গল্প

তুষার-ধবল

sayema_khatun | 7 Jun , 2008  

অনেক দিন ফেলে রাখা পেন ড্রাইভটা কম্পিউটারে প্লাগ-ইন করে কিছু দিনের জমে থাকা পারিবারিক ছবিগুলো বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম খায় নায়লা। এই নিয়ে সে কয়েকবার বসেছে। লাস ভেগাস, ফ্লোরিডা, ওয়াশিংটন ডিসি ঘুরে এসেছে এক এক ছুটিতে। লেবার হলিডে, থ্যাংকস গিভিং, ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার…। সে বেশ কিছু দিন কেটে গেছে। সেসব ছবিগুলো সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা হয়নি এখনও। মাঝে মাঝে ভুলে যায়। কিছু ছবি বাছাই করে উঠে যায়। নিচে লবিতে যাবে লন্ড্রি ব্যাগ নিয়ে। জ্যামাইকার হিল সাইড এভিনিউতে এই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে অল্প কয়েকটি বাংলাদেশী পরিবার আছে। নিউ ইয়র্কের হাজার হাজার বাংলাদেশী ট্যাক্সি চালকদের কয়েকজন। আফ্রিকান-আমেরিকান, স্পেনীয়, আরব, পূর্ব এশীয় পরিবারও রয়েছে। টিভির একটা যান্ত্রিক কোলাহল ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। দেশ থেকে আসবার পর টিভির অনুষ্ঠানগুলো আর তেমন মন দিয়ে দেখে না। বসার ঘরে টিভি চলতে থাকে, ও ঘর-গেরস্থালীর কাজকর্ম করে যায়। বরফ পড়া শুরু হবার আগে রোজ বাংলাদেশী মসজিদের পাশের ছোট পার্কটাতে হাঁটতে যেত। এখন দুই-তিন প্রস্থ গরম কাপড় পরে বেরুতে আলসেমি লাগে। লিকুইড ডিটারজেন্টের বোতলটা নিতে নিতেই ফোন।

‘সাগরে যাবা রাতে?’

‘আমি তো বাটার ফিস ডিফ্রস্ট করেছি।’

‘আজ আর রান্নার ঝামেলা করো না।’

‘হাজীর বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছা করতেছে, না?’

‘সপ্তায় একদিন বাইরে খাই?’

‘ফাঁসীর আসামীর মত বউয়ের রান্না খেলে মরতে ইচ্ছা করে নাকি?’

রিপন এইসব হাবিজাবি জোক করে। ওর কথার আগা-মাথা নাই।

‘মাইন্ড করছো না?’

‘আচ্ছা, আমি কাপড় ধুতে গেলাম।’

‘শোন ডিসিতে আমার চাকরীটা হয়ে গেল। পার্মানেন্ট। ভার্জিনিয়া বা ওয়াশিংটনে এবার আমরা বাড়ি কিনে ফেলবো।’

‘কনগ্রাটস্ ! আলহামদুলিল্লা।’

এসকেলেটরে রোকেয়া ভাবি। বাচ্চাকে স্কুল থেকে নিয়ে ফিরছেন। ‘নায়লা, শরীরটা খারাপ নাকি?’

‘নাতো ভাবি।’

‘তোমার শ্বশুর-শাশুড়ী চলে গেছে?’

‘হুঁ।’

‘আর কত এভাবে দিন কাটাবা? বাচ্চা-কাচ্চা হলে দেখবা অন্য রকম লাগবে।’

‘জ্বী। আমি তো বলি।’

‘আরে তোমার জামাইর কথা রাখ। ভাল চাকরির কি শেষ আছে? বাড়ি না কিনলে কিছু করা যাবে না, এইটা কেমন কথা? আমরা দুইটা বাচ্চা নিয়ে কেমনে চালাই, দেখ না?’

প্রিতম ফেরার আগেই নায়লাকে মাছের দোকান, সব্জি সব কেনা-কাটা শেষ করে ফিরতে হবে। গাড়ির চাবিটা নিয়ে ওভার কোট, দস্তানা, টুপি পরে তৈরি হয়ে নামে। গাড়ি স্টার্ট দিয়ে গরম হতে অপেক্ষা করে। আজ ঢাকায় আম্মার সাথে কথা বলতে হবে। ভাল লাগে না। আম্মার রোজ এক কথা — আমার এত ভাল মেয়েটা সংসার করে আর কিছুই করলো না। প্রথম প্রথম প্রিতমের সাথে এক সঙ্গে গ্রসারী করতো। ড্রাইভিং লাইসেন্সটা হবার পর থেকে হালাল দেশী দোকান থেকে পরোটা, মাছ-গোশত্, মশলা, স্প্যানিশ/আমেরিকান দোকান থেকে দুধ, দই, ফল-ফলাদি, সব্জি, বেগেল সব ও-ই করে ফেলে। তাছাড়া, ওর ঘর থেকে বেরুনোও হয় না। শনিবার প্রিতম ঘর-বাড়ি ভ্যাকুয়াম করে দেয়। বাথরুমও ধুয়ে দেয়। খুব পরিপাটি থাকতে চায়। দেশের ছেলেরা এমনটা কমই হয়।

