ইকতিজা আহসানের গল্প: চন্দ্রকথা

ইকতিজা আহসান | ২ অক্টোবর ২০১৭ ৫:২৮ অপরাহ্ন

Mohammed Kibriaমহাকালের কোনো এক মাহেন্দ্রক্ষণে এই অপার পৃথিবীতে হয়ত কোনো চন্দ্রলগ্ন ছিল, আর তখন হয়ত তার নাম শোভন উচ্চারণ করেছিল। তার ধারণা ছিল না, চন্দ্রলগ্নে সেইসব নাম উচ্চারিত হয়, যারা জীবনে একটা লগ্ন তৈরি করে…এবং কুণ্ডলি পাকায়ে থাকে জীবনের পরতে পরতে। এই কুণ্ডলি একটা বৃত্তের মতো… চক্রের পর চক্র গড়ে দিগভ্রান্ত করে। চন্দ্রের সাথে চক্রের এই যোগ আজন্ম। চন্দ্রের আলোর নাম জ্যোৎস্না হলেও আদতে সে যে এক বিভ্রম এটা শোভন ভালভাবেই জানে। জানলেও চন্দ্রের আকর্ষণ সে এড়াতে চায়নি কোনোকালে। সে কোন ছার! খোদ সমুদ্র যেখানে জেগে ওঠে চন্দ্রের ডাকে! সেখানে সে কেন এড়াতে যাবে চন্দ্রের আকর্ষণ। দেখা যাক না কী ঘটে…. চন্দ্র কোথায় কতদূর ভাসাতে পারে! চিরকাল এই হচ্ছে শোভনের মনোভঙি।

তো এবারও শোভন নিজেকে ছেড়ে দিল। শোভন চেয়েছিল একটা কংক্রিট কোনোকিছুর দিকে যেতে। যদিও কংক্রিট নামের যে কাঠামোর নরোম আয়েশে সাধারণ গড়পরতা মানুষ নিজেকে বন্দি করে রাখতে পছন্দ করে; শোভন সে রকম ছেলে মোটেই নয়। সে জানে তথাকথিত অকংক্রিট বলে মনুষ্য সমাজে যা প্রচলিত তাও আসলে একটা কাঠামোর নামান্তর। তাদের গড়নে, আকারে পার্থক্য হয়ত আছে, কিন্তু দুটোতেই জীবন ঠিকঠাক চলে। জীবন তো একটা মুর্তি…তাকে পছন্দের ছাচে গড়ে নিতে হয়। আর পছন্দ তৈরি হতে লাগে দর্শন।মিডিয়ার তৈরি করা দর্শনে শোভন চলে না। নিজেকে সে গড়েছে প্রতিমুহূর্তে। ভেঙেছে প্রতিমুহূর্তে। সে জানে গড়তে হলে প্রথমে ভাঙতে হয়।

এবারও সে ভাঙার জন্য প্রস্তুত ছিল। অপেক্ষায় ছিল চন্দ্র তাকে ভাঙবে। ভেঙে ভেঙে প্রতিটা বোধের অনু পরমানুর ভেতর থেকে পুনরায় গড়ে নিবে নিজেকে। আর এর কারিগর হবে স্বয়ং চন্দ্র। যার টানে সাগরে জোয়ার আসে…একটা সাধারন মনুষ্য নদীতে জোয়ার এনে তাকে অকূলে ভাসিয়ে ডুবিয়ে, ভেঙেচুরে কোনো আকার দেয়া তার জন্য তো সহজোত্তর সহজ। কিন্তু শোভন প্রথমে বোঝেনি পৃথিবীর সব চন্দ্র এক হয় না। সব চন্দ্রের ক্ষমতা থাকেনা সাগরে জোয়ার আনার, কোনো কিছু ভাঙার! সে বুঝতে পারে এ এক সাধারণ চন্দ্র; যার নিজস্ব কোনো আলো নেই। আলোর জন্যও যে মুখাপেক্ষি সে কেমনে ভাঙবে ! শোভন যখন এটা বুঝতে পারে ততদিনে অনেকটা সময় গড়িয়ে যায়। আর এর মাঝে কোনো এক মহাকালিক রসায়নে এই সাধারণ চন্দ্রের প্রতিও তার একটা টান তৈরি হয়। সে চন্দ্রের জন্য টান ও অটানের এক কুয়াশাঘন জায়গায় দাড়িয়ে ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে। ঘুমের আলস্যভরা আমেজে সে আরও কিছুক্ষণ শুয়ে থাকে বিছানায়….
