arts.bdnews24.com » জীবনবোদ্ধা গল্পকার নাসরীন নঈম

জীবনবোদ্ধা গল্পকার নাসরীন নঈম

দিল মনোয়ারা মনু | ১৩ মে ২০১৮ ১০:৩২ অপরাহ্ন

নাসরীন নঈম কবি হিসেবে জনপ্রিয়। আমি যতদুর জানি তিন দশক ধরে কবিতার সাথে তার বসবাস। দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হয়। আমি দীর্ঘদিন দুটি পত্রিকায় সম্পাদনার দায়িত্বে থাকায় তার কবিতার সাথে আমার নিরবচ্ছিন্ন জানাশোনা। আমি জানি কতখানি ভালোলাগা ও ভালোবাসায় তার কবিতার বেড়ে ওঠা এবং সেই কারণে ক্রমান্বয়ে তার কবিতার বহুমাত্রিক বিষয়, শব্দচয়ন ও মুক্তচিন্তা ও প্রগতির পথে ধাবমানের আধুনিক মনোভঙ্গী সহ প্রকাশের অভিনবত্ব, তাকে সকল কবিতাপ্রিয় মানুষের কাছে নিয়ে যায়। কবি হিসেবে পেয়েছেন স্বীকৃতি। কিন্তু একমাত্র কবিতায়ই নিবিষ্ট থাকতে চাননি তিনি। তার চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া ঘটনা তাকে নাড়া দেয়। তার ভাবনাকে প্রসারিত করে। একসময়ে এইসব ঘটনা তিনি জনসমক্ষে আনতে চান। কারণ ছোটবেলা থেকেই তিনি গল্প শুনতে এবং বলতে খুব ভালবাসতেন। এ প্রসঙ্গে নাসরিন বলেছেন জীবন জগৎ সম্পর্কে তার নিরন্তর কৌতুহলের কথা। জোৎস্নায় ভিজে যেতে যেতে তাই বাবার কাছ থেকে হিন্দুস্তান পাকিস্তান রায়টের গল্প নিমগ্ন হয়ে শুনতেন, শুনে শুনে স্বার্থপরতা, নৃশংসতা, ভাঙ্গাগড়ার ঘটনা তার মনের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ধর্ম শিক্ষকের ছাত্রীর প্রতি নোংড়া আচরণসহ সমাজের চারপাশের অসংগতি বৈষম্য, অকথিত যন্ত্রণার নানা ঘটনা তার ভেতর বাহিরকে মোহিত ও মথিত করে রাখতো। আর তা প্রকাশের আকুলতাই পরবর্তী সময়ে তাকে গল্প লেখার প্রেরণা দিয়েছে। গল্প লেখার হাতটিও চমৎকার। সহজ সরল শব্দ ব্যবহারের নিপুনতা, গল্পের মজবুত গাঁথুনী, প্রকাশের সাবলীলতা এবং সর্বোপরি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গী তার গল্পকে সুখপাঠ্য এবং অনবদ্য করে তোলে। পাক্ষিক অনন্যায় তার বেশ কিছু গল্প প্রকাশ করার সুযোগ হয়েছে আমার। তার একটি গল্প যার নাম ‘উঠলো বাই কটক যাই’। আমার পড়া গল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। গল্পটির চমৎকার বিষয়ের সাথে লেখকের প্রচন্ড রসবোধ ও আধুনিক চিন্তা এক ধরনের ভিন্নতা দিয়েছিলো। চারপাশের পারিপার্শ্বিকতাকে মজা করে তুলে ধরার চমৎকার একটি অসাধারন গুন রয়েছে তার। এই বিষয়টি তিনি এখনও বিবেচনায় রাখতে পারেন। যদিও তিনি নিজেকে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় ও সময়ে বেধে রাখতে চাননা। তিনি মনে করেন লেখক সর্বক্ষণের সর্বযুগের। তবে নারীর বেদনা যন্ত্রণা সর্বোপরি নারীর প্রতি সহিংসতা অবমূল্যায়ন তাকে বিদ্রোহী করে তোলে এবং গল্পে প্রতিভাত হয়ে তার অন্যরকম মর্যাদা পায়।

