প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য: কয়েকটি টীকা ও টিপ্পনী

একরাম আলি | ৩ অক্টোবর ২০১৬ ৬:১২ অপরাহ্ন

produmnoকোনো ন্যাশনাল ডেইলিতে এমন খবর ছাপা হয়নি: PRADYUMNA BHATTACHARYA IS NO MORE। কোনো বাংলা কাগজের পক্ষেও জ্ঞান-সীমান্তের এতটা দূরবর্তী অঞ্চলে পৌঁছনো প্রায় অসম্ভব।
ওই যে শুয়ে আছেন সকালবেলা, সিমেন্টের মেঝের উপর অতিসাধারণ শয্যায়, শিয়রে মাটির প্রদীপ, মুখের চারদিকে মশা উড়লেও বন্ধ চোখে গভীর প্রশান্তি, গুটিকয়েক মানুষের শোকচ্ছায়ায় এক মহিলা মৃদুকণ্ঠে একমনে গেয়ে চলেছেন রবীন্দ্রনাথের গান, ওই মানুষটি জীবিত অবস্থায় ছিলেন একান্তভাবেই নির্জনতাবাসী। বলা ভালো, নিজের জন্যে একটা গুহাই বানিয়েছিলেন আদিম কালের গ্রানাইট পাথর দিয়ে। ‘আদিম’ শব্দটি ব্যবহারের বিশেষ উদ্দেশ্য এই যে, তাঁর চর্চার বিষয়ে তিনি সব সময় পৌঁছতে চাইতেন উৎসে, আকরে। নতুন চিন্তায় পৌঁছতে এটাই ছিল তাঁর পথ।
প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য (জন্ম ২০ নভেম্বর ১৯৩২, মৃত্যু ২ অক্টোবর ২০১৬)। বাবা স্বনামধন্য নদী-বিশেষজ্ঞ কপিল ভট্টাচার্য ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য বাস্তুকার। মা আলোকময়ীকে জীবনের দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়েছে রাঁচির পাগলা গারদে।
বিপর্যস্ত জীবন। মাত্র চারটি গ্রন্থের এই জনককে নিয়ে তবু অনুরাগীমহলে আগ্রহের আর শ্রদ্ধার সীমা ছিল না। বেশ কয়েকটি গল্প ঘুরেছে তাঁর অতলস্পর্শী অনুসন্ধিৎসা নিয়ে, কোনো রচনার আগে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে। সেগুলোর সত্যতা কতটা, জানি না। দরকারও নেই জানার। তবে সে-সব গল্পের গিঁট খুললে যে-সুগন্ধটুকু বেরিয়ে আসে তাতে এটুকু বোঝা যায়, তিনি ছিলেন বাংলাভাষায় জ্ঞানচর্চার এক বিরল মানুষ।

