arts.bdnews24.com » 2018 » February

বইমেলায় বিপিএল-এর আরও তিনটি নতুন বই

মারুফ বিল্লাহ তন্ময় | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৩:০৫ অপরাহ্ন


ভাষা ও সাহিত্য সাধনা, ভাষা খণ্ড
মনিরুজ্জামান

ভাষাতত্ত্ব ও সাহিত্য বিষয়ক নির্বাচিত কিছু প্রবন্ধ নিয়ে ২ খণ্ডে ‘ভাষা ও সাহিত্য সাধনা’ প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়ে এই গ্রন্থের সূচনা। প্রথমে ভাষাখণ্ডটি এখানে নিবেদিত হলো।
ঐতিহাসিক, প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক ভাষাতত্ত্বের কয়েকটি প্রসঙ্গ নিয়ে এই বই। তুলনামূলক পুনর্গঠন তত্ত্ব, বানান ও প্রতিবণীকরণ, অভিধান ও ব্যুৎপত্তি প্রভৃতি বিষয় এর প্রথম পর্বের উপজীব্য। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ও কয়েকজন বিশিষ্ট ভাষাবিদ এর দ্বিতীয় পর্বের বিষয়। তৃতীয় পর্বে ভাষার সামাজিক প্রসঙ্গ ও বিবিধ বিষয় অর্থাৎ সমাজ-ভাষা এবং উপভাষার নানা বিষয় নিয়ে এই গ্রন্থের আলোচনা শেষ করা হয়েছে। ভাষাতত্ত্বের ছাত্র ও গবেষকগণের কাছে আমার এই চিন্তাধারার কোনও মূল্য হলে নিজেকে সার্থক বিবেচনা করবো।
লেখাগুলি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। প্রবন্ধগুলো ক্রমবদ্ধ নয়। তবে এসব বিষয়ে আলোচনা আরও বিস্তৃত হতে পারে। যে বিষয়গুলি আলোচনায় আনা সম্ভব হয় নি, সেগুলি বর্তমান কালের গবেষণায় ভবিষ্যতে আরও গভীরতা পাবে আশা করি। আমার আলোচনাগুলি প্রস্তাবনাস্বরূপ মাত্র। যে সময়ের মধ্য দিয়ে ভাষাতত্ত্ব এই দেশে এগিয়ে এসেছে, সেই সময়ের খণ্ডচিত্র মাত্র উদ্বোধিত হয়েছে এখানে।
প্রচ্ছদ: সালেহ মাহমুদ
আইএসবিএন: ৯৭৮-৯৮৪-৯৩০৮৯-১-১
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮৮
মূল্য: ৯৫০ টাকা
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৮ (সম্পূর্ণ…)

২৪০ বছর পর হালেদ সাহেবের বাংলা ভাষার ব্যাকরণের দ্বিতীয় মুদ্রণ

ফয়জুল লতিফ চৌধুরী | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২:০৬ অপরাহ্ন

বাংলাভাষীরা বাংলা ভাষার জন্য আত্মদান করেছেন, কিন্তু আমরা ভুলে যাইনি যে অবাঙালি বহু পণ্ডিত ও গবেষকরাও এই ভাষাকে তাদের মেধা ও মনন দিয়ে ভালো বেসেছিলেন এবং এই ভাষার গদ্যরূপ ও ব্যাকরণ নির্মাণে রেখেছিলেন অসামান্য অবদান। বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচিত হয়েছিল কোনো বাঙালির হাতে নয়, হয়েছিল এক জ্ঞানদীপ্ত ইংরেজ পণ্ডিতের হাতে ১৭৭৮ সালে, তার নাম নাথানিয়েল ব্রাসলি হালেদ। তিনিই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচয়িতা বলে যেমন আমরা গৌরববোধ করি, তেমনি আমরা বাংলাদেশিরা আজ এ কারণেও গৌরববোধ করতে পারি যে সেই ঐতিহাসিক বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে দীর্ঘ ২৪০ বছর পর স্বনামধন্য প্রাবন্ধিক ও গবেষক ফয়জুল লতিফ চৌধুরীর সম্পাদনায় এবারের বইমেলায়। প্রকাশনার ২৪০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেছে জার্নিম্যান বুকস প্রকাশনী। সম্পাদকের পরিশ্রমী ও গবেষণালব্ধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাটি প্রকাশ করা হলো বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকম-এর পাঠকদের জন্য। বি.স.

