দুটি চিনা কবিতার অনুবাদ ও প্রাসঙ্গিক সূত্র

কিশোর বিশ্বাস | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ৮:১৯ অপরাহ্ন

[ মুখবন্ধ: কবি কামিনী রায়ের “দুটি কবিতার” নামের আদলে এই কলামের নামকরণ । এখানে মূলতঃ বিখ্যাত কিছু চীনা কবিতার বাংলা অনুবাদ এবং অনুবাদের রেশ ধরে চীনা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির রূপ-রস ও নানা আঙ্গিক বাংলাভাষীদের কাছে তুলে ধরাই মূল প্রতিপাদ্য । ছোট ছোট পর্বে ভাগ করা এই লেখায় প্রতিবার পরিবেশন করা হবে দুটি করে চীনা কবিতার অনুবাদ। সঙ্গে থাকবে আনুষঙ্গিক শব্দার্থ ও সরল ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ। হায়ারোগ্লিফিক্সের কঙ্কালের উপর চীনা সাহিত্যের যে হৃষ্টপুষ্ট সুমধুর অবয়ব, সরল বাংলায় তার স্বরূপ অবলোকন ও নিরূপণে লেখকের চেষ্টা থাকবে অকৃপণ ।
তবে অনুবাদ নিয়ে এখানে যে দুটি কথা না বললেই নয়, তাহলো “ভাব” ভাষান্তরিত হলে অনূদিত ভাবার্থের মাঝে প্রায়শই কিছু না কিছু অন্তরায় থেকে যায় । যেমন “আমড়া কাঠের ঢেঁকি” কিংবা “উদোর পিণ্ডী বুদোর ঘাড়ে” কথাগুলোর ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে অন্যসব ভাষায় অনুবাদ করা প্রায় অসম্ভব । কেননা যে ভাষায় অনুবাদ করতে হবে সেই ভাষা- সংস্কৃতিতে আমড়া গাছ, ঢেঁকি বা পিণ্ডীর ধারণাগুলো থাকতে হবে । এসবের অনুপস্থিতিতে অন্য কোন উপমা দিয়ে অনুবাদ করা যদিও যায় তাতেও মূল ভাবের আদি রসে টান পড়ে বৈকি । দ্বিতীয়ত, বিবিধ বিষয়বস্তু অনুবাদের মধ্যে কবিতা আর গানের অনুবাদ সবচেয়ে বেশি দুরূহ। এর কারণ, কবিতা আর গানে ভাবের প্রকাশ ঘনীভূত; অল্প কথায় বেশি ভাব, তা রূপক আর ঘটনায় বৈচিত্র্যময়। কবিতার অন্তর্নিহিত অর্থ অনেকাংশেই স্থান, কাল, পাত্র ও সমসাময়িক সমাজ-নির্ভর, যার প্রসঙ্গ উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা বুঝতে ছোটবেলায় আমাদের বিদ্যালয়ে কখনো বা পণ্ডিত মশাইয়ের বেত্রও অপরিহার্য হতো । তদুপরি এই লেখায় কবিতা অনুবাদের ক্ষেত্রে কতগুলো বিশেষ লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে । যেমন, প্রাচীন চিনা কবিতাগুলো বাংলায় অনুবাদের সময় মূলভাব অপরিবর্তিত রাখা, হুবহু বা সমার্থক প্রচলিত উপমা ব্যবহার করা, মূল কবিতার ছন্দ ও মাত্রা অনূদিত বাংলা কবিতাতেও অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সর্বোপরি সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষার ব্যবহারে এই “কবিতানুবাদকে” মূল কবিতার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া ।
এতগুলো শর্ত মেনে লেখকের সীমাবদ্ধ জ্ঞানে সর্বাঙ্গ সুন্দর অনুবাদ হয়ত সম্ভব নয় । তাই এই লেখাটি আগ্রহী পাঠক, বিজ্ঞ অনুবাদক ও সমালোচকদের জন্য উন্মুক্ত রইল । অনুবাদগুলো পড়ে কারো যদি কোন মূল্যবান মতামত, সংশোধন বা দিকনির্দেশনা থাকে আমরা তা সবিনয়ে স্বাগত জানাই । যাহোক, কবিতানুবাদের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আশা করি কোনো কাব্যপ্রেমিক একে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো বলে ভাববেন না । বরং অচেনা চিনা দুগ্ধামৃতের ননি একটু একটু করে তুলে ধরে, চিনা ভাষা জানা বা না জানা সবার কাছে কিঞ্চিত চৈনিক কাব্য রস পৌঁছে দিতে পারলেই লেখকের এ উদ্যোগ সার্থক হবে । চলুন এবার “ধান ভানতে” মনোনিবেশ করা যাক …]

পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতার অন্যতম কাণ্ডারি চিন, যার সহস্রাব্দ পুরনো ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সাহিত্য মানবতার উৎকর্ষতায় মূর্তিমান দৃষ্টান্ত । মাতৃভাষাভাষীর সংখ্যায় চিনা ভাষার স্থান সারা বিশ্বে প্রথম [১]। এ ভাষায় লিখিত সাহিত্য বৈচিত্র্যময়; রূপ-মাধুর্য ও নান্দনিকতায় প্রাণোচ্ছল; ভাব-গাম্ভীর্য, বিষয়বস্তু, তত্ত্ব আর দার্শনিকতায় সুগভীর । চিনা সাহিত্যের রস উপভোগ তাই কখনো বীর ডুবুরির সিন্ধু সেচে মুক্তা আনার মতো, আবার কখনোবা ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলে ধানের শিষে শিশির বিন্দু দেখার মতো । কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, বিশাল বাংলার অনেকেরই নানা কারণে সেই দুই পা ফেলার ফুরসত হয়ে ওঠে নি । এর অন্যতম প্রধান কারণ, চিনা ভাষাভীতি । আশা করি এই লেখায় অনুবাদের সেই ভীতি ভাঙতে কিছুটা হলেও সহায়তা করবে । যাহোক, আজকের অনুবাদের জন্য চয়ন করা হয়েছে কবিগুরু লি পাই (lǐ bái) এর বিখ্যাত “নিঝুম রাতের মায়া (静夜思 jìng yè sī চিং ইয়ে ছ্রি)” এবং লি সেন (lǐ shēn)এর “অভাগা কৃষক (悯农mǐn nóng মিন নোং)” কবিতা দুটি [২,৩,৪] ।

কবি পরিচিতি-১ [৪,৫]

চিনা কবিগুরু লি পাই (খৃষ্টপূর্ব ৭০১ – ৭৬২ ) প্রাচীন চিনে থাং রাজত্বকালের (খৃষ্টপূর্ব ৬১৮ – ৯০৭) বিখ্যাত কবি । জন্ম বর্তমান চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমে ছ্রি ছোয়ান প্রদেশের চিয়াং ইঔ শহরে । রোমান্টিক, উচ্চাকাঙ্ক্ষী, প্রাণচঞ্চল এই মহান কাব্যপ্রতিভা লিখে গেছেন প্রায় সহস্র কবিতা যা বিষয়বস্তু, ছন্দ ও মাত্রায় মধুর, ব্যঞ্জনাময় । এর মধ্যে “নিঝুম রাতের মায়া” ছাড়াও “পথ চলা দুরূহ (行路难xíng lù nán সিং লু নান)”, “লু গিরির জলপ্রপাত (望庐山瀑布wàng lú shān pù bù ওয়াং লু সান ফু পু )”, “বিদায় পাইতি পুরী (早发白帝城zǎo fā bái dì chéng জাও ফা পাই তি ছ্যং)”,“মদের নিমন্ত্রণ (将进酒qiāng jìn jiǔ ছিয়াং চিন চিও)” প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য । তার কবিতাগুলো নাতিদীর্ঘ, সহজ শব্দ চয়নে অল্প কথায় গভীর ভাব প্রকাশের অনন্য উদাহরণ। তিনি শুধু কলম হাতেই নন, তরবারি কুংফুতেও ছিলেন যথেষ্ট পারদর্শী । তাঁর সমগ্র কাব্য রচনায় “তলোয়ার” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে মোট ১০৭ বার । আর তরবারির মতোই ছিল তার ক্ষুরধার যুক্তি। তবে লি পাইয়ের স্বভাবচারিত মত্ত মদ্যাসক্তি তাঁর সৃষ্টি সুখের উল্লাসে উদযাপনের উপকরণ নাকি সাহিত্য সৃষ্টির প্রাক প্রেরণা ছিল, তা নিয়ে হয়ত বিতর্ক হতে পারে।