বিচ্যুতি কি হয় না মানুষের? অতিমানুষেরও? হতে পারে। তবে ছোটোখাট বিষয়েও তিনি থাকতে চাইতেন সতর্ক। নির্ভুল।
একটা ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ টানলে বাহুল্য হবে না হয়তো। সেটা ১৯৯৫/৯৬ সালের কথা। শঙ্খ ঘোষের বাড়িতে এক রোববার এসেছেন তাঁর প্রিয় বন্ধু প্রদ্যুম্নবাবু। আলাপের পর পাঞ্জাবির পকেট থেকে ছোট্ট নোটবুক বের করে ঠিকানা জানতে চাইলেন আমার। এতজন থাকতে আমার? ঘরে ততক্ষণে ফিসফিস শুরু হয়েছে যে, একরাম তাহলে জাতে উঠলেন! কৌতূহলবশত আমি ঝুঁকে দেখছিলাম তাঁর হাতের লেখা। মূর্খেরা যা করে, একসময় মুখফসকে বলে ফেলি, সংখ্যা আপনি ইংরেজিতে লেখেন?
তাঁর সবিস্ময় উত্তর, ‘না তো! অ্যারাবিক নিউমেরাল।’ বলেই সামনের উপবিষ্টজনের উদ্দেশে বলেন, ‘শঙ্খ, অক্সফোর্ড ডিকশনারিটা কোথায়?’
শঙ্খবাবু তৎক্ষণাৎ উঠে নির্দিষ্ট সংস্করণটি নিয়ে এলে তিনি বের করেন সেই পাতা, যেখানে এন্ট্রি রয়েছে ‘ওয়ান’-এর। দেখান, পরিষ্কার তাঁর কথাই লেখা রয়েছে।
এই হচ্ছেন প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য, যিনি সর্বদা পারফেকশনিশট। একবার মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে নিয়ে কয়েকটি গল্প লিখেছিলেন প্রদ্যুম্নদা। তাঁর নাসিরুদ্দিন ছিলেন সমকালীন বিশ্বের এক প্রতিবাদী মানুষ। ভাঁড় চরিত্রটির আড়াল থেকে তীক্ষ্ণ মন্তব্যে যিনি বিদ্ধ করেন ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোকে। ‘তেরছা নজরে: মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প’ নামে একটি বইও আছে। ভুমিকাটিতে লিখছেন, ‘মোল্লার সমস্ত গল্পে জেগে আছে একটি চোখ। যে-চোখ প্রতিস্পর্ধী। কীসের? এককথায় বলতে পারি: ক্ষমতাতন্ত্রের। এ তো আমাদের রোজকার অভিজ্ঞতা যে, কী বাইরে কী ঘরে, একটি চোখ আমাদের ওপর নজর রাখছে, প্রতিমুহূর্তে। কখনো সে-চোখ পুরুষের; কখনো পরিবারের; কখনো সমাজের; কখনো রাষ্ট্রের; কখনো পুঁজির। চোখ হচ্ছে হরেক কিসিমের ক্ষমতার একাধারে প্রতীক আর যন্ত্র।’
বইটি পড়ে এক উৎসাহী পৌঁছে যায় তাঁর বাড়িতে। সে মোল্লার ওপর কাজ করতে চায়। শুনে প্রদ্যুম্নদার উত্তর ছিল, ফারসি আর আরবি জানা আছে কিনা।
নেই।
তাহলে তো হবে না।
উৎসাহীটি হতাশ হয়ে ফিরে আসে।
প্রসঙ্গত, প্রাচ্যের কোনো বিষয় নিয়ে ইওরোপ-আমেরিকার কারো লেখা সামনে এলে তাঁর প্রথম কাজ ছিল সন্দেহ করা। এমনকী, নিজের জ্ঞানকেও তিনি সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখেননি কোনোদিন।


মেধার আর বৈদগ্ধের গুণে ছাত্রাবস্থাতেই পেয়েছিলেন উজ্জ্বল সব বন্ধু। নিতান্ত তরুণ বয়সেই সাহচর্য পেয়েছেন বিখ্যাতজনদের। ‘ভারতকোষ’ যখন সংকলিত হচ্ছিল বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর তত্ত্বাবধানে, তরুণ দলের নেতা ছিলেন প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য। সহ-সম্পাদকও। সে-দলে ছিলেন শঙ্খ ঘোষ, সুবীর রায়চৌধুরী এবং আরো অনেকে। মাথার ওপরে বিখ্যাতজনেরা– সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সুকুমার সেন, নির্মলকুমার বসু প্রমুখ। এই সব বাঘা বাঘা পণ্ডিতদের সামাল দেওয়া কম কথা নয়। সেটা উনিশশো বাষট্টি সাল। প্রদ্যুম্নদার বয়স মাত্র বত্তিরিশ। সেই অধ্যায় নিয়েও গল্প কম নেই। আজো প্রামাণ্য হিসেবে সেই ভারতকোষ-এর গুরুত্ব একই থেকে গেছে। আর নেপথ্যের অনেক গল্প যাঁদের জানা, তাঁরা জানেন, ওই সংকলনে প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্যের ভুমিকা কতটা।
এই পর্বটি সম্বন্ধে আরও একটু জানার জন্যে শঙ্খ ঘোষের শরণাপন্ন হব আমরা। তিনি লিখছেনঃ
“১৯৬৪-৬৫ সাল জুড়ে চিন্তাশীলদের আরেকটা স্মরণীয় মিলন ক্ষেত্র ছিল `বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ – এর তিনতলায়। গান্ধীবাদী নির্মলকুমার বসুর স্নেহচ্ছায়ায় স্বল্পভাষী নিরলস এক কম্যুনিস্ট তরুণ তখন ‘ এনসাইক্লোপিডিস্ট আন্দোলন’ – এর স্বপ্ন দেখছেন, পরিষদ-প্রযোজিত ‘ভারতকোষ’-এর সহ-সম্পাদনার সুবাদে। সন্ধ্যার পর সন্ধ্যা, ধীরস্থির চিন্তাহরণ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলছেন তরুণ সুবীর রায়চৌধুরী, নির্মলকুমার বসুর সঙ্গে তর্ক করছেন শচীন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, সুনীতিকুমার, সুকুমার সেন বা রমেশচন্দ্র মজুমদারের কাছে পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে মুহূর্মূহূ, কাছেই সত্যেন্দ্রনাথ বসুর বাড়িতে ছুটতে হচ্ছে কখনো- বা, সব বয়সের বিজ্ঞানী সাহিত্যিক দর্শনবিদ ইতিহাসবিদেরা ভিড় করে আছেন মস্ত এক গোল টেবিলের চারধারে, আর এই সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করছে বত্রিশ বছর বয়সের একজন তরুণের নিষ্ঠা। এই তরুণ, প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য, ‘ ভারতকোষ ‘ – এর সঙ্গে সঙ্গে ‘সাহিত্যপত্র’ পত্রিকাটির ও দায়িত্ব নেন অল্পদিনের জন্য, প্রায় রিলে-দৌড়ের মতো সম্পাদনার হাতবদলের মধ্য দিয়ে বিষ্ণু দে-র যে-পত্রিকা একটা সুস্থতা বাঁচাতে চেয়েছিল প্রায় দুই দশক জুড়ে ।”…
(আর এক আরম্ভের জন্য: এখন সব অলীক, পৃষ্ঠা ১৮১)


