আমার বন্ধুর মুখ

বিপাশা আইচ | ১৯ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৫৬ অপরাহ্ন

Aniআমার অনেক দিনের বান্ধবী এ্যনি (Anne )। যার সাথে টিফিন টাইমে খাবার ভাগাভাগি থেকে শুরু করে কতো কিছুই না করেছি সারা জীবন। ও ক্লাসে আগে এলে পাশের সিট আমার জন্য রিজার্ভ থাকতো
। আমি আগে গেলেও ওরকমই হতো। কিছু দিন পরে ক্লাসের সবাই এটা জেনে গেল বলে কষ্ট করে জায়গা রাখতে হতো না।

বেশির ভাগ ও-ই টিফিন আনতো। সবচেয়ে প্রিয় টিফিন ছিল গরুর মাংস ভুনা ও ঘিয়ে ভাজা পরোটা। পরোটা আমার খুবই প্রিয় খাবার। সংগে গরুর মাংস থাকলে তো কথাই নেই। আহ জিবে জল এসে যায় এখনো। খালাম্মা ছিলেন রান্নায় খুব পটু। এ্যনির কল্যাণে ও বাড়ির সব খাবারই আমার রসনাকে তৃপ্ত করতো। শুধু কি বাসার টিফিন? কিনে খাওয়া আটকাবে কে? ডাসা পেয়ারা, সমুচা, সিঙ্গারা, জিভ লাল করা আইসক্রিম। কতো কি খেতাম।

আমরা যখন গিন্নীবান্নী হয়েছি তখনও বেড়াতে বেড়িয়ে খালাম্মার উত্তরসূরি এ্যনির হাতের মাংস পরোটা থাকতো আমাদের দুপুরের খাবার। (সম্পূর্ণ…)

কিশোর রাসেল

মোস্তফা তোফায়েল | ১৯ অক্টোবর ২০১৭ ১২:৪৫ অপরাহ্ন

russelবেহুলা বোনেরা যায় কলার ভেলায়
স্বর্গদেশ অভিমুখে, মুজিবের খোঁজে
বঙ্গবন্ধু মুজিবুর, শেখ মুজিবুর।
সে এক অনন্তপুরী স্বর্গভূমি দেশ,
হাজারো ঝরনাধারা ঝংকৃত পুরী:
সেখানে দিগন্ত জুড়ে বীথিকা বিলাস;
সেখানে অনন্তপুরে শারদ শাপলা;
হেমন্তের কুন্দকলি, শীতে লোধ্ররেণু;
বসন্তের কুরুবাক, গ্রীষ্মের শিরীষ;
বরষা বর্ষণ কালে কদম ও কেয়া।
ঈষৎ নীলাভ লাল মহুয়ার গুটি
ঝুলে আছে, দোল খাচ্ছে মৃদুমন্দ বায়ে;
ঠোঁটের সমুখে অতি সন্নিকটে ঝুলে
ইশারায় দিচ্ছে ডাক চুম্বন আবেগে। (সম্পূর্ণ…)

যে পেল সেই রূপের সন্ধান

ফিরোজ এহতেশাম | ১৭ অক্টোবর ২০১৭ ১২:০৯ অপরাহ্ন

tuntun১লা কার্তিক ১৪২৪ (১৬ অক্টোবর ২০১৭) ফকির লালন সাঁইয়ের ১২৭তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়ায় আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনের লালন স্মরণোৎসব। এ উপলক্ষে টুনটুন ফকিরের এ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফিরোজ এহতেশাম।
২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার পান্থপথে একটি বাড়িতে টুনটুন ফকিরের সাথে আমার কথা হয়। যথাসম্ভব তাঁর ভাষা অক্ষুণ্ন রেখে কথপোকথনটি এখানে তুলে দিচ্ছি-
ফিরোজ এহতেশাম: বাউলদের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে-‘আপন ভজন কথা, না কহিবে যথা-তথা, আপনাতে আপনি সাবধান’- ভজন কথা কহিলে সমস্যা কী?
টুনটুন ফকির: আসলে সাধনের যে কথা সে বড় গুপ্ত কথা, গোপন কথা। যে লোক, গোপনে সাধন করার যার ইচ্ছা জাগবে তার কাছে বলা যায়। বলা যাবে না এমন কোনো কথা না। ইশারা-ইঙ্গিতে ওটাকে বুঝায়ে দেয়া যায়। এবং সাধারণ মানুষকে ইশারা-ইঙ্গিতের ওপরই বোঝানো হয়। যেমন, ধর্মটা কী? বাউল মানে- বাও মানে বাতাস, উল মানে সন্ধান। বাউল বাতাসের সন্ধান করে। নাসিকাতে চলে ফেরে। বাউল, ফকির এসব একই স্তরেরই জিনিস। তো, আপন ধর্মকথা না কহিও যথা-তথা, তার মানে কী? আমার গুরু আমাকে যে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথে আমি হইছি কিনা জানার পর তখন তিনি যোগ্য পাত্র পাইল একটা, যোগ্য পাত্র তিনি খুঁজে পান। (সম্পূর্ণ…)

