arts.bdnews24.com » একাকিত্বের স্তোত্র রচনা ভালোবাসার অন্বেষা

একাকিত্বের স্তোত্র রচনা ভালোবাসার অন্বেষা

আহমদ রফিক | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১:২৭ অপরাহ্ন

বাংলা সাহিত্যে কবিতার ঐতিহ্যধারায় মাঝে মাঝে ঘটনা তথা বিষয়ের হঠাৎ আবির্ভাবে কাব্যসৃষ্টির মূলধারা বা মূল স্রোত তৈরি হতে দেখা গেছে। কখনও কবিতাই মূলধারার জনক। কবিদের ভিন্ন ভিন্ন কণ্ঠস্বর সত্ত্বেও বিষয়ের একটি বিন্দুতে তারা এক ও অভিন্ন। যেমন অবিভক্ত বঙ্গে স্বদেশ ও স্বাধীনতা প্রসঙ্গে, চল্লিশের দশকে সমাজবদলের প্রত্যয়ে, বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রেরণায় একুশের কবিতা এবং ষাটের দশকে জাতীয়তাবাদী চেতনার স্বদেশ ও একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের কবিতা।
আবার এর মধ্যেই অবিভক্ত বঙ্গীয় সাহিত্যে প্রকাশ পেয়েছে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি বৈশিষ্ট্যের কবি ও কবিতা যেখানে বিষয়ের চেয়ে প্রাকরনিক অভিনবত্বের প্রকাশ অধিক। নাম উল্লেখ না করলেও কাব্যামোদী পাঠকের তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের কাব্যসাহিত্যে শেষোক্ত ধারাটি কিছু না কিছু প্রভাব রেখেছে পঞ্চাশের দশক থেকে।
এর সূচনা অবশ্য স্বাধীন বাংলাদেশে অপ্রত্যাশিত সমাজ বাস্তবতার টানে। কবিকণ্ঠে ভাঙনের সুরে বিচ্ছিন্ন চেতনার সূচনা ক্ষোভ, হতাশা ও নেতিবাদী চেতনার পথ ধরে। কবিতার বিচ্ছিন্নযাত্রা, বিচ্ছিন্ন কবিব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটিয়ে যে ধারার সৃষ্টি তা কবিতাকে ব্যক্তিত্ববাদী করে তোলে। তাতে বৈচিত্র্যের নানামুখী প্রকাশ আপন বৈশিষ্ট্য নিশ্চিহ্ন করে। কবিতা সেক্ষেত্রে কখনও একাকিত্ববোধের বা নিঃসঙ্গ চেতনার প্রকাশ ঘটায়। তাতে উপভোগ্যতায় ঘাটতি দেখা যায় না।
বাংলাদেশের কবিতা গত কয়েক দশক ধরে এই স্বাতন্ত্র্য-বৈশিষ্ট্যের পথ ধরে চলেছে এবং কবিতার শৈল্পিক প্রকাশ ঘটিয়েছে, এখনও ঘটিয়ে চলেছে। কবিব্যক্তিত্বের অনন্য এককতা সেখানে প্রধান হয়ে উঠেছে। তারুণ্য ও যৌবনের বিষয় ভাবনা এবং প্রাকরণিক আকর্ষণ; সময় সেক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা। আর তা যেমন আত্মপ্রকাশের তেমনি আত্মবৈশিষ্ট্য পরিস্ফুট করে তোলার সহায়ক। প্রেম-ভালোবাসা তখন অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।

দুই.
কবি ও কবিতার এই পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় একজন তরুণ কবির সাম্প্রতিক কবিতা পাঠের সুযোগে সে সম্পর্কে কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করছি। কবি জুননু রাইন। অভিনব নামে চিহ্নিত তার রচিত কবিতা-সংকলন ‘এয়া’র পাঠ উপরে উল্লিখিত কাব্য উপলব্ধির প্রকাশ ঘটাতে সাহায্য করেছে।
জানি না ইউরোপীয় কবিতার সাম্প্রতিক পিছু হঠার কারণে লাতিন আমেরিকান কবিতার অভিনবত্ব কিংবা মার্কেজীয় নির্জনতা নিঃসঙ্গতা আমাদের সাম্প্রতিক কবিতাকে প্রভাবিত করছে কিনা। নেরুদা কিংবা পাজ? নাকি এ পরিবর্তনের সবটাই এদেশের বর্তমান সমাজ-সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতিভিত্তিক সময়ের দান?
বাস্তব যাই হোক সত্যটা হল, সময় এমনই এক চরিত্র অর্জন করেছে যে সমষ্টিগত চেতনা, সংগ্রামী চেতনার এখন পিছু হটার পালা, সে শূন্যতা পূরণ করতে বাংলাদেশের কাব্যভুবনে ও কবি চেতনায় তৈরি হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবোধ, একাকিত্ব ও প্রাকৃত নিঃসঙ্গতায় একাকিত্ববোধের প্রাধান্য, যাতে অনুভূতির মুক্তি কাব্য পঙ্ক্তিতে, যা বহুকথিত অ্যারিস্টটলীয় ‘শৈল্পিক কাথার্মিস’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাতে কবিতার মুক্তি, কবির দায়মোচন। সেটা অবশ্য শৈল্পিক দায়, ক্কচিৎ সামাজিক দায়বদ্ধতার মুক্তি।

