শিল্পগুরু সেলিম আল দীনের সঙ্গে (কিস্তি ১)

সাইমন জাকারিয়া | ২২ আগস্ট ২০০৮ ৪:৫৫ অপরাহ্ন

১৮ আগস্ট ছিল লেখক-নাট্যকার সেলিম আল দীন-এর ৫৯তম জন্মদিন। সে উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও ঢাকা থিয়েটার যৌথভাবে সেলিম আল দীন জন্ম উৎসব উদযাপন করছে। ঢাকা ও কলকাতার লেখক-নাট্যকর্মীগণ এই জন্মউৎসবে যোগ দিচ্ছেন। সেলিম আল দীন-এর জন্মদিন স্মরণে রেখে আর্টস-এ লেখাটি প্রকাশিত হলো।

sad-1.jpg
সেলিম আল দীন (১৮/৮/১৯৪৯ — ১৪/১/২০০৮), ছবি: সাহাদাত পারভেজ

সেলিম আল দীন আমার শিল্পগুরু। কিন্তু কীভাবে? খুব মনে পড়ছে, প্রিয় শহর কুষ্টিয়ায় বসে আজ থেকে প্রায় চৌদ্দ-পনের বছর আগে তাঁর নাটকসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম চাকা এবং হরগজ পাঠ করি। তখন আমার বয়স খুব বেশি না হলেও তাঁর নাট্যাখ্যানের মধ্যে এদেশের গ্রামীণ জীবনের প্রতি এক শেকড়সন্ধানী অভিযাত্রা, অভিনব ভাষারীতি ও প্রকাশভঙ্গি, সর্বোপরি দার্শনিক অভিব্যক্তির অপূর্ব সমন্বয় দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে, কোন অচেতনেই যেন তাঁর নিবিড়-নিরাবেগ এক ভাবশিষ্য হয়ে গিয়েছিলাম। স্পষ্ট মনে আছে, কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে ইন্টারমিডিয়েট sad-2.jpg……
সেলিম আল দীন, ১৯৭৩ এর আগের ছবি।
…….
পরীক্ষা দেবার পর পরই তাঁর কথানাট্য হরগজ-এর পাঠ অভিজ্ঞতা সম্পর্কে একখানা চিঠি লিখেছিলাম। পরে জেনেছিলাম, আমার সে চিঠিটা তিনি তাঁর ছাত্রদেরকে পড়ে শুনিয়েছিলেন। একদিন সেই চিঠির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তাঁর সাথে সাক্ষাৎ-পরিচয় হয়। প্রথম সাক্ষাতেই তিনি জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি তাঁর স্ত্রী বেগমজাদী মেহেরুন্নেছা পারুলের কাছে সংরক্ষিত আছে। বহু মানুষের কাছে সেই চিঠির কথা উল্লেখ করে তিনি আমাকে তাঁর শিষ্য বলে পরিচয় দিতেন।

সে যাই হোক, পরবর্তীতে তাঁর সঙ্গে ধীরে ধীরে এক ধরনের শৈল্পিক বা সাহিত্যিক অন্তরঙ্গতা তৈরি হয় এবং এক সময় সেই সম্পর্কটাই গুরু-শিষ্যে রূপ নেয়। আমাকে পাশে নিয়ে ঘুরতে তিনি খুবই আনন্দ অনুভব করতেন। মনে পড়ে, প্রথম যেদিন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের জাতীয় লোকনাট্যোৎসবে যোগ দিতে তাঁর গাড়িতে করেই রাজশাহীর পুঠিয়ার পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম, আর তিনি গাড়িতে উঠেই নিজের কপালে ভাসমান চোখ দু’টিতে হাত ছুঁয়ে বললেন, ‘মনে রাখবি, সাধারণের চোখ থাকে এই কপালে দুইটা আর কবিদের চোখ থাকে হাজারটা। কবিতা লিখতে গেলে, নাটক লিখতে গেলে, এমনকি যে কোনো শিল্পকর্ম করতে গেলে সেই চোখ অর্জন করতে হয়। তোকে কিন্তু সেই চোখ অর্জন করতে হবে।’ আমি তাঁর এই কথাটিকে চিরদিনের জন্য তৎক্ষণাৎ অন্তরে গেঁথে নিলাম। দশাগ্রস্থ ভাবুকের মতো কেমন করে হাজারটা চোখ অর্জন করতে হয় সেকথা ভাবতে থাকলাম। সারা পথ তিনি পথের যত গাছ, ফুল কিংবা পাখির পরিচয় দিতে থাকলেন, চেনালেন জারুল আর সোনাঝুরি ফুলের পার্থক্য। সোনাঝুরি ফুলের সৌন্দর্য অবলোকন করা শেখালেন তিনি। চেনালেন বরীন্দ্রসঙ্গীতের ভেতর লুকিয়ে থাকা বাংলার প্রাণের সকল অনুভবগুলো খুলে খুলে।

পথের শেষ প্রান্তের ঠিক আগে বললেন, ‘আজ তোকে যাঁর সাথে পরিচয় করে দেবো তিনি এদেশের একজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান-সাধক। তাঁকে প্রণাম করে ভক্তি জানাবি।’ সেলিম স্যার আমাকে সেদিন একজন মাটির মানুষ কাজী সাইদ হোসেন দুলালের সাথে পরিচয় করে দিয়েছিলেন। সেই দুলাল ভাইকে সেলিম স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী ভক্তি দিয়ে দিনে দিনে সত্যি একজন জ্ঞান-সাধক এবং গ্রামবাংলার গায়ক-পালাকার-শিল্পীদের প্রাণের সাথী বলেই আবিষ্কার করেছি। দীর্ঘদিন কাজী সাইদ হোসেনের দুলালের স্নেহছায়ায় হেঁটে হেঁটে তাঁরই বাড়ির আতিথ্য নিয়ে প্রত্যক্ষ করেছি পদ্মাপুরাণ গান, ভাসান যাত্রা, মাদার পীরের গান, যুগীর গান, ওরাওঁদের কারাম উৎসবের মতো প্রাণবন্ত সব আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মর্মমূলের তত্ত্বকথার প্রথম পাঠও গ্রহণ করি দুলাল ভাইয়ের কাছে। আজ মনে মনে ভাবি, সেলিম আল দীন তাঁকে না চিনিয়ে দিলে আমি হয়তো ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির প্রাণসংলগ্ন সাধকপুরুষ দুলাল ভাইকে এতোদিনেও চিনতে পারতাম না, আর এতে করে নিজেই বরং বঞ্চিত হতাম এদেশের প্রাণশক্তি স্পর্শ করতে। পরে জেনেছি, পুঠিয়ায় দুলাল ভাইয়ের বাসাতে আমার আগেই সেলিম আল দীন ছাড়াও সৈয়দ জামিল আহমেদ, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ ইত্যাদি আরো কতো মহাত্মার আনাগোনা ঘটেছে, যার মূল লক্ষ্য ছিলো দুলাল ভাইয়ের কাছ থেকে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিশুদ্ধ পাঠ নেওয়া। সেলিম আল দীন আমাকে দুলাল ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে যেন এক আলোর সন্ধান দিয়ে গেছেন।

দুই.
১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের দিকে কুষ্টিয়ার বোধন থিয়েটার খুব দ্বিধায় ছিলো আমার মতো নবীন ও অখ্যাত এক নাট্যকারের নাটক ‘শুরু করি ভূমির নামে’ প্রযোজনা করার সিদ্ধান্ত নেবার বিষয়ে। সে সময় সেলিম আল দীন তাঁর ৫০তম জন্মবার্ষিকীর সম্বর্ধনা গ্রহণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া বোধন থিয়েটারে গমন করেন এবং আমার নাটকটি প্রযোজনা করার পক্ষে বোধনকে জোরালো সিদ্ধান্ত জানান। শুধু তাই নয়, তিনি আরো বলে আসেন, একদিন তিনি নাটকটির রিহার্সেল দেখতে আসবেন।

তারপর তিনি একদিন তাঁর বাসায় ডেকে আমার মুখ থেকে শুরু করি ভূমির নামের পাঠ শুনলেন। পাঠের মাঝখানে আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন — ‘সাইমন, তোকে একটা কথা বলি, তুই আমার ধারায় নাটক লিখেছিস, কিন্তু তুই তোর নিজস্ব আরেকটা ভঙ্গি রপ্ত করেছিস, এইখানে তুই আমার থেকে এবং অন্যদের থেকে আলাদা, তোর অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।’

এরপর বোধনের আমন্ত্রণে আমি ও আমার নাট্যনির্দেশক বন্ধু সাইদুর রহমান লিপন, সঙ্গীত-পরিচালক কমল খালিদ কুষ্টিয়া গমন করি। টানা প্রায় একমাস ধরে দিবারাত্রি কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমীতে অবস্থান করে শুরু করি ভূমির নামে সাইদুর রহমান লিপনের নির্দেশনায় মঞ্চের জন্য নির্মিত হতে থাকে। এর এক পর্যায়ে সেলিম আল দীন তাঁর দুই ছাত্রী সুস্মিন সিমু (বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের প্রভাষক) ও সাবিরা তাবাসসুমকে নিয়ে কুষ্টিয়া গমন করে শুরু করি ভূমির নামের মহড়া বা রিহার্সেল প্রত্যক্ষ করেন এবং তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাইদুর রহমান লিপনের নির্দেশনার সঙ্গে তিনি নিজের নাট্যচিন্তার সমন্বয় সাধনে তৎপর হয়ে ওঠেন। সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গীত চিন্তা, কোরিওগ্রাফারের কোরিওগ্রাফি সব কিছুর মধ্যে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতায় অর্জিত ছন্দ, লয় তথা গতি আরোপ করেন। সে এক দারুণ অভিজ্ঞতা। সেলিম আল দীন আমার নাটকের মহড়ায় আমারই ভাষাকে অবলম্বন করে নেচে, গেয়ে, বর্ণনা, সংলাপ আওড়িয়ে অভিনয়শিল্পীদের বোঝাতে থাকেন। সেলিম আল দীনের সেই মহড়াযজ্ঞের মধ্যে আমি তাঁকে জানাই — ‘স্যার, আমরা নাটকের শেষাংশটার মঞ্চরূপ অনেক ভেবেও খুঁজে পাইনি।’ তিনি আমার মুখে একথাটি শুনে শেষাংশটা একবার পাঠ করে মুহূর্তের মধ্যে লাঠির ব্যবহারে এক অপূর্ব কম্পোজিশন ও নাট্যমুহূর্ত তৈরি করে দিয়ে শুরু করি ভূমির নামের সমাপ্তিকে ভিন্ন একটা মাত্রা দান করেন।

তিন.
এরপর আরো বহু রাত ও পথ সেলিম আল দীনের সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সাভারে কেটেছে তার হিসেব ঠিক ঠিক মেলাতে গেলে জন্ম নেবে এক মহাগ্রন্থ। কখনো তিনি তাঁর নাটক থেকে অবিরাম পাঠ করে গেছেন বর্ণনা, সংলাপ, গান; কখনো বা চলতি পথে শ্রবণ করেছেন আমার মুখ থেকে আমার নাট্যবর্ণনা। মাঝে মাঝে শিখিয়ে দিয়েছেন কীরূপে শব্দের পিঠে শব্দ সাজিয়ে সরস বাক্য ও একটি ভূখণ্ডকে রচনায় ধারণ করা যায়, আর কীরূপেই গ্রামের মানুষের সাথে সহজে মিশে যাওয়া যায়।

sad-5.jpg
আড্ডায় সেলিম আল দীন, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সাইমন জাকারিয়া ও হুমায়ুন কবির হিমু

চার.
আমার কাছে তিনি ছিলেন প্রাচ্যের আর্দশ শিল্পগুরু। এই ভাব-শিষ্যকে নিজের বাস্তব-শিষ্য হিসেবে বরণ করে নিতে তিনি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে তাঁর অধীনে পিএইচডি করতে। শুধু তাই নয়, এই শিষ্যকে একাডেমিকভাবে যোগ্য করে তুলতে নিজের সম্পাদিত বাংলাদেশের একমাত্র থিয়েটার জার্নাল থিয়েটার স্ট্যাডিজ-এ আমার রচিত একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। স্বপ্রণোদিতভাবে আমাকে দিয়েছেন তিনি তাঁর রচনাসমগ্রের সম্পাদকের দায়িত্ব, যার প্রমাণ আছে — সেলিম আল দীন রচনাসমগ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডের সেলিম আল দীন লিখিত ভূমিকায়।

সেলিম আল দীনের জীবদ্দশায় তাঁর টেলিভিশন নাটক প্রত্মনারীর শরীরে নতুন নাট্যাখ্যান, দৃশ্য ও সংলাপ যোগ করার অনুমতি দিয়ে আমাকে গর্বিত করেছেন। নাটকটি একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়ে প্রশংসা অর্জন করে।

প্রাচ্যের আদর্শ শিক্ষকের দৃষ্টিতে তিনি নিজ শিষ্যের কথা অন্যদের সামনে বলতে এবং শিষ্যকে নতুন চিন্তায় অনুপ্রাণিত করতে দ্বিধা করতেন না। শিষ্যের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে ছাপিয়ে তিনি ঢুকে পড়তেন শিষ্যের পিতা-মাতা এবং অভিভাবক পরিমণ্ডলে। তিনি আতিথ্য নেন নি এরকম শিষ্যবাড়ি খুব কমই আছে। শুধু তাই নয়, তিনি তাঁর সকল শিষ্যকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনের বাসায়, এমনকি সুদূর ফেনী জেলার সেনেরখিল গ্রামে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্যে ব্যাকুল থাকতেন এবং নিয়ে যেতেন। একবার তিনি আমাদের বাড়িতেও গিয়েছেন, আজ খুব দুঃখ হয় — শতবার তিনি সেনেরখিল গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্য আমাকে চেষ্টা করেছেন কিন্তু আমি জাগতিক ব্যস্ততার জন্য সেখানে তাঁর সঙ্গে যেতে পারিনি। আজ স্পষ্ট মনে পড়ে, বহুবার তিনি সেনেরখিল গ্রাম থেকে আমাকে ফোন করেছেন, গ্রামে গিয়ে কোথায় কোথায় হাঁটছেন, কী করছেন তার বিবরণ দিয়ে আমার না যাবার অভাবটুকুও ঘুঁচিয়ে দিয়েছেন।

২০০১ খ্রিস্টাব্দের ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর লেখা টেলিভিশন নাটক নকশিপাড়ের মানুষেরার গবেষণার কাজে একুশে টেলিভিশনের প্রযোজক আহীর আলমের গাড়িতে গাইবান্ধা যাবার পথে আমি যখন ভয়াবহ রকমের একটি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম তখন সেলিম আল দীন আমার পাশে ছিলেন। আমার সুস্থতা প্রাপ্তির আগ পর্যন্ত তিনি প্রায় প্রতিদিন সস্ত্রীক শাহবাগ পিজি হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে আমাকে দেখতে আসতেন।

sad-3.jpg
বাংলা একাডেমীর মঞ্চে সাইমন জাকারিয়া, সেলিম আল দীন ও কবীর চৌধুরী

কোনো ধরনের কাগুজে শর্ত ছাড়াই আমি ঢাকা থিয়েটার পরিবারের একজন হয়ে উঠেছি সে তো শিল্পগুরু সেলিম আল দীনের জোর তৎপরতায়। আমার মতো অর্বাচীন নাট্যকারের দুই দুইটি নাটক ন নৈরামণিবিনোদিনী ঢাকা থিয়েটার মঞ্চস্থ করেছে সেও তো তাঁরই প্রেরণায়। তিনি বলতেন, ‘প্রাচ্যের আদর্শ হচ্ছে উত্তর পূর্বকে বহন করে, এই যে আমি রবীন্দ্রনাথের প্রেরণায় জারিত হয়ে আছি, তোরা কি আমাকে বহন করবি!’

জানি না, কোন দ্বিধা কোন সন্দেহে দোলায়িত হয়ে স্যার এই কথা বলতেন। আজ তাঁর জন্ম উৎসবে স্পষ্ট করে বলি, ‘স্যার, আপনাকে ছাড়া আমরা এক পাও সামনে যেতে পারবো না। আপনি আমাদেরকে দিয়েছেন এক গৌরবময় নাটকের ইতিহাস। আপনাকে যে আমাদের বহন করতেই হবে স্যার।’
(কিস্তি ২)

saymonzakaria@gmail.com

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (6) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফাহমিদুল হক — আগস্ট ২৩, ২০০৮ @ ৪:৩৭ অপরাহ্ন

      ভালো লেগেছে। ধারাবাহিকটি পড়ার অপেক্ষায় থাকবো।

      – ফাহমিদুল হক

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বীথি — আগস্ট ২৬, ২০০৮ @ ৮:৫৯ অপরাহ্ন

      সেলিম আল দীনের প্রতি প্রথম আনুরক্ত হয়েছিলাম বিটিভিতে তাঁর লেখা গ্রন্থিকগণ কহে নাটকটি দেখে। তাঁর ব্যাপারে জানার আগ্রহ রয়েছে। তাই পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম।

      – বীথি

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মিজান মল্লিক — আগস্ট ২৭, ২০০৮ @ ১০:১২ অপরাহ্ন

      নানা জনের কাছে কত ঋণ আমাদের! সে ঋণ স্বীকার করা ভালো। আরো ভালো গুরুকে গুরু বলা। সাইমন জাকারিয়ার সরল স্বীকারোক্তি ভালো লেগেছে। টুকরো টুকরো সেলিম আল দীনকে পাচ্ছি তাঁর লেখায়। অন্যভাবে। ভিন্ন আঙ্গিকে। টুকরো স্মৃতিদৃশ্য কিন্তু সুন্দর। অনিবার্যও। আশা রাখি তিনি পরের কিস্তি লিখবেন শিগগির। লেখকের মঙ্গল হোক।

      – মিজান মল্লিক

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুমনকুমার দাশ — সেপ্টেম্বর ১, ২০০৮ @ ৩:১৬ অপরাহ্ন

      সাইমন জাকারিয়ার লেখাটি এক কথায় অসাধারণ। লেখাটি তাঁর স্মৃতিধর্মী হওয়া সত্ত্বেও নানা তথ্য-উপাত্তে ভরপুর। তাই সেলিম আল দীন সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য এই ধারাবাহিক লেখায় বের হয়ে আসবে — এটাই প্রত্যাশা করছি। সাইমন জাকারিয়াকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ।

      – সুমনকুমার দাশ।
      sumankumardash@yahoo.com

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহাবুবুর রাহমান — সেপ্টেম্বর ৭, ২০০৮ @ ৭:৪৭ অপরাহ্ন

      লেখাটি এত বেশি জাকারিয়াময় না হয়ে আরেকটু সেলিমময় হইলে আরো ভাল লাগত।

      – মাহাবুবুর রাহমান

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন abu sayed tulu — সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ @ ৬:০৮ অপরাহ্ন

      লেখাটিতে সাইমন জাকারিয়া আবেগ ও প্রাণোচ্ছলের পরিচয় পাওয়া যায় বটে। কিন্তু সেলিম আল দীনের মন-মনন, সৃজনকৌশল, দার্শনিক ভাষ্য এতে কিছুই পাওয়া যায় না। প্রবন্ধটির নাম হওয়া উচিত ছিল ‘আমার বেড়ে উঠায় সেলিম আল দীনের অবদান’। ‘শিল্পগুরু সেলিম আল দীনের সঙ্গে’ শিরোনামের লেখায় ব্যক্তিপ্রচার না করে শিল্পগুরুত্বের স্বরূপ ও সেলিম আল দীনের সঙ্গীয় চেতনা ও দার্শনিক ভাষ্যের অনুসন্ধান তুলে ধরলে পাঠক বেশি উপকৃত হতো বলে আমার বিশ্বাস।

      – abu sayed tulu

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com