নৈঃশব্দের সংস্কৃতি: কথা না বলার যতো অজুহাত

পূরবী বসু | ১৬ অক্টোবর ২০১৭ ৭:৩১ অপরাহ্ন

comunicatonআধুনিকতা কিংবা ভদ্রতার আরেক নাম কি পরস্পরের সঙ্গে কথা না বলা? লিখিত রূপে কিংবা মৌখিকভাবে অন্য কারো সঙ্গে নিজের কথা বা ভাবের আদানপ্রদান না করাই কি আজকের সভ্যতা? চারদিকে দেখে শুনে তো তাই মনে হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে, কী ব্যক্তিগত পর্যায়ে, কী কর্মক্ষেত্রে, কী অফিস-আদালতে-ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে, আজকের দিনে কেউ যেন কারো সঙ্গে একান্ত বাধ্য না হলে কথা বলতে চায় না। অন্তত এখানে, এই মার্কিন মুল্লুকে। যেহেতু জগৎ জুড়ে অনেক তরঙ্গেরই উৎস এখানে যা অতিদ্রুত তরঙ্গায়িত হয়ে মৃদু থেকে শুরু করে বিশাল আকারের ঢেউ তোলে আমাদের মতো সমাজে, ভাবছি এই ছোঁয়াচে রোগটির আক্রমণ যদি প্রতিহত করতে না পারা যায়, আসলেই কী হবে আমাদের প্রাণপ্রিয় আড্ডার, নিশ্বাস প্রশ্বাসের মতো যা নিয়ে আমরা বেঁচে থাকি অনুক্ষণ? আড্ডা হলো সেই বস্তু যা দিয়ে শূণ্য থলে বগলে নিয়ে, জাগতিক বা মূল্যবান কিছু না থা্কা সত্বেও কথার ফুলকি দিয়ে ভরে রাখি জীবন। আড্ডা দিতে দিতে আমরা স্বপ্নের ঘোরে প্রবল জ্যোত্স্নার আলো ক্রমাগত চষে বেড়াই, ঘুরে বেড়াই বন্ধুর বাইরের ঘরে অথবা পেছনের খোলা মাঠে, তছনচ করি মেঘলা ঘোলা ঘোলা আকাশের নিচে সরু বুনো পথ, কিংবা বৃষ্টিস্নাত প্রভাতে দিঘির কিনারায় হেলে পড়া হিজল গাছের ডালে শাখামৃগের মতো ঝুলতে ঝুলতে কথার খৈ ফোটাই। আড্ডার রূপ, রস, আনন্দ, আবেগ, উত্তেজনা আমাদের বাঁচার রসদ – আরেকটি নতুন ভোরে জেগে ওঠার প্রত্যয়-প্রেরণা। কথা ছাড়া আড্ডা কী করে সম্ভব? আড্ডা মানেই তো একটানা কথা বলা-নিরর্থক গল্পগুজব, তলাবিহীন তর্ক, পরনিন্দা, নিরন্তর হাসি, ঠাট্টা, কৌতুক, কাচা গলায় প্রিয় সুর ভাজার নিরলস ব্যর্থ প্রচেষ্টা।

