ভ্রমণ

রবিনসন ক্রুসোর গ্রামে

sumon_k | 25 Oct , 2007  

crusoe-hotel-wiki.jpg
লোয়ার লারগো হারবারে ক্রুসো হোটেল

কিছুদিন ধরে যেখানে থাকছি ‘রবিনসন ক্রুসোর গ্রাম’ সেখান থেকে মাত্র শ দেড়েক মাইল সেটা জানার পর থেকেই মনটা অস্থির লাগছিল। তাই লিভেন যাওয়ার মওকা হতেই আর দেরি করিনি। এক সহকর্মী তার বন্ধুর পুরনো গাড়িটা কিনতে যাবেন জেনে ঝুলে পড়লাম তার সাথে।

সাগরতীরের লিভেনের বাসিন্দা বন্ধুটির রেস্তোরাঁর ব্যবসা। চমৎকার, স্কটিশ হলেও প্রায়-বাঙালিসুলভ সংসারি এক বউকে নিয়ে তার সুখের ঘর। অনেক দিন ধরেই দাওয়াত ছিল এ দম্পতিরও। অন্তত কিছু মহৎপ্রাণ বিশ্বাস করবেন সে ভরসা রেখেই দাবি করা যায়, স্বর্ণকেশীর দাওয়াত কবুল করার চেয়ে রবিনসন ক্রুসোর টানটাই এ ক্ষেত্রে ছিল প্রবলতর।

গ্রামের নামে উর্ধ্বকমার একটা ব্যাখ্যা গোড়াতেই দেওয়া প্রয়োজন। গ্রামটা আসলে আলেকজান্ডার সেলকার্ক নামে এক নাবিকের জন্মস্থান যিনি কিনা ড্যানিয়েল ডিফোর অমর কাহিনী রবিনসন ক্রুসোর পেছনের অনুপ্রেরণা। লোয়ার লারগো অনেকের কাছেই পরিচিত মূলত রবিনসন ক্রুসোর জন্যই।

স্কটল্যান্ডের পূর্ব উপকূলের ‘কিংডম অব ফাইফ’-এ রয়েছে দেশটির সবচেয়ে নয়নাভিরাম গ্রাম আর শহরগুলোর কয়েকটি। আর ফাইফের সাগর-ঘেঁষা ইস্ট নিউক হচ্ছে খুবই ইতিহাসমৃদ্ধ এক জায়গা। এ এলাকারই এক রিসর্ট ভিলেজ লোয়ার লারগো। অর্থাৎ কিনা পর্যটক এলাকা। কিন্তু মোটের ওপর নিরিবিলি।

লারগো উপসাগরের তীরের এ ছবির মতো জনপদটি অতীতে বহুদিন ধরেই পরিচিত ছিল এক রমরমা জেলেপল্লী হিসেবে। মাছ ধরার জাল আর বয়নশিল্পের জন্য সুনাম ছিল জায়গাটার। মেইন স্ট্রিটের পাশেই ছোট হারবারটি অবশ্য এখন শুধু স্মৃতিই। একসময় হেরিংশিকারী জেলেনৌকায় গিজগিজ করলেও এখন তা প্রায় পরিত্যক্ত।

১৮৫৬ সালে রেললাইন যাওয়ার পর টুরিস্টদের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে চমৎকার বেলাভূমির জন্য বিখ্যাত লোয়ার লারগো।

brmn_sk_03.jpg
ড্যানিয়েল ডিফোর দ্য লাইফ অ্যান্ড সারপ্রাইজিং অ্যাডভেঞ্চারস্ অব রবিনসন ক্রুসো উপন্যাসের প্রথম সংস্করণের (১৭১৯) পৃষ্ঠা।