আলস্য ভাঙতে চায়না। এতঘুম কোথা থেকে যে আসে। রাত ১টার দিকে ঘুমিয়েছে সে। ১টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত ঘুমালেই ৬ ঘন্টা ঘুম হয়ে যায়। প্রতিদিন ঘুমের আগে সে ৭ টার মধ্যে উঠে যাওয়ার প্লান করে। পরক্ষণে নিজের আলস্যকে আদর করে ভাবে- না, আরও ১ ঘন্টা পরে উঠলেও চলে। সময় ঠিক করে সকাল ৮টা। কিন্তু একদিনও শোভন দশটা এগারটার আগে ঘুম ভেঙে উঠতে পারে না। ফজরের আজানের দিকে একবার উঠে বাথরুম সেরে আবার যে ঘুমটা দেয়, এই ঘুমটা এত ভাল হয় তার! এই ঘুমটার একধরনের প্রেমেই সে পড়ে গেছে হয়ত। যদিও এত বেলা করে ঘুম থেকে উঠে ব্যাপক বিরক্ত হয় সে। এই পৃথিবীর মধ্যে যার উপর তার বিরক্তি সবচেয়ে বেশি , সেই মহোদয় ব্যক্তিটি সে নিজে। মাঝেমধ্যে নিজেকে সামন্ত মনে হয়। সামন্ত নয় তো কি! ঘুম ভেঙে গেলে সে মোবাইলে দেখে নেয় কয়টা বাজে। তারপরে মশারীর ফাক দিয়ে দরজার ফাক গলে দিয়ে যাওয়া দৈনিক পত্রিকাটা টেনে নিয়ে নজর বুলায়। ধীরে সুস্থে উঠে প্রাতকৃত্য সারে। এই জায়গায়টায় শোভন ধরা। তার সামন্তগিরি ছুটে যায়। প্রাতকৃত্য সারতে অনেক সময় লাগে। দুই তিনবারের আগে বাথরুম ক্লিয়ার হয় না। কোষ্ঠকাঠিন্য। হাবিজাবি বাইরের খাবার খেতে খেতে দিনে দিনে তার সামন্তগিরির বারোটা বেজেছে। আজ ঘুমটা ভাঙতেই তার কেমন খালি খালি লাগে। গতকাল চন্দ্রের সাথে মেসেন্জারে বেশ কিছু কথাবার্তা তার হয়েছে। সে বুঝতে পারছে না, চন্দ্র আসলে কি চাচ্ছে? আলস্য ভরা আমেজে সে আবার মোবাইল ফোনটি অন করে ফেইসবুকে ঢোকে। চন্দ্রের ইনবক্সে ঢুকে ব্যাকে গিয়ে গিয়ে পুনরায় পড়ে তাদের বার্তা চালাচালি। পড়তে পড়তে নিজে নিজেই হেসে ওঠে শোভন। স্বগতোক্তি করে, বাইনমাছ আর কারে কয়!!! ছাই দিয়াও ধরা যাইতেছেনা। বার বার খালি পিছলাইয়্যা যায়!