কবিতার প্রেক্ষাপট_১ [৪,৬]

কবি একদা নিজ গৃহ ও পরিবার থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছিলেন । কোন এক জ্যোৎস্না স্নাত নিঝুম নিশিতে নিভৃতে নির্ঘুম হয়ে ওঠেন তিনি । সেদিন তাঁর নির্জন কুটীরে চাঁদের আলোর ছড়াছড়ি । জানলার ফাঁক গলে বিছানার সামনে এসে পড়া এক চিলতে জোছনা তাঁর কাছে মাটির উপর বিছানো শুভ্র তুষারের মতো মনে হয় । মুখ তুলে তাকান আকাশে ঝুলানো বিশাল চন্দ্র বৃত্তের দিকে । তাঁর মনে জেগে ওঠে নিজ ভূমের কথা, প্রিয়জনের স্মৃতি । এই চাঁদের আলোয় তাঁর বহু দূরের স্বজনরাও একই ভাবে সিক্ত । আজ তাদের কথা খুব বেশি মনে পড়লেও শুধু এই মায়াময় চাঁদ ছাড়া তাদের সাথে একসাথে ভাগাভাগি করে নেবার মতো কবির যে আর কিছুই নেই । নত মস্তকে আপন মনে ভেসে ওঠে তাঁর নিজ দেশের কত কথা । সেই ক্ষণে জেগে ওঠে কাব্যপ্রতিভা আর আমরা পাই লি পাই-এর নিম্নোক্ত অমর সৃষ্টি । –“নিঝুম রাতের মায়া”।

কবিতা, ভাবার্থ ও অনুবাদ-১
《静夜思》__李白
( নিঝুম রাতের মায়া )-লি পাই
kishor

মাত্র চার লাইনের মোট ২০ টি চিনা অক্ষরে (Chinese character) লেখা এই কবিতাটি পুরা পূরা চিনা কাব্যের প্রতিনিধিত্ব করে বলেই সাহিত্য-বোদ্ধাদের অভিমত । কারণ কবিতাটি শব্দ চয়নে সরল, ভাব প্রকাশে সবল আর তা অগণিত পরবাসী মনের দেশের প্রতি ব্যাকুল টানের আকুল প্রকাশ । কবিতাটি বোঝার সুবিধার্থে আসুন নিচের শব্দার্থে একটু চোখ বোলানো যাক ।
Kishor-1

[# চিনা শব্দ বা শব্দ গুচ্ছের পাশে বন্ধনীতে তাদের ফোনেটিক বা চীনা ফিং ইন উল্লিখিত । ]
[* বাংলা হরফে চীনা ভাষার উচ্চারণ প্রায় কাছাকাছি প্রকাশ করা গেলেও তা সীমাবদ্ধতাহীন নয় । এক্ষেত্রে চিনা ভাষার বিশুদ্ধ উচ্চারণ শুনে শেখার বিকল্প নেই । তবে এখানে ব্যবহৃত বাংলা হরফে চিনা উচ্চারণ চিনা ভাষা না জানা পাঠকের জন্য যথেষ্ট সহায়ক হবে । ]
kishor-2

কবি পরিচিতি-২ [৪,৭]

