গল্প

অতঃপর, তিনি এলেন ছুটির নিমন্ত্রণে

অলভী সরকার | 31 Jul , 2017  

Shilpaguru Safiuddin ahmedবেশ ভোরে আমার ঘুম ভেঙে গেল।

ঘর থেকে বেরিয়ে, লম্বা করিডোর ধরে এগোই, একেবারে শেষ মাথায় গ্রিল দেয়া বারান্দা। এখান থেকে তাকালে হলের মূল দরজা দেখা যায়। গার্ড মামা গেইট খোলেন নি এখনো। অত তাড়াও নেই, দরজা খোলার। গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনেকেই বাড়ি গিয়েছে। আমরা অল্প কজন থেকে গিয়েছি হলে। ছুটি শেষ হলেই মাস্টার্স পরীক্ষা।

সারারাত বৃষ্টি হয়েছে। কেমন শীতের মতো ঠাণ্ডা। গাছের নরম পাতাগুলো ঝকঝক করছে। কামিনী, মধুমঞ্জরী, হাসনাহেনা- চারপাশে বিচিত্র সুঘ্রাণ। দক্ষিণদিকের এই বারান্দায় দাঁড়িয়ে বামে তাকালে পাশাপাশি দুটি নিমগাছ। পাঁচ বছর আগে, যখন হলে প্রথম সিট পাই, তখনও বর্ষাকাল। হল-সুপারকে বলে দুটো দেশি নিমের চারা বুনেছিলাম। ওঁরা অবশ্য বেশ খুশিই হয়েছিলেন। বসতির পুব দিকে নিম গাছ থাকা খুব ভাল এমন কথাও জানলাম সেদিন।
বিশ্বাস-অবিশ্বাস বা অভিজ্ঞতানির্ভর জ্ঞান- এত কিছু ভেবে অবশ্য কিছু করিনি আমি। নেহাত, ইচ্ছে হয়েছিল তাই। এখন গাছ দুটো তিনতলার চেয়েও উঁচু। আমার হাতে লাগানো গাছ, আমার চেয়ে বড় হয়ে গেল!
এমন হয় অবশ্য।
গাছেরও হয়; এমনকী মানুষেরও…

এইসব কল্পনাবিলাসের সময় এখন নেই।
থিসিসের এক গাদা কাজ জমে আছে। মিনিট পাঁচেক বারান্দায় দাঁড়িয়ে ঘরে ফিরে আসি।

জুনের ১০ পর্যন্ত ছুটি। এদিকে বৃষ্টি চলছেই। প্রয়োজন ছাড়া বের হই না ঘর থেকে। এনে রাখি মুড়ি, চিড়া, বিস্কুট, যাতে পেটে টান পড়লেও খুব কষ্ট না হয়। থাকার ঘরটি, খুব বড় নয়, তবে আমার জন্য পর্যাপ্ত। বইয়ের তাক, ছোট্ট দেয়াল-আলমারি আর বিছানা, পড়ার টেবিল ইত্যাদি এঁটে গিয়েও বেশ খানিকটা জায়গা থেকে যায়।
দোতলায় ঘর। রোদের তীব্র আলো আসে না বললেই চলে, তবে ভাগ্য প্রসন্ন বলতে হয়। জানালার পাশে হলের মাঠ, দুপুর অবধি তাই মৃদুমন্দ আলোর আনাগোনা চলে এ ঘরে।

হাত-মুখ ধুয়ে, বৈদ্যুতিক কেতলিতে চায়ের পানি চাপাই। এরকম সময়গুলোতে, নিজেকে আমার রীতিমতো উপন্যাসের চরিত্র মনে হয়। খালি পেটে চা খাবো না বলে বিস্কুটের টিনটা নামাতে চেষ্টা করি। তাকের ওপর রেখেছিলাম। এখন দেখছি নেই। এদিক-ওদিক খুঁজতেই দেখি, আমার বিছানার পাশে মেঝেতে রাখা। এক মুহূর্ত কপালে ভাঁজ পড়ে আমার। নিজেই নিজের ওপর বিরক্ত হই। কাজের চাপ আমাকে অগোছালো করে দিচ্ছে!

যা হোক, সবকিছু গুছিয়ে চায়ে চুমুক দেব, ঠিক তক্ষুনি আমার গতকাল রাতের স্বপ্নের কথা মনে পড়ে। অথচ, রাতে ঘটনাটিকে স্বপ্ন মনে হয়নি!

আরে! আমিও তো কেমন বোকার মতো ভাবছি। ঘুমের ভেতর মানুষ তো স্বপ্নকে সত্যি বলেই ভাবে!

