কবিতার অনুবাদ : মুক্ততা ও মৌলিকতা

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৩৩ অপরাহ্ন

অনুবাদ কি? মানব অনুভূতির ভাষিক রূপান্তরই প্রাথমিক অনুবাদ। অনুবাদের দ্বিতীয় প্রকারভেদ হচ্ছে স্ব-ভাষিক অনুবাদ, তৃতীয় প্রকারভেদ দ্বিভাষিক বা বহুভাষিক অনুবাদ এবং শেষোক্ত প্রকারভেদভাষা-বহির্ভূতভিন্ন-মাধ্যমে অনুবাদ। গদ্য, পদ্য, প্রবহমান বয়ান, সংলাপ বা অন্য যে কোনো প্রাকরণিক ভাষ্য প্রথমে স্ব-ভাষিক অনুবাদের মাধ্যমে অনুবাদকের উপলব্ধিতে একটি অর্থময়তা সৃষ্টি করে। এই স্তর পার না হলে দ্বিতীয় বা তৎপরবর্তী অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ উৎস ভাষার প্রথম টেক্সট বা ভাষ্য থেকে পরবর্তী সহজতর বা স্বচ্ছতর ভাষ্যে বিষয়টিকে উপলব্ধি করার এই পর্যায়টি অতি প্রাথমিক স্তরে মনোগতভাবেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। ভাষ্যের মূল ভাষাকে উৎস ভাষা (Source language or SL)এবং অনুবাদ্য ভাষাকে লক্ষ্য ভাষা (Target language or TL) বলা হয়।
এবারে প্রাথমিক বা অতি প্রাথমিক স্তরে মনোগতভাবেই রূপান্তর হওয়ার একটি উদাহরণ দিচ্ছি বাংলা ভাষা থেকে : ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’। এটি একটি কবিতার পঙক্তি। এর প্রাথমিক স্ব-ভাষিক অনুবাদ হচ্ছে ‘আমার ছেলেমেয়েরা যেন দুধ আর ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে’। স্বভাষিক গভীরতর ও ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ হচ্ছে ‘আমার পরবর্তী প্রজন্ম যেন অভাব অনটনের বাইরে সচ্ছল জীবন যাপন করতে পারে।’ প্রথমটি শাদামাটা আক্ষরিক অনুবাদ, আর দ্বিতীয়টি বিবিধ অনুষঙ্গ বিবেচনায় রেখে তাৎপর্যময় অনুবাদ। এই দুই স্তরের অনুবাদ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার পরই অনুবাদক ভিন্নভাষিক বা ভাষা-বহির্ভূত ভিন্নমাধ্যমিক অনুবাদে ব্রতী হতে পারেন । তবে কাজটি যত সহজে বলা হলো, আসলে তত সহজ নয়।


