শীতের রাত, প্রকৃতি কিংবা ‘মৃত্যুর আগে’

নাহিদ আহসান | ২২ অক্টোবর ২০১৭ ৫:৫০ অপরাহ্ন

winterব্যাখ্যায় কবিতার স্নিগ্ধতা ঝলসে যায়–এটা বহু সময় অনুভব করি। তবু কিছু কিছু পংক্তি আমাদের এমন বোধের ভেতর নিক্ষেপ করে; আনন্দময় অনুরণনে এমনভাবে কম্পিত করে, যাতে পাঠক হিসেবে নীবর ভূমিকা আর পালন করা যায় না। কাউকে বলতে ইচ্ছে করে, বহুকে বলতে ইচ্ছে করে। মনের ভেতর গুঞ্জন সৃষ্টি হয় যা আসলে অব্যক্ত, কিন্তু তা ব্যক্ত করার দুঃসাধ্য চেষ্টা আমাদের পেয়ে বসে।
আমরা বেসেছি যারা অন্ধকারে দীর্ঘ শীত-রাত্রিটিরে ভালো:
চমক্ দেয়া চিত্রকল্প, সাংগীতিক মাধুর্য, গভীর বক্তব্য- তেমন কিছুই নেই এখানে; তবু জীবনানন্দ দাশের ‘মৃত্যুর আগে’ কবিতাটির এই পংক্তি আমাকে আলোড়িত করে যায় একমাত্র প্রকৃতিকে যারা প্রতিটি রোমকূপ দিয়ে অনুভব করে– ত্বকে তার স্পর্শ পায়– তারাই এর বক্তব্যকে সনাক্ত করতে পারবে হৃদয়ের মধ্যে। ‘অনুভব’ এই শব্দটির ওপর আমি জোর দিতে চাই। কারণ এখানে মস্তিস্ক দিয়ে বোঝার প্রায় কিছুই নেই। মনে হয়, একটি শীতের রাত তার সমস্ত কুহকী বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই বাক্যে উপস্থিত হয়েছে।
প্রকৃতির বহু ঐশ্বর্য আছে যা ঝলমলে; চোখকে নিমেষেই অধিকার করে নেয়। ধরা যাক-একটি ফুলে ফুলে রঞ্জিত কৃষ্ণচূড়া কিংবা ঘোর কৃষ্ণবর্ণ ঝমঝমে বর্ষা।