ভাবি, এই নৈঃশব্দের সংস্কৃতি কি পরোক্ষে আপন চিন্তা, মনোভাব বা অনুভূতি পাশের মানুষটির কাছে, প্রিয় বন্ধুর কাছে খুলে ধরার, প্রকাশ করার অনীহা বা অনাগ্রহই প্রমাণ করে না? বহুকাল ধরেই একটি মন্তব্য লেখালেখির জগতে গুঞ্জরিত হয়ে আসছে। বলা হয়, সাহিত্য রচনায় পুরুষ লেখক আর নারী লেখকের এক মৌলিক পার্থক্যের কথা। কথিত আছে, যার সত্যতাও অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যে নারীদের লেখায় থাকে অনেক আবেগ, তারা সাধারণত স্পর্শকাতর। নারীরা নিজের ও অপরের বোধ, অনুভুতির হেরফের, বিচিত্র মনোভাব ও তার প্রকাশভঙ্গির কথা বিষদভাবে প্রকাশ করতে ভালোবাসে। মানুষে মানুষে সম্পর্ক নিয়ে তারা বেশি কথা লেখে। অন্যদিকে পুরুষ লেখকরা অনুভব প্রকাশে সংযত, পারস্পরিক সম্পর্কের চাইতে তাদের লেখায় ঘটমান জগৎ, বস্তু ও পরিপার্শ্ব, রাজনীতি, বেশি উপস্থিত থাকে। অনুভূতির প্রকাশের চাইতে কর্মের মনস্তাত্বিক বিশ্লেষন তাদের রচনায় অপেক্ষাকৃত বেশি প্রাধান্য পায়। (সম্পূর্ণ…)

কাজুও ইশিগুরো: ১৯৮৯-এ ম্যান বুকার , ২০১৭-এ নোবেল বিজয়

আবদুস সেলিম | ১৫ অক্টোবর ২০১৭ ৯:৪২ অপরাহ্ন

unnamed২০০৯ সালে আমি আমার এক ইংরেজি ফিচারে (৯ই অক্টোবর ২০০৯-এ ‘স্টার ইউকএএন্ড’ প্রকাশিত) কাজুও ইশিগুরোর প্রসঙ্গে কিছু মন্তব্য করেছিলাম। সেখানে বলেছিলাম ঠিক কবে আমি তার লেখা পড়েছি আমার স্মরণে নেই–সম্ভবত ১৯৮৯-এ লেখা তার ‘দ্য রিমেইন্স অফ দ্যা ডে’ উপন্যাসটিই যেটি ঐ বছরই ম্যান বুকার পুরস্কার পেয়েছিল– আমার প্রথম পড়া কাজুওর লেখা। পড়েছিলাম ১৯৯০ সালে এবং বলতে দ্বিধা নেই, আমার এই উপন্যাস পড়াটি কোন বিচারেই সুখকর ছিল না এবং ফলে তার লেখা অপরাপর সাহিত্যকৃতি নিয়ে আমি আর উৎসাহিত বোধ করিনি। কাজুও সম্মন্ধে আমার কৌতুহলের সেখানেই সাময়িক অবসান ঘটে। আমার এই মনোভাবের সমর্থন পরবর্তীতে খুঁজে পাই ‘দ্য টাইমস্’ পত্রিকায় প্রকাশিত নীল মুখার্জির সমালোচনা নিরীক্ষায়। তিনি লিখেছিলেন, কাজুও ইশিগুরো-র পাঁচটি ছোটগল্পের সংকলন ‘নকটার্নস্’ প্রসঙ্গেঁ, “… কাজুও ইশিগুরো তর্কাতিতভাবে অস্পষ্টতা, প্রান্তিক অবস্থান এবং অবিরাম পরিবর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব।” স্পষ্টতই বোঝা যায় নীল-এর মন্তব্য কূটাভাস আকীর্ণ এবং স্ববিরোধীও বটে কারণ একজন গল্প-উপন্যাস লেখক তার গল্পগাঁথুনীতে অস্পষ্ট, প্রান্তিক এবং অবিরাম পরিবর্তমান হয়েও প্রতিভাবান হতে পারে তার উদাহরণ বেশ অপ্রতুল।

অবশ্য উপরোক্ত সমালোচনাটি পড়েই আমি ২০০৯ সালে আরও একবার কাজুও ইশিগুরো পড়ায় উদ্বুদ্ধ হই। আমার এক পরদেশি সংযোগের মাধ্যমে বইটি সংগ্রহ করি। আগেই বলেছি বইটি এক ছোটগল্প সংকলন। সর্বমোট পাঁচটি গল্প সম্বলিত এই বইয়ের একটি উপনামও আছে–‘ফাইভ স্টোরিজ অব মিউজিক এ্যান্ড নাইটফল’-এই সংকলনের মূল শিরোনাম ‘নকটার্নস্’-এর সাথে মিল রয়েছে, যার অর্থ, ‘স্বপ্নিল সংগীতাংশ’। এ বইটি পড়ার অভিজ্ঞাও তেমন আনন্দদায়ক ছিল না আমার যদিও লেখক ভালবাসা, সংগীত এবং সময়ের গতিময়তার কথা পাঁচটি গল্পেরই প্রতিপাদ্য রূপে উত্তম পুরুষীয় বৃত্তান্তে লিপিবদ্ধ করেছে। এই বৃত্তান্তলিপিকে কাজুও ইশিগুরো সংজ্ঞায়িত করেছেন ‘অদ্যন্ত এক সমরূপী, সংগঠিত প্রক্ষেপ রূপে’ অর্থাৎ পুরো সংকলনে এক ঐক্যতানের অন্তস্রোত পাঁচটি গল্পকে একীভূত করেছে। এই অভূতপূর্ব পরিকল্পনাটিই কাজুও ইশিগুরোকে লেখকরূপে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করে। সম্ভবত ২০১৭ সালে তার সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার পাবার একটি অন্যতম মানদন্ড এই স্বাতন্ত্র্য। (সম্পূর্ণ…)