‘জাফরি কাটা রোদ’ তার সপ্তম গল্প গ্রন্থ। মোট দশটি গল্প এই গন্থে সন্নিবেশিত হয়েছে। ‘জোৎস্না প্লাবিত’ এই গ্রন্থের প্রথম গল্প। এই গ্রন্থের বাকি নয়টি গল্পের মধ্যেই লেখক আমাদের আর্থ সামাজিক বাস্তবতার আলোকে মানুষের সম্পর্ক মানুষের নানা সুখ দুঃখ ক্রোধ সম্পর্কের টানাপোড়েন সম্পর্কের নামে প্রহসন, মিথ্যাচার এবং তা থেকে মুক্তির পথের রেখাঙ্কন করেছেন। নারী জেগে ওঠ এবং তোমার অধিকারকে আবিস্কার করো- এই সত্য নারীর মধ্যে দেখতে চেয়েছেন লেখক, প্রথম গল্পের নায়িকা চন্দনার মধ্য দিয়ে। চন্দনা শিক্ষিত রুচিশীল। তবে অসুস্থ, খুব বেশি হাঁটচলা করতে পারেনা না, বারান্দায় বসে প্রকৃতির সমস্ত ভালোবাসা উজার করে নিতে চান তিনি। সন্তানদের পাঠানো বাড়তি অর্থ দুহাতে নিজের পছন্দের ও শখের জন্য খরচ করেন। এসি লাগানো ঠান্ডা ঘর, শরীর ঠিক রাখার কৌশল হিসেবে ট্রেড মিল, বন্ধুদের সাথে থাইস্যুপ খেতে পছন্দের রেষ্টুরেন্ট যাওয়া- সবই হয়, কিন্তু এত আরাম আয়েশ তার মনে রেখাপাত করেনা। মনে পড়ে এক সময় পুরনো ঢাকার পাতলাখান লেনের ছোট বাড়ীটির কথা। সুখ স্বচ্ছলতা স্বামীর অধিকার কিছুই ছিলনা, কিন্তু তবুও স্বপ্ন ছিলো। সে স্বপ্ন ছেলে মেয়েদের নিয়ে। শারীরিক কষ্ট ছিলনা কিন্তু ছিল মনের কষ্ট এবং একবুক শূন্যতা। এখন মনে হয় সেটা যেন সর্বকালের। পার্থক্য তখন স্বামী সারারাত হোটেলে কাটিয়ে সকালে বাড়ীতে এসে গাল টিপে টিপে মেকি আদরের ভান করতো। কঠিন প্রতিবাদ করতে পারেননি তখন কিন্তু অসম্মান ক্ষোভ মর্মযাতনা আজও তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়।
এখন এই প্রবীণ বয়সের নিঃসঙ্গতা এবং মনভেঙে যাওয়ার গল্পতো আরো নিদারুন আরো কষ্টের। একদিন রাত দুপুরে স্বামীর ঘরে আলো জ্বালা দেখে কৌতুহলের কারণে পরদার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন বাড়ীর পুরাতন ভৃত্য গফুর নিচু হয়ে কি যেন করছে। পরে জানতে পারলেন উকিল সাহেবের সারা শরীরে এক ধরনের বিশ্রী ঘা হয়েছে। প্রতিদিন বাড়তি একশো টাকার বিনিময়ে মলম লাগানোর কাজটি করে গফুর। চন্দনা বুঝতে পারে বিভিন্ন ধরনের নারী সঙ্গের ফলেই তার শরীরে এই দুরারোগ্য ব্যাধি। চন্দনা নিজের ঘরে এসে তার বিছানায় ধবধবে সাদা চাদর বিছিয়ে দিয়ে সেই বিছানায় স্বামীকে শুইয়ে দিতে বলে। কিন্তু স্বামী বিছনায় না গিয়ে দ্রুত নিজের ঘরে চলে যান। চন্দনা বুঝতে পারে তার সারা গায়ে যে পাপাচারের বীজ রোপিত হয়েছে তা ধরা পড়ার ভয়ে সে পালিয়ে বাঁচলেন।