নাথানিয়েল ব্রাসি হালেদ
[১৭৫১-১৮৩০]


প্রচ্ছদ চিত্র: A Grammar Of The Bengal Language

বাংলা ভাষার ব্যাকরণের প্রথম গ্রন্থটি ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়েছিল। এর লেখক একজন ব্রিটিশ–নাম নাথানিয়েল ব্রাসি হালেদ (১৭৫১-১৮৩০)। ইংরেজিতে লিখিত এই ব্যাকরণ গ্রন্থের প্রচ্ছদনাম দেয়া হয়েছিলর A Grammar Of The Bengal Language। মূলতঃ ইংরেজিতে লিখিত হলেও এতে বাংলায় লেখা অনেক অক্ষর, শব্দ, বাক্য, পদ্যাংশ ও শ্লোক বাংলা হরফেই মুদ্রিত হয়েছিল ; কয়েকটি স্থানে কিছু ফারসি লিপিও ছিল।
হালেদ সাহেব লিখিত A Grammar Of The Bengal Language সম্পর্কে দু’টি বিষয়ে পাঠকের কৌতূহল থাকা স্বাভাবিক। প্রথম প্রশ্নটি হতে পারে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচনা করতে গিয়ে হালেদ কী লিখেছিলেন। দ্বিতীয় প্রশ্নটি হতে পারে সেই থেকে বিগত প্রায় আড়াই শত বৎসরে বাংলা ব্যাকরণের কীরূপ পরিবর্তন হয়েছে। (সম্পূর্ণ…)

এই মেলায় বিপিএল-এর নতুন বই

মারুফ বিল্লাহ তন্ময় | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৭:৪৫ অপরাহ্ন

border=0
বিতর্ক: মাতৃভাষায় বিজ্ঞান
সম্পাদক: রাজু আলাউদ্দিন, ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী

বাংলায় বিজ্ঞানবিষয়ক লেখালেখির একটি অভিনব অভিঘাত হলো ব্লগ। কিছুটা প্রমিতকরণের অভাব থাকলেও দেখা যায় তরুণ ব্লগাররা পরিভাষার সমস্যাকে সুন্দরভাবে পাশ কাটিয়ে তরতর করে বিজ্ঞান সাহিত্য লিখে চলেছেন। অনলাইন ব্লগের সূত্র ধরেই একটি পুরনো বিতর্ক আবার শোনা যাচ্ছে। সেটা হলো বাংলা ভাষা বিজ্ঞানের জন্য আদৌ উপযোগী কিনা।
সেই প্রসঙ্গেই এই সংকলন। এতে পূর্বোক্ত মূল লেখাগুলির পাশাপাশি ঠাঁই পেয়েছে এই সংক্রান্ত অনতিপ্রাচীন ভাবনাগুচ্ছের এক অসামান্য সংকলন। কুদরাত-ই-খুদা, আবদুল্লাহ আল-মুতী, মুহাম্মদ ইব্রাহীম, এ. এম. হারুন-অর-রশীদ, জহুরুল হক, আলী আসগর, মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতো বিজ্ঞানীদের ভাবনা-চিন্তা। রয়েছে ইতিহাসবিদ শরদিন্দু শেখর রায়ের চমৎকার ঐতিহ্য বয়ান। ইতিহাসের অক্ষুন্ন বয়ান রক্ষার্থে সংযোজিত হয়েছে সত্যেন বসু ও প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের লেখাও। এই সংকলনের প্রতিটি রচনা তাই যেন হিরণ্যগর্ভ-থার্ড মিলেনিয়ামের ব্লগীয় সংস্কৃতির তরুণ থেকে শুরু করে গত শতাব্দীর প্রথম মুসলিম ডক্টরেটের বিজ্ঞানের ভাষাচিন্তা। আধুনিক বাংলাভাষী পাঠকের জন্য এই সংকলনটি নতুন চিন্তার খোরাক দেবে। (সম্পূর্ণ…)