তাত্ত্বিকগণ, বিশেষত পিটার নিউমার্ক, অনুবাদের স্তর বা লেভেলকে মূলত চারটি প্রধানভাগে ভাগ করেন : টেক্সটুয়াল (আক্ষরিক/শাব্দিক/বাক্যগত), রেফারেনসিয়্যাল (বিবিধ অনুষঙ্গগত), কোহেসিভ (সামঞ্জস্যগত) এবং ন্যাচারাল (প্রকৃতিসম্মত)। প্রথম স্তরে আলোচ্য টেক্সটির প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের অনুবাদ, দ্বিতীয় স্তরে এই টেক্সটের ব্যক্তিক, সামষ্টিক, সাংস্কৃতিক, পৌরাণিক, ঐতিহাসিক, রূপক, প্রতীকী বা তজ্জাতীয় অন্যান্য অনুষঙ্গ, তৃতীয় স্তরে প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে প্রাপ্ত উপাত্তসমূহের মধ্যে তুলনা, প্রতি-তুলনা ও সম্পর্কায়ন, এবং সবশেষে চতুর্থ বা চূড়ান্ত স্তরে লক্ষ্য-ভাষার সকল স্বাভাবিক চাহিদা মিটিয়ে এমন একটি অনূদিত ভাষ্য তৈরি করতে হবে, যাকে কোনো অবস্থাতেই অস্বাভাবিক মনে হবে না। বরং পড়তে গেলেই মনে হবে এটি যেন এই ভাষাতেই (লক্ষ্য ভাষা) প্রথম রচিত হলো। এই কাজটিই সবচেয়ে সৃষ্টিশীল, শ্রমশীল ও বিপজ্জনক। কেননা অনূদিত টেক্সটকে লক্ষ্য-ভাষার প্রথম টেক্সটের মতো সুপাঠ্য ও মূল-সদৃশ করার এই কাজটি আত্যন্তিকভাবেই অনুশীলন-সাপেক্ষ। এর ফলে অনেক সময় মূল লেখকের স্টাইল বা শৈলী আর ইনটেনশন বা অভিপ্রায় খর্ব হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই আশঙ্কাটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য সৃষ্টিশীল সাহিত্যের বেলায়। আবার সৃষ্টিশীল সাহিত্যের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক শাখা হচ্ছে কবিতা, যার অনুবাদ-অক্ষমতা (intranslability) সম্পর্কে রবার্ট ফ্রস্ট সহ অনেক কবিই সোচ্চার। অথচ সব বাদ-প্রতিবাদ সত্বেও আদিকাল থেকে আজ পর্যন্ত ফ্রস্টসহ সব কবির কবিতাই ভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে। আর বর্তমানে অনুবাদবিদ্যা তো একটি ডিসকোর্স বা সৃষ্টি-মাধ্যম হিসেবেই পরিগণিত হচ্ছে। ফলে কবিতার অনুবাদ হয় না বা সম্ভব নয়, এই যুক্তি এখন তেমন ধোপে টেকে না।

