বব ডিলান, নোবেল পুরস্কার এবং সাহিত্যের সীমানা

সেজান মাহমুদ | ১৪ অক্টোবর ২০১৬ ২:১১ অপরাহ্ন

bob-1
ছবি: ২০১০ সালের ১২ অক্টোবরে লেখকের ক্যামেরায় বব ডিলান

বব ডিলানের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়া কতোটা বিস্ময়কর এবং কতোটা কাঙ্ক্ষিত তা বুঝতে হলে নোবেল পুরস্কার নিয়ে যারা বা যে সকল সংস্থা বাজী ধরার কারবার করে থাকেন তাঁদের পাতার দিকে নজর দিলেই হয়। যেখানে জাপানের লেখক হারুকি মুরাকামির পক্ষে বাজীর মাত্রা ছিল ৪/১ অর্থাৎ সম্ভাব্যতার বিচারে শতকরা ২০ ভাগ তাঁর পক্ষে সেখানে বব ডিলান ছিলেন ৫০/১ অর্থাৎ মাত্র শতকরা ১.৯ ভাগ। কিন্তু এই অংকের সংখ্যা দিয়ে কী আর নোবেল পুরস্কার হয়? এগুলো করা হয় বাজী ধরে জুয়া খেলার জন্যে। কিন্তু এই জুয়াড়িদের হিশেব নিকেশকে কিছুটা আমলে নিতেই হয় কারণ এরা সাহিত্যমূল্য থেকে শুরু করে সাহিত্যের রাজনীতিকেও আমলে এনে বিচার করেন। যে কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় তাহলো শুধু এই জুয়াড়িরা কেন, বব ডিলানের কথা স্বয়ং আমেরিকান লেখক বা সাহিত্য সমালোচক বা কলাম লেখকেরাও এবার মাথায় আনেননি যদিও তিনি সম্ভাব্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় এসেছেন বেশ কয়েকবার। যেমন আমেরিকান অ্যালেক্স শেফার্ড কলাম লেখেন সেই অক্টোবর ৬ তারিখে যার শিরোনাম ছিল “কে পাবেন ২০১৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার? বব ডিলান যে নয় তা নিশ্চিত।”

বব ডিলান সঙ্গীতজ্ঞ, গীতিকবি, কণ্ঠশিল্পী। তাঁকে সাহিত্য শাখায় নোবেল পুরস্কার দেয়া কি সাহিত্যের পরিধিকে একেবারে আলগা করে দেয়া কিনা এ প্রশ্ন সকলের মনেই উঁকি দিয়ে যাচ্ছে, কখনো সরব আপত্তি হিসাবেও। সাহিত্য তথা সংগীতের নন্দনতাত্ত্বিক দিক বিচার করে এই দুই শাখার একটা সম্মিলন ঘটছে কি না এবং তা বিশ্ব সাহিত্যের শ্রোতধারায় একটা শক্ত জায়গা করে নিয়ে যাচ্ছে কি না তা সাহিত্যের ডিসকোর্সের মধ্যেই আলোচনা করা যায়। সেই আলোচনায় যাবার আগে নোবেল কমিটির বিচারকেরা কীভাবে এই সীমানা কে দেখছেন তা ঝালিয়ে দেখা যেতে পারে। তাঁরা এই সাহিত্যের পরিধি বা সীমানাকে ভাঙ্গার যে চেষ্টা করছেন তা কিন্তু গত কয়েক বছরের পুরস্কারের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। বিশেষ করে গত বছর আলেক্সিভিচ স্‌ভিতলানার নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি পুরাতন গণ্ডিকে ভেঙ্গে নতুন সীমানার দুয়ার খুলে দেয়; কারণ, আলেক্সিভিচ স্‌ভিতলানা মূলত ফিকশন এবং নন-ফিকশনের সংমিশ্রণে একধরনের মৌখিক নেরেটিভ বা বয়ান তৈরি করেছে যা সচারচর মূলধারার সাহিত্য হিসাবে বিবেচিত হয়নি অতীতে।