তিমিরে তারানা পাঠ: মুগ্ধতার বাইরে থেকে

কাজী নাসির মামুন | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৭:১৮ অপরাহ্ন

border=0কোনো শিল্পসৃষ্টিরই একাকী অর্থ হয় না। কেননা ব্যক্তির প্রেক্ষিতে কোনো শিল্পকর্মই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। পূর্ববর্তী বা মৃত শিল্পস্রষ্টার কর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়েই নতুন সৃষ্টির মূল্যায়ন হয়। টি এস এলিয়ট প্রায় এমনটাই বলেছেন। সে ক্ষেত্রে কবিতার অভিনবত্বের ধারণা শুধু সেকেলে নয়, অকার্যকরও। তবে পূর্ববর্তী কবিদের পারম্পর্য বজায় রেখেই একজন কবি নিজের কবিতায় স্বতন্ত্র হয়ে ওঠেন। সোহেল হাসান গালিবের তিমিরে তারানা কাব্যগ্রন্থটি পড়তে পড়তে এ কথাগুলো মনে হয়েছে আমার। আরও একটা কথা ভাবনায় এসেছে। অভিনবত্বের উচ্চাভিলাষ পরিত্যাগ করলেই এ যুগের সচেতন পাঠক কবিতায় ভিন্নতার সূত্রটি আবিষ্কার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন পাঠের অভিনিবেশ আর শিল্পচেতনার একপেশে রুচি পরিহার করা। অর্থাৎ কবিতার ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের সঙ্গে নিজের রুচি মেলানো এবং পাঠকসত্তার বিকাশ সাধন। কেননা পাঠকের কাব্যরুচিও সংস্কারে বাঁধা পড়ে। এসব বলবার কারণ হলো, আমার অভিজ্ঞতায় যতদূর বুঝেছি উচ্চ প্রশংসা অথবা অতি নিন্দার বাহারি কথাবার্তা ছাড়া সাম্প্রতিক কালে কাব্য সমালোচনার অন্য কোনো ধারা চোখে পড়ছে না। যে-কোনো শিল্পকর্মকে আমরা মুগ্ধতা থেকে গ্রহণ করি। এমন কি ‘অতি নিন্দা’র যে-প্রসঙ্গটি আমি টেনেছি সেটিও নেতিবাচক মুগ্ধতার মনস্তাত্ত্বিক প্রকাশ বলে আমার ধারণা। কোনো সৃষ্টিকর্মকে ক্রিটিক্যালি গ্রহণ করবার দরকার আছে। যার অর্থ হলো মননশীলতার চোখ দিয়ে ওই সৃষ্টিকর্মের বৈশিষ্ট্য নিরূপন, প্রায়োগিক ত্রুটিগুলো নজরে আনা। ব্যক্তিগত ভালো লাগা মন্দ লাগার আবেশ ছড়ানো নয়। আবার শৈল্পিক ত্রুটির খোঁজখবর দেওয়া মানে নিন্দা করা নয়। ত্রুটি মাত্রাতিরিক্ত বোধ হলে সমালোচকের কি এমন দায় পড়ে গ্রন্থালোচনা করার? দায় পড়ে যদি নিন্দাই উদ্দেশ্য হয়। এই ক্ষতিকর প্রবণতা এড়াবার উপায় হলো শিল্পের চলমান আবহে কেবল যে-গ্রন্থটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হবে সেই গ্রন্থটিই আলোচনায় তুলে আনা। এ ক্ষেত্রে ত্রুটি চিহ্নিত হলেও উদ্দেশ্য থাকে মূল্যায়ন। নিন্দা নয়। শিল্পভাষায় একে বরং নাম দেওয়া যায় ‘ক্রিটিক্যাল রেমিডি’। (সম্পূর্ণ…)