জীবনানন্দ দাশের কবিতায় এই বৈশিষ্ট্য লক্ষ করি– প্রকৃতির যে রূপ দেখামাত্র দর্শনেন্দ্রিয়কে বশীভূত করে ফেলে, তিনি সেই রূপের প্রতি ততোটা নতজানু নন। মসলিন কাপড় শুনেছি বোনা হতো ভোরের প্রথম আলোতে; চড়া রোদে নাকি সেইসব সূক্ষ্ম সুতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যেত। জীবনানন্দ দাশের কবিতার অনুভূতি ও দৃশ্যজগত আমার কাছে সেই সূক্ষ্ম মসলিনের মতো মনে হয়। তার একটি নিজস্ব রূপের পৃথিবী আছে যেখানে পেঁচার ধূসর পাখা রহস্যময় মাধূরীতে রূপসী হয়ে ওঠে। মাছরাঙা কিংবা প্রজাপতির বর্ণিল পাখার প্রতি তার দৃষ্টিপাত নেই– মনে হয় তিনি সেসব অন্যান্য দর্শকদের বিনোদনের জন্য রেখে দিয়েছেন– শিশু কিশোররাই তো ঐ সব সামগ্রী মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট। দেখা, শোনা এবং আঘ্রাণ পাওয়া মাত্র যা মনকে অভিভূত করে ফেলে, তার চাইতে যাকে খুঁজতে হয়, যে রূপ গভীর কোন প্রতীকে তার সাথে কথা বলে, তার সন্ধানে কবি ফেরেন। অনেকটা রবীন্দ্রনাথের সেই কবিতার মতো:
‘যে আমারে ডাক দেবে এ জীবনে তারে বারংবার ফিরেছি ডাকিয়া’
যে সৌন্দর্য তাকে ডাক দেবে, সে সৌন্দর্যের সন্ধানেই তিনি আজীবন ফেরারী। ‘খড়ের চালের ‘পরে.. মুগ্ধরাতে ডানার সঞ্চার-এর মতো শব্দ তার শ্রবণেন্দ্রিয় তৃপ্ত করার জন্য যথেষ্ট। সেইসব কবি যাদের ইন্দ্রিয়ের গ্রহণ ক্ষমতা এতো সুক্ষ্ম নয় তারা অপেক্ষা করে থাকুক বসন্তকালের জন্য। কারণ কোকিলের কুহু কুহু তান ছাড়া তাদের কল্পনাশক্তরি মুক্তি ঘটে না ।
একমাত্র ব্যতিক্রম দেখি তার রোদের রঙের উপাসনার মধ্যে; রোদকে তিনি প্রায় চিত্রশিল্পীর মতো রঙিন বর্ণাঢ্যতা দিয়েছেন, রামধনুর রঙে রাঙিয়ে দিয়ে। এর কারণ হয়তো রোদ প্রকৃতির এক বিমূর্ত বস্তু। আবার নক্ষত্র তার কবিতায় চড়া সুরের, প্রবল রূপের অধিকারী। আসলে নক্ষত্র ঝলমলে দৃষ্টি আকর্ষক হলেও হাজার যোজন মাইল দূরত্বের কারণে সে আসলে সূক্ষ্মতার জগতেরই বাসিন্দা।
জীবনানন্দ দাশের অনেক কবিতার শব্দ শুধু শব্দ নয়, তারা অনুভূতির হাজার দুয়ার খুলে দেবার চাবি মাত্র। ঐ ধ্বনি শোনা মাত্র মুহূর্তে বর্ণগন্ধরেখা সমৃদ্ধ এক অনাস্বাদিত অপূর্ব জগত উপস্থিত হয় চোখের সামনে। কোন এক অবেচেতন স্মৃতিকে টোকা দেয় ঐ ধ্বনি। ধরা যাক, পুরনো বইপত্র গোছাতে গিয়ে কোন বন্ধুর চিঠি বা উপহার চোখে পড়লো। মুহূর্তে অতীতের সেই জগত, সেই সম্বন্ধ, সুঘ্রাণ, স্মৃতিময়তা আমাদের ‘বর্তমানময় পৃথিবীকে’, কিছুক্ষণের জন্য হলেও পুরোপুরি ঢেকে ফেলে জীবনানন্দ দাশের কবিতায় সামান্য ধ্বনি বা ঘ্রণের উল্লেখ, আমাদের সামনে সেই ‘কিছুটা চেনা কিছুটা অচেনা’ এক জগতকে নিমেষেই যেন একটানে হাজির করে ফেলে।
জীবনানন্দ দাশের ‘মৃত্যুর আগে’ কবিতা পড়ে বুঝি, এমন কেউ কেউ আছে, যারা শীতরাত্রিকেও ভালোবাসে। কিন্তু শীতরাত্রির মধ্যে আমরা যা প্রত্যক্ষ করি, তা তো প্রকৃতির ‘বিরূপতা’। জানালা দরোজার সামান্য ছিদ্র বন্ধ করে, গভীর ঘুমের গুহায় আশ্রয় নিতে চাই প্রকৃতির সাথে সব সম্বন্ধ ছিন্ন করে দিয়ে।
এই কবিতায় যেহেতু অন্ধকার রাতের বর্ণনা আছে, তাই দর্শনেন্দ্রিয় ছাড়াও অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের সাহায্য কবি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিয়েছেন। হাসন রাজার সেই গানের কথা মনে পড়ছে ‘চক্ষু মুঁদিয়া দেখ রূপরে।’ শীতের রাতে দেখার মতো কি আছে প্রকৃতিতে, যাতে তাকে ভালোবাসা যাবে? দেখার মতো আছে সামান্য বস্তুই, কিন্তু এসবের আবেদন অনুভবের কাছে অসামান্য। হিমশীতল চাঁদ, জমে থাকা অন্ধকার, মাটির ওপরে গাছ-গাছালি, কুঁড়েঘরের আধিভৌতিক ছায়া। দেখতে পাচ্ছি‑
খড়ের চালের ছায়া গাঢ় রাতে জ্যোৎস্নায় উঠানে পড়িয়াছে।
যে মাঠে ফসল নেই, তাহার শিয়রে চুপে দাঁড়ায়েছে চাঁদ।

