রওশন আরা মুক্তার গল্প: মেট্রোপলিটন আকাশ

রওশন আরা মুক্তা | ৩ জানুয়ারি ২০১৮ ৮:৪৮ অপরাহ্ন

intimate-coupleসিএনজিতে প্রায় একই বয়সী মুনা আর প্রয়াস বসা। যদিও মুনা তাকে মামুন নামে ডাকে। মুনার সাথে মামুনের সম্পর্ক হবে, বিয়ে হবে এটাই স্বাভাবিক। অক্ষরে অক্ষরেও মিল আছে। মুনা, মামুন। মুনা প্রয়াসকে মাঝে মাঝে মুন নামেও ডাকে। মুন থেকে মুনা। কিন্তু প্রয়াস কিছুটা বিরক্ত মুনার মামুন, মুন ডাকা নিয়ে। প্রয়াস কেন যেন মেনেই নিতে পারে না ওর নাম আব্দুল্লাহ আল মামুন।

কোথাকার কোন এক দাওয়াতখেকো আলেম মামুনের মাকে ছেলের নাম রাখতে বলেছিলেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিন বোনের পর একটিমাত্র ভাই এলো, আর মা সেই পোলাও-কোরমাপ্রিয় সেই আলেমের কথামতো শিশুটির নাম রাখলেন। কিন্তু প্রয়াস ক্লাস নাইনে উঠে নিজের নাম পরিবর্তন করে ফেললো। স্কুলের দেয়াল পত্রিকার জন্য রচনা লিখেছিল একটা। পত্রিকার নাম ছিলো দীপশিখা। সে পত্রিকায় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে লেখা যাক, সম্পাদক তা চায়নি। আর প্রয়াসের নিজেরও ভালো লাগেনি, এমন ব্যাকডেটেড নামে রচনা লিখতে। তখন সে নিজের নাম রাখে প্রয়াস প্রাচুর্য। এছাড়া টেলিভিশন-ফ্রিজ অপরিহার্যতামূলক এই বিজ্ঞানভিত্তিক জীবনে এমন ইসলামিক নাম বহন করার কোনোই মানে নেই, এটা প্রয়াস জানে।

মুনা বেশ ফুঁসে আছে। প্রয়াসের হাতে মোবাইল ফোন। সে টাচস্ক্রীন ফোনে স্ক্রল করছে তো করছে। করেই যাচ্ছে। যেন এ জীবনে ফুরাবে না তার স্ক্রল করা। মুনাও ফোন বের করে ব্যাগ থেকে। সেও স্ক্রল করতে থাকে। জ্যামের ভিতরে শপিং করে কিছু। আই এম মালালা নামে বই বের হয়েছে একটা। ফটোকপি প্রিন্টের বইটা কিনে ফেলে মুনা। প্রয়াসকে জিজ্ঞেস করেছিল, কিনবে কীনা। প্রয়াস মালালার নাম শুনে মুখ বাঁকিয়েছে। তবুও মুনা বইটা কেনে। কেনে ঠাণ্ডা পানির বোতল, আলুর চিপস ও সব শেষে আমড়া। বইয়ের পাতা উল্টাতে থাকে। প্রয়াস এতে বিরক্ত হয়। এটাই চেয়েছে মুনা। প্রায় ২০ মিনিট ট্রাফিক জ্যামের প্রায় ১৮ মিনিট প্রয়াস মোবাইল ফোনের ভিতরেই কাটিয়েছে, এতে মুনার সমস্যা হলো কীনা না ভাবলেও, মুনা মালালার বই পড়ায় ঠিকই মুখ তুলে তাকিয়েছে। মুনা আলুর চিপসের প্যাকেট এগিয়ে দেয়। প্রয়াস চিপস খায়। প্রয়াস বলে,
-মদ খাই চলো।

মুনা বিনা বাক্যে রাজী হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র হাল নাগাদের কাজে গিয়েছিলো দু’জন। বাবার জায়গায় স্বামীর নাম লিখতে মুনার ভালো লাগেনি। ঐ প্রসঙ্গে আবার মেজাজ দেখায় সে,

