গার্সিয়া মার্কেসের প্রবন্ধ: এন্থনি কুইনের বোকামি

রাজু আলাউদ্দিন | ৩০ december ২০১৬ ১:১৯ পূর্বাহ্ন

Comboঅগ্রন্থিত অবস্থায় গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের প্রচুর লেখা এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। এটি সেগুলোরই একটি। লেখাটির এখনও কোনও ইংরেজি অনুবাদ হয়নি। বাংলা ভাষাতেও সম্ভবত এই প্রথম অনূদিত হল। অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন লেখাটি উদ্ধার করেছেন মেক্সিকো থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘এল প্রোসেসো’র ১৯৮২ সালের ১৯ এপ্রিল সংখ্যাটি থেকে। স্প্যানিশ থেকে লেখাটির পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ এখানে হাজির করা হল। প্রবাদপ্রতিম উপন্যাস শতবর্ষের নিঃসঙ্গতার চলচ্চিত্রায়নের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল, মার্কেস এই লেখায় তারই বর্ণনা দিয়েছেন।

অভিনেতা এন্থনি কুইন স্পেনের এক পত্রিকায় জানালেন, “টেলিভিশনে ৫০ ঘন্টার এক সিরিয়ালের জন্য শতবর্ষের নিঃসঙ্গতা হতে পারে একটি চমৎকার জিনিস। কিন্তু গাসিয়া মার্কেস তা বিক্রি করতে চান না।” আরও বললেন, “আমি এক মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিলাম, রাজি হননি, কারণ গার্সিয়া মার্কেস কমিউনিস্ট এবং তিনি এক মিলিয়ন ডলার নিয়েছেন–এটা কাউকে জানতে দিতে চান না। কারণ নৈশভোজের শেষে তিনি এসে আমাকে আলাদাভাবে ডেকে নিয়ে বললেন, “আচ্ছা বলুন তো, প্রকাশ্যে এই টাকা-পয়সা প্রস্তাব করার ব্যাপারটা আপনার মাথায় এল কী করে? পরেরবার আমাকে আপনি কোনও রকম সাক্ষী-সাবুদ ছাড়া টাকার প্রস্তাব করুন।”