আর কি আছে ? হ্যাঁ, শোনা যাচ্ছে ঐ তো খড়ের চালের ওপরে একটি রাতচরা পাখি এসে বসলো। তার ডানা ঝাপটানো, নখের আঁচড়।
খড়ের চালের ‘পরে শুনিয়াছি মুগ্ধরাতে ডানার সঞ্চার অশত্থের ডালে ডালে ডাকিয়াছে বক।
এখানে বকের ডাক, ডানার সঞ্চার শ্রবণেন্দ্রিয়ের সাহায্যে শোনার কথা বর্ণনা করছেন কবি, কিন্তু সাথে সাথে আমাদের চোখের সামনে দৃশ্য ভেসে উঠছে।
পুরনো পেঁচার ঘ্রাণ অন্ধকারে আবার সে কোথায় হারালো।
অন্ধকারের কারণে পেঁচাটিকে দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তার অস্তিত্ব টের পাচ্ছি। যেন এইমাত্র শব্দ শুনলাম আর অস্পষ্টভাবে দেখলাম একটি নিশাচর গাছের ডালে এসে বসলো। আবার অন্ধকারের মধ্যে কোথায় যেন সে তার অস্তিত্ব গোপন করলো।
এখানে ঘ্রাণ শব্দটি ঠিক ঘ্রাণেন্দ্রিয়ের জন্য বলা হয় নি। পাখির অস্পষ্ট আসা যাওয়া বর্ণনা করতে শব্দটি সুপ্রযুক্ত। ‘আবার সে কোথায় হারালো।’
এই কথ্যরীতিটি গ্রামীণ ছোট পরিবেশের অন্তরঙ্গতা ধারণ করে আমাদের যেন এই শীতরাত্রির মধ্যে অল্প স্বস্তির ওম্ দিল।
ইদুঁর শীতের রাতে রেশমের মতো রোমে মাখিয়াছে খুঁদ।
এই পংক্তিটির মধ্যেও রয়েছে উষ্ণতার আকাক্ষা, এখানে ঘ্রাণ শব্দটির উল্লেখ না থাকলেও জমিয়ে রাখা পুরনো খুঁদ, চালের গুঁড়োর গন্ধ, ‘চালের ধূসর গন্ধ’ যেন টের পাচ্ছি। ভাঁড়ার ঘরে একটি ইদুঁরের অতি দ্রুত আসা যাওয়া, প্রবেশ নির্গমন চোখে পড়ছে। পুরনো খুঁদের ভেতর গড়াগড়ি করে সে যেন এই শীতের রাতে উষ্ণতার আশ্রয় চাইছে:
বেতের লতার নীচে চড়ুয়ের ডিম যেন নীল হয়ে আছে
এইভাবে সরাসরি শীতার্ত প্রকৃতির হিম শীতলতার বর্ণনায় না গিয়ে সূক্ষ্ম ব্যঞ্জনার সাহায্য নেওয়া হয়েছে পূর্বোক্ত দু’টি পংক্তিতেই আছে স্পর্শজগত বা স্পর্শেন্দ্রিয় নিয়ে কাব্যিক খেলা। এখানে চড়ুয়ের ডিমের মতো একটি জড়বস্তুতেও অনুভূতি আরোপ করছেন কবি। না হলে, শীতে তার নীল হয়ে যাওয়া আমাদের স্পর্শ করছে কেন। অনুভূতির চূঁড়ায় মন যখন বাসা বাঁধে, তখন এই হয়। এ ধরনের অসাধারণ সংবেদনশীলতার কারণেই হয়তো গৌতম বুদ্ধ পিঁপড়ের মতো ক্ষুদ্র প্রাণীর ভেতরেও মানুষের সমান সংবেদন জগত দেখতে পেতেন; তার কাছে মনে হতো জীব হত্যা মহাপাপ।