আধুনিক স্থাপত্যকলায় তৈরি সুরম্য বাড়ির সাদা ধবধবে বিছনায় শুয়ে জোৎস্নায় প্লাবিত হতে হলেও সেই রাতে আগের মতো তিনি পুলকিত হতে পারলেন না। চোখ খুলেই মনে হল তার চারপাশে কেউ নেই, ভালবাসার কোন হাত নেই, এক বুক জ্বালা আর হতাশা ছাড়া কিছু নেই। তিনি একেবারেই একা।

এই বইয়ে দ্বিতীয় গল্প ‘গিরিবাজ’ মানবিক যন্ত্রনার পাশাপাশি এতে প্রচন্ড রসবোধ রয়েছে যা লেখকের একটি সহজাত গুণ। এই গল্পটিকে তা অন্যরকম এক ভিন্নতা দিয়েছে। লেখক শুরুতেই বলেছেন- বেশির ভাগ পুরুষই মন বোঝেনা, দেহ বোঝে। কিন্তু দেহ তত্বের যে একটা চিরন্তন ভাষা আছে, কৌশল আছে সেটাও বোঝেনা তাই তরুণী পূর্নতা স্বামী সজীবকে বুঝতে পারে না। স্ত্রীর সঙ্গ তার ভালো লাগেনা কিন্তু অন্য নারীর প্রতি আসক্তি ঠিকই আছে। লুকিয়ে সেই আকাঙ্খা চরিতার্থ করতে অফিস ট্যুরের নামে নানা ছল চাতুরীর আশ্রয় নেয়। কর্মজীবী চৌকস স্ত্রীর চোখকে কিন্তু ফাকি দিতে পারে না। দিনের পর দিন অসম্মানিত বঞ্চিত পূর্নতা নিজেও এক সময় অফিসের কাজে বাইরে যাবার প্লান করে। একে অন্যকে লুকিয়ে প্রথমে পূর্নতা ও পরে স্বামী বাইরে বের হয়। সেখানে সে না গিয়ে আগে পরে বাসায় ফিরে আসে দু’জনই। স্বামী পরে ঘরে ঢুকে স্ত্রীর অন্য পুরুষের সাথে মিলিত হবার দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায়। ভাঙা ডালপালার মতো দুহাত দুদিকে ঝুলিয়ে সিড়ি বেয়ে দ্রুত নিচে নেমে যেতে যেতে স্বগত উচ্চারণ করে: শালা, একেই বলে চোরের উপর বাটপারি।
‘স্বপ্ন’ গল্পের মধ্য দিয়ে যাপিত জীবনের নানা যন্ত্রনা সংকটের পাশাপাশি প্রতিদিনের স্বপ্ন আকাঙ্খাও উঠে এসেছে। পরিবারের মেয়ে দুটির জন্য একটি পৃথক বাথরুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে মা কিন্তু বড় বাড়ি ভাড়া নেয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। ছেলে মেয়েরা ক্যাডেটে ভর্তি হবার সুযোগ পেলে তিনি স্বস্তি ফিরে পান। এই সংকটেও তার স্বামী মুনি ঋষির মতো চোখ নামিয়ে বসে থাকেন যেন তার করার কিছু নেই। কিন্তু এরপরও রেবেকার দুচোখ স্বপ্নের ভারে জ্বলজল করে। সে স্বপ্ন দেখে ভালোভাবে বেঁচে থাকার। শহর থেকে দূরে সবুজ অরণ্যে একটি ছোট দোতলা বাড়ি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে নদী