মাসুদ পারভেজের গল্প: জানো না মন

মাসুদ পারভেজ | ৯ জানুয়ারি ২০১৮ ৯:৪৩ অপরাহ্ন

জিআরপি ক্যান্টিনের হেড বাবুর্চি তার আব্বার চাওয়া ছিল সে যেন রেলের টিকিট চেকার হয়। এই আশা জমা করে হেড বাবুর্চি তাকে মেট্রিক পাশ করায়। কিন্তু হেড বাবুর্চি আব্বার জানা ছিল না রেলের টিকিট চেকার হতে গেলে কী পাশ দেওয়া লাগে। আর তখন সেও মেট্রিক পাশ দেওয়ার পর লাইন থেকে সটকে পড়ে। সফেদ পোশাকআশাক গায়ে চাপিয়ে যাত্রীদের কাছে হাত পেতে টিকিট নেওয়ার চেয়ে খামচা মেরে নেওয়াটাই তার মগজ জুড়ে থাকে। ফলে রেলের টিকিটচেকার হওয়া তার আর হয় নাই। খামচা দিয়ে জিনিসপাতি নেওয়ার জন্য সে একটা দল বানিয়েছিল। ওরা দিনেরবেলা ট্রেনে তালাচাবি, সেফটিপিন, চিরুনি এইসব বেচার কাজ করতো আর রাতে করতো ডাকাতি।
তার শুরুটা হয় একটা লোকাল ইস্টিশন ঘিরে। যে-ইস্টিশনে ট্রেন আসার কোনো ঠিক ঠিকানা থাকে না। আন্তনগর থামে না। খানিক দূরে দু-তিনটা জংধরা বগি পড়ে থাকে নিম-ইতিহাস হওয়ার আশায়। এমন একটা ইস্টিশনে বসে ঝিমাতে ঝিমাতে পাঁচপাঁচটা সিগারেট শেষ করার পরও ট্রেন না এলে তার মাথাটা গরম হয়। এই গরমে তাল দেওয়ার জন্য ঝাঁঝাল রোদ তার সমস্ত শক্তি নিয়ে যখন নামে তখন মাথা ঠিক রাখা দায় হয়ে পড়ে। সেও তখন এমন একটা দশায় পড়লে খানিক দূরের জংধরা বগির দিকে যায়। কি-বা মনে করে বগির ভেতর ঢোকে। তখন অচেনা গুমোট বাতাস পাক খায় আর মস্তিষ্ক অসাড় হয়ে পড়ে।

