নজরুলের গজলগান

আবদুল মান্নান সৈয়দ | ২৯ আগস্ট ২০০৮ ৬:৫৫ অপরাহ্ন

shundarban.jpg
ইন্ডিয়ার সুন্দরপুরে বন্ধুদের সঙ্গে নজরুল

কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের এক বিস্ময়কর লেখক। রবীন্দ্রনাথের পর এত বিচিত্রকর্মী লেখক দেখা যায়নি আর। জন্ম ১৮৯৯-এ — সাহিত্যে প্রবেশ ১৯১৯-এ — নিরবতা ১৯৪২-এ — আর মৃত্যু ১৯৭৬-এ। ৭৭ বছরের দীর্ঘ জীবনে সক্রিয় ছিলেন মাত্র ৪৩/৪৪ বছর — তার মধ্যে তাঁর শিল্পজীবন মাত্র ২৩/২৪ বছরের। তাঁর জীবন ও মৃত্যু তাঁর সৃষ্টিকর্মের মতোই আশ্চর্য — বর্ধমানের এক নামহীন পাড়াগাঁয়ে জন্ম, চুরুলিয়া, যে-নামটি আমরা জানি তাঁর জন্যেই — কলকাতায় নীরব হয়ে যান — আর ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

gazal_age1.jpg
গজল লেখার সময়ে নজরুল, ১৯৩০

তাঁর জন্ম, জীবন ও নীরবতা, আর তাঁর মৃত্যু — এ সময়ের মতোই অস্থির পর্যটন যেন তাঁর শিল্পস্বভাব। এরই মধ্যে, তাঁর অজস্র পরিচয়ের মধ্যে প্রধানতম দুটি পরিচয় — তিনি কবি আর তিনি সঙ্গীতকার। এরকম সমগ্র সঙ্গীতকার বাঙালির মধ্যে জন্মগ্রহণ করেননি আর। একই সঙ্গে তিনি গীতিকার, সুরকার, স্বরলিপিকার, গায়ক, বাদক, সঙ্গীতশিক্ষক, সঙ্গীতগবেষক। আবার নাটকে ও সিনেমায় সঙ্গীত-পরিচালক হিশেবেও তাঁকে দেখা গেছে। বিশের দশকে নজরুল বাংলা কবিতার সম্রাট, তিরিশের দশকে বাংলা সঙ্গীতের সম্রাট। এখানে তাঁর বিশাল সঙ্গীতভাণ্ডারের একটি অংশেরও অংশের পরিচয় নেবো আমরা — তাঁর গজলগান।

দুই.
কতরকম গান-যে লিখেছেন নজরুল। এখন পর্যন্ত তাঁর লেখা ৩০০০-এর বেশি যে-গান পাওয়া গেছে, তার বৈচিত্র্যের শেষ নেই। গানে নজরুল জীবনের সমস্তকে স্পর্শ করেছেন। নজরুলের আত্মপ্রত্যয় এমনই ছিল যে নিজের নাম খচিত করেছিলেন নজরুল-গীতিকা (১৯৩০) ও নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) নামে দুটি গ্রন্থে। নজরুল-গীতিকায় (১৯৩০) কবি নিজে তাঁর সঙ্গীতকে ভাগ করেছিলেন ১১টি শিরোনামে। তার পরে আরো ১২ বছর তিনি গান লিখেছেন। তার মধ্যে দু-ধরনের গানে তিনি শীর্ষে আরোহণ করেছেন — ইসলামি গানে আর শ্যামাসঙ্গীতে। তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থ অগ্নি-বীণা (১৯২২) যেমন বাংলা কবিতায় অভাবিত, তেম্নি বাংলা গানে অভিনব তাঁর প্রথম গীতিগ্রন্থ বুলবুল (১৯২৮)। অগ্নি-বীণা যেমন অসম্ভব জনপ্রিয় হয়েছিল, তেম্নি বুলবুল। ১৩৩৫-এর পর এর দুটি সংস্করণ হয়, ১৩৩৭ (১৯৩০) -এ আবার নতুন মুদ্রণ। বুলবুল-এর অনেক গজল-গানই ফিরত লোকের মুখে মুখে — ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’, ‘বসিয়া বিজনে কেন একা মনে’, ‘এত জল ও কাজল চোখে’, ‘নিশি ভোর হলো জাগিয়া’, ‘ভুলি কেমনে আজো যে মনে’ ইত্যাদি।

