বইয়ের আলোচনা

কাজী জহিরুল ইসলামের “থাবড়া হামিদ”

পূরবী বসু | 12 Mar , 2018  

border=0“থাবড়া হামিদ” কাজী জহিরুল ইসলামের সদ্য প্রকাশিত একটি উপন্যাস। কাজী জহিরুল ইসলাম একজন কবি হিসেবে বাঙালি পাঠকের কাছে পরিচিত। তাঁর লেখা, আমার জানা মতে, এটি-ই প্রথম উপন্যাস। ছিয়ানব্বই পৃষ্ঠার ছোট্ট পরিসরের উপন্যাসটি আগাগোড়া অত্যন্ত মনোগ্রাহী এবং সাবলীল ভাষায় লিখিত। একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত পাঠকের মনোযোগ টেনে ধরে রাখে এই বই। ফলে বলাই বাহুল্য উপন্যাসটি সুখপাঠ্য।

বাংলাদেশের কোনো উপশহর কিংবা গ্রামের অতি পরিচিত পরিবেশে কিছু চেনা চরিত্রের প্রথাগত চলাফেরা, কথাবার্তা, জীবনযাত্রা, স্থানীয় রাজনীতি, ক্ষমতার প্রতাপ, সেই সঙ্গে হাসিঠাট্টা মিলে একটি জনপদের দৈনন্দিন জীবনের সংস্কার, কুসংস্কারসহ বেঁচে থাকার নানা বৈচিত্র্যময় অনুষঙ্গ রয়েছে এই উপন্যাসে। এই বইয়ের সবেচেয়েদৃষ্টিগ্রাহ্য ও নান্দনিকউপকরণ বোধহয়অল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত সহজ সরল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহৃত কথাবার্তা। ছোট ছোট বাক্য গঠনে তৈরি, কৌতুকপূর্ণ কথোপকথন শুরু থেকেই মন কাড়ে। লেখকের চরিত্র নির্মাণ, তাদের মজাদার কিছু রুটিন শব্দ প্রয়োগ, বিশেষ কিছু কাজকর্ম বা স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য (এই ক্ষেত্রে যেমন যথেষ্ট আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে চেয়্যারম্যান হামিদের “থাবড়া”দানের উৎসব) আমাদের বারে বারে বাংলাদেশের সবচাইতে পাঠকনন্দিত ঔপন্যাসিক ও জনপ্রিয় নাট্যকার হুমায়ুন আহমেদের পরিহাসপ্রিয়তা ও রসিকতা বোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রাত্যহিক গৃহস্থালীতে ব্যবহৃত পরিচিত আরবী ফারসী শব্দ, এমন কি কিছু অতি ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ-ও তুলে এনে তিনি যেভাবে ব্যবহার করেছেন, যেভাবে পশুপাখির সঙ্গে মানুষের পার্থক্য নির্ণয়ে দু’টি পরিনত ব্যক্তি নিবিড় পর্যবেক্ষণে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করেন, তা হুমায়ূনের কথা মনে করিয়ে দেয় নিঃসন্দেহে।
উদাহরণস্বরূপ, কাজী জহিরুল ইসলামের লিখিত “থাবড়া হামিদ” এর প্রথম অধ্যায়ের (পৃষ্ঠা ১২) একটি ছোট অংশের বর্ণনা ও বাক্য গঠনের রীতি তুলে ধরছি।