-বালের জামাই, বাপের নামের জায়গা দখল করে নেয়। যত্তসব।
-মুনা, এইটা কি আমার দোষ? এইসব নিয়ম কানুন কি আমি বানাইছি?
– না তুমি বানাও নাই, তবে তোমার যে জাতে জন্ম তারাই বানাইছে। ফালতু!
-মদ খাই চলো। ভালো লাগতেছে না।
ওরা আটটা বিয়ার কিনে ঘরে ফেরে। টাকা বেশি নাই। এক সপ্তাহ পরে চাল-ডাল কিনবে কী দিয়ে জানে না। মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের পুরাতন একটা পাঁচ তলা বাড়ির ওপর একটা রুমে থাকে ওরা। বিয়ে করেছে নিজেরা নিজেরা। একজনের পরিবারও বিয়েটা মেনে নেয়নি। প্রয়াসকে দেখে মুনার ভাই বলেছে এ ছেলে তো অসৎ।
-অসৎ মানে? তুমি চেনো তাকে? না জেনে শুনেই বলে দিলা অসৎ?
-তোর চেয়ে আমি তেরো বছরের বড়, এইটা মনে রাখবি। চেহারা দেইখা যদি মানুষ না চিনি তাইলে আর উকালতি কইরা খাওয়া লাগবে না আমার।
মুনার ভাই ওর বউকে ডেকে ভাত দিতে বললো। ওরা ভাত খেয়ে বিদায় নিলো। ওর ভাইয়ের সাফ কথা, আগে ঘর-সংসার করে এক বছর টিকে দেখা এরপর আব্বাকে জানানো হবে। এর আগে না কোনোমতেই।
আর প্রয়াসের বাড়িতে মুনার ছবি দেখানোর পর কান্নার রোল পড়ে গেল। এমন ফর্সা ছেলের এমন একটা কাইল্লা বউ! প্রয়াসের মা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিলেন। পাড়ার বুড়া চাচার কাছ থেকে সেভেন আপের বোতলে করে পানি পড়া এনে দিলেন। বাড়ি গেলে এখনও তাকে সকাল বিকাল তিন কুলহু পড়ে ফু দেন তিনি। ওর বাড়িতে জানেই না, ওরা যে বিয়ে করে রীতিমতো সংসারধর্ম পালন করছে।

আয়োজন পুরো পাকা। ঘরের ভিতরেই খেতে হবে মদ। বাড়িওয়ালা ঝামেলা করতে পারে নাহলে। প্রয়াস খুব ভালো বাদামের সালাদ বানাতে পারে। সেটাও রেডি। ওরা মদ খাওয়ার সময় অহেতুক টেলিভিশন চালিয়ে রাখে। মাঝে মাঝে চ্যানেল পাল্টায় । বিজ্ঞাপন শুরু হলেই চ্যানেল চেঞ্জ। তবে মাঝে মাঝে ডিডি বাংলা বা বিটিভি দেখে। পার্টিকুলার কিছু দেখে না।

মুনা সুন্দর করে সেজেছে। কপালে একটা সবুজ রংয়ের টিপ পরেছে। চোখে কাজল। ওর গায়ের রঙ শ্যামলা। সাদা জামা-পাজামা পরেছে। দু’জনে দুইটা বিয়ার শেষ করেছে। প্রয়াস আর মুনা ঘনিষ্ট হয়ে বসে আছে। জড়াজড়ি করে। যেন অনেক ঠাণ্ডা তাই একজন আরেকজনের তাপ নিচ্ছে। টিভিতে খবর হয়। জানালা দিয়ে দেখা যায় অন্য জানালা। উল্টাপাল্টা কথা বলে ওরা।