কথিত আছে, গ্রিগোরি কোজিন্তসেভের ‘কিং লিয়র’ দেখে অশোক সেনমশাইকে তাঁর অভিভূত হওয়ার কথা বলেছিলেন। সেনমশাই তাঁকে ‘বারোমাস’ পত্রিকায় লিখতে বলায় রাজিও হয়ে যান প্রদ্যুম্নদা। আর তার পরই পড়েন বিপাকে। মাত্র একবার দেখে একটা ফিল্ম সম্বন্ধে কী করে লিখবেন তিনি! এদিকে কথা দিয়ে ফেলেছেন যে!
শুরু হয় তাঁর অসম্ভব এক চেষ্টা। কলকাতা আর তার আশপাশের যত ফিল্ম সোসাইটি ছিল তখন, সবগুলোর ঠিকানা জোগাড় করে একটা করে চিঠি লেখেন। যদি তাঁরা কোজিন্তসেভের ‘কিং লিয়র’ দেখান, অনুগ্রহ করে জানাবেন?
শোনা যায়, এইভাবে মোট বাইশ বার ‘কিং লিয়র’ দেখার পর লিখেছিলেন– “কিং লিয়র’: সিনেমার কবিতা” নামের প্রবন্ধটি। আশ্চর্য সেই রচনাটি রয়েছে ‘টীকাটিপ্পনী’ বইয়ে।
তাঁর সম্পর্কে কত এরকম গল্প হলেও সত্যি যে মুখে-মুখে ঘুরেছে একসময়!
প্রবন্ধ-আকারে তাঁর একটি আশ্চর্য নিক্তিমাপা চিন্তাসূত্র সংকলিত হয়েছে ওই বইয়ে– ‘রাজনৈতিক উপন্যাসঃ স্বারূপ্যের সন্ধানে’। তিনি লিখছেন, উদ্ধৃতি একটু দীর্ঘ হবেই, উপায় নেইঃ ”ইউরোপের উপন্যাসই সেই প্রথম শিল্পরূপ, যেখানে মানুষ আত্মপ্রকাশ করল ঐতিহাসিক সময়ের দ্বারা নিরূপিত হয়ে। সময় তো ছিল পুরাণেও; কিন্তু সেখানে কালমান এতই অলৌকিক, এতই বিশাল যে নজরেই পড়ে না। মহাকাব্যেও রয়েছে সময়ের আয়তন; কিন্তু আয়তন থাকলেও, সেখানে নেই কালের কোনো নির্দিষ্ট গতিমুখ। সুতরাং সেই কাল দেশের মতন দশ দিকে ছড়ানো, বিছানো। মহাভারতে, তাই, সময়ের যে-ছবি ঘুরে-ঘুরে আসে, তা হল শাদা-কালো এই দুই সুতোয় বোনা এক অন্তহীন বস্ত্রের চিত্ররূপ। অভিমুখহীন এই অনন্ত বসন যার উপমান, তার পূর্ব পশ্চিম ঊর্ধ্ব অধঃ– যে-কোনো দিকে– মহাভারতকার সঞ্চরণ করতে পারেন, যেমন ইচ্ছে। যেহেতু অভিমুখহীন, সেহেতু এই সময়ের যাপন-প্রক্রিয়ায় কৃষ্ণ বা দ্রৌপদী বা যুধিষ্টির ক্রমাগত হয়ে-ওঠে না; ওরা হয়ে-আছে। অন্যপক্ষে, ক্রনোমিটার-ক্যালেন্ডারের দ্বারা পরিমাপ্য যে বাস্তব ধাবমান কালকে এক জার্মান ভাবুক বলেছেন ‘সমসত্ত্ব, শূন্য সময়’, সেই কাল, উপন্যাসের প্রত্যেক স্নায়ুকোষে অন্তঃশীল।”


