছে কিনা? কে বা কারা আমাকে পাঠিয়েছে? আমিতো বেভুল তাধিনা। কিছুই বুঝতে পারছিনা। অনেক চালাচালি শেষে আমায় সঙ্গে সঙ্গে চলে যেতে বল্লেন। সংক্ষেপে এই। অবশ্যই তাঁর নাম নিচ্ছিনা।

পরে আমার রাগত সুহৃদদের কাছে এই পরিস্থিতির বর্ননা করতে গিয়ে আমি এক ফ্রেজ এর জন্ম দিয়ে ফেলি। আমি ফিরে এসে আমার রাগত বন্ধুদের বলি- ‘আরে আমি বুঝবো কি? আমি তো তখন চমকে চমস্কি’। আমার ইন্টার্ভিউ ও গরীবের কাঁড়িমণ টাকা আকাশপথে গলে গেলেও এই ফ্রেজটি হিট হয়ে যায়।

এর পরপরই দেখা করতে গিয়ে স্যারকে বল্লাম- আমি কিন্তু আমার বন্ধু মহলে একটা ফ্রেজ চালু করে ফেলেছি। আপনাকে নিয়ে । তিনি সেই ধীর লয়ে, অতি স্মিত হেসে, মৃদু অথচ দৃঢ় কণ্ঠে বল্লেন- ‘কি রকম? ”
আমি বল্লাম- ‘চমকে চমস্কি !’
তার অর্থ বুঝিয়ে দেওয়ার পর খুব হইহই করে হাসলাম সবাই, মানে তিনি আমি তার সহকারী বেভ স্টোল। একবার উচ্চারণও করলেন নিজেই- হাসতে হাসতে- চমকে চমস্কি।

আপাদমস্তক পরিহাসপ্রিয়, রোম্যান্টিক, প্রেমিক এই মানুষটি অ্যানার্কি’র মানুষদের ভাষ্যদাতা। অ্যানার্কিতে আমাদের মুখের ভাষা জুগিয়ে আসছেন সেই ষাটের দশক থেকে। সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে যার ইমেজ রকস্টার সম, তার নিজের দেশে রকমসকম অন্য, কিছু সচেতন গোষ্ঠী বাদ দিলে।

তখন প্রথমবার ইন্টার্ভিউ নিতে গেছি। একথা সেকথার পর বল্লেন আমায়- ইন্টার্ভিউ নিচ্ছ নাও। কিন্তু তুমিতো এখনও ছাত্র। চাকরী খুঁজতে হবে। আমার নাম জুড়ে গেলে চাকরী পাবেনা। একথা ঠিক যে তার কথা সিরিয়াসলি নিইনি। রেজুমে বা ওয়েবসাইট থেকেও সরাইনি। দেড় বছর চাকরীহীন থেকে সে জিনিশ হাড়ে-মজ্জায় উপলব্ধি করার পর বন্ধুদের চাপে, আমার সব ওয়েবসাইট ও রেসুমে থেকে তার নামটি সরিয়ে দি। যাকে বলে- বিশ্বাস নাও করতে পারেন কেস।। মানে- সরাবার পর কিন্তু চাকরী পেয়েছিলাম। এর থেকে এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়াও যায়, না নেওয়াও যায়। তবে এটি চলমান এক অলিখিত দস্তুর। এমনকি অ্যাকাডেমিয়াতেও। একবার আমার এক প্রফেসর কিউবান কবি লুই তোলেদো’র সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম শুনে খুব বিরক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ইয়েহ আম্রিকা হ্যাই। আমার ছেলে ছোটবেলায় রেগে গেলেই বলত- ইই ইজ অ্যা ফ্রী কান্ট্রি। মানে এখানে আমাকে জোর করতে পারবেনা। অন্যের দেশে বোমা ফেলে আসা যে জাতি, বলা উচিত জাতির এক মুখ্য অংশ, যারা ট্রাম্পকে ভোট দ্যায়, তাদের দেশ কিন্তু এই আয়নারকিস্ট প্রফেসরের এর কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারেনি। তাকে মেরে ফেলার হুমকি ছিল সেই ষাটের দশক থেকেই। কিন্তু সম্ভবত আমেরিকা বলেই বোধ হয়- এতোটা সরকার বিরোধিতা করেও টিকে থাকা যায়। এদেশে ট্রাম্পকে নিয়ে যে ধরনের ব্যঙ্গচিত্র বা মিম তৈরি হয় আর তা যে পর্যায়ে ‘শেয়ারিত’ হয়, ভারতের মত দেশ হলে এদের অনেকেরই গরাদের ওপারে জায়গা হত। তবে এও ঠিক, নোম চমস্কির নাম নিলে আপনার চাকরী থাকা বা পাওয়া প্রায় অলিখিত ভাবেই অনিশ্চিত। এনিয়ে অফিসিয়াল ডেটা চাইলে আমি দিতে অপারগ, কিন্তু ভুরি ভুরি আন-অফিসিয়াল দিতেই পারি। আমার জীবনের ঘটনাও তাই। শুধু নোম না- ২০১৫ তে একটা দারুণ চাকরী হারিয়ে ছিলাম, বার্ণি স্যান্ডার্স এর জন্য ক্যনভাসিং করতে গিয়ে। আমার এভাঞ্জেলিস্ট বস, যিনি এমনিতেই আমায় দুচোখে লাল মরিচ নিয়ে দেখতেন, হায় আল্লা, আর কেউনা তিনিই কিনা খোদ আমায় দেখে ফেললেন যে আমি বাড়ি বাড়ি কড়া নেড়ে বার্নির জন্যে ভোট চাইছি। এর পরের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত জটিল। আমার ‘পিঙ্ক ভ্যালী’ নিয়ে একটা প্রবন্ধ আছে, তাতে খানিক লিখেছি। মোট কথা- বটম-লাইন হল- চাকরীটি ‘গন্‌’ হয়।

