বেঙ্গল গ্যালারি অব্‌ ফাইন আর্টস্‌

বরেণ্য শিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীর

সৈয়দ ইকবাল | ৭ জুন ২০১৪ ২:৫৪ অপরাহ্ন

border=0প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর নিজে যেমন শৈলিপ্রবণ তেমনি ওনার কাজেও সেটা বিদ্যমান। ৩১শে মে শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় আরেক বরণ্যে ব্যক্তিত্ব বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর প্রধান অতিথি হিসেবে সৈয়দ জাহাঙ্গীরের ৪১ তম একক প্রদর্শনী Of man and earth উদ্বোধন করেন গুলশানে বেঙ্গল লাউনজে। বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন স্থপতি শামসুল ওয়ারেশ। উপস্থাপনায় ছিলেন বেঙ্গল শিল্পালয়ের প্রধান কর্মকর্তা নাহিদ লুভা চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন গ্যালারী ডিরেক্টর নওশীন খায়ের এবং নতুন ব্যাবস্থাপক হেড্রিয়ান ভিয়াজ। অনান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মুনতাসীর মামুন, শিল্পী মাহমুদুল হক, শেখ আফজাল, বিপাশা হায়াতসহ অনেকে। শিল্পী জাহাঙ্গীর আশা ব্যক্ত করেন ৫০তম একক পর্যন্ত করে যাওয়ার। উদ্বোধনকালে বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর বন্ধু সৈয়দ জাহাঙ্গীরের কাজ দেখে আসছি। যতই দিন যাচ্ছে তিনি দেশের, গ্রামের মানুষ আর প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে দিচ্ছেন । (সম্পূর্ণ…)

বিপাশা হায়াতের প্রথম একক: ‘ভ্রমি বিস্ময়ে’

| ২৯ অক্টোবর ২০১১ ৯:২৩ পূর্বাহ্ন

5.jpg
ফান উইথ শ্যাডো, অ্যাক্রেলিক অন ক্যানভাস, ২০১১

ধানমণ্ডির ‘বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ২৫ অক্টোবর ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে শিল্পী বিপাশা হায়াতের প্রদর্শনী ‘ভ্রমি বিস্ময়ে’। চলবে নভেম্বরের ১ তারিখ পর্যন্ত। ১৯৯৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত সাতটি দল-প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে এলেও এটিই শিল্পীর প্রথম একক। ১৯৯৮ সালে শিল্পী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টস থেকে পেইন্টিংয়ে এমএফএ করেছেন। সে হিসাবে একক প্রদর্শনীর জন্য শিল্পী প্রায় এক যুগ সময় নিলেন বলা যেতে পারে। যদিও প্রদর্শনীর বেশির ভাগ ছবিই (সব ছবিই কি?) ২০১১-তে আঁকা।

বেঙ্গল প্রকাশিত প্রদর্শনীপত্রে শিল্পীর পরিচিতি অংশ থেকে জানা গেল তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের জন্য অভিনয় ও নাট্ক লেখার কাজ করে আসছেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণিজয়যাত্রায় অভিনয় করেছেন। তিনি নাটকের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন এবং তার লিখিত নাটকের সংখ্যা প্রায় ৪০টি। প্রদর্শনীপত্রে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম তাঁর ইংরেজি ভাষ্যে জানাচ্ছেন বিপাশার এই একক প্রদর্শনীটি শেষ পর্যন্ত একটি আবিষ্কারের অভিযাত্রা।

প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য:

11.jpgঅভিনেত্রী হিসেবে সমধিক পরিচিত হলেও তিনি চিত্রশিল্পীও বটে। তাঁর ছবির কম্পোজিশন যতটা না বিষয়কে ঘিরে আবর্তিত হয়, তার থেকে বেশি কেন্দ্রীভূত থাকে শিল্পীর মনের গভীরে যে-ভাব রয়েছে তার ওপর। সেজন্যই তাঁর চিত্রকর্ম মনের অন্তর্যাত্রাকে অনুসরণ করে আরেক সূত্র ধরে আসে গাঢ় রঙের ব্যবহার। তাঁর চিত্রকর্মে রঙের ব্যবহার ঘটে স্তরে স্তরে, যা শেষ পর্যন্ত রঙের টেক্সচার হিসেবে আবির্ভূত হয়। তবে তাঁর প্রতিটি কাজই একেকটি ভিন্ন ভাবকে কেন্দ্র করে আবর্তিত ভিন্ন ভিন্ন বোধকে প্রতিফলিত করে। সেদিক থেকে তাঁর প্রদর্শনীর নামকরণ ‘ভ্রমি বিস্ময়ে’ যুক্তিসঙ্গত।

তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯৭১ সালের মার্চে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাঁর মনোজগতে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে উপস্থিত। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি সিরিজ করেছেন, যেখানে হত্যাযজ্ঞ আর রক্তপাতের কারণে তাঁর অন্তরের রক্তক্ষরণ এবং পাশাপাশি বিজয়ের আনন্দ প্রতিফলিত। বর্তমান প্রদর্শনীটি তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনী এবং তাঁর মনের অন্তর্যাত্রা আর আবিষ্কারের কাহিনী। তিনি তাঁর মনকে আবিষ্কারের ব্রত নিয়ে এঁকেছেন একের পর এক ছবি, যা দর্শককে এক অন্তর্যাত্রায় টেনে নিয়ে যাবে।

বিপাশা হায়াতের এই একক ‘যাত্রা’–সপ্তাহব্যাপী এই প্রদর্শনী–বেঙ্গল ও সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সূত্রে ‘আবিষ্কার’, ‘ডিসকভারি’ ও ‘অন্তর্যাত্রা’ হিসাবে দর্শকের কাছে উপস্থাপিত।

————————————————-

প্রদর্শনীর কিছু ছবি
ছবি বড় সাইজে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।

(সম্পূর্ণ…)

চীনাদের বাঘ চিত্রকলা

ব্রাত্য রাইসু | ১৬ আগস্ট ২০০৮ ৬:৫২ অপরাহ্ন

14a.jpg
সন্ন্যাসী ও বাঘেরা, জিয়াও ইয়ান কিং, জলরং, ১১৫ x ২১৫ সেমি., ২০০৩

চীনা রাশিচক্র অনুসারে সারণির তিন নম্বরে থাকা বাঘ ভূমিতে যত প্রাণী আছে তাদের শাসন করবে। (আকাশের প্রাণীদের ভার ড্রাগনদের ওপর ন্যস্ত)। জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, ব্যাঘ্রবর্ষে জন্মগ্রহণের কারণে (১৯১৪, ১৯২৬, ১৯৩৮, ১৯৫০, ১৯৬২, ১৯৭৪, ১৯৮৬ বা ১৯৯৮) জাতক সাহসী, আশাবাদী, সহিষ্ণু, tcp1.jpg মানবিক, দয়ালু ও আত্মনির্ভরশীল হবে। এরা পাবে দীর্ঘ জীবন। আর অন্যদের নির্দেশ দেওয়ার জন্যেই ব্যাঘ্রজাতকদের জন্ম, মানার জন্য নয়।

চীনা বাঘ উদ্যম, সাহস, আত্মমর্যাদা ইত্যাদি পুরুষালী উদ্দীপনা নিয়ে শিল্পকলায় হাজির রয়েছে। বাঘকে চীনে ‘পাহাড়ের রাজা’ হিসাবেও গণ্য করা হয়। লোকবিশ্বাস, বাঘ অপদেবতা থেকে রক্ষা করবে। সে কারণে বাড়িতে ঢোকার মুখে আর ঘরের ভেতরের দেয়ালে বাঘের ছবি টাঙানোর রীতি আছে, যে বাঘের ছবি থাকলে শয়তান ঘরে ঢুকবে না। প্রাচীন চীনে কৃষকেরা বাঘকে ফসলের দেবতা বলে জানতো আর শত্রুর হৃদয়ে ত্রাসের সঞ্চার করতে চীনা সেনারা শিরস্ত্রাণে খোদাই রাখত বাঘমুণ্ডু।

চীনদেশে বিশ্বাসীরা মনে করে ৫০০ বছরে বাঘ সাদা বর্ণ ধারণ করে। বাঁচে amberpendants.jpg…….
বাঘরঙ অ্যাম্বার লকেট
………
১০০০ বছর পর্যন্ত। মরলে দেহ ছেড়ে মাটির নিচে ঢুকে পড়ে বাঘের আত্মা আর অ্যাম্বারে (গাছের রেজিন বা রজনের জীবাশ্ম) রূপান্তরিত হয়। চীনা ভাষায় অ্যাম্বারের মানেও তাই “বাঘের আত্মা”। (সম্পূর্ণ…)