লেখক ড্যানিয়েল ডিফো ঠিক প্রায় ৩শ বছর আগে ১৭০৬ সালে বেড়াতে গিয়েছিলেন গ্রামটিতে। লোয়ার লারগোর দুঃসাহসী কিন্তু ভাগ্য বিড়ম্বিত জাহাজী আলেকজান্ডার সেলকার্কের নাটকীয় কাহিনী শুনেই তিনি লেখেন ‘দ্য লাইফ অ্যান্ড সারপ্রাইজিং অ্যাডভেঞ্চারস্ অব রবিনসন ক্রুসো’।

সেলকার্ককে জাহাজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হলে চিলির জনমানবহীন হুয়ান ফার্নান্দেজ দ্বীপে তিনি একা একা আটকা পড়ে ছিলেন দীর্ঘ চারটি বছর। বলা হয়, জলদস্যুদের গোলার ঘায়ে জাহাজের অবস্থা রীতিমত সঙ্গীন হয়ে উঠলে নিজেই নেমে যান সেলকার্ক। অনেকে নিষেধ করলেও শোনেননি। তবে না ডুবলেও দিনকয়েক পরই প্রতিদ্বন্দ্বী স্প্যানিশদের হাতে পড়ে চরম নাকাল হতে হয় সেলকার্কের ছেড়ে আসা জাহাজের লোকজনকে।

brmn_sk_04.jpg…….
উপন্যাসে ব্যবহৃত ক্রসো আইল্যান্ডের ছবি-ম্যাপ
…….
যাই হোক লিভেন পৌছার পর সামাজিকতার পালা দ্রুতই সেরে ছুতো করে বেরিয়ে পড়লাম একা। দুই বন্ধু তখন গাড়ির আগাপাশতলা জরিপে ব্যস্ত। লোয়ার লারগোতে সম্ভবত লোকাল বাসেও যাওয়া যায় এখান থেকে। কিন্তু মাত্রই মাইলখানেক দূর বলে হেঁটেই যাবো বলে ঠিক করি। আমার আস্তানা ইউনিয়ন স্ট্রিট (?) থেকে ১০ মিনিটের হাঁটা দূরত্বেই সৈকত। সেখানে নোটিশ বোর্ডে লেখা এলাকার পর্যটন বিষয়ক দরকারি তথ্য। সৈকত ঘেঁষে বেশ কয়েক মাইল ওয়াকওয়ের কথাটা জানলাম সেখান থেকেই। ফাইফ কোস্টাল ওয়ে গোছের একটা নামও আছে তার।

সাগর সৈকত ঘেঁষে সরু বাধানো ওয়াকওয়ে। দুপাশে ঘন ঘাসজমি। অনিবার্যভাবেই কক্সবাজারের মনোরম কিন্তু অবহেলিত সৈকতের কথা মনে পড়ে গেল। উন্নয়নের নামে বাণিজ্যের সর্বগ্রাসী থাবার কথাটা ভেবে অবশ্য দু:খটা দীর্ঘস্থায়ী হয়না। কিছু হয়না হয়না করেও এরই মধ্যে দৃষ্টিপথ আগলে যে পরিমাণ ইটের পাজা মাথা চাড়া দিয়েছে কক্সবাজার সৈকতের দম আটকে!

‘খান্দানি খেলা’ গলফ্রের কথিত জন্মস্থান সেন্ট অ্যান্ড্রুজ খুব কাছেই। শুনেছিলাম গল্ফ কোর্সের ছড়াছড়ি আশেপাশে। স্থানীয়রা ছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যটকের কাছে তা এক বড় আকর্ষণ। সাগরতীর ধরে কিছুদুর হাঁটতেই চোখে পড়লোও একটি। খেলোয়াড়ের চেয়ে অবশ্য মাঠ পরিচর্যাকারীর সংখ্যাই তখন বেশি। কোর্সের পাশ ঘেঁষে আর একটু এগোতেই ঘাসের মধ্যে চকচকে সাদা গোল জিনিসটা দেখে বুকটা ধক্ করে উঠেছিল। না ,আশেপাশে উড়ে বেড়ানো অগুণতি সীগাল বা অন্য পাখির ডিমটিম নয়, জিনিসটা একটি আদি অকৃত্রিম গলফ বল। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে কাঠের খুঁটি দিয়ে মার্কা দেওয়া সীমানা পেরিয়ে ঠাঁই নিয়েছে বুক সমান উঁচু ঘাসের বনে। গলফের জন্মস্থানের প্রায় দূয়ারে দাঁড়িয়ে এমন পড়ে পাওয়া স্যুভেনিরে শিশুসুলভ হঠাৎ-খুশিতে ভরে গেল মন।

