গল্প

বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম

আনোয়ার শাহাদাত | 25 Oct , 2007  

bichikola-1.jpg

দু’পক্ষের ঝগড়া তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে বাংলামটরের মোড়ে যখন কিনা সেখানে রাস্তা পারাপারের জন্যে আটকে পড়া লোক জনের ভিড় জমে যায় কেননা দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সোনারগাঁ হোটেলের দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে যাওয়ার জন্য তের মিনিট একতিরিশ সেকেন্ড দাঁড় করিয়ে রাখে এবং তারই ফলে তখন সেই ভিড় জমে যদিও সেই ভিড়ের কোনো আগ্রহ থাকে না পুষ্পধাম নামক দোকানের সামনে বাংলা মটরের কোনো এক কোনায় একজন কলা ও আপেল বিক্রেতার ভিন্নমত, আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক, এমনকি যাকে ঝগড়াও বলা যেতে পারে তার প্রতি এবং সেই ঝগড়া বা বিবাদ বা যাই বলা হোকনা কেন তা চলা কালে অর্থাৎ ঝগড়া চলা কালে যখন কিনা কলা আপেলকে বলে : ‘আরে বেডা বড় কতা কয়, তোমারে চিনি না, চিনমু না কেয়া?’ কি কথার প্রসঙ্গে কলাওয়ালা ওই কথা বলে। তা খুব স্পষ্ট নয় তবে কলার ওই ক্ষোভমিশ্রিত কথার উত্তরে আপেলও অনুরূপ চড়া গলায় আবার প্রশ্ন করে, কি চেনো আহ্ ? কি চেনো ? কলা এবার তার প্রতি-উত্তরে বলে তুমি ক্যালা বেচ্তা, ক্যালা; কলাওয়ালা একথাটা বলবার পর এক সেকেন্ডের পচিশ ভাগের সাত ভাগ সময় বিরতি নেয় বা তার কথা বলার যথা ভঙ্গীতে ওইরকম যৎসামান্য সময় বিরতি পড়ে এবং তারপর বলে, ক্যালার মুহে আবার বড় কতা! কলাওয়ালার ওই কথায় তখন বোঝা যায় ‘ক্যালা বেচ্তা’ তথ্য আপেলের আভিজাত্যে ও উচ্চ শ্রেণিতে সামান্য হলেও সম্ভবত, হয়তো সম্ভবতই অথবা সত্যই আঘাত করে, আরো বোঝা যায় যে সেই আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় শ্রাবণ মাসের উচ্চ জলীয়বাষ্প সমেত গরমে যে গরম কিনা সল্প জলীয়বাষ্পের মরু অঞ্চলের কোনো জ্যাকুয্যি নির্মিত সুইমিং পুলের মধ্যে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট বুদবুদ থেকে সরবরাহকৃত হট স্টিমে ভিজে যাওয়ার মতো ঘাম আপেলওয়ালার গলা, গাল ও কপালে জমে যায় মনে হয়, রাগে, ক্ষোভে যে উপসর্গই হোক তা সত্ত্বেও ভলতেয়ার তত্ত্ব অর্থাৎ এখানে মত প্রকাশের অধিকার তত্ত্ব সক্রিয় থাকে, আপেল সেই জ্যাকুয্যির হট স্টিমের মতো ঘাম নিয়ে প্রতিউত্তর করে, কোথায় কি আর কোথায় কি? কলা সম্ভবত এ কথার গূঢ়ার্থ ধরতে পারে না সেরকম বুঝতে পেরে আপেল আবারও তার সাড়া গায়ে সেই ঘাম নিয়ে আরো পরিষ্কার করে বলে কোথায় রাজ-রানী আর ‘কোথায় বুড়া-চুতমারানি?’ এখন এই পরিষ্কার ইঙ্গিত কলার কাছে স্পষ্ট হয় এবং সে তার উত্তরে এবারে বলে, আরে মেয়া ক্যালা; হ্যাও আবার বীচিকেলা, আইট্যা কেলা, আইট্যা কলাওয়ালার সাধ্যমত তার ভাষা প্রয়োগের সকল মেধাই ব্যবহার করা হয় তা বোঝা যায়, এবং এর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া দেখলে স্বভাবতই আরো বোঝা যায় যে আপেল আহত হয় ওই বিচি সহ কলা বিক্রির কথা উল্লেখ করায় যা কিনা তার কাছে হয়তো অপবাদ অথবা অপমানের কিংবা অমর্যাদার বা এইরকমই কিছু। অথচ বিবাদ ও প্রকাশভঙ্গীর এইজাতীয় তথ্যভিত্তিক ভাষ্য বিনিময়ের মধ্যে আপেলওয়ালার কলাবিষয়ক কোনো এক অতীত সম্পর্ক অস্বীকারের ঘটনা ঘটে যার ফলে তার জীবনে একটি সত্য তথ্যের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ইতিহাস বিচ্ছিন্নতা তৈরী হয়, যা অবশ্য মাক্রীয় তাত্ত্বিক বিশ্লেষনে একটা সমষ্টিগত ব্যাখ্যা দাঁড় করানো গেলে তা যেতেই পারে কিন্তু তা ঘটনা বর্ণনায় অত জরুরি নয় বিধায় একথা বলা যায় যে আপেলওয়ালার এই যে ইতিহাস ও সত্য বিচ্ছিন্নতা হয়তো তা ‘সুশীল’ সমাজের চোখে কিনা ‘তাত্ত্বিক’; অবশ্য তা শুধু শুশীল সমাজের কাছে কেনো সমাজের ‘চোখ নাই’র কাছেও তা ‘তাত্ত্বিক’ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে, সেসব বাদ দিলে যা উপরন্তু বোঝা যায় তা হলো যে ওই সব ‘তত্ত্বে’ আপেলওয়ালারা চলে না, অতএব সে হয়তো এই ধরনের অপবাদ শুনে ভেতরে আরো ক্ষুব্দ হয়, শ্রাবণের ঘাম আরো তাকে ভিজিয়ে ফেলে, পাশে রাখা সিলভারের ঘটির পানিতে হাত ডুবিয়ে সে হাত তুলে আনে, সম্ভবত কর্তব্য ও অভ্যাসবশতই সেই আঙ্গুলে লাগা পানি আপেলের উপরে ছড়ায়, এরপর হাত দিয়ে তার ওই ভেজা দু’গাল ও কপালের ঘাম মোছে, তাতে হাত ও আঙ্গুলগুলো আবারও ভিজে যায় ঘামে যেমনটি সিলভার ঘটিতে রাখা পানিতে তার আঙ্গুলগুলো ভিজেছিল, এবারে ঘামে ভেজা সেই আঙ্গুল হতে আগের বারের মতোই আপেলের উপর ছিটায়, আপেল ভিজে যায়, ভিজে যায় জলে ও ঘামে, ঘামে ও জলে।
bichikola-2.jpg
শ্রেণিবৈষম্য তখনো দু’পক্ষের মধ্যে সম্পূর্ণ স্পষ্ট হয়নি বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে; যখন কিনা আপেল ওয়ালা তার ভাদ্র মাসের কপালের ঘাম নির্দেশনা আঙ্গুলে কুড়িয়ে এনে বুড়ো আঙ্গুল সহযোগিতায় ঘামজলবিন্দু ছটায় ছড়ায় আপেলের উপর। কিন্তু শ্রেণিবৈষম্যের প্রকৃত তথ্য ও ঘটনা কিভাবে তত্ত্বের