যে-ক’বার সুযোগ হয়েছে তাঁর সান্নিধ্যলাভের, প্রতিটি ক্ষণই জ্বলজ্বল করছে আজ। মনে পড়ছে সেই অগোছালো ঘরটি। এলোমেলো চেয়ার। শেলফে মলিন বইয়ের সারি– এমনকি খাটেও। দেওয়ালে ছ্যাতলা-পড়া যামিনী রায়, যেটি বিয়েতে উপহার দিয়েছিলেন বন্ধু শঙ্খ ঘোষ। সব কিছুই আজও উজ্জ্বল এবং একই সঙ্গে অর্থহীন।
চা ছিল প্রিয় পানীয়। শীতে ঢাকনা-দেওয়া বড়ো পাহাড়ি কাপ। বিস্কুট না-খেলে বলতেন, নাহুম থেকে আনানো, খাও। বড্ড খুঁতখুঁতে, তাই নিজে করতেন চা। হাতে থাকত ঘড়ি, যেন স্টপওয়াচ! তেমনই আবার আচমকা ফোনে জানতে চাইতেন, হাল বইবার সময় জোয়ালের সঙ্গে যে-দড়িতে দুটো বলদ বাঁধা হয়, সেই দড়ির নাম কী? যুতি? আচ্ছা, যুতিই তো?

বহু দিন তাঁর ফোন আসেনি। বহু দিন তিনি শয্যাশায়ী। আমাদের অনেকেরই কত-কত প্রশ্ন উত্তরহীন রয়ে গেল তাঁর দীর্ঘ নীরবতার জন্যে। আর, এখন তিনি, প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য, আমাদের প্রদ্যুম্নদা, চলে গেলেন চিরনীরবতার রাজ্যে। নিতান্ত সাদামাটা ভাবে। যেমন্টা তিনি চেয়েছিলেন।

গ্রন্থপঞ্জি:
১। টীকা টিপ্পনী
২। আখ্যান ও সমাজ: তারাশঙ্কর
৩। তেরছা নজরে: মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প
৪। রোদ্যাঁ: নটরাজ (অনুবাদ)

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (5) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সৌম্য দাশগুপ্ত — অক্টোবর ৪, ২০১৬ @ ১২:০২ পূর্বাহ্ন

      কাজের কথায় আর মানবিক টুকরো ছবিতে জীবন্ত হয়ে উঠলেন প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য। একরামদাকে ধন্যবাদ!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বপন কুমার সুর — অক্টোবর ৪, ২০১৬ @ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

      ৩রা অক্টোবর ২০১৬ গণশক্তি পত্রিকার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় অধ্যাপক ভট্টাচার্যের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পল্লব ভট্টাচার্য — অক্টোবর ৪, ২০১৬ @ ১:২৭ অপরাহ্ন

      ঋদ্ধ হওয়ার মত একজন মানুষকে আপনিই তুলে ধরলেন আবার । কৃতজ্ঞ আমরা ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রণব ভট্টাচার্য — অক্টোবর ৪, ২০১৬ @ ৯:৪৮ অপরাহ্ন

      ঋদ্ধ হলাম ! কত কম জানি !

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় — অক্টোবর ৫, ২০১৬ @ ১১:৪৪ অপরাহ্ন

      মুগ্ধতা ও বিষণ্ণতা একই সঙ্গে গ্রাস করল। লেখককে ধন্যবাদ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com