‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো লেখা ১৩৩২ থেকে ১৩৪৬ বঙ্গাব্দের মাঝে এবং প্রথম প্রকাশিত হয় ইংরেজি ডিসেম্বর ১৯৪২, বাংলা ১৩৪৯ সালে; কবিতা-ভবন প্রকাশিত ‘এক পয়সায় একটি’ গ্রন্থমালার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে। প্রকাশক জীবনানন্দ দাশ নিজেই। কাগজের মলাটে ১৬ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ করেছিলেন শম্ভু সাহা। এই সংস্করণে কবিতা ছিল মোট ১২ টি। এই কাব্যগ্রন্থে সংকলিত ‘বনলতা সেন’ শীর্ষক […]
(এখানে ক্লিক করুন। পিডিএফ ফাইল। ৫৬৩ কিলোবাইট।) অনলাইনে পড়ুন সম্পূর্ণ পালামৌ পালামৌ সম্পর্কে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর জন্ম বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলাধীন নৈহাটির কাঁঠালপাড়া গ্রামে।তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন হুগলীর ডেপুটি কালেক্টর, মাতার নামের উল্লেখ পাওয়া যায় না। তিনি মেদিনীপুর জেলা স্কুল ও হুগলী কলেজে পড়াশুনা করেন। বর্ধমান কমিশনার অফিসে-এ কেরানি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং […]
টেকচাঁদ ঠাকুর ওরফে প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম জানা যায় না, বাবার নাম ছিলো রামনারায়ণ মিত্র। তখনো ভারতের রাষ্ট্রভাষা ফার্সি। সম্ভবতঃ সে কারণে মুনশী’র নিকট তাঁকে ফার্সি শিখানো হয়। বাংলা তাঁর পারিবারিক ভাষা ছিলো, আর বাংলার পঠন-লিখন জ্ঞান লাভ করেন পণ্ডিতের কাছে। এছাড়া বেথুন স্কুল ও হিন্দু কলেজে […]
১৫৭টি গীত নিয়ে গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয় আগস্ট ১৯১০ (ভাদ্র, ১৩১৭ বঙ্গাব্দ) খৃষ্টাব্দে, শান্তিনিকেতন গ্রন্থনবিভাগ থেকে। ‘শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ নাম স্বাক্ষরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিজ্ঞাপন (নিচে উদ্ধৃত) করেন শুরুতে। বিজ্ঞাপন এই গ্রন্থের প্রথমে কয়েকটি গান পূর্বে অন্য দুই-একটি পুস্তকে প্রকাশিত হইয়াছে। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে যে-সমস্ত গান পরে পরে রচিত হইয়াছে তাহাদের পরস্পরের মধ্যে একটি ভাবের […]
মৃত্যুর ১৭ বছর পর, ১৯৪০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় সুকুমার রায়ের গল্প সংকলন ‘পাগলা দাশু’। এটিই সুকুমার রায়ের প্রথম গল্প সংকলন। ‘পাগলা দাশু’-এর গল্পগুলো সুকুমার রায়ের জীবদ্দশায়, তাঁর সম্পাদিত ‘সন্দেশ’-এ প্রকাশিত হয়েছিলো। ‘পাগলা দাশু’-এর প্রকাশক ছিলেন এম. সি. সরকার। সেই সংকলনের ভূমিকা লিখেছিলেন ময়মনসিংহের রায়চৌধুরীদের বন্ধু পরিবার জোড়াসাঁকো’র ঠাকুরদের একজন—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি লিখেছিলেন, “সুকুমারের লেখনী […]
মিসিস্ আর, এস্, হোসেন বা মিসেস্ আর, এস্, হোসেন প্রণীত বইগুলো বাংলা একাডেমী ‘রোকেয়া রচনাবলী’ নামের সংকলনে বেগম রোকেয়া’র রচনা বলে প্রকাশিত হয়। ২০০৬ সালে বাংলা একাডেমী প্রকাশিত নতুন সংস্করণের ভূমিকা’য় (ভূমিকার রচয়িতা ও তারিখ অনুল্লেখিত) বলা আছে, “বেগম রোকেয়া বা রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন নামে যিনি বহুলপরিচিত, তিনি লিখতেন ‘মিসেস আর. এস. হোসেন’ নামে, এই […]
৬১টি কবিতা নিয়ে ‘রূপসী বাংলা’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালের আগস্টে, সিগনেট প্রেস কলকাতা থেকে। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর তিন বছর পর। ভূমিকা লিখেছিলেন কবির ভাই অশোকানন্দ দাশ। ‘জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত—অপ্রকাশিত কবিতাসমগ্র’ সম্পাদক আবদুল মান্নান সৈয়দ অনুমান করেছেন গ্রন্থের নাম ও উৎসর্গপত্রও অশোকানন্দ দাশের। প্রকাশিত গ্রন্থে কবিতাগুলোর রচনাকাল উল্লেখ করা হয় ১৯৩২ সাল। ……… সিগনেট সংস্করণ প্রচ্ছদ […]
১৩৪৩ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে প্রকাশিত ‘জাপানে-পারস্যে’ বইয়ের পারস্যে অংশে তৎকালীন নতুন রচনা পারস্যভ্রমণের বৃত্তান্ত হিসেবে বর্তমান ‘পারস্যে’ অন্তর্ভূক্ত হয়। ‘পারস্যে’র প্রথম পরিচ্ছেদ ১৩৩৯ সালের আষাঢ়-সংখ্যা প্রবাসী’তে ‘পারস্য-যাত্রা’ নামে বাহির হয়। ২ হইতে ১১ পরিচ্ছেদ পর্যন্ত অবশিষ্ট অংশ ১৩৩৯ সালের শ্রাবণ হইতে ১৩৪০-এর বৈশাখ-সংখ্যা পর্যন্ত বিচিত্রা মাসিকপত্রে ‘পারস্যভ্রমণ’ নামে ধারাবাহিকভাবে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তিতে বিশ্বভারতী কর্তৃক […]
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের (১৮৪৭-১৯১৯) অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যকীর্তি ডমরু-চরিত। এটি গল্পাকারে ‘বঙ্গবাসী’ সাহিত্যপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ত্রৈলোক্যনাথের মৃত্যুর পরে বঙ্গবাসী প্রকাশন ১৯২৩ সালে ডমরু-চরিত-র গ্রন্থরূপ দেয়। কাগজের পাতায় এ বই ত্রৈলোক্যনাথ রচনাবলীতে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া কলকাতার নিউ এজ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড ডমরু-চরিত-র একটি নতুন সংস্করণ বের করে ২০০৩ সালে। গ্রন্থস্বত্ব নেই এমন দুর্লভ ও গুরুত্বপূর্ণ বাংলা বই […]