অগ্নিপুরুষের অগ্নিকাল

এমরান কবির | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৬:৫৫ অপরাহ্ন

border=0জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামালের অগ্নিপুরুষ উপন্যাসখানি অগ্নিকন্যা উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্ব। অগ্নিকন্যা উপন্যাসটি যেখানে শেষ হয়েছিল ঠিক তার পর থেকে অগ্নিপুরুষ শুরু। অগ্নিকন্যা শেষ হয়েছিল বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তখন ছয়দফা নিয়ে অগ্নিকন্যার প্রধান চরিত্র মতিয়া চৌধুরির ভাবনা ছিল কেমন। তা দিয়েই উপন্যাসের শেষ। পাঠকের জ্ঞাতার্থে শেষ অংশটুকু পুনঃপ্রবেশ হতে পারে– ছয় দফা প্রকাশ হবার সাথে সাথে পূর্ব পাকিস্তানীদের আত্মার দাবী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। মতিয়া বুঝতে পারছেন এটাই স্বাধীনতার মূল ইশতেহার। ছয়দফা ক্রমাগত পরিণত হবে একদফায়। দৈনিক সংবাদে হেডলাইনের সংবাদটি পড়েই তিনি নিজের ঘরে গিয়ে বসলেন। গভীর মনোযোগ দিয়ে পত্রিকার প্রতিবেদনটি আবার পড়লেন। মনে মনে বললেন ক্যাম্পাসে যেতে হবে। আলেচানা করতে হবে ছয়দফা নিয়ে। বসতে হবে ছাত্রনেতাদের সাথে। গড়ে তুলতে হবে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন। (সম্পূর্ণ…)

রুবাইয়াৎ সিমিনের কবিতা

রুবাইয়াৎ সিমিন | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৫৪ অপরাহ্ন



ত্রাসের সাদা বিস্ময়কে কাটিয়ে ঊষর দ্বীপে খুঁজে পেয়েছিলাম ফেরাউনের চাবির গোছা।
বিপন্ন জীবনের ভবিষ্যত সংগ্রহের অটুট উৎসুক প্রাপ্তিকে সন্মূখ-সাক্ষী প্রদক্ষিণ করে পার করা
আরোও কিছু সময়। মুহূর্তের বিপরীতে যুগ-যুগান্তরের ব্যপ্তি নয়;
বরং সত্যিকারের যুগান্তরের ব্যপ্তিকে পার করে সবুজ পাতায় ছলকে যাওয়া আলোর সরলতায়
কৌতুহলী মনে তুলে নিয়েছিলাম চাবির গোছা। সকল সন্মিলিত হৃদস্পন্দনের অস্ফুট আওয়াজ
হুঙ্কারের তীব্রতা নিয়ে প্রতীক্ষা করেছিল কুলকুল ধারা বেয়ে শারীরের মৃত্যুর।
পরাবাস্তব অনুভূতির স্যাঁতসেঁতে জলাভূমিতে অপ্রতিরোধ্য আলোর বন্যা ক্রমশ দখল করে
নিয়েছিল অন্ধকারের রাজ্য। মস্তিস্কের ধূষর কোষে একেঁবেঁকে চলা দূর দিগন্ত
অযাচিত রূপসুধার দৃষ্টিবাণ হেনে জানিয়েছিল স্বাগত।
প্রাণহীন উষর প্রান্তে স্বীয় সত্ত্বার মুক্তির দাবীতে ধবমান ভবিষ্যত প্রজন্ম –
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেখার প্রয়োজনে জীবনস্মৃতির দুর্বিষহ বন্দিত্ব থেকে মুক্ত করে নিজেকে।
একই পথ বেয়ে ফিরে আসা গন্তব্যে মোহনার অনাদিকাল বয়ে চলাকে স্পর্শ করে ক্লেদ মুক্ত
শরীর হয় মরণ নেশায় ব্যাকুল। অতঃপর স্বপ্নরাজ্যের ঘোরে বিপন্ন জীবন
খোঁড়ল থেকে কেবল জানান দেয় স্বীয় অস্তিত্বের।
সঞ্চিত অভিজ্ঞতার সম্মোহনী ভাষায় বহূবর্ণী তলদেশে ভাসতে থাকে অভিভূত জীবনের মিতালী। (সম্পূর্ণ…)

মানুষ যদি এতই ধর্মপ্রবণ হয়ে থাকে তাহলে এত দুর্নীতি, ঘুষ, ধর্ষণ, লুটপাট কি হতে পারে!