মুনা এখন খুব চিন্তিত তার মাস্টার্স পরীক্ষা নিয়ে। যদিও কখনই তাকে ক্লাসে দেখা যায় না। তবে রাতের বেলা এ বিষয়ে চিন্তায় থাকে সে। প্রয়াস বার বার মুনার হাত ধরার চেষ্টা করে। আদর আদর ভাব করে। মুনা ঝটকা দিয়ে সরায় সেই বাড়ানো হাত। বলতে থাকে,
– ভেজা হাতে ধরবা না আমার হাত।
– আচ্ছা ধরব না। কিন্তু হাত তো মুছায়া দিতে পারতা তুমি?
-নিজের হাত নিজেরই মুছতে হয়। আমি তোমার দাসী না।
-তুমি আমার দাসী হবা কেন? তুমি তো প্রেমে মরা, ওমুকের দাসী।
-হোয়াট ডু ইউ মিন বাই দ্যাট?
-ডিড আই সেই সামথিং?
-অফকোর্স ইউ ডিড! তুমি বলছো আমি অমুকের দাসী। বলো আমি কার দাসী?

তিন নম্বর বিয়ার চলছে এখন। দুইজন দূরে দূরে। সহ্য করতে পারছে একজন আরেকজনকে। আগে এমন হতো না। একজন আরেকজনের কাছে আসতো মিশে যেতো, মদ পড়ে থাকতো। ওরা ঘুমিয়ে যেতো। কিন্তু এখন প্রায়ই ওরা একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারে না।
প্রয়াস বলে,
-তুমি জানো না তুমি কার দাসী, আমি কীভাবে জানবো?
-আমি কারো দাসী না বরং যারা অন্যের বউয়ের সাথে হোটেলে যায় তারাই মেয়েলোকদের দাস।
-আমি যে আসলে তোমারে আমার সব কথা খুলে বইলা ভুল করছি সেটার আবারও প্রমাণ দিলা তুমি।
-আর তুমি কীসের প্রমাণ দিলা?
-আমি কীসের প্রমাণ দিলাম আবার? আমি তো জানি তুমি এখনও মবিনকে ভুলতে পারো নাই। মবিন-মুনা অপূর্ব জুটি! সারা বিশ্ববিদ্যালয় জানে, সারা দেশ জানে, সারা বিশ্ব জানে তোমার এই প্রেমের কথা! নামেও কত মিল! মবিন-মুনা, মুনা-মবিন।
– এই কারণেই আমি তোমারে প্রয়াস নামে ডাকতে চাই না। বাংলা অভিধান ঘাটা নাম। অসহ্য। মামুনা-মুনা এইটার মিল চোখে পড়ে না তোমার?
-ইয়েস আমার নাম অসহ্য! বাট তোমার প্রেম অমর।
-আমাকে নিয়ে কথা বলার আগে তোমার নিজের সম্পর্কে ভাবা উচিত। এখনও যদি ওই মহিলা ডাকে তোমাকে তুমি ছুটে যাবা। কী যাবা না?
-কোন মহিলা?
-ওহ, আই সি! তোমার তো একজন না, অন্তত ১০ জনের সাথে লাগালাগি।
-মুনা, উলটাপাল্টা বলবা না। লাগালাগি মানে?
-তো লাগালাগিই তো? হোটেলে গিয়া মানুষ কী করে? লাগালাগিই করে। লাগাও নাই তুমি ঐ ফর্সা গালের মহিলাকে?
-তোমার আসলে নিজের গায়ের রঙ নিয়ে হীনমন্যতা আছে। যার ফলে এইসব বলতেছ।
-একদম পত্রিকার ভাষায় কথা বলবা না। আমার কম্পলেক্স আছে? কক্ষনো না! আমি যেমন আমি তেমন। আমি ফেয়ার লাভলি মেখে সং সাইজা বসে থাকি না। আর জামাইয়ের টাকায় পার্লার চুদি না।