আওতাভুক্ত ও কার্যকরী হয়ে ওঠে সেটা জানা হয়তো জটিল বা খুব জটিল নয়। কলা ও আপেলওয়ালা তাদের এই কথিত বাণিজ্য পসার নিয়ে বসে নিউ ইস্কাটন থেকে আসা রাস্তাটির যে দিকে আমেরিকান কোনো শহর কি কোনো ব্যক্তির কি কোনো ইউনিভার্সিটির নামে নাম বিশ্ববিদ্যালয় ভবন নির্মিত হচ্ছে তার উল্টোদিকের কোনায়, তাকে প্রকৃত অর্থে ফুটপাত বলা যায়না কিন্তু তারপরও তা ফুটপাতই, ফুটপাত ছাড়া বলবার আর কিছু নাই, সেই ফুটপাতে তারা বসা অর্থাৎ কলাওয়ালা ও আপেলওয়ালা, তারা মুখোমুখি দিক করে একে অপরের বিপরীতে, ওভাবে বসবার ফলে তাদের মাঝখানে যতটুকু ফাকা থাকে সেইটুকু ফাকার মধ্যে দিয়ে একজন পথিকের হাঁটবার সুযোগ থাকে কিন্তু সেতো কেবল একটি সত্য কথা কিন্তু বাস্তবে সংখ্যায় সব মিলিয়ে কত যে জন হাঁটে তার কোনো ইয়ত্তা থাকে না, এতসব আদম-সুমার আমাদের অর্থাৎ বাঙ্গালীদের অর্থাৎ বাংলাদেশীদের পোষায় না যে সবকিছুতে জরিপ করতে হবে এবং একটি সংখ্য নিয়ে কষাকষি করতে হবে; কলা বিক্রেতার সামনে তিন ধরনের কলা – শাগর কলা, শবরী কলা, বীচি কলা; বীচিকলাই বা আজকাল এই ঢাকার শহরে কেনো, কে বা কারাই তা খায় ইত্যাদি, তারপরও হয়তো বাণিজ্যিক নিয়মেই বিচিকলার অস্তিত্ব ও বাজারজাত, এরপর থাকে শবরী কলা। শবরী কলার পারিমান শাগর কলার পরিমানের চেয়ে কম, আর শাগর কলা সব মিলিয়ে পৌনে পাঁচ ফালা, হালির হিসাবে উনিশ হালির মতো হবে, শবরী কলা সাড়ে ছয় হালি, আর বীচিকলার পরিমাণ বা সংখ্যা এখানে কোনো ব্যাপার নয়। কলাওয়ালার লুঙ্গি কুচকানো, দলামোচা করে অন্ডকোষের দিকে গুটিয়ে ঠেলে রাখা হয়েছে, গায়ে পায়ে সর্বত্র ভাদ্র মাসের জলীয়বাস্প, ঘাম, কোনো রকম জুতা-স্যান্ডেল বা স্পঞ্জ ছাড়া দু’পায়ের উপর আলগা বসা, বাম হাত হাটুর উপর দিয়ে ঝুলে থাকা, ডান হাত কারণ ছাড়া কলা থেকে কলান্তরে স্পর্শ করতে থাকে বাতিকের মতো; আর আপেলওয়ালার সঙ্গে এর ফাকে ওই বাক-বিতন্ডা হতে থাকে যদি তাকে বাকবিতন্ডা বলা যায়। সেই বাকবিতন্ডা কি কারণে কি দিয়ে শুরু হয় তা জানা যায় না, জানার দরকারও পড়েনা; কলাগুলো বিছানো একটি দৈনিক পত্রিকার প্রথম ও শেষ পাতার উপরে অর্থাৎ ডাবল ডিমাই সাইজের কাগজটা ওই অর্থে উপুর করা, যেখানে প্রথম পাতায় ব্যানার হেডিংএ বাণীর মতো যা ছাপা হয়েছে তার বিষয় ‘বিশাল গণতন্ত্র ও সুশীল সমাজ’ সংশ্লিষ্ট, ওই বানীপ্রধান শিরোনামের ঠিক নিচে ডান দিকে আট ইঞ্চি ছয় ইঞ্চি মাপ সমান একটি ছবিতে একজনকে অথবা কয়েকজনকে দেখা যায়, যদিও সেই ছবিতে থাকা