“একটা প্রশ্নের উত্তর দেওতো মকবুল। মানুষ আর পশুপাখির মধ্যে পার্থক্য কী?
অতি কঠিন প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর মকবুল জানে না। মকবুল ভাবছে, আমি কি কোন ভুল করলাম? পশুপাখি পর্যায়ের কিছু করে ফেলেছি? চাচাজি নিশ্চয়-ই পশুপাখির সঙ্গে আমাকে তুলনা করতে শুরু করেছেন।
মকবুল, আমি তোমাকে কোন পশুপাখির সঙ্গে তুলনা করছি না। প্রশ্নটা অন্য কারণে করেছি।
মকবুলের গলা শুকিয়ে যায়। একটু পানি খেতে পারলে ভালো হতো। চাচাজি মনের কথা বুঝতে শুরু করেছে। এবার তার কপালে এক রাম-থাবড়া আছে। চাচাজির নাম আগে ছিল থাবড়া-হামিদ। চেয়ারম্যান হওয়ার পর হয়েছে থাবড়া-চেয়ারম্যান। থাবড়া-চেয়ারম্যানের থাবড়া খায়নি সদর ইউনিয়নে এমন লোক নেই। মকবুল খেয়েছে আঠারবার। ঊনিশতম থাবড়ার জন্য নিজেকে তৈরি করছে মকবুল। চারবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগিরি করে এবার হয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান। এখন থাবড়া দেবার তরিকাও বদলে গেছে। আগে যখন তখন থাবড়া মারতেন। এখন মারেন আয়োজন করে। আয়োজন করে লোক ডেকে থাবড়া মারা বিরাট বে-ইজ্জতি ব্যাপার।”

আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার।
এই উপন্যাসের উপস্থাপনায়, পরিচ্ছেদের শুরুতে প্রায়শ-ই যেমন করে স্থান কাল আসবাবের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তাতে আমার ধারনা উপন্যাসটির নাট্যরূপদেয়ার সদিচ্ছা রয়েছে লেখকের এবং তার একটি অনুশীলনও হয়ে গেছে আলোচ্য উপন্যাস রচনাকালেই। যার ফলে কথোপকথনের ওপর অপেক্ষাকৃত বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

“থাবড়া হামিদ”উপন্যাসে নানাবিধ চরিত্রের আনাগোনা থাকলেও দুটি চরিত্র-ই সবচেয়ে বিস্তৃত ও জীবন্ত হয়ে পাঠকের কাছে পূর্ণতা পেয়েছে বলে মাদের বিশ্বাস। তার একজন থাবড়া হামিদ নিজে এবং অপরটি তার আশ্রিত আত্মীয় মকবুল। বেশ কিছু চরিত্র উপন্যাসে সংযোজিত হয়েছে, যাদের কেউ কেউ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে পাঠকের মনে বিশ্বাস জন্মেছিল। কিন্তু তারা হঠৎ মাঝপথে এসে হারিয়ে যায়। অথচ উপন্যাসের কাঠামোতে তাদের আগমন ও প্রাথমিক উপস্থাপন পাঠকের মনে আশা উস্কে দিয়েছিল যে চরিত্রগুলোর বিস্তৃতি ঘটবে। তেমন একটি চরিত্র বিদেশিনী ক্যারোলাইন। হামিদপুত্র সুপুরুষ রূপ মিয়া বিয়ে করতে এসেছে বাড়িতে। কিন্তু সকলকে স্তম্ভিত করে দিয়ে তার সঙ্গে লঞ্চ থেকে নামে পরিবার ও গ্রামের সকলের কাছে অপরিচিতা এক বিদেশিনী নারী। ক্যারোলাইন। এন, জি ও কর্মী। গ্রামে, নদীর ঘাটে কানাঘুষা ওঠে রূপ মিয়া এই বিদেশিনীকে বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে এসেছে। ক্যারোলাইনের সঙ্গে রূপের সম্পর্কের রহস্যের জট ভালোমতো না খুললেও ক্ষমতাধর, প্রবল ব্যক্তিত্ত্বশালী পিতার জেরার জবাবে রূপের যে ধরণের প্রতিক্রিয়া হয়, যেভাবে মেয়েটিকে তার বন্ধু বলে সে পরিচয় দেয়, তাতে কেবল বাড়ি আসার পথে লঞ্চেই তাদের পরিচয় হয়েছে মনে হয় না। তার অনেক আগে থেকেই পরিচয়ের সূচনা, সে আভাস-ও মেলে পরবর্তিকালে এক দূরবর্তিনীর ফোন-আলাপনে। ।কিন্তু যেই মুহুর্তে রূপ তার ভাবী স্ত্রী-অপূর্ব এক সুন্দরী নারীকে দেখে, সে এতোটাই বিমোহিত হয়ে পড়ে, মুগ্ধতায় এতোখানি গলে পড়ে যে বিদেশিনী ক্যারোলাইন কেবল তার হৃদয় থেকে নয়, বইয়ের পৃষ্ঠা থেকেও স্থায়ীভাবে অন্তর্হিত হয়ে পড়ে। সর্বশেষ তার উপস্থিতি আমরা দেখি যখন পুকুর পাড়ে মকবুলের তিন কন্যার সঙ্গে সে খেলা করে। ক্যারোলাইন রূপের বিয়ের আসরে ছিল কি ছিল না তাও জানতে পারে না পাঠক যদিও রূপের ভাবি শশুরের ভাষ্যমতে ক্যারোলাইন বিয়ের আগের দিনান্তেও গ্রামেই ছিল। ক্যারোলাইনের চরিত্রটি উপন্যাসে যথেষ্ট সম্পূর্ণতা পায়নি। রুপের সৎ বোন নাসরীনের একটি উজ্জ্বল ও তীক্ষ্ণ উপস্থিতি থাকতে পারতো গ্রন্থটিতে। সেটা ঘটেনি। আগাগোড়াই আড়ালে আড়ালে থেকে গেছে সে। বলাবাহুল্য উপন্যাসের প্রথম অর্ধেকাংশে কোনো উল্লেখযোগ্য স্ত্রী চরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায় না। বলতে গেলে পরের দিকে রূপের স্ত্রী আরিফা ছাড়া এই উপন্যাসে নারী চরিত্ররা খুব কম জায়গা দখল করে আছে।

