সেলিম আল দীনের ঐতিহ্যবিকাশী ভাবনা

আবু সাঈদ তুলু | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

সেলিম আল দীন বাংলা সংস্কৃতিচর্চায় কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব। শিল্প-সাহিত্যের পথপরিক্রমায় তিনি হেঁটেছেন আবহমান বাঙলার ঐতিহ্যের পথ ধরে। হাজার বছরের বাঙলার নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন সমকালীন শিল্পনন্দনে। উপনিবেশের দু’শ বছরের মধ্যখ-নকে পাশ কাটিয়ে হাজার বছরের বাঙলার নিজস্ব ঐতিহ্যের বিকাশী প্রচেষ্টায় আমৃত্যু সংগ্রামী ছিলেন তিনি। উপনিবেশ জ্ঞানতত্ত্বকে প্রত্যাখ্যান করে বাঙালির জারিত রসের নিজস্ব নন্দনভাবনার একছত্র প্রচেষ্টা সত্যিই বিস্ময়জাগানিয়া। শুধু ইউরোপীয় আধিপত্য নয়; সংস্কৃত নন্দনতত্ত্বের আগ্রাসী মনোভাবের মধ্যেও তিনি ছিলেন হাজার বছরের বাঙলার নিজস্ব শিল্পদর্শনে স্থিত। সেলিম আল দীন বাঙলার গ্রামগঞ্জে পালা, জারি, যাত্রাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছেন গভীরভাবে। নানা আঙ্গিককে তুলে এনে সমকালীন বৈশ্বিক রুচিবোধের অনুকুলে উপস্থাপন করেছেন। বিষয়বস্তু থেকে শুরু করে রচনারীতিসহ সামগ্রিকতায় তিনি বাঙালির বহমান রীতিকেই গ্রহণ করেছিলেন। বক্ষমান প্রবন্ধে আমরা অনুসন্ধান করবো কীভাবে সেলিম আল দীন তার রচিত নাটকে হাজার বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে সমকালীন রুচির আলেখ্যে উপস্থাপন করেছেন। তিনি কীভাবে সংস্কৃতির পরনির্ভরতাকে পুরোপুুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। সেলিম আল দীন বিশ্বাস করতেন নিজ সংস্কৃতির চর্চার মাধ্যমেই আত্মমর্যাদায় অধিষ্ঠান হওয়া উচিত এবং এতেই গৌরব।

নাট্যকার হিসেবে তিনি সমধিক পরিচিত হলেও সাহিত্য-শিল্পের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার ছিল স্বচ্ছন্দ পদচারণা। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ গবেষণা নানা ক্ষেত্রেই তার ঐতিহ্যবিকাশী প্রবণতাই প্রধানরূপে লক্ষ্যণীয়। তার রচিত নাটকগুলোর প্রথম পর্যায়ে নিরীক্ষা থাকলেও পরবর্তী রচনাগুলোর সমস্তই বাঙলার নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির রূপে পরিপুষ্ট। ঐতিহ্যকে গ্রহণ করেছেন বলে তিনি অতীতে বাস করেন নি। উপনিবেশের দুশ বছরে মধ্যখণ্ডন না থাকলে বাঙলার সমকালীন শিল্প কেমন হতে পারতো তার একটি নিরীক্ষা লক্ষ্য করা যায় তার রচনায়। সেলিম আল দীনের মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য:
“লোকায়ত সংস্কৃতির মধ্যে ক্ষয়ে ধুয়ে গিয়ে যে সকল শিল্প আঙ্গিক এখনও বিদ্যমান তার শক্তি সম্পর্কে আমাদের সন্দেহ থাকা উচিত নয়। এটাও একটা অন্বেষণ, ইতিহাসের খোঁজ। কিন্তু এই খোঁজটাকে প্রাক্তনের গড়া ছাঁচে কিংবা আধুনিক শিল্পরীতির অগ্রসরমানতায় কালযুগবর্তী করে তোলা নিঃসন্দেহে কোন পশ্চাদপদ মানসিকতাজাত নয়। আধুনিকতার কাজ সামনে এগিয়ে যাওয়া কিন্তু পথযাত্রার বিন্দুকে বিস্মৃত হওয়া নয় কারণ তা উৎকেন্দ্রিকতা।