রাজু আলাউদ্দিন | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৫০ অপরাহ্ন

রাজু আলাউদ্দিন: নজরুল নিয়ে আপনি একাধিক লেখা লিখেছেন। এবং আপনার নতুন কিছু পর্যবেক্ষণ আছে যা অন্য কারো লেখায় পাওয়া যায় না।
শামসুজ্জামান খান: তবে নজরুল সম্পর্কে আমার লেখালেখি কিন্তু কম। আমার ইচ্ছা আছে, ভালো করে নজরুলের বিষয়টাকে ধরে লেখালেখি করার। আমার নানা বিষয়ে আগ্রহ। নজরুল-চর্চাটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
রাজু আলাউদ্দিন: তো আপনি নজরুল কোন বিষয়ে লেখার কথা ভাবছেন? কোন বিষয়ে আসলে লেখা উচিত বলে মনে করছেন?
শামসুজ্জামান খান: নজরুলের বাঙালিত্ব নিয়ে কিছুটা লিখেছি। তিনি বাঙালির কবি, এটি আমি বলার চেষ্টা করেছি। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশ প্রধানত বাঙালির বাংলাদেশ। কিন্তু সেই বাঙালি হবে আধুনিক, মানবিক, গণতান্ত্রিক এবং বিশ্বনাগরিকও বটে। এই সবটা মিলিয়ে বাঙালির বাঙালিত্ব। তার জন্য নজরুল সাহিত্য আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। যেমন একই সঙ্গে তিনি মুসলিম ঐতিহ্যের ব্যবহার করেছেন। সনাতন ধর্ম বা হিন্দুধর্মের ব্যবহার করেছেন। সেই সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব-ঐতিহ্যের ব্যবহার করেছেন। এবং বঙালিত্বের ব্যাপারেও তার যে অনুধাবন, সেগুলো এতটাই অসাধারণ, অন্য কোনো লেখকের মধ্যে সেটা প্রায় পাওয়া যায় না। এবং লৌকিক উৎসের নবায়নের ক্ষেত্রে নজরুল কিন্তু খুবই তাৎপর্যপূর্ণ কিছু কাজ করেছেন। সেইদিক নিয়ে আমার আরেকটু খোঁজখবর নেয়ার ইচ্ছা। যেমন গানের ক্ষেত্রেও তিনি আব্বাস উদ্দীনের সঙ্গে গিয়েছিলেন আব্বাস উদ্দীন সাহেবের সেই এলাকায়। সেখানে গিয়ে একটা লোকগীতি তিনি শোনেন। শুনে সেইটারই তিনি যে নবায়ন করলেন– নদীর নাম সুরঞ্জনা– কী অসাধারণ! লোকজ একটা বিষয়কে তিনি নিয়ে এলেন পরিশীলিত আঙ্গিকে, একটি চমৎকার বাংলা গান হিসেবে।
রাজু আলাউদ্দিন: আরেকটি বিষয় নজরুলের সাথে দুর্ভাগ্যজনকভাবে যেটা ঘটেছে, এক হলো, বাঙালি মুসলমান বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছে। এমনকি নাস্তিকতা বা মুরতাদের অভিযোগ এনেছে। এবং উনি সাচ্চা মুসলমান না, ইসলামের সেবক না– এরকম নানা অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠেছে। এমনকি এটাও বলা হয়েছে, আমরা বাংলাদেশে তার সাহিত্যকর্ম যদি নিতেই চাই, তাহলে সেই নেয়াটা যেন মুসলমানিত্বের সাথে নেয়া যায়, সে জন্য এক সময়ে সম্পাদনারও প্রস্তাব এসেছে।
শামসুজ্জামান খান: খণ্ডিত নজরুল। খণ্ডিত নজরুলকে নিতে বলা হয়েছে। এবং তার কাব্যের কিছু অংশ বর্জন করে নজরুলকে গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। এরচে’ অসাহিত্যিক এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য আর হতে পারে না। একজন সাহিত্যিককে তার সমগ্র দিয়েই বুঝতে হবে। এবং নজরুল একজন অসাধারণ বড় মাপের কবি। তিনি দুটি ঐতিহ্যের ব্যাপারে যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, তাতে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, তিনি একজন উদ্ভাবনাময় বড় মাপের কবি। যে কারণে তৎকালীন হিন্দু সম্প্রদায়ের বাঙালি কবিরা কেউ কেউ রবীন্দ্রনাথের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, আপনি নজরুলকে নিয়ে এত কথাবার্তা বলেন কেন! আপনি তাকে কবি বলেইবা এত আনন্দ লাভ করেন কেন! নজরুল এমন কী কবি! তিনি বলেছিলেন, তোমরা ঠিক বোঝ না। আমি যদি নজরুলের মতো এই সময়ে জন্মগ্রহণ করতাম, এবং এই যুগের মুখোমুখি হতাম, আমার কবিতাও এরকমই হতো। এই কারণে নজরুলকে আমি প্রশংসা করি। নজরুল শুধুমাত্র কবি নয়, নজরুল এক মহাকবি। এটা হলো রবীন্দ্রনাথের মূল্যায়ন। (সম্পূর্ণ…)