brmn_sk_02.jpg…….
লোয়ার লারগোতে আলেকজান্ডার সেলকার্কের মূর্তি
…….

চলতে চলতেই ফুরিয়ে গেল পাকা পথ। আবার সামনে কোথাও শুরু হয়েছে নিশ্চয়ই। সৈকত বেশিরকম ভাঙাচোরা বলেই বোধহয় এ অংশটায় ক্ষান্ত দিয়েছে পর্যটন বিভাগ। নেমে এলাম বালুকাবেলায়। হরেক গড়ন আর বরণের শামুক-ঝিনুক আর শৈবাল বিছানো আর দশটা সৈকতের মতোই বেলাভূমি। একটু পরই কিন্তু বিচিত্র সব পাথরের স্তুপ দেখে থামতে বাধ্য হলাম। অনেকটা সেন্টমার্টিনের প্রবাল পাথরের মতো, কিন্তু কতগুলো বেশ বড় আর বিচিত্র আকৃতির। নির্জন সেই সৈকতে চির-মেঘলা স্কটিশ আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে অদ্ভুত এক অনুভূতি হচ্ছিল। সৈকতের শেষে যেখান থেকে ঘরবাড়ি শুরু হয়েছে সেখানে আবার অন্য কিসিমের পাথরের মেলা। বালির মধ্যে কমবেশি প্রোথিত সেইসব প্রাচীন পাথরের গায়ে বিচিত্র রঙের খেলা। ভূ-তত্ত্ব না জানলেও বোধহয় বলা যায় ওই নানান রঙের পরতগুলো বয়স আর ভেতরকার উপকরণেরই ইঙ্গিতবাহী।

দুটো বাড়ির মধ্য দিয়ে উঠে এলাম গ্রামের রাস্তায়। সরু পথের দুপাশে টিপিক্যাল ছোটো ছোটো কটেজ। কোন কোনো বাড়ি বেশ উজ্জল রঙের। মানুষজন পথে নেই বললেই চলে। রাস্তায় নামা লোকদের বেশির ভাগই আমার মতো ট্যুরিস্ট।

রবিনসন ক্রুসো হোটেলটা চোখে পড়লো যদ্দুর মনে পড়ে, গাঁয়ের পোতাশ্রয়ের কাছে একটা মোড় ঘুরতেই। উনিশ শতকে শস্যগুদাম হিসেবে ব্যবহার হওয়া পুরনো দালানটি এখন রবিনসন ক্রুসো হোটেল। নামের আকর্ষণেই পায়ে পায়ে এগিয়ে গেলাম। ভাবে মনে হচ্ছিল গ্রামের সবচেয়ে দামি হোটেল। হোটেল চত্বরে রয়েছে নানান স্থানের দূরত্ব নির্দেশক একটি কাঠের খুঁটি। তাতে ঠিকই জ্বলজ্বল করছে হুয়ান ফার্নান্দেজ! এখান থেকে কয় হাজার মাইল তা অবশ্য মনে পড়ছে না এতদিন পর। ক্রুসো হোটেল, হুয়ান ফার্নান্দেজ – ভ্রমণটা রীতিমতো ক্রুসোময় হয়ে উঠছে!

