ধূসর বর্ষণমুখর বিকেলে স্বপ্নার প্রত্যাবর্তন

আনিসুজ্জামান | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

anisur.jpgখোকন একটি ম্যাচবাক্স বানিয়েছিল, দুফুট বাই তিনফুট, উইয়ে খাওয়া কাঠের জানালার মরচে পরা শিকগুলোর পিছনে বসে শ্রাবনের এক ধুসর বর্ষণমুখর বিকেলে। যেটিকে হাতে নিয়ে স্কুল ও ৯ বছর বয়সী ছেলেকে যৌনশিক্ষা দেবার অনুমতি দেবার ফর্ম সামনে নিয়ে বহু বছর পর সূদুর ক্যালিফোর্নিয়ার চুলা-ভিস্তায় আরেক বর্ষণমুখর দিনে চুপটি করে বসে থাকবে। প্রজাপতি মার্কা বাক্সটিতে কাঠির সংখ্যা ছয়, ছয়টি ছয় সাইজের। সবচেয়ে লম্বাটার মাথাটা ওটার থেকে অপেক্ষাকৃত খাটোটির চাইতে একটু ছোট। তার পরের চারটি লম্বায় বড়গুলোর চাইতে অনেক খাটো কিন্তু ওগুলোর মাথাগুলো একই আকারের হলেও সবগুলোই লম্বায় আলাদা। ওগুলোকে বলাকা ব্লেডের অর্ধেকটা দিয়ে কেটে বানাচ্ছিল আর দেখছিল মাঝে মাঝে মেঘ ফুঁড়ে আসা সামনের বিস্তীর্ণ মাঠের ওপারে সাততলার উপরে পরা এক ঝলক প্রায় সন্ধ্যের রোদের খেলা যেটি দেখে কাজের মেয়ে রুমা বলেছিল “এউগা বেটা বইয়্যা রইছে হচ্চিমদি” আর ওরা মাসহ তিন ভাইবোন মিলে খুব হেসেছিল তাই নিয়ে কারণ ছোটটির তখনও বোঝার বয়স হয় নি। খুব সম্ভবত ঢাকায় তখন ওটি ছিল সবচেয়ে লম্বা দালানগুলোর মধ্যে একটি আর এর জন্য খোকনের মনের ভিতরে ছিল একধরনের গর্ব। মাঠটির ডানদিকে ছিল একটি লম্বা খালের মত খাঁদ যেটাতে সকালে ময়লা ফেলত আর পানি জমলে কোত্থেকে যেন রাজ্যের ব্যাঙ এসে একটার উপর আরেকটা চড়ে গান জুড়ে দিত, সন্তানকে পিঠে করে বয়ে সাঁতরে বেড়াতে মা ব্যাঙের কোনো কষ্টই হতো না। খাঁদটার অন্যপাশে ছিল সরকারী পশু খামার । ম্যাচ বাক্সটি বানিয়ে একটি কাপড়ে মুড়িয়ে ওর জীবনের সবচেয়ে গোপন জায়গায় রেখে দিয়ে উঠে পরে চিংড়ির গন্ধওয়ালা চালের উপর থেকে পেরে নেওয়া পুঁইশাক ও পাতলা ডাল দিয়ে রেশনের চালের ভাত খেয়ে শুয়ে পরবে বলে। মা ভাত বেড়ে ডাকছে আর দেরি করলে এই কষ্ট করে জোগার করা শেষ হবে কেরোসিন পুড়ে। বাবার তখন বিকেলের শিফট, আসবে সাইকেল চালিয়ে। রাত এগারোটার দিকে যখন ও টের না পেলেও আরও পরে পাশের ঘড়ের অদ্ভুত কিছু শব্দে বুঝবে মা বাবা আবারও ঝগড়া করছে কি নিয়ে যেন। কিন্তু ও কিছু মনে করবে না কারণ পরদিন সকালে দেখতে পাবে মায়ের মুখটা আগের দিনের থেকেও হাস্যোজ্জ্বল।