রেখার অশেষ আলো

আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারীতে শিল্পী সফিউদ্দীন আহমেদের ছবি

| ১১ জুলাই ২০০৮ ২:১২ পূর্বাহ্ন

————————————
ছবির সংখ্যা: ৮৬
————————————
sa.jpg

ধানমণ্ডির ‘বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ২৩ জুন ২০০৮-এ শুরু হয়েছে শিল্পী সফিউদ্দীন আহমেদের একক প্রদর্শনী: “রেখার অশেষ আলো” (The Limitless Luminosity of Line)। প্রদর্শনী চলবে জুলাইয়ের ১৩ তারিখ পর্যন্ত। বাংলাদেশে শিল্পী সফিউদ্দীন আহমেদের এটিই প্রথম একক। এর আগে ১৯৫৯ সালে লন্ডনের নিউ আর্ট ভিশন গ্যালারিতে একটি একক প্রদর্শনী করেছিলেন তিনি, সেটি উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের কালে।

এবারের প্রদর্শনীতে ছবির সংখ্যা ৮৬। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে সমুদয় চিত্র উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে। প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ছবি তুলেছেন সিউতি সবুর।

প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য:

বাংলাদেশের চিত্রকলার ভুবনে সফিউদ্দীন আহমেদ উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের মতো দেদীপ্যমান। দীর্ঘদিনের একব্রতী শিল্পসাধনার মধ্যে দিয়ে এই শিল্পীপুরুষ বাংলাদেশের শিল্পের ভুবনকে নানাভাবে সমৃদ্ধ ও দীপিত করেছেন। তিনিই এদেশের ছাপচিত্রের জগতে অনন্যসাধারণ এক শিল্পগুরু। সমকালীন চিত্রের ভুবনে প্রধান শিল্পীও বটে। তাঁর সৃজনী উদ্যম, শিল্পিত মানস ও শিক্ষাব্রতী হৃদয়ের স্পর্শে আলোড়িত এবং সিক্ত হয়ে এদেশের অগণিত শিল্পী তাঁদের শিল্পীসত্তাকে আলোকাভিসারী করে তুলেছেন। (সম্পূর্ণ…)

সাত ভারতীয় বাঙালি শিল্পীর প্রদর্শনী: শেকড়ে ফেরা

| ৫ মে ২০০৮ ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

the-monk-1.jpg
দি মংক, অমিতাভ ব্যানার্জী, ১৯৯৬

ধানমণ্ডির ‘বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ২৫ এপ্রিল ২০০৮ থেকে শুরু হয়েছে ‘সাত ভারতীয় বাঙালি শিল্পীর প্রদর্শনী: শেকড়ে ফেরা’ (7 Bengali Artists from India: Return to the Roots) চিত্রপ্রদর্শনীর। শিল্পীরা হলেন পরিতোষ সেন, অমিতাভ ব্যানার্জী, বিজন চৌধুরী, গণেশ paritosh.jpg…..
পরিতোষ সেন, জন্ম. ঢাকা ১৮/১০/১৯১৮
…….
হালুই, সুহাস রায়, ধীরাজ চৌধুরী ও যোগেন চৌধুরী। প্রদর্শনীটি চলবে মে-র ৯ তারিখ পর্যন্ত। এবারকার প্রদর্শনীতে শিল্পীদের ৩৭টি ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে তা থেকে ১৯টি ছবি উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে।

নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। (সম্পূর্ণ…)

নিতুন কুণ্ডু: সৃজন ও বোধের উত্থান

| ৬ december ২০০৭ ১১:০৮ অপরাহ্ন

55.jpg
Weaving Shadow, 2006

ধানমণ্ডির ‘বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ‘নিতুন কুণ্ডু: সৃজন ও বোধের উত্থান’ (Nitun Kundu: The Creative Mind) চিত্রপ্রদর্শনীর। প্রদর্শনীটি চলবে ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ পর্যন্ত।

নিতুন কুণ্ডু………
নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) ছবি: সাজাহান আহমেদ বিকাশ

দিনাজপুরে ১৯৩৫ সালে জন্ম শিল্পী নিতুন কুণ্ডুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৫৯ সালে স্নাতক ডিগ্রি পান তিনি। ৪টি একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে তাঁর। ১৯৬৫ সালে ‘জাতীয় চিত্রকলা পুরস্কার’ পান। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পোস্টার ডিজাইন করেন শিল্পী নিতুন কুণ্ডু। ১৯৯৩ সালে ঢাকায় ‘সার্ক ফোয়ারা’ নির্মাণ করেন। ২০০৬ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘ তিন দশক দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান অটবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। প্রদর্শনীতে শিল্পীর ৬৩টি পেইন্টিং প্রদর্শিত হচ্ছে। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে সমুদয় চিত্র উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে।

নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ছবি তুলেছেন সিউতি সবুর। (সম্পূর্ণ…)

খালিদ মাহমুদ মিঠুর ‘রঙের নিনাদ’

| ২২ নভেম্বর ২০০৭ ১১:০৬ অপরাহ্ন

32.jpg

ধানমণ্ডির ‌’বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে শিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর একক চিত্রপ্রদর্শনী। ‘রঙের নিনাদ’ (Sound of Colour) নামের এ প্রদর্শনী চলবে নভেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত।

১৯৬০ সালে জন্ম শিল্পী খালিদ মাহমুদ মিঠুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৬ সালে এমএফএ করেন তিনি। এটি তাঁর ১১ তম একক প্রদর্শনী। ২০০৭ সালে তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আয়োজিত ১৬ তম জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে ‌’আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার’ লাভ করেন । এবারকার প্রদর্শনীতে শিল্পীর ৬১টি পেইন্টিং প্রদর্শিত হচ্ছে। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে সমুদয় চিত্র উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে।
khalid.jpg

নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ছবি তুলেছেন সিউতি সবুর। (সম্পূর্ণ…)

নদী ও মাটি । শিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীরের একক চিত্র প্রদর্শনী

| ৮ নভেম্বর ২০০৭ ১১:১০ পূর্বাহ্ন

ধানমণ্ডির ‌’বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এ ২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সৈয়দ জাহাঙ্গীর-এর একক চিত্রপ্রদর্শনী। ‘নদী ও মাটি’ (Of River and Earth) নামের এ প্রদর্শনী চলবে নভেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত।

sj১৯৩৫ সালে জন্ম শিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীরের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৫৫ সালে বিএফএ করেন তিনি। এটি তাঁর ৩৫ তম একক প্রদর্শনী। জাহাঙ্গীর ১৯৭৭ থেকে ১৯৯১ পযর্ন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর চারুকলা বিভাগের পরিচালক ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ‘একুশে পদক’ পান তিনি। এবারকার প্রদর্শনীতে শিল্পীর ৬০টি পেইন্টিং প্রদর্শিত হচ্ছে। বেঙ্গল শিল্পালয়-এর সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে সমুদয় চিত্র উপস্থাপন করা হলো। প্রদর্শনীর পরেও আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখা যাবে।

নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। প্রদর্শিত চিত্রকর্মের ছবি তুলেছেন সিউতি সবুর। (সম্পূর্ণ…)

‘জীবনের ছায়া’ প্রদর্শনীর ওয়েব উপস্থাপন

| ২৩ অক্টোবর ২০০৭ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

আর্টস পাতার এই ওয়েব গ্যালারি থেকে শুরু হলো বাংলা শিল্প জগতের নতুন অধ্যায়। শুরু হলো দেশের গ্যালারিগুলির ওয়েব উপস্থাপন। গ্যালারিতে শুরু হওয়া প্রদর্শনীর প্রামাণ্য উপস্থাপন আর্টস-এর পাতায় থাকবে প্রদর্শনী শেষ হওয়া তক। এর পরও আগ্রহীরা আর্টস-এর আর্কাইভ থেকে প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারবেন।

গ্যালারিকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার এ প্রক্রিয়ায় এ বারে এসেছে ধানমণ্ডির ২৭ নং পুরাতন রাস্তায় অবস্থিত ‌’বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এর ১৭-২৬ অক্টোবর ২০০৭ ব্যাপী ‘জীবনের ছায়া’ বা ‘Shades of Life’ প্রদর্শনীটি। নারী-শিল্পীদের সংগঠন সাঁকোর ৯ জন ও ৩ জন অতিথিসহ মোট ১২ জন নারী শিল্পী প্রদর্শনীতে অংশ নেন। শিল্পীরা হলেন : Fareha Zeba, Farida Zaman, Farzana Islam Milky, Kanak Chanpa Chakma, Kuhu, Naima Haque, Nasreen Begum, Rebeka Sultana Moly, Rokeya Sultana, Sarkar Nahid Niazi Nipu, Shulekha Chaudhury ও Denise Hudon। নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। আমাদের এ যাত্রায় যুক্ত হওয়ার জন্য বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা। প্রদর্শিত আর্টওয়ার্কের ছবিগুলি তুলেছেন সিউতি সবুর। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com