bob-2
ছবি: ২০১০ সালের ১২ অক্টোবরে লেখকের ক্যামেরায় বব ডিলান
নোবেল পুরস্কারকে সাহিত্যের পরম মানদণ্ড হিসাবে ধরতে চাই না। কারণ, এই মানদণ্ডে তলস্তয় বা জেমস জয়েস যেমন বাদ পড়ে গেছেন, তেমনি অনেক নাম এসে যায় যারা পুরস্কৃত হয়েও বিশ্ব সাহিত্যে তেমন জায়গা করে নিতে পারবেন না বা পারেননি। একে পরম মানদণ্ড হিসাবে না ধরেও সাহিত্যে সমালোচনার মূল ধারাগুলো নিয়ে এই পর্যালোচনায় পা রাখা সম্ভব। প্রথমত প্রশ্ন করা যেতে পারে গানের বাণী কি কবিতায় উত্তীর্ণ হতে পারে? অবশ্যই পারে। রবীন্দ্রনাথ সেকথার প্রমাণ রেখে গেছেন একশ বছরেরও আগে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ভিন্ন ঘরানার কবি, যাঁর গীতি কবিতায় দর্শন, জীবন সৌন্দর্য্য এমনভাবে মিলেমিশে একেকার যে সেই সময়ের বিশ্বসাহিত্যে তাঁর আগমন ইউরোপীয় দর্শনের ব্যক্তি, বস্তু, এবং পারলৌকিক জগতের মহা জগাখিচুড়িময় সংশয়ের মধ্যে এক অনিবার্য আত্নজিজ্ঞাসার উত্তর এনে দিয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলির প্রথম চরণ-

“আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে
সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে”

আমার জানা মতে বাংলা সাহিত্যে এই কবিতার যতো ব্যাখ্যা পড়েছি তাতে সকলেই বলার চেষ্টা করেছেন রবীন্দ্রনাথ কতোটা বিনয়ী ছিলেন কিম্বা পরম আত্নসমর্পনের কথা বলেছেন; সিনিক্যাল কেউ কেউ এটাকে রবীন্দ্রনাথের বৃটিশদের প্রতি আত্নসমর্পনের কথা হিসাবে ব্যাখ্যা করেছেন। অথচ রবীন্দ্রনাথ নিজে যখন গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ করেন তখন প্রথম চরণে লিখেছিলেন,

“Thou hast made me endless, such is thy pleasure”

রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতা অনুবাদ করে বন্ধুদের হাত ঘুরিয়ে সেই সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী আইরিশ কবি ও নাট্যকার ডব্লিউ বি. ইয়েটসকে দিয়েছিলেন। ইয়েটস বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন কিভাবে একটি সংস্কৃতিতে সংগীত, সাহিত্য আর ধর্মের নৈবেদ্য মিলেমিশে একেকার হয়ে যায়। লক্ষ্য করে দেখুন সেই সময় ইউরোপ জুড়ে ফ্রেড্রিখ নীটশার (Friedrich Nietzsche) তুমুল প্রভাব। তাঁর “ইটারনাল রিকারেন্স” বা “অনন্ত পুনরাবৃত্তি” আর সেই সময়ের ইউরোপীয় ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এক নতুন রকমের চ্যালেঞ্জের মুখে। একদিকে ফেনোমেনোলজি, অন্যদিকে অস্তিত্ববাদ যাকে প্রতিহত করার জন্যে সনাতনবাদীরা এককাট্টা। সেইসঙ্গে শুরু হয়েছে বিশ্বযুদ্ধের দামামা। ঠিক তখন রবীন্দ্রনাথ বললেন,

“This little flute of a reed thou hast carried over hills and dales,
and hast breathed through it melodies eternally new”

এখানে নীটশার চূড়ান্ত দার্শনিক প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়, যা আরও গভীরভাবে প্রমাণিত হয় রবীন্দ্রনাথের সনাতন ধর্ম থেকে ব্রহ্মবাদের দিকে ঝুঁকে পড়া থেকে। সেই পরম আত্না যেখানে বিনাশর্তে আত্নদান করে পরম মুক্তি, আছে বৈষ্ণব পদাবলির আর বাউলিয়ানার মরমি ও সহজিয়া ধারা। হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথের মধ্য দিয়েই উরোপ তথা বিশ্বসর্বশ্রেষ্ঠ এক কবিকে জানতে পেরেছিল, যে কবি সেই সময়ের দার্শনিক সংকটে এক সহজিয়া, মরমী সমাধান দেখিয়েছিলেন- আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে।

