আমার প্রথম স্কুল

সনজীদা খাতুন | ২০ december ২০১৩ ৮:২৩ অপরাহ্ন

লীলা নাগ (রায়)দের ‘নারীশিক্ষামন্দির’ আমার প্রথম স্কুল। আমার মা মনে করতেন ছেলেমেয়েদের যত উঁচু ক্লাসে ভর্তি করা যাবে ততই ভালো। তাই আমাকে একবারেই দেওয়া হলো ক্লাস টু-তে। অন্যদের চেয়ে ছোট যেমন, তেমনি বড়ই হাবাগোবা ছিলাম। একদিন দিদিমনি সবাইকে ডেকে বললেন ‘এবারে ঘুমের ক্লাস হবে। সবাই পাঁচমিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বে। চটপট শুয়ে পড়ো।’ অন্যেরা হাসাহাসি করতে থাকলেও, আমি পরম নিষ্ঠার সঙ্গে চোখ বুঁজে থেকে সত্যি সত্যি ঘুমিয়ে পড়লাম। সে কী গভীর ঘুম! (সম্পূর্ণ…)

১৯৭১ : কবি জসীমউদ্দীনের সাক্ষ্য

সলিমুল্লাহ খান | ১৬ december ২০১৩ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

১৯৭১ সালের ছায়া বাংলাদেশের সাহিত্যে কতদূর পর্যন্ত পড়িয়াছে তাহা এখনও পর্যন্ত সঠিক পরিমাপ করা হয় নাই। উদাহরণস্বরূপ কবি জসীমউদ্দীনের কথা পাড়া যায়। এই মহান কবি ১৯৭১ সালেও বাঁচিয়া ছিলেন। সেই বাঁচিয়া থাকার অভিজ্ঞতা সম্বল করিয়া তিনি ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ একটি ক্ষীণকায় কবিতা সংকলনও ছাপাইয়াছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

বীরের ভঙ্গি:ক্যাম্প জীবনের গল্প

কায়সার হক | ১৫ december ২০১৩ ১১:৫৬ অপরাহ্ন

বলা চলে যুদ্ধের সময় ঘটনাচক্রে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অফিসার হিসেবে যোগ দেই। ১৯৭১ সালের মে মাসের শেষের দিকে আমি আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হই। অসাধারণ এক ট্রেন ভ্রমন শেষে কলকাতা পৌঁছে কয়েকজন ঢাকার বন্ধুর দেখা পেয়ে যায় সেখানে। ওরা সেক্টর ৭-এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে জেনে ওদের সঙ্গেই সেখানেই যাব মনস্থির করি। জুনের শুরুর দিকে একদিন সকালে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের রায়গঞ্জ সদরদপ্তরে গিয়ে শুনি যে সেই সন্ধ্যাতেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অফিসার পদের নিয়োগপরীক্ষা হবে সেখানে। নির্বাচিত ক্যাডেটরা প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগপ্রাপ্ত সেনা হিসেবে যুদ্ধে যোগ দেবে। (সম্পূর্ণ…)

করোটিতে বিজয়ের ফুল

শামস হক | ১৫ december ২০১৩ ১১:৫০ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ একটা চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগিয়ে গেলে দখলদার বাহিনী এবং তার দোসররা মরিয়া হয়ে ওঠে। পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে তারা তাদের নীলনক্সা অনুযায়ী বাংলাদেশকে চিরতরে বন্ধ্যা করে রেখে যাবার উদ্দেশ্যে সকল অন্যায়, মানবতার চরম অবমাননায়, মরনকামড় শুরু করে। (সম্পূর্ণ…)

বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা প্রসঙ্গে

ফরিদ আহমদ দুলাল | ১৫ december ২০১৩ ১১:৩৯ অপরাহ্ন

‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই/নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।’ যাদের স্মরণে বাংলাদেশের মানুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার এ পংক্তিটি উচ্চারণ করে, তাঁরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনোৎসর্গকারী অসংখ্য সূর্যসন্তান, বাঙালি যাঁদের ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী’ অভিধায় চিহ্নিত করেছে । (সম্পূর্ণ…)