প্রাচীন চিনে থাং রাজত্বকালের আরেক প্রতিভাবান কবি এবং বিতর্কিত রাজনীতিবিদ লি সেন (খৃষ্টপূর্ব ৭৭২ – ৮৪৬) । জন্ম বর্তমান দক্ষিণ চিনের জো চিয়াং প্রদেশের হু চৌ শহরে । শিশুকাল থেকেই মেধার স্বাক্ষর রাখা কবি ২৭ বছর বয়সে কেন্দ্রীয় সরকারের তৎকালীন “সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায়” মেধাতালিকায় প্রথম সারিতে স্থান করে নেন । অসাধারণ জ্ঞান গরিমায় স্বয়ং সম্রাটের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সান্নিধ্য লাভ করে তিনি রাজনীতির উচ্চপদও আরোহন করেন। তাঁর ঘটনাবহুল কর্মজীবনে তিনি সমসাময়িক আরও দুই বিখ্যাত কবি ইউয়েন জেন (খৃষ্টপূর্ব 779 – 831) ও পাই চুই ই (খৃষ্টপূর্ব 772 – 846) এর সংস্পর্শ পান । তাঁদের প্রেরণায় লি সেনের অন্যতম কৃতি কর্ম হল সেযুগের সাহিত্য ও কাব্য বিপ্লবে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ । তাঁর রচনাবলীর মধ্যে “অভাগা কৃষক” ছাড়াও “কাব্য সংকলনের নতুন ধারা (乐府新题 lè fǔ xīn tí ল্যো ফু সিন থি)” এবং চার খণ্ডের “থাং কবিতাঞ্জলি (全唐诗 quán táng shī ছুয়েন থাং শৃ)” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । স্পষ্টভাষী এই কবি, রাজনীতিবিদ ৭৪ বছর বয়সে রাজনৈতিক কোন্দল ও অনাকাঙ্ক্ষিত মামলায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁর মরণোত্তর প্রতীকী দণ্ডে দণ্ডিত হন তাঁর বংশধরেরা ।

কবিতার প্রেক্ষাপট-২ [৪,৮]

কোন এক তপ্ত গ্রীষ্মে কবি ছুটি কাটাতে দেশের বাড়ি যান । সেখানে দেখা হয়ে যায় তার এককালের সহপাঠী, সহকর্মী ও কাব্য-মিতা লি ফোং চি এর সাথে । বহুদিন পর পুরনো বন্ধুর সাক্ষাতে আবেগে আপ্লুত, দিশাহারা তারা । ঠিক করলেন একটা দিন একসাথে কাটাবেন । সেদিন এদিক সেদিক ঘুরতে ঘুরতে একসময় বেয়ে উঠলেন শহরের পূর্বে অবস্থিত বিখ্যাত “মাঠ পর্যবেক্ষণ মিনারে” । বিস্তীর্ণ কৃষিজমি আর এতে কৃষিকাজ তদারকির নিমিত্তে স্থাপিত এই সুউচ্চ মিনার থেকে দূরে বহুদূরে চোখ রাখা যায় । মিনারে চড়ে তারা উপভোগ করতে লাগলেন তেপান্তরের ফসলি মাঠ আর তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য । মৌ মৌ মৌ গন্ধে ভেজা দখিনা হাওয়ায় ফসলের ঢেউ, কবি মনে তরঙ্গের শিহরন বইয়ে দেয় । কাব্য-মধু প্রভাবক সেই ক্ষণে লি ফোং চি মনের অজান্তেই স্বতঃস্ফূর্ত হেঁকে ওঠেন দুটি কাব্য পদ। সহজ কথায় যার মর্মার্থ তার মনের গহীনে থাকা উচ্চাভিলাষ— আহা, ক্ষমতার উচ্চপদ আরোহণ যদি এই মিনারে ওঠার মতই এত দ্রুত হতো ! ওদিকে কবি লি সেনের মানস-পট আর দৃষ্টিকোণ সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রবাহে । উপর থেকে তাঁর চোখ পড়ল জমিতে কাজ করা কিছু ক্লান্ত শ্রান্ত কৃষকের পানে । গ্রীষ্মের এই দাবদাহে ভরা দুপুরের চড়া রোদ উপেক্ষা করে তারা আগাছা নিড়ানো আর হালচাষে মত্ত। পরিশ্রমের প্রতি বিন্দু ঘাম ঝর ঝর ঝরে পড়ে মাটিতে, সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করার ফুরসতও যেন তাদের নেই । এই ঘর্ম-সিক্ত কষা মাটিতে একদিন চুপিসারে ফলবে ফসল, জন্ম নেবে আমাদের থালাভরা প্রতি দানা অন্ন । পূর্ণ-উদর বিলাসী বা সচ্ছল আমরা কতজনই বা বুঝব ঐ মেহনতি কৃষকের শ্রমবেদনা! কবি লি সেনের এই উপলব্ধি থেকেই আমরা পাই তাঁর নিম্নোক্ত অমর কবিতা, “অভাগা কৃষক”।