শহীদ মিনার: চেতনার বাতিঘর

ফরিদ আহমদ দুলাল | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে যে-সৌধ নির্মিত হয়েছে, যে সৌধে প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখে তো বটেই, বিভিন্ন উপলক্ষে বাঙালি মিলিত হয় তা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শহীদ মিনার-এর নকশা সারাদেশেই যে এক তা নয়। বিভিন্ন নকশার শহীদ মিনারের স্থাপত্যে শিল্পীর কী দৃষ্টিভঙ্গি তা আমরা সবাই জানি না; এমন কী কেন্দ্রীয় যে শহীদ মিনার, তার স্থাপত্যে মা ও সন্তানের সমন্বিত উপস্থাপনের যে শিল্পিত উপস্থাপনা, তা-ও বোধকরি বাঙালি মাত্রই অবগত, তা-ও নিশ্চয়ই সঠিক নয়; কিন্তু শহীদ মিনারের চেতনার যে বিষয়টি সে-টি বাঙালি মাত্রই জানেন। অবশ্য এ-ও তো সত্য, বাঙালির এই চেতনার আঙিনা শহীদ মিনার প্রসঙ্গে এক শ্রেণির বাঙালির (?) অবজ্ঞা অথবা কটুক্তি যে আমরা শুনিনি তা কিন্তু নয়; এবং অপ্রিয় হলেও সত্যি সেইসব কটুক্তিকারীদের কখনো আইনের আওতায় এনে দণ্ডিত করা হয়েছে তেমনটি কখনো শুনেছি বলে স্মরণে আসছে না। এ কথা অবশ্যই সত্যি, যারা শহীদ মিনার নিয়ে কটুক্তি করে, তারাও এর চেতনার শক্তি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল; যেমন ওয়াকিবহাল ছিলো পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী। কিন্তু বাঙালির আধুনিক-বিজ্ঞানমনষ্ক-প্রাগ্রসর অংশ নিজেদের চেতনার সাথে শহীদ মিনারের সম্পৃক্তির বিষয়টি কোনোদিন কোনো অবস্থায় বিস্মৃত হননি; যে কারণে বাঙালি তাদের সংকটে-সংগ্রামে-হতাশায়-বঞ্চনায় শহীদ মিনারের শরণাপন্ন হয়ে নিজের ভেতরের চেতনাছুরিটিকে শান দিয়ে নিয়েছে। (সম্পূর্ণ…)

প্রকাশ বিশ্বাসের অনুগল্প: কারাগার

প্রকাশ বিশ্বাস | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৩:১৫ অপরাহ্ন

প্রিজন ভ্যানের কেবিনে কারাগার থেকে আদালতে বয়ে নেয়া বেশ কয়েকজন
বিচারপ্রার্থী লোক। আসামী হিসাবে অপেক্ষাকৃত ছোট শহরের কারাগার থেকে
রাজধানীর আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের মামলার শুনানির তারিখে। এদের
মধ্যে নারী, পুরুষ এমনকি শিশুও রয়েছে।
রাতের শেষভাগ। ফাঁকা রাস্তায় ভ্যানটি চলছে দ্রুত লয়ে। গাড়ির যান্ত্রিক
শব্দ ছাড়া আর কোনো সচল শব্দ নেই। সরু জানালা বেয়ে বাইরে থেকে জ্যোৎস্নার
আলো ঠিকরে পড়ছে গাড়ির ভেতরে।
নতুন জেগে ওঠা নদী চরের ধান কাটা মামলার আসামী তারা। এদের মধ্যে কারো
কারো মুখে বেশ একটা ধারালো ভাব থাকলেও চোখে লেগে রয়েছে রাজ্যের বিষন্নতা।
এ সব লোকজনের মধ্যে অধিকাংশই এ মূহূর্তে বেঞ্চিতে বসে ঘুমে ঢুলছে যেন
মহাকাল থেকে সময় যন্ত্রে চড়ে এরা হঠাৎ জানালা ফুঁড়ে এই ভ্যানের ভেতরে এসে
জালে আটকানো মাছের মতো নিঃসাড় পড়ে আছে।
এদের মধ্যে এক যুবতী নারীর মাছের মতো চোখ, যেহেতু তার চোখের পাতা পড়ছে
না, লেগেও আসছে না। তার চোখ আসলে এমনই যে, যে কোন সময় এই চোখ থেকে
আশপাশের জঙ্গল আর শুকনো লতা পাতায় দাবানল লেগে যেতে পারে। (সম্পূর্ণ…)