গলার স্বর উচুতে উঠে গেছে দু’জনেরই। পা টলমল তবুও মুনা উঠে দাঁড়ায়। চার নম্বর বিয়ারের ক্যান খোলে। প্রয়াসও খোলে। মুনা হড়বড় করে বলতে থাকে,
-তুমি কি ভাবছো আমি জানি না কিছু? তুমি যে প্রতিদিন ফেসবুকে প্রত্যেকটা মহিলার আইডি চেক করো। ওরা এখন কার সাথে লাগায় সেইটা তুমি খুঁজে দেখো। এসব কারা করে জানো? এসব করে ছোটলোকরা যাদের নিজস্বতা নাই। যারা সেক্স ছাড়া কিছু বোঝে না।
-তুমি সেক্স ছাড়া কিছু বোঝ না। নাইলে আমাকে বিয়ে করলা কেন?
-বিয়ে করছি সেক্সের জন্য? সো কী চাও তুমি? আমি ছেড়ে দেই তোমারে? সেটা কোনোদিন হবে না। কোন মহিলাকে লাগাবা আমার জামাই হিসাবেই লাগাতে হবে। ইউ কান্ট বি ফ্রি।
-আমি এমন কিছুই করি না, তুমি অনেক বলছো। তুমি গত সপ্তাহে ভাইয়ার বাসায় যাওয়ার নাম করে কই গেছিলা?
-আমি ভাইয়ার বাসায় গেছিলাম এবং ভাবির হাতের রান্না করা খাবারও নিয়ে আসছিলাম। মনে কইরা দেখো।
-সেই রান্নার টেস্ট তোমার রান্নার। আমাকে বোকা বানাও তাই না? কার বাড়িতে গেছিলা রান্না করতে? মবিন তো গ্রামে চলে গেছে। ঐ আর্টিস্টার ঘরে গেছিলা তাই না? রান্না করার ছবি আঁকে নাই সে তোমার? বলো, বলো, কোন প্রদর্শণীতে দেখব সেই ছবি?
-আমি মাত্র একটা ছবিতে নুড মডেল হইছি আর এতেই তুমি আমাকে ভুলভাল একিউজ করা শুরু করে দিছো মামুন! তুমি না লেখালেখি করো? বাল। সব ছেলেগুলা এইরকম। প্রত্যেকটা ছেলে এইরকম।
-তুমি তো ভালো জানবা ছেলেরা কেমন। তোমারই ভালো জানার কথা। তোমার একমাত্র এই ব্যাপারেই অগাধ জ্ঞান।
-তোমাকে বিয়ে করাটা আসলে ঠিক হয় নাই আমার। আমি আজকে খুব ভালো মতো বুঝতে পারতেছি এটা। আমি যাব ভাইয়ার কাছে। গিয়া বলব আমি ফেইল্ড। ৮ মাসের মাথায় আমি আর পারলাম না টিকে থাকতে!

মুনা-প্রয়াস দু’জনই চরম মাতাল হয়ে গেছে। মাতলামির কারণেই হোক আর যে কারণেই হোক মুনা বিয়ারের খালি ক্যানগুলো পলিথিনে ভরতে থাকে। সে ঘর গুছিয়ে ফেলছে। ঘুমিয়ে যাবে। প্রয়াস সিগারেট খাচ্ছে অনবরত। সে আস্তে আস্তে বলে,
-ঘর গুছাতে পারবা তবে আমাকে যে কষ্ট দিতেছ তুমি এটা ক্যামনে গুছাবা মুনা? আমি তো ভালোইবাসছি তোমারে তাই না!
-ভালোবাসার কথা বলবা না। কলগার্লদের কাছে যে ছেলে মাল খসায়া আসতে পারে তার আবার ভালোবাসা!

প্রয়াস মুনার কাছে গিয়ে পায়ের কাছে বসে পড়ে। বলে,
-মুনা আমি কতবার তোমারে বলব, ঐটা বন্ধুদের সাথের একটা ব্যাপার। আর আমি এ ব্যাপারে অনুতপ্তও। আমি তোমারে আমার সব কেন যে খুইলা বলতে গেছিলাম। তোমার সাথে আমার প্রেমটাই নষ্ট হয়ে গেল সত্যবাদিতার কারণে।
-এইসব নাটক আমি জানি। তুমি আমাকে ভাসা ভাসা কিছু কথা বলছো, আমার ধারণা ভয়ানক কাহিনীগুলা বলোই নাই। এইসব বইলা সত্যবাদি সাজার চেষ্টা করতেছ। আমার পায়ের কাছ থেকে সরো নাইলে লাত্থি খাবা।
-দাও লাত্থি দাও তবুও তুমি একটু শান্ত হও, একটু একবার মানে আরেকবার ভালোবাসো আমারে প্লিজ।

