ফাদার দ্যতিয়েন : বাংলা গদ্যের শক্তিমান লেখক

শামসুজ্জামান খান | ২ নভেম্বর ২০১৬ ৩:৫৬ অপরাহ্ন

father-1
আলোকচিত্র: মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ এর উদ্বোধনী দিনের ছবি।
বেশ ক বছর আগে ঢাকা ঘুরে গিয়েছিলেন সাদা পাঞ্জাবি পাজামা পরা শ্মশ্রুমন্ডিত এক বিদেশি সাহেব। হ্যাঁ, একটু কৌতুকের সঙ্গে তিনি নিজেকে ‘সাহেব’ও বলতেন মাঝে মধ্যে। সাধারণ পোশাক-আশাক এবং চলনবলনে তাঁকে কিন্তু এক সৌম্যকান্ত বাঙালি বৃদ্ধের মতোই মনে হত আমাদের। আসলে তিনি একজন বিদেশি মিশনারি– নাম ফাদার দ্যতিয়েন। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন পল দ্যতিয়েন। পল দ্যতিয়েন জন্মেছিলেন বেলজিয়ামের রশ্ফয় নামের একটি জায়গায় ১৯২৪-এর ৩০ ডিসেম্বর। বাবার নাম ফ্যানি এবং মা এলিজাবেথ।
বাংলাভাষী অঞ্চলে ফাদার দ্যতিয়েন বাংলার বিদ্ব্যৎ সমাজে এক পরিচিত নাম। তাঁর মাতৃভাষা ফরাসি হলেও বাংলা ভাষায় তাঁর ব্যুৎপত্তি রীতিমত ঈর্ষণীয়। উইলিয়াম কেরীর পুত্র ফেলিক্স কেরী বহু বছর আগে বলেছিলেন, বাংলা তার দ্বিতীয় মাতৃভাষা। একথাটি খুব জোরের সাথে বলতে পারতেন ফাদার দ্যতিয়েনও। ১৯৭১-এ পুস্তকাকারে প্রকাশিত তাঁর বাংলা রচনা ডায়েরির ছেঁড়া পাতা এবং ১৯৭৩-এ প্রকাশিত রোজনামচা তাঁকে বাংলা ভাষার এক শক্তিমান লেখক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসে বসে তাঁর সঙ্গে আমাদের কথা হয় ১৯৯০-এর জুলাই মাসের ২৬ তারিখে। কথা ছিলো, সকাল দশটায় আসবেন। সোয়া নয়টায় তিনি হাজির হলেন, হেসে বললেন, “বাঙালি সময় না-সাহেবি সময় তো নয়ই– ‘অদ্ভুত’ সময়ে এলাম। পঁয়তাল্লিশ মিনিট আগে এসে গেলাম।” ‘এসে গেলাম’ কথাটি আবার উচ্চারণ করে হাসলেন এবং কৌতুকমিশ্রিত স্বরে বললেন : ‘এসে গেলাম’ আপনারা বাঙালিরা বলেন, এটি আপনাদের নিজস্ব বলবার ধরন। ‘এসে গেলাম’ মানে: ‘এসে পৌঁছলাম’, ‘এসে আবার চলে গেলাম নয়।’ কোন বিদেশি এটা না জেনে অনুবাদ করলে কেমন হবে বলুন তো।

সচিত্র সন্ধানী সাপ্তাহিকের ওই সপ্তাহের সংখ্যাটি তাঁর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললাম, এই পত্রিকার জন্যই সাক্ষাৎকার চেয়েছিলাম। দেখে বললেন, বেশ সুন্দর পত্রিকা তো।
ফাদার, একটু আগে যখন এসেছেন, তো একটু আগে থেকেই শুরু করি…
কত আগে, কী কী চাই…
লেখাপড়ার কথা, প্রথম থেকেই…
ঠিক আছে বাবা, বলছি। স্বদেশে দিনী হাই স্কুলে পড়েছি ১৯৩৬-৪২ পর্যন্ত। এরপরে সন্ন্যাসী সংঘ (Jesui) পরিচালিত আলৌ বিদ্যায়তনের আধ্যাত্মিক সাধনায় নবিশ (Noviciate) কোর্স করি ১৯৪২-৪৪-এ। বি.এ ডিগ্রি সম্পন্ন করি ১৯৪৪-৪৬ সালে ন্যামুর (Namur) থেকে এবং দর্শন শাস্ত্রে এম. এ করি লুয়েন (Louvain) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৯-এ। এম. এ তে তিন বছরের কোর্স (১৯৪৬-৪৯) ছিলো।
তারপর?