তিন.
জুননু রাইনের ‘এয়া’র কবিতাবলী মূলত এবং প্রধানত এমন এক উপলব্ধির প্রকাশ ঘটিয়েছে বলে আমার ধারণা। এখানে প্রথমপর্বের বিষয় বৈচিত্র্য সত্ত্বেও ‘এয়া’ সিরিজের তোমার-আমার পারস্পরিকতা ও ভালোবাসার কথকতাই এ কাব্যগ্রন্থের প্রধান সুর, অন্যতম প্রধান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
কবি বা পাঠক, আমরা জানি কবিতা যেমন মৃত্যুহীন তেমনি কবিতায় ভালোবাসারও মৃত্যু নেই, অন্তহীন তার নানামাত্রিক প্রকাশ। জুননু রাইনের কবিতাগুলোকে এমন এক উপলব্ধির নিরিখে পাঠ করলে কবিতাগুলোর প্রতি সুবিচার করা হবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশেষ করে মন ও মননকে এক মাত্রায় রেখে। এ দুটোই মানব-মস্তিষ্ক কোষের প্রতিক্রিয়ার দান বলে আমি বিশ্বাস করি।
জুননু’র প্রাক-এয়া পর্বের কবিতাগুলোতে বৈচিত্র্যের স্বাদ আছে, আছে কবিতার উপভোগ্যতাও। এ কাব্যগ্রন্থের সবক’টি কবিতাই হ্রস, কোনো কোনোটি হ্রস্বতর, আর সেগুলোতেই শৈল্পিক সার্থকতার প্রকাশ অধিক মাত্রায়। সূচনাতেই দেখা দিয়েছে একাকিত্বের চেতনা, তাও আবার কবি আবুল হাসানের স্মরণে, যে আবুল হাসানকে আমি নিঃসঙ্গ একাকিত্বের কবি হিসেবে তার সমকালীনদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ জ্ঞান করি এবং সে সম্বন্ধে লিখেছিও। অকাল প্রয়াত আবুল হাসানের সূচনাপর্বের কবিতা ছেপেছিলাম সাহিত্য পত্রিকা ‘নাগরিক’-এর পাতায়।
জুননুর সূচনাপর্বের কবিতায়ও বিষয় ও প্রকরণের অভিনবত্ব আছে। কখনও থাকে একাতিত্ব ঘোচানোর আন্তরিক প্রয়াস। কবি’র ‘বিশ্বাসের একারা’… একাকিত্ব ঘোষণায় ‘একত্রিত হয়’, এতটাই গভীর তার একাকিত্ববোধের তাতে থাকে ‘হারিয়ে যাওয়ার’ বেদনা। এর মধ্যেই উঠে এসেছে ‘জীবন’ ও ‘ব্যর্থতা’বিষয়ক কবির নিজস্ব উপলব্ধির শৈল্পিক ভাষ্য। আছে মৃত্যু নিয়েও তার শৈল্পিক ভাবনা। তবে এগুলো তার জন্য প্রধান বিষয় নয়, পথ চলতে হঠাৎ অনুভূতির প্রকাশ।
তবু সেখানে বিশেষ ঘটনা জোরালো অনুষঙ্গ তৈরি করে। যেমন ‘বিশ্বজিৎ’ কবিতাটিতে তাৎপর্যপূর্ণ গভীর অনুভূতি প্রকাশ পায় নিম্মোক্ত দুটো ছত্রে:
‘আমার জানালার পাশে
…একটি অমর মৃত্যু হাসে।’
প্রায়শ চার বা পাঁচ চরণে কবিতার মুক্তি ঘটান কবি; ‘বৃষ্টি’ কবিতাটিও তেমন এক উদাহরণ। একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতা হাত ধরাধরি করে হাঁটে বলেই বোধ হয় কবির নিঃসঙ্গতার উপলব্ধিও প্রকাশ পায় আপন ‘ছায়ার পেছনে হেঁটে’।
এবার এই কাব্যগ্রন্থের মূল রচনা ‘এয়া’ কাব্যপর্ব নিয়ে কিছু কথা। এখানেও শুরু এককিত্বের কাব্যনান্দীপাঠে। শেষ দুটো পঙ্ক্তি অভিনবত্বে বিশিষ্ট:
‘আলোর কসম, আমি একা এবং একাই তোমার দিকে হাঁটছিলুম
পৃথিবীর সব ডাক তোমাকেই ডাকছিলুম।’
ভালোবাসার এ বারমাস্যায় নানাভাষ্যে অন্বিষ্টকে কাছে পেতে চেয়েছেন কবি। তবে তা বিমূর্ত চরিত্রের নয়, রোমান্টিকতার উচ্ছ্বাসেও নয়; বরং তা জীবনের নানামাত্রিক ইতিবাচকতায় পরিস্ফুট। এমন কি কখনও হাটুরে, কখনও বা কৃষকের প্রতীকী অনুষঙ্গে। ভালোবাসা এক্ষেত্রে জীবন-সঙ্গী, মাটির মমতামাখা। তাই এমনও বলা যায়:
‘তোমাকে খুঁজতে খুঁজেতে
পৃথিবীর হাতে মুখে ফসলের গন্ধ মাখাই।’
এভাবেই ভালোবাসার জন্যে বিশ্বমুখী পথ হাঁটায় জুননু রাইনের কাব্য পরিক্রমা আটপৌরে উপমা বাক্যবস্তু প্রাকরনিক উদ্ভাস ঘটায়। সহজ, সরল, কখনও বা চেহাতি শব্দের পঙ্ক্তি রচনায় উদ্দেশ্যের প্রকাশ ঘটে। যেমন :
‘তখন আমি আমাদের চলে যাওয়া দেখব
এবং তোমার দিকে যাওয়াটিকে সঙ্গী করতে চাইব।’
শুধু বিচ্ছেদ নয়, আকাঙ্ক্ষার নানাভাষিক রূপও সেকুলার সামাজিক জীবনের ভাষ্যে প্রকাশ পায়:
‘আজানে তোমার ধ্বনি, মন্দির-গির্জায়
তোমাকে হারিয়ে খোঁজার সুর প্যাগোডায়।’