বিয়ের পর শহরে এসে আরিফার ভার্সিটিতে পড়াশোনা শুরু, কবিতা লেখা, অল্পবয়সী প্রফেসরের সঙ্গে রোমান্টিক বাক্যালাপ তার প্রাক্তন জীবন থেকে এক বিশাল উল্লম্ফন বলে মনে হয়। আরেকটু ধীরে বা বিস্তৃতির সঙ্গে তার গ্রাম থেকে শহুরে এক আধুনিকা নারী হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটা হলে আরো বাস্তবসম্মত হতো।

আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করেছি, স্থান – কালের ব্যবধান বা তা অতিক্রান্ত হয়ে যাবার বিষয়টি কোনো প্রকার পদ্ধতি প্রয়োগে আলাদা করা হয়নি পুস্তকে, যেমন সাধারণত করা হয় নতুন পরিচ্ছেদ সংযোজনে, কিংবা কয়েক লাইন জায়গা ছেড়ে দিয়ে সময়ের পার্থক্য বোঝাতে। তবে এক-ই পরিচ্ছেদে বিভিন্ন সময় বা স্থানের সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা বর্ণিত হলেও সাধারণত নতুন প্যারাগ্রাফ করা হয়েছে। তার মানে একটানা লেখায় এক-ই পরিচ্ছেদে, এক-ই পৃষ্ঠায় ভিন্ন প্রসঙ্গ, ভিন্ন চরিত্র বা পরিবেশের সূচনা হয়েছে কোথাও কোথাও কেবল ভিন্ন স্তবক দিয়ে। এটাও হয়তো লেখকের নিজস্ব স্টাইল।