লোক কি লোকদের মুখ দেখা যায়না, একটি সামান্য বীচিকলার কারণে সেই মুখ ঢাকা পড়েছে বা এভাবেও বলা যায় বীচিকলা সেই মুখ ঢেকে দিয়েছে কিন্তু ছবিতে ঢেকে যাওয়া মুখ ও মুখেদের পরিধানের জামাটা দেখা যায়, সে স্পষ্টই দেখা যায়, জামাটার রং সে যাই হোক তা ঘন ও গার রঙ্গের, এবং অবশ্যই তা মরা গরুর চামড়ার মতো মোটা কাপড়ের উপরে সেই রং দেয়া ঘন বর্ষা-বৃক্ষরাজী ধরনের ছাপার জামা, সে ছাপার রং ছাতন গাছের নতুন পাতা ও তার কান্ড তখন যে রং ধরে সেই রঙের মতন, বিভিন্ন দেশে এমনকি যথা গণতান্ত্রিক দেশসমূহ আমেরিকা, বৃটেন, ভারত, ফ্রান্স কি জার্মানের সৈন্য সামন্তরাও ওই রঙেরই পোষাক পড়ে থাকে যেমন সেইসব নিয়ে যে কোনো দেশের মাঝারির চেয়ে একটু নিচের গল্পকার বা কবি বলেন ‘গনতন্ত্রের সেই পোষাক সেই পোষাকের গণতন্ত্র‘ তাতে অবশ্য কোনো দোষ থাকেনা পোষাক ও গনতন্ত্র একসঙ্গেই যায় বা গণতন্ত্র ও পোষাকে প্রায় সর্বদা সমান্তরাল। তো ওই বর্ষা বৃক্ষরাজি তুল্য ছবি সুশীল সমাজের সংবাদপত্রে আসে অর্থৎ ছাপা হয়, সেই সংবাদপত্রের সেই অংশটুকুই কিনা অর্থাৎ ছবিখানার উপরভাগ কলা ঘরানার অবহেলিত গ্রামীন দরিদ্র লোকের কলা বলে পরিচিত সেই বীচি-কলাই সক্ষম হয়, সক্ষম হয় ওইসব পোষাকের বদন কি তোক্মা কি থোত্মা খানা ঢেকে দিতে, যদিও এই তিন ধরনের কলা বিক্রেতার নগদের শ্রেনী-শত্র“ আপেলওয়ালার অবস্থা মোটেই খারাপ বলা যাবে না কলার তুলনায় বরং ধনতন্ত্র, অসাম্যবাদ, অসমাজতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদ জাতীয় যতসব বিপ্লবী ও বিপ্লবী-প্রতি ধারণাসমূহ আছে তা এখানে খুবই স্পষ্ট, সঙ্গে কৌলিন্য চর্চাতো আছেই, যেমন তার অর্থাৎ আপেলওয়ালার পরনের লুঙ্গি দু’হাঁটুর বাটি পর্যন্ত প্রায় ঢাকা-ঢাকা অবস্থা আছে যা কিনা ব্যাখা করলে দাঁড়ায় যে তা আভিজাত্যেরই অংশ হিসাবে অর্থাৎ লুঙ্গি জাতে উঠছে কি উঠতে চাচ্ছে, কলাওয়ালার মতো তা অন্ডকোষ কেন্দ্রিক না হয়ে হাঁটু ও নলার কেন্দ্রিক এবং যা কিনা একদিন হয়তো পাজামা প্যান্টের দিকে যাবে ধনতন্ত্রের অতি সাধারণ নিয়মে, আপেলওয়ালার গায়ের গেঞ্জি খানা ছত্রাকের ফলে নতুন এক ভিন্ন রং ধরলেও কোনো এক কালে সে যে সাদা ছিল তা যে কোনো অনুসন্ধানী চোখ সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারে, সে আলগা পায়ে বসা নয়, পাছার নিচে প্লাস্টিকের জল-চৌকি, অটোবির পাশের রাস্তা থেকে কেনা, দুটো ছোট্র শাজিতে গোটা ক’য়েক করে আপেল সাজানো, একটার রং জাতে লালচে ও অপরটি