তার বোকামি ছাড়াও এই ঘোষণার একমাত্র খারাপ দিক হল এই যে এটা সত্যি নয়। যেমন সর্বদাই, বাস্তবতা অনেক বেশি মজার আর সেই কারণেই বছর পাঁচেক আগে, মেহিকোতে বহুবার আসার মাত্র একটি ঘটনা ঠিক যেভাবে ঘটছিল, সেভাবেই ব্যাপারটা বলতে চাই। বহুবার দেখা-সাক্ষাতের ফলে, বিমানবন্দরে সাংবাদিকরা, আমার একরকম বন্ধুই হয়ে গেছেন, তারা বললেন, এন্থনি কুইন নাকি গত রাতে ‘তেলিবিসিয়ন মেহিকানা’য় জানিয়েছেন যে, শতবর্ষের নিঃসঙ্গতার চলচ্চিত্রায়নের স্বত্ব কেনার জন্য আমাকে এক মিলিয়ন ডলার দিতে প্রস্তুত। সাংবাদিকদের আমি বললাম, যা পরের দিন তারা সর্বত্র প্রকাশও করেছেন যে, দুই মিলিয়ন ডলারের শর্তে আমি স্বত্ব বিক্রির বিষয়টা মেনে নিয়েছিলাম। এক মিলিয়ন ডলার আমার জন্য আর বাকি এক মিলিয়ন ডলার লাতিন আমেরিকায় বিপ্লবের জন্য। একই সপ্তাহে, আমার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগেই এন্থনি কুইন টেলিভিশনে জানালেন, “তার জন্য এক মিলিয়ন ডলার দেব কিন্তু বাকি এক মিলিয়ন ডলার তিনি অন্য কোথাও থেকে জোগাড় করুন।” উত্তরটা আমার কাছে এতই যথাযথ এবং উপভোগ্য মনে হয়েছিল যে, উভয় পক্ষের কয়েকজন বন্ধুর বিনীত আমন্ত্রণে এন্থনি কুইনের সঙ্গে এক টেবিলে খেতে রাজি হই। ভোজটা ছিল বেশ আনন্দের। ৬২ বছর বয়সেও এন্থনি কুইন সজীবতাকে ধরে রেখেছিলেন আর আমার কাছে তাকে প্রাণবন্ত এবং সহৃদয় বলে মনে হয়েছে, আর সময়ের গতিশীলতা নিয়ে কিছুটা আবিষ্টও। সবকিছু নিয়েই কথা বললেন, কিন্তু টেলিভিশনের ওই প্রস্তাব নিয়ে তিনি কিছুই বললেন না। এতে আমি অবশ্য বেশ স্বস্তিই বোধ করেছিলাম। ওটাই ছিল তাকে আমার প্রথম এবং শেষবারের মতো দেখা। এন্থনি কুইন যেটা কখনোই জানতে পারেননি তা হল, তিনি যখন টেলিভিশনে ওই প্রস্তাব দেন তারও বহু আগে আমেরিকা ও ইউরোপীয় একদল প্রযোজক শতবর্ষের নিঃসঙ্গতার চলচ্চিত্রায়নের স্বত্ব কেনার জন্য দুই মিলিয়ন ডলার প্রস্তাব করেছিল। আমার বহু বন্ধুর মধ্যে যে ধারণাটি বদ্ধমূল হয়ে রইল, তা হল মহান অভিনেতা প্রযোজক হিসেবে মিলিয়ন ডলার উড়ানোর ডাট্ দেখানোর জন্যই কেবল ওই প্রস্তাবটা করেছিলেন। আমার জীবনে ওটাই প্রথম নয়। বার্সেলোনার এক টেলিভিশন প্রোগ্রামে ষাট দশকের শেষের দিকে পকেটঘড়ির টেইন ঝুলানো এক প্রকাশককে দেখা গেল পর্যায় হাজির হতে। দুই মিলিয়ন পেসেতা মানে প্রায় ৭০ হাজার ডলার। পেসেতাগুলো হাত-পাখার মতো সাজিয়ে বাতাস করতে-করতে জানাল, ওটা নাকি আমার পরবার্তী বইয়ের অগ্রিম হিসেবে তিনি প্রস্তাব করছেন। সেই রাতে তিনি নিশ্চিতভাবে, যেটা অর্জন করলেন তা হল আমার পরবর্তী বই, এমনকী আমার কোনও বইয়েরই প্রকাশ না-করার অধিকার।
Quinn-1
ইংরেজরা মনে করেন, ছেলেমেয়ে, অসুখ-বিসুখ এবং টাকা-পয়সার কথা প্রকাশ্যে বলাটা একটা বদ খাসলত। কিন্তু আমি যেহেতু ইংরেজ নই, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, বরং আরাকাতাকার প্রধান সড়কের একজন, তাই অন্যকিছু শিষ্টাচার আমার মধ্যে রয়েছে। ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে কথা বলতে আমার ভালো লাগে; কারণ ওরা ওদের মায়ের মতোই, সুদর্শন, বুদ্ধিমান্য এবং দায়িত্বশীল। ভালো লাগে আমার অন্ত্রের আলসার নিয়ে কথা বলতে, যা থেকে আরোগ্য লাভ করি কেবল লেখার সময়ই্। কারণ বন্ধুরা কেবল সুশ্রী জীবনের অংশীদারই নন, বরং কারও সঙ্গে বদমায়েশি করার জন্যও। কত কামাই আর কত খরচ করি এসব নিয়ে কথা বলতে আমার ভালো লাগে, কারণ আমিই জানি কামাই করতে কতটা ঘাম ঝরাতে হয়। আর না-জানানোটা আমার কাছে অন্যায় মনে হয়। এ ক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে প্রকাশক এবং প্রযোজকদের সঙ্গে আমি কখনোই টাকা-পয়সা নিয়ে আলাপ করি না। কারণ আমার যে সাহিত্যিক এজেন্ট আছেন তিনি এ ব্যাপারে আমার চেয়ে ভালো কথা বলতে পারেন। এর কারণ প্রথমত তিনি একজন মহিলা এবং দ্বিতীয়ত তিনি কাতালান ( স্পেনের)। লেখকদের, বিশেষ করে তরুণ লেখকদের এবং সেই সব লেখকদেরও যাদের টাকা-পয়সা দরকার, তাদের সঙ্গেপয়াস-কড়ি অধিকার নিয়ে প্রকাশকদের একটি খিটিমিটি সম্পর্ক রয়েছে। এই ব্যাপারটা কোনও তিন না ঘটলেই বরং আমার সন্দেহ হবে খারাপ কিছু ঘটার। শতর্বের নিঃসঙ্গতার পর থেকে প্রযোজকদের ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা জীবনে সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর একটি। তারা সাধারণত টাকা-পয়সার চেয়ে বেশিকিছু বলেন না; কিন্তু কাজের সময় সবাই একেবারে এন্থনি কুইনের মতো: কোথাও তাদের পাত্তা নেই। এরা অভাবিত, অনির্ভরশীল আর লম্বা-লম্বা কথার লোক। আমার স্ত্রী মের্সেদেস তো রীতিমতো এদের ভয়ই পায়, কারণ প্রথম সাক্ষাতে তারা বিশেষ প্রজেক্ট নিয়ে আসেন, কত দেবে না দেবে– এ ব্যাপারে কোনও প্রশ্ন ছাড়াই চারদিকে ঢেঁড়া পেটানো শুরু করে দেয়। মের্সেদেস এরপর আর কখনোই এদের সম্পর্কে কিছু জানতে পারে না। সুদর্শনা শ্চিয়াফফিলোর স্বামী ইতালির পাওলো বিনি বছর তিনেক আগে আমাদের কুয়ের্নাবাকার বাসায় এসেছিলেন রুই গেররার পরিচালিত আমার একটি গল্পের চলচ্চিত্রায়নের জন্য। এক গোটা রোববার সবাই আলাপ করলাম প্রজেক্ট নিয়ে। ওই সপ্তাহেই লস এঞ্জেলস-এর ‘ভ্যারাইটি’ পত্রিকায় যেখানে কেবল সবচে’ ভাগ্যবান প্রযোজকদের ঘোষণাই বের হয়, তো সেখানে দেখা গেল যে-ছবি বানানো হবে সে সম্পর্কে পৃষ্ঠাজুড়ে ঘোষণা; যেন ছবিটা তৈরি হয়েই গেছে। রবার্ট ডি নিরোকে অতিথি-অভিনেতা হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব এবং রুই গেররার সম্মানী ও আমার গল্পের স্বত্ব কেনার জন্য আমাদের এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের অঙ্গীকার করে গল্পের একটা ইংরেজি সংস্করণ নিয়ে বিনি উধাও। ওই আমাদের শেষবারের মতো দেখা। ওই ঘটনার পর কেবল যে-সংবাদ পেয়েছিলাম তা হল রোমে আমার কিছু বন্ধুবান্ধবকে তিনি বলেছেন যে, রুই গেররা এবং আমাকে নাকি চিত্রনাট্যের কাজ করার জন্য মোটা অংকের টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছে আর আমরা নাকি তা মেরে দিয়েছি।
Garcia Marquez
‘এল এক্সর্সিস্ট’ এবং ‘ফ্রেঞ্চ কনেকশন’-এর পরিচালক ও প্রযোজক বিলি ফিয়েডকিল সৌভাগ্যক্রমে মহান প্রযোজকদের সবরকম বিরল গুণাবলিসহ এক ভিন্ন রকম ব্যক্তি। মোড়লের শরৎ-এর চলচ্চিত্রায়নের পরিকল্পনা নিয়ে ফ্রিকেন্স কয়েক বছর আগে মেহিকো এসেছিল। বেশ তরুণ, রুচিবান, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে যিনি ভাগ্য গড়ে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ কেনার পর যে টাকা পয়সা উদ্বৃত্ত ছিল তা ইসরাইল এবং বোলিভিয়ার স্কুলে দান করতে চেয়েছিলেন। আমার উপন্যাসকে চলচ্চিত্রায়িত করার ধারণাটা এতই আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল যে, আমি তাতে রাজি হয়েছিলাম। সবকিছু নিয়ে আলাপ করার পর আমাকে জানালেন, দ্বিতীয় সারির উপন্যাস ‘এল এক্সর্সিস্ট’-এর লেখক বইয়ের স্বত্ব হিসেবে খুব সামান্য কিছু টাকা পেয়েছিলেন, কিন্তু বইটির চলচ্চিত্রায়নের সুবাদে তিনি ১৭ মিলিয়ন ডলার অর্জন করেন। জানি সে যুগে এটা ছিল এক চমৎকার পরামর্শ; এজেন্টকে আমি সেকথা বললামও। বইয়ের স্বত্ব নিয়ে ফ্রিডকিন আমার এজেন্টের সঙ্গে কথা বললে তিনি (এজেন্ট) জানালেন ‘এল এক্সর্সিস্টি’-এর লেখকের মতো একইরকম শর্তে আমরা রাজি। একই রকম রুচি আর সৌজন্যে আমাকে তিনি ফোন করে এই প্রজেক্ট থেকে ক্ষান্তি দেওয়ার কথা জানান। পরে আর কখনোই তার সম্পর্কে কিছু জানতে পারিনি। পত্রিকার মারফত জানাতে পারি যখন জাঁ মরোর সঙ্গে প্যারিসে তার বিয়ে এবং অল্প কিছুদিন পর বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