জহিরুলেরআকর্ষনীয় ভাষা, গ্রাম্য রাজনীতির সুচারু চাল, কথাবার্তার ধরণ, রম্য-রসিকতা, আালাপ-আলোচনার পরিবেশ, ভোজন-আপ্যায়ণ ইত্যাদি খুব বাস্তবসম্মত ও নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে। উপন্যাস শেষের চমক ও সহিংসতা চরম পরিণতি পেলেও গ্রন্থের শুরু থেকেই তা ধীরে ধীরে অন্তরালে গড়ে উঠছিল, টের পাওয়া গেছে। বিশেষ করে জয়নালের আগমনে।
বইটি পড়তে পড়তে প্রথম দুই পরিচ্ছেদে হুমায়ূনআহমেদের লেখার সঙ্গে যতটা সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়, পরের পরিচ্ছেদ্গুলোতে তার প্রভাব ততটা পরিলক্ষিত হয় না। বরং ধীরে ধীরে তা কাজী জহিরুল ইসলামের নিজস্ব ঢং-এ লেখা উপন্যাস নিজস্ব উপস্থাপনা, প্রকাশভঙ্গি এবং চরিত্র চিত্রনের মুন্সিয়ানায় আমাদের কাছে ভিন্ন স্বাদে পরিবেশিত হতে থাকে। জহিরুল ইসলামের নিজস্ব রীতিতে, স্বতন্ত্র ভাষার ব্যবহার কেমন করে প্রথম দুই পরিচ্ছেদকে বাকি গ্রন্থটিকে আলাদা করেছে তার উদাহরণ দিতে পারা যায় পনেরো নম্বর অধ্যায়ের ৮২-৮৩ পৃষ্ঠায়-

“-একটি ঝড়। গাছপালা ভেঙে পড়ছে। বাড়িঘর ভেঙে যাচ্ছে। সমুদ্র ফুঁসে উঠছে। নদীগুলো ফুলতে শুরু করেছে। সব ভেসে যাচ্ছে। ভাসছে ফসল, ভাসছে মানুষ, সব সব, ভেসে যাচ্ছে।
নবনীতা চুপ করে আছে। চোখ বন্ধ করে শুনছে আরিফার কথা। আরিফা ক্রমাগত বলেই যাচ্ছে।
-আমি ভেঙে যাচ্ছি, ভেসে যাচ্ছি। হঠাৎ একটি গাছ, খুব দৃঢ়, জলের তোড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। আমি ওর ডাল ধরে ফেললাম। আমিও একটি গাছ। অন্য একটি গাছের ডাল থেকে নেমে এসেছি। আর সেই গাছটি, যেন আমার প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল।”

তিনি তাঁর স্বতন্ত্র স্টাইল, স্বতন্ত্র বর্ণনা, পরিচিত দৈনন্দিন ব্যবহৃত শব্দে নির্মিত ছোট ছোট বাক্যালাপ দিয়ে গঠিত এই উপন্যাসটির মতো মনোগ্রাহী এবং বাস্তবসম্মত করে ভবিষ্যতে আরো সুন্দর সুদর উপন্যাস বা গল্পও সৃষ্টি করবেন, এই আশাই করি তাঁর শুভ অর্ধ শতাব্দীর জন্মদিনে।

এই উপন্যাস পড়ে মনে হচ্ছে আমাদের জনপ্রিয় উপন্যাসের মরুভূমিতে নতুন মরুদ্যানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এখন থেকে কাজী জহিরুল ইসলাম কবিতার মতো কথাশিল্পের দিকেও নজর দেবেন এই প্রত্যাশা।

প্রকাশক – সময় প্রকাশন
প্রচ্ছদ – ধ্রুব এষ
মূল্য – ১৬০ টাকা
Flag Counter


7 Responses

  1. Shohail Choudhury says:

    এই লেখকতো হুমায়ুন আহমেদের নকলনবিশ। একে নিয়ে লেখার বা আলোচনার কিছু নেই।

  2. গোলাম কবীর বুলবুল says:

    আমি থাবরা হামিদের প্রথমদিককার পাঠকদের একজন ।ফেইসবুকে যে মূহুর্ত থেকে দেয়া শুরু করে সেই মূহর্ত থেকেই পড়া শুরু করি এবং রাত জেগে অপেক্ষা করতাম পরবর্তি লেখা আসার জন্য ।
    মানুষের জীবনের সুক্ষ্ণ অনুভুতিগুলি লেখক এত সুন্দর করে তুলে এনেছে যা’ অতুলনীয় । আমরা বিভিন্ন পরিবেশে যে ভাষায় কথা বলি লেখক ঠিক সেভাবেই তুলে এনেছে এখানে কৃতিম কোন ভাষার আমদানী করেননাই । আমার কাছে মনে হয়েছে যেন বাস্তব কোন ঘটনার অডিও শুনছি । একজন ক্ষমতাশালী লোক সৎ ও ইচ্ছাে করলে যে একটু ভিন্ন পদ্ধতি হলেও শ্বাসন করে সমাজের অনাচার দূর করতে পারে তা’ লেখক তা’র লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন একই সংগ একজন কঠিন হৃদয় বাবাওযে তা’র সন্তানদের প্রতি স্নেহশীল তা’ও এখানে চলে এসেছে । আমি নিজে এই বই কিনে অনেককে উপহার দিয়েছি কিন্তু আমি কাজী জহির সাহেবের সাথে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত নই ।

  3. সালমা খান says:

    থাবড়া হামিদ আমি মেলা থেকে কিনছি। দারুণ একটা বই। আমি হুমায়ূন স্যারের বই পড়তাম কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর আর উপন্যাস পড়ি না। এই বইটা অনেক দিন পরে পড়লাম। এখন থেকে কাজী জহিরুল ইসলামের উপন্যাস পেলেই পড়ব। তবে আলোচক পূরবী বসুর সাথে আমি একমত মেয়ে চরিত্র এই বইয়ে প্রাধান্য পায় নাই। আশা করি লেখক বিষয়টি বিবেচনা করবেন পরের লেখায়। জানতে ইচ্ছা করে এটাই কি এই লেখকের প্রথম উপন্যাস?

  4. মুক্তি জহির says:

    থাবড়া হামিদ উপন্যাসের একটি সুন্দর রিভিউ লিখেছেন পূরবী বসু। আলোচনাটি আমার ভালো লেগেছে। বইটি আমি পড়েছি। যারা পড়েন নি এই আলোচনাটি পড়ে গল্পের মোটামুটি একটি ধারণা পাবেন। লেখক একটি চ্যালেঞ্জ থেকে হুমায়ূনীয় ভাষায় এই বইটি লিখেছেন এবং বইটি বেশ জনপ্রিয় ও হয়েছে। আমার ধারণা এটি একটি এক্সপেরিমেন্ট। দেখা যাক তিনি এই ভাষায় আরো লেখেন কিনা। একথা ঠিক যে এই উপন্যাসে নারী চরিত্ররা তেমন প্রাধান্য পায়নি।

  5. Ahmed jamil says:

    কাজী জাহির ইসলামের উপন্যাস “থাবড়া হামিদ” পড়েছি ,আমি অভিজ্ঞ সমালোচক নই ,আমার কাছে উপন্যাসটি পড়ে বারবার মনে হয়েছে আমি হুমায়ুন আহমেদের কোনো উপন্যাসে ঢুকে পড়েছি। আমি এক কথায় বলবো , উপন্যাসটি আমি পুরোপরি উপভোগ করেছি, সব মিলিয়ে অসাধারণ উপন্যাস হয়েছে বলে আমি মনে করি । কবিতার পাশাপাশি কাজী জহির সাহেব উপন্যাসে সমাদৃত হবে বলে আমি আশা করি ।

  6. আল আমিন says:

    আমি বইটি পড়েছি। অসাধারণ একটি বই। হুমায়ূন আহমেদ মারা যাবার পরে এতো ভালো বই আর পাই নাই। লেখক কাজী জহির সাহেবকে অনুরোধ করব আমাদের আরো ভালো ভালো বই উপহার দিবার জন্য। আমি এই লেখকের বইয়ের অপেক্ষায় থাকব।

  7. রিতা মাহমুদ says:

    থাবড়া হামিদ পড়ে মনে হয়েছে হুমায়ূন স্যার ফিরে এসেছেন। কাজী জহিরুল ইসলাম স্যারের কাছ থেকে আরো আরো অনেক উপন্যাস চাই। প্লিজ প্লিজ স্যার আমাদের জন্য আরো লেখেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.