যতটুকু মনে পড়ছে, গত রাতে, একটু দেরি করে বিছানায় গিয়েছি। ঘুম আসতেও দেরি হচ্ছিল। এদিকে, মেঘ ডাকছে। বৃষ্টি নামি নামি করছে বোধহয়। একটু তন্দ্রামতো এসেছে কি আসে নি, খুট খুট আওয়াজ শুনি। নিজের অজান্তেই, হয়তো ভয় কাটানোর জন্য, বলি- “কে?”

কোনও আওয়াজ নেই। মনে সাহস রাখার চেষ্টা করি।
ইঁদুর-টিদুর হবে। মোবাইল ফোনের আলো জ্বালাই। খুব ভীত আর রিনরিনে গলায় কেউ বলে ওঠে, “আপা, লাইট দিয়েন না।”
এইবার রীতিমতো আমার হার্টফেল করার অবস্থা। চিৎকার প্রায় বেরিয়ে যাচ্ছিল গলা দিয়ে। কিন্তু, কোনও শব্দই বেরোতে চায় না। তবু, নারীর গলার আওয়াজ বলে একটু স্বস্তি পাই। দু চারবার ঢোঁক গিলে ধীরে ধীরে বলি, কে আপনি?
– আপা, আমার নাম মরিয়ম। কাইলাকইর থিকা আসছি।
বুঝলাম, শব্দটি কালিয়াকৈর। বাংলাদেশের জায়গার নামগুলো বড়ো সুন্দর। একবার ট্রেনে যাচ্ছি- ঢাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গ। দেখি, একটা স্টেশনের নাম “গুণবতী”। দেখলেই মনটা কেমন ভালো হয়ে যায়।
যা হোক, কালিয়াকৈর থেকে এই রাতদুপুরে মেয়েটা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে, বিশেষত আমার ঘরে কেন এসেছে, সেই রহস্যটা বোঝার চেষ্টা করি। অন্ধকারে ওর চেহারাটা দেখতে পাচ্ছি না। তবে অবয়ব বোঝা যাচ্ছে। শুকনো মতন, মাঝারি উচ্চতার এক নারী। গলার স্বরে অনুমান করতে পারি, বয়সে তরুণী।
– এইখানে কী করেন আপনি?
– খাইতে আসছি আপা, খিদা লাগছে।
খুবই নড়বড়ে যুক্তি! তবু, আমি কেমন মনে মনে একটা কাল্পনিক গল্প ফেঁদে ফেললাম। এই মেয়েটা হয়তো হলে কাজ করে, নতুন এসেছে বলে আমি চিনি না, বা কারও সাথে এসেছে। অত্যন্ত গরীব। ক্ষুধা পেয়েছে। যে ঘরে মানুষের অস্তিত্ব পেয়েছে, সেখানে এসেছে। হয়তো, সবকিছু ও ভালমত চেনে না। হলের ভেতর পথ হারিয়ে ফেলেছে।
কিন্তু, ও তো আমাকে ডাকতে পারত। চুপি চুপি, চোরের মতো! আমার কেমন একটা রাগও হল।
– আপনি অন্ধকারে, লুকিয়ে লুকিয়ে এসেছেন কেন? দরজা ঠক ঠক করলে পারতেন।
তখনই হঠাৎ আমার মনে পড়ে যায়, আমি কি ছিটকিনি লাগাতে ভুলে গিয়েছিলাম?
– আপা, দরজা তো খুলাই আছিল।
– ও (হতেও পারে…) । আমাকে ডাকেন নাই কেন?
– ঘুম ভাঙলে আপনে যদি রাগ করেন! আমার খাইতে বেশি সময় লাগত না…
– (আহা, বুদ্ধির বলিহারি) জানেন কীভাবে, আমার ঘরে খাবার আছে?
– তাকাইলেই তো দ্যাখা যায়।
ঘর অন্ধকার। তাকালে দেখা যায়- মানে কী?
মনে হল, ওর কণ্ঠে একটা লজ্জা লজ্জা ভাব… । তবু, আমি বেশ বিরক্ত হলাম। ক্ষুধা পেলে তো আমাকে এসে বললেই পারে! চোরের মতো ঘরে ঢুকে… আশ্চর্য! কালই এর একটা বিহিত করতে হয়। নিরাপত্তা বলে আর কিছু নেই দেখছি!!