অমৃত সেই খাবার সময় দরজায় হাক পরে, খোকার মা’গো! মা মাথায় কাপড় দিয়ে দড়জায় গিয়ে বাড়িওলার হাত থেকে বাটিটা নিয়ে ওটিতে ডাল বেড়ে তাকে দিয়ে আসে কারণ খোকার মার ডাল ছাড়া নাকি সে ভাত খেতে পারে না। পরদিন খুব সকালে নুন ও সরষের তেল দিয়ে দাঁত মেজে অনভ্যস্ত রুটি সুজি দিয়ে খেয়ে মাঠটি পেরিয়ে মায়ের হাত ধরে স্কুলে যায় ভর্তি হবে বলে আর মাঠ পেরুনোর সময় গা ছমছম করে সেই কুয়োটার পাশ দিয়ে যেতে যেটিতে কয়েকমাস আগে পাক বাহিনী মুক্তিযোদ্ধা মেরে ফেলে গিয়েছিল আর ওরা দেখতে পেয়েছিল শুধু কুয়ো মুখের দিকে আলো অন্ধকারে দুজোড়া ফুলে ওঠা পায়ের পাতা।

মেথর পল্লীর সাথে লাগানো স্কুলটাতে প্রথম দিনই খুব ভালো লেগে যায় ওর আফতাব স্যারকে যিনি মেরী হ্যাড এ লিটল ল্যাম্ব মুখস্ত না বলতে পারলে বেঞ্চির উপর কান ধরে দাড় করিয়ে রাখবেন কিন্তু মারবেন না অন্যসব শিক্ষকদের মতো কিন্তু সে বা তারাও ভবিষ্যতে তার প্রশ্নের উত্তর দেবে না।

কয়েক মাস পর ও স্কুলে যাচ্ছে মাঠ পেরিয়ে নয়, যাচ্ছে পশু খামারের মধ্য দিয়ে কারণ ওখানে থাকে সেলিম, ওর বন্ধু। চব্বিশটি ম্যাচবাক্স পেরুনোর সময় খোলা ড্রেনের সাথে বৃষ্টির পানি যোগ হয়ে উপচে পড়া গলিতে কয়েকটি ইট ফেলা হলেও ওর পায়ে লেগে গিয়েছে গু। সেলিমদের বাড়িতে চাপাকলে পা ধুয়ে দুজন বেরিয়ে যায় স্কুলের দিকে। হঠাৎ করেই থমকে দাড়ায় ও। নাকের নোলকের মধ্য দিয়ে দড়ি গলিয়ে বাঁধা বিশাল এক ষাড়কে বের করে আনছে এক লোক আর ষাড়টি দ্রুত তিন দিকে কাঠ দিয়ে আটকানো এক গরুর উপর সামনের দুপা তুলে দাড়িয়ে ধরে লাল ধোনটি বের করলে এক লোক দ্রুত হাত বাড়িয়ে এক টিউবের মত থলেতে ঢুকিয়ে নেয় ওটাকে আর পরে ষাড়টিকে আবার খোয়াড়ে ফিরিয়ে দিয়ে খুটোর মতো একটি জিনিস গরুর পাছায় ঢুকায়। সেলিমকে জিজ্ঞস করে জানতে পারে গরুটা অসুস্থ। বাড়ি ফিরে মাকে জিজ্ঞেস করলে সেও একই কথা বললো। কেন যেন খোকনের মনে হয় এর বাইরেও কিছু একটা আছে। দুদিন পর সন্ধ্যায় মা বাইরে বেরিয়েছে বাবাকে ক্যারাম বোর্ডের আড্ডা থেকে তুলে নিতে আর দেখতে পায় উর্ধ্বমুখী এক গরু পাছায় খুটো নিয়ে মাঠ জুড়ে দৌড়াচ্ছে আর তার পিছনে পিছনে ছুটছে উল্লসিত খোকন। মায়ের চিৎকার শুনে খোকন দাড়ায় আর বাবা দৌড়ে কোনরকমে গরুটার পাছা থেকে বের করে খুটোটাকে। কান ধরে বাড়িতে নিয়ে ওকে প্রচন্ড মারে মা, যদিও খোকন ও ভাইবোনগুলো কিছুই বুঝতে পারে না।

শুধুমাত্র জানে যে গরুর পাছায় খুটো ঢুকানোর অধিকার একমাত্র বড়দেরই আছে!