জীবনের অকপট ও অন্তরঙ্গ বয়ানে বারট্রান্ড রাসেল

লীনা দিলরুবা | ১৪ অক্টোবর ২০১৭ ১২:০৬ অপরাহ্ন

Russel picরাসেল-এর আত্মজীবনী-‘দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব বার্ট্রান্ড রাসেল’কে পৃথিবীর ইতিহাসে এ-পর্যন্ত লিখিত আত্মজীবনীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ আত্মজীবনী বলা হয়ে থাকে। ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। তাকে বিশ্লেষণী দর্শনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিবেচনা করা হয়। জীবনের আলোকিত দিকের গুণকীর্তন কেবল নয়, নিজের জীবনের অন্ধকার দিকের কথা রাসেল তাঁর আত্মজীবনীতে লিখে গেছেন। বয়ঃসন্ধিতে শারীরিক পরিবর্তনের যে অভিজ্ঞতা সেটি তাঁর মনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। স্ব-মেহনের অভ্যেস বিশ বছর পর্যন্ত বজায় রেখে তিনি মনে মনে পুড়তেন। এটি বন্ধ করার অভিপ্রায়ের কথাও বলেন। যখন প্রেমে পড়েন তখন অভ্যেসটি বন্ধ হয়ে যায়। নারী শরীরের প্রতি অতি আগ্রহ কমিয়ে আনতে নানা কায়দা-কানুনের আশ্রয় নিতেন। কিন্তু এক সময় এসব নিয়ে মনোযাতনায় ভুগলেও বিষয়গুলিকে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জন ধারণা করে মানসিক ব্যাধিগ্রস্ততা বলে মনে করতেন না। নারী শরীরের প্রতি মোহমুগ্ধতার কারণেই কবিতার প্রেমে পড়ে যান। ষোল-সতের বছর বয়সেই মিলটন, বায়রন, শেলীর কবিতা পড়ে শেষ করেছিলেন। তাঁর প্রকৃত নাম বার্ট্রান্ড আর্থার উইলিয়াম রাসেল। ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করা এই মহান দার্শনিক ৯৭ বছর আয়ু পেয়েছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

নোবেলজয়ী ইশিগুরোর সাক্ষাৎকার: কিছু কিছু ব্যাপারে তারা প্রবল জাতিবিদ্বেষী

নাহিদ আহসান | ১১ অক্টোবর ২০১৭ ১০:০১ অপরাহ্ন

Ishiguroকাজুও ইশিগুরো হঠাৎই যেন বিশ্বসাহিত্যের একজন প্রিয় লেখক হিসেবে জায়গা করে নিলেন। জাপানে জন্মেছেন তিনি , শৈশব কৈশোর কেটেছে ইংল্যান্ডে। সূক্ষ্ম নির্জন ভাষা ভঙ্গির উপন্যাস লেখেন তিনি। তার উপন্যাসের চরিত্ররা অদ্ভুত সব পরিস্হিতিতে তাদের অতীতের সাথে সম্পর্কযুক্ত থেকে যান । পঞ্চাশোর্ধ ইশিগুরো,তার স্মৃতি,তার দ্বিধা বিভক্ত ঐতিহ্য এবং তার সাম্প্রতিক উপন্যাস নিয়ে কথা বলেছেন্। তেইশ বছর ধরে মাত্র ছয়টি উপন্যাস লিখেছেন তিনি। যার মধ্যে সাম্প্রতিকতম হচ্ছে,‘নেভার লেট মি গো’। জার্মান সাময়িকী Der Spiegel-এর অনলাইন ইংরেজি সংস্করণে ২০০৫ সালের ৫ অক্টোবরে ইশিগুরোর একটি সাক্ষাৎকার গৃহীত হয়। সাক্ষাৎকরাটি নিয়েছিলেন Michael Scott Moore এবং Michael Sontheimer, এই সাক্ষাৎকারে ইশিগুরো নেভার লেট মি গো ছাড়াও তার অন্যান্য উপন্যাস নিয়েও কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারছি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন কবি ও অনুবাদক নাহিদ আহসান। বি, স