বাস্তবে কেবল একজনই আমার সঙ্গে টাকা পয়সা নিয়ে কথা বলেননি। ‘এল পাদ্রিনো’র পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কপ্লোলা। কপ্লোলা যখন ম্যানিলাতে ‘এপোকালিপসিস নাউ’ বানাচ্ছিলেন তখন শতবর্ষের নিঃসঙ্গতার চলচ্চিত্রায়নের ইচ্ছা নিয়ে বহুবার কথা বলেছেন। ১৯৭৯ সালের গ্রীষ্মকালে মস্কোর চলচ্চিত্র উৎসবে ঘটনাক্রমে কপ্লোলা এবং আমি উপস্থিত হয়েছিলাম। কিছুদিন পর লেলিনগ্রাদের এক বিশাল আর শব্দবহুল রেস্তোরাঁয় আমাকে তিনি নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। তার চলচ্চিত্র এবং আমার বইটই নিয়ে খানিকটা আলাপ হয়েছিল এবং শতবর্ষের নিঃসঙ্গতা সম্পর্কে তার অনুভূতির কথাও আমাকে জানালেন, তবে বইটির চলচ্চিত্রায়নের সম্ভাবনা নিয়ে এক মুহূর্তও কোনও আলাপ হয়নি। আমার বড় ছেলে প্যারিসে উচ্চ পর্যায়ের রান্নার একটা কোর্স করেছিল– কেবল এই ব্যাপারটাই তাকে সত্যিকার অর্থে কৌতূহলী করে তুলেছিল। মহা ভোজনরসিক এবং প্রথম শ্রেণীর পাঁচক কপ্লোলা আমার ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে ঢুকে পড়ল, আমরা যা খাব তা বানাবার উৎসাহে। সেই রাতটা ছিল অবিস্মরণীয়।

