গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: নিঃসঙ্গতার একশ বছর (৩৯ পর্ব)

আনিসুজ্জামান | ২০ december ২০১৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

combo.jpgবিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.

অনুবাদ: আনিসুজ্জামান

———————————————————————————
ধারাবাহিক উপন্যাস । কিস্তি ৩৯

উরসুলাকে প্রচন্ড কষ্ট করতে হয় বৃষ্টি থামার পর মারা যাবার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে। বৃষ্টির সময় তার সাময়িক মানসিক স্বচ্ছতা ছিল বিরল, আগষ্টে সেটা আরও ঘনঘন ঘটতে থাকে, যখন দমবন্ধ করা গরম বাতাস বইতে শুরু করেছিল গোলাপের ঝাড়গুলোর উপর দিয়ে, আর পাথর বানিয়ে ফেলছিল জলাভূমিকে তখন ছড়িয়ে দিচ্ছিল মাকন্দোর উপর প্রজ্জ্বলিত ধুলো বালি যা নাকি চিরকালের জন্য ঢেকে ফেলে দস্তার মরিচা ধরা চাল ও শতাব্দির আলমন্ড গাছগুলোকে। উরসুলা দুঃখে কেঁদে ফেলে যখন বুঝতে পারে তিন বছরেরও বেশী সময় ধরে সে খেলার বস্ত হিসেবে ছিল। ধুয়ে ফেলে সে রং করা মুখটা, খুলে ফেলে রং বেরংয়ের কাপড়ে তেনা খসায় শুকনো গিরগিটি ও ব্যাঙ, জপমালা, প্রাচীন আরবদের গলার হার যেগুলো ঝুলছিল তার সাড়া শরীরে, আর আমারান্তা মারা যাবার পর এই প্রথমবারের মত কারও সাহায্য না নিয়েই বিছানা থেকে উঠে পরে নতুন করে সাংসারিক জীবনে নিজেকে জড়ানোর জন্য। তার অজেয় মানসিক শক্তিই তাকে ছায়ান্ধকারে দৃষ্টি জোগায়, ওর টলতে টলতে চলা যাদের নজরে পরে বা মায়া বরাবর দেবদূতের মত উঁচু হাতের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে তাদের মনে হয় শরীরটাকে নিয়ে আর সে পেরে উঠছে না, কিন্তু তখনও পর্যন্ত কেউ বিশ্বেস করতে পারে না যে সে অন্ধ। প্রথমবার পুনঃনির্মানের সময় এত যত্ন করে লাগানো ফুলের কেয়ারিগুলো যে বৃষ্টিতে আউরেলিয়ানো সেগুন্দোর খোড়াখুড়িতে ধ্বংস হয়ে গেছে আর মেঝেতে ধরেছে ফাটল একই কারণে আসবাবপত্র হয়ে গেছে প্রায় ভেঙে পরার মত ও বিবর্ণ, দরজাগুলো খুলে গেছে কব্জা থেকে, আর তার সময়ে যা দুঃস্বপ্নেও ভাবা যেত না, সংসারটা পরেছে এক হতাশাজনিত হুমকির মুখে, এসব বুঝতে তার দৃষ্টির প্রয়োজন পড়ে না। খালি শোবার ঘড়গুলোর মধ্য দিয়ে পথ হাতড়ে হাটার সময় সে টের পেত উইপোকার সার্বক্ষণিক কাঠ ফুটো করার কুটকুট শব্দ দেয়াল