আবার ভাবছি, মেয়েটি পাগল নয় তো? একবার শুনেছিলাম বটে, অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছিল একটি মেয়ের, বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশেই থাকে। কিন্তু, তারপরই, মেয়েটি কেমন পাগল হয়ে গেল। শুধু হেঁটে বেড়ায়। বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলে। ওর নাম অবশ্য আমি জানি না!
– কালিয়াকৈরে, কই থাকেন আপনি?
– বাসস্ট্যান্ডের পাশেই থাকি আপা।
– পরিবারে আর কে কে আছে?
– আমি, আম্মা, আব্বা, দুইডা ছোট ভাই। আব্বায় হাঁটতে পারে না। এক ভাই ভ্যানে কাম করে, আরেকটায় গার্মেন্টসে। আমি চা বেচি।
আজব ব্যাপার! মেয়েটা উপার্জন করে। পরিবারের তিনজন উপার্জনক্ষম। ও আমার ঘরে খেতে এসেছে কেন?
– আপনি কালিয়াকৈর থেকে এইখানে এসেছেন কেন? এখানে কেউ থাকে আপনার?
– কেউ থাকে না আপা। ঘুরতে ঘুরতে চইলা আইলাম।
আহা, বড়ই শক্ত যুক্তি!- মনে মনে ভাবি।
– তা বেশ। কোথায় চা বেচেন আপনি?
– বাসস্ট্যান্ডে, আপা। কাইলাকইর বাসস্ট্যান্ড। চা, সিগারেট, বনরুটি আর টোশ বিস্কুট। (বুঝলাম, টোস্ট বিস্কুট)
– তারপর? (খানিকটা অন্যমনস্কভাবে জিজ্ঞাসা করি…) হলে ঢুকলেন কীভাবে? কখন এসেছেন আপনি?
– অনেকক্ষণ হইছে আপা। সকালবেলা বাইর হইছি, রাস্তা খালি, আমার এক হাতে চায়ের ফেলাকস্, আরক হাতে বিস্কুটের ডিব্বা, রুটির প্যাকেট। দুই হাত আটকা তো, হাত দেখাইতে পারি নাই। খালি রাস্তা, এত জোরে ট্রাক আইছে, আমি কিছুই বুঝতে পারি নাই, খালি দেহি শরীলের নিচে ভাইস্যা যায়। আল্লা গো আল্লা… ডাইল-ভাত খাইয়া থাকি, তাও আমার শরীলে এত রক্ত!! তাও তো গেল মাসে মাথা ঘুইরা পইড়া গেলাম। ডাক্তার কয়, আপনার শরীলে রক্ত নাই, দুধ খান, ডিম খান। আপা, আমি হইলাম গরীব মানুষ, দুধের সের আশি টেকা। দুধ না কিন্যা, দুই সের চাইল কিনি। কামে দেয়।
এক নিঃশ্বাসে অনেকগুলো কথা বলে যায় মেয়েটি। কিন্তু এবার আমি রীতিমতো চমকে উঠি। প্রায় উঠে বসি বিছানায়।
– ট্রাক মানে, তুমি ট্রাকের নিচে পড়েছো? বেঁচে আছো কীভাবে?

কখন “আপনি” থেকে “তুমি”তে নেমে এসেছি, বুঝতে পারিনি। কিন্তু জবাবে, মেয়েটি এক রহস্যময় হাসি হাসে কেবল।

– হাসছো কেন? ট্রাকের নিচে পড়লে কেউ বেঁচে যায়, এই প্রথম দেখলাম!

– সকাল থিকা কিছু খাই নাই তো আপা। খালি মাথা ঘুরে। আপনে ঘুমান আপা…

কিছু ভাবতে পারছি না। এত বড় দুর্ঘটনা। হাসপাতালে না গিয়ে মেয়েটি এখানে কেন? মাথা তো ঘুরবেই! আমি ওকে বিস্কুটের টিনটা দেখিয়ে দেই। মুখেও বলি, “তাকের ওপর থেকে নাও”।
বেশ কিছুক্ষণ অন্ধকারে থেকে, আমিও যেন খানিকটা দেখতে শুরু করেছি। মনে হল , একটা বিস্কুট তুলে নিল মেয়েটি।

– আর কিছু খাবে?

কিছু না বলেই চলে যেতে শুরু করে মেয়েটি। ডাকি না, আমি তখনও ভাবছি।
দরজার কাছাকাছি গিয়ে, আবার পেছন ঘোরে ও।

– কিছু বলবে?
– আপা, আমার তো ট্রাকের নিচে ফেলাকস্ও ভাইঙ্গা গেছে। চা-ও বেচতে পারি না। আপনের কাম-কাজ থাকলে বইলেন।

আমি আধশোয়া হয়ে ঘাড় নাড়ি। মুখে বলি, “আচ্ছা বলবো।”

মেয়েটি চলে যায়। কখন আবার ঘুমিয়ে পড়েছি, নিজেই জানি না।

রাতের এই স্বপ্নটা মনে পড়তেই, আমার কেমন অস্বস্তি হচ্ছে।
কিন্তু, স্বপ্ন ছিল কি? বিস্তারিত মনে আছে! এতক্ষণে তো অনেক অংশই ভুলে যাওয়ার কথা! অন্তত, অন্যান্য দিন তাই হয়। আর, স্বপ্নটাও কেমন আজব। আমি কি মরিয়ম নামের কাউকে চিনি? হ্যাঁ, ছোটবেলায়, এই নামে একজনকে চিনতাম। কিন্তু তিনি তো চা বিক্রি করতেন না।
আবার, যে মেয়েটিকে আমি ক্যাম্পাসে চা বিক্রি করতে দেখি, তার নাম মরিয়ম নয়। আর, ওর বাবা তো বেঁচেই নেই। স্বপ্নের মেয়েটি ট্রাকের নিচে পড়লো কেন? এমন কাউকে কি আমি চিনতাম?