শতবর্ষের নিঃসঙ্গতা
চলচ্চিত্রায়নের ব্যাপারে আমার বীতরাগ প্রযোজকদের খামখেয়ালের কাছে গিয়ে টুটে যায়নি। এর কারণ, পাঠকদের লক্ষ করে যে-বর্ণমালা ব্যবহার করে আমি লিখি তার মাধ্যমে পাঠকদের সঙ্গে আমার সরাসরি যোগাযোগ।

পর্দায় কোনও অভিনেতার ধার-করা চেহারা ছাড়াই তারা যাতে ইচ্ছেমতো চরিত্রগুলো কল্পনা করতে পারেন, সেটাই আমি চাই। মিলিয়ন ডলার এবং আর সবকিছু নিয়েই এন্থনি কুইন আমার, এমনকি, আমার পাঠকদের জন্য কখনোই কর্নেল আওরেলিয়ানো বুয়েন্দিয়া হতে পারবেন না। একটা কানা পয়সাও ব্যয় না করে কেবল যে মানুষটি তা হতে পারেন তিনি কলোম্বিয় জুরি এবং আমার মহান বন্ধু মারিও লাতোররে রুয়েদা। আর বাকিটা হচ্ছে এই যে খুব বাজে উপন্যাস নিয়ে অনেক ভালো সিনেমা হতে দেখিছি, কিন্তু ভালো উপন্যাস নিয়ে কখনোই ভালো সিনেমা হতে দেখিনি।

আর্টস-এ প্রকাশিত রাজু আলাউদ্দিনের অন্যান্য প্রবন্ধ:
বোর্হেস সাহেব

অনুবাদ, আদর্শ ও অবহেলা

“একজন তৃতীয় সারির কবি”: রবীন্দ্রকবিতার বোর্হেসকৃত মূল্যায়ন

রক্তমাংসের রবীন্দ্রনাথ

কার্লোস ফুয়েন্তেসের মৃত্যু:
সমাহিত দর্পন?