বাঙালি জীবনের হাজার বছরের চর্চিত জীবন ও সংস্কৃতি সেলিম আল দীনের প্রতিটি নাট্যে অস্তিমান। নাটক রচনার শুরুর দিকে তিনি বাঙলার প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংগ্রামের চিত্র অঙ্কন করেছেন। করিম বাওয়ালির শত্রু অথবা মূল মুখ দেখা নাটকে মৌচাকের মধু সংগ্রহের পেশানির্ভর জীবনচিত্র মুখ্য। বন ধ্বংস, অসহায়ত্ব, জীবন সংকটের মধ্যেও বাঙালি জীবনের অন্বেষণই লক্ষণীয়। তেমনি আতর আলীদের নীলাভ পাট নাটকের মধ্যে সেলিম আল দীন বাঙলার জনসমাজের জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন। চাষীদের সংগ্রাম, মহাজনী প্রথাসহ প্রান্তিক জীবনের নানা বিষয় তাঁর নাটকে বিদ্যমান। প্রথম দিকের রচনায় ইউরোপকে প্রত্যাখ্যানের কোনো চিত্র দেখা না গেলেও বাঙালি সমাজের প্রতি গভীর টান অনুভব করা যায়।

শকুন্তলা নাটকের নামকরণের মধ্যেই প্রাচীন বাঙালিত্বের গন্ধ আছে। সংস্কৃত অভিজ্ঞান শকুন্তলমকে ছাপিয়ে চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতি এ নাটকে ফুটে উঠেছে। ‘বারো মাসে তের পার্বণ’ বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কে চিরায়ত প্রবাদ। বাঙালি সংস্কৃতির এ অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত ‘মেলা’ সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে সেলিম আল দীন রচনা করেছেন কিত্তনখোলা নাটক। সংস্কৃতির নানা দিক এতে ফুটে উঠেছে। এ নাটকে সেলিম আল দীন মূলত হাজার বছরের বহমান বাঙলা সংস্কৃতির গভীর পর্যবেক্ষণ ও নিরীক্ষা করেছেন। রচনা কৌশলেও হাজার বছরের বাঙলার সাহিত্য, শিল্প ও রচনারীতির কাছেই ফিরে যেতে চেয়েছেন। কিত্তনখোলা নাটকের শুরুতেই অষ্টাদশ শতকের বাঙলার জনপ্রিয় দেওয়ানা মদিনা পালার বন্দনার নিরীখে বন্দনা করেছেন। এতে আবহমান বাঙলায় বিদ্যমান পরিবেশনা রীতির সুস্পষ্ট রূপ ফুটে ওঠে:
পূর্বেতে এই কিসসা কইছে অনেক মহাজন
সেই কিসসা কইবাম আমি সত্য ভাবি মন।
এই কিসসা আইচ আছে–রইব ভবিষ্যতে
নানা ছন্দে নানা রীতি রইব নানা মতে।
তবে যে গুন্থিলাম আমি করিয়া জোগাড়
দোষ ত্রুটি থাকে যদি ক্ষেমিও আমার।

সমকালীন বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে নাট্যগুলোর শুরুতে বন্দনা থাকে। কিত্তনখোলা নাটকে ফুটে উঠেছে বাঙলা সংস্কৃতির কিসসা, পালা প্রভৃতি। এ কিসসাকথন-পালা হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতিরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিত্তনখোলা নাটকে করিম বলে:
আমি যাত্রা দলে কাজ করি কিন্তু কিত্তনখোলায় যাত্রা করার উদ্দিশে যাত্রা করতে গিয়ে টেকার মাত্রা শুইনা পিলাটা চমকায়া গেছে কিঞ্চিত।’