Der Spiegel: গত ২৩ বছরে আপনার নেভার লেট মি গো ষষ্ঠ উপন্যাস। মনে হচ্ছে আপনার লেখালিখির গতি খুব ধীর। কেন বলুনতো?
ইশিগুরো: আসলে আমার কখনও মনে হয়নি যে আরও দ্রুত লেখা দরকার। আমি কখনো ভাবিনি আরও বই বের করা জরুরী। কিছুটা ভিন্নধর্মী বই লেখাটাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ।
Der Spiegel: আপনার বইয়ের বিক্রয় সংখ্যা তো ইতিমধ্যে দশ লক্ষ কপি ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া আঠাশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। (সম্পূর্ণ…)

স্মৃতির স্থিতি ও বিলয় : প্রেক্ষিত কাজুও ইশিগুরোর “দ্য ব্যারিড জায়ান্ট”

শাকিলা পারভীন বীথি | ৮ অক্টোবর ২০১৭ ৮:১৪ অপরাহ্ন

kazuo-1কাজুও ইশিগুরো প্রথম উপন্যাস লেখেন দশ বছর ধরে যা একই সাথে সাহিত্য জগতের এক নতুন ঘটনা এবং পত্রিকার খবরে পরিণত হয় । ম্যান বুকার পুরস্কারপ্রাপ্ত “The Remains of the Day” এর লেখক ইতিহাসের অনেক গভীরে প্রবেশ করেন এমন এক গল্পের বয়ানে যেখানে কোন দম্পতির যাত্রা পথের কাহিনী ও এক মহৎ সভ্যতার রহস্যময়তার যুগপৎ অবস্থান । দ্য ব্যারিড জায়ান্ট উপন্যাসের বুনন রাজা আর্থার এর যুগের ইংল্যান্ডের সময়াশ্রিত । কিন্তু এ ক্যামিলটের গল্প নয় যা রাজকীয় ব্যক্তি, ধূর্ত জাদুকর, সদর্পে পদচারণা করা ঘোড়া আর সাহসী অভিযানে ঠাঁসা ।

এনপিআর এর প্রতিনিধি স্কট সিমন কে দেয়া সাক্ষাতকারে ইশিগুরো জানান তিনি সেভাবেই লিখতে চান যেভাবে সমাজ মনে রাখে বা ভুলে যায় তার ইতিহাসের কথা , ইতিহাসের বাঁকে বিস্মৃত চোরাবালির কথা । “ আমার ভীষণ ইচ্ছে করে এ সময়ের ঘটনাগুলো লিখে রাখি; যুগোস্লোভিয়ার বিচ্ছিনতা, রুয়ান্ডার গণহত্যা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ফ্রান্সের কথা। কিন্তু দিন শেষে আমি চাইনি তেমন একটা সময় ও স্থানের আশ্রয়ে সেই গল্পগুলো বলতে । আমি এমন কোন বই লিখতে চাইনি যা পত্রিকার প্রতিবেদন হয়ে দাঁড়ায় । একজন উপন্যাসিক হিসেবে আমি বার বার ফিরে গেছি আরো গভীরভাবে রুপকাশ্রিত বুননে ।”

চৌম্বক অংশ :
প্রাথমিকভাবে এটি একটি প্রেমের উপন্যাস। কিন্তু তোমরা জানো, প্রেমের গল্প বলতে কেমন মিলনের গল্প জেগে ওঠে আমাদের কল্পনায় । আর তা প্রেমে পড়ার নানাবিধ উপকরণে সাজানো। কিন্তু এটি সে অর্থে কোন প্রেমের গল্প নেয়। বরং বলা যায় , উপন্যাসটি প্রেমের পথে ধাবিত হবার গল্প বলে। আমি আগেই বলেছিলাম সামাজিকভাবে স্মৃতি বা বিস্মৃতির পালাবদল কেমন প্রশ্নের জন্ম দেয় আমার মনে । যেমনটা দেয় সমাজের ঘৃণিত ইতিহাস চাপা দেবার বিষয়টি। একই বিষয়ের প্রতিফলন আমরা বিবাহিত জীবনেও দেখি। এই উপন্যাসের কেন্দ্রে তেমনই জীবনযাত্রা দেখি। এক বৃদ্ধ দম্পতি স্মৃতির অন্বেষণে শেষবারের পথে নামে । সময় ও স্থানকে ডিঙিয়ে তাঁরা তা অনুভব করতে পারে। (সম্পূর্ণ…)