নজরুল গজলগানের প্রবর্তক, শুধু প্রবর্তকই নন, শ্রেষ্ঠ। তাঁর আগে কি বাংলা গজলগান লেখা হয়েছে। লিখেছেন মুনশি মেহেরুল্লা, অতুলপ্রসাদ যেন, শেখ হবিবর রহমান (সাহিত্যরত্ন) প্রমুখ। কিন্তু বাংলা গানকে এমন-একটি সম্পূর্ণতা দিয়েছেন নজরুল, শিখরে নিয়ে গেছেন, যা একমাত্র নজরুলের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। তাঁর প্রভাবে সেকালে গজলগানও রচিত হয়েছে। এস. ওয়াজেদ আলির মতো অসামান্য প্রাবন্ধিকও লিখেছেন, আরো কেউ কেউ। তবে গজলগানের একচ্ছত্র সাম্রাজ্যটি ছিল নজরুলের আয়ত্ত।

এখন প্রশ্ন, কাকে বলব গজলগান?

গজলগান ফারসি, আরবি ও উর্দু কবিতার রূপকল্প। যেমন সনেট কবিতার একটি রূপকল্প — পরে ইংরেজি ও অন্যান্য সহিত্যে ছড়িয়ে পরে। বাংলা ভাষায় সনেটের জনয়িতা যেমন মাইকেল, তেম্নি বাংলা গানে গজলের সত্যিকার রচয়িতা নজরুল।

নজরুল ফারসি-আরবি-উর্দু তিনটি ভাষাই জানতেন। ফারসি আর উর্দু খুব ভালো জানতেন। গজল ওইসব ভাষার কবিতা — তবে সুর-সহযোগে গেয়। গজলের বাণী হতে হবে কবিতার, আবার সুর-রাগ-ভিত্তিকও হবে। গজলের মূল বিষয় প্রেম — প্রেমিক ও প্রেমিকার। ২ পঙ্ক্তিতে তৈরি হয় এক একটি ‘শের’। এরকম ৫ থেকে ২৫ ‘শের’-এ তৈরি হয় গজল। ফারসি আর উর্দু ভাষা সাহিত্যে গজল প্রণীত হয়েছে মূলত। উর্দু কবিতার ইতিহাসে আমির খসরু প্রথম গজল রচয়িতা। গালিব, আলতাফ হোসেন হালি, মীর তকি মীর — এঁরা সব অমর গজল-রচয়িতা। গজলের শেষে অনেক সময় কবি তাঁর নিজের নামের উল্লেখ করেন। নজরুল করেছেন ‘কবি’ নামে।

স্প্যানিশ সাহিত্যেও কিন্তু ক্বাসিদা, গজল এসব লেখা হয়েছে। এবং লিখেছেন লোরকা-র মত স্পেনীয় সাহিত্যের মহত্তম কবি। এর কারণ স্পেনে কয়েকশ বছরের মুসলিম শাসন।

তিন.
বুলবুল (১৯২৮) তাঁর প্রথম গীতিগ্রন্থ গজল-গানের। এটি অপরূপ একটি গজলগানের বই। প্রায় প্রত্যেকটি গানই ছন্দ-মিলে সিদ্ধ। অর্থাৎ কবিতা। ‘ভুলি কেমনে’ গানটি তো ছন্দেরও একটি আশ্চর্য পরীক্ষা — যা কোনো বাংলা কবিতাতেও করা হয়নি (মাত্রাবৃত্ত + স্বরবৃত্ত)। নজরুলের গজল মূলত প্রেমপ্রাসঙ্গিক। কিছু ইসলামী গজলও আছে।

গজল গান দুরকম। ১. পার্থিব প্রেমের; এবং ২. অপার্থিব প্রেমের।

নজরুলের গজল-গানের কয়েকটি নমুনা:

পার্থিব প্রেমের গজল
১। ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে দিসনে আজি দোল’,
২। ‘ভুলি কেমনে আজো যে মনে’
৩। কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিবে না ধরা জীবনে যদি।
৪। গুলবাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল।
৫। চেয়ো না সুনয়না/আর চেয়ো না এ সুনয়ন পানে।
৬। পথ চলিতে যদি চকিতে / কভু দেখা হয় পরানপ্রিয়। / চাহিতে যেমন আগের দিনে / তেমনি মদির চোখে চাহিও।
৭। বুলবুলি নীরব নার্গিস বনে ইত্যাদি।

অপার্থিব প্রেমের গজল

১.
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে।
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।
দুনিয়াদারির শেষে আমার নামাজ রোজার বদলাতে
চাইনে বেহেশত খোদার কাছে নিত্য মোনাজাত করে।
কায়েস যেমন লাইলি লাগি লভিল মজনু খেতাব
যেমন ফরহাদ শিরির প্রেমে হলো দেওয়ানা বেতাব।
বে-খুদীতে মশগুল আমি তেমনি মোর খোদার তরে॥

২.
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁস হয়ে রই পড়ে

৩.
তৌহিদেরই মুরশিদ আমার মোহাম্মদের নাম
আল কোরানের গাইলে গজল শবেকদর রাতে॥

নজরুলের পরীক্ষামূলক গজলের নমুনা
(বাংলা + উর্দু)

‘আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন/দিল ওহি মেরা ফাস গ্যায়ি।
বিনোদ বেণীর জরিন ফিতায়/আন্ধা ইশক্ মেরা কস্‌ গ্যায়ি॥’
তোমার কেশের গন্ধে কখন/ লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন/
বেহুঁশ হো কার গির পড়ি হাথ্ মে বাজুবন্ধ সে বস্ গ্যায়ি।’

(বাংলা + হিন্দি)

যৌবনের বনে মোর/ কোয়েলা মত্ মাচাও শোর।
বিরহ দাহনে জ্বলে মরি। / তু ভি মোর সাথ্‌না ছোড় ॥

লায়লি মজনুকে নিয়ে নজরুল দুটি গান লিখেছেন। একটি পার্থিব গান, আরেকটি অপার্থিব। নজরুল এই দুরকম গজলই লিখেছেন, গেয়েছেন।

চার.
ফারসী থেকে উদ্ভূত হলেও গজল গান এই উপমহাদেশেরই বিশিষ্ট জিনিস হয়ে উঠেছে। উর্দু-হিন্দি ভাষায় এর বিকাশ বিশাল। গালিব, ইকবাল, আলতাফ হোসেনে হালি, মীর তকি মীর — এঁরা প্রত্যেকেই লিখেছেন।

বাংলায় ইসলামের আগমনকাল থেকেই কিন্তু মাদ্রাসায় / ইসলামী জলসায় গজলচর্চা শুরু হয়ে যায়। সেইসব অখ্যাত-অজ্ঞাত লোক-কবি ও গীতিকারদের কথা কিন্তু আমাদের লোকসাহিত্যবিশারদরা বলেন না। মীর মশাররফ হোসেন, মুনশি মেহেরুল্লা, অতুলপ্রসাদ সেন (লক্ষৌ), হবিবর রহমান সাহিত্যরত্ন, গোলাম মোস্তফা (‘অনন্ত অসীম প্রেমময় তুমি’) প্রমুখ কবিরা গজলগান লিখে আসছেন। এসবেরই সুপক্ক পরিণাম নজরুল ইসলাম। তিনিই গজলগানের প্রকৃত প্রবর্তয়িতা, যেমন নিধুবাবু বাংলা গানে টপ্পা লিখেছেন, মাইকেল এনেছেন সনেট।

শাস্ত্রীয় সংগীতের কারুকাজ গজলগানের আবশ্যিক অঙ্গ। কবিতা হিশেবে উত্তীর্ণ হতে হবে গজলগানকে, আবার গান হিশেবেও।