আঞ্চলিক ভাষার নিপুুণ ব্যবহার হয়েছে নাটকটিতে। গ্রাম্য মেলার দৃশ্য বর্ণনায়ও সেলিম আল দীন বাঙালি সংস্কৃতির বহমান নানা দিকই তুলে ধরেছেন। টিনের বাঁশির হুইসেল, বায়োস্কোপ, যাত্রার প্যান্ডেল, চটের বেড়া, চুড়ির পসরা, কবিগান, খেলনার দোকান, ঔষধ বিক্রেতা, পটচিত্র ইত্যাদি নানা বিষয় বাঙালি সংস্কৃতিকেই প্রতিভাত করে। বয়াতি চরিত্রের মধ্যদিয়ে বাঙালি পরিবেশনা সংস্কৃতির নানা বিষয়সমূহ তুলে ধরেন। ‘টাটকিনি মাছ’ ও ‘নকশা করা পিঠা’ প্রভৃতির উল্লেখ পাওয়া যায় এ নাটকে। চরিত্রের মুখে স্থানিক বোধ-বুদ্ধি-ভাষা নিপুণ ভাবে তুলে ধরেছেন সেলিম আল দীন। বনশ্রীবালার সৎকারের মধ্য দিয়ে সংস্কারের চিত্র পরিলক্ষিত হয় নাটকে। মহাকাব্যিক সর্গ বিভাজনে রচিত এ নাটক। কিত্তনখোলা মেলাকে কেন্দ্র করে বাংলা সমাজ ও সংস্কৃতির মহাকাব্যিক রূপায়ন এ কিত্তনখোলানাটক। এতে বাঙালি জীবনের নানা পেশাজীবী মানুষেরও পরিচয় পাওয়া যায়। মেলায় ছোট ছোট চিত্রের মাধ্যমে বাঙালি মন-মনন, রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নাট্যরচনায় সেলিম আল দীন বাংলার প্রবহমান পালারীতিকে অবলম্বন করে বন্দনা ও শিরোনাম অঙ্কিত করেছেন। চরিত্রের নামকরণের মধ্যেও বাঙালির জীবন সংস্কৃতি পরিস্ফুট। রবিদাশ, করিম, ছুটনী, সোনাই, বছির, ছমির আলী, সুবল ঘোষ, ইদু, মংলা, শামছল, রুস্তম, ছায়ারঞ্জন, খালেক, মোহাদ্দেস, ডালিমনপ্রভৃতি চরিত্র বর্তমানের বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনে নিয়ত বসবাসরত মানুষের ব্যক্ত রূপ ও নাম।

হাজার বছর ধরে বহমান বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অত্যন্ত নিপুন দক্ষতায় তুলে এনেছেন নাটকে। মাজার সংস্কৃতি, বায়োস্কোপ দেখা, যাত্রা, খিঁচুড়ি খাওয়া প্রভৃতি নানা বিষয়ই এতে লক্ষণীয়। বিষয়বস্তুতে যেমন বাঙালি জীবন সংস্কৃতির গভীরতর রূপকে গ্রহণ করেছেন তেমনি বাঙালির জীবন বৈচিত্র্য উপস্থাপনেও নাট্যকার নান্দনিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি এ নাটকে বাঙালি জীবনের অনবদ্য সাংস্কৃতিক চিত্র বিশ্বজনীন মহাকাব্যে রূপান্তরিত করতে প্রয়াসী ছিলেন।

বাঙলা সাহিত্য সংস্কৃতির মধ্যযুগের সুপরিচিত ধারা মঙ্গলকাব্য। মাঙ্গলিক চিন্তন বিন্যাসের রূপায়ন তার কেরামতমঙ্গল নাটক। মধ্যযুগের বাঙলার কাব্যবৈশিষ্ট্যের নিরিখে ভরতবাক্য বিন্যস্ত করেছেন। কেরামতের জীবন প্রবাহের মধ্যদিয়ে এ নাট্যে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সমাজ, সভ্যতা ও বাস্তবতাকে। এতে আছে হাজংদের আন্দোলন এবং বাঙলায় ধর্মীয় আগ্রাসনের চিত্র। এ কেরামতমঙ্গল নাটকের শুরুতেই কেরামত কাকতাড়ুয়া বানাতে বানাতে বলে:
মলকা বানুর দেশেরে। বিয়ার বাদ্য আল্লা বাজে রে। কাককাড়ুয়ার সাথে কথা কিরে বেডা মলকা বানুর দেশে যাবি না আমাগো মুগ খেতে খারায়া খারায়া পক্ষী তাড়াবি। হে হে হে। আইচ্ছা থাইক তরে আগে মুন মিয়ার হাজ পোশাক দিয়া নুই।

মুড়ি, কোঁচ, হুকা, হাস্তর কওয়া, গাজন, জিওল মাছের ঝোল, কদমা, মহরমের গান, পাকা শরবি কলা ইত্যাদি নানা উপাদান ও বিষয় বাঙলার চিরায়ত সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে অন্বিষ্ট। বাঙলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের ক্রিয়াদির পরিচয়ও এখানে পাওয়া যায়। নাটকে সমকালীন বাঙালি জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, আশা-হতাশা প্রতিভাত এবং চরিত্রগুলোর মধ্যেও বাঙালি সংস্কৃতির নানা মাত্রিক জীবন বিন্যাস এতে স্পষ্ট। কেরামত, অখিলদ্দি, ছবর, জালু, মির্জা, অধর, আকিন, শরমালি, দশরথ, সায়েবালি, আজমত, ইয়াছিন প্রভৃতি চরিত্র এ নাটকের।