সবুজাভ, সবুজ জাতের আপেলের পাশে তিনটে নাশপাতি, সেগুলো তুলনায় দেশী ডালিমের চাইতে বেশ বড় রাওয়ালপিন্ডি থেকে করাচী হয়ে এসেছে চোরাচালান নিয়মে ভারতের উপর দিয়ে র‌্যাবি ট্যাগোরের শহরের হয়ে, এছাড়া বেচা-কেনার টাকা রাখবার জন্য আপেলের মানিব্যাগ আছে তা চামড়ার নয় রেক্সিনের, আর কলার টাকা রাখা হয় সেই দলামোচা করে রাখা লুঙ্গির কোচায়। এই হচ্ছে কলা ও আপেলের মধ্যে দৃশ্যত কি অদৃশ্যত প্রাতিষ্ঠানিক তফাৎ যাকে কিনা এস্টাবলিশমেন্টের তফাৎ বলা হলে তা অধিকতর উপোযোগী ধরা হবে রাজনৈতিক পরিভাষায়। পুরোনো কালের মার্ক্সীয় কি একালের গ্রীনস্প্যানীয় সে যে মতেই হিসাব করা হোকনা কেনো এই বাণিজ্যে কলাওয়ালার মূলধন ডলারের হিসাবে এক ডলার ছিয়ানব্বুই সেন্টস্ আর আপেলওয়ালার সর্বমোট মূলধনের পরিমাণ প্রায় ছয় ডলার সাইতিরিশ সেন্টস্ যখন কিনা প্রতি ডলারের সরকার নির্ধারিত মূল্য সত্তুর টাকা সত্তুর পয়সা, এ ছাড়াও আপেলের দুটো শাজি ও সেই শাজিতে কাগজ কাটা থেকে উৎপাদিত খড় ও রেক্সিনের মানিব্যাগ তা বিক্রি-বাট্টার টাকা রাখার জন্য যা কলাওয়ালার নাই এমনকি পুরোনো কাপড়ে বানানো খুতিও না। সম্পত্তি ও মূলধনের এই ব্যবধানের কারনেই এখানে ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার উপসর্গ হয়তো শক্তভাবেই প্রতিফলিত হয়, যা এই রকম : কলার ভেতরে প্রলেতারিয়ানের অনুভূতি ও ক্ষোভ, হয়তো কোনো একদিন তা ওই আপেলের দিকেই যেতে উদগ্রীব, আর আপেলের ভেতরে কলার তুলনায় অধিক অর্থ ও আভিজাত্যের কারণে ভেতরে ভ্রণ হয় এক অহমবোধ জন্ম নেবার ।

এক পর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশের বাঁশিতে ফু’ পড়ে সবুজ বাত্তির ইঙ্গিত হিসেবে যদিও এর আগে কমছে কম ষোলোবার কি কিছু বেশিবার কি কিছু কমবার ওই রকম বাত্তি জ্বলেছে নিভেছে, পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু তাতে পথচারীরা পারাপারের কোনো অধিকার পায়নি যতক্ষণে না পুলিশ তার বাঁশিতে ফু’দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে যে এই হলো পথচারী পারাপারের সবুজ সংকেত, তখন পারাপারি পথচারীদের পেছনে পড়ে থাকে কলা ও আপেলের শ্রেণীবৈষম্য ও দ্বন্দ্ব বা তাকে অন্য ভাষায় যা কিছুই বলা হোক না কেন।

————
আরো লেখা

নরম্যান মেইলার, শেষবার

লেখকের আর্টস প্রোফাইল: আনোয়ার শাহাদাত
ইমেইল: anwar.shahadat@gmail.com

ফেসবুক লিংক । আর্টস :: Arts

free counters


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.