ঘরবাড়ির ফাঁক দিয়ে মাঝে-মাঝে উকিঁ দিচ্ছিল সাগর। এই সাগর, বেলাভূমি তো নয়ই; এমনকি অনেক দিক থেকেই গ্রামটিও গত দেড়-দু’শ বছরে খুব বেশি বদলেছে মনে হয়না। তারপরও আমার কয়েকশ হাতের মধ্যেই সাগরে ঝাপিঁয়ে পড়ছে ডানপিটেমিতে গ্রামের মানুষের হাড়কালা করা কিশোর আলেকজান্ডার সেলকার্ক, কিংবা বাবার পিটুনি থেকে বাঁচতে গা ঢাকা দিচ্ছে বন্ধুর বাবার মাছ ধরার নৌকায়-বিস্তর চেষ্টা করেও সেই ছবিটি দাঁড়াচ্ছিল না। কল্পনাশক্তির নিদারুণ অভাব, না আধুনিক জেলেপল্লীর পাব থেকে ভেসে আসা ব্রিটনি স্পিয়ার্স কোনটা বেশি দায়ী তা অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা গেল না।

গ্রামে বড় রাস্তা একটাই । আর রবিনসন ক্রুসোর বাড়ি সেই মেইন স্ট্রিটেই। দুয়েকজনকে জিজ্ঞেস করে খুঁজে বের করতে দেরি হলো না। তবে কল্পনার সঙ্গে মিলটি কমই দেখা গেল। আশেপাশে ওরকম পুরনো কটেজ আছে অনেকগুলোই। তফাতটা শুধু এই- এখানে আর কেউ থাকেনা। নিচতলাটি সম্ভবত পেরেক গেঁথে বন্ধ। কাচের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখা গেল শুধু ডাই হয়ে থাকা ধুলো-ময়লা। বাড়িটা যখন আছে দূর সম্পর্কের হলেও তাতে বংশধরদের কেউ না কেউ থাকবে এরকম একটা ক্ষীণ আশা ছিল। হুট্ করেই আসা বলে খোঁজ-খবরও নেওয়া হয়নি!

বলা দরকার এখনকার ঘরটা সেলকার্কেরও সময়কার নয়। কিন্তু ঠিক এই ভিটেতেই একটা ছনে ছাওয়া কটেজে ১৬৭৬ সালে জন্ম তার।

বাড়ির সামনে ছাদের উচ্চতায় একটা কুলুঙ্গিমত জায়গায় সেলকার্কের মূর্তিটা অবশ্য শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে দেয়না। সতৃষ্ণ নয়নে জাহাজের সন্ধানে তাকিয়ে থাকা চামড়ার শতচ্ছিন্ন পোশাকের ধাতব সেলকার্ক লোয়ার লারগোকে মুহূর্তের মধ্যে সত্যিই রবিনসন ক্রুসোর গ্রাম বানিয়ে দেয়।

এত কাছে এসে বাড়িটার ব্যাপারে আর একটু খোঁজ-খবর না নিয়ে যেতে মন চাইছিল না। উল্টো দিকের দু’একটা ঘর পরই বাগান পরিচর্যারত এক লোককে ধরলাম। তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো অনেক কিছুই। সত্যি বলতে কি, গোটা গ্রামে তার চেয়ে আর কাজের কেউ হতো কিনা সন্দেহ।

দুনিয়ার আরেক মাথায় চিলির সেই হুয়ান ফার্নান্দেজ পর্যন্ত তাড়া করেছেন ভদ্রলোক! পেশায় শিল্পী লোকটি এক গবেষককে নিয়ে গিয়েছিলেন সেখানে। হুয়ান ফার্নান্দেজের মানুষ তাদের যে খাতির-যত্ন করেছিলেন তার সঙ্গে বাঙালি জামাই আদরেরই তুলনা চলে বোধহয়। সেলকার্কের দেশের মানুষ বলে কথা! দ্বীপে যাওয়ার সময় নৌকাতেই শুরু হয় ভুরিভোজ। স্থানীয় ওয়াইন সহযোগে দুর্দান্ত লবস্টারের একটা ডিশের কথা বলে যেভাবে আঙুলে চুমু খেলেন ভদ্রলোক তাতে এতক্ষণ চুপ মেরে থাকা ক্ষিদেটা চাড়া দিয়ে উঠলো।