কুঠরিতে কাপড় কাটা আর মহাপ্লাবনের সময় বৃদ্ধি পাওয়া বিশাল বিশাল লাল পিপড়েগুলোর গর্ত খুড়ে বাড়ির ভিত ধ্বসিয়ে দেয়া। একদিন সে বের হওয়া তেলাপোকা শরীর থেকে সরাতে তাকে সান্তা সোফিয়া দে লা পিয়েদাদের সাহায্য নিতে হয়, আর ইতিমধ্যে কাপড়গুলো পরিণত হয় হয়ে গেছে ধুলোয়। “এ ধরনের অবহেলা করে বাঁচা সম্ভব নয়”- বলে । তখন থেকেই আর অবসর নেবার বিন্দুমাত্র সময় পায়না সে। ভোর হবার আগেই উঠে পড়ত সে, যাকে হাতের কাছে পেত তাকেই কাজে লাগিয়ে দিত, এমনকি শিশুদেরও। তখন ব্যবহারযোগ্য গুটিকয় কাপড়জামা রোদে বের করে, কীটনাশকের অকস্মাৎ হামলা ভয় পাইয়ে দেয় তেলাপোকাগুলোকে, দরজা জানালায় উইয়ে কাটা খালগুলো ঘষে উঠিয়ে ফেলে আর নিজেদের বাসার মধ্যেই জ্যান্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ করে পিপড়েগুলোকে নিয়ে যায় ভুলে যাওয়া কামরাগুলোতে। পরশপাথর খুঁজতে গিয়ে যে কামরায় হোসে আর্কাদিও বুয়েন্দিয়ার মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে সমস্ত আবর্জনা ও মাকড়শা পরিস্কার করায়, সৈন্যদের দ্বারা তছনছ করে ফেলা রৌপ্যশালাকে নতুন করে গোছগাছ করে, আর সবশেষে মেলকিয়াদেসের ঘরটা দেখার জন্য চায় চাবি। নিজের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হবার আগ পর্যন্ত ঐ ঘড়ে কাউকে ঢুকতে দেবার যে নিষেধাজ্ঞা হোসে আর্কাদিও সেগুন্দো করেছিল তাতে বিশ্বস্ত সান্তা সোফিয়া লা পিয়েদাদ সব ধরনের ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয় উরসুলাকে ভোলাতে কিন্তু বাড়ির দূরতম ও অব্যবহারযোগ্য কোণাটিকেও পোকামাকড়ের হাতে ছেড়ে দিতে নারাজ। উরসুলার প্রতিজ্ঞা ছিল যে সে সামনে আসা সমস্ত বাধাকেই অতিক্রম করে। তিনদিনের পীড়াপিড়ির পর দরজা খোলাতে সক্ষম হয়। দুর্গন্ধের ধাক্কা যাতে তাকে ফেলে না দেয় তার জন্য দরজার হাতল ধরতে হয় তাকে কিন্তু এ ঘড়েই যে স্কুলছাত্রীদের বাহাত্তরটি মলত্যাগপাত্র রয়েছে, আর বৃষ্টির সময়ের প্রথম দিককার এক রাতে হোসে আর্কাদিও সেগুন্দোকে খুঁজতে এসে বাড়ি তল্লাশি করে খুঁজে পায় না সেকথা মনে করতে দু সেকেন্ডের বেশী সময় লাগে না তার। “হায় খোদা”- কাতর হয়ে বলে যেন সবই দেখতে পাচ্ছে- “তোকে ভাল সহবৎ শেখাতে এত চেষ্টা করা হোল আর শেষতক বাস করছিস এক শুয়োরের মত”।