দেখা যাবে। লম্বা বারান্দায় খলিল সাহেব দোলনায় বসে পা দুলিয়ে দুলিয়ে পত্রিকা পড়বেন। বাড়ির সামনে বোগেনভিলার গাছ, তার অপূর্ব সুষমা নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে। মনে মনে ভাবেন আহা কবে সেই দিন আসবে। মেধাবী চার সন্তান লেখাপড়া শেষ করে বিদেশে স্থায়ী হয়েছে। খলিল সাহেব স্ত্রীর শখ ও স্বপ্ন পূরণের জন্য অবসরে সরকার প্রদত্ত টাকায় রূপনগরে বিশ কাঠা জমি কিনলেন। ছেলেমেয়েরা মাকে বললেন এবার তুমি তোমার মনের মত বাড়ি বানাও মা, যত টাকা লাগে আমরা দিব।
সেই মনের মতো বাড়ি হলো কিন্তু ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত খলিল সাহেব বারান্দার দোলখাওয়া চেয়ারে বসে একদিন উদাস কন্ঠে বললেন- অরণ্যের সবুজ আমার ঝাপসা চোখে দেখা যায়না। হাঁটার শক্তি নেই। রেবেকা তার সাথে সুর মেলালেন, ইদানিং তারও হাটু কোমরের ব্যথা। তাই সারা রাত ঘুমাতে পারেন না। পেটটাও কেমন ফাঁপা ফাঁপা থাকে ইদানিং। রেবেকার ছোট বোন রেহেনা বললেন তোমাদের দুজনেরই এখন নিয়মিত চেকআপ দরকার। সিদ্ধান্ত হলো এই বাড়ি ছেড়ে বোনের বাসার পাশে একটি বাড়ি ভাড়া নেবে তারা। লক্ষ্য রাখতে হবে সেখান থেকে হাসপাতাল ও ডাক্তারের চেম্বার যেন কাছে হয়।
এক বুক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে খলিল সাহেব বললেন স্বপ্ন আর বাস্তব এক নয়, মেলানো যায় না। আর সময়মতো স্বপ্নকে ধরতে হয়। না পারলে সেটা এমনি অর্থহীন হয়ে যায়।
‘জাফরি কাটা রোদ’ এই বইয়ের শেষ গল্প। নায়িকা আনোয়ারা মধ্যবয়সী। স্বামী আর একটা বিয়ে করে অনত্র থাকে। কোথায় থাকে আনোয়ারা ছেলেদের সে কথা জানায়নি। কারণ ছেলেরা বাবাকে ফিরিয়ে আনুক সেটা আনোয়ারা চাইতেন না। নির্যাতক, প্রবঞ্চক স্বামীর কাছ থেকে সে দূরে থাকতে চায়। আনোয়ারা নিজে অধ্যক্ষ এবং খুব কাছের বন্ধু শাহিদা সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উর্ধতন এক কর্মকর্তা। দুজনে খুব ভালো বন্ধু। আনোয়ারার নিঃসঙ্গ জীবনে আনন্দ ছড়ানো এই বন্ধু তার জীবনের এক পরম পাওয়া। মন খুলো কথা বলা, বুদ্ধি পরামর্শ নেয়া, ঘুরে বেড়ানো তাও এক সাথে হয়। লেখক বলেছেন সংসার সংঘাতে, অভিঘাতে তারা দুজন দুজনের হাত ধরে চলে।