মুনা ঘর থেকে বের হয়ে ছাদে চলে যায়। দাঁত কিটমিট করতে থাকে। প্রয়াসও ছাদে যায়। মুনা বলে,

-যদি পারতাম এই ছাদ থেকে পড়ে এখনই জান দিয়া দিতাম। কত বড় সাহস তোমার তুমি আমাকে ঐ শিল্পীর সাথে জড়াইয়া বাজে কথা বলো?
-আর বলব না জান আর বলব না। প্লিজ তুমিও আমার পাস্ট সম্পর্কগুলারে লাগালাগি বইল না। বুঝো না, মানুষ তো। মানুষেরই মানুষ লাগে জান!
-তাইলে তুমি কেন মবিনের কথা টানো? আর মবিন কি আমার একমাত্র প্রেম ছিলো নাকি। মবিনের আগে আরও তিনটা ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিলো আমার। ওদের নাম তো উচ্চারণ করো না। তুমি মবিনকে হিংসা করো।
-হু করি। আমি মবিন হারামজাদারে হিংসা করি। কারণ তুমি ওরে ভালোবাসতা। আর এখনও তুমি ওরেই ভালোবাসো।
-আমি মবিনরেই ভালোবাসি? তোমারে বাসি না?
-বাসো তবে মবিনকে বেশি। ওর গায়ের রঙ আর তোমার গায়ের রঙ প্রায় সেম। মবিন তোমার শিব, তোমাদের মানাইত। আর আমি কেমন ফ্যাপসা ফর্সা। তোমার সাথে আমারে মানায় না। তোমারে শুধু শিবলিঙ্গের সাথে মানায়!

এ কথায় মুনার রাগ উঠে যায় চরমে। ধাক্কা দেয় প্রয়াসকে। মাতাল থাকায় সে পড়ে যায়। মুনা বুঝতে পারেনি প্রয়াস পড়ে যাবে। সে প্রয়াসের পাশে বসে পড়ে। নাকেমুখে হাত বুলাতে বুলাতে বলে,
-এইসব কী বলতেছ উল্টাপাল্টা? আমার সাথে তোমারে মানায় না মানে? আমাদের হিংসা করে লোকে। মবিনও বলতেছিল মেসেজে। আমাদের ছবি দেখলে নাকি ওর কলিজা জ্বলে যায়!
-সত্যি জ্বলে তো? নাকি এইসব বইলা কাছে আসতে চায় তোমার?
-আরে না কীসের কাছে আসাআসি। আমি তোমারে কত ভালোবাসি তুমি জানো না? ঐগুলা অতীত জান। আর আমরা এখন বর্তমানে আছি। এই যে আমি! তোমার শুধু তোমার আর কারো না, পাগল!

প্রয়াসের পাশে শুয়ে পড়ে মুনা। প্রয়াস মুনার চুলে বিলি কেটে দেয়, জড়িয়ে ধরে। প্রয়াস বলে, আগামী সপ্তাহে কোথাও বেড়াইয়া আসি চলো জান। ঘুমঘুম কন্ঠে মুনা বলে, আমার মুন আমাকে যেখানে নিয়া যাবে আমি সেখানেই যাব। কেন যাব না! প্রয়াসের বুকে মাথা রাখে সে। একটা মেট্রোপলিটন আকাশের নীচে ঘুমিয়ে যায় ওরা।

ইতিপূর্বে আর্টস-এ প্রকাশিত রওশন আরা মুক্তার লেখা:
রওশন আরা মুক্তার তিনটি কবিতা

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (3) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — জানুয়ারি ৪, ২০১৮ @ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

      ভালো গল্প, টান টান উত্তেজনা ছড়ানো গদ্যে। অভিনন্দন কবি মুক্তাকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রওশন আরা মুক্তা — জানুয়ারি ১৭, ২০১৮ @ ৯:২৮ অপরাহ্ন

      অনেক ধন্যবাদ শিমুল, সুজন মাহমুদ

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com