bob-3
ছবি: ২০১০ সালের ১২ অক্টোবরে লেখকের ক্যামেরায় বব ডিলান

ধান ভানতে শিবের গীতের মতো বব ডিলানের নোবেল পুরস্কারে রবীন্দ্রনাথকে এতো ঘটা করে টেনে আনা কেন? কারণ, রবীন্দ্রনাথকে না বুঝলে বব ডিলানের নোবেল পুরস্কারের কার্যকারণ বোঝা সহজ হয় না। একমাত্র এই দুইজন ব্যক্তিই গীতিকবিতা বা গানের জন্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলা যায়। অথচ রবীন্দ্রনাথ আর বব ডিলানের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এই বৈপরীত্য বোঝাতেই ধানভানতে শিবের গীত গাওয়া। এই বৈপরীত্যটা কোথায়? এই বৈপরীত্য হল প্রয়োগ সাহিত্যে। বব ডিলানের গান আমেরিকার সংগীতের ঐতিহ্যে এক নতুন ধরণের কাব্যিক সুষমা জন্ম দিয়েছে একথা বললেই সব বলা হয় না। ষাটের দশকের আমেরিকা, যুদ্ধবাজ আমেরিকা, বর্ণবৈষম্যময় আমেরিকা, মানবাধিকার লুণ্ঠিত যে আমেরিকা সেখানে সংগীতের বর্ণময় প্রকাশ, নতুন কাব্যিক দর্শন নিয়ে হাজির হয় সাধারণ মানুষের মনে। এই প্রভাব বিস্তৃত হয় বিশ্বময়, যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কোটি কোটি মানুষের মুক্তির পক্ষে দাঁড়িয়ে যায় এই সংগীত, হয়ে ওঠে চিরন্তন; এটাই প্রয়োগ সাহিত্য।

প্রশ্ন করা যেতে পারে সুর, সঙ্গীত, আর পারফরমেন্স বা পরিবেশনার সঙ্গে সাহিত্যের মূল সংঘাত বা সম্মিলন কোথায়? তাহলে তাকাতে হয় কবিতার একেবারে আদি রূপের দিকে, আদি ইতিহাসের দিকে। আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে যখন হোমার রচনা করেন ইলিয়াড কিম্বা ওডেসি’র মতো মহাকাব্য তখন তা পঠিত হতো নাট্য-সংগীত, অভিনয় বা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে। কিম্বা হোমারের সমতুল্য মহিলা কবি স্যাফোর কবিতা একই ভাবে সঞ্চালিত হতো। বলা যায় কবিতা আর পারফরমেন্স সেই আদিকাল থেকেই গাঁটছাড়াভাবে যুক্ত। তাহলে বব ডিলান কেন স্বয়ং কাব্য, সুর এবং সঞ্চালনের স্রষ্টা হিসাবে বিশেষভাবে মর্যাদা পাবেন না?

সাহিত্য সমালোচনা ও সমালোচনা সাহিত্য শিরোনামের একটি লেখায় আমি ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্র এবং আরিস্ততলের পোয়েটিক্স-এর মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করে লিখেছিলাম যদিও‘পোয়েটিকস’ সরাসরি সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত হলেও ‘নাট্যশাস্ত্র’ বরং পারফরমিং আর্টসের সঙ্গে যুক্ত, তবু এক শাখার শিল্প বিচারের সঙ্গে অন্যশাখার কোথাও কোথাও মিল খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। যেমন ‘নাট্যশাস্ত্রে’র অন্তর্গত সংগীত, নৃত্য আর অভিনয়কলার নন্দনতত্ত্ব বহুলাংশে কবিতার নন্দনতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। (http://arts.bdnews24.com/?p=3753)
আজকের বব ডিলানের নোবেল পুরস্কার যেন সেই আদি দুই শাস্ত্রের সম্মিলনের কথাই মনে করিয়ে দিল।

bob-4
ছবি: ২০১০ সালের ১২ অক্টোবরে বব ডিলান কর্তৃক স্বাক্ষর করা লেখকের ব্যক্তিগত হারমোনিকা
বব ডিলান শুধু সংগীত রচনা করেই বা সঞ্চালন করেই ক্ষান্ত দেননি, অত্যন্ত সচেতনভাবে সময়ের অগ্রসরতা দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছেন। একজন শিল্পী তা কবি বা লেখক যা-ই হোন না কেন কখনোই নিরপেক্ষ নন; প্রশ্ন হলো তিনি কোন পক্ষ নিচ্ছেন। এখানেও বব ডিলান সময়ের সঙ্গে অগ্রসরতার পক্ষে ছিলেন, মানবিকতার পক্ষ নিয়েছিলেন। এখানেও তাঁর প্রয়োগ সাহিত্যের মূল্যে।

bob-5
ছবি: ২০১০ সালের ১২ অক্টোবরে বব ডিলান কর্তৃক স্বাক্ষর করা ব্যক্তিগত হারমোনিকা বাজাচ্ছেন লেখক