কবিতার অনুবাদকে গ্রাহ্য করার জন্যে অনুবাদক ও তাত্ত্বিকগণ নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তাঁরা সমস্যাকে চিহ্নিত করছেন এবং বিভিন্ন ধরনের কবিতা-কাঠামোর জন্যে বিভিন্ন ধরনের তত্ত্বীয় পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। একজন গবেষক (লেফেবিয়ার) কাতুল্লুসের একটি কবিতার নানাধরনের অনুবাদ বিশ্লেষণ করে অন্তত সাত ধরনের কাব্যানুবাদ স্ট্র্যাটেজি বা অগ্রাধিকার সনাক্ত করেছেন। এগুলো নিম্নরূপ : (১) ফোনেমিক বা ধ্বনিসম্মত অনুবাদ (২) লিটার‌্যাল বা আক্ষরিক অনুবাদ (৩) মেট্রিক্যাল বা মাত্রাসম্মত অনুবাদ (৪) পোয়েট্রি ইনটু প্রোজ বা গদ্যানুবাদ (৫) রাইম্ড বা অন্ত্যমিলসম্মত অনুবাদ (৬) ব্ল্যাঙ্ক ভার্স বা অমিত্রাক্ষর অনুবাদ (৭) ইন্টারপ্রেটেশন বা ব্যাখ্যামূলক অনুবাদ।
১, ২, ৩ ও ৫ পদ্ধতিতে অনুবাদের ক্ষেত্রে অনুবাদকের স্বাধীনতা খুব সীমিত। মূল ধ্বনি, মাত্রা, আক্ষরিক অর্থ বা অন্ত্যমিল হুবহু অক্ষুন্ন রাখা যায না এমন নয়, তবে তা যেমন শ্রমসাধ্য তেমনি কাঠামো-শাসিত আঙ্গিক-সর্বস্বতায় পর্যবসিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাতে কবিতার বক্তব্য মূলানুগ রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। ফলে মূল কবিতার বাণীগত বা ব্যঞ্জনাগত বিকৃতি বা পরিবর্তন সাধিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অনুবাদককে মূল কবিতার পঙক্তি-দৈর্ঘ, পঙক্তি-সংখ্যা, হুবহু শব্দার্থ, স্তবক-বিন্যাস, যতি-বিন্যাস, উৎপ্রেক্ষা বা রূপক বা অন্যান্য অলঙ্কারের হুবহু প্রতিরূপ নির্মাণ করতে হয়। এই কাজ করতে গিয়ে অনুবাদক অনূদিত ভাষ্যে কবিতার প্রাণ-প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ব্যর্থ হতে পারেন। কেননা এ-ক্ষেত্রে তিনি আঙ্গিকের কারিগর হয়ে বসেন। মূল কবিতার রচনার মুহূর্তে কবির মনে যে বিমূর্ত অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিলো, যাকে রোমাণ্টিক কবিরা প্রেরণা বলে মানেন, তা অনুবাদে পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বাণীপ্রধান, কাঠামোপ্রধান বা বর্ণনাপ্রধান কবিতার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি সুপ্রযুক্ত মনে হলেও সর্বপ্রকার বিমূর্ত কবিতা, যেখানে অন্তত বিভিন্ন (যথা সাত) প্রকার অ্যামবিগুইটি বা কূটাভাস কাজ করে থাকে, সেখানে তা ফলপ্রসু হয় না। বিমূর্ত তাবৎ কবিতায় আছে এক বা একাধিক ভেতর-তল, যে কারণে প্রতিটি নতুন পাঠে একটি সফল কবিতা ভিন্ন ভিন্ন দ্যোতনা দেয়। এই ধরনের কবিতা প্রায়-ক্ষেত্রে নতুন ও জীবন্ত মেটাফর বা ইমেজ (চিত্রকল্প) বা নবায়িত শব্দানুষঙ্গ দিয়ে তৈরি হয়। ফলে এ-ধরনের প্রতিটি নতুন ও সফল কবিতার একটি স্বতন্ত্র মনোভাষা থাকে। ভাষিক ও কাঠামোগত কসরতে তা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সমধিক। তবে মৃত উৎপ্রেক্ষা বা চিত্রকল্প (ডেড ইমেজ বা মেটাফর) দিয়ে গতানুগতিক কবিতা রচনা করা হলে তার একটি প্রায়-হুবহু প্রতিমা নির্মাণ করা সম্ভব। কেননা এ-ক্ষেত্রে মূল কবিতাটিতে কবি নতুন কিছু নির্মাণ বা সৃষ্টি করেন না, বরং প্রচলিত অলঙ্কার ব্যবহার করে একটি সুষ্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এইসব কবিতা গদ্যের মতো একার্থবোধক হয়ে থাকে। এই ধরনের কাব্যানুবাদে ভাষাগত, আঙ্গিকগত ও দৃশ্যগত প্রতিমা পুনর্নিমাণ করা অসম্ভব নয়।