নজরুলের গজলগানকে ‘শনিবারের চিঠি’ গোষ্ঠি নাম দিয়েছিল ‘নজরুলিয়া গজল’। তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত গজলগানের প্যারডিও করেছিল।

ভারতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পারসিক সঙ্গীতের মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন আমির খসরু — তুরস্কে তাঁর পূর্বপুরুষরা ছিলেন, তিনি জন্মগ্রহণ করেন ভারতে। ত্রয়োদশ-চতুর্দশ শতাব্দীতে। গজলের তিনিই পথিকৃৎ। এই কারণেই আমাদের একজন সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ নজরুলকে বলেছেন বাংলার ‘আমির খসরু’।

কৃষ্ণনগরে থাকার সময় ১৯২৬ সালে নজরুলের গজলগান লেখা শুরু হয়। উর্দু গজলের সুরে তাঁর দুটি গান সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়: ‘আসে বসন্ত ফুলবনে’ (রচনা: কৃষ্ণনগর ২৮ অগ্রহায়ণ ১৩৩৩) আর ‘দুরন্ত বায়ু … বইয়াঁ (রচনা: ১ পৌষ ১৩৩৩)। শিরোনাম ছিল যথাক্রমে ‘গজল-গান’ ও ‘গজল-গীতি’। ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’ গানটি ওই ১৯২৬ সালেই (মাঘ ১৩৩৩) কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। (রচনা: কৃষ্ণনগর; ৮ অগ্রহায়ণ ১৩৩৩)। সেদিক থেকে বলা যায়: ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’ তাঁর প্রথম গজলগান। তিনটি গানই বুলবুল গ্রন্থর্ভূত।

বুলবুল গ্রন্থটি উৎসর্গিত হয় কবির বন্ধু দিলীপকুমার রায়কে — তিনি ছিলেন নজরুলের এই গজলগানের প্রথম সম্প্রচারক।

সঙ্গীতজ্ঞ ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯২৯ সালে ‘আজকালকার গান’ শিরোনামে (সঙ্গীত-বিজ্ঞান প্রবেশিকা) (শ্রাবণ ১৩৩৬) লিখেছিলেন, ‘এ বৎসর কলকাতায় এসে দেখছি যে কাজী নজরুলের গান দেশ ছেয়ে ফেলেছে। তাঁর সুরও ঠুংরি গজল নয়। তাঁর দেওয়া অনেক সুর শুনতে ভালো লাগলেও সুর হিসাবে খুব উচ্চ শ্রেণীর নয়।’ তিনি সমালোচনাই করেছিলেন। তার জবাব দিয়েছিলেন নজরুলের গায়কবন্ধু নলিনীকান্ত সরকার। ধূর্জটিপ্রসাদ বলেছিলেন, ‘অতুলপ্রসাদ ও দিলীপকুমারের জন্যই প্রধানত ঠুংরি-গজলের বন্যা এসেছে।’ নলিনীকান্ত লিখেছেন, ‘অতুলপ্রসাদের গজল তাঁর [দিলীপকুমারের কণ্ঠে] খুব কমই শোনা যেত, বরং নজরুলের গজলই দিলীপকুমার বেশি গাইতেন।’ বলেছিলেন, ‘সুর-লয়ের সঙ্গে বাঙালি চায় ইমোশন-পূর্ণ কথা। আর চায় সেই কথার সঙ্গে সুর-লয়ের ভাবসম্মিলন। কবি নজরুল ইসলামের গানকে বাঙালি এই হিসাবেই কণ্ঠাভরণ করে নিচ্ছে।’ — পরবর্তীকালে ধূর্জটিপ্রসাদ তাঁর কথা ও সুর (১৩৩৮) গ্রন্থে নজরুলকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এই বলে, ‘অতুলপ্রসাদ এর পরে কাজী নজরুলের নাম করতে হয়। তাঁর একাধিক রচনা সত্যই মূল্যবান।’