আরও অনেকদিন পেরিয়ে গেছে। ক্লাসে ফার্স্ট হয়েছে সে আর সেলিম সেকেন্ড। বিকেলে মাঝে মাঝে সেলিমের সাথে কাটালেও বেশীরভাগ সময়ই কাটে সমবয়সী পাশের বাসার স্বপ্না ও ওর আরো কিছু বান্ধবীর সাথে। মেয়েগুলো সবসময়ই নিষিদ্ধ কি নিয়ে যেন গল্প করে আর খুব হাসাহাসি করে যেটা ওর আগমনে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জোড় করে একদিন জানতে পারে বড়রা নাকি রাতের অন্ধকারে একজন আরেকজনের উপর উঠে হিকঁড হিকঁড আওয়াজ করে আর এতে নাকি প্রচন্ড আনন্দ পাওয়া যায়। খোকন এক ধাক্কায় স্বপ্নাকে মাটিতে শুইয়ে ওর উপর চড়াও হয়ে হিকঁড হিকঁড আওয়াজ করলে স্বপ্না ছাড়া সবগুলো মেয়ে অট্টহাসির সাথে গড়িয়ে পরে আর স্বপ্না কোনরকম নিজেকে ছাড়িয়ে, `যাহ্, তুই কিছুই বুঝিস না’ বলে কালো মুখ লাল করে ওখান থেকে দৌড়ে সরে যায়।

এরপর অনেকদিন স্বপ্না ওকে এড়িয়ে চলত। স্কুলের এক ছুটির দিনে ভর দুপুরে জানালা দিয়ে খোকন দেখতে পায় স্বপ্না বসে আছে মাঠের মধ্যের একমাত্র খেজুর গাছটির তলার সামান্য ছায়াতে। একা পেয়ে দৌড়ে যায় ওর কাছে আর বসে পরে। একথা ওকথার পর হঠাৎ করেই স্বপ্না ওর দিকে এক অদ্ভুত চোখে তাকায়, আর বলে তোকে আমি ভালবাসি। আমিও তোকে ভালবাসি- খোকন উত্তর দেয়। ওরকম ভালবাসা না- বলে স্বপ্না মাথা নীচু করে। তুই একটা আস্ত গাধা। আর তখনই কেবল স্বপ্নার বুকে প্রথম ওড়না লক্ষ করে ও। কারণ জিজ্ঞেস করলে স্বপ্না বলে ওর বুকে ফোড়া হয়েছে যেমন সব মেয়েরই হয়। খোকন দেখতে চায়। তোরটা আগে দেখা । কী দেখাব প্রশ্ন করে ও। তোর লুঙ্গির নিচেরটা। বসে বসেই লুঙ্গিটা একটু উচু করে কয়েকমাস আগে খৎনা করানো অঙ্গটি দেখাতে খোকনের কোন রকমের কুণ্ঠা না জাগলেও স্বপ্না আড়মোড়া ভাঙবার ভঙ্গিতে ফ্রক উচু করে ওর বুক দুটো দেখানোর পর লজ্জায় মাটিতে মিশে যায়। পরে দুজনে অনেকক্ষণ বসে থাকলেও আর কোন কথা হয় না ওদের। মাঝে আর দুদিন পর স্বপ্নারা সকলে গরমের ছুটিতে বাড়ী চলে যায় আর শুধু কাকা থেকে যায় ঢাকাতে। খোকন বুঝতে পারে ঘটনাটার কথা কাউকে বলা যাবে না, কাউকেই নয়।

স্বগ্নার বাবা, কাকার সঙ্গে বাবা মার খুব ভাব ছিল। কাকা বাসায় একা ঘুমায়, একদিন কাকা ওর সঙ্গে ঘুমাতে বললে মার অনুমতি নিয়ে খোকন ওর সঙ্গে ঘুমাতে যায়, অনেক গল্প করে রাতে কাকা ওর সঙ্গে। নিষিদ্ধ সব গল্প। অনেক প্রশ্ন জমা আছে খোকনের মাথায়। কাকা সবকিছুরই উত্তর দেয়ার এক পর্যায়ে খোকনের হাতে নিজের খাড়া অঙ্গ ধরিয়ে প্রমাণ করে বড়দেরটা ছোটদের চাইতে অনেক বড়। আরো পরে খোকন আধো ঘুমে টের পায় হাতের মধ্যে কাকার শক্ত অঙ্গ আগুপিছু করছে আর হঠাৎ করেই হাতের মধ্যে লাগে সর্দীর মত বিজলা বিজলা কিছু। ও জেগে ওঠে ঘেন্না নিয়ে। কাকা হাতটা ধোয়ানোর সময় ওকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নেয় কাউকে ঘটনাটা না বলার। খোকন শত অনুরোধেও আর কখনও কাকার কাছে ঘুমাতে যায় নি।