তারিক সুজাতের কবিতা: কালের ক্যাসিনো থেকে

তারিক সুজাত | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

শরণার্থী

যে প্রহরে আলোছায়া খুলে দিচ্ছে
আকাশদুয়ার
তুমি কি তখন গভীর ঘুমের অতল থেকে
পাঠিয়েছিলে
স্বপ্নধোয়া সফেদ চাদর;
ঢেউয়ের চূড়ায় ডানা মেলে
ঝাঁকে ঝাঁকে ওড়ে পাখি
মেঘে মেঘে স্রোত উঠেছে
দে দোল দোলায় …
আকাশ জুড়ে নীল বালুচর
শাদা মেঘের বসতবাড়ি
ভাসতে ভাসতে তুমি এলে– এই আঙিনায়
ভাসতে ভাসতে তুমি এলে, দলে দলে
আমরা তখন খুলে দিচ্ছি
পাহাড়ঘেরা সকল সবুজ …
তুমি আমার যমজ-প্রহর
ভেসে আসা শরণার্থী-দিন
যশোর রোডে ফেলে আসা
ভয়ার্ত চোখ, বিবর্ণ মুখ! (সম্পূর্ণ…)

বইমেলায় লেখকদের নতুন বইয়ের খবর-২

মুহিত হাসান | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

২০১৮-র অমর একুশে বইমেলা ইতিমধ্যেই পার করে এসেছে পনেরো দিন। ঢাকার বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া বাংলাদেশের লেখক-পাঠক-প্রকাশকদের এই প্রাণের উৎসব চলবে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই। এই উপলক্ষে কয়েকজন স্বনামখ্যাত লেখকের কাছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের নতুন বইয়ের হালহদিশ। প্রথম কিস্তির পর আজ দ্বিতীয় কিস্তিতে রইলো আরো আটজন বিশিষ্ট সাহিত্যিকের নতুন বইয়ের খবর। তাঁদের বক্তব্য গ্রন্থনা করেছেন মুহিত হাসান।

border=0

মুহম্মদ নূরুল হুদা
কবি-প্রাবন্ধিক

এবারের বইমেলায় আমার বেশ ক’টি বই বেরুচ্ছে বা বেরুবার অপেক্ষায় রয়েছে। বইমেলার শুরুতেই য়ারোয়া বুক কর্নার থেকে প্রকাশ পেয়েছে প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে নিয়ে প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও কবিতার সংকলন দুটি লাল পাখি ও সব্যসাচী । বাংলাদেশ রাইটার্স ফোরাম সংগঠনের প্রকশনা সংস্থা লেখক প্রকাশ থেকে বেরিয়েছে কবিতা লেখার নিয়মকানুন ও কলাকৌশল সংক্রান্ত প্রবন্ধগ্রন্থ কবিতা কৌশল। অন্যধারা থেকে আরেকটি প্রবন্ধের বই এসেছে, এর শিরোনাম কবিতার ভবিষ্যৎ। কবি নজরুল বিষয়ে আমার নতুন পুরনো বেশ কটি প্রবন্ধ এক করে নজরুলের শ্রেষ্ঠত্ব শীর্ষক একটি সংকলন ছেপেছে বাংলাপ্রকাশ। নজরুল বিষয়ে আমার সামগ্রিক ভাবনা একত্রে এই বইটিতে পাওয়া যাবে বলা চলে।
প্রবন্ধ বা গদ্যের বই ছাড়াও এবার একাধিক কাব্যগ্রন্থও প্রকাশ পেয়েছে ও পাবে। অন্বয় প্রকাশন থেকে হুদা-কথা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ বেরিয়েছে। আর পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স থেকে বেরিয়েছে একটি বিশেষ ধরনের কাব্যগ্রন্থ, স্বাধীন জাতির স্বাধীন পিতা। এটি মূলত ৭১টি গীতিকবিতার সমন্বয়ে গঠিত এক গীতিমহাকাব্য, এমন ধারার কাব্যগ্রন্থ অভিনবই বলা যায়। এখানে বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম, মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর উত্থান ও তাঁর হাত ধরে জাতির স্বাধীন হবার আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বইটির মুদ্রণমানও খুব চমৎকার হয়েছে। পাঞ্জেরি থেকে আরো বেরিয়েছে আমার অনুবাদে কবি ইউনুস এমরের কবিতার সংকলন ইউনুস এমরের কবিতা। শ্রাবণ প্রকাশনী থেকে আরেকটি কবিতার বই আসার কথা রয়েছে, সেটি মূলত গত এক বছরে আমার লেখা প্রধান কবিতাগুলোর সংকলন। শিরোনাম, আমিও রোহিঙ্গা শিশু। এখনও বাজারে না এলেও আশা করি দু-একদিনের মধ্যেই বইটি পাওয়া যাবে বইমেলায়। (সম্পূর্ণ…)