এখনো নির্জন সেই দ্বীপ এবং সেখানে যাওয়ার পথের সৌন্দর্যের যে বর্ণনা দিলেন শিল্পী ভদ্রলোক তা এক কথায় স্বর্গীয়। এখনো (অন্তত বছর কয়েক আগে পর্যন্ত নিশ্চিত) টেলিভিশন নামক অত্যাচারটি সেখানে পৌঁছায়নি। নিতান্ত নি:সঙ্গ সেলকার্ককে দম আটকে মেরে ফেলার আয়োজন করেছিল যে বিচ্ছিন্নতা,স্বজন-সান্নিধ্যে থাকায় তা এখনো আশীর্বাদই হুয়ান ফার্নান্দেজের মানুষের কাছে। হুয়ান ফার্নান্দেজ দ্বীপের কাছেই সাগরের অতল থেকে পুরনো সোনাদানা তুলে আনার খবর দেখালেন শিল্পী একটি পুরনো খবরের কাগজে। তাকে বলা হয়েছে রবিনসন ক্রুসো ট্রেজার!

একটা খবরে অবশ্য একটু খারাপই লাগলো। সেলকার্কের জীবিত ঘনিষ্ট বংশধরদের একজন এখন গ্লাসগো কি এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামান্য পরিচ্ছন্নতাকর্মী! পশ্চিমে সত্যিকার অর্থেই প্রতিষ্ঠিত শ্রমের মর্যাদার কথাটা মাথায় থাকলেও খবরটা একটা ধাক্কার মতোই লাগে।

সেলকার্কের উত্তরসূরীদের সঙ্গে মোলাকাতের মধ্য দিয়ে সফর সাঙ্গ করার ইচ্ছে ছিল আগে থেকেই। কাজেই ঢুকে পড়া গেলো কাছের পাবটাতে। গুলতানি থামিয়ে সাদর স্বাগত জানালেন শুড়িঅলা আর জনা তিনচার আড্ডাবাজ বুড়ো। বেলা কেবল পড়তির দিকে। অন্ধকার ঘন না হলে তরুণদের দেখা মিলবে না। কিন্তু এলাকার গল্প শোনার জন্য তো দরকার গাঁওবুড়োই! সেরকম একজনের সঙ্গে জমেও গেলো। জানা গেলো তার বংশে সবাই জাহাজী। নিজে ডাঙায় ফিরেছেন বছর পনেরো হলো। কলকাতা, সিঙ্গাপুর, মধ্যপ্রাচ্যসহ পূর্বদেশের বন্দরে বন্দরে বহুবার ভিড়েছেন। এই লোকের সঙ্গে জমে উঠতে দেরি হলো না। ঘটনা বছর দুই আগের। সে গল্প আরেকদিনের জন্য থাক।

ঢাকা, অক্টোবর ২০০৭

—–

লেখকের আর্টস প্রোফাইল: সুমন কায়সার
ইমেইল: sumonkaiser@gmail.com


ফেসবুক লিংক । আর্টস :: Arts

free counters


2 Responses

  1. সঞ্জয় চাকী says:

    ভ্রমণকাহিনী সব সময়ই ভালো লাগে। ভালো লাগছে। আরো লেখা চাই। ‘সে গল্প আরেকদিনের জন্য থাক’ কেন? না, আজই এমন আবদার করতে ইচ্ছে করছে। লেখকের পরিচিতি জানা থাকলে তাতে অন্যরকম আনন্দ । জানতে চাই, কোন সুমন কায়সার? তার আর কী খবর?

  2. রবিন কস্তা says:

    খুব ভাল লাগল। আরও চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.