কেরামতমঙ্গল নাটক রচনার সময় সেলিম আল দীন ‘গ্রাম থিয়েটার’-এর কর্মী আমিনুল রহমান মানিকের সাহায্যে আকাশের তারা চিনতে শিখেছেন বলে জানা যায়। বাঙালি জীবনে আকাশের এ তারারাজিও যেন ভূমিকায় অবতীর্ণ। কেরামতের সঙ্গী হিসেবে আকাশের তারা আদমসুরতকে তিনি বেছে নেন। কেরামত তার জীবনের দুঃখ, কষ্ট, অভাব-অভিযোগ আকাশের তারাকে জানায়। আর এভাবেই মধ্যযুগের দেব দেবীর স্থলে আকাশের তারা হয়ে ওঠে ভরসার স্থল।

সমুদ্র উপকূলবর্তী আঞ্চলিক মানুষের জীবনচিত্র নিয়ে গড়ে উঠেছে তার ‘হাত হদাই’ নাটক। এ নাটকে বাঙলার আঞ্চলিক জীবন প্রস্ফুটিত। এতে মোদু ও আনার ভা-ারির কথোপকথনে ভাষার মিশ্রণ লক্ষণীয়। সেলিম আল দীনের কথানাট্যরীতির আরেকটি নিরীক্ষাধর্মী ‘যৈবতী কন্যার মন’। এ নাটকেও তিনি ঔপনিবেশিক সাহিত্যধারাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যধারাকে বিকশিত করার কাজে ব্যাপ্ত হন। বাংলা নন্দনতাত্ত্বিক শিল্পরীতিও এ নাট্যে প্রায়োগিক আখ্যানে একীভূত। এ নাটকে বর্ণনা-কথোপকথনের মধ্যদিয়ে বাঙালি সমাজ-সভ্যতার চিত্র এখানে বিধৃত। বর্ণনাত্মক ধারা বাঙালির মধ্যযুগে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। এ নাটকে ভিন্ন কালের বাঙালি নারীজীবনের যন্ত্রণা যেন একই সুরে বাঁধা।


উপনিবেশের ঐতিহ্যের ব্যবহারমূলক শিল্পচর্চার প্রবণতাও এক ধরনের মানস-ঔপনিবেশিকতার মধ্যেই পড়ে। ‘ফোক’ তাত্ত্বিক ভিত্তির মধ্যেও স্থানীয় শিল্পের অবদমনমূলক সূক্ষাতিসূক্ষ কৌশল নিহিত আছে। শিল্পকলা একাডেমি এখনো দেশীয় শিল্পচর্চার বিকাশী কোনো বাঙলার আবহমান পরিবেশনারীতির মঞ্চ স্থাপন করেনি। ঐতিহ্যবাহী বাঙলার সাহিত্য-শিল্পকে সেলিম আল দীন দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্প বৈশিষ্ট্যের বলে অভিহিত করেছেন। এতে সব আঙ্গিকই একীভূত। একই সাথে বর্ণনা, গান, নৃত্য, অভিনয়, কথাসহ শিল্পের সব অদ্বৈত। সে প্রেক্ষিত তার রচনাগুলোকে কাব্য, গল্প কিংবা উপন্যাসের মতো উপনিবেশীয় বিভাজনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। সে অদ্বৈতবাদ দর্শন তার রচনার প্রতিফলন ঘটাতে সচেষ্ট ছিলেন। মধ্যযুগের কথকতা ধারায় বর্ণনা ও উক্তি-প্রত্যুক্তির অদ্বৈত মিলনে বর্ণনাত্মক অভিনয়রীতি বিধৃত করেন। একইভাবে কথকতা ধারার হাবভাব-ভঙ্গিমা-গীত ও সুর করে কাহিনি পরিবেশনা ‘কথানাট্য’। গায়েন-বায়েন ও দোহার মিলে নৃত্য-গীত-কাহিনি উপস্থাপনীয় জনপ্রিয় শিল্পপদ্ধতি ‘পাঁচালি’কে আশ্রয় করে বনপাংশুল ও প্রাচ্য ‘নব্য পাঁচালীরীতি’ ধারায় রচনা করেন। তিনি চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির ধারায় অদ্বৈত শিল্পমাধুর্যে নব্যকালের শিল্পমূল্যবোধ সম্পন্ন নাট্যরচনায় ব্যপ্ত ছিলেন। ঐতিহ্যের ধারায় হাজার বছরের বহমান নন্দনে সাহিত্য-শিল্পচর্চা বাঙালিকে বিশ্বমাঝে আত্মপরিচয়ে উদ্ভাসিত করতে পারে।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আশিক — জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ @ ১০:১০ অপরাহ্ন

      অসাধারণ লেখা! এমন আরোও লেখা সামনে দেখতে চাই।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com