বুঝেছি শীতের রাত অপরূপ,
মাঠে মাঠে ডানা ভাসাবার গভীর আহলাদে ভরা।

এই যে গভীর আহলাদ ডানা ভাসাবার– এটা কার ? অবশ্যই নিশাচার পাখির। এখানে কবি শীতের রাতকে পরিপূর্ণ উপভোগের জন্য নিশাচর পাখির দৃষ্টিতে প্রকৃতিকে দেখছেন; অনুভব করছেন। শুধু মানুষ হিসেবে প্রকৃতি সম্ভোগ করেই তিনি তৃপ্ত নন। শীতের রাত সেই পাখির কাছে অপরূপ। অপরূপ কেন? পশুপাখির কি সৌন্দর্যবোধ আছে? আসলে যে-পরিবেশ যার কাছে সবচেয়ে আনন্দ আর তৃপ্তিকর সেই পরিবেশই তো তার কাছে সবচেয়ে সুন্দর মনে হবে। এটাকে অবশ্য বলা যেতে পারে অনুভবের কল্পনাশক্তি। কারণ যে জীবন যে অনুভব দোযেলের ফড়িঙের, মানুষের সাথে তার দেখা হয় না। এখানে জীবনানন্দ দাশ প্রকৃতির একটি অংশ; পাখি হযে প্রকৃতিকে উপলদ্ধি করতে চাইছেন।
একটি নদীর দৃশ্য কল্পনা করা যাক। নদীর তীরে লম্বা লম্বা ঘাসের সারি, নল খাগড়ার বন। নদীর বুকে জলে ভাসছে হেলেঞ্চা, কলমি লতার ঝাঁক। একটি জল ফড়িঙ আলতোভাবে তার দেহ নদীর জলে ছুঁইয়ে রেখেছে। মাছের বুদবুদ উঠছে জলে, থেকে থেকে। অনেক দূরে শোনা যাচ্ছে একটি পাখির ডাক।
এই পতঙ্গ কিংবা পাখি তাদের স্পন্দন নিয়ে, অনুভব নিয়ে প্রকৃতির অপার শান্তির ভেতর ডুবে আছে। এখানে ধরা যাক প্রকৃতির সাথে স্পর্শে, দৃশ্যে, ঘ্রাণে একাত্ব হতে চায়, তাহলে কিছুক্ষণের জন্য তার চিন্তাজগতটি তাকে সরিয়ে রাখতে বলি। নিজেকে শুধু ঐ পতঙ্গের মতো একটি স্পন্দন হিসেবে যে কল্পনা করুক। চিন্তাজগতটি স্থগিত রাখলে তার ইন্দ্রিয়গুলো প্রখর হয়ে উঠবে, অনেকটা দৃষ্টিহীন মানুষের মতো। অনুভবের জগতের বাসিন্দা যখন কেউ হবে, তখনই সম্ভবত জলে একটি পাতা পড়ার শব্দও সে শুনতে পাবে। ঐ ঘাসফড়িঙ কিংবা কলমিশাকের গুচ্ছ দেখে যেমন মনে হয় প্রকৃতির সঙ্গ তাদের আনন্দ দিচ্ছে। তেমনি কবিও ‘মৃত্যুর আগে’ কবিতায় প্রকৃতির একটি অংশ হয়ে, শীতরাত্রিকে বুকের ভেতরে, চেতনার গভীরে উপভোগ করেছেন। আবার যখন তিনি তার লেখার টেবিলে ফিরে যাবেন, তখন কিন্তু ঠিকই তিনি তার বুদ্ধি ও চেতনাজগতকে কাজে লাগাবেন, কবি হিসেবে শব্দ বাছাই করবেন, এতোক্ষণের অনুভুতিকে উপমায় চিত্রায়িত করবেন।
অবশ্য এই কবিতা শুধু শীতের রাতে সীমাবদ্ধ নেই। সে তার চিত্রল পাখা বিস্তার করে বহু দূরে উড়ে ঘুরে বেরিয়েছে। ‘মুত্যুর আগে’ কবিতাটিতে জীবনের জয় সবার উপরে ঘোষিত হয়েছে। একজন পৃথিবীবাাসী কত মাত্রায়, কতবর্ণে পৃথিবীকে আস্বাদ করে! বহমান আনন্দধারায় সিক্ত হয়।
আমরা দেখেছি যারা নিবিড় বটের নীচে লাল লাল ফল।
জীবনানন্দ দাশ চূড়ান্ত যথার্থ শব্দ প্রয়োগ করেন। এখানে ঐ ‘নিবিড়’ শব্দটি না থাকলে চিত্রকল্পটি ধ্বসে পড়তো।
শিশুর মুখের গন্ধ, ঘাস, রোদ, মাছরাঙা, নক্ষত্র আকাশ
আমরা পেয়েছি যারা ঘুরে ফিরে ইহাদের চিহ্ন বারোমাস।
হিজলের জানালায় আলো আর বুলবুলি করিয়াছে খেলা।
আমরা জেনেছি যারা জীবনের এইসব নিভৃত কুহক।

এক জীবনে এতো বর্ণাঢ্য সমারোহ দেখে, এতো আস্বাদন করে মানুষের অনুযোগ, সন্তাপ, বিদ্রোহ কেন মেটে না।
প্রান্তরের কুয়াশায় দেখিনি কি উড়ে গেছে কাক
গ্রামে ভোরে কুয়াশার ভেতর একটি কাককে যারা উড়ে যেতে দেখেছেন ধানক্ষেতে ওপর দিয়ে আকাশের পথে অষ্পষ্ট আলোর ভেতর দিয়ে, তারাই এর শিহরণ টের পাবেন।
জীবন মানেই তো সারা অস্তিত্বে লৌকিক আর অলৌকিকের অপরূপ স্পর্শ নেওয়া।
আমরা মৃত্যুর আগে কি বুঝিতে চাই আর?
‘মৃত্যুর আগে’ অর্থ তো জীবন, অনন্ত ঐশ্বর্য ও সম্ভাবনাময় জীবন, রাঙা কামনাময় জীবন।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আশিস বড়ুয়া — অক্টোবর ২৮, ২০১৭ @ ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

      প্রিয় কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার উপর বিশ্লেষণধর্মী লিখাটি ভালো লেগেছে। লেখককে ধন্যবাদ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com