‘যখন এসেছিলে, অন্ধকারে’: অভিজাত প্রেম

কুমার চক্রবর্তী | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ৭:২৬ অপরাহ্ন

ফ্রান্সের প্রভাঁস নগরীতে, দ্বাদশ শতাব্দে, অপূর্ণ বাসনাজাত এক বিশেষ ধরনের গীতিকবিতার জন্ম হয়
যার কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল প্রেমের কাব্যময় উদ্ভাসন, যা সভ্যতার ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য
পরিবর্তনের সূচনা করে। প্রাচীনকালেও প্রেমের বেদনাময় গীতি রচিত হয়েছিল, কিন্তু সুখান্বেষণজাত
অভীপ্সা বা দুঃখজাত বিষাদের যে করুণ ছবি এবার ফুটে উঠল তা আগে কখনও ঘটেনি।…
প্রেম যেন এখন হয়ে উঠল সকল নৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিপূর্ণতার ফুলবাগান। আর এই প্রেমের কারণেই
বিনয়ী প্রেমিক যেন হয়ে গেল নিষ্পাপ এবং পবিত্র।

[মধ্যযুগের অবক্ষয়: দ্য ওয়েনিং অফ মিডল এজেস: ইয়োহান হাইজিংজা ]
প্রেমমাত্রই কাম থেকে উদ্ভূত কিন্তু কিছু প্রেমধারণা আছে যা কামকে পরিহার করে, অন্তত আচরণগতভাবে। এই বিষয়টি প্রাচীন নয়জ্জপ্রাচীন গ্রিক, রোমক বা ভারতীয় পুরাণ বা দর্শনে এর নজির দেখা যায় না, বরং সেখানে দেখা মেলে নানা যৌনপ্রতীকের যা কামকেই অগ্রবর্তী করে। ভারতীয় ও গ্রিক, উভয়েরই প্রেমদেবতা কামের ধনুর্ধারী। প্রাচীন ভারতে প্রেমধারণা আসলে কামধারণা। যৌনমিলনের অনেক স্থূলচিন্তা রয়েছে ভারতীয় পুরাণে। বড়ো প্রমাণ গৌরীপট্ট ও শিবলিঙ্গ। এখনও এই প্রতীক ব্যবহৃত হচ্ছে বামাচারী, তান্ত্রিক ও বাউলদের মধ্যে। কাম থেকে মুক্তির জন্য এরা কামকেই ব্যবহার করছে। তাছাড়া যাকে আমরা বলি প্লেটোনিক লাভ তা-ও মূলত কাম থেকে জন্ম নিয়ে একটি অবস্থাকে বোঝায় যা বর্ণিত সিম্পোজিয়াম-এ দাইআতাইমার বাচনে, যদিও মধ্যযুগে এই ধারণাকে নবরূপ দিয়ে তাকে অযৌন রং দেওয়া হয়েছে। প্রেম অবশ্যই কামসংশ্লিষ্ট কিন্তু তা তাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। কামের নদীর পারে সে গড়ে তোলে প্রেমের নন্দনকানন। বাট্রান্ড রাসেল বলেছেন, প্রেম হলো বৃক্ষ যার শিকড় মাটিতে প্রোথিত আর শাখাপ্রশাখাগুলো ছড়িয়ে আছে স্বর্গে। রাসেলের এ কথায় রয়েছে কামবাস্তবতা ও কাম-অবাস্তবতা; প্রেমে কামকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথাই বুঝিয়েছেন রাসেল। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com