কাজুও ইশিগুরোর সাক্ষাৎকার: দস্তয়ভস্কির নিদারুণ বিশৃঙ্খলায় আমি ঈর্ষাবোধ করি

বিনয় বর্মন | ৮ অক্টোবর ২০১৭ ৮:৪৭ পূর্বাহ্ন

Kazuo২০১৭ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী কথাসাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরোর ভূমিকা সম্বলিত এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয় বম্ব সাময়িকীর ২৯তম সংখ্যায় (ফল ১৯৮৯)। লন্ডনে বসে সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন আরেক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক গ্রাহাম সুইফট। এটি অনুবাদ করেছেন বিনয় বর্মন।

কাজুও ইশিগুরো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস অ্যান আর্টিস্ট অব দ্য ফ্লোটিং ওয়ার্ল্ড প্রকাশের পর থেকে। এটি ১৯৮৬ সালে হুইটব্রেড বুক অব দ্য ইয়ার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয় এবং বুকারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পায়। বইটি লেখা পূর্বতন সময়কার একজন চিত্রকরকে নিয়ে তিনি পোস্ট-ওয়ার রিভিশনিস্ট কালচারের শিকারে পরিণত হন। তিরিশের দশকের ভুল রাজনৈতিক আদর্শের জন্য তাকে নানাভাবে হেনস্তা হতে হয়। বছরের শেষদিকে কনম্ফ থেকে প্রকাশিত দ্য রিমেইন্স অব দ্য ডে প্রায় একই বিষয় নিয়ে রচিত। এখানে গল্পের কথক হিসেবে দেখা মেলে একজন ইংরেজ বাটলারের যিনি তিরিশের দশকের একজন সম্ভ্রান্ত শীর্ষ রাজনীতিকের সেবাকর্মে নিয়োজিত থাকার সময়কার স্মৃতিচারণ করেন।

অন্যদিকে, স্টিভেন্স এক গৌরবময় সৃষ্টি, বাইরে কঠিন, স্পর্শগতভাবে অন্ধ এবং ভেতরে দুঃখভারাতুর। কিভাবে ‘মহৎ’ বাটলার হওয়া যায়, মর্যাদা কী এবং কিভাবে মজা করার দক্ষতা অর্জন করা যায় তা ভেবে ভেবে তিনি হয়রান। ইশিগুরোর নির্মাণশৈলিতে, সংবেদনশীলতার সূক্ষ্ম স্পর্শে তার চরিত্র একদিকে হালকা হাসির খোরাকে পরিণত হয়, অন্যদিকে সে জমাটবাঁধা আবেগের গভীর বিষণ্ণতাকে প্রকট করে তোলে। তিরিশের দশকের ব্রিটিশ অ্যান্টি-সেমিটিজমের নিরব পরীক্ষা আছে এই উপন্যাসের মর্মমূলে। (সম্পূর্ণ…)

কাজুও ইশিগুরোর দ্য রিমেইন্স অফ দ্য ডে – এক আত্মপ্রতারকের প্রতিকৃতি

যুবায়ের মাহবুব | ৬ অক্টোবর ২০১৭ ৩:৫৫ অপরাহ্ন

Kazuo-1পাঠকসমাজে যুগপৎ বিস্ময় ও পুলক সৃষ্টি করে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতলেন কাজুও ইশিগুরো। বিস্ময়, কারণ আলাপটা মোটামুটি সীমাবদ্ধ ছিল মুরাকামি-নগুগি-কাদারে-আদুনিস-অ্যাটউড এই কয়েকজনকে ঘিরে। পুরস্কারের কয়েকদিন আগেও মার্কিন পত্রিকা নিউ রিপাবলিক প্রায় ৮০জন সম্ভাব্য বিজয়ীর তালিকা বানিয়ে যে প্রবন্ধ ছেপেছিল, সেখানে ইশিগুরোর নাম একবারও উচ্চারিত হয়নি। পুরোদস্তুর আউটসাইডার হিসেবেই ছিনিয়ে নিলেন তিনি এবারের নোবেল। তদুপরি, টানা দুই বছর একই ভাষার লেখককে পুরস্কৃত করার রেওয়াজ নেই খুব একটা, বব ডিলানের পরপরই ইশিগুরোকে সম্মানিত করে সুইডিশ একাডেমি সেই সমীকরণটাও ভেঙে দিলেন।