father-3তারপরই মিশনারি কাজ নিয়ে চলে আসি পশ্চিমবঙ্গে-১৯৪৯-এর অক্টোবর। অক্টোবর ১৯৪৯ থেকে পুরো ৫০ সাল পর্যন্ত শ্রীরামপুর ছিলাম। মিশনে বাংলা শেখা শুরু ফাদার আঁদ্রে দ্যোতান-এর কাছে। এ সময়ে শ্রীসজনীকান্ত দাশ-এর সংস্পর্শে আসি এবং তাঁর কাছ থেকেও বাংলা শেখার অনুপ্রেরণা লাভ করি।
এরপরে ১৯৫১ সালে ফাদার দ্যতিয়েন চলে আসেন কলকাতায়। উদ্দেশ্য, বাংলা ভাষাটা আরো ভালো শেখা। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে প্রাইভেট ছাত্র হিসাবে বাংলার ক্লাস করতেন। তখন তাঁর শিক্ষক ছিলেন শ্রীলোকনাথ ভট্টাচার্য। ফাদার বললেন, লোকনাথের শিক্ষায় তিনি অল্প সময়ে পোক্ত হয়ে ওঠেন। মজার ব্যাপার, এসময়ে অর্থাৎ ১৯৫১ সালে তিনি শ্রীরামপুর মিশন থেকে ফাদার দ্যোতান সম্পাদিত ‘আমাদের জীবন’ শীর্ষক ক্যাথলিক পাদরীদের বাংলা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গদ্যরচনা ‘রহস্যময় উপহার’ প্রকাশ করেন। সাধু ভাষায় লেখা যিশু খ্রিষ্টের এক কুঁজো বুড়িকে আপেল উপহার দান এবং গ্রহণ করে তার সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারার বিষয় ওই গল্পে বর্ণিত। এই গল্প লিখে তখন তিনি খুব আনন্দ পেয়েছিলেন। যিশুর মহত্ত্ব বর্ণনা এবং বাংলা লেখার উত্তেজনা একসঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।
ফাদার দ্যতিয়েনকে জিজ্ঞেস করলাম ‘তাহলে, ওটিই আপনার প্রথম লেখা?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘ঘটনা হিসাবে তাই। তবে, লেখাটা আমার হলেও ওটার খোলনচলে বদলে দিয়েছিলেন লোকনাথ বাবু।’ বাংলায় চর্চায় প্রথম পর্যায়ের আর কোনো প্রয়াসের কথা মনে আছে কিনা জানতে চাওয়ায় কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন “হ্যাঁ মনে হয়েছে। ‘লেখকের লেখনি’ নামে একটি লেখা বেরোয় ওই ‘আমাদের জীবন’ কাগজেই, ১৯৫৪ সালে। প্রথমে লেখা সাধু ভাষায় কিন্তু এটি চলতি বাংলা গদ্যে। লেখাটি অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আমিও বুঝতে পারি যে আমার হবে অর্থাৎ বাংলা গদ্যের স্বভাবটা আমি তখন একটু একটু ধরতে পারছি।”
ফাদার দ্যতিয়েন সুরসিক এবং প্রাণবন্ত মানুষ। আমাদের কথা বলার ফাঁকে এক মহিলা ও দুজন ভদ্রলোক এলেন। এঁদের সঙ্গে রীতিমাফিক কুশল বিনিময় ছাড়াও মহিলার সঙ্গে বেশ জমিয়ে কথা বললেন; দু’ একটি ঠাট্টাও করলেন এবং বললেন: ‘শতাধিক বাংলা পল্লীগীতির ক্যাসেট কিনেছেন, বেলজিয়ামে বসে প্রাণভরে এই সব বাংলা গান শুনবেন।’
৬৫ বছরের এই সুপণ্ডিত ও সুরসিক বাংলাপ্রেমিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকার যখন প্রায় আড্ডায় রূপ নিয়েছে তখন রসভঙ্গ করে তাঁর জীবন-কথা একটু ধারাবাহিকভাবে জানতে চাইলাম। তিনি রসিকতা করে বললেন ‘মহাভারত লিখবেন দেখছি। ঠিক আছে লিখুন তাহলে।’
বাসন্তী। চব্বিশ পরগণার একটি গ্রাম। ১৯৫২ সালে এই বাসন্তী গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে ছাত্র পড়ানোর কাজ নিলাম। বেতন ৪৫ টাকা। ওখানে মিশন ছিলো। ব্যবস্থাটা ওরাই করলেন। ছোট ছেলেমেয়েদের বাংলা-ইংরেজি পড়াতাম। এই স্কুলে এক বছর পড়িয়েছিলাম। এটাও ছিল বাংলা শেখার অঙ্গ। গ্রামের সাধারণ মানুষের ভাষার সঙ্গে পরিচয়।