হোসে আর্কাদিও সেগুন্দো বারবার পড়ে যাচ্ছিল পার্চমেন্টগুলোতে। তার চুলের জটের মধ্য থেকে একমাত্র যা দেখা যাচ্ছিল তা হচ্ছে সবুজ শ্যাওলার ছোপ লাগা দাঁত ও স্থির চোখদুটো। প্রমাতামহীর গলার স্বর চিনতে পারায় দরজার দিকে মাথা ঘুড়িয়ে হাসার চেষ্টা করে, আর নিজের অজান্তেই উরসুলার এক পুরনো কথার পুনরাবৃত্তি করে, “ কি আশা করছিলি” – বিড়বিড় করে- “সময় বয়ে চলে।” “সত্যিই তাই”- বলে উরসুলা-“কিন্তু এত দ্রুত নয়”।

বলার সাথে সাথেই উরসুলার বোধোদয় হয় যে সে দিচ্ছে সেই একই কথার প্রতিধ্বনি যে কথা সে শুনেছিল মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অবস্থায় কারাগারে থাকাকালীন কর্নেল আউরেলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার মুখে যখন সে আরও একবার শিহরিত হয় প্রমাণ পেয়ে যে সময় এগোয় না–এমনটি সে কেবলমাত্র স্বীকার করেছে আসলে সময়ের ঘোরে, বৃত্তের মত। যে কামরাটা তাকে শান্তি দিয়েছিল সেটা ছেড়ে দেবার মত সাধারণ কথাটা ভাবতেই আৎকে উঠে হোসে আউরেলিয়ানো সেগুন্দো চেঁচিয়ে বলে যে কোন মানুষের সাধ্য নাই যে তাকে বাধ্য করবে এ-ঘর থেকে বেরুতে, কারন সে সেই ট্রেনটা দেখতে চায়না যে ট্রেন সেটার দুশো ওয়াগন ভর্তি লাশ নিয়ে প্রতি বিকেলে মাকন্দ থেকে সাগরের দিকে যায়। – “যারা স্টেশনে ছিল তারা সবাই”- চিৎকার করছিল। “তিন হাজার চার’শ আট”। উরসুলা একমাত্র তখনই বুঝতে পারে যে তার চেয়েও অধিক অভেদ্য এক অন্ধকার জগতে আছে এবং যে-জগৎ ওর পরদাদার জগতের মতই জগতে ও বাস করছে। অগম্য ও নিঃসঙ্গ। প্রথম দিকে এ সমস্ত তোড়জোরকে বুড়ো বয়সের ভীমরতি বলে ধরে নেয় ফের্নান্দো আর খুব কষ্ট করে নিজের বিরক্ত চাপিয়ে রাখে। কিন্তু সেই সময়ে হোসে আর্কাদিওর রোম থেকে মাকন্দো যাবার ঘোষনায় উৎসাহিত হলে রাতারাতিই তাকে দেখা যায় দিনে চারবার ফুলগাছগুলোতে পানি দিতে যাতে করে ছেলে বাড়ি সম্মন্ধে কোন খারাপ ধারণা না নেয়। একই কারণে অদৃশ্য চিকিৎসকদের সঙ্গে তার পত্র যোগাযোগ বাড়িয়ে দেয় আর ক্রোধোন্মত্ত আউরেলিয়ানো সেগুন্দোর ধ্বংসের ব্যাপারটা উরসুলা টের পাবার আগেই বারান্দার ফার্ন আরগানো ও বেগনিয়ার জন্য নতুন টব আনায়। আরও পরে রূপোর বাসনকোসন বিক্রি করে কেনে সিরামিকের থালা, পিউটারের স্যুপের বাটি ও বড় চামচ, আলপাকান্ডার টেবিলক্লথ, আর সেই সঙ্গে রিক্ত করে দেয় ওয়েষ্ট ইন্ডিয়ান কোম্পানীর চিনামাটির ও বোহেমিয়ান ক্রিষ্টালের অভ্যস্ত আলমারিগুলোকে। “দরজা জানালা সব খুলে দেয়া হোক”- চিৎকার করত। “মাংস ও মাছ রান্না হোক, সবচেয়ে বড় কাছিম কেনা হোক, বিদেশীরা আসুক কোনায় কোনায় মাদুর পাততে ও গোলাপের ঝাড়ে মুত্তে, খেতে বসুক টেবিলে আর যতবার খুশী খাক ঢেকুর তুলুক গলাবাজি করুক ওদের সব বুটজুতো নোংরা করুক, যা খুশী তাই, কারণ এটাই একমাত্র ফকির হয়ে যাওয়ার থেকে বাঁচার পথ”। কিন্তু সেটা ছিল শুধুই এক মিথ্যে মায়া। তখন সে প্রচন্ডভাবে বয়োবৃদ্ধা, বেঁচে আছে একরকম ধার করা সময় নিয়ে, যখন মিছরির জন্তু বানানোর অলৌকিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর সামর্থ্য আর তার নেই আর তার উত্তর পুরুষদের মধ্যেও কারুরই এ ঘটনা ঘটানোর মত প্রাণশক্তি নেই। ফের্নান্দার নির্দেশানুযায়ী বন্ধ থাকে বাড়ির দরজা।

