Post by: sapla_soporjita

শাপলা সপর্যিতা: জন্মমাসের পদাবলী

27 Dec , 2017  

১ চলো ধরে রাখি পৃথিবীর যৌবন। কাম ও প্রেমের বিস্তৃত আলয়ে জ্বলে উঠুক দীপাবলি। অনঘ ক্রোধের আগুন নখ থেকে নাভীতে নেমে আসুক। ত্রিবেণী সংগতে বেজে উঠুক আমাদের ব্যথাগুলি। ২ নাও…… আর পূর্ণ করে দাও তোমার সকল। বেদনাগুলি ফুল হোক ফুঠে উঠুক আমার বাগান জুরে। এ বিপুল অন্ধকারে জ্বলতে দাও চাঁদ। অথবা জ্বলে উঠুক আজ কিছু […]

শাপলা সপর্যিতার কবিতা: কনফেস

11 Jun , 2017  

আমার কি আছে বলুন তো? ধ্বংসেরও কিছু স্মৃতি থাকে শেষ থাকে কষ্টেরও কিছু ক্ষত থাকে যেখানে চলে নিয়ত ক্ষরণ তারপরও সেখানেও কিছু থাকে বিধাতার দান। আমার বিবাহের শাড়িটি ছিল ৫ কেজি ওজন দারুণ ঐতিহ্যে বেনারসী কাতান জড়ি পুতি চুমকীর বাহারে হারিয়েছে যে নিজেরই বেশ। আমি তখন ইথিওপিয়া থেকে এসেছি কেবল বয়স পঁচিশ কি ছাব্বিশ রুগ্ন […]

শাপলা সপর্যিতার ৮টি কবিতা

10 Dec , 2016  

বিলাসী আঁধারে তার মুখ রাজেশ্বরীর পেছনে। গোপনে। জোছনা ছড়িয়ে দাঁড়ায় এক অতলান্ত ছায়া – সে ফুল সে মৌমাছি কি মাধুরী কিংবা অধরা মানুষ, আর তখনই আমার বিলাসী অন্ধকার ক্রমপ্রসারিত হয়। আঁধারে মানুষ খুঁজি। আঁধারে জনপদ রাজপথ কবি লেখক সংসারী অথবা সংসারবিরাগী খুঁজি নিঃস্বহায় জোৎস্নাও খুঁজে চলি অবিরাম। নক্ষত্র থেকে খুলে নেই এক একটি আলোর কণা। […]

শাপলা সপর্যিতার সাতটি কবিতা

23 Aug , 2016  

জলে, আয়না ঘুরে ফিরে তোমার কাছেই আসি । ভোরবেলা ফুল নেই – চুল বাঁধি। প্রভাতের শিউলি দুষ্প্রাপ্য এই বিরল শহরে পুকুরের এপাড় খুঁজি। ওপার দেখি না । জঙলার ধার, সর্পিল পায়ে চলার পথ দীর্ঘ মানুষ সরে সরে যায় দূ-রে একপায়ে তালগাছ, প্রসারিত সবুজের মাঠ, সুবিশাল স্কুল বিল্ডিং পেরিয়ে ময়নামতির চুড়ায় দাঁড়ালে নিচে–জলে পড়েছিল কার যেন […]

শাপলা সপর্যিতার সাতটি কবিতা

13 Jul , 2016  

ঋষির ঠোঁটে প্রেম ফের উঠে আসে জল ছল ছল শব্দে সে প্রপাত। মানুষের বুকে পাথর। অন্ধ ধারাজল। ঋষির ঠোঁটে প্রেম। অবাধ লীলা সঙ্গম। কোনো এক অনামা পাখি কবে বুঝি গর্ভে নিয়েছিল মানুষের বীজ। জন্ম দিয়েছিল মানুষ। বুকে পাখির প্রাণ। তাই আজন্ম পাখির মতো উড়ে উড়ে বেড়ালো জীবনভর। ঢেউয়ে ঢেউয়ে জলপ্রপাতের ধারায়। ভাঙলো ঘর। ভাঙলো বাড়ি। […]

শাপলা সপর্যিতার কবিতাগুচ্ছ

1 May , 2016  

লিখেছি হৃদয় যে রাতে আমি উপন্যাসটা লিখে শেষ করলাম সে রাতে একটা বাজপাখি খুঁটে খেল চাঁদের জোছনা। রাতের অন্ধকার। আলো জ্বালিনি আর। আমি নিমগ্ন। ধ্যানে। সৃষ্টির উন্মাদনা আমাকে প্রলয়তাড়িত করে চলেছে। যাইনা ফুলবাগানে। সাজিনা কুঙ্কুমে টিপে। দু’খানি শাখা পড়া হাত আমার–উলঙ্গ ক্ষিপ্র অস্থির দশ আঙুল। ভেতরে আর এক উন্মত্ত অশ্ব। ক্রমাগত ধেয়ে চলেছে উত্তুঙ্গ প্রবাহে। […]