১৯৫২ সালে ফাদার দ্যতিয়েন যান কার্শিয়ং-দার্জিলিং-এ। এখানে সেইন্ট ম্যারিস থিয়োলজিক্যাল কলেজে ধর্মতত্ত্ব পড়েন চার বছর। ৫৬ সালে এই কোর্স সমাপ্ত করে ’৫৭-এ আসেন শান্তিনিকেতনে। এবার কেতাদুরস্ত বাংলা শেখার পালা। নিয়মিত ছাত্র হিসাবে বাংলায় এম. এ ক্লাসে ভর্তি হলেন ’৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে। তার তখনকার শিক্ষকরা ছিলেন শ্রীপ্রবোধ সেন, শ্রীপঞ্চানন মণ্ডল, শ্রীঅশোকবিজয় রাহা প্রমুখ। ’৫৯-এ বাংলায় এম. এ পাস করলেন ফাদার দ্যতিয়েন।
শান্তিনিকেতনের শিক্ষা শেষ করে হাজারীবাগ চলে যান ১৯৫৯-এ। এখানকার সেইন্ট স্ট্যালিনাস কলেজে ধর্ম ও অধ্যাত্ম সাধনায় কোর্স করেন এক বছর (১৯৫৯-৬০)। ১৯৬০-এ ‘আমাদের জীবন’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। তখন এই পত্রিকার নাম পরিবর্তিত হয়। পরিবর্তিত নাম: ‘জীবন’।
‘জীবন’ পত্রিকা সম্পাদনার সময় তিনি বাইবেল অনুবাদ করেন। এ সময় বেশ কিছু লেখালেখিতে তিনি নিয়োজিত ছিলেন। আসলে তিনি বাংলা গদ্যের ধরন ও প্রবণতা বিশেষ করে লক্ষ করছিলেন। ১৯৬০-এ সৈয়দ মুজতবা আলী ‘জীবন’ পত্রিকায় তাঁর গদ্য লেখা পড়ে আকৃষ্ট হন।
father-4১৯৫৮ সালে তিনি কলকাতায় সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় তাঁর ডায়েরির ছেঁড়া পাতার দু’টি কিস্তি পাঠান। তখন তিনি শান্তিনিকেতনে বাংলায় এম.এ পড়ছেন। লেখা দু’টি প্রকাশিত হতেই যথেষ্ট কৌতূহলের সৃষ্টি হলো। এর কারণ ছিলো দু’টি। প্রথমত পাঠককে নাড়া দেবার মত সরস ও আকর্ষণীয় গদ্যশৈলী লেখকের, দ্বিতীয়ত লেখকের নাম। ‘ফাদার দ্যতিয়েন’ এ নাম একেবারেই অপরিচিত তখন। সে সময়ে বেশ ক’জন শক্তিমান লেখক ছদ্মনামে গদ্য ও রম্যরচনার ক্ষেত্রে আলোড়ন তুলেছেন। পাঠকরা ভাবলেন, ‘ফাদার দ্যতিয়েন’ ছদ্মনাম নিয়েই ওই রকম আর একজনের আবির্ভাব ঘটলো। কিন্তু না, ফাদার দ্যতিয়েন কোনো ছদ্মনামের আড়ালে থাকা বাঙালি লেখক নন। তিনি প্রকৃতই ‘ফাদার’ এবং অবশ্যই বিদেশি।
ফাদার দ্যতিয়েন ছিলেন ধর্মপ্রচারক। নিষ্ঠার সঙ্গে পড়াশোনা করে সে কাজ তিনি করেছেন। তবে হৃদয়, মস্তিষ্ক আর ভালবাসা দিয়ে চর্চা করেছেন বাংলা গদ্যের। ১৯৬০-এ দেশ পত্রিকায় ডায়েরির ছেঁড়া পাতা’র আরো পাঁচটি কিস্তি প্রকাশিত হয়। এরপরে নিয়মিতভাবে ‘দেশ’-এ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ওই লেখা।
১৯৭১ সালে ডায়েরির ছেঁড়া পাতা বই হয়ে বেরোয় এবং ৭৩-এ পুনর্মুদ্রিত হয়। ১৯৭২-এ তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে আসেন এবং এ সফরের ওপর ভিত্তি করে লেখেন রোজনামচা। ১৯৭৩-৭৪ সালে ওই রোজনামচা কলকাতার ‘অমৃত’ সাপ্তাহিকে পত্রস্থ হয় এবং পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬-এ। বাংলা গদ্যের এই কৃতী লেখক তাঁর ডায়েরির ছেঁড়া পাতা বইয়ের জন্যে ১৯৭৩ সালে সুবিখ্যাত ‘নরসিংহ দাস’ পুরস্কার লাভ করেন।