তখন সে দেখে নটি ঘুমায়। এমন গরমে আরামের ঘুম দেখে তার দুচোখ আগুনের মতো জ্বলে। আর তখন কোনও কারণ ছাড়াই নটির পেটে পিঠে লাথি মারতে থাকে সে। ধড়ফড় করে ওঠে নটি। নটির চেহারায় আধেক ঘুমের রেশ আর চোখ জুড়ে ক্ষয়ে-যাওয়া দুনিয়ার যে-ছাপ থাকে তারচেয়ে বেশি থাকে বিরক্তি। আর সেটা নটি উগরে দেয় খিস্তি করতে করতে। নাঙচুন্নির বেটা– এইটুকু বলার পর নটির চোখ আবার নিমীলিত হয়ে আসে। নটির এই চোখ ক্ষয়ে যাওয়া দুনিয়ার সমস্ত অভিশাপ নিয়ে ক্লান্ত এমন একটা কাহিনি ডালপালা গজালে তার মনে হয় এই অভিশাপ মিটে যাওয়া ভালো। তখন তার মনে হয়, ট্রেন না-আসার কারণ এই অভিশাপ। আর তখন আধাভাঙা ইটের গায়ে রোদ পড়লে চকচক করে আভা ছড়ায় তার চোখ। সেই আভায় নটির মাথা ছাড়া আর কিছুই দেখে না সে। তখন তার মুখ থেকে চিৎকার ওঠে, খানকি মাগী আর হাতটা তারচেয়েও দ্রুতগতিতে ইটটা দিয়ে মাথাটাকে নিশানা বানায়। একটা আহত-স্বর তারপর নিশ্চুপ চরাচর। রক্ত, গোঙানি এইসব ব্যাপার জংধরা বগিতে ডানা ঝাপটালে বোঝা যায় আজরাইল তার ডানা মেলে উড়ে গেল আর সঙ্গে নিয়ে গেল নটির জান।
এইভাবে শুরুটা হয়েছিল তার। তারপর আর কখনওই লোকাল ইস্টিশনে সে যায়নি। আন্তনগর ট্রেন থামে এমন ইস্টিশন বাহারি মানুষে সয়লাব হয়ে গেলে তার চেহারা চকচক করে। আর তখন সেফটিপিন, তালাচাবি, চিরুনি নিয়ে ট্রেনের বগি থেকে বগি ঘুরে বেড়ায় তারা। সে যে-দলটা বানায় সেই দলটা বগিতে বগিতে দেখে বেড়ায় কার কি মাল আছে কি নাই। তারা আন্তনগর ট্রেনে বিকালে ওঠে। তারপর বিকাল ফুরায়ে গেলে সন্ধ্যায় তারা কেবল মানুষ দেখে। এইভাবে দেখতে দেখতে তারা ঠিক করে ফেলে কার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেবে।
তার দ্বিতীয় ঘটনাটাও কারণ ছাড়া কিংবা বলা যায় অকারণ। নতুন বিয়ে হওয়া বউটা সেফটিপিন নিয়ে অহেতুক দরদাম করেছিল। এক ডজন সেফটিপিন সে চেয়েছিল পাঁচ টাকা। আর হাফ ডজন তিন টাকা। কিন্তু নতুন বউটা হাফ ডজন দিতে চেয়েছিল দুই টাকা। এটা তার ভালো লাগে নাই। বউটার শাড়িপরার অভ্যাস ছিল না। কিংবা সংসারে সে কারো কাছে শাড়ির আঁচল ঠিক রাখার তালিম পায় নাই। ফলে তার বিয়েতে উপহার পাওয়া শাড়িটা বুক থেকে খসে যাচ্ছিল একটা সেফটিপিনের অভাবে। তখন তার মনে হয় একটা সেফটিপিন দিয়ে শাড়িটাকে ব্লাউজের সঙ্গে পিঠের দিকে আটকে দেওয়ার কথা। আর তখনই সে চোখের সামনে সেফটিপিনওয়ালা দেখতে পায়। আদতে তাকে সেফটিপিনওয়ালা মনে হলেও সে তা ছিল না। নতুন বিয়ে হওয়া বউটা হয়তোবা তার স্বামীর সামনে নিজেকে কিছুটা হিসেবি দেখানোর জন্য সেফটিপিন নিয়ে দরদাম করে। আর তখন এই এক টাকার জন্য নতুন বিয়ে হওয়া বউটাকে জান দিতে হয়।

দুই টাকাতে হাফ ডজন সেফটিপিন বিক্রির পর সে অপেক্ষা করছিল নতুন বউটার। বউটার বয়স কতো হবে বড়জোর আঠারো কি বিশ। গ্রামের এই মেয়েটি যে-বিয়ের পর তার স্বামীর কর্মস্থলে যাচ্ছে প্রথমবার সে চেয়েছিল স্বামীর সামনে নিজেকে মেলে ধরতে। আর এই ভাবনা থেকে সে ট্রেনের টয়লেটের দিকে একা যায়। স্বামী সঙ্গী হতে চায় কিন্তু সে না করে বলে, একাই পারবে, আর ব্যাগের দিকেও নজর রাখা দরকার। বিয়েতে পাওয়া উপহার ছিল ওইসব ব্যাগে। তার এমন কথার পর স্বামী সঙ্গী হয় নাই। আর টয়লেটও ছিল কাছাকাছি। অপেক্ষা করতে করতে এই সুযোগটাই কাজে লাগায় সে। ট্রেনের টয়লেট দরোজার পাশে ছিল। ট্রেনটা দুলছিল। মেয়েটাও দুলছিল। আর তখন সে মেয়েটাকে জোরে একটা দোল দেয়। মেয়েটার আর কোনো উপায় ছিল না নিজেকে বাঁচানোর। এমন করেই তার ভেতর খুনের নেশা জাঁকিয়ে বসে।

তারপর ওই যে-ছেলেটা যাকে একটা মোবাইলের জন্য মরতে হলো সেই কাহিনিটা হয়তোবা আরও করুণ। মালয়েশিয়া কি সৌদি কি দুবাই হবে কোনো এক দেশ থেকে বহুদিন পর ফিরছিল ছেলেটা। কিংবা দেশটার নাম সিঙ্গাপুর। বহুদিন পর চিরচেনা মুখ দেখার আশায় চকচক করছিল তার চোখ। তারচেয়েও বেশি চকচক করছিল তার হাতে ধরে থাকা বিদেশি মোবাইল।