কাছে পাওয়ার এমন এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায় ‘এয়া’ ২২ এর একটি গভীর অনুভূতির চতুষ্পদীতে:
‘তোমার পাশে শুয়ে থাকব, মৃত্যুর পাশে শুয়ে থাকা লাশ
আমাকে তুমি খুঁজবে, আমি খুঁজবো; আমরা সবাই খুঁজবো
সেইসব সন্ধানে চোখ মেলে হারিয়ে থাকবো
আর শুধু তোমাকেই দেখব।’
এই তাৎপর্যময় ভাষ্যের পাশাপাশি অনুরূপ গভীর শৈল্পিক তাৎপর্যের প্রকাশ ঘটেছে এমন পঙ্ক্তি রচনায়। এখানে অনুভূতির প্রকাশ সংহত বাক্যবন্ধের। তুলনাটিও অনবদ্য, অরক্ত পুষ্পভাষ্যে:
‘ফুটলেই ঝরে যাও
গন্ধরা ফুরায়
তখন,
তুমি নেই পৃথিবীতে।

না থাকলে
কারোরই হয় না কিছুই
প্রতিদিন প্রতিক্ষণের
মৃত্যু হয়, জন্ম হয়
কেউ পায়
কিছু নেই থেকে কেউ
বারবার তোমাকে হারায়’
প্রাকরনিক বৈশিষ্ট্যে ও অনুভূতির গভীরতার প্রকাশে অনন্য ও সংহত শাব্দিক বিন্যাসে এ কবিতাটি (এয়া-৮) আমার চোখে এ কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, সার্থক কবিতা হিসেবে বিবেচ্য।