আর পুলক, কারণ তার লেখনীর সাথে যারা পরিচিত, তারা জানেন ইশিগুরোর কলমের প্রকৃত শক্তি। জানেন যে ওঁর শ্রেষ্ঠ বইগুলো সঙ্গত কারণেই আধুনিক সাহিত্যের সেরা সংগ্রহের মাঝে স্থান করে নিয়েছে, ইতিমধ্যে অনূদিত হয়েছে চল্লিশটি ভাষায়।

এতক্ষণে সবাই জেনে গেলেও জীবনীটি আরেকবার ঝালাই করাই যায়। এটম বোমা বিস্ফোরণের নয় বছর পরে ১৯৫৪ সালে জাপানের নাগাসাকিতে জন্মগ্রহণ করেন কাজুও ইশিগুরো। তার বয়স যখন ছয়, তখন পুরো পরিবার চলে আসে বিলেতে, লন্ডনের অদূরে সারে কাউন্টিতে বেড়ে ওঠেন তিনি। পড়াশোনা কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে, অতঃপর ঈস্ট অ্যাঙ্গলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন, এবং সেখান থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। এই প্রোগ্রাম থেকেই বেরিয়ে আসে তার প্রথম উপন্যাস, ১৯৮২ সালে। (সম্পূর্ণ…)

সাহিত্যে নোবেল : কাজুও ইশিগুরোর উপন্যাসের অত্যাশ্চর্য ভুবন

কামরুল হাসান | ৬ অক্টোবর ২০১৭ ৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

Ishiguroসবাইকে চমকে দিয়ে এবছরের সাহিত্যে নোবেল পেলেন এমন একজন লেখক যার নামটি গত কয়েক বছরের নোবেল পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ওঠেনি, বাজিকরদের হাঁকডাকের মাঝেও তিনি ছিলেন না। সাম্প্রতিক সময়ে নোবেল কমিটি সাহিত্য দুনিয়াকে চমকের পর চমক উপহার দিয়ে চলেছে; সকল অনুমান ও প্রত্যাশাকে উল্টে দিয়ে তারা ধ্রুপদী অর্থে সাহিত্যিক নন এমন ব্যক্তিদেরও পুরস্কারের আওতায় নিয়ে এসেছেন। গত বছর তারা পুরস্কারটি দিলেন কোন ঔপন্যাসিক বা কবিকে নন, একজন সঙ্গীতস্রষ্ট্রা বব ডিলানকে, তারও আগে একজন সাংবাদিককে যিনি চেরনোবিল দুর্ঘটনা ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ নারীদের স্মৃতিকথা সংগ্রহ করেছিলেন। দুটো পুরস্কারই তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল সাহিত্যমোদী দুনিয়ায়, কিন্তু নোবেল কমিটির সদস্যরা সেসব গ্রাহ্য করেন নি। তারা চেয়েছিলেন সাহিত্যের সংজ্ঞার পরিধি বাড়াতে। এবার নোবেল ফিরে এলো সাহিত্যের প্রচলিত ঘরানায়- উপন্যাসে– সাহিত্যের যে শাখাটি অন্য সব শাখাকে বারংবার হারিয়ে দিয়েছে ঐ পুরস্কার প্রাপ্তির বিবেচনায়। এবার যিনি পেলেন তিনি জাপানি বংশোদ্ভূত, শুনে মনে হবে এবার পুরস্কারটি বুঝি জাপানের ঘরে গেল। কিন্তু জাপানের নাগাসাকিতে জন্ম নেয়া কাজুও ইশিগুরোর আর কোন জাপানি পরিচয় নেই। শৈশবে পাঁচ বছর বয়সে মা-বাবার সাথে জাপান ছেড়ে আসার পর তিনি প্রথম জাপান সফরে গিয়েছিলেন ৩৮ বছর বয়সে এক সাহিত্যসভায় যোগ দিতে। তাঁর বেড়ে ওঠা ও শিক্ষা ইংল্যান্ডে, তিনি লিখেনও ইংরেজিতে, নোবেল পুরস্কারটি জাপান নয়, গেছে ইংল্যান্ডের থলিতে, যে ভাষাটি পুরস্কার পেল সেটি জাপানি নয়, ইংরেজি। তবে তার মানে এই নয় যে তিনি অখ্যাত কোন লেখক, আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের পরিমণ্ডলে যথেষ্ট শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয় তার নাম, সাহিত্যের জন্য অনেক আগেই জিতেছেন মান বুকার প্রাইজ এবং আরও কিছু পুরস্কার। রানী তাকে ‘অর্ডার অব ব্রিটিশ আম্পায়ারে’ ভূষিত করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যে জাপানি লেখকের নাম ঘুরে-ফিরে নোবেল কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায়, বুকিদের অনুমান ও বোদ্ধাদের ধারণায় থাকতো তিনি হারুকি মুরাকামি, কাজুও ইশিগুরো নন। সুতরাং তাঁর নোবেল প্রাপ্তি কেবল সাহিত্য দুনিয়াকেই চমকিত করেনি, স্বয়ং লেখক ভীষণ চমকে গেছেন। প্রথমে ভেবেছিলেন ভুল শুনেছেন বা কেউ তার সাথে মজা করছে। তিনি তার বিস্ময় লুকান নি, বলেছেন এটা অপ্রত্যাশিত এক আনন্দ বয়ে এনেছে। নোবেলের ইতিহাসে এ পর্যন্ত যে ১১৪জন সাহিত্যিককে এই বিরল সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে তাদের সারিতে উঠতে পারাটা গর্বের। নোবেল প্রদানের ঘোষণায় সুইডেনের নোবেল কমিটি ইশিগুরোর উপন্যাসের ‘প্রবল আবেগময় শক্তি’ ও ‘জগতের সাথে সম্পর্কে নির্মাণে আমাদের যে ইন্দ্রিয়জ বিভ্রান্তি জন্মে তার সুগভীরতা’ তুলে ধরার প্রশংসা করেন। (সম্পূর্ণ…)