অনেক কথা তার চন্দ্রের সাথে ইতোমধ্যে হয়েছে। কিন্তু শোভন কোনো তল পায় না চন্দ্রের। মামুলি আলাপ আর কত করা যায়! করো কি, খাইছো কিনা এই ধরেনের আলাপের বৃত্ত থেকে চন্দ্র যেন কোনোভাবেই বের হতে চায় না। মাঝে একদিন সে বলেছিল, রোকেয়া হলে উঠে প্রথমদিন থাকতে গিয়ে সে নাকি অনেক কান্না করেছে। কারণ পরিবারের সকলের কাছ থেকে আলাদা হয়ে এর আগে কোনোদিন সে থাকেনি। সেদিন হলে থাকার আনন্দের চেয়ে কি এক হু হু বেদনাই তার কাছে বড় হয়ে ওঠে। এবঙ পরদিন তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাসায় চলে যায়! এরপর হতে বাসায় থেকেই ক্লাশ করতো। শুনে হো হো করে হেসেছিল শোভন। বলেছিল, তুমি তো খুব নরোম! সে বলেছে, হুম। এরপর আর আগায় না। শোভন বেশি ঘাটাতেও চায় না। কি এক কারণে চন্দ্রকে তার মনে হয় মাটির গড়া প্রতিমা। একটু ঘাটালেই হয়ত ভেঙে পড়বে। বিয়ে করতে দেরি করলো কেন- এই প্রশ্ন প্রথমেই করেছিল শোভন। সে বলেছে- সব উপরআলার ইচ্ছা। একদম খাটি কথা! এর উপরে আর কোন কথা চলে না। ঠিকইতো উপরআলার ইচ্ছা নাই বলেই তো বিয়ে হয়নি। শোভন নিজে মুচকি মুচকি হাসলেও চন্দ্রকে আর কিছু জিজ্ঞেস করে নি। কতদিন…আর কাহাতক এই উপরি আলাপ! তাও করা যেত, যদি শোভন বুঝতে পারত কোনো গঠনমূলক সম্পর্ক তৈরি হতে যাচ্ছে! তাও সে নিশ্চিত না! তবে কেন এই বাহাস! শোভন চায় না আর এই ঝুলে থাকতে! মোবাইল স্ক্রিন উপরে উঠতে উঠতে শোভন এক জায়গায় এসে আবার থামে। পড়তে পড়তে তার মনে হয় কেন এত দোনোমনা চন্দ্রের। বয়স হয়ে গেছে। সমবয়সী তারা। শোভনের নিজের প্রায় চল্লিশ চলে। তার মানে চন্দ্রেরও চল্লিশ। মেয়েদের চল্রিশ বছর বয়স মানে একটা ঘটনা। আর দু পাচ বছরের মধ্যে মেনোপেজ শুরু হয়ে যাবে। তারপরেও কেন চন্দ্র ধরা দেয় না। সে তো আর অশিক্ষিত নয়, যে এ বিষয়টা সে জানে না। দোনোমনা থাকলে থাকতে পারে তার নিজের। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে আগানোর। আর চন্দ্র কিনা এখন পিছিয়ে যাচ্ছে। রাগ হয় তার । ইচ্ছে করে চন্দ্রের সাথে দেখা করে একটা জোর ধমক লাগাতে। কিন্তু এই মেয়ে দেখাও করে না। যতবার শোভন দেখা করতে চেয়েছে ততবার সে কোনো না কোনো কারণ দেখিয়ে এড়িয়ে গেছে। শেষের দিকে রীতিমতো শোভনের ইগোতে লাগত। আরে মেয়ে তুই বুঝছিস না, কি রত্ন তুই হেলায় হারাচ্ছিস। না হয়, চাকরী বাকরী করি না। আয় ইনকাম কম। সাহিত্যের প্রতি ঝোক আছে বলে বৈষয়িকতা কম। কিন্তু একবারে ভাদাইম্মা তো না। পরিবারের একটা পরিচয় আছে। নিজে একটা সম্মানজনক কাজ করি। একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান বানানোর ইচ্ছা আছে। একদিন প্রতিষ্ঠিত তো হয়েও যেতে পারি। এই মুহূর্তই তো তোর সাপোর্ট টা দরকার। কিন্তু তুই এড়িয়ে যাচ্ছিস। আরে তোর আর আমার ইনকাম মিলে