৪, ৬ ও ৭ পদ্ধতির অনুবাদে অনুবাদক অনেক বেশি স্বাধীনতা নিতে পারেন। এক্ষেত্রে অনুবাদকের প্রথম কাজ হচ্ছে পুরো কবিতাটি পাঠ করে তার ভেতর-তলের মনোভাষা, ইঙ্গিত, জীবন্ত বা নতুন চিত্রকল্প ইত্যাদি সনাক্তকরণের পাশাপাশি কবিতাটির নানা ব্যঞ্জনা তন্ময় ও মন্ময় পাঠে নিজের উপলব্ধিতে ধারণ করা; তারপর তাকে যথাসম্ভব স্বাভাবিক উচ্চারণে লক্ষ্য-ভাষায় পুনর্সৃষ্টি করা। বিমূর্ত নতুন উপমা-চিত্র-উৎপ্রেক্ষাকে নিজের মনে প্রতিফলিত করে তার আরেকটি বিমূর্ত রূপ লক্ষ্য-ভাষায় নির্মাণ করতে হলে অনুবাদককে একধরনের সৃষ্টিশীল স্বাধীনতা বা মুক্ততার আশ্রয় নিতে হয়। ফলে পঙক্তিবিন্যাস, স্তবকবিন্যাস বা শব্দ-ক্রমেও ভিন্নতা দেখা দেয়া অসম্ভব নয়।
আসলে নতুন চিত্রকল্প ও উৎপ্রেক্ষা একটি নতুন সংস্কৃতির সূচনা করে। অনুবাদে তা পুনর্নিমাণ করতে হলে লক্ষ্য-ভাষার সার্বিক সাংস্কৃতিক কাঠামো বিবেচনায় নিতে হয়। কখনো কখনো অনুবাদককে মৌলিক কবির মতোই সেই কাঠামো নতুনভাবে প্রতিধ্বনিত করতে হয়। এর ফলে মৌলিকতা ক্ষুন্ন হলেও কবিতার আবেদন সুদূরপ্রসারী হয়।
আসলে অনুবাদক একরোখা না হয়ে যদি সমঝোতাপ্রবণ হন, অর্থাৎ কাঠামোর যথাসম্ভব সুরক্ষার পাশাপাশি ব্যঞ্জনা ও মনোভাষার প্রতিধ্বনি করতে পারেন, তাহলে যে কোনো কবিতার গ্রহণযোগ্য অনুবাদ করা সম্ভব। এই কাজটি করতে হলে একাধিক বিকল্প খসড়া তৈরি করা বাঞ্চনীয়। প্রথমত গদ্যে সাদামাটা অর্থগত খসড়া, তারপর সাংস্কৃতিক পটভূমির খসড়া, তারপর কবির ব্যক্তিভাষার প্রতিধ্বনির খসড়া। এই ধরনের সমঝোতামূলক পদ্ধতিতে মৎকৃত একটি অনূদিত কবিতা এখানে উপস্থাপন করছি :
উইলিয়াম ব্লেকের বাঘ

বাঘ রে বাঘ তুই কী উজ্জ্বল
জ্বলিস্ ঘুরে রাত-জঙ্গল;
কোন্ সে হাত বা চোখ অমর
গড়লো রূপ তোর ভয়ঙ্কর?

আকাশ পাতাল কোন দূরের
পোড়ায় আগুন তোর চোখের?
শাণায় আশা কোন ডানায়?
ধরে কোন্ হাত ঘোর শিখায়?

কোন্ সে স্কন্ধ, কোন্ কৌশল
বুকে নিঙড়ায় পেশীর বল?
যখন বুক তোর ধুকপুকায়,
হাত-পায়ে কি ভয় জাগায়?

কোন হাতুড়ি? কোন্ শিকল?
চুলীতে কোন্ মস্তিষ্ক-বল্?
কোন্ সে নেহাই? কোন্ সে গ্রাস
আতঙ্কে ঘোর বাড়ায় ত্রাস?

নিম্নে ছুঁড়ে তারার শর
অশ্রু ভাসায় স্বর্গ-ঘর;
হাসলো সে কি কাজ দেখে?
মেষ যে বানায়, বানায় তোকে।

বাঘ রে বাঘ তুই কী উজ্জ্বল
জ্বলিস্ ঘুরে রাত-জঙ্গল;
কোন্ সে হাত না চোখ অমর
গড়লো রূপ তোর ভয়ঙ্কর?