ফাদার দ্যতিয়েন ১৯৭৩ সালে সম্পাদনা করেন ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত উইলিয়াম কেরির ইতিহাসমালা। এই সম্পাদনার সুবাদে বইটি যে কেরির নিজের রচনা, তাঁর কোনো মুন্সীর নয়-এটাও নানা যুক্তিপ্রমাণ দিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলা গদ্যচর্চার সূত্রেই তিনি প্রকাশ করেন তাঁর গদ্য পরম্পরা (১৯৭৭) বইটি। এ বইয়ে আদিকাল থেকে সমকাল পর্যন্ত পথিকৃৎ গদ্য লেখকদের নমুনা তুলে ধরা হয়েছে।
ফাদারকে জিজ্ঞাস করেছিলাম এখন কী করছেন? তিনি জানিয়েছিলেন : ‘এখন দেশে ফিরে যাব। মাতৃভাষা ফরাসিতে বঙ্গদেশের কথা লিখবো। হয়তো ডায়েরির আকারেই লিখবো। জানেন, আমি গদ্যের স্টাইল দেখি, বুঝবার চেষ্টা করি। এবার আমার নিজের ভাষার নিজস্ব স্টাইলে লিখবার চেষ্টা করবো। বাংলা গদ্যও আমি লিখেছি বাঙালির বাচনভঙ্গির দিকে লক্ষ রেখে। গদ্যতে পণ্ডিতি করিনি–ঘরোয়া, অন্তরঙ্গ করবার চেষ্টা করেছি। আন্তরিকতার স্পর্শ লেগে স্বাদু হয়েছে কিনা আপনারা বলতে পারবেন।’
father-2
আলোকচিত্র: মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৪ এর উদ্বোধনী দিনের ছবি।
হঠাৎ সাহেব অনুপ্রাণিত ভঙ্গিতে বললেন, ‘আমি একটা স্বপ্ন দেখছি। বেলজিয়ামে একটি বাংলা চর্চা কেন্দ্রের স্বপ্ন। তেমন কোনো সহায়তা পাব না দেশে। কেউ খুব আগ্রহ দেখাবে মনে হয় না। তবু আমি আশাবাদী, চেষ্টা করে যাচ্ছি। বইপত্র, গানের ক্যাসেট সংগ্রহ করছি। বাংলাদেশ থেকে এজন্যে বেশ কিছু বই পেয়েছি, ক্যাসেট কিনেছি।’
ফাদার দ্যতিয়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর মানববিদ্যা কেন্দ্র এবং বাংলা একাডেমিতে বাংলা গদ্য বিষয়ে বক্তৃতা করেছেন। ঢাকা শহর সম্পর্কে জানতে চাইলে বললেন : রাস্তাঘাট সুন্দর, পরিষ্কার, বড় বড় পার্ক ভারী সুন্দর, সবুজ। এখানকার বই ভাল, ছাপা সুন্দর। বাংলা একাডেমি অনেক কাজ করেছে।
সবচেয়ে কী ভাল লাগল। উত্তর : লোকসংগীত আর রিকশা। রিকশাওয়ালা বলল: ‘সাহেব উঠুন দাম নিয়ে ঝগড়া করবো না, আপনি উঠলেই আমি খুশি।’
মাত্রই চলে গেলেন ফাদার দ্যতিয়েন। তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে গত শতকের আশির দশকের শেষার্ধে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপের স্মৃতির সঙ্গে সঙ্গে মনে আসছে এই তো সেদিন ২০১৪-এর ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তাঁকে আমরা সম্মানিত অতিথি হিসেবে নিয়ে আসি। সে অনুষ্ঠানে তাঁর অননুকরণীয় বাংলা বক্তৃতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উপস্থিত সবাইকে খুব আকর্ষণ করেছিল।
ফাদার দ্যতিয়েনকে স্মরণ করি বিনম্র শ্রদ্ধায়।

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন kazi mushfiqus saleheen — নভেম্বর ২, ২০১৬ @ ৯:৩০ অপরাহ্ন

      ওনার জন্মসাল কবে এবং বয়স কত ?আপনি লিখেছেন তার বয়স এখন পঁয়ষট্টি।যদি একান্ন সালে প্রথম বাংলা লিখে থাকেন তাহলে তখন তার বয়স এক বছর । আমার মনে হয় তথ্যগত ভুল আছে লেখাটাই।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Chapal — নভেম্বর ৩, ২০১৬ @ ১২:৪৪ অপরাহ্ন

      পল দ্যতিয়েন জন্মেছিলেন বেলজিয়ামের রশ্ফয় নামের একটি জায়গায় ১৯২৪-এর ৩০ ডিসেম্বর।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com