কি চলতো না! সমঝোতা থাকলে অনেক কিছুই আর অভিযোগের সীমানার মধ্যে পরে না। তুই আর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচমেট, আমাদের বোঝাপড়া, সমঝোতা অনেকের চেয়ে নিশ্চিত ভাল হতো। এইসব ভাবতে ভাবতে শোভনের মন খারাপ হয়ে যায়। সে ফেসবুক থেকে বের হয়ে যায়। একবার ভাবে ইনবক্সে চন্দ্রকে কিছু কঠিন কথা শোনাতে। কিন্তু পরক্ষণে নিজেকে সংবরণ করে। বিছানা থেকে উঠে যায়।
উঠে গিয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রথমবারের টয়লেট সারে। টয়লেট থেকে বেরিয়ে রুমে ফিরে সে দেখে তার বিছানার এক কোণে বসে মিটিমিটি হাসছে চন্দ্র। ধরফড়িয়ে ওঠে শোভনের বুক। আরে তুমি? কখন আসলা? বাসা চিনলা কেমনে? চন্দ্র মিটিমিটি হেসেই যাচ্ছে। কোনো উত্তর দিচ্ছে না। শোভন এবার কিছুটা দমে যায়। কথা বলে না কেন? খালি হাসে। পাগল হয়ে গেল নাকি? সে আবার বলে, কিছু কও না ক্যান? ধ্যাততারিকা, আমার আর ভাল লাগে না। চন্দ্র বলে, দেখতে এলাম তোমার লাইফস্টাইল। সকালে বেলা করে ঘুমানো আমার একদম পছন্দ না! এরকম ছেলেরা জীবনে কিছু করতে পারে না। শুধু মনে মনে নিজেদের বড় ভাবাই এইরকম ছেলেদের অভ্যাস। আমি ঘুম থেকে উঠি কখন জান? সেই পাচটায়। ছয়টার মধ্যে খাওয়াদাওয়া সেড়ে স্কুলের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে যেতে হয়। আর তুমি? ১১/১২টা পর্যন্ত ঘুমাও। এখানেই তো আমাদের দুজনের মিল হচ্ছে না। লাইফস্টাইলের এত ব্যাসকম নিয়া কি আগানো ঠিক হবে? তুমিই বলো? তারপর সংসার চলবে কেমনে? কি ছাইপাশ করে বেড়াও।পত্রিকা সম্পাদনা না করে, কোনো পত্রিকায় জয়েন করতে পার কিনা সেটা দেখো। তাইলে তোমার কথা ভাবা যেতে পারে। টেবিলের উপর রাখা মোবাইলের রিং বাজে। শোভন সেটা ধরতে ধরতে চন্দ্রের কথার উত্তর খুঁজতে খুঁজতে দেখে অনেক সময় পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সে কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না। কিন্তু কিছু একটা তো বলতেই হয়… সে বলে, দেখো সকালে ঘুমানো আমার অভ্যাস না। ফোন দিয়েছে ছোট ভাই বরিশাল থেকে। তার মানে এখন আম্মা কথা বলবে। চন্দ্রের সামনে সে কথা বলতে ইতস্থত করে। পরিবারের অনেক ভেতরের কথাবার্তা সে মায়ের সাথে বলবে, কিন্তু চন্দ্রর সামনে সেগুলো বলা ঠিক হবে না। এটা ভাবতে ভাবতে সে ফোন রিসিভ করে আবার ঘুরে বিছানার কোণার দিকে তাকিয়ে দেখে চন্দ্র নাই। শোভন তার মায়ের সাথে কথা বলতে বলতে ভাবে গেল কই? বা আসলোই বা কিভাবে? চন্দ্রার তো তার বাসায় আসার কথা নয়। কিভাবে আসবে সে তো কস্মিণকালেও তার বাসায় আসে নি। বাসা সে চেনে না। তাহলে!! অবিকল চন্দ্রের মতো যে মেয়েটি বিছানার কোণে বসা ছিল সে কে? ধরলাম চন্দ্রা না, সে যেই হোক হঠাৎ করে কই উধাও হয়ে গেল! বা এখানে আসলই বা কেমনে?