বৌদ্ধ প্রবারণা উৎসব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি

ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় | ৫ অক্টোবর ২০১৭ ৮:৩৩ অপরাহ্ন

gautama.jpgশুভ প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধদের আনন্দময় উৎসব। ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত পালন শেষে প্রবারণা পূর্ণিমা আসে শারদীয় আমেজ নিয়ে। প্রবারণার আনন্দে অবগাহন করেন সকলেই। এটি সর্বজনীন উৎসব। আকাশে উড়ানো হয় নানা রকম রঙ্গিন ফানুস যেটাকে আকাশ প্রদীপও বলা হয়। নদীতে ভাসানো হয় হরেক রকমের প্যাগোডা আকৃতির জাহাজ । সবাই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে নানা রকমের কীর্তন, গান গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টিকে তুলে ধরে উৎসবের মধ্যে দিয়ে। এ উৎসব আশ্বিনী পূর্ণিমাকে ঘিরে হয়ে থাকে। এ পূর্ণিমায় বৌদ্ধদের তিন মাসব্যাপী আত্মসংযম ও শীল- সমাধি, প্রজ্ঞার সাধনার পরিসমাপ্তি ও পরিশুদ্ধতার অনুষ্ঠান বলে বৌদ্ধ ইতিহাসে এ পূর্ণিমার গুরুত্ব অপরিসীম । ফলে এ পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসবে রূপ পেয়েছে ।
আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা – এ তিন মাস বৌদ্ধদের কাছে বর্ষাবাস বা ব্রত অধিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত । বর্ষার সময় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে দেখে ভগবান বুদ্ধ ভিক্ষু সংঘকে তিন মাস বিহারে অবস্থান করে শীল – সমাধি — প্রজ্ঞার সাধনা করার জন্য বিনয় প্রজ্ঞাপ্ত করেন । সেই থেকেই তিনমাস বর্ষাব্রত অধিষ্ঠান পালনের শুরু । গৃহী বৌদ্ধরাও এ তিনমাস ব্রত পালন করে থাকে । এ তিমাস ব্রত পালনের পরিসমাপ্তি প্রবারণা । প্রবারণার আনন্দকে সবাই ভাগাভাগি করে নেয় । প্রবারণার অর্থ আশার তৃপ্তি, অভিলাষ পূরণ , ধ্যান সমাধির শেষ বুঝালেও বৌদ্ধ বিনয় পিটকে প্রবারণার অর্থ হচ্ছ ত্রুটি বা নৈতিক স্খলন নির্দেশ করাকে বুঝায়। অর্থ্যৎ কারও কোন দোষ ত্রুটি বা অপরাধ দেখলে তা সংশোধন করার সনিবন্ধ অনুরোধ। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com