চার.
আগেই উল্লেখ করেছি। একালের, এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক ধারার কবিতায় প্রাধান্য প্রকারণিক অভিনবত্বের। সেদিকে আকর্ষণ সববয়সী কবিদের, তবে বিশেষ করে তা তরুণদের। যেমন শব্দ ব্যবহারে তেমনি উপমা প্রতীক ও চিত্রকল্পে। জুননু রাইনের কবিতায় বিষয় ও প্রকারণের সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকাশের মধ্যে বিশিষ্ট হয়ে উঠেছে সহজ ও চলতি শব্দের আটপৌরে ব্যবহারের অভিনবত্বে। ঠিক এ ধরনের অভিনবত্ব, বিশেষ করে শব্দের দেহাতি ব্যবহার সমকালীন কবিতায় আমার চোখে পড়েনি।
এ ধরনের শব্দ ব্যবহার একান্তভাবে জুননু রাইনের কাব্যসৃষ্টির বৈশিষ্ট্যরূপে ধরে নিতে হবে। এজাতীয় শব্দ ও বাক্যবন্ধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মেঘলা বাতাস’, ‘রঙিন মৃত্যু’, ‘রাতের মিনার’, ‘অমর মৃত্যু’, ‘স্যাঁতস্যাঁতে জোছনা’ ইত্যাদি। কিংবা ‘মনেপড়াগুলো’, ‘দেখাগুলো’, ‘আলোর কসম’, ‘ভালোবাসার জলের দোহাই’। ‘চেনা-পরিচয়ের শরীর’, ‘হাঁসের ধানক্ষেত’, ‘অপলক চোখের সমুদ্র’, ‘কচুরি ফুলে ঢেউ’, ‘শান্ত নদীর গলি’ ‘আলো ঘুমায়’, ‘ভেজা বিধবা শাড়ি’র উপমাবদ্ধ শব্দবিন্যাস বা শব্দচিত্র একান্তই জুননু রাইন সুলভ অভিনবত্বের উদাহরণ।
জুননু রাইনের কবিতায় রয়েছে অনুরূপ অভিনব শব্দাবলীর চিত্রময় পঙ্ক্তি বা তার ভগ্নাংশ। এগুলো তার শৈল্পিক চিন্তার প্রাকরনিক ফসল, যা অন্যত্র দেখা যায় না। এসবের মধ্যেই তার কবিতা আপন বৈশিষ্ট্যে পরিস্ফুট- একজন তরুণ কবির জন্য অবশ্যই যা শ্লাঘার বা তৃপ্তির বিষয়। এ ধরনের অভিনবত্ব ভিন্ন চরিত্রে আমরা জীবনানন্দ দাশের কবিতায় দেখি, কখনও রৌদ্রের সঙ্গে, বিপন্ন বিস্ময়, ধারালো কুয়াশায় এজাতীয় শৈল্পিক শব্দাবলী প্রগাঢ় ভাঁড়ারে।
না, আমি জীবনানন্দের কবিতার সঙ্গে জুননু রাইনের কবিতার তুলনা করছি না, উল্লেখ করছি শব্দাবলীর ব্যবহারগত অভিনবত্বের প্রসঙ্গ। বলছি পাঠক হিসেবে আমার ভালোলাগার প্রশ্নে। তার পঙ্ক্তি রচনার অভিনবত্বের দু-একটি উদাহারণ বা সুশ্রীস্তবক তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনার ইতি টানব। যেমন :
‘তোমার ইচ্ছের মতো ঘাড়া হয়ে আছে বিশ্বাসের সবুজ মিনার/ তোমার ‘কিছু জানিনা’র হলুদগল্পে গেঁথে আছে সহস্র ইতিহাস।’
এজাতীয় পঙ্ক্তি এমন কারোরই সৃষ্টি, কবিতা যার রক্তে। এমন অসাধারণ আর একটি ভাঙা স্তবক একাকিত্বের অনুভূতি প্রকাশে:
‘আমি খুব একা
একা বন
একা পাখিদের উড়াল
একা সবুজের ঢেউ।’
একাকিত্বের কাব্যস্তোত্র রচনায় তরুণ কবি জুননু রাইন যে শৈল্পিক শক্তির পরিচয় রেখেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আমার বিশ্বাস আপন কাব্যবৈশিষ্ট্যে জুননু রাইন তার ভবিষ্যৎ সৃষ্টিতে কবিতার আরও পরিণত প্রসাদ উপহার দিতে পারবেন, যা পাঠকপ্রিয় হবে, পাঠকের জন্য কবিতার স্বাদুভোজ তৈরি করতে পারবে।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (0) »

এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com