মুক্তিযুদ্ধের কবিতা

কামরুল হাসান | ১৫ december ২০১৩ ১১:৩৪ অপরাহ্ন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক ঘটনা, কেননা এর মাধ্যমেই জাতি হিসেবে হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা বাঙালিরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের অধিকারী হলো। ইতিহাসের বিভিন্ন কালপর্বে তারা মুক্তির আস্বাদ পেলেও সেসব স্থায়ী হয়নি, বেশিরভাগ সময় কেটেছে পরাধীনতার শৃঙ্খলে। (সম্পূর্ণ…)

শব্দগুলো ফোঁটা ফোঁটা

ঝর্না রহমান | ১৫ december ২০১৩ ১১:২৭ অপরাহ্ন

শকুন ছিলো আকাশ জুড়ে, আকাশ মুড়ে দিয়েছিলো শকুনেরা বিকট পাখায়। ভাগাড়-ঘাঁটা বিদঘুটে দুর্গন্ধ ভরা শকুনগুলো কবরখানার আঁধার মাখা পাখা খুলে মুক্তিসেনার চোখ তুলে খায়। আমার চেনা আঙিনাতেই হায়েনা ছিলো– লালসা লোলজিহ্বা থেকে ঝরছিলো লাল রক্তফোঁটা তুলসীতলায় সন্ধ্যারতির কনেবৌটি কিংবা যুগ্ম মা ও মেয়ের স্বর্ণচুড়ায়। (সম্পূর্ণ…)

শস্যের বর্ণমালা

দুলাল সরকার | ১৫ december ২০১৩ ১১:২৪ অপরাহ্ন

তুমি পড় শস্যের বর্ণমালা-অক্ষরের স্মৃতি
পড় কাতরোক্তি, শেখ রৌদ্রের শোষণ
অভিজাত বৃষ্টির খেদ আকাশের
করতল ফেটে মাটির উৎপন্ন গল্পে (সম্পূর্ণ…)

পূর্বরাগ

বিনয় বর্মন | ১৫ december ২০১৩ ১১:২০ অপরাহ্ন

ভোরের আগেই পুবের আকাশে রক্তবন্যা
পূর্বরাগে অন্তহীন বিষাদের সুর
বাগানের শ্রেষ্ঠ গোলাপগুলো
দুমড়েমুচড়ে গেলো বুটের তলায়
ওরা সূর্যোদয় দেখে যেতে পারলো না
অথচ ওদেরই রক্তে লাল হৃদয়পতাকা (সম্পূর্ণ…)

হীরকখণ্ড

অরাত্রিকা রোজী | ১৫ december ২০১৩ ১১:১৫ অপরাহ্ন

দশমিক শুন্য সাত ক্যারটের দুটো হীরক খণ্ড।
হাতের নাগালে, ছুঁতে পারি, ইচ্ছে হলে ছুঁড়েও ফেলতে পারি! (সম্পূর্ণ…)

স্বাধীনতা সেই প্রাচীন উচ্চারণ

শান্তা মারিয়া | ১৫ december ২০১৩ ১১:০৪ অপরাহ্ন

তিনজন অনার্য পুরুষ
হেঁটে চলেছিল সমতট বেয়ে
সুপ্রাচীন জনপদে তারা অন্বেষণ করে চলে
একটি শব্দ, একটিমাত্র উচ্চারণ, স্বাধীনতা।
এবং কখন যেন শব্দটি একাকার হয়ে যায়
অস্তিত্বের নিবিড় প্রদেশে। (সম্পূর্ণ…)

পালক

মেহেদী হাসান | ১৫ december ২০১৩ ১১:০০ অপরাহ্ন

পাখি! উড়ে চলে, হেঁটে বেড়ায়, গান গায়, খুটে খায়। মুক্ত, অবাধ, স্বাধীন। বাঁধা দেবার কেউ নেই, কারো ভ্রুকুটি পোহাতে হয় না, চোখ রাঙ্গায় না কেউ, নিজেও প্রয়োজনবোধ করে না কাউকে শাসনে রাখার। দেশ-সমাজের গণ্ডি মানে না, দিগন্ত ছাড়া কোন সীমানা নেই। গাছের শাখায় পাতার আড়ালে খড়কুটার ছোট একটা বাসা। কিচির মিচির করতে করতে ডিমের খোলস ফুড়ে বাচ্চারা ফুটে ওঠে, তারপর ধীরে ধীরে পালক গজায়, উড়ে চলে যায় নিজের ঠিকানায়। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com