মান্নান সৈয়দ: আমি যার কাননের পাখি

বাংলাদেশ ও শেখ মুজিব প্রসঙ্গে আঁদ্রে মালরো

স্পানঞল জগতে রবীন্দ্র প্রসারে হোসে বাসকোনসেলোস

অক্তাবিও পাসের চোখে বু্দ্ধ ও বুদ্ধবাদ:
‘তিনি হলেন সেই লোক যিনি নিজেকে দেবতা বলে দাবি করেননি ’

কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে আমার কয়েক টুকরো স্মৃতি

বনলতা সেনের ‘চোখ’-এ নজরুলের ‘আঁখি’

ন্যানো সাহিত্যতত্ত্ব: একটি ইশতেহার

যোগ্য সম্পাদনা ও প্রকাশনা সৌষ্ঠবে পূর্ণ বুদ্ধাবতার

দিয়েগো রিবেরার রবীন্দ্রনাথ: প্রতিপক্ষের প্রতিকৃতি

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: তাহলে গানের কথাই বলি

অজ্ঞতার একাকীত্ব ও আমাদের মার্কেস-পাঠ

আবেল আলার্কন: স্পানঞল ভাষায় গীতাঞ্জলির প্রথম অনুবাদক

জামান ভাই, আমাদের ব্যস্ততা, উপেক্ষা ও কদরহীনতাকে ক্ষমা করবেন

এদুয়ার্দো গালেয়ানোর ‘দর্পন’-এ বাংলাদেশ ও অন্যান্য

প্রথমার প্রতারণা ও অনুবাদকের জালিয়াতি

আবুল ফজলের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

আবু ইসহাকের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

কুদরত-উল ইসলামের ‘গন্ধলেবুর বাগানে’

মহীউদ্দীনের অগ্রন্থিত আত্মজৈবনিক রচনা

বোর্হেস নিয়ে মান্নান সৈয়দের একটি অপ্রকাশিত লেখা

অকথিত বোর্হেস: একটি তারার তিমির

ধর্মাশ্রয়ী কোপ

রবীন্দ্রনাথের চিত্রকলা সম্পর্কে অক্তাবিও পাস

লাতিন আমেরিকার সাথে বাংলার বন্ধন

উপেক্ষিত কাভাফির অর্জুন ও আমরা

পাবলো নেরুদার প্রাচ্যবাসের অভিজ্ঞতা ও দুটি কবিতা

রবি ঠাকুরের নিখিল জগৎ

শিল্পী মুর্তজা বশীরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

ফুকোর হাসি, একটি গ্রন্থের জন্ম এবং বোর্হেস

নিরবতার দোভাষী সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (3) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অলাত এহ্সান — december ৩০, ২০১৬ @ ২:২৮ পূর্বাহ্ন

      এই লেখাটা কেন চমৎকার, মার্গীয়ও বটে, গল্প (ফিকশন) বলা যাবে না, (বিশেষ করে প্রথম দুই প্যারা তো বটেই), তা নিয়ে আমি রাজু ভাইয়ের সঙ্গে এক বিলিয়ন টাকার তর্কে নামতে পারি। তার আগে অবশ্য রাজু ভাইকে আমায় দুই বিলিয়ন টাকা নিঃশর্ত সম্প্রদানে সম্মত থাকতে হবে।
      যাই হোক, অনেক দিন পর আপনার অনুবাদ পড়লাম বোধ হয়। অবশ্য এই সময়টা আপনার নেয়া খুবই মূল্যবান সব সাক্ষাৎকার আর প্রবন্ধ আমাকে বুঁদ করে রেখেছিল। আপনার সঙ্গে অনুবাদ পাঠের দায় আমার উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাক, এটাই চাই।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — december ৩০, ২০১৬ @ ৩:২৬ অপরাহ্ন

      দারুন আনন্দ পেলাম অনুবাদ প্রবন্ধটি পড়ে।অনেক কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ প্রিয় রাজু ভাই।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com