চারপাশ নিকষ কালো আন্ধার-ঢাকা হিম-কুয়াশা রাতে ছেলেটার পেশাবের চাপ লাগে। তখন তারা ছেলেটিকে ধরে। ছেলেটির শক্ত হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া এতো সহজ না। এই হাতে সে সিঙ্গাপুরে জাহাজ ভাঙার কাজ করেছে। সিঙ্গাপুরে কুড়াল দিয়ে জাহাজ ভাঙে সে। লোহার কুড়াল। মেঘলা আকাশ। কিন্তু বৃষ্টি নামে না। সেই দেশ সিঙ্গাপুরের শিপইয়ার্ডে কাজ করে তার হাতে কড়া পড়ে গেছে। সেই কড়াপড়া হাতের টাকায় কেনা বিদেশি মোবাইল এতো সহজে ছাড়ে না তার হাত। আর তখন তারা হাতটাতে কোপ মারে। তীক্ষè এক আর্তনাদ কুয়াশার ভেতর পাক খায় আর তখন ছেলেটাও চলে যায় কুয়াশার পেটে।

ডাকাতি আর খুনের নেশা তার ভেতরটা এমন করে কব্জা করে সেটা থেকে বের হওয়া আর হয়নি। কিংবা সে নিজেও চায়নি। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সে এটার ভেতর এমনভাবে ডুবে যায় যে, জগতের সম্পর্কগুলো তখন তার কাছে ফ্যাকাশে হয়ে ওঠে। অথচ পরিবারে সে কখনওই অবদমিত হয়নি। এই ভাবনাগুলো অনেকদিন পর তার ভেতর আস্ফালন তোলে আর তখন একটা দীর্ঘশ্বাসের ভেতর সে আশ্রয় খোঁজে। যা সে কোনোদিন চায়নি। কিংবা সময়টা এমনই অপেক্ষার ছিল যে, তার হিংস্রতা, অসহায়ত্ব কোনওটারই আর অর্থ থাকে না। ওই দিনটির কথা তখন সে মনে করে।
আন্তনগর ট্রেন বাংলা হিলি ইস্টিশনে থামে না। বাংলা হিলির রেল লাইনের একপাশে বাংলাদেশ আরেকপাশে ইন্ডিয়া। সময়টা ছিল কুরবানি ঈদের দিন কয়েক আগের একরাতের প্রথম সন্ধ্যা। রাজশাহী থেকে আসা আন্তনগর ট্রেনটা হঠাৎ করে ক্রসিংয়ের জন্য থামে বাংলা হিলিতে। এটা হঠাৎ করে থামা মনে হলেও আশলে এটা পরিকল্পিত ছিল। ট্রেনটা থামার পরপরই বাংলাদেশের অনেক নারী, পুরুষ, ছেলেছোকরা মুহুর্তের মধ্যে হু হু করে ইন্ডিয়ান ব্ল্যাকি মালপত্র নিয়ে ট্রেনে উঠতে থাকে। ট্রেনটা সেখানে থামে বড়জোর বিশ মিনিট। আর এই সময়ের মধ্যে ইন্ডিয়ান জিরা মসলা, চিনি, রান্নার সরঞ্জাম, শাড়ি দিয়ে ট্রেনটা ভরে যায়। ট্রেনটা হিলি ক্রস করে যখন আবার চলতে শুরু করবে ঠিক তার আগ মুহুর্তে বিজিবি-র টহল টিম ট্রেন চেক করা শুরু করে। চিনির বস্তা লুকানোর মতো জায়গা ট্রেনে না-থাকায় ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তখন চিনির চোরাকারবারিরা ট্রেনের মেঝের মধ্যে চিনির বস্তার সব চিনি ঢেলে রাখে। ট্রেনের মেঝেতে পড়ে থাকা চিনি বিজিবি সদস্যদের তোলার মতো সময় কিংবা আগ্রহ কোনওটাই থাকে না। খুব বেশি হলে বাঞ্চোত বলে দুয়েকটা গালি দেয়। শাড়ি কিংবা শাল টাইপের চাদর নারীরা নিজের শরীরে এমনভাবে প্যাচায়, দেখলে মনে হয় সবগুলোই নয় মাসের পোয়াতি। জিরা মসলার প্যাকেট তারা ট্রেনের সিটের নিচে মেঝেতে রাখে আর না-হয় প্যাসেঞ্জারের কাছে দুয়েকটা প্যাকেট রাখার কাকুতি মিনতি করে যেন বিরামপুর ইস্টিশনটা পার করে দেয়। বিরামপুর ইস্টিশন পার হলে আর চেকিংয়ের ভয় থাকে না। তো ওই ট্রেনেই তারা চোরাচালানির একটা বড়ো মাল পার করে দেওয়ার কন্ট্রাক্ট পায়। কিন্তু সেই ট্রেনটা বিশ মিনিট পার হওয়ার পরও যখন ছাড়ছিল না তখন সে কিছুটা উশখুশ করে যেটা তার স্বভাববিরুদ্ধ ছিল। কিংবা সে উশখুশ করেছিল কারণ তাদের গ্যাংটার ওপর বিজিবি-র টহল টিম সন্দেহ করে। আর এমন একটা ঘোলাটে পরিস্থিতির মধ্যে সে যখন পড়ে তখন তার আদিম ক্রোধটা মাথাচাড়া দেয়। সে আশলে এটা মানতে পারে নাই যে, একটা বিজিবি সদস্য তাকে জেরা করবে কিংবা তাকে চেক করবে। যে-অহম দীর্ঘদিন ধরে তাকে চালিত করে সেটা থেকে সে বের হতে চায় নাই। কিংবা গ্যাংলিডার হওয়ায় তাকে ওই মুহুর্তে অ্যাকশন নিতে হয়। এমনই একটা মুহুর্তে বিজিবি সদস্যটা কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই ফালাফালা হয়ে যায় তার হাতে। বিজিবি-র এই তরুণ ছেলেটার চাকরির অভিজ্ঞতা খুব বেশিদিনের ছিল না। ফলে সে একটা চোরাকারবারি ধরে নিজের ভেতর নায়কোচিত ভাব আনতে চেয়েছিল কিংবা সে ডিউটি পালন করছিল। কিন্তু সেটা শেষ করার আগে নিজেই অন্তিম শ্বাস ছাড়ে। তখন মুহুর্তের মধ্যে চিৎকার আর হুল্লোড়ে গরম হয়ে ওঠে চারপাশ। তখন তারা ট্রেন থেকে সটকে পড়ে পালাতে থাকে। বিএসএফ-এর তাক করা বন্দুক অগ্রাহ্য করে তারা ইন্ডিয়ান বর্ডারের দিকে দৌড়ানো শুরু করে কিন্তু তার আগে ধরা পড়ে।