[মূল ১৭৯৪, বাংলান্তর ৮-১২.৯. ২০০৭]

বলা বাহুল্য, এই কবিতার অনুবাদে আমি কবিতাটির আঙ্গিকগত, ভাষাগত ও বাণীগত বিন্যাসে মৌলিকতার অনুসারী হলেও উৎপ্রেক্ষা, রূপক ও চিত্রকল্প নির্মাণে ন্যুনতম মুক্ততার আশ্রয় নিয়েছি। যেমন ‘রাত-জঙ্গল’ শব্দবন্ধটি ‘ইন দ্য ফরেস্ট অব দ্য নাইট’-এর হুবহু অনুবাদ নয়, বরং তার ইঙ্গিত-সম্মত প্রতিধ্বনি। আমরা দেখেছি, উপলব্ধিতে মূল কবিতাকে আত্মস্থ করে অনূদিত ভাষ্যে তাঁর মনোভাষা নির্মাণ করার ক্ষেত্রে বিস্তর স্বাধীনতা নিয়েছেন বুদ্ধদেব বসু, বিশেষত তাঁর বোদলেয়ারের অনুবাদে। আসলে তিনি বোদলেয়ারের নানা কাব্য-ভাষ্যের মুক্ত প্রতিধ্বনি করেছেন বাংলাভাষায় স্বসৃষ্ট মনো-পঙক্তিতে। তুলনামূলক আলোচনায় এই বিষয়টি আরো খোলাসা হবে। সেই কাজটি অন্য সময়ের জন্যে তোলা রইলো।


আপাতত শেষে করার আগে বলতে চাই, কোনো কবিতা অনুবাদের জন্য তত্ত্ব-পদ্ধতির আশ্রয় নেয়া যতখানি প্রয়োজন, তার চেয়ে অনেক বেশি প্রয়োজন মুক্তচিত্তে কবিতাটির পাঠোদ্ধার করে একটি নতুন কাব্যপ্রতিমার প্রতিবিম্ব সাজানো। কবির অভিপ্রায়কে অনুধাবন করে তাকে যথাসম্ভব অক্ষুন্ন রেখে লক্ষ্য-ভাষার কাঠামোতে কিঞ্চিৎ হেরফের করলেও কিছু যায়-আসে না। তবে অভিপ্রায় পুনর্সৃষ্টি করতে হলে অনুবাদককেও তৎমুহূর্তে মূল কবিচিত্তের অধিকারী হতে হবে। প্রকৃতপ্রস্তাবে অনুবাদক যখন একটি কবিতার পাঠক না হয়ে ওই কবিতার কবিতে সত্তান্তরিত হন, তখনি তাঁর অনূদিত ভাষ্যটি কবিতা হয়ে ওঠে। আসল কথা, অনুবাদক মৌলিকভাবে মুক্ত হতে পারেন না, বরং মুক্তচিত্তে মৌলিক হওয়াই তাঁর জন্যে সুবিবেচনাপ্রসূত। তখনি তার অনূদিত কবিতা নতুন সৃষ্টি হয়ে উঠবে। সেই সৃষ্টিশীলতা তাবৎ তত্ত্বীয় বন্ধন সম্পর্কে অবহিত থেকেও সেই বন্ধন থেকে যৌক্তিকভাবে মুক্ত।
০১.০২.২০১৭
Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (3) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন muhammad samad — ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭ @ ৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

      This is a good and refined piece on translation presented in the seminar of Jatio Kabita Utsab on 2 Feb 2017 on invitation of Jatio Kabita Parishad. Poet M. N. Huda might have mentioned it and we could have been more grateful to him. Congratulations Huda Bhai. Muhammad Samad

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন matin bairagi — ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৭ @ ৭:০৮ অপরাহ্ন

      লেখাটি তাৎপর্যপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ। যদিও অনেকটা কাটাকাটা,সংক্ষেপিত, তবু চলমান সময়ে যারা অনুবাদ করছেন নানা কিছু তাদের জন্য অনেকখানি আলোক দেখাতে পারে বলে বিশ্বাস। মুহাম্মদ নূরুল হুদাকে ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন shams hoque — ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন

      So short a write-up on so huge an area of literature! I’m amazed to see the skill of piling up so many ideas and concepts in a very short space as if pouring an ocean into a small cup. Hudabhai, thank you for showing the readership yet another way of creativity (or procreativity?).
      Shams Hoque

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।