কাজের ব্যাপ্তির দিক থেকে চিন্তা করলেও বব ডিলান এক ইর্ষনীয় সাফল্যের অধিকারী। গানের সংগ্রহ (বব ডিলান সং বুক), নিরীক্ষা ধর্মী গদ্য কবিতা (তারান্তুলা), আত্মকথা সব মিলিয়ে ইংরেজি ভাষায় তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা ৩০টি, গানের এলবাম বেরিয়েছে ৭০টি আর তাঁকে নিয়ে চলচ্চিত্র বা প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে গোটা দশেক। তাঁর রচনা অনূদিত হয়েছে ফরাসি, স্প্যানিশ, জার্মান এবং সুইডিশ ভাষায়। সুতরাং বব ডিলানের কয়েকটি গান শুনেই যারা মনে করেন তাঁর সাহিত্যকর্মকে জানা হয়েছে তাঁদের কাছে হয়তো নোবেল পুরস্কারটি চূড়ান্ত বিস্ময়ের কারণ হতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবারের সম্ভাব্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে বব ডিলানকে অনুমান করিনি। আমার অনুমান মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় একজন গীতিকবি হিসাবে, গীতিকবিতায় নোবেল পুরস্কার পাওয়া বাংলা ভাষার সামান্য লেখক হিসাবে এবং সাহিত্যের সীমানা বা পরিধি বাড়িয়ে দেয়া এই পুরস্কারকে স্বাগত জানাই। অন্যদিকে হোমারের কবিতা যেমন সেই প্রাচীন গ্রিকের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছিল তেমনি আজকের আমেরিকার রাজনীতিতে যে অশুভ শক্তি, বিশ্ব রাজনীতির অঙ্গনে যে অশুভ শক্তি তার বিরুদ্ধে বব ডিলানের গান হয়ে উঠুক প্রতিরোধের বাণী। সাহিত্যের যে ঐতিহ্যগত সীমানা তা ভেঙ্গে পড়ছে কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে সুইডিশ একাডেমীর স্থায়ী সদস্য, সাহিত্য-পণ্ডিত স্যারা দানিয়াসের মতো বব ডিলানের গানের বাণী ধার করে বলি –

The Times they are changing…
সময় তো বদলে যায় …
এই বদলানো হোক মানব ইতিহাসের ধনাত্মক পরিবর্তনের, মানব মুক্তির পক্ষে।

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাহিদ — অক্টোবর ১৪, ২০১৬ @ ২:৫৯ অপরাহ্ন

      লিখাটা পড়ে বুঝতে পারছি কেন দেওয়া হল। আমাদের প্রজন্ম ওনার ব্যাপারে তেমন কিছু জানার কথা না।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আলমগীর ফরিদুল হক — অক্টোবর ১৫, ২০১৬ @ ১:০৩ পূর্বাহ্ন

      ডায়লানের ভালবাসা সিক্ত বলে লেখক সেজান মাহমুদ তার ব্যাখ্যার প্রগাঢ় অর্কেস্ট্রেশনে এনেছেন নানা অনুষঙ্গ — ভরতমুনি থেকে এরিস্টটেল প্রমূখ– কিন্তু এতো মোহাবিষ্টতায় কিছু সমালোচনা নিমিত্তে কিছু দূরকল্পিত মুনিঋষিদের কথা এসেছে যা আরো ব্যাখ্যার অবকাশ আছে! সহজ কথায় তার বিটকবি সত্ত্বাকে, মার্কিনী মন্বন্তরের উডি গুথ্রীর প্রভাব এবং মিসিসিপি ডেল্টা ব্লুজের অন্তঃসত্ত্বার ব্যাখ্যা করতে গেলেই তাঁকে এই পুরস্কারের যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় এমনিতেই ! যা হোক বব ডায়লানের এই বিতর্কিত নোবেল পুরস্কার এস্টাব্লিশমেন্টের দরজায় কি করে যেন আঘাত করেছে, এই নিয়ে সে কি তীব্র মাতম শুরু হয়েছে! তাতে আশ্চর্য হতে হয় বৈকি! এই বিটকবি ও সঙ্গীত শিল্পীকে অভিবাদন, যদিও নোবেলটি শীতল যুদ্ধের সময় প্রধান করলে তখন নোবেল কমিটিকে সাধুবাদ জানানো সুপ্রযুক্ত হতে পারতো !

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com