খুনের বিচার চলাকালীন তার মনে প্রশ্নটা ঘুরেফিরে আসে– এমন একটা জীবন নিয়ে সে কী করবে? এইরকম একটা ভাবনায় বুদ হয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে সে। আর তখন তার আব্বা-আম্মার কথা মনে পড়ে। তার আম্মা দেখা করতে এসেছিল কিন্তু আব্বা আসে নাই। তারপর যখন তার ফাঁসির রায় ঘোষণা হয়ে যায় তখন কনডেম সেলে বসে তার হাতে খুন হওয়া মানুষগুলোকে মনে করতে থাকে। এমন জীবনই সে চেয়েছিল–এটা সে নিজের কাছে সান্তনার সুরে বলে। আর তখন জীবনের শেষ ইচ্ছা কী–এমন একটা প্রশ্ন খাড়া করে সে। তার কেবলই মনে হয় শেষ ইচ্ছা বলে কিছু নাই। মানুষ সারাটাজীবন সুযোগ খুঁজতে থাকে। হত্যা, লুঠ এইসবের ভেতর সে আনন্দ খোঁজ করতো। আর এই আনন্দটা সে শেষ পর্যন্ত জারি রাখে হত্যার দায় স্বীকার করে এবং অতীতের সকল ঘটনা প্রকাশ করে। এটা করে সে নিজের মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে শেষ আনন্দটা পেতে চায়। আর তখন তার শেষ ইচ্ছাটার কথা আবার মনের ভেতর ঘুরপাক খায়। তখন সে অনেক অনেক দিন ধরে জিআরপি ক্যান্টিনের হেড বাবুর্চির হাতের রান্না খাওয়ার যে-গোপন আকাক্সক্ষা মনের ভেতর জমা রেখেছিল সেটা চায়। কিন্তু সে এটা জানতো না যে, তার বাবুর্চি আব্বা অনেক আগেই রান্না ছেড়ে দিয়েছিল। ফলে তার শেষ ইচ্ছাটা আর পূরণ হয় না।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রবালাহমেদ — জানুয়ারি ১০, ২০১৮ @ ৫:১৫ অপরাহ্ন

      গল্প মোটামুটি ভালো হয়েছে। ভাষায় এক ধরনের গতি আছে। কিন্তু জমে ওঠার জন্য আরো কিছু ঘটনা দরকার ছিল।

      তবু শেষ পর্যন্ত এটা একটা মাঝারি মাপের ভালো গল্প।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com