মাথার ভেতরে এই ক্রিয়া নিয়েই সে মায়ের সাথে কথা বলে। মা তাকে নিয়ে ভয়ংকর রকম চিন্তিত। তিনি বারবার তাগাদা দেন শোভনকে কোথাও জয়েন করার চেষ্টা করতে। তাদের আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশি কার কার চাকরী হয়েছে সেই ফিরিস্থি শোভনকে শোনান। কিছুক্ষণ শোনার পর শোভন বিরক্ত হয়ে বলে, আম্মা এইসব আজেবাজে কথা বাদ দেন তো। চাকরী বাকরি এতদিন যহন করলাম না, আর করমু না, যা হওয়ার হবে। তার মা দ্বীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, নিজের দোষে নিজে কষ্ট পাও আমি কী করমু!!
মা’র সাথে কথা শেষ করে সে ভাবতে থাকে দুপুরে কি খাবে। সকালের খাওয়া নিয়া আর ভাবনা নেই। একটা ডিম পোস করে নেয়, আর কয়েকটা ব্যাকারির বিস্কুট। ব্যাস ঝামেলা শেষ। কিন্তু দুপুর আর রাত্রি নিয়া এরকম অল্প আয়াসে কোনো সমাধান সে বের করতে পারল না। রান্না বান্না আর ভাল লাগে না। চরম বিরক্ত সে। বাহিরেও খাওয়া যায়না, প্রচুর খরচ। এত খরচের সামর্থ্য তার নাই। সবাই চাকরীর কথা বলে। এই বয়সে কোথায় যাবে সে চাকরীর জন্য!! আর গেলেই যে হবে তাতো না। কিছুদিন ঘুরিয়ে হয়ত আর ফোনই ধরবে না। মাঝখান থেকে মানসম্মান পাংচার! চাকরী না থাকার কারণে বিয়েও করছে না বা বলা ভাল করতে পাছে না। এই সোনার যৌবন, হেলায় শেষ হয়ে গেল। একবার ফুরালে যা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। তাও তো প্রায় ফুরিয়েই গেল। অব্যবহৃত শেষ হয়ে গেল মূল্যবান সম্পদ। হাহাকার লাগে। চরম হাহাকার নিয়ে তার আবার মনে পড়ে চন্দ্রের কথা। ও চন্দ্র , চন্দ্ররে….তার ইচ্ছে করে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে, সবকিছু ভেঙে ফেলতে, তছনচ করে ফেলতে…হাতের কাছে খুব প্রিয় মগটা যেন তার দিকে তাকিয়ে হাসছে….সে এককদম এগিয়ে মগটা নেয়, তারপরে দুম করে সর্বশক্তি দিয়ে ছুড়ে মারে দেয়ালের দিকে। ভাঙা কাঁচগুলো রিনঝিন শব্দ তুলে মেঝেতে গড়িয়ে পড়তে থাকে…রিনঝিন শব্দ তুলে চন্দ্রের মুখ খণ্ড বিখণ্ড হয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকে। আর শোভন যেন একটু একটু করে ধাতস্থ হতে থাকে…। কে যেন তাকে বলে, এত আপসেট হয়ো না শোভন, এই…ই জীবন…. এই…ই… জীবন… একেকজনের কাছে একেকভাবে ধরা দেয়।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (0) »

এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com