ঋতুপর্ণ ঘোষের “বাড়িওয়ালি” চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ছে। ছবির মূল চরিত্রের নাম বনলতা। বনলতার স্বপ্নগুলো খুব অদ্ভুত ছিল। বলা যায়, বিভিন্ন ঘটনা ও তথ্যের কোলাজ।
গতরাতের স্বপ্নটিও এমন কিছু ছিল নাকি?

হতে পারে। আবার, নাও হতে পারে। এসব নিয়ে ভাবতে পারছি না। দিনের কাজকর্ম শুরু করা যাক। রাতের স্বপ্ন নিয়ে দিনের বেলাও ভাববো- এতটা সময় নষ্ট করা অন্তত মধ্যবিত্তের পোষায় না।

এতক্ষণে হলের পত্রিকা চলে আসার কথা। চায়ের কাপ রেখে আমি পেপার-রুমের দিকে যাই। আসলে এটি টেলিভিশন দেখার ঘর। একপাশে, দশ-বারটি কাঠের স্ট্যান্ডে, ক্লিপ দিয়ে আটকানো পত্রিকা। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পত্রিকা পড়তে খুব যে ভাল লাগে, তা নয়। তবু, এটাই নিয়ম। কথায় বলে, দশে করে যে কর্ম, না করলে হয় অধর্ম। কিংবা, “যস্মিন দেশে যদাচার”। পত্রিকা পড়ার নিয়ম-কানুনের জন্য হয়তো নয়, তবে অনেক ক্ষেত্রেই, কেবল সংখ্যায় বেড়ে ওঠা, বা দীর্ঘদিন ধরে কোনোকিছু চলছে মানেই সেই নিয়মটা ভালো- এটা সব ক্ষেত্রে ঠিক নয়।

অন্য সময় হলে, যে পত্রিকাটির সামনে দাঁড়ানোর জায়গা পেতাম না, এখন সেটি ফাঁকা। প্রথম পাতায় খুব বড় বড় করে বাজেট বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের মতামত। একপাশে খেলার খবর। দুই পাতা উল্টালে, সারা দেশের টুকরো টুকরো খবর পাওয়া যায়- “যৌতুকের চাপে গৃহবধূর আত্মত্যা”, “শিশুদের খাওয়ানো হল কৃমিনাশক”, “বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি”, “তিস্তা পানিচুক্তি নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক”…।

বামদিকের নিচের অংশে ছোট্ট সংবাদ-

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়, ট্রাক চাপায় মরিয়ম বেগম (২৫) নামে এক তরুণী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মরিয়ম ফুটপাতে চা বিক্রি করতেন। সকাল ৮টার দিকে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে রাখা হয়েছে। এখনও ট্রাকটি আটক করা যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

পত্রিকাটা বন্ধ করে আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকি, স্থির, একা…
Flag Counter


6 Responses

  1. শিমুল সালাহ্উদ্দিন says:

    গল্পটা ভালো হয়েছে অলভী সরকার। আপনার আরো গল্প পড়তে চাই। লিখুন।

  2. শামীম খান says:

    পরিচ্ছন্ন গল্প । গোড়াতে পরিণতি সম্পর্কে আন্দাজ করা যাচ্ছিল না । শুধু একটি আকর্ষণ টেনে নিয়ে চলছিল । সবলীল লেখা । শুভকামনা রইল ।

  3. Shawon says:

    Nice writing….keep it up

  4. এই প্লটের গল্প অনেক পড়েছি। খুবই গতানুগতিক।

  5. রোদেলা says:

    হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেল মনে হলো। আরও ডিটেলস পাবো ভবিষ্যতে। শুভ কামানা।

  6. উষাতন চাকমা says:

    গল্প পড়া শুরু করলে ঘটনার পরবর্তী অবস্থা জানার কৌতুহল বা আকর্ষনের কারণে শেষ না করে পারা যায় না- গল্পটিতে এরকম আকর্ষণ ছিল। গল্পের ঘটনাক্রম নতুন না হলেও উপস্থাপনা এবং মিশ্রণ/বর্ণনা ভালো হয়েছে, তাই লেখা ভালো হয়েছে। সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে মন্তব্য করলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.