কবিতা, ভাবার্থ ও অনুবাদ-২

《悯农》— 李绅
(অভাগা কৃষক) – লি সেন
Kishor-3

এই কবিতাটিও মাত্র চার লাইনের, প্রতি পদে ৫টি করে মোট ২০টি চিনা অক্ষরে লেখা যা ছন্দ ও মাত্রায় সুমধুর । যেন মনে করিয়ে দেয় আমাদের ছন্দের যাদুকর কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবিতার কথা । প্রায় প্রতিটি স্কুলগামী চিনা শিশুর অবশ্য পাঠ্য এটি, যা হতে পারে শ্রমের মূল্য রচনা বা ভাব সম্প্রসারণ লেখার অপূর্ব উপাদান। আসুন এবার কবিতাটির শব্দার্থ জেনে নেয়া যাক।
kishor-4

kishor-5

তথ্যসূত্র:
[১] https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_languages_by_number_of_native_speakers
[২] 唐诗三百首新译. 中国对外翻译出版公司, 1988.
[৩] Harris, Peter. Three Hundred Tang Poems. Everyman’s Library, 2009.
[৪] http://baike.baidu.com/
[৫] https://en.wikipedia.org/wiki/Li_Bai
[৬] https://en.wikipedia.org/wiki/Quiet_Night_Thought
[৭] https://en.wikipedia.org/wiki/Li_Shen
[৮] http://cn.hujiang.com/new/p474340/

চিত্রসূত্র:
[১] http://image.baidu.com/
[২] https://www.google.com/

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোঃ মজিবুর রহমান — সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ @ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

      কবিতা পড়ার আগে আপনার চীনা ভাষা সম্পর্কিত লেখা গুলো পড়লাম।চীনা ভাষার এই বিখ্যাত কবিতা এবং চীনা ভাষা সম্পর্কে সুন্দর ধারণা দেয়ার জন্য কিশোর বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার অনুবাদটি যথার্থ বলে আমার কাছে মনে হয়েছে, ভবিষ্যতে চীন সম্পর্কে আরও লেখা প্রকাশিত হলে পাঠকরা বেশি উপকৃত হবে, আমি ও আমার পুরান ঢাকার এক বন্ধু যখন বেইজিং পড়ার জন্য যাচ্ছিলাম ২০০৯ সালে,তখন কোন একজন লোক বলেছিল, “চীন গরীব দেশ, ওরা বৌদ্ধ, ওরা নৌকায় থাকে”। কিন্তু যখন আমারা চীনে গেলাম তখন বুঝতে পারলাম চীন কেমন।চীনা মানুষের জীবন যাপন, ভাষা,সংস্কৃতি, ইতিহাস সব কিছু সম্পর্কে আমারা জানতে পারি এবং উপকৃত হতে পারি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কিশোর বিশ্বাস — সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ @ ১০:৪৯ অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, লেখাটি পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত জানানোর জন্যে। আপনি ঠিকই বলেছেন, যারা কখনো চীনে এসে ঘুরে যাননি তাদের একটা বড় অংশের ধারনায় ৬০, ৭০ দশকের চীনকে হয়ত পাওয়া যায়, কিন্তু তার সাথে বাস্তব এবং আধুনিক চীনের আকাশ পাতাল তফাত। “চায়না, বেশি দিন যায়না” বলতে সাধারণ মানুষ যা চেনে তার সাথে আসল চীনের কোন মিল নেই বললেই চলে। সবার মাঝে এই সুন্দর দেশটির প্রকৃত প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতেই তাই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস, আপনাদের পৃষ্ঠপোষকতায় যা আরও উদ্বুদ্ধ হবে বলে আশা রাখি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com