নজরুলের সঙ্গীত রচনা আসলে তাঁর কিশোর বয়স থেকে সুস্থতার শেষ দিন পর্যন্ত। অর্থাৎ ধারাবাহিক। লেটোর গানের বিখ্যাত কবিয়াল আধুনিক বাংলা গানের মহৎ শিল্পী হয়ে উঠেছিলেন ক্রমশ। স্কুলে থাকতে সতীশ কাঞ্জিলাল, পরবর্তীতে ওস্তাদ কাদের বখ্শ, মঞ্জু শাহেব এবং জমিরদ্দিন খাঁ-র কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা করেন। সেতার শিখেছিলেন চুঁচুড়ার এক ওস্তাদের কাছে।

মহাকবি হাফিজ ছিলেন নজরুলের Hero। গ্যোয়েটে East-West Diwan লিখেছিলেন এবং ফারসি শিখেছিলেন হাফিজ অধ্যয়নের জন্য। হাফিজের অনেকগুলি কবিতার গীতিরূপ দিয়েছিলেন নজরুল ১৯২০ সালেই। তারই একটি ‘বাদলপ্রাতের শরাব’ (মোসলেম ভারত, আষাঢ় ১৩২৭) পড়ে মোহিতলাল মজুমদার মুগ্ধ হয়েছিলেন। এটিও গজল।

নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার সম্পূর্ণ বিপরীত এই গজলগানের হৃদয়তা। ঝড়ের স্থির শান্ত কেন্দ্র। রচনাতেও সংযত ও সংহত। তাঁর কবিতার প্রতীপ মেরুতে অবস্থান এর।

ঢাকা, ২১/৮/২০০৮

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (7) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বীথি — আগস্ট ২৯, ২০০৮ @ ১১:৩২ অপরাহ্ন

      নজরুল এক বিস্ময়ের নাম। তাঁর গানের ভাণ্ডার এত বিশাল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমি যতদূর জানি যে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ওপর তিনি কোনো তালিম নেন নি। তথাপি তাঁর গানের ক্লাসিক্যালিটি কীভাবে এতটা উঁচু মানের সেটাই এক বিস্ময়। লেখককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি নজরুলের গজল সম্পর্কে পাঠককে ব্যাপক ভাবে ধারণা দেবার জন্যে।

      – বীথি

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কাজল শাহনেওয়াজ — সেপ্টেম্বর ১, ২০০৮ @ ১০:২৮ অপরাহ্ন

      বাঙলা গজল উর্দু গজল থেকে কতটুকু আলাদা বা এক রকম তা জানবার ইচ্ছা হচ্ছে। আর গজলের কাব্যিকতা কেমন তাও। মান্নান সৈয়দকে ধন্যবাদ জানাই আগ্রহ তৈরি করা ভাষায় নজরুলের এমন একটা মাত্রা আমাদের কাছে নিয়ে আসার জন্য, যার মর্মার্থ আমরা ভুলে যাই।

      – কা.শা.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সৈয়দ নূর কামাল — অক্টোবর ২০, ২০০৮ @ ১২:৩২ অপরাহ্ন

      কাজী নজরুল ইসলাম — বাংলাদেশর জাতীয় কবি, একাডেমিক ভাবে খুব শিক্ষিত ছিলেন না। অথচ তিনিই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি গান রচনা করেছিলেন। বাংলা সংগীত রচনার মাথায় মুকুট হয়ে থাকবেন চিরকাল।

      – সৈয়দ নূর কামাল

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরাফাত রহমান — মে ১০, ২০০৯ @ ১:৪৪ পূর্বাহ্ন

      সুন্দর একটি লেখার জন্য লেখককে ধন্যবাদ। প্রিয় নজরুল সম্পর্কে আরো কিছু জানলাম।

      – আরাফাত রহমান

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Asadullah Al Galib — অক্টোবর ১৭, ২০১১ @ ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

      ওয়েবসাইটটি আমার কাছে খুব ভালো লাগছে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Omar Faruk — সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৪ @ ৩:৩১ অপরাহ্ন

      নজরুল সম্পর্কে অনেক কিছু জানার আছে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ওবাইদুল ইসলাম — নভেম্বর ৩০, ২০১৬ @ ৫:২৬ পূর্বাহ্ন

      ” বেপরোয়া ওরা চলে কখন ছিটায় নুন ” গজলটা কি নজরু ইসলামের লেখা ?

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com