আউরেলিয়ানো সেগুন্দো বাড়ি থেকে তোরঙ্গ গুলো পেত্রা কতেসের ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল আর সে বাড়ির জন্য যা করত তাতে কোনরকমে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারত, খচ্চরের লটারী থেকে পাওয়া টাকা দিয়ে, পেত্রা কতেস। ও সে কিনেছিল কোন রকমের এক লটারীর ব্যবসা। আউরেলিয়ানো সেগুন্দো বাড়ি বাড়ি যেত আকর্ষণীয় ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য নিজ হাতে রঙ্গিন কালি দিয়ে আঁকা লটারীর টিকিটগুলো বিক্রি করতে আর সে খেয়ালই করত না যে অনেকেই সেগুলো কিনতো কৃতজ্ঞতাবশে আর বেশীর ভাগই কিনতো করুণাবশে। তারপরও সবচেয়ে দয়াশীল ক্রেতাও সুযোগ পেত বিশ সেন্ট দিয়ে এক শুকর বা, বত্রিশ সেন্ট দিয়ে বাছুর কেনার আর তারা আশা করে এতই উৎসাহিত হয় যে মঙ্গলবার রাতগুলোতে পেত্রা কতেসের উঠান উপচে পরা লোকজন অপেক্ষা করত কখন এক বাচ্চা ছেলে কিছু না দেখে এক ব্যাগ থেকে পুরস্কার পাওয়া টিকিট তুলবে। এই অবস্থায় এক সাপ্তাহিক উৎসবে পরিণত হতে খুব বেশী দেরী হয় না, কারণ পড়ন্ত বিকেল থেকেই ভাজাভুজি ও পানীয়ের দোকানগুলো বসে যেত উঠানে, আর ভাগ্যবানদের অনেকেই জীবিত জন্তুটাকে ওখানেই জবাই দিত এই শর্তে যে অন্যেরা ব্যবস্থা করবে বাজনা ও মদের, ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও আউরেলিয়ানো সেগুন্দো নিজেকে আবিষ্কার করে আবার অ্যাকর্ডিয়ান বাজানো অবস্থায় আর ভোজন প্রতিযোগিতায়। আগেকার দিনের উৎসবের ছোট এই সংস্করণ আউরেলিয়ানো সেগুন্দোর নিজের কাছেই প্রমাণ করে যে তার উৎসাহ কতটা কমে গিয়েছে কতটা শুকিয়ে গিয়েছে তার আনন্দবাজ হিসেবে নতুন নতুন বুদ্ধি আবিস্কারের দক্ষতা সে বদলে গেছে অন্য এক মানুেষ। হস্তিনীর সঙ্গে প্রতিযোগিতার সময়ে যে একশ বিশ কেজি ওজন ধারন করেছিল তা কমে গিয়ে হয়েছে আটষট্টি; ফোলা কাছিমের মুখটা শুকিয়ে ফিরে গিয়েছে ইগুয়ানার মুখে, আর সবসময়ই একঘেয়েমীও ক্লান্ত ছিল তার নিত্যসাথী। পেত্রা কতেসের কাছে অবশ্য ঐ সময়ের মত ভাল স্বামী সে কখনই ছিল না কারণ হয়তবা তার করুণাকে ভুল করে ভালবাসা মনে করত আর হয়তবা এই বিপর্যয় ওদের মধ্যে এনে দিয়েছে এক পারস্পরিক নির্ভরতা।
(চলবে)

কিস্তি-১ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৪ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৫ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৬ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৭ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৮ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৯ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১০ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১১ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১২ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৩ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৪ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৫ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৬ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৭ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৮ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-১৯ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২০ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২১ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২২ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৩ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৪ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৫ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৬ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৭ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৮ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-২৯ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩১ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩২ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৩ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৪ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৫ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৬ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৭ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর

কিস্তি-৩৮ গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:নিঃসঙ্গতার একশ বছর
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (0) »

এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।