আরো কিছুদিন পর, মা গেছে নানীকে দেখতে গ্রামের বাড়ীতে তিনদিনের জন্য। তখন খোকনের প্রিয় দুটি খেলার মধ্যে একটি হচ্ছে মাঠ ভরে দৌড়াতে দৌড়াতে দুহাত ছড়িয়ে হঠাৎ করে শূণ্যে উড়ে সারাটা পৃথিবী অবলোকন করা আর অপরটি হচ্ছে কুস্তি। ও কুস্তি লড়তো মার সঙ্গে, আর বন্ধুদের সঙ্গে। সবচেয়ে বড় প্রতিদন্ধী হচ্ছে রিপন। ওকে হারাতে খুব কষ্ট হতো খোকনের। একদিন দুদিন হেরেও যেত ওর কাছে। এক বিকেলে রিপনের কাছে হারলে মুখ বেজার করে বাড়িতে ফেরে আর সব শুনে রুমা কাপড় খুলে শুধু ছায়া ব্লাউজ পরে খোকনের সঙ্গে কুস্তি আরম্ভ করে। বড় বড় বুকওলা রুমাকে চিৎ করে নীচে ফেলে হারাতে খোকনের কোন কষ্টই হয় না। ছোট ভাইবোনগুলো হাততালি দিয়ে উৎসাহ জানায় ওকে। মা ফিরে এসে কি কি করেছে জিজ্ঞেস করলে মা ওকে মারে আর তাড়িয়ে দেয় রুমাকে। খোকন ও ভাইবোনগুলো কিছুই বুঝতে পারে না।

ফিরে আসে স্বপ্নারা, এতদিন ওর কথা মনে হলেই বুকটা কেমন কেমন জানি করত খোকনের। স্বপ্নার সবচাইতে বড়ভাই হুমায়ুনকে জানায় কথাটা আর বলে স্বপ্নাকে সে বিয়ে করবে। এরই মধ্যে সে জেনেছে রুমার কাছে থেকে যে ভালবাসলে বিয়ে করতে হয়। হুমায়ুন ওকে সাহায্যের আশ্বাস দেয় এক শর্তে। খোকনকে তার সাথে এক রাত ঘুমাতে হবে। স্বপ্নাকে পাবার আশায় খোকন সেটাও মেনে নেয়। মা এসবের কিছুই জানে না আর খোকন কিছুই বুঝতে পারে না।

এর চেয়ে আরও গোপন আরও লজ্জার কিছু হয়তোবা ঘটে থাকবে খোকনের জীবনের প্রান্তিলগ্নে যার কথা কেউ জানবে না, এখনও কাউকে জানানোর মত মানসিক প্রস্তুতি ওর নেই, যা হচ্ছে লজ্জার, ব্যাথার, দুঃস্বপ্নের; চুলা ভিস্তার উজ্জ্বল রোদের নীচে স্ত্রীর ডাক শুনে সম্বিৎ পেয়ে দ্রুত ফর্মটাতে স্বাক্ষর দেবে সে। আর প্রজাপতি হয়ে উড়ে যাবার বাসনায় ম্যাচবাক্সটির তিন নম্বর কাঠিটা মাথা কুটতে থাকবে দেয়ালের গায়।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (4) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রোদেলা — সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ @ ১১:৫৩ অপরাহ্ন

      ভাবনার খোরাক হিসেবে লেখাটি অসাধারন মনে হলো। নস্টালজিক সব বিষয় সত্যি টেনে নিলো শৈশবে। ভবিষ্যতে অারো পড়ার লোভ সামলাতে পারছি না। অভিনন্দন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মিজানুর রহমান — সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭ @ ১১:৫৯ অপরাহ্ন

      খন্ড খন্ড খয়ে যাওয়া শৈশব! সত্যি হারিয়ে গেলাম।
      একটা প্রশ্ন – লেখায় মার্কেসের একটা সুক্ষ মিল অনুভুত হলো, নাকি আমার মনের ভুল? যাই হোক দারুন লেগেছে!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ @ ১১:১১ অপরাহ্ন

      দীর্ঘ যৌগিক বাক্যের এ মুন্সিয়ানা বাংলায় বিরল। আপনাকে অভিনন্দন আনিস ভাই প্রায় প্রত্যেকের হৃদয়ের কাছাকাছি থাকার মতোন একটি গল্প বলতে পারায়। ভালোবাসা জানবেন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন anisuz zaman — সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ @ ৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

      যারা পড়েছেন এবং কমেন্ট করেছেন সব্বাইকে ধন্যবাদ। মার্কেস-এর প্রভাব অবশ্যই থাকবে আজীবন আমার মধ্যে যেমনটি আছে কাজী আনোয়ার হোসেন -এর প্রভাব। আর দীর্ঘ বাক্য সবটাই গাবো। শুভেচ্ছা।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com