এই কথাও যখন আমি স্যারের সাথে ভাগ করি, তখন তার মুখ একরকম মৃদু ফিচেল হাসিতে ছেয়ে যায়। ঘোলাটে হয়ে আসা উজ্জ্বল চোখদুটি মন দিয়ে আমার মত অর্বাচীনের কত অবান্তর কথাই শোনেন। যেন বিশ্ব ক্রাইসিসের পলিসি বাতলাচ্ছি । এমনই তার ধরন। চলমান বিবেকবান এই সন্ত । প্রায় ফকিরি জীবনচরিত। তাকে দুটির বেশী তিনটি সোয়েটারে কখনও দেখিনি। অন্তত মনে করতে পারছিনা। ভালবাসেন ইনডোর প্লান্টস। পেইন্টিং। আমার ছেলেকে একবার খুব সুন্দর করে লিখে দিলেন। কাগজ খুঁজে খুঁজে বের করলেন এক খণ্ড গোলাপি রঙের তুলোট । রবীন্দ্রনাথের ছবির একটি সংকলন উপহার দিয়েছিলাম তাকে একবার। বইয়ের পাতা ওলটাতে ওলটাতে গড় গড় করে বলে গেলেন, কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতন যেতে এখনও চার ঘণ্টাই লাগে কিনা বা কলকাতার চা-এর দোকান, অলিগলি, বই এর দোকান। আমি বল্লাম- মনে হচ্ছে আপনি আমার পাড়ায় থাকেন। গোটা বিশ্বই তার পাড়া। নিজের পাড়া। ট্রান্সন্যাশনাল, বিশ্বদরদী এই মানুষটি শিশু-মানবও । নাতির আবদারে শট দেন- গ্যাংনাম স্টাইলে।

এরকম অনুপম নানা স্মৃতি ও ছোট ছোট মুহুর্ত মনে পড়ার আনন্দের দিন আজ। তার কাজ নিয়ে লিখতে বসিনি। সম্পাদক, কবি, গবেষণাকারী, সুহৃদ রাজু আলাউদ্দিন ফেসবুকে তার সাথে আমার ছবি দেখে দ্রুত এই লেখাটির দাওয়াত দিয়েছেন। খুব দ্রুত লিখে ফেল্লাম।

অ্যানার্কির জাতভেদা। আজ তার নব্বইতম জন্মদিন! আপনাকে হাঁটু মুড়ে কুর্নীশ! এই শীতে এরিজোনার উষ্ণ রোদ আপনার স্বাস্থ্যকে সজীব ও ভরপুর রাখুক।

চমস্কি গ্যাংনাম স্টাইল !!
Flag Counter


2 Responses

  1. দীপেন ভট্টাচার্য says:

    আহা, কি চমৎকার লেখাটি, বাক্য বর্ণনায় সাবলীল, শুধু চমকে চমস্কি নয় – আমেরিকা বাসের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অনামিকা বন্দোপাধ্যায় আরো লিখুন, মনে হয় তাঁর ভাণ্ডারে এরকম চমকে দেবার মত অনেক কিছু মজুত আছে।

  2. মাহবুবুল হক says:

    দ্রুত লেখা দ্রুতই পড়ে নিলাম, দ্রুতই মনে ধরলো। অনামিকাকে ধন্যবাদ। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সেই যে সিঙ্গুর আন্দোলন,যার ফল হয়েছিল সুদূরপ্রসারী, সেখান থেকে কি আদৌ বেরিয়ে আসা গেছে বলে লেখক মনে করেন? নাকি সেই আন্দোলন খাল কেটে কুমীরকে পথ দেখানোর মতো বিষয় ছিল? লেখক কী বিষয় নিয়ে কাজ করছ্নে জানালে মত বিনিময় করতে পারতাম। অবশ্য যদি তিনি সুযোগ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.