ভাগ্যগুণে একটা পার্কিং পেয়েছিল। রাস্তায় বরফ জমছে। নিউ ইয়র্কের ভিড় রাস্তায় লোকে গাড়ি আস্তেই চালায়। মাঝে মাঝে নায়লার মনে হয় গুলিস্তান না নিউ ইয়র্ক। আজ তো চলতেই চাইছে না। চাকা পিছলে যাচ্ছে। সিগন্যালে বসে থাকতে থাকতে হঠাৎ গা গুলাতে থাকে। ভীষণ ক্ষুধা বোধ করে। বোতল বের করে এক ঢোক পানি খেয়ে নেয়। মাছের দোকানের গন্ধটা যেন এখান পর্যন্ত তাড়িয়ে আসছে। বাসায় পৌঁছে বাথটবে গরম পানিতে বসে থাকবার পর আরাম পায়। অনেকক্ষণ ঘষে ঘষে গোসল করে।

রবীন্দ্র সংগীতের এমপি থ্রি অডিও ছেড়ে মেইল চেক করতে বসে। ‘তোমায় নতুন করে পাব বলে হারাই ক্ষণে ক্ষণ, ও মোর ভালবাসার ধন, দেখা দিবে বলে তুমি হও যে অদর্শন…’ ইফফাত আরা বড় মধুর করে গাইছে। ‘ফেসবুক’ থেকে এক অচেনা মেসেজ চেক করতেই চমক লাগে। ওই গানটিই লেখা। হাসিব। নিলর্জ্জতা দেখে অবাক হয়ে যায়।

প্রিতম চাবি দিয়ে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে। ‘অ্যারিজোনা থেকে রাখী আসছে। ওর ননদের বিয়ে।’

‘ও।’

‘আমি তো ভেবেছি তুমি তৈরি হয়ে থাকবে।’

‘এই তো পাঁচ মিনিট। চা দিব?’

‘টেল ইউ দ্য ট্রুথ, তোমার এই রবীন্দ্রনাথ ব্যাটা ছিল বিরাট উয়্যোম্যানাইজার।’

মাথা নেড়ে টিভির সামনে বসে যায়।

‘রাখীর কাছে শুনলাম, রিয়ার সাথে ঝামেলাটা বেড়ে গেছে হাসিবের। নানা রকম নাটক।’

নায়লা সাইন আউট করে বসার ঘরে আসে। এনটিভিতে ড. আজফার হোসেনের অনুষ্ঠানে ড. সলিমুল্লাহ খান অতিথি। আলোচনার বিষয়, লালনের দর্শন।

‘কে এরা?’

‘ও, তুমি তো আবার কাউকে চেন না।’

বিজ্ঞাপন বিরতিতে প্রিতম সিএনএনে ঢোকে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্ক চলছে। সিনেটর হিলারী ক্লিনটন ও বারাক ওবামার ভাষণ চলছে।

‘কী মনে হয় নায়লা?’

‘এবার ডেমোক্র্যাটরা আসছে।’

‘শাদা কনজাভেটিভদের জোরও কম না?’

হিলারী ইরাক থেকে মার্কিন সেনাদের দ্রুত ও দায়িত্বশীল প্রত্যাহার এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রবর্তন করবার কথা বলছেন। নায়লা চায়ের কাপে চিনি নাড়তে নাড়তে বসে মন দিয়ে শোনে। হিলারীর চেহারায় একটা বয়সের ছাপ পড়েছে। হবে না কেন, এই তো টেবিলে রাখা পত্রিকাতে ষাট পালনের ছবি। তার অর্ধেক বয়েস হতে না হতেই নিজেকে যেন ফুরিয়ে যাওয়া মনে হয়।

‘শুনেছো, ওবামা নাকি মুসলমান, কিন্তু তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে কথা বলে না।’

নায়লা দ্রুত তৈরি হয়ে পড়ে। সাগর রেস্তোরাঁতে খেতে পারে না। প্যাকেট করে নিয়ে আসে। বাসায় ফিরে প্রিতম অ্যানসারিং মেশিন চেক করে। নায়লা শুয়ে শুয়ে শোনে।

‘ওল্গা মামী আগামী সপ্তায় দাওয়াত দিয়েছে। ছেলের গ্র্যাজুয়েশন পার্টি।’

‘শনিবার, না রবিবার? রবিবার কিন্তু সামিরার বেবি শাওয়ার।’

‘শনিবার।’

জানালার বাইরে শাদা হয়ে পড়ে আছে শহরটা। রাস্তা-ঘাট, বাড়ি-ঘর সব শাদা আর শাদা। এখন আর কোনো রং নেই এই শহরের। গাছগুলো সব পাতা ঝরিয়ে ফেলেছে সেই কবে। পেঁজা পেঁজা তুলোর মত নেমে আসছে। ধবল চাদরের তলায় ঢাকা পড়ছে দুনিয়া। ক্লাস থ্রিতে হুমায়রা ম্যাডাম গ্রীম ব্রাদার্স থেকে পড়াচ্ছেন, এক শীতের মাঝামাঝিতে রানী জানালার ধারে বসে পালকের মত বরফ ঝরা দেখে ভাবেন কি, আমার যদি এমন শুভ্র এক কন্যা হত! যেই না ভাবা, তার হাতে ছিল সুঁচের নক্সার কাজ, সুঁই ফুটে এক ফোঁটা টক্টকে লাল রক্ত পড়লো ধবল তুষারের পরে। রানী মুগ্ধ হয়ে সেই লাল রঙের দিকে তাকিয়ে ভাবলেন, সে যেন এমন রক্তবর্ণ হয়। তার জানালার গরাদ ছিল কুচকুচে কাল আবলুস কাঠের। তার কিছুদিন পর রানী এক তুষার শুভ্র রক্তলাল কপোল ভ্রমর কালো চুলের এক কন্যা প্রসব করে মারা গেলেন। রানী বললেন, নায়লা, এই মেয়েটাকে তুই নিয়ে যা। ওকে বিষ মাখানো আপেলটা খেতে দিবি না, বুঝলি। কোথা থেকে দড়াম দড়াম করে গুলির শব্দ হল। রানীর চেহারাটা হবহু বেনজীর ভুট্টোর মত দেখালো। কোথা থেকে এক আর্তনাদ শোনা গেল — আলতাফ, ইয়ার ইয়ে কেয়া হো গ্যায়া?

‘নায়লা, আর কত ঘুমাবে? এই দেখ আমি আজ নাশ্তা বানায় ফেলছি।’

‘এত গরম লাগছে কেন?’

‘দেখি তো, হিটিং সিস্টেম আবার ৭৪ করে রাখলো কে?’

নাশতা খেয়ে প্রিতম বরফ পরিষ্কার করতে নেমে যায়। গাড়ি সাফ করে। নায়লা ফোন নিয়ে বসে। ‘আম্মা কী করো?’

‘তোর কথাই বলছিলাম তোর আব্বার কাছে। মেয়েটা অ্যাডমিশন নিয়েও সেমেস্টার বন্ধ করে বসে আছে। এত ভাল করে কেউ বসে থাকে?’

‘আম্মা, এখানে আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে একজন ট্যাক্সি চালায়, বুয়েট থেকে মেকানিক্যাল করে আসছে। আর একজন মেজর ছিল। আর তুমিও তো কিছুই করলে না আম্মা?’

‘আমাদের কথা এক হল? আমাদের ব্যাচে প্রথম মেয়েরা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসে। শায়লা আর তুই পর পর হয়ে গেলি। তোদের পাহারাদারি রেখে আমি আর বার হতে সাহস করলাম না। সেই জন্যই আমি চাই তোর একটা ছেলে হোক। একবার একটা দুর্ঘটনা হলে মানুষ থেমে যায় না।

‘মা! মানুষের চাওয়াটাই সব নয়। সব কিছু তোমার-আমার চাওয়া না চাওয়ায় হবে না। হয়েছে?’

‘দিন দিন তুই সিনিকের মত কথা বলছিস।’

‘এ জন্যই তোমাদের ফোন করতে ভাল লাগে না।’

‘বিদেশে গিয়ে তুই পর পর হয়ে গেছিস।’

‘আম্মা, আমেরিকার সিটিজেন হওয়াটাকে তোমরাই তো বিরাট একটা কিছু মনে কর। বাংলাদেশের সিটিজেন তো মানুষই না। এখন রাখি আম্মা, রান্না বসাতে দেরি হয়ে যাবে।’

‘এই করেই তোর দিন যাবে!’

‘গেলে কী করবো মা? ভাল থেকো।’

প্রিতম ফিরে এসে দেখে নায়লা শুয়ে আছে।

‘কি হল তোমার?’

‘ঘুম পাচ্ছে।’

‘রাতে ঘুম হয়নি? শরীর ঠিক আছে তো? সোফাতে কেন, বিছানায় যাও।’

‘না, এখানেই ভাল।’

‘কী হয়েছে তোমার, লক্ষী কাঁদছো কেন?’

তোমাকে না বলেছি এসব কিছু দেখতে না। এটিএন বাংলায় প্রতিবেদনে দেখাচ্ছে, একটা রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতককে এক পথচারী মহিলা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই দেখো, অটাম ইন নিউ ইয়র্ক হচ্ছে। মুভি চ্যানেলে আসে।

‘কালকে যা বেঁচেছে আজকে দুপুরে হয়ে যাবে। তুমি আরাম করো। কয়দিন যে ধকল গেছে! আমি চুল কাটিয়ে আসি, কেমন?’

অনেক বেলা করে ফিরে প্রিতম। নায়লা সোফাতে পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে। ওকে তুলে দিয়ে গোসলে পাঠায়। খাবার গরম করে এক সঙ্গে খায়। বাইরে কোথাও যেতে চায় না নায়লা। ওকে সারাদিন বিছানায় পড়ে পড়ে ঘুমাতে দেখে চিন্তিত হয়ে পড়ে। ডাক্তারের কাছেও যেতে চায় না।

‘আমার সাথে ভাল নেই তুমি, নায়লা। আমাকে বিয়ে করে তোমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। বিশ্বাস করো, তোমাকে চাপ দেয়া ঠিক হয়নি আমার। ব্যাপারটা ভুলে যাও না কেন? কত লোকেই তো প্রথম প্রথম বাচ্চা রাখতে চায় না। আবার পড়াশুনা শুরু করো।’

‘পড়াশুনা করতে আর ভাল লাগে না।’

‘আমার তো মনে হচ্ছে সংসারও তোমার ভাল লাগছে না। তুমি বোরড্ হয়ে যাচ্ছ। এত ভাল করে এসেছো, কমপক্ষে সিটি ইউনিভার্সিটির হান্টার কলেজে ঢুকে পড়, সব ঠিক হয়ে যাবে। নাকি তোমার জন্য একটা বয়ফ্রেন্ড খুঁজে দিব? এই যে ভাই, আমি তো ফেল, দেখেন আমার বউটাকে একটু খুশী রাখতে পারেন নাকি।’

‘বাজে কথা বোলো না।’

‘তাহলে কী করবো?’

প্রিতম তার শরীরের উষ্ণতা দিয়ে ধবল শুভ্র তুষারে রক্তিম উষ্ণতা সঞ্চার করতে চায়। ধবল তুষারের কি কোন রং আছে? উষ্ণতা?

পরদিন ভোরে ঘুম ভাঙে নায়লার। একা একা এ ঘর ও ঘর করে কফির মগ নিয়ে টিভি খুলে বসে। ‘উয়োম্যানাইজার এর বাংলা কী?’

‘মাগীবাজ।’

‘তোমার বানানো বাংলা! এখানে মেয়েটাকেও গালি দেয়া হচ্ছে।’

‘আগে অনেক জায়গায় মেয়ে বলতে এটা বলতো, এখন গালি হয়ে গেছে।’

‘ওরে বাবা, তুমি এতসব জানলা কেমনে?’

‘আমার নানীর মুখে শুনছি। তুমি কি ডিকশনারি খুলে বসছো নাকি? কী তোমার কবির মানহানির মামলা ঠুকবে?’

‘আমি একটু নিচে হেঁটে আসি।’

‘দেখো আবার বরফে পা পিছলে পড়ো না।’

ঢালু রাস্তা থেকে উপরের দিকে উঠে আসতেই দেখে বরফের উপর রোদ ঠিকরে পড়ছে। ঠাণ্ডায় মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরুচ্ছে। মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে। তখন আচমকা শাদা তুষারের শুভ্রতার ভেতর একটা রঙধনুর মত রক্তিম আভাস মনে হয়।

sayemakhatun@yahoo.com


4 Responses

  1. Zahid says:

    খুব ভালো লেগেছে। শেষ হয়েও হলো না শেষ। আর চিরাচরিত বাঙালি নারীর চরিত্রটা এখানেও ফুটে উঠেছে।

    Zahid
    UK

  2. কাজী শাহরিন হক says:

    গল্পটা অসম্পূর্ণ লাগলো। এটা কি আমার বোঝার ব্যর্থতা না কি বুঝলাম না। ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ’ ধারণাটি আরও স্পষ্ট হতে পারত।

    কাজী শাহরিন হক

  3. সুমিত মন্ডল says:

    প্রবাসী বাঙালী নারীর একদিনের আত্মজীবনী পড়ছিলাম মনে হলো। ভাল গল্প। পারিপার্শ্বিক চরিত্রের বিবেচনায় নায়লা চরিত্রটি মনে হলো নিঃসঙ্গ।

    সুমিত মন্ডল

  4. asif iqbal says:

    বড় বেশি অসম্পূর্ণ। কিন্তু ভাল।

    asif iqbal

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.