আনোয়ারা ফেসবুকের মাধ্যমে চ্যাট করে এক বয়সী ভদ্রলোকের সাথে সম্পর্ক গড়ে একে অন্যের বন্ধু হয়ে ওঠে। এ ব্যাপারে শাহিদার প্রশ্নের উত্তরে আনোয়ারা বলে সময় কাটানোর বিকল্প পথ ছাড়া এটা আর কিছু নয়। লোকটি খুব মিষ্টি করে কথা বলে বলে ইতিমধ্যে নানা জিনিষ চায়। ত্রিশ হাজার টাকার মোবাইল, নাতনির জন্য সোনার চেন, টাইটান ঘড়ি, চাইনীজ রেষ্টুরেন্টের পার্টির খরচসহ কত কিছু। আনোয়ারা একে একে সবই দিয়েছে। শহিদা বিয়ের ব্যাপারে সে সিরিয়াস কিনা জানতে চাইলে আনোয়ারা তার ব্যর্থ জীবনের নানা দিক তুল ধরেন। কোনদিন স্বামীর ভালোবাসা পায়নি, কোনদিন সুন্দর করে কথা বলেনি, এক বিছানায় শুতনা পর্যন্ত। একটা সময়ে আনোয়ারার ব্রেষ্টে একটি লাম্প ধরা পরেছিলো। কোলকাতায় নিয়ে গিয়ে তার স্বামী চিকিৎসককে শুধু টিউমার অপারেশন নয়, পুরো ব্রেষ্টটাই ফেলে দিতে বলেন। যুক্তি দেখান তার স্ত্রী একমাত্র উপর্জনক্ষম আর সে ছোটখাট একটি ব্যবসা করে। তাই ঝুঁকি না নিয়ে সাবধান হওয়াই ভালো। ব্রেষ্টটা ফেলে দেয়ার পর সে গর্ব করে বলেছিলো আনোয়ারাকে নাকি নতুন জীবন দান করা হলো। সন্দেহের বশে আনোয়ারা যখন ঠাকুরপুকুর হাসপাতালে একজন বিশেষজ্ঞকে তার রিপোর্ট দেখালো। চিকিৎসক জানালো তার ওভার ট্রিটমেন্ট হয়েছে। এইভাবে চক্রান্ত করে তাকে ফান্দে ফেলতে চেয়েছিলো তার স্বামী কিন্তু না দেহের সমস্ত শক্তি সাহস দিয়ে নিজেকে নতুন করে তৈরি করেছে নিজেকে সে। কিন্তু এই বয়সে নতুন করে কোন ফাঁদে আর জরাতে চায় না। বন্ধু শাহিদার পরামর্শে ফেসবুক আইডি ব্লক এবং ফোন নাম্বার পরিবর্তন করে। আনোয়ারার জীবনে এটি এক আধুনিক যুগ-যন্ত্রনা। বুঝতে পারে ফেসবুক মানুষের বুকের ভেতর গভীর এক ক্ষত সৃষ্টি করে। বাকি গল্পগুলোর মধ্য দিয়েও আমাদের দেশের নারীদের জীবন বঞ্চনা অসম্মান অধিকারহীনতা টানাপাড়েন স্বপ্ন ও হৃদয় ভাঙার হতাশাকে তুলে এনেছেন। ভেতরে বাইরের কঠোর ও কোমলতাকে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে তুলে সফল হয়েছেন তিনি। গভীর অন্তর্দৃষ্টি তাকে প্রতিটি ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রণোদনা জুগিয়েছে। লেখক একজন শিক্ষাবিদ তাই এক ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে তার এবং দীর্ঘ দিনের কবিতা লেখার চর্চা থাকায় গল্পগুলোর ভাষা প্রাঞ্জল, সহজবোধ্য এবং কাব্যগুণ সম্পন্ন। আমরা কবিতার পাশাপাশি এমনি নান্দনিক সৃজনশীল গল্প আরো চাই। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে সময় যুগ ও পরিবেশকে ধারন করে এক অনন্য গল্পকার হয়ে উঠুন এই প্রত্যাশা আমাদের। সুখপাঠ্য